আমার প্রিয় পোস্ট
- কার্টুন গ্যাঞ্জাম (সন্ধ্যাবাতি) - সন্ধ্যাবাতি
- সেন্ট মার্টিন দ্বীপের কোরাল/প্রবাল: পানির নীচে অন্য এক জগত - রাব্বি !
- ৭১ এর ঘটনা : এক ঝুড়ি কামরাঙা ,আল্লাহর কাছে আমার যত কৃতজ্ঞতা - মেহরাব শাহরিয়ার
- কারকোল চিকেন এবং সাগরের সাথে কিছুক্ষন - আস্তমেয়ে
- তারা বলে ইহা ভালোবাসার 'দিবস'! - এই আমি মীরা
- পণ্য নারী - সন্ধ্যাবাতি
- বেস্ট ফ্রেন্ড - মুনিয়া
- স্বপ্নবাজি - কিংকর্তব্যবিমূঢ়
- আজ তোমার মেঘে মেঘে রংধনু- - কনফুসিয়াস
- :: সে রাতে পূর্ণিমার সাথে আমি তোমাকেও দেখেছি :: - নজমুল আলবাব
- শেকড়ের টানে,স্মৃতির না'য়ে - ফারহান দাউদ
- আলু ভর্তা এবং একটি অর্ধ আঁতেলীয় ভাবনা (প্রকাশ করতে গিয়ে) শংকিত আমি - মাহবুবা আখতার
- ব্যবসায়ী মন ব্যবসায়ী স্বপ্ন - ফারজানা মাহবুবা
- বই পড়তে চাই, নাম দিন প্লীজ! - সন্ধ্যাবাতি
- আমরা দিন দিন খুনী হয়ে যাচ্ছি... - সন্ধ্যাবাতি
- টু বি অর নট টু বি - এই আমি মীরা
সামহোয়ারইনকেই কেন সচল দেখতে চাই?
৩০ শে জুন, ২০০৭ সন্ধ্যা ৭:৩০
সচলায়তন নিয়ে আমার সেদিনের মন্তব্য পড়ে যে কেউ বুঝবেন এক ধরনের কষ্ট পেয়েছি। সচলায়তন চালু হওয়ার কষ্ট কেউ ভেবে থাকলে সে ভুল করছে। বাংলা সাইট নেটে যত হয় ততই ভালো, বৈচিত্র্যতা বৃদ্ধির জন্যই ভালো। তাই সমস্যা সেখানে নয়... আস্তে আস্তে এরকম অনেক কিছু যেন আঙ্গুল তুলে বলছে, সামহোয়ার বড় অচল, দূষিত বাতাস থেকে সুস্থেরা সুস্থ্য শরীর নিয়ে ভাগছে। বাঁচতে চাইলে পালাও, নইলে পঁচে মরো।
হলোই না, কিন্তু এই ম্যাসেজেও আমার এত খারাপ লেগেছে কেন সেটা সচলায়তনের লেখকেরা বুঝবেন না। আমি ছোট মানুষ। যতটা ছোট হলে মানুষ কথা বলতে পারে না, তার চেয়ে বড়। কিন্তু যতটা বড় হলে কথা সব সময় অর্থপূর্ণ হয়, তার চেয়ে ছোট। তাই, খুব এলে বেলে মানুষ আমি। যে কাউকে কী বোর্ড দিয়ে বসিয়ে দিল এরকম লেখা লিখতে পারবে। লেখক হওয়ার জন্য যা দরকার, তার কিছুই আমার নেই।
একজন 'ব্লগার' হয়ে উঠেছিলাম গত এক বছরে। 'ব্লগার' হওয়ার জন্য বেশি কিছু লাগে না, সময় মত নিজের 'অভিমত' প্রকাশ করতে হয়। ওসবকে লেখা বললে লেখকেরা আত্মহত্যা করবে। তবু, এক ধরণের ভালো লাগা ছুঁয়ে থাকত ওসবকে লেখা ভেবে, কেউ পড়ে মন্তব্য করলে। কারও প্রিয় ব্লগারের লিস্টে নিজের নাম দেখলে। কারণ ওই, আসলে তো লেখক হয়ে উঠি নি। "পনের বছর বয়সে দেশত্যাগী আমি"র সবচেয়ে বড় সৌভাগ্য হয় বছরে একজন হুমায়ূন পড়ুয়া পাবলিক খুঁজে পেলে। সেই মানুষকে সাহিত্যের বড় ধরণের সমঝদার ভেবে আনন্দে দিশেহারা হতে হয়।
চিঠির বাইরে কখনও দুই লাইন লিখি নি। ব্লগেই প্রথম লিখলাম। বাংলা কীবোর্ডের সাথে সখ্যতা এখানেই। যেহেতু আমার ভিতরের যেই সত্ত্বাটার অনেক কিছু বলার আছে, (হয়তো না বুঝেই), সেই সত্ত্বার আবিষ্কারক বা জন্মদাতা সামহোয়ার ইন, তাই সা.ই. এর গুরুত্ব আমার কাছে অনেক অন্য রকম। জন্মভূমি কিংবা মাতৃভাষার সাথে কেমন একটা আপন গন্ধ জড়ানো থাকে, ওরকম। ইমোশনাল এটাচমেন্টটা খুব বেশি রকমের বেশি।
যারা সচলায়তনে গিয়েছেন, তাদের জন্য ব্যপারটা মোটেও ওমন না। সা.ই তে আসার বহু আগেই তারা জানতেন তারা লেখেন ভালো, বহু আগে থেকেই তারা 'ভালো লিখতে' জানেন। এখানে লিখে হয়তো অনলাইনে একটু নিয়মিত হলেন। কিন্তু জেবতিক আরিফ, হিমু/মুখফোড়, কনফুসিয়াস, মাসকওয়াথ আহসান, অমিত আহমেদ, মুহম্মদ জোবায়ের, শুভ এবং অন্যান্যেরা--সব সময়ই লিখে এসেছেন, নিজেস্ব বই আছে, পত্র পত্রিকায় লিখেছেন সব সময়। সামহোয়ারের পাশাপাশিও লিখতেন হাজারদুয়ারী, বীক্ষণ বা গুড়ুচণ্ডালিতে। 'সাহিত্যিক' হয়ে উঠেছেন অনেক আগেই।
পার্থক্যটা আসলে এখানেই। খুব সংগত কারণেই আমার বুকের যেই বিশাল জায়গা জুড়ে সামহোয়ার ইন আছে, 'সৃজনশীল', 'উদারমনা' লেখকগণের সেটা থাকার কারণ নেই। তাই আমার যেই ভীষণ কষ্ট হয় সামহোয়ার ইনকে টুকরো টুকরো হতে দেখলে সেটা তাঁরা বুঝবেন না। 'বেতনভোগী কর্মচারী' ট্যাগ বসিয়ে দেবার চেষ্টা করবেন চোখের জল আর বুকের রক্তক্ষরণ দেখে।
আমি এমনিতেই সাঁতার পারি না, তারপরো ভাসছি সা.ই.তে, খড়কুটোর উপর অসীম ভরসা নিয়ে।
আমার খুব ভাবতে ইচ্ছা করে, সামহোয়ার ইন আলো দিবে, বাতাস দিবে, আমার মত 'অসৃজনশীল', 'অনুদার' মনের স্রেফ ব্লগারদের আরেকটু বড় হয়ে ওঠার সুযোগ দিবে। আমার ব্যপারে কেউ কেয়ার করে না, তাই আমাকে পুরাপুরি গণনার বাইরে রাখতে চাইলেও আপত্তি নেই। তবে খুব 'সম্ভবনাময়' অনেককেই প্রথমবারের মত আবিষ্কার করেছে সা.ই.। জন্ম দিয়ে যদি ধারণ করতে না পেরে নিজ হাতে বিষাক্ত গ্যাস দিয়ে মেরে ফেলে সা.ই... তাহলে বুকের ভিতরে অনেক কষ্ট হবে না?
