আমার প্রিয় পোস্ট
- কার্টুন গ্যাঞ্জাম (সন্ধ্যাবাতি) - সন্ধ্যাবাতি
- সেন্ট মার্টিন দ্বীপের কোরাল/প্রবাল: পানির নীচে অন্য এক জগত - রাব্বি !
- ৭১ এর ঘটনা : এক ঝুড়ি কামরাঙা ,আল্লাহর কাছে আমার যত কৃতজ্ঞতা - মেহরাব শাহরিয়ার
- কারকোল চিকেন এবং সাগরের সাথে কিছুক্ষন - আস্তমেয়ে
- তারা বলে ইহা ভালোবাসার 'দিবস'! - এই আমি মীরা
- পণ্য নারী - সন্ধ্যাবাতি
- বেস্ট ফ্রেন্ড - মুনিয়া
- স্বপ্নবাজি - কিংকর্তব্যবিমূঢ়
- আজ তোমার মেঘে মেঘে রংধনু- - কনফুসিয়াস
- :: সে রাতে পূর্ণিমার সাথে আমি তোমাকেও দেখেছি :: - নজমুল আলবাব
- শেকড়ের টানে,স্মৃতির না'য়ে - ফারহান দাউদ
- আলু ভর্তা এবং একটি অর্ধ আঁতেলীয় ভাবনা (প্রকাশ করতে গিয়ে) শংকিত আমি - মাহবুবা আখতার
- ব্যবসায়ী মন ব্যবসায়ী স্বপ্ন - ফারজানা মাহবুবা
- বই পড়তে চাই, নাম দিন প্লীজ! - সন্ধ্যাবাতি
- আমরা দিন দিন খুনী হয়ে যাচ্ছি... - সন্ধ্যাবাতি
- টু বি অর নট টু বি - এই আমি মীরা
কার্টুন গ্যাঞ্জাম (সন্ধ্যাবাতি)
১৯ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৭ বিকাল ৩:২৯
ড্যানিশ কার্টুন নিয়ে যখন তোলপাড় শুরু হলো, তখন চারিদিকে নানা মতবাদ, কেউ বলছে কি কার্টুন, তার আবার প্রতিবাদ, কেউ মুচকি মুচকি হেসে নিচ্ছে, কেউ আগুন জালাচ্ছে, কেউ আগুন জালাতে নিষেধ করছে, গম্ভীর মুখ করে শান্তিপূর্ণ প্রতিবাদের আহবান জানাচ্ছে। তখন একটু বিভ্রান্ত হয়ে গেলাম, আসল ব্যাপারটা কি জানার জন্য কৌতুহলী হয়েই গুগল সার্চ দিলাম। যা দেখলাম, তাতে কষ্ট হলো। তবে আমি ওসবের কিছুই করি নি। আস্তে করে শুধু উইন্ডোটা বন্ধ করে রাখলাম। অনেক্ষন খারাপ লাগাটা ছিল।
তবে খারাপ লাগাটা প্রতিদিন বাড়তো যখন মুসলিম দেশগুলোতে জালাও পোড়াও করার খবর আসতো পত্রিকার হেডলাইনে। ডেনমার্ক ক্ষমা চেয়েছে অনেক পরে, ব্যবসায়িক ক্ষতি হওয়া শুরু হওয়ার পরে। যখন মুসলিমরা ড্যানিশ পণ্য বর্জন করলো, তখন। যারা অফেন্ডেড হয়েছে, তারা ওই একটা কাজই বুদ্ধিমত্তার সাথে করেছে। নিজেদের ব্যবসায়িক, রাজনৈতিক লাভের চেয়ে মুহাম্মদ (সা) এর প্রতি ভালোবাসা বড় সেটা প্রমান করেছে। কিন্তু অন্যরা এসব কি করছিল! সারা পৃথিবীর কাছে মুসলিমদের চেহারাটা কেমন হয়ে দাঁড়ালো? মুহাম্মদ (সা) নিজে যদি থাকতেন আজ, তাহলে এসব দেখে কি ভীষণ ক্ষুব্ধ হতেন না! মানুষগুলো এসব করছে, একবারও কি যাকে নিয়ে এত হৈ চৈ তার কথা ভেবে দেখছে!
তখন চারিদিকে চলছিল নানা মুনীর নানা মত। অনেক বুদ্ধিজীবিরা মুখ গম্ভীর করে বলছে, এতে ধর্মের অবমাননার কি হলো? আল্লাহ রসুল কি এত ঠুনকো, কোথাকার কোন ডেনমার্কের একজন কার্টুন আঁকবে তাতে আল্লাহ রাসুল অপমানিত হবেন।
এই যুক্তিটা শোনার পরে হেসে ফেলেছি। কষ্টের হাসি। হায় রে, এত কিছু হচ্ছে, কিন্তু বুঝতে পারছে না আসলে কেন হচ্ছে। যারা এত কিছু করছে, তারাও বুঝাতে পারছে না কেন করছে!
আল্লাহ রাসুলের কিছু হবে কেন, হচ্ছে মানুষদের। এখানে একটু নেপথ্য কাহিনী বলে নেওয়া দরকার। আগেই বলে নেই, এটা আমার ব্যক্তিগত অবজারভেশন। অবজারভেশন একশ ভাগ সত্যি হবে গ্যারান্টি দিচ্ছি না।
পৃথিবীর জনসংখ্যার ১.৫ বিলিয়ন এখন মুসলিম। অন্য সব ধর্মের অনুসারীদের চেয়ে মুসলিমরাই কিন্তু নিজেদের ধর্মের অনেকটুকু এখনও ধরে রেখেছে। প্রতিটা মুসলিম দেশে গেলেই দিনে ৫ বার আজান হয়। সব মানুষ হয় তো নামায পড়ে না, কিন্তু দিনে নিদেন পক্ষে ৫ বার তো ঈশ্বর চিন্তা হয়, সেটা জোর করে হলেও! অন্য কোন ধর্মের অনুসারীদের সামষ্টিক ভাবে এমনটা হয়? কোথাও না। সপ্তাহে একদিন কিংবা ষান্মাসিক উৎসবগুলো তে ঈশ্বর চিন্তা হয়তো মনে আসে, এতটুকুই।
তাই মুসলিমদের ধর্ম নিয়ে যেই সেনসিটিভিটি, সেটা অন্য কেউ বুঝার চেষ্টা করলে বুঝতে পারবে না...
