কেউ কেউ প্রিয়জল মুছে ফেলে
ধূ ধূ বালিয়াড়ী, শূণ্য মরুভূমি বুকে টেনে লয়।
যেখানে গাঙচিল উড়েনা
বাতাস ভুল স্বরে প্রলাপন করে।
যেখানে জলের রেখা মানে মরিচীকা।
কেউ কেউ জলে গা ভাসানোর
আমেজ ধুয়ে ফেলে
বৃষ্টিহীন রূক্ষ মাঠ ভালোবাসে।
ভালোবাসে যখন রোদে আগুন ঝরে
আর স্বেদ গ্রন্থিতে সমুদ্র দোঁহার।
মানুষদের কেউ কেউ
জল প্রিয় হলেও
সাত্ত্বনা খোঁজে মরুভূমি বালিয়াড়ী মৃত্তিকায়।
“প্রিয় শ্যামা নারী”,
তুমি এদের ব্যতিক্রম বল
আমি বলিনা
কেননা-
আমিও তো ব্যক্তিগত সুখ হত্যা করে
তোমাকে অষ্টপ্রহর আমার চাইছি।
আমি যীশুর মতো বুকে ধরে নিয়েছি
তোমার গত জন্মের ব্যথা,
যে ভুল প্রেমে
তুমি ডানা ভাসিয়েছিলে মাঠে মাঠে।
ফসলের মাঠে যে ভুল পরাগ মেখে
তুমি রাঙাতে চেয়েছিলে আয়ুরেখা;
সে ভুল জন্মের যত পাপ
তার সব অন্ধকার
আমি আঁজলা ভরে করেছি পান
নিঃশ্বাসে শুষে নিয়েছি ক্লীষ্ট তোমার
বিভঙ্গ স্মৃতি-সমুচ্চয়,
যে প্রেমিকের গাঢ় চোখের তরল অন্ধকার
তুমি মংগালালোক ভ্রমে
ছুঁয়ে দিয়েছো রাঙা ওষ্ঠ
সেই সব দাগ আমি যত্নে মুছে দিয়ে
বুকে এঁকে নিয়েছি কষ্ট তিলক।
এই সব আমি জানি
বুকে তবু তিল তিল কষ্ট পাথার জমিয়ে
তার ঢেউয়ে, জোয়ারে, জলোচ্ছ্বাসে
অষ্টপ্রহর বিদীর্ণ হতে হতে
তোমাকেই চাইছি “ প্রিয় শ্যামা নারী”,
কেননা,
মানুষদের এই এক অদ্ভুত জন্ম
কেউ কেউ প্রিয় জল মুছে ফেলে
ভালোবাসে মরুভূমি
বালিয়াড়ী
ধূ ধূ রূক্ষ প্রান্তর...
সকাল, কক্সবাজার
০২/০৬/২০০৫

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