আমার ছোট বোন মীরার প্রতিটা লেখা আমি ভীষণ মুগ্ধতা নিয়ে পড়ি। মেয়েটা দশ বছর বয়সে বাংলাদেশ থেকে এসেছে। ওর বয়সে আসা প্রচুর ছেলে মেয়েদের বাংলা বলা ভুলে যেতে দেখেছি, পড়া তো দূরে থাক। আমার ছোট্ট বোনটা এমনি যা বাংলা পড়তো, আগ্রহ অনেক গুণে বেড়েছে কেবল সা.ই.র গুণে। রবি ঠাকুর, শরৎ শেষে এখন সমরেশে। মাত্র ষোল বছর বয়সে ওর শব্দ বুননের যেই যোগ্যতা দেখি আমি, আমি জানি যদি একটু সুযোগ পায়, যত্ন পায়, তাহলে এই বুননের ক্ষমতা বেড়েই চলবে। আমি খুব তৃপ্তি নিয়ে পড়ব ওর লেখা, আর দশ বছর পরেই।
ও এখনও 'সাহিত্যিক' হয়ে ওঠে নি, 'সৃজনশীল', 'উদারমনা' এই সব সীলও পড়ে নি গায়ে--থ্যাঙ্কফুলী, এখনও অনেক ছোট আছে ওসব 'বড়মানুষী' কাজ কারবারের জন্য। ওর মত মানুষদের জন্য হলেও সামহোয়ার ইনের বিশুদ্ধ বাতাস নিয়ে থাকাটা খুব দরকার।
তাই সুস্থতা আর সচলতা চাই, সামহোয়ারইনেরই।
লেখার ইচ্ছা কমতে কমতে এখন গোঁড়ালী অব্দি নেমেছে। এভাবে আরও চললে, শুকনো পায়ে হেঁটে চলে যাব একদিন। নি:শব্দে।
সর্বশেষ এডিট : ৩০ শে জুন, ২০০৭ সন্ধ্যা ৭:৩৫ | বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...
ওরা কিন্তু এখানেও লিখে যাচ্ছে। তাই 'তোমার চিন্তায় কিছু সীমাবদ্ধতা আছে, ওরা ছাড়া যে আরও সৃজনশীল লেখক থাকতে পারে' এই কথাটা বুঝলাম না।
আপনি আমার সেদিনের মন্তব্য পড়েন নি মনে হচ্ছে, তাই অপ্রাসঙ্গিক ঠেকছে আপনার কথা
ধুর, আমি গেলাম।
র্দশক বলেছেন:
সোস্যাল নেটওর্য়াকিং মাতামাতি দেখে আগে মনে করতাম আসলে কি এটা কাজের কিছু? সা.ইন না আসলে বুঝতাম না সোস্যাল নেটওর্য়াকিং এ যে এত মজা। সা.ইন তাই সবসময় সবার আগে থাকবে। ইন্টানেট আরো অনেক আয়তন আসবে ব্যাপার না। কিন্তু ভাল একটা প্রচেষ্টাকে নষ্ট করার, সবসময় অশান্ত করে রাখা পেছনের সবাই কে ঘৃণা করি, থু থু দিই। আর সা.ইনের টেকনিক্যাল ফ্রেমওর্য়াকটা সেরা। আর সবাইকে অনেক অনেক পথ পাড়ি দিতে হবে এইটা অতিক্রম করতে।
ত্রিভুজ বলেছেন:
আমিও জানি আমার মন্তব্য কিছুটা অপ্রাসঙ্গিক হইছে... আর হ্যা, আমি আগের মন্তব্যগুলি পড়িনি.. তবে আমি অন্য একটা বিষয় বোঝানোর চেষ্টা করেছি। আর মন্তব্যটা তোমার আরো আগের কিছু পোষ্টের জবাব হিসেবেও নিতে পারো... কারন আগেও দেখেছি তুমি ওদের উপর খুব ডিপেন্ডেন্ট। মানে ওদেরকে খুব বেশী পাত্তা দিচ্ছো। ভালকে ভাল এবং খারাপ কে খারাপ বলাটা মানুষের মৌলিক অধিকার। এবং অবশ্য করণীয়।
ওয়েব ব্লগ সবার নিজের মত করে লিখে যাওয়ার খাতা। এখানে অমুককে ব্যান করে দাও, তমুকের কথা ভাল লাগে না, আমি খেলুম না.. এইসব অহেতুক বাড়াবাড়ি।
কেউ নতুন ওয়েব ওপেন করতেই পারে। কিন্তু তাই বলে সেই নতুন ওয়েব ওপেন করার রিজন হিসেবে আরেকটা ওয়েবের উপর দায় চাপিয়ে দেয়াটা সিক মানসিকতা। তাও আবার সেই ওয়েবে এসেই। আমি তোমার বাড়ি লাইক করি না, তাই নিজে আরেকটা বাড়ি করেছি। তারপর তোমার বাড়িতে বসে বসেই কারন বর্ননা করছি কেন আমি নতুন বাড়ি বানালাম! হাস্যকর!