শুধু ধর্ম না, মুহাম্মদ (সা) নিয়ে সেনসিটিভিটি। এক্কেবারে ছোট্ট বেলা থেকে মানুষটার আত্মত্যাগ, ২৩ বছরের মাথায় পৃথিবীর চেহারা বদলে দেয়ার স্টেপিং স্টোন তৈরি করে দেয়া, এগুলো মুসলিমরা জেনে আসে। ভালোবাসতে শিখে মানুষটাকে। তখনকার গল্পগুলো পড়ে, যখন মানুষ সব ছেড়ে ছুড়ে দেশান্তরী হতো শুধু এই মানুষটার সামান্য আহবানে। অনেক মুসলিমের জন্য তাই নিজের বাবা মায়ের চেয়েও মুহাম্মদ (সা) অনেক বেশি প্রিয়। এটা ঠিক স্পষ্ট তুলনা করার বিষয়ও না, মুহাম্মদ (সা) সবচেয়ে প্রিয় মানুষ বনে যায়, এতটুকুতেই থাক।
নিজের বাবা মাকে নিয়ে কেউ আজে বাজে কথা বললে কোন সুসন্তান হাত গুটিয়ে বসে থাকবে? মুহাম্মদ (সা) এর ক্ষেত্রে একই তীব্র ভালবাসা কাজ করে। (বি:দ্র: এটা একটা হাদীসেরই কথা--বিশ্বাস পূর্ণতা পায় যখন মুহাম্মদ (সা) কে জাগতিক সবকিছু, সব মানুষের চেয়ে বেশি ভালোবাসা হয়)।
তাই মানুষগুলো কষ্ট পায়, নিজের মাকে নিয়ে মিথ্যা বললে যেমন আগুন জ্বালিয়ে দিবে, পাগল হয়ে যাবে, তেমনই হয়ে যায় আবেগী মুসলিমগুলো।
আর দেশগুলো যেহেতু নিজেদের গণতান্ত্রিক দেশ হিসেবে দাবী করছে, তাই মানুষদের ভালো লাগা খারাপ লাগাকে মূল্য দিতেই হবে। গণতান্ত্রিক দেশই তো বাই দ্যা পিপল, অফ দ্যা পিপল, ফর দ্যা পিপল। কোন আদর্শিক রাষ্ট্র হতো, ফ্রান্সের মত নিষ্ঠুর হাতে হিজাব ছিঁড়ে নিত, মানুষ বেশি কিছু বলেও পাত্তা পেত না। কিন্তু গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র!
এখন একটা ব্যাপার পরিষ্কার করে দেয়া দরকার। মানুষগুলো কেন কষ্ট পেয়েছে, কেন অমন আচরণ করেছে, সেটার মানবিক ব্যাখ্যা দিলাম আমি। আমার ধর্মীয় চেতনা সেটা মানতে পারে না। উল্টো ধর্মের অবমাননা মনে হয় অতো সব তুলকালাম কান্ড করে জ্বালানো পোড়ানোকে। তবে প্রতিবাদ, শান্তিপূর্ণ প্রতিবাদ, ক্ষমা আদায় করে নেয়া--আমি এতে দোষের কিছু পাই না। অমনটা না হলে কি করে সাহিত্যিকরা জানবে 'সেনসিটিভিটি জোন' কোনটা, তাই কোন অংশটা এড়িয়ে চলতে হবে? কি করে জানবে হলোকস্ট নিয়ে খুচাখুচি যেভাবে সেনসিটিভিটি জোন হিসেবে এড়িয়ে চলে, মুহাম্মদ (সা) কেও সেভাবে ছেড়ে দিয়ে অন্য কিছু নিয়ে সাহিত্য করতে হবে!
কিন্তু বাংলাদেশে এখন যেটা হলো সেটাকে শুধু চূড়ান্ত বাড়াবাড়ি ছাড়া আর কিছু ভাবতে পারছি না!
কার্টুনটা আগেও শোনা। এ তো নেহায়তই বালখিল্যতা! কার্টুনিস্ট আর যাই করুক মুহাম্মদ (সা) কে নিয়ে ব্যাঙ্গ করেছে একবারও মনে হয় নি, করেছে মুহাম্মদ নামের আগে লাগানো নিয়ে হুলস্থুলকে। উদ্ভট! এমন কার্টুন দেশের পত্রিকায় আগেও তো পড়েছি!
ধরে নিলাম, ওই দাড়িওয়ালার ছবি, আর মুহাম্মদ নামটার ব্যবহারে জন্য কিছু মানুষেরা কষ্ট পেয়েছে। কিন্তু আর যাই হোক, একে কিছুতেই ড্যানিশ কার্টুনের সাথে তুলনা করা চলে না। ড্যানিশ কার্টুনের সাথে তুলনা করা মানেই ব্যাপারটাকে টেনে খুব বেশি প্রসারিত করা। 'বাড়াবাড়ি' করা।
আর এই বাড়াবাড়ির ফলশ্রুতিতে যা হলো, একটা কার্টুন নিয়ে (রোজার দিন) সভার পর সভা, বিক্ষোভ, আলপিন বাজেয়াপ্ত, সুমন্তু আসলামের চাকরিচ্যূত, অল্পবয়সী কার্টুনিস্টের চুড়ান্ত হয়রানি (আমি মনের চোখে দেখতে পাচ্ছি, ছেলেটা সারা জীবনের জন্য 'মুহাম্মদ' নামটা সহ্য করতে পারবে না)--এসব তো মুহাম্মদ (সা) প্রতি ভালোবাসার মত এত ভারি এবং 'সিরিয়াস' একটা ব্যাপারকে ভীষণ রকমের ব্যাঙ্গাত্মক আর ফালতু করে তুলবে বুদ্ধিমান, বিবেকবান মানুষদের কাছে!
এখন হিতে বিপরীত হবে, অতি অবশ্যম্ভবী ভাবেই। মোটামোটি যা হবে তা দেখা যাক--একে নিয়ে প্রগতিশীলেরা হালকা লেখা লেখি করবেন। দেশের বাইরে এই নিয়ে লেখা লেখি হবে। প্রথমে ছোট আকারে। ব্লগে ব্লগে, শখের সাংবাদিকতায়। তারপরে বড় আকারে। তসলিমার প্রতি আচরনের সাথে একে তুলনা করা হবে। কার্টুনটা এমনিতেই সবার চোখের আড়ালে চলে যেতে পারতো, কিন্তু এখন, কার্টুনটা আরও অসংখ্যবার পূর্নপ্রকাশিত হবে, দেশের ধার্মিক জনগোষ্ঠী কতটা ফ্যানাটিক আর জঙ্গি সেই নিয়ে প্রতিবার আলোচনা হবে, বাংলাদেশ আর মুসলিমরা বাক স্বাধীনতার গলা চিপে ধরে, পূর্নবার পৃথিবীর মানুষ এই সিদ্ধান্তে উপনীত হবে।
সালমান রুশদীর স্যাটানিক ভার্সাস লেখার পরেই এই রকম লেখাগুলো একে একে আসছে, কার্টুন আসছে। ট্রাবল উইথ ইসলাম, ইনফিডিল, ড্যানিশ কার্টুন, তসলিমার উত্থান। এক দল মানুষ মজা পেয়ে গেছে, বিখ্যাত আর ধনী হওয়ার সহজ উপায় পেয়ে গিয়েছে। মুসলিমেরাও নিজ পায়ে জোরসে কুড়াল মারছে।
কোন মানে হয়!
বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...
প্রত্যুৎপন্নমতিত্ব বলেছেন:
ধন্যবাদ সন্ধাবাতি
বহুরুপি বলেছেন:
অনেকদিন পর আপনার সঙ্গে একমত হলাম, ৫
ঠোটকাটা ব্লগার বলেছেন:
সুন্দর বিশ্লেষন ও একমত।
তীরন্দাজ বলেছেন:
লেখাটিকে ও আপনাকে বাহবা জানাচ্ছি সন্ধ্যাবাতি। (নিজের!) আসল কথাটি তুলে ধরেছেন অবলীলায়। ভাল লাগলো। ভাল থাকবেন।
ত্রিভুজ বলেছেন:
তোমার চিন্তাভাবনার সাথে ১০% একমত এবং ৯০% দ্বিমত। তুমি বিষয়টা খুব ক্ষুদ্র স্কেলে দেখেছো। এর লংটার্ম ইফেক্টটা দেখোনি। খুব সিম্পল একটা উদাহরন দেই,
১) আজকে রাসুল (সা
২) কালকে রাসুল (সা
৩) এর পরদিন সেই মুর্তিতে আগুন দেয়া হবে যাকে বলে কুশপুত্তলিকা দাহ (তুমি হয়তো তখনো বলবে কি হইছে তাতে)
....এরকম ঘটনার কিছু লংটার্ম বৈশিষ্ট আছে। আমার মনে হয় এসব নিয়ে এরকম মতামত দেয়ার আগে কোন ঘটনাকে বিভিন্ন ভিউ থেকে দেখা ও এর বিভিন্নরকম প্রতিক্রিয়া বিবেচনা করা উচিত। এসব বিষয়ে লেখার বিষয়ে তোমাকে আরেকটু প্রজ্ঞার পরিচয় দেয়ার অনুরোধ থাকলো।
পি.এস: তোমার কি ধারনা মুসলমানরা চুপচাপ ভেড়ার মত থাকলে বিধর্মীরা মুসলমানদের শ্রদ্ধা করতে শুরু করবে? ভুল!!
তুমি কি জানো ইসরায়েলে কেউ ইহুদী ধর্ম নিয়ে কটাক্ষ করলে তাদের কি করা হয়? মনে হয় জানো না।
তুমি কি জানো বিশ্বের অনেক দেশে ব্লাসফেমী আইন আছে? জানো হয়তো বুঝো নাই কেন আছে।
সৃষ্টকর্তা তোমাকে সঠিক বুঝ দান করুক। আমীন।
শেষমাত্রা বলেছেন:
বালখিল্যতা দরনের কারটুন আলপিনের মত নামকরা জায়গায় চাপাবে কেন বুজেননা নাকি। মানুষ যাতে মজা পেয়ে হাসেসেজন্য নাকি কটাক্ষ করার জন্য?সব বুজে না বোজার ভান করেন কেন? ভন্ডামী করেন কেন। এটা চিল টেস্ট কেস বুজলেন
শুনেন নাস্তিক মৌলবাদীদের সাতে হাত মিলায়ে লাব নেই সময়মতো লাতি মারবে
তকন আবার আমাদেরকেই আপনার লাগবে
নগর বাউল বলেছেন:
সন্ধ্যাবাতি কি আপুনি? না ভাইয়া? যাই হোক, লেখাটা ভালো হয়েছে। ৫
ত্রিভুজ, আপনি আমার কথা বিকৃত করছেন। আমি চুপ থাকার কথা বলি নি। বলেছি শান্তিপূর্ণ প্রতিবাদের কথা, যাতে 'সেনসিটিভিটি জোন' টা মানুষ জানে, কিন্তু বাড়াবাড়ি না। এখন যা হচ্ছে, হলো, এটা বাড়াবাড়ি এবং কিছুতেই ইসলামিক না। উল্টা ইসলাম আর মুসলিমদের ইমেজের জন্য খারাপ, খুবই খারাপ। ক্ষমা প্রার্থনাই যথেষ্ট। প্রত্যেকটা কাজ নিয়তের উপর নির্ভরশীল, নাকের জন্য নাক, চোখের জন্য চোখ (লঘু পাপে গুরুদন্ড না) এই রকম ইসলামের অনেক প্রিন্সিপালের সাথেই যা হচ্ছে সেগুলো সংঘাতপূর্ণ। যাই হোক, আমি তর্কে আগ্রহী না।
তুষার ০০৭ বলেছেন:
আপনার দৃষ্টিভঙ্গিতে স্বচ্ছতা এসেছে দেখে ভাল লাগছে। @সন্ধ্যাবাতি
চতুরভূজ বলেছেন:
পুরোপুরি একমত হতে পারলামনা। তবুও কিছু কিছু বয়াপার সুন্দর ভাবে উপস্থাপন করেছেন। ধন্যবাদ।
শেষমাত্রা বলেছেন:
এসকল নাস্তিক মূলাবাদীদের সাতে গলা মেলালে আল্লাহ আপনাকে ছাড়বেনা মনে রাখিয়েনসবাই মডান হয়েচেন, হাহ
অন্যআনন বলেছেন:
প্প্বপ্প্ব্তেপ্প্ম প্প্বক্কপ্প্বগ্গপ্প্ম
বিবেক সত্যি বলেছেন:
সুলতান সালাহউদ্দিন আইয়ুবী ছিলেন মুসলমানদের পক্ষে সর্বশেষ ক্রুসেড বিজয়ী ।দুনিয়ার অত্যাচারী ও শোষক শ্রেণীকে চ্যলেন্জ দেয়ার মত একমাত্র জীবনব্যবস্থা হচ্ছে ইসলাম। তাই ইসলামের বিরুদ্ধে ইহুদী-খৃষ্টান-পৌত্তলিক-নাস্তিক.....দের জোটবদ্ধ ক্রুসেড কোন যুগেই শেষ হয়নি..
আধুনিক সময়ে এই ক্রুসেড হয়েছে বহুমাত্রিক। অসংখ্য দিক দিয়ে আক্রমন শানানো হচ্ছে মুসলমান জাতির ওপর আর ঘুমন্ত মুসলমানেরা আজও 'জিহাদ' মানে কেবল তরবারি চালানো মনে করে ,তার সুযোগ নেই বলে নিশ্চিন্ত হয়ে আছে..
আমি মনে করি , এই যে পত্রিকায় কার্টুন-সংস্কৃতির মাধ্যমে মুসলমানদের ওপর আক্রমন করা হচ্ছে, এটা মুখ ফসকে বলে ফেলা বুশের ক্রুসেডের-ই একটা অংশ...
আবু সালেহ বলেছেন:
সন্ধ্যাবাতি....."ধরে নিলাম, ওই দাড়িওয়ালার ছবি, আর মুহাম্মদ (সাঃ) নামটার ব্যবহারে জন্য কিছু মানুষরো কষ্ট পয়েছে।"
এই কথাটাকে ধরে আমি বলছি.....
যেখানে একটা প্রাণীর নামের সাথে আমাদের প্রিয় নবীর নামকে যুক্ত করা হয়েছে সেটা কি মুসলমান হিসেবে আমাদের কষ্টলাগার কথা নয়.....???
আর হ্যাঁ ....জ্বালাও পোড়ার সাথে আমিও একমত নই...তবে তাই বলে একেবারে ছেড়ে দেওয়া হোক তাও চাই না.....কিছুটা শাস্তিমূলক ব্যাবস্থা থাকা অবশ্যই দরকার....
আমি ধরে নিলাম যিনি পাঠিয়েছেন তিনি নাবালক ...কিন্তু যিনি আলপিন এর মত একটি ম্যাগাজিন-এ এত বড় একটি দায়িত্বে আছেন যিনি শিক্ষিত এবং মুসলমান তিনি কি বুঝে এটাকে ছাপানোর জন্য সার্টিফাই করলেন...তার তো শাস্তি হওয়া দরকার.....এবং পত্রিকারও.....
যাতে করে ভবিষ্যতে কেউ এ ধরনের কাজ না করে....এবং সাবধান হয়..অন্যথায়...এটা আরো ব্যাপক হওয়ার সুযোগ থাকে...
জুবুথুবু বলেছেন:
নৈর্ব্যাক্তিক বিশ্লেষন। অনেকগুলি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ের একটা ভারসাম্যপূর্ণ আলোচনা। মনে হচ্ছ এই ব্যাপারে আপনার ধারনা আরো বিস্তৃত। প্রত্যাশায় থাকবো ভবিষ্যতে আপনি ভাবনাগুলি শেয়ার করবেন আমাদের সাথে।
বিবেক সত্যি বলেছেন:
"কার্টুনটা আগেও শোনা। এ তো নেহায়তই বালখিল্যতা! কার্টুনিস্ট আর যাই করুক মুহাম্মদ (সা) কে নিয়ে ব্যাঙ্গ করেছে একবারও মনে হয় নি, করেছে মুহাম্মদ নামের আগে লাগানো নিয়ে হুলস্থুলকে। উদ্ভট! এমন কার্টুন দেশের পত্রিকায় আগেও তো পড়েছি!""মো টাকিমাছের" কৌতুক একেবারে 'আবু' আবার 'বিড়াল' (যার আরবী হুরায়রা) এই শব্দদুটি নিয়ে আবির্ভূত হওয়া এতই সহজ ব্যপার মনে করছেন আপনি, বাহ্ চমতকার !!!!
নুর3ডিইডি বলেছেন:
সহমত @ ত্রিভুজসন্ধ্যাবাতি, এখন আপনি কি রকম বাড়াবাড়ি দেখলেন! আমিতো নিউজে দেখছি আলেমরা শান্তিমতো সুশৃঙ্খল ভাবে উপদেষ্টাকে তাদের দাবি জানিয়েছেন। আমার মতে শান্তি পুর্ণভাবে পত্রিকাটা বন্ধ করে দেওয়া উচিৎ। দেশে কোন রকম অশান্তি সৃষ্টি হওয়ার আগে।
আমাদের দেশটা বিচ্ছিন্ন কোন দেশ না। সারা পৃথিবীতে এই খরব ছড়িয়ে যেতে সময় লাগবে না। আপনার কি ধারণা তারপরে সবাই হাত গুটিয়ে বসে যাবে মুহাম্মদ (সা) কে নিয়ে আজে বাজে কিছু লিখবে না? তা নয়, বরং, বরং, সালমান রুশদীর স্যাটানিক ভার্সাস লেখার পরে মুসলিমদের যেই তীব্র প্রতিক্রিয়া হলো, তাকে ডেথ থ্রেট দেয়া হলো, জ্বালাও পোড়াও করা হলো, তাতে এই সব উস্কানি দেয়া সাহিত্যের পরিমান বেড়ে গিয়েছে। কারণ, যারা এসব সাহিত্য করে, তারা বুঝে গিয়েছে এটা একটা লাভজনক ব্যবসা। একটু খোচা দিবে, মুসলিমরা লাফিয়ে উঠবে আর পশ্চিমা মিডিয়া তাদের প্রটেকশন দিবে। মিডিয়ায় আবার ছবি ছাপা হবে কিছু উম্মাদ হয়ে যাওয়া মুসলিমদের, যারা আগুন জালাচ্ছে, পোড়াচ্ছে।
আমি ছোটখাট একটা পরীক্ষা করেছি কার্টুনটা নিয়ে। কয়েকজনকে কার্টুনটা বলেছি, আসল প্রতিক্রিয়া বলার আগে। কারও চোখে সেভাবে করে ধরা দেয় নি--মুহাম্মদ (সা) এর অবমাননা হিসেবে। তাই আমার ব্যক্তিগত অভিমত হচ্ছে, আসলে কার্টুনটার মূল উদ্দেশ্য সেরকম ছিল না। ধরে নিলাম, ছিল। আমার ধারণা ভুল। তারপরেও, যেই সব পদক্ষেপ নেয়া হয়েছে, সেটা আমাদের দেশের ধার্মিক জনগোষ্ঠীর জন্যই খারাপ, কারণ ওয়েস্টার্ন মিডিয়ায় মুসলিমরা দিনকে দিন হাস্যকর হয়ে ধরা দিচ্ছে... আমার অভিমত এটা বাড়াবাড়ি হয়েছে। এখনই সব শেষ হবে না, বিদেশে এই নিয়ে কিছু হই চই হবে, রেকর্ডে উঠে যাবে। দেশে বসে টের পাবেন না, আমরা এখানে বসে টের পাই।
প্রথমআলো ক্ষমা চেয়েছে, এখনও পত্রিকা বন্ধের জন্য আন্দোলন করতে হবে? হচ্ছে না কি তেমন কিছু?
ধ্রূপদী বলেছেন:
অফ টপিক প্রশ্ন: আকুপাংচার নিলে কি রোজা নস্ট হয়ে যায়?
অন্যআনন বলেছেন:
আমার কমেন্ট এমন হচ্ছে কেন??