ধুর.. আমার মন্তব্যও কেমন খাপছাড়া হয়ে যাচ্ছে.... গত কয়েকদিন এত আজাইরা প্যাঁচপ্যাচানী দেখলাম.. সব ভজঘট পাকিয়ে গিয়েছে।
যাই হোক, এইসব চিন্তা ভাবনা বাদ দিয়ে নিজের মত লিখতে থাকো। আমিও তোমার 'আস্তমেয়ে' ব্লগের শেষ পোষ্ট থেকে উৎসাহীত হইছি।
ব্লগে প্রথম এসে একেটা অনুরোধ করেছিলাম.. আজকে আবার করি... থেমে যেওনা কখনো.. আশে পাশে কি হচ্ছে তা সাময়িক। সময় স্রোতে ভেসে যেতে দাও যা হালকা.. যা অপ্রয়োজনীয়.. যা গুরুত্বহীন। সেসব নিয়ে চিন্তা করে নিজের মূল্যবান সময় নষ্ট করো না।
ভাল থাকো।
রবিনহুড বলেছেন:
সচলায়তন হবে জ্ঞান পন্ডিত দের আখরা। এইটা হল এলিট দের জায়গা, ওই খানে বেছে বেছে মানুষ কে একসেস দেয়া হচ্ছে।পৃথিবীর কোন ব্লগে এই রকম নিয়ম দেখা যায় না। বেছে বেছে সদস্য করা হলে সেটা আর ব্লগ থাকে না। সেটা হয়ে পরে নির্দিষ্ট কোন মতাদর্শের প্রচার পত্র।
এতে করে সচলায়তন হবে কোন নিদিষ্ট মতাদশের সাইট বিশেষ।
এই ধরনের মনমানসিকতা নিয়ে আর যাই হোক মুক্ত চিন্তার চর্চা করো যায় না।
ঝরা পাতা বলেছেন:
সামহয়্যারকে সবসময়ই সচল দেখতে চাই। নিজের ভাবনা নিয়ে লেখাটা কাল দেবো।
আশরাফ রহমান বলেছেন:
সামহোয়ার কর্তৃপক্ষের উদারতার সুযোগ নিয়ে কিছু চিহ্নিত লোক এখানে যা ইচ্ছা তাই করেছে। বাক স্বাধীনতার নামে তারা ইসলাম অবমাননাকারীদের সমর্থন দিয়েছে, গালিবাজদের উৎসাহ দিয়েছে,বিপরীত মতাদর্শের লেখা নিচে নামিয়ে দিতে অসংখ্য ফ্লাডিং দিয়েছে অথচ এই বাক স্বাধীনতার ধ্বজাধারী কথিত মুক্তমনারাই অপরের মতকে কন্ঠরোধ করার ঘোষণা দিয়েছে। তাদের এ দ্বিচারিতার ব্যাপারে সকলের প্রতিবাদমুখর হওয়া উচিত । সেইসাথে সামহোয়ারকে তাদের অপকর্মের বিরুদ্ধে কঠোর হওয়া উচিত। সন্ধাবাতি ও রবিনহুডের বক্তব্যের সাথে একাত্মতা ঘোষণা করছি। পোস্টের জন্য ৫
সাদিক মোহাম্মদ আলম বলেছেন:
প্রকাশটা ভালো লাগলো সন্ধ্যাবাতি।
কার্টুনিস্ট বলেছেন:
সামহোয়ার সব সময় সচল থাকবে আশাকরি। ভাল লেখা ফুল মার্কসসসসসস
আরিফ জেবতিক বলেছেন:
সন্ধ্যাবাতি,আপনার প্রকাশটা আসলেও সুন্দর হয়েছে।যেহেতু আমি নিজেও সচলায়তনের একজন সদস্য,তাই আপনার অনুভূতির সম্মান জানিয়ে একটু কথা বলতে চাই।তবে এটি আমার নিজের কথা।প্রথম কথা হচ্ছে 'সচলায়তন' কে কেন 'সামহোয়্যারের' বিকল্প বা প্রতিদ্বন্ধী ভাবা হচ্ছে সেটা যুক্তিতে আসছে না।এটি বিকল্প নয়,ভিন্ন প্লাটফরম।আপনি যেভাবে ব্লগস্পটে ব্লগ রাখলে আমার আপত্তি নেই,আমিও তেমনি সচলায়তনে ব্লগ রাখলে আপনার আপত্তি না থাকারই কথা।"প্যাচালি" নামের সাইটেও দেখলাম এখানকার অনেক ব্লগার লিখছেন,তারাঁ সামহোয়্যারকে নষ্ট করে গেছেন,এমন কোন অভিযোগও কেউ করতে দেখলাম না।
সচলায়তনের লিখিয়েরা সামহোয়্যারকে ছেড়ে গেছেন,এমন কোন ঘোষনাও কোথাও দেখলাম না।সুতরাং এটা ভাবার কোন কারন নেই যে সচলায়তনে যারা লিখবেন তারা সামহোয়্যারকে পর করে দিচ্ছেন।
ওয়েল,এখন প্রশ্ন দাড়ালো যে তাহলে আরেকটি সাইটের প্রয়োজন কী?বা কোন কারনে আরেকটি সাইটে লেখার প্রয়োজন পড়ল।
বিষয়টি হচ্ছে সামহোয়্যারের নীতিটা হচ্ছে ব্যবসায়ী নীতি।ব্যবসায়ীদের একমাত্র নীতি হচ্ছে ব্যবসার প্রসার।এ কারনেই তারা অনেককিছু টলারেট করে যান,যেটি হয়তো ইউজার বাড়ায় কিন্তু পরিবেশকে অক্ষুন্ন রাখতে পারে না।এখানে অনেক লিখিয়েই তার ভাবনা চিন্তা প্রকাশ করতে বিপন্ন বোধ করেন।এই পরিবেশটি রক্ষার দায়িত্ব কিন্তু আপনার আমার নয়,এই পরিবেশ রক্ষার দায়িত্ব সাইটের এডমিনে যারা জড়িত,তাদের।দূ:খজনক বিষয় হলো তারা তাদের ব্যবসায়ী বুদ্ধির কারনে এই রক্ষাটা করতে পারেন না।
এখন ইন্টারনেটে যুগে খুব সহজেই বাসার পিসি থেকে জ্ঞান অর্জন সম্ভব,আলোচনা আর তর্ক বিতর্কে অনেককিছু শেখা যায়।সেই আলোচনা চালানোর পরিবেশ কিন্তু প্রয়োজন।সচলায়তন খুবই ক্ষুদ্র একটা সমমনা পরিবেশ সৃষ্ঠির চেষ্টা যেগুলো অন্য কোথাও বলা যায় না,সেটি সমমনাদের মাঝে আলোচনার মাধ্যমে নতুন করে বিষয়টি ভাবার চেষ্টা।এটি একটি ক্লোজ সার্কেল গ্রুপ,এটি কোন ব্যবসায়ী উদ্যোগ নয়।
সামহোয়্যারকে যদি মূলধারার পত্রিকা বলা যায়,সচলায়তন হলো লিটিল ম্যাগ।সেখানে বিভিন্ন নীরিক্ষা করা যায়,একশটি নীরিক্ষার মাঝে যদি দুইটির সফলতা পাওয়া যায়,সেটিকে তখন অনেক বড়ো সাফল্য মনে করা হয়।আর নিজের চিন্তাভাবনা বা আবেগকে প্রকাশ করায় যাতে কেউ বাধাগ্রস্থ না হোন বা বিপন্ন বোধ না করেন,এজন্যই সেখানে একটি মডারেশন অপশন রাখা হয়েছে।মডারেশন কিন্তু লেখার মডারেশন নয়,সদস্যভুক্তির মডারেশন।সদস্যরা যাতে কাছাকাছি মতাদর্শী হোন,সেটা নিশ্চিত করা হয়েছে,কারন যে বিষয়গুলো নিয়ে আলোচনা চলবে,যা লেখা হবে সেগুলোতে যারা মতামত দেবেন তারা যাতে সাচ্ছন্দ্য বোধ করেন,সেটা দেখা দরকার।যেহেতু এটি একটি ক্লোজ সার্কেল জায়গা সুতরাং সেখানে এই অপশনটি রাখতেই হয়।
আর যে কথাটি সবার সংগে শেয়ার করা যায়,সেই লেখাটি সামহোয়্যারে না দেবার তো কোন কারন নেই।আমি "বিচ্ছিন্ন ভাবনা" নামে কিছু ফালতু লেখা লিখব ভাবছি,সেগুলো সচলায়তনে দিলে হয়তো আলোচনা হবে কিন্তু তুফান উঠবে না।কিন্তু সামহোয়্যারে দিলে সেটি অনাবশ্যক বিতর্ক সৃষ্ঠি করবে,পক্ষে বিপক্ষে হাজারটা পোস্ট পড়ে মূল আলোচনা রেখে জেবতিক ভারত না পাকিস্তানের দালাল সেদিকে চলে যাবে।এই বিতর্ক থেকে সামহোয়্যারকে রক্ষার জন্য বরং সচলায়তন সহায়ক হবে বলেই আমার বিশ্বাস।
আর সামহোয়্যারকে নিয়ে আপনার যে অনুভুতি একই ধরনের অনুভুতি আরো অনেকেরই ।সচলায়তনের সদস্যদের কয়েকজন বাদে, প্রায় সবাইই কিন্তু সামহোয়্যারে লিখে লিখেই লিখতে শিখেছেন বা শিখছেন।সুতরাং সব 'আগে থেকেই লিখিয়েরা' জোট বেধেছেন,এটা আপনার ভুল ধারনা।
সামহোয়্যারকে আপনি যেমন সচল দেখতে চান,সামহোয়্যারের প্রত্যেক সদস্যই তাই দেখতে চান।একজন সন্ধ্যাবাতির লেখার ইচ্ছা গোড়ালিতে নেমে গেছে এটা সত্যি হলে,আরো যাদের লেখার ইচ্ছা গোড়ালিতে নেমে যাচ্ছে তারা যদি একটু বৃদিংস্পেস নেন,সেটিকে নিশ্চয়ই আপনি অসমর্থন করবেন না।
আমিও কায় মনে প্রার্থনা করি,সামহোয়্যারে আরো নতুন নতুন লেখক এসে আমাদের সাথে যোগ দিন।
সামহোয়্যারও সচল হয়ে উঠুক।
হেজাব বলেছেন:
ব্যান কইরা রাখলে লিখবে কেমনে? যারা ছাগু তাড়াইতে গিয়া ব্যান খাইছা তারা কি আর লিখতেই পারবে না? এইডা কিমুন কথা?
হেজাব বলেছেন:
মনিটর
আরিফ জেবতিক বলেছেন:
হেজাব,আপনি একটা মেইল করে বিষয়টি সম্মন্ধে ব্যাখা দাবী করুন।
হেজাব বলেছেন:
আরিফ ভাই নোটিশবোর্ডের স্টিকি পোস্টেই ব্যাখ্যা দাবী কইরা রাখছি........এখনও এক সপ্তাহ হয় নাই দেইখা ব্যাখ্যা পাই নাই মনে হয়। তবে ওদের এক সপ্তাহ কয় দিনে হয় জানি না
আরিফ জেবতিক বলেছেন:
তারা এই বিষয়ে অবগত আছেন।তবে তাড়াহুড়া করে কোন ক্ষনস্থায়ী সমাধানের দিকে না গিয়ে....
মাহবুব সুমন বলেছেন:
গুড পোস্ট ........ সকল আবর্জনা ভেসে যাবে সুন্দরের জোয়ারে। সেই দিন কি আসবেই। সামহোয়্যারইন অচল না হলেও কিছুটা থমকে আছে, সচল হবেই। আবারো ধন্যবাদ
চক্র বলেছেন:
আপনার পোষ্ট হৃদয়স্পর্শকারী। কিন্তু ফলাফল কি হবে বলেন? রাজাকারলালন-ধর্মঅবমাননা-গালাগালির প্রতিবাদে আমার একটা বাদে পুরোনো পোষ্ট সব মুছে দিয়েছি। ক'দিন পরে পরে রাগুর উৎপাত। মহামতি ছাগু তো আদি এবং অকৃত্রিম ক্রিয়াশীল উপাদান। সা.ই এর কর্তাব্যক্তিরা এসব নিয়ে মাথা ঘামান না, তারা বসে বসে ইদুরবিড়াল খেলা দেখেন।সচলায়তন, প্যাচালি যা-ই হোক না কেন, একটি শান্তিপূর্ন বিকল্প অপশন দিতে পারলে স্বাগতম। আমরা লিখতে চাই, লেখক হিসেবে নয়; আপনার মতো পাঠক হিসেবে হলেও। (আপনি অবশ্য লেখক পর্যায়ে পড়েন।) সামহোয়্যারইনকে খন্ডবিখন্ড ধরনের কোন মতবাদের সাথে আমি অবশ্য একমত না। অব্যবস্থাপনা চললে যে কোন কিছুই ভেঙ্গে পড়বে। সা.ইনের সর্বাংগিন মংগল কামনা করি। কিন্তু ঘাটের মড়া নিজেই কাত হতে চাইলে তাকে একটি নির্দিষ্ট সময়ের পরে হাটানোর দায়িত্ব নিতে রাজি নই। সে দায়িত্ব অনেক আগেই পালন হয়ে গেছে বোধহয়।
কেন বলেছি আপনার মন্তব্য অপ্রাসঙ্গিক সেটা বুঝার জন্য কৌশিকের ব্লগ থেকে আমার 'দু'টো মন্তব্য তুলে দিচ্ছি--
মন্তব্য ১:
আমি সামহোয়ার ইনে অনেক দিন ধরে ঠিক মত লিখছি না। এমএসএনে, জিমেইলে অনেকেই বলেছেন ব্লগ ছেড়ে দিচ্ছেন। সবার সাথে সাথে আমারও মনে হচ্ছিল ব্লগে লেখার পরিবেশ নেই। সচলায়তনের নামটাও আগেই শোনা। একটু একটু করে খারাপ লাগছিল। ইনক্লুসিভ বলে খারাপ লাগছে এ বলে ব্যাঙ্গ করতেই পারে পাবলিকে কিন্তু ঘটনা আসলে অন্য রকম। ওই ব্লগের শ্রষ্ঠারাই সামহোয়ারইনে যখন মডারেশনের প্রশ্ন এসেছে, তখন ব্লগশ্বের ইত্যাদি ইত্যাদি নাম উদ্ভাবন করে বহুত পঁচিয়েছে। আমার মনে হয় সামহোয়ার ইনের টিম খুবই ইয়াঙ, ইন এক্সপেরিয়েন্সড এবং ব্যবসায়িক বুদ্ধি বিবর্জিত। বড় মুখের ব্লগাররা যা বলেছে, যারা 'বুলি' করতে পারে, ম্যানিপুলেইট করতে পারে, তারা যা বলেছে, তাতেই সামহোয়ার ইন কর্তৃপক্ষ নিজের জায়গা থেকে সরে গিয়েছে। বার বার মডারেশনের কথা বলেও নিজের জায়গায় থাকতে পারে নি--শুধু মাত্র ওই সব ব্লগারদের তীব্র আন্দোলনের মুখেই। এখন ওরা নিজেরাই এমন একটা ক্ষেত্র খুলেছে যেখানে স্ট্রিক্ট মডারেশন। আমার শুধু মনে হচ্ছে, ওরা নিজ হাতে সামহোয়ার ইন টুকরো টুকরো করে ভেঙে দিয়ে গেলেন নিতান্তই স্বার্থপরের মত, ওদের ক্ষমতা আছে মানুষের অপিনিয়ন ংধিু করার, ব্যপারটার পূর্ণ সদ্ব্যবহার করলেন--নিজেদের গা থেকে সমস্ত দায়ভার সামহোয়ার ইন কর্তৃপক্ষের উপর চাপিয়ে, সামহোয়ারকে গিনিপিগ করে যেসব প্রক্রিয়া সফল হয়েছে, সেই সব নিজেস্ব সাইটে কাজে লাগাচ্ছেন। ভেরি স্মার্ট, কিন্তু অবশ্যই, মানতে কষ্ট হচ্ছে। সামহোয়ার ইনকে আগের জায়গায় ফিরে যেতে দেখলে ভালো লাগবে... তাই হয়তো লিখব, আবার।
হোসেইন,
শুধু ব্যবসায়িক কারনে সামহোয়ার ইনকে ধ্বংস করার দরকার নেই। সামহোয়ার ইন খুবই বড় একটা ব্লগিং ক্ষেত্র হতে পারতো, সম্ভবনাময় ছিল ওরকম, যা আলীর মত ফ্লাডারদের একোমোডেইট করে, ত্রিভুজের মত মানুষদের একোমোডেইট করে, হারাধনের মত পাবলিকদের জায়গা দেয় আবার রাসেল, কনফুসিয়াস, হিমুদের মত ব্লগারদেরও বলার জায়গা দেয়।
একটা ব্যপারই বন্ধ করার প্রয়োজন ছিল, সেটা হলো ব্যক্তিগত আক্রমন।
সমস্যা হলো, 'সৃজনশীল' ব্লগাররা খুবই 'সৃজনশীল' পন্থায় ব্যক্তি আক্রমন করে এসেছেন প্রথম থেকে, স্যাটায়ার বা অন্য কোন নামে। সেটা সুযোগ করে দিয়েছে যারা এক লাইনের স্প
আপনার ভাবনার সাথে ওখানকার সব লেখকেরা একমত হবেন তো?
আপনারা তো সমমনা, তাই না?
সেদিন আড্ডাবাজের একটা পোস্ট দেখলাম সচলায়তনে, 'এ টিম বন্দনা'।
এ টিমের 'মুক্তিযুদ্ধ' নিয়ে লিখা। বুকে হাত দিয়ে বলতে পারবেন সামহোয়ার ইনকে নষ্ট করার পিছনে এ টিমের কোন অবদান নেই?
আপনাদের লক্ষ্য আর উদ্দেশ্য এক হলেও, সব সময়ই কি 'এন্ড জাস্টিফাইস দ্যা মীনস'? তাহলে একজন সুস্থ মানুষ কি করে এ টিমের বন্দনা করে?