ত্রিভুজ বলেছেন:
@সন্ধ্যাবাতি হতে পারে... তবে মুসলিমরা তো অনেক চুপচাপ প্রতিবাদ করলো? ফলাফল দেখতেই পাচ্ছো! ফিলিস্তিনিদের ভূ-খন্ড ইহুদিদের দিয়ে দেয়া হলো। মুসলিম বিশ্ব তোমার মত চুপচাপ ভদ্র প্রতিবাদ করে যাচ্ছে। রাসুল (সা
ঠোটকাটা ব্লগার বলেছেন:
ত্রিভুজ জিনিষটিকে যেভাবে ব্যাখ্যা করলেন সেটার সাথে প্রথম আলোর পরিস্থিতির মিল নেই।সন্ধ্যাবাতির পোস্টে উনি সুন্দর ভাবে এই কথাটিই বলেছেন যে ড্যানিশ কার্টুন আর প্রথম আলোর কার্টুন এক না।
প্রথম আলো কার্টুন ছাপিয়ে বলে নি যে এটা মুহম্মদ (সা
অপরদিকে ড্যানিশ কার্টুনিস্ট দাবী করেছে যে সে যা একেছে সেটিকে সে মুহম্মদ (সা
নুর3ডিইডি বলেছেন:
সন্ধাবাতি, লাটি, ইট পাটকেল দিয়ে গাড়ি বাঙ্গা হচ্ছে না, লাটি, বৈটা দিয়ে মানুষ মারা হচ্ছে না, তার পরও আপনার কাছে বাড়াবাড়ি, বাংলাদেশে এর চাইতে শান্তি পুর্ণ আন্দোলন আশা করা যায়! পত্রিকাটা ইচ্ছা করে এই কাজ করেছে, তা পত্রিকা পড়ে এমন সবাই বুঝতে পারে। জানিনা আপনার কেন বুঝতে কষ্ট হচ্ছে! এবং আপনাকে বলবো এই পত্রিকা সম্পর্কে বিস্তারিত জানুন ,শুরু থেকে এই পত্রিকার উদ্দিশ্য কি? অনেকের মতে এটা টেষ্ট করা হয়েছে।
নুর3ডিইডি বলেছেন:
সন্ধাবাতি, সরকার এবং আলেমগন, মনেকরছেন এটার সাথে বিশ্ববিদ্যালয়ের ঘটনার সাথে আছে। ঐ রকম ঘটনা সৃষ্টি করার উদ্দিশ্য ছিল, এই খানে। এবং এইটা দেশি বিদেশি চক্রান্ত।
নুর3ডিইডি বলেছেন:
সাথে আছে। = সাথে মিল আছে।
ওয়ালী বলেছেন:
৫।।তাধিন তাধিন করতে করতে তারা রাজপথে নেমে গেল তার কারন কি জানেন সন্ধ্যাবাতী, জন গ্যাস্ট্রাইট এখন বাংলাদেশে। বিজ্ঞজনেরা এটাতে নাকি মৌলবাদী রাজনীতি খুজছে। রাজনীতিটা আসলে কার? এটাওতো তারা মানবেনা যে গণতান্ত্রিক দেশে বাই দ্যা পিপল, অফ দ্যা পিপল, ফর দ্যা পিপল।
তীরন্দাজ বলেছেন:
আপনার চিন্তার সচ্ছতার জন্যে আবারও আপনাকে অভিনন্দন জানালাম।
সন্ধ্যাবাতি: আপনার দুর্বল ঈমানের জন্য ১ দিলাম।
মনিটর বলেছেন:
এটা ছিল একটা টেস্ট কেইস। গল্প কৌতুক ঘরবাড়িতে সেয়ার করা আর প্রথম সারির দৈনিকের জনপ্রিয় ম্যাগাজিনে প্রকাশ করা এক কথা নয়।আশার কথা হলো-ইসলামপ্রিয় জনগন আবারও বুঝিয়ে দিয়েছে ৮৫% মানুষের প্রিয়তম রাসুলকে নিয়ে ঠাট্টা করা মানে তাদের হৃদস্পন্দন নিয়ে টানাটানি করা।আমি পোস্টের কনটেন্টের সাথে মোটেই একমত নই। বরং ত্রিভুজ, নূর৩ডিইডি এবং হুদা ইসলামের কথা গুলো সমর্থন করলাম।
শাওন বলেছেন:
বুঝলাম বাড়াবাড়ি তবে , তবে হ্যা , এরকম বড়াবাড়িরও যেমন মানে হয়না তেমনি এইসব ছোট খাট জিনিস গুলোরও মানে হয়না ।
দ্বিতীয়নাম বলেছেন:
....প্প্ম্র
দ্বিতীয়নাম বলেছেন:
৫
অন্ধকার বলেছেন:
প্রথম আলোর একটা ধাক্কা দরকার ছিল... খেয়েছে! পত্রিকাটি বিদেশী প্রভুদের দালালি করে এতে কোনই সন্দেহ নেই। শারমেয়র লেজ কখনো সোজা হয়না!
জান্নাত বলেছেন:
সব বুজলাম অনেকের লেখা পড়লাম কিন্তু নাস্তিকতার পাশে দাড়াতে পারবোনা।এটা সাফ কথা।এত বড় কুকির্তীর একটা বিচার হোক নইলে অপশক্তির বিজয় হবে।এটা মোটেই কাম্য নয়......
ত্রিভুজ বলেছেন:
@ঠোটকাটা ব্লগার একটা বিষয় অতীতেও দেখা গিয়েছে যে প্রথম আলো এবং এর লেখকরা ইসলামকে কটাক্ষ করে কিছু বলতে খুব ভালবাসে। সেই ধারা থেকেই এটিকে সাধারন ভাবে নেয়া যায়নি। তাছাড়া কার্টুনটি দেখলেই আপনি বুঝতেন এখানে মুসলমানদেরকে সরাসরি কটাক্ষ করা হয়েছে। কার্টুনে একজন টুপি পড়া হুজুরের ছবি যুক্ত করে যা পরিষ্কার করা হয়েছে। আমার ধারনা সন্ধ্যাবাতি এবং ওয়ালী সেই কার্টুনটি দেখেনি। দেখলে সেখানে মুসলমানদের প্রতি যে কটাক্ষ করা হয়েছে সেটা পরিষ্কার বুঝতে পারতো।
সাহেদ বলেছেন:
পুরোপুরি এমমত না হয়েও ৫
ওবায়েদ বলেছেন:
লেখাটা ভালো হয়েছে। ৫
মাহবুব সুমন বলেছেন:
ভালো লেগেছে, একমত ও সহমত
অনুভূতি শূন্য কেউ একজন বলেছেন:
সন্ধ্যাবাতি, একটা কাজে দুর্গম পাহাড়ী এলাকায় অবস্থানের কারণে খুব অল্প সময়ের জন্যে ওয়াইফাই ইউজ করে ইন্টারনেট ব্যবহার করতে গিয়ে, বহুদিন পর সামহোয়্যারে লগইন করেছিলাম শুধু এই পোস্টটা দেখে।শতভাগ সমর্থন।
দুর্ভাগ্যজনকভাবে, পৈতৃকভাবে আমার নামে "মুহম্মদ" অংশটুকু থেকে গেছে।
এই ঘটনার পর ভীষণ বিব্রত আমি ঠিক করেছি, যদি আইনি ভাবে সম্ভব হয়, আমি আমার নাম এফিডেবিট করে "মুহম্মদ" অংশ টুকু বাদ দেবো।
তাও যদি আমি কিছু প্রতিবাদ করতে পারি।
আমার আল্লা ধর্ম ব্যবসাঅলাদের এইসব রাজনীতি ক্ষমা করবেন না, আমি বিশ্বাস করি।
বহুরুপি বলেছেন:
ছাগল আসলে ছাগলই আছে। কোনো উন্নতি হয়নি।
মাহবুব সুমন বলেছেন:
ধর্ম , রাজনীতিই বা কেনো অন্য সব কিছুই আজ পন্য হিসেবে বিকোয়। মানবতা সেখানে তুচ্ছ।
তাহসিন সাঈদা মুন বলেছেন:
আপু তুমি পুরো পত্রিকাটা পড়ো নি। গত শনিবারের আলপিনে শুধু ওই কার্টুনটা বাদেও ইসলামকে বেশ কয়েক স্থানে হেয় করা হয়েছে। প্রথম আলো অনেক আগে থেকেই ইসলামকে হেয় করে আসছে। সামান্য কয়েকটা কাগজ পুড়িয়েই আমাদের আলেমরা দস্যু হয়ে গেল। আর দিনের পর দিন মুসলমানদের অকথ্য অত্যাচার করলেও মুসলমানদের চুপ করে থাকতে হবে। কারন তারা শান্তিপ্রিয়।
[লিংক= যঃঃঢ়://িি.িংড়সবযিবৎবরহনষড়ম.হবঃ/নষড়ম/ড়হহড়ৎড়শড়সনষড়ম/28731954]অন্যরকমের...এই পোস্টটা বোধহয় পড়নি। পড়ার অনুরোধ রইল সবাইকে। আমার পছন্দের একটা পোস্ট।[/লিংক]
এই পোস্টে জ্বীনের বাদশাও খুব খাটি একটা কথা বলেছে। সেটাও পড়ার অনুরোধ রইল।
আমার আরও কিছু যুক্তি আছে। তবে তা আমি আমার নিজের পোস্টে দেব সময় করে। ত্রিভুজের বক্তব্যে ৫।
বিবেক সত্যি বলেছেন:
একগালে থাপ্পর খেয়ে আরেক গাল পেতে দেয়ার নিয়ম ইসলাম শেখায় নি আমাকে..."আমাদের দেশটা বিচ্ছিন্ন কোন দেশ না। সারা পৃথিবীতে এই খরব ছড়িয়ে যেতে সময় লাগবে না। আপনার কি ধারণা তারপরে সবাই হাত গুটিয়ে বসে যাবে মুহাম্মদ (সা) কে নিয়ে আজে বাজে কিছু লিখবে না? "
ভারতপ্রেমী কোন কোন বুদ্ধিজীবি মাঝে মাঝেই এমন জুজুর ভয় দেখায়, ভারতের বিরুদ্ধে কিছু বলা যাবেনা কারন ওখানে আমার প্রায় ১৫ কোটি মুসলমান ভাই আছে...
ছোটবেলায় মাঝে মাঝেই বিনা কারনে মার খেতাম পাশের বাড়ির ছেলেটির হাতে, একদিন যখন আস্ত এক আধলা তুলে ওর মাথায় ছুড়ে মারলাম, এরপর থেকে আর কোনদিন বিরক্ত করার সাহস করেনি আমাকে..
ত্রিভূজ ভাই চমতকার কিছু কথা বলেছেন এই পোষ্টে, পুরোপুরি একমত পোষণ করছি তার সাথে...
তাহসিন সাঈদা মুন বলেছেন:
[লিংক= যঃঃঢ়://িি.িংড়সবযিবৎবরহনষড়ম.হবঃ/নষড়ম/ড়হহড়ৎড়শড়সনষড়ম/28731954]অন্যরকম... আমার খুব পছন্দের একটা পোস্ট[/লিংক]
নাম্বারহীন বলেছেন:
মুন আপা খুব জ্ঞানী
গুড ফর নাথিং বলেছেন:
ভালো বলেছেন ।
সুধাসদন বলেছেন:
সন্ধ্যাবাতির উদ্দেশ্যে একটা প্রশ্ন, মোল্লা বিড়ালকে দেখিয়ে বাবুকে প্রশ্ন করে তোমার কোলে ওটা কি ? এই প্রশ্নটি কি উদ্দেশ্যমুলক নয়। কার্টুনিস্ট জানতো যে, এ প্রশ্ন করলে উত্তর আসবে মোহাম্মদ বিড়াল। তাই সে মোল্লাকে দিয়ে এ প্রশ্নটি করিয়েছে। আর বহুল প্রচলিত এ কৌতুকটি হঠাৎ করে আলপিনে দেয়ার প্রয়োজন পড়লো কেন ?
নাম্বারহীন বলেছেন:
আরে বহুল প্রচলিত হইলে আরে বিতর্ক থাকে কেমনে আশরাফ/সুধাসদন। আশরাফ/সুধাসদন তোমারে বলে ব্যান করসে
ঠোটকাটা ব্লগার বলেছেন:
খুবই দূ:খের বিষয় হচ্ছে এই কার্টুনটি এর আগে কৌতুক হিসেবে চালু করেছে ইসলামী ছাত্র শিবিরের পত্রিকা কিশোর কন্ঠ ।এ বিষয়ে ত্রিভুজ,হুদা,অশ্রু,মুন সহ সন্ধ্যাবাতির পোস্ট বিষয়ে যারা দ্বিমত পোষন করেছেন তাদের বক্তব্য জানতে আগ্রহী ।
!@@!1658693 !@@!1658694 !@@!1658695 !@@!1658696
মুক্তি বলেছেন:
যারা একটু বিভ্রান্ত হচ্ছেন তাদের জন্য আমার আবেদন লেখাটি আবার পড়ুন। একটা জিনিস সব সময় মনে রাখবেন, গড়ার চেয়ে ভাঙা অনেক সহয। তিল তিল করে গড়ে তোলা একটি প্রাপ্তি যখন তুচ্ছ একটি ঘটনাকে কেন্দ্র করে অবিশ্বাসীদের উর্দ্ধবহ নৃত্য করার সুযোগ করে দেয় সেখানে সন্ধ্যাবাতীদের দু:খ পাবারই কথা। পোষ্টের কনটেক্সট আরো গভীর ভাবে উপলব্ধি করতে হবে। আমাদের পিঠ একেবারে দেয়ালে ঠেকে যায়নি। আমাদের অনেক প্রাপ্তি আছে। আমি জানি সবাই ভাল মতোই বুঝতে পারছেন। এখানে দেখবেন সামহোয়ার ইনে অনেক দিন অনেকেই দেখা যায়নি। কিন্তু যেই কার্টুন এর বিষয়টি আসলো তেমনি ইসলামকে গালি দেয়ার জন্য কজন এসে পড়লো। তাদের উদ্দেশ্য কি? বাংলাদেশকে একটি উগ্র ইসলামী মৌলবাদী রাষ্ট্র এটা প্রমান করা। আবার ভিন্ন দিকে দেখুন যারা এটা প্রমাণ করতে চাইছে তারা কিন্তু আবার কিশোর কন্ঠের বিষয়টিকে বলছে ভন্ডামি। আবার যদি তারা ভন্ডামি না বলে তবে বলবে তাদের শাস্তি দেয়া হোক। কিন্তু তাদের আদর্শ আনুযায়ী বলা দরকার ছিলো ভিন্ন কিছু। এরা শুধু মাত্র অপেক্ষায় থাকবে কখন আমরা ভুল করবো এবং কখন ইসলামকে গালি দেয়া যাবে।