সামহোয়ার ইন সত্যিকারের নষ্ট হওয়া শুরু করেছিল যখন হারাধন এসে স্প
লেখালেখির ক্ষেত্রেও তা সমান সত্য।
যদিও ভার্চুয়াল তবুও সামহোয়ার ইনে আমাদের সমাজের পরিপূর্ণ প্রতিচ্ছায়া পড়েছে। সামহোয়ার ইন ডুবে আছে ক্লেদ ও আবর্জনায়।
যারা কান্ডারি তাদেরই দায়িত্ব ছিল সুন্দর শুরুটাকে অব্যাহত রাখা। আরিল, হাসিনকে আমি অফিসে গিয়ে একমাত্র যে অনুরোধটি করেছি তা হলো, দয়া করে একজন ফুলটাইম প্রোগ্রামার দিন যে শুধু সামহোয়ার ইন ব্লগের দায়িত্বে থাকবে, দরকার হলে তার বেতনের অর্থটুকু আমরা ব্লগাররা কন্ট্রিবিউট করবো। আরিল এর আগের দফায় যে পোস্ট দিয়েছিলন তাতেও আমি একই কথা মনে করিয়ে দিয়েছিলাম।
আমাদের প্রিয় ব্লগটির অবস্থা এখন আমাদের প্রিয় দেশটির মতো। এখন সমস্যায় পড়ে রাজনীতিবিদরা সংস্কার সংস্কার করে বাতাস ভারী করছেন। সামহোয়ার ইনে সে আওয়াজটাও এখনও উঠেনি। সুতরাং আপনার আশা পূর্ণ হওয়ার এখনও অনেক বাকী।
আপনার মত সামহোয়ার ইন নিয়ে আমার অনেক ভালবাসা ও আশার মূলে কর্তৃপক্ষ কুঠারাঘাত করেছেন অনেক অনেক আগেই। তখনই অনুমান করতে পেরেছি তারা সৃজনশীল লেখকদের টানতে পারবেন না এবং এখানে যারা আছেন তাদেরকেও আস্থায় নিতে পারবেন না। আপনার হয়তো মনে আছে আমি আমার বন্ধু মাসুদা ভাট্টিকে এখানে এনেছিলাম। তার লেখা উপন্যাস কর্তৃপক্ষ মুছে দিয়েছিলেন বিনা দ্বিধায়। সেই উপন্যাস 'আগামী প্রকাশনী' গত বইমেলায় বের করেছে। সেই বই নিয়ে বাংলাদেশে কোনোরকম শোরগোল হয়নি। সুতরাং আগামী প্রকাশনীর ওসমান গণি যে আরিল এন্ড গং-এর চেয়ে লেখালেখি, লেখকের স্বাধীনতা ও পাঠকের মনন বেশি বুঝেন তাতে চক্ষুস্মান কারো সন্দেহ থাকার কথা না। (একথা বলে আমি একটা পোস্টও দিয়েছিলাম।)
সুতরাং যারা সিরিয়াসলি লেখালেখি করেন, অন্তত: প্রবাসেও তারাও যে এই সাইটটিকে আস্থার সাথে গ্রহণ করতে পারছেন না এই সমস্যাটি কর্তৃপক্ষ তাদের যোগ্যতা দিয়ে দূর করতে পারেন নি।
কর্তৃপক্ষ টেকনিক্যালি অনেক ভালো একটা লেখালেখি বা ব্লগিং-এর জায়গা করে দিয়েছিলেন কিন্তু সৃজনশীলতা সম্পর্কে তাদের ধারণার ঘাটতিটুকু তারা বিশেষজ্ঞ লোক দিয়ে পূরণ করেননি। তাদের এই চেষ্টার অভাব আমাদের জন্যই কাল হয়েছে।
এখানে মিলিত হওয়ার পর অনেকে ইয়াহুতে গ্রুপ খুলেছেন, নেটওয়ার্কও তৈরি হয়েছে নানা রকম, বইমেলাতে অনেকের লেখা নিয়ে বই প্রকাশও হয়েছে সম্মিলিতভাবে, প্যাঁচালি নামে একটা সাইট তৈরি হয়েছে কিন্তু নানা কারণে সচলায়তনের তৈরি হওয়াটা সবচে বেশি সাড়া জাগিয়েছে।
এই সাড়া জাগানোর কারণ সম্ভবত: সচলায়তনের ব্লগারদের তালিকা, যারা সামহোয়ার ইন ব্লগে লিখতেন এবং তূলনামূলকভাবে ভালোই লিখতেন। একটা কথা আপনি নিশ্চয়ই মানবেন এসব ব্লগাররা এতটা বিবেকবোধ বর্জিত নন যে এই সাইটের ক্ষতি করতে তারা ষড়যন্ত্র করবেন। বরং এ ধারণারাই সত্যতা বেশি যে তারা নিভৃতে লেখালেখির জন্য আরো ঘনিষ্ঠ একটা আড্ডায় বসতে চেয়েছেন। সেখানে তারা যে লেখাগুলো লেখেন তা অনেকেই সামহোয়ারেও রেখে যান। কারণ সামহোয়ারের প্রতি তাদের ভালবাসার কোনো কমতি নেই। ঝরাপাতার সাম্প্রতিক পোস্টটার কথাও আপনাকে এ প্রেক্ষাপটে মনে করিয়ে দেব।
সবশেষে আপনাকে আবারো নিশ্চিন্ত করতে চাই, আমরা সবাই আপনার মতই চাই, সামহোয়ার সচল হোক। অথবা একে আরো বেশি সত্যের কাছাকাছি এনে বলতে হলে বলতে হবে, আমরা চাই সামহোয়ার ফিরে পাক তার শুরুর সময়কার ছন্দ।
এ অনেকটা বাংলাদেশের ৭২ এর সংবিধানে ফিরে যাওয়ার মত আকাঙ্খা। স্বপ্নের শুরুতে ফিরে যাওয়ার প্রার্থনা।
ভুলগুলো উপড়ানোর দায় এড়িয়ে অন্যের স্বাভাবিক প্রতিক্রিয়ার মধ্যে দোষ খুঁজলে নিজে আমরা যে তিমিরে ছিলাম সেই তিমিরেই থেকে যাবো। এ থেকে আমাদের উদ্ধার হবে না।
মাহমুদ রহমান বলেছেন:
সন্ধ্যাবাতি, আপনি থাকলে সামহয়্যারইনও সচল থাকবে। লিখে যান। আগের মত সিরিয়াস লেখা দেখি না কেন যেগুলো নিয়ে জমজমাট বিতর্ক হতে পারে? এসব থেকেও পাঠকদের অনেক কিছু শেখার থাকে।গালিবাজি বন্ধ হলেই সামহয়্যারইন একটা জটিল প্লাটফরম হবে।
এস্কিমো বলেছেন:
পড়লাম!আমার কোথাও মনে হয়নি যে -কর্তৃপক্ষ ব্লগারদের মতামত নিয়ে খুব একটা বেশী চিন্তিত।
তবে সব উদ্যেগের বানিজ্যিক দিকটাও গুরুত্বপূর্ন - আশা করি সেই দিকটা বিবেচনা করেই একটা সমাধান হবে। কিন্তু চিরস্থায়ী সমাধানের কথা চিন্তা না করে - ধীরে ধীরে সমাধানের স্থায়ীত্ব নিয়ে ভাবা যেতে পারতো।
এখানে অনেকের গালাগালি নিয়ে বেশ অভিযোগ আছে।। ...
গালাগালি কি সমস্যা না প্রতিক্রিয়া। যারা কজ এন্ড ।এফেক্ট হিসাবে পুরো বিষয়টা নিয়ে বিশ্লেষন করতে রাজি তারা দেখবেন "গালাগালি" কজ নয় - এটা এফেক্ট। সুতরাং সমস্যা সমাধানের জন্যে এফেক্ট রিমুভ না করে কজের দিকেই মনযোগ দেওয়া মনে হয় ভাল হবে। ...