তারা যে হারে পোষ্ট দিয়েছে তাদের আদর্শনাযায়ী সেটাও কিন্তু ধর্মান্ধতা কিন্তু তারা সেটা আমাদের বলে বেড়াচ্ছে।
ফজলে এলাহি বলেছেন:
সন্ধ্যাবাতি,আমি খুবই আফসোসের সাথে বলবো যে,
সত্যিকারের বাস্তবতা যদি আপনার চিন্তাগুলোর মত এত সুন্দর হতো।
ঠোটকাটা ব্লগার বলেছেন:
মুক্তি ভালো বলেছেন।
প্রশ্নোত্তর বলেছেন:
@ত্রিভুজ ১) আজকে রাসুল (সাকার্টুনটি কি আপনি এখন দেখেননি? পরিষ্কার করে বলুন ওখানে কেমন করে "রাসুল (সা
যদি না বলতে পারেন তবে এসব ব্যাপারে মন্তব্য না করাই ভাল। ধর্মভীরুতা আর ধর্মান্ধতা এক নয়। নিজের বুদ্ধি-বিবেচনা প্রয়গ করুন।
'মোহাম্মদ' এই বিশেষ্যের পরে (সঃ) শব্দ সংক্ষেপ ব্যবহার করলেই অথবা কোন প্রকারে যদি বুঝানো হয় ইসলামের নবীকে বুঝানো হচ্ছে, তবেই শুধু সেই 'মোহাম্মদ' নবী মোহাম্মদ সঃ হিসাবে ধরা যাবে।
'মোহাম্মদ বিড়াল' বলাটাকে যদি নবীর প্রতি বেআদবী ধরা হয়, 'মোহাম্মদ কদু' বলাটাও তো বেআদবী।
সন্ধ্যাবাতি ভালো বলেছেন। তবে যাচাই করার বিষয় হলো, মুসলিমদের উদ্দেশ্য করে পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে যে-সব উস্কানীমুলক কর্মকান্ড হয়ে আসছে, তার অংশ কি না। যেমন সালমান রুশদীর 'স্যাটানিক ভার্সেস'। কিংবা কিছুদিন আগে তেলআবিবের এক ইহুদী প্রফেসর সরাসরি বললেন 'মুসলমানরা হলো বর্বর। তাদের ইতিহাস বর্বরতার।'
যেহেতু ধর্ম বিষয়টার সাথে সেন্টিমেন্টের সম্পর্ক আছে। সেই সেন্টিমেন্টকে আঘাত করার মানেই হলো একটা গ্যাঞ্জাম লাগানো।
আহমাদ মুজতবা বলেছেন:
ডেঞ্জারাস ভালো হইছে।
উদাসী স্বপ্ন বলেছেন:
@বাত্তি, এই একখান পোস্টের কারনে তুমার উপর আমার আর কোনো প্রশ্ন নাই। আসলেই এই কৌতুক আমি কুটিকালে বহুবার, শুনছি, তখন হুজুরগো কাঠমোল্লাগো হুশ হয় নাই। মাগার এখন রাজনৈতিক পরিস্হিতি নিজেদের পক্ষে নেয়ার জন্যই এই কুকাম। আমার দুঃখ হয় আজও ঘুরেফিরে কিছু এক চেহারাই আসে। এই জন্য আমি বলি কাঠমোল্লা আর রাজাকার জুতাইতে কোনো যুক্তি বা কারন লাগে না! তুমার পোস্টেরে দেরীতে ৫ দেওনের লিগা দুঃখিত!
উদাসী স্বপ্ন বলেছেন:
সারওয়ার ভাই একটা কথা: ইহুদি প্রফেসর কিছু অংশে ঠিক বলেছ. যেটা ঠিক বলেছে সেটা হল মুসলমানরা বর্বর। যেমন পাকিস্তান একটা সন্ত্রাসী রাস্ট্র। ইসরাইল ফেল কারন ইসরাইল আক্রমন করে অন্য দেশরে, আর পাকিস্তানের মুসলমানরা নিজের ভাইয়ের গোস্ত নিজেরা কামড়ায়(রায়ট)। তবে এটা ঠিক না মুসলমানদের ইতিহাস বর্বরতার। তবে এই আশংকা আছে এক সময় যখন বর্তমান সময় ইতিহাস হবে তখন মানুষ নির্দ্ধিধায় বলতে পারবে এ কথা!
সফদর আলী বলেছেন:
@সন্ধ্যাবাতি, আপনার পোস্টে প্রথম কমেন্ট। একটি সুন্দর উপলব্ধির জন্য। যিনি কার্টুনটি একেছেন, তার ধর্মে অবিশ্বাস থাকতে পারে, কিন্তু কোনক্রমেই ধর্মকে আক্রমণ করার জন্য করেননি - যে কেউ কার্টুনটি পড়লেই বুঝবে। ঘটনাটি হাইলাইটেড হয়েছে শুধুমাত্র রাজনৈতিক উদ্দেশ্য হাসিলের জন্য। এবং এটি নিয়ে আর বাড়াবাড়ি করলে বাংলাদেশ ও মুসলমানদের ইমেজ আরও খারাপ হবে।@উদাসী স্বপ্ন, বিবিসিতে একটি প্রামান্য অনুষ্ঠান দেখেছিলাম ৪/৫ বছর আগে। ৯/১১ এর ঘটনার প্রেক্ষিতে মুসলিমদের উপর। সেখানে তারা একবার বলেছিল দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পূর্বে টেররিস্ট হিসেবে মুসলিমদের কোন রেকর্ড নেই।
ওয়ামি বলেছেন:
সন্ধ্যাবাতি, গুড পোস্ট ... গুড আন্ডারস্ট্যান্ডিং অফ দ্যা ইস্যু। তোমাকে ধন্যবাদ দেয়ার জন্য লগ ইন করলাম। এধরণের প্রতিক্রিয়াশীল কর্মকান্ড কোনভাবেই সমর্থনযোগ্য না। ড্যানিশ কার্টুনের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করতে গিয়ে ভাঙচুর, মারামারি, এবং প্রাণহানির ঘটনায় খুব মর্মাহত হয়েছিলাম। ধর্মান্ধরা বোঝেনা কোনটাকে fun হিসেবে নেয়া যায়, কিংবা কোনটাকে না গুনলেও চলে (আমার ধারণা অনেকে না দেখে না বুঝে এধরনের কাজে অংশ নেয়, মাথা খাটিয়ে চিন্তা করার কাজটা তারা নেতাদের উপর ছেড়ে দেন)। আর "প্রগতিশীল" সমাজ বোঝেনা "সেনসিটিভ জোন" এড়িয়ে গিয়েও ধর্মান্ধতাকে কটাক্ষ করা যায়, খুব ভালোভাবেই যায়। তারা বুঝতে ব্যর্থ যে তাদের কাজ কোনভাবেই ধর্মান্ধতা বন্ধে সহায়তা করেনা, বরং সুযোগ-সন্ধানীদের রাজনৈতিক ফায়দা হাসিলের পথ প্রশস্ত করে দেয়।ওই কার্টুনটা কোনো হিসেবে আসার মতোই না। অথচ এটার জন্য কার্টুনিস্টকে জেল-হাজতে যেতে হলো। এটা অত্যন্ত দুঃখজনক। আমরা স্বাধীন দেশে বাস করি। এই দেশের একটা সংবিধান আছে একটা জুডিশিয়াল সিস্টেম আছে। কেউ সেই কার্টুনে অফেন্ডেড হলে তার আদালতে যাবার সুযোগ আছে। তা না করে গায়ের জোড়ে সবকিছু আদায় করে নেয়ার প্রবণতা আমারদের মজ্জাগত হয়ে গেছে। আর প্রতিবাদ যে শান্তিপূর্ণ হতে পারে সেটা আমাদের ধারণাতেই নাই।
মাহমুদ রহমান বলেছেন:
অলরেডি হই হাঙ্গামা শুরু হয়ে গেছে। কি যে হয় কি জানি! পত্রিকাগুলোও যেমন ফাজিল (অবশ্য সবাই না), আমার ধারণা একটা হাঙ্গামা বাদাইতেই তারা এটা ইচ্ছা করেই করেছে।ঢাকা ভার্সিটির ঘটনা থেকে তো আগানো গেল না, এখন ভাল মওকা তৈরি করা গেছে। এসব ষড়যন্ত্রকারীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি আশা করছি।
আলেম সমাজের কাছে দায়িত্বপূর্ণ ভূমিকা জাতি প্রত্যাশা করছে। আপনারা এ জাতিকে যেকোন ধরনের বিপদ থেকে রক্ষার চেষ্টা করুন।
মাহবুবা আখতার বলেছেন:
সন্ধ্যাবাতি, আপনার সাথে আংশিক একমত। পুরোপুরি সমর্থন করতে পারছি না। তবে আপনার লেখায় অনেক সুচিন্তিত বিষয় উঠে এসেছে। এজন্য ধন্যবাদ।
আরশাদ রহমান বলেছেন:
পড়ে ভাল লাগল! সন্ধ্যাবাতি ধন্যবাদ আপনাকে।
সোনার বাংলা বলেছেন:
জান্নাত বলেছেন :২০০৭-০৯-১৯ ১৭:৪৭:১৭
সব বুজলাম অনেকের লেখা পড়লাম কিন্তু নাস্তিকতার পাশে দাড়াতে পারবোনা।এটা সাফ কথা।এত বড় কুকির্তীর একটা বিচার হোক নইলে অপশক্তির বিজয় হবে।এটা মোটেই কাম্য নয়......
ফাইটার বলেছেন:
Prothom-alo is my fav newspaper, but one thing hurts me all the time, they are too careless about Islam, hope this incident will make them careful!
অজানা অচেনা বলেছেন:
সালাম সন্ধ্যাবাতি। অনেক অনেক দিন হাইবারনেশনে থেকে অবশেষে এই ব্লগে ঢুকে পড়লাম। বেশ এনজয় করছি কথার যুদ্ব। অনেক মত আর পাল্টা মত। হমমম বুঝলাম তুমি এখানে বেশ পপুলার।
এতো এতো মন্তব্য পড়ে তুমি নিশ্চয় আমার আর নতুন কিছু শুনতে চাইবেনা। তাই নতুন কিছু বলবনা।
তবে আমার মনে হ্য় তুমি আলপিনটা দেখনি। রমজান নিয়ে আর সংযম নিয়ে খোচাঁ মারাটা নিশ্চয় তুমিও সইতে পারতে না।
আমার একটা জিনিস বুঝতে বেশ বেগ পেতে হচ্ছিল- বুঝলাম ক্ষমা চাইল। ঠিক আছে, ক্ষমা করলাম। খতিব সাহেবের বক্তব্যের সাথেও-ঠিক আছে, একমত হলাম।
কিন্তু বারবার, এমন কি গহীন রাতে, টি২০ ওয়ার্ল্ড কাপের উত্তেজনাপূর্ণ মুহুর্তের মাঝখানেও (!!!!!!) বারবার এই ক্ষমার দৃশ্যটা বিটিভিতে প্রচার করাটার মানে কি?? আমি স্রেফ জানতে চাই।
আমার মত হয়তো কেউ কেবলমাত্র বিটিভি দর্শক এখানে পাওয়া যাবেনা, তাই ব্যাপারটা কেউ বিশ্বাস করল কিনা সন্দেহে আছি।
ওহ হ্যাঁ, সন্ধ্যাবাতি, তুমি হয়তো আমাকে চিনতে পারনি।
ব্লগস্পটে একসেন্ট্রিকের কথা মনে আছে??
কৌশিক আহমেদ বলেছেন:
তোমার সন্বন্ধে আমার ধারণা ভুল ছিল। আমি ভাবতাম তুমিও বোধহয় মৌলবাদীদের মত চিন্তা করো। অবশ্য মাঝে মাঝে আশাবাদী হয়েছি, ভেবেছি, তুমি হয়তো ওরকম নও। এবার সত্যিই নিশ্চিত হলাম। তুমি শুভর শক্তি। তোমাকে আমার বড় প্রয়োজন।
দেবদারু বলেছেন:
@সন্ধ্যাবাতি, অনেক ধন্যবাদ চিন্তাশীল এবং যুক্তিযুক্ত পোস্টটির জন্য.......... দেরিতে পড়লাম বলে আফসোস হচ্ছে..........৫ অবশ্যই।
রাজর্ষী বলেছেন:
নতুন ব্লগার, অনেক পরে কমেন্ট করছি।ঐ কার্টুনটা আসলে রাজনৈতিক উদ্দ্যেশ্যে ব্যাবহার হয়েছিলো তখন। আমি একইরকম কৌতুক কিশোর কন্ঠ পত্রিকাতে আগেও পড়েছি।
এখানে রাজনীতিটা বুঝতে হবে। মৌলবাদীরা প্রথমআলো বন্ধ করার উদ্দ্যেশ্যেই ঐ গোলমালটা তৈরি করে। এখানে কমেন্ট থেকেও বোঝা যায় প্রথম আলোর উপরে কারা কেন নারাজ।
কার্টুনিস্ট আরিফ ঐখানে শিকার হয়েছিলো মাত্র। রাজনীতিতে এমন আনেকে শিকার হয়ে যায়।
সামহোয়্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...

