ওই কথাটা ক্লিশেড হয়ে গিয়েছে। কথাটা কি রকম জানেন? ধর্ষণের পিছনে ধর্ষিতারও দোষ থাকে, তার প্রলুব্ধ করার মত কাজটা হলো 'কজ', কজ সরিয়ে নিলে এফেক্টও সরবে।
এভাবে, যা পাপ তাকে জাস্টিফাই করা যায় চাইলে, কিন্তু আসলেই কি তাই? অন্যায় অন্যায়ই, এন্ড ডাজ নট জাস্টিফাই দ্যা মীনস।
এস্কিমো বলেছেন:
সন্ধ্যাবাতিআপনি বিষয় পরিধি বড় করে ফেলেছেন।।
আমার বিবেচ্য বিষয় এবং পরিধি শুধু মাত্র এই ব্লগ
আমি নিজেও গালাগালির ভিকটিম
অনেক বড় আশা করে নিজ নামে রেজি করি ..পড়ে পরিস্থিতির বিবেচনায় এই নিক
কয়েকটা তুমুল গালাগালি পর্বকে আমি গভীর পর্যবেক্ষন থেকেই উপরের কথা গুলো বলেছি
অনেকে হয়তো মনে করবেন কয়েকটা নিক ব্যন করে দিলেই সমাধান হবে ..এবং চেষ্টা হয়েছেও...তারপরই এটিমের জন্ম...
আমি এটিমের পক্ষে বা বিপক্ষে নই। কিন্তু যখন একজন ব্লগার ইচ্ছাকৃত ভাবে মিমাংসিত বিষয় নিয়ে বিতর্ক তৈরী করে এবং কয়েকজন না পড়েই তার সাফাই গায় ..সেটা হজম করা কঠিন।
ব্লগে অনেকে আছেন যারা মুক্তিযুদ্ধের প্রত্যক্ষ ভিকটিম..নিজের সামনে স্বজনকে লাঞ্ছিত হতে দেখেছে তাদের জন্যে যখন অপমানজনক আক্রমন আসে সেটা সহ্য করা কঠিন ...এখানে কারো কারো প্রকাশ ভঙ্গী হয়তো শিষ্টতার সীমা অতিক্রম করে ...
আমি একদিন অবাক হয়ে গেলাম একজন ব্লগার আমার একটা ব্লগে কমেন্ট করলো - প্রচলিত মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস সম্পূর্ন বায়াসড।
আমি উনাকে সবিনয়ে সুধালাম - আপনি একটা বইয়ের নাম বলুন যেটা বায়াসড মনে করেন।
উত্তের উনি বললেন উনি কোন বই পড়েন নি
আমি উনাকে একটা বইএর নাম দিয়ে পড়তে বললে উনি বললেন বইটা পড়লে হয়তো উনি বায়াসড হয়ে যাবেন - তারপরও হয়তো পড়বেন।
এর পর আরেকবার একই মন্তব্য করা দেখে উনাকে একজন অশিক্ষিত বলে সন্মোধন করেছি।
এখানে অবশ্যই আমি গালি দিয়েছি - কিন্তু অনুতপ্ত হবার মতো কারন দেখিনা - কারন ভদ্রলোক আসলেই অশিক্ষিত - কিন্তু কোথাও থেকে শুনেছে যে ইতিহাস বায়াসড।
যা হোক লম্বা ইতিহাস লিখে বিরক্ত করে থাকলে দু:খিত
(দাড়ি না থাকায় লাইনগুলো আলাদা করে দিয়েছি)
মৃন্ময় আহমেদ বলেছেন:
চাই
বুঝলাম। ওহ, আমি কিন্তু দাঁড়ি দেখতে পাচ্ছি।
আপনার মন্তব্য প্রসঙ্গে,
একেবারেই 'ইগনোরেন্ট' কথা কেউ বললে, সেই সব কথার জবাব দেয়ার কি দরকার? শুধু শুধু নিজেরই তো মুখ খারাপ হয়, মানুষটার তো কিছুই হয় না। যদি সে 'একই পক্ষে' হতো, তাহলে চিন্তা করে দেখেন, একই পর্যায়ের কথা কেউ বললে আপনি কি তাকে বুঝানোর চেষ্টা করে বেশি সময় নষ্ট করতেন নাকি অপেক্ষা করতেন চিন্তা ভাবনার ক্যাপাসিটি অন্য দিকে বাড়ুক, যখন আপনার লেভেলের কথা ধরতে পারবে, তখন কথা বলবেন? তাহলে কেন এই ব্যাপারটা নিয়ে শুরু থেকে এমন হয় আমি বুঝি না। গালি একবার রাগের মাথায় বের হতে পারে, কিন্তু দিনের পর দিন, গালিতে কাজ না হওয়ার পরেও, যুক্তিতর্কে কাজ না হওয়ার পরেও নিরলস ভাবে 'গালি' দিয়ে যাওয়া আর তর্ক করে যাওয়ার জন্যও তো 'যাকে গালি দেয়া হচ্ছে', তার সমগোত্রীয় হতে হয়!
মাহমুদ রহমান বলেছেন:
শেষের কথাগুলো আমাকে নিয়ে বলা হয়ে থাকলে বলব... আপনি সূক্ষ্ণ ভুল করেছেন। আমি বলি নাই যে আমি কোন বই পড়িনি। বরং বলেছি, এ ব্যাপারে আমার জানাশুনা কম। বলেছি, যতটুকু পড়েছি তাতে আমার বায়স্ড মনে হয়। তাচাড়া একটা বইয়ের নামও আমি বলেছিলাম। সূক্ষ্ণ ভুলও অনেক সময় বড় ভুল হিসাবে দেখা দেয়।
মাহমুদ রহমান বলেছেন:
অশিক্ষিত বলেছেন কিনা জানি না। বলে থাকলে এটা কোন গালি নয়। আমার দৃষ্টিতে গালি হলো সেই সমস্ত শব্দ যা সকলের সামনে বলা যায় না, যেটাকে আরেক কথায় অশ্লীল বলে। অশ্লীল বাক্য ছাড়া যে যা লেখুক তাতে আমার আপত্তি নাই।
আরিফ জেবতিক বলেছেন:
সন্ধ্যাবাতি,'সমমনা' মানে যদি আপনি বুঝেন সবাই দলীয় ক্যাডার,কেন্দ্রীয় কমিটির বানী সবাই মাথা পেতে নেন,তাহলে ভুল ভাবছেন ।
আড্ডাবাজের আলোচ্য পোস্টটি আলাদাভাবে আমার চোখে পড়েনি।তবে একথা মানতে হবে যে এ-টিম বিষয়ে সচলায়তনের কেউ কেউ হয়তো সফট কর্ণার রাখতে পারেন ,অনেকেরই আবার কঠোর অবস্থান।কঠোর অবস্থানকারীদের জন্যই এ-টিমে থাকা অনেক সদস্যকেই সচলায়তনে নিমন্ত্রন জানানো যাচ্ছে না।আমি ব্যক্তিগতভাবে মনে করি এ-টিম সদস্যরা যদি গালিগালাজ বাদ দিয়ে লেখালেখিতে মন দিতেন,তাহলে তাদের কাছে থেকেও অনেক ভালো লেখা পেতাম আমরা।সেটা হয়নি বা হচ্ছে না এটা দূ:খের বিষয়।এ-টিম গালি দেয় এটার সাথে সাথে আমাদের সমস্যার গভীরে গিয়ে দেখতে হবে যে কেন গালি দেয় আর কাদের গালি দেয়,যাদের গালি দেয় তারা কি আদৌ গালি খাওয়ার উপযুক্ত কোন কাজ করেছেন?
তখনই আসবে মৌলিক নীতির প্রশ্ন যে ,যারা তেমন কাজ করছেন তাদের প্রতি আমাদের নীতি থাকবে কি থাকবে না।যদি থাকে,তাহলে এ-টিমকে পরিষ্কার করে জানিয়ে দিতে হবে যে আমরা তাদের সমর্থন করছি,সুতরাং এ-টিম এদের গালি দিলে ব্যবস্থা নেয়া হবে।আবার যদি না থাকে,তাহলে বলতে হবে,আপনারা এমন কাজ করতে পারবেন না,কারন এমন কাজের মাধ্যমে আপনারা সদস্যদের উৎসাহিত করছেন অশ্লীল গালি দেবার ব্যাপারে।সামহোয়্যারের জন্য মিলিয়ন গিগা স্পেস দিলেই শুধু হবে না,একটি গ্রহনযোগ্য নীতিমালার খুব প্রয়োজন।সেটাই হচ্ছে না আজ দেড় বছর ধরে।
সমমনা কথাটিকে আপনি কোট করছেন,তাই ছোট্ট করে বলি,
সমমনা মানে কিছু মৌলিক বিষয়ে আমাদের ঐক্যমত্য আছে।সে বিষয়গুলি আসলে মৌলিক বিশ্বাসের প্রশ্ন।কিন্তু সমমনা মানে সবাই গোড়ালির উপর জিন্সের প্যান্ট পরেন বা সবাই প্যান্টের ভেতর শার্ট গুজে না দিয়ে পরেন,এতো কপি করা সমমনা না।
আমি আবারও বলছি যে সামহোয়্যারকে বিশাল ক্যানভাসে সত্যিকার অর্থেই ব্লগারদের বিচরন ক্ষেত্র হিসেবে গড়ে তোলার সময় এখনও শেষ হয়নি।
"গভীর ভাবে পর্যবেক্ষন "করার মতো কূটনৈতিক বানী না আউড়িয়ে একশনে গেলেই সামহোয়্যারের ভালো হবে বলে আমার ব্যক্তিগত মত।
বেটার লেট দ্যান নেভার।
----------------------
(ডিসক্লেইমার:সচলায়তন নিয়ে কোন কথা সামহোয়্যারে বলব না বলে ঠিক করেছিলাম,কিন্তু আপনার পোস্টটি পড়ার পরে বলার প্রয়োজন বোধ করলাম।এ প্রসঙ্গে আমি আর কোন কথা বলবো না বা আর কারো সাথে বিতর্কে-আলোচনায় জড়াতে যাবো না।)
উলটা মানুষ বলেছেন:
এখানে সবাই দেখি অনেক কথা বলে। পড়তে ভালোই লাগে কিনতু এতো যে কম বুঝি... এখানে আসলে বুঝতে পারি বাংলা practice না করায় কত মিস্ করছি।সন্ধ্যাবাতি কি আমাকে চিনতে পারলো? অবস্য না চেনার কথা না - আমি তো মোটামোটি মারকা মারা।
পাশা বলেছেন:
আমার একটা বিষয় জানার খুব ইচ্ছা করছে । এই ব্লগ থেকে যখন মুন, জারীর এর মত ব্লগার রা চলে গেল তখন তো এ ধরনের কোন কান্নাকাটি মূলক পোস্ট কেউ দিল না। নাকি এই কান্নাকাটি শুধুমাত্র প্রতিষ্ঠিত ব্লগারদের জন্য। তারাও তো হতে পারত প্রতিষ্ঠিত ব্লগার।
সচালায়তন আর অচলায়তন যেটাই করা হোক না কেন এতে সামহোয়্যার ইন এর কিছু আসে যায় না। সামহোয়্যার ইন আবার আগের মত সচল হয়ে উঠবে- এই আশা আমাদের প্রত্যেকের ।
অরূপ বলেছেন:
ভালৈ!
অনেক ভেবে চিন্তে একজন বলেছেন:
সন্ধ্যাবাতি ভাল বলেছে। ত্রিভুজের কথাও ঠিক আছে। তবে সেটা আরো আগে বলার দরকার ছিলো। তাহলে হয়তে সন্ধ্যা এসব নিয়ে মাতামাতি করতো না। সবাই লেখকদের নিয়ে ভাবে। আমরা পাঠকরা কি চাই কেও দেখে না। এটাই দু:খ।
নাহোল বলেছেন:
ছাগল..
সামহোয়্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...

















তারা সেখানে সাহিত্য রচনা করবেন, কিন্তু সামহোয়্যারে কি করে গেছেন? তাদের কেউ কেউ তো ঘোষনা দিয়ে ছাগল সাহিত্য রচনা করে গেছেন। ওখানে গিয়ে কিন্তু তারা সেটা করবে না।
তাদের সাইটে লেখার মান শক্ত মডারেশন দিয়ে বাধা। কিন্তু জঞ্জালগুলো ঠিকই তারা সামহোয়্যারে ফেলে যাচ্ছে। ওখানে ভাল ভাল লিখা দিবে এবং নতুন নতুন নিক খুলে এখানে গালাগালি করবে ও ছাগল সাহিত্য চর্চা করবে। ব্যাপারটা কেমন কেমন না?
তোমার চিন্তার কিছু সীমাবদ্ধতা আছে। ওরা ছাড়াও যে আরো অনেক সৃজনশীল লোক এখানে আসতে পারে, এইটা তুমি ভাবতে পারো না। জানি না সমস্যাটা কোথায় তোমার।
যাই হোক.. কিছুটা অপ্রাসঙ্গিক হলেও আশা করি আমি কি বলতে চেয়েছি বুঝার চেষ্টা করবে।
ভাল থাকো আর নিজের মত লিখে যাও। আর সামহোয়্যারে নতুন যেসকল সৃজনশীল লেখকের আগমন ঘটতে যাচ্ছে, তাদের বরন করে নেবার জন্য প্রস্তুত থেকো।
ধন্যবাদ।