আমার প্রিয় পোস্ট
- কার্টুন গ্যাঞ্জাম (সন্ধ্যাবাতি) - সন্ধ্যাবাতি
- সেন্ট মার্টিন দ্বীপের কোরাল/প্রবাল: পানির নীচে অন্য এক জগত - রাব্বি !
- ৭১ এর ঘটনা : এক ঝুড়ি কামরাঙা ,আল্লাহর কাছে আমার যত কৃতজ্ঞতা - মেহরাব শাহরিয়ার
- কারকোল চিকেন এবং সাগরের সাথে কিছুক্ষন - আস্তমেয়ে
- তারা বলে ইহা ভালোবাসার 'দিবস'! - এই আমি মীরা
- পণ্য নারী - সন্ধ্যাবাতি
- বেস্ট ফ্রেন্ড - মুনিয়া
- স্বপ্নবাজি - কিংকর্তব্যবিমূঢ়
- আজ তোমার মেঘে মেঘে রংধনু- - কনফুসিয়াস
- :: সে রাতে পূর্ণিমার সাথে আমি তোমাকেও দেখেছি :: - নজমুল আলবাব
- শেকড়ের টানে,স্মৃতির না'য়ে - ফারহান দাউদ
- আলু ভর্তা এবং একটি অর্ধ আঁতেলীয় ভাবনা (প্রকাশ করতে গিয়ে) শংকিত আমি - মাহবুবা আখতার
- ব্যবসায়ী মন ব্যবসায়ী স্বপ্ন - ফারজানা মাহবুবা
- বই পড়তে চাই, নাম দিন প্লীজ! - সন্ধ্যাবাতি
- আমরা দিন দিন খুনী হয়ে যাচ্ছি... - সন্ধ্যাবাতি
- টু বি অর নট টু বি - এই আমি মীরা
"গর্ভধারণ একান্ত পাশবিক কাজ": হুমায়ূন আজাদ
১৮ ই জানুয়ারি, ২০০৮ দুপুর ২:৩১
"...নারীর গর্ভধারণ একান্ত পাশবিক কাজ। নারীকে কি চিরকালই ধারণ ক'রে যেতে হবে গর্ভ, পালন ক'রে যেতে হবে পশুর ভূমিকা? গর্ভবতী নারী দেখতে অনেকটা গর্ভবতী পশুরই মতো, দৃশ্য হিশেবে গর্ভবতী নারী শোভন নয়, আর গর্ভধারণ নারীর জন্যে অত্যন্ত পীড়াদায়ক।..."
বইটা এনেছি এক বাঙালি আন্টির বাসা থেকে। আন্টি বই দেয়ার সময় বলেছিল, এম্মা এটা নিচ্ছো? আমি তো বিখ্যাত বই বলে এনেছি, শেষ করতে পারি নি, এত্ত বিশ্রী, বমি পায়।
আমি তবুও আনলাম। বিখ্যাত বই বলেই। এও শুনেছি, নারীদের নিয়ে লেখা বাংলা ভাষার শ্রেষ্ঠ বই! এতকাল পড়ার খুব শখ ছিল, সুযোগ পেয়ে হাতছাড়া করব কেন?
বলছি হুমায়ূন আজাদের 'নারী' বইটা নিয়ে। উদ্ধৃতিটুকু ৩২০ পৃষ্ঠা থেকে নেয়া।
শুরু থেকে খুব চমক দেয়া কিছু পাই নি। সাইকোলজিতে ফেমিনিস্ট আন্দোলনের অনেক চিন্তাধারা চলে আসে, তাই লজিকগুলোর সাথে আমি পরিচিত। ধর্মে নারীর অধিকার নিয়েও পড়াশোনা করেছি নানা সময়ে। এদিক ওদিক দুই দিকই। সেক্যুলার ভিউ পয়েন্টটা অনেক বার এত ভাবে পড়েছি যে স্রেফ চর্বিত চর্বন পুনরাবৃত্তি ঠেকছিল। সত্যিই নতুন কিছু পাচ্ছিলাম না বইটায়... এই লাইনগুলোতে আসার আগ পর্যন্ত।
গর্ভধারণ পাশবিক কাজ!
গর্ভ ধারণ করা পশুর ভূমিকা!
গর্ভবতী নারী দেখতে গর্ভবতী পশুর মতো!
আমি হতভম্ব হয়ে বইয়ের পাতায় তাকিয়ে ছিলাম। হতভম্ব, আতঙ্কিত আমি আপাদমস্তক শিউরে উঠেছিলাম।
লেখক কি এই বই লেখার সবচেয়ে বড় প্যারাডক্স টের পেয়েছেন তার জীবদ্দশায়? এই লাইনগুলো।
খুব আগ্রহ করে বইটা এনেছিলাম, পুরা দেশে হই চই ফেলে দেয়া খুব সাহসী বই নাকি! পড়ে বড় হতাশ হলাম। 'নষ্টনীড়' অধ্যায়টা পড়লাম রম্য হিসেবে। পুরা অধ্যায়টার ভিত্তিই তথ্যগত ত্রুটির উপর। শরীরের ডিফেন্স সিস্টেম, উর্বরতা, মিলনের আগ্রহ, সব একে অপরের সাথে জড়িত। এই লিংকটা তিনি দেখেন নি বলেই ত্রুটিটা হয়েছে। এর বেশি এই প্রসঙ্গে বলা যাচ্ছে না...
'ফ্রয়েড সফল মনোবিজ্ঞানী, কিন্তু ব্যর্থ সমাজবিজ্ঞানী'... বইটা যতদিনে লেখা হয়েছে, ততদিনে মনোবিজ্ঞানীরা স্বীকার করে নিয়েছেন যে ফ্রয়েড মনোবিজ্ঞানী ছিলেন না। ফ্রয়েড বিজ্ঞানী ছিলেন না। সমাজবিজ্ঞানী হলে হতে পারেন, কিন্তু তিনি বিজ্ঞান সম্মত থিওরী দেন নি, বিজ্ঞানের পথ ধরে। অথচ, বইটার একটা বড় অংশ জুড়ে ফ্রয়েডের 'বৈজ্ঞানিক তত্ত্ব'!
আর ইসলাম নিয়ে তথ্যগত ত্রুটি, অনিচ্ছাকৃত/ইচ্ছাকৃত অন্ধত্ব না হয় না-ই ধরলাম!
এই লেখক সম্পর্কেই একবার ব্লগে একজন মন্তব্য করেছিলেন, হুমায়ূন আজাদ নবী রাসুলদের চেয়েও মহৎ মানুষ। তাঁর দ্বিতীয় বইটা পড়লাম মহত্ব খুঁজে বের করার প্রবল আগ্রহ থেকে। বিনিময়ে পেলাম, গর্ভবতী নারীকে দেখতে গর্ভবতী পশুর মত লাগে!!!
আমি তীব্র কষ্ট নিয়ে, বেদনায় নীল হয়ে অক্ষরগুলো দেখছিলাম।
গত বছর এনাটমিতে একটা ডকুমেন্টারি দেখেছিলাম, 'দ্যা এমেজিঙ হিউম্যান বডি'।
একজন নারীর গর্ভে একটা ডিম্বক নিষিক্ত হওয়া থেকে শুরু করে সন্তানের জন্ম হওয়া পর্যন্ত পুরাটুকু টেলিভিশনের পর্দায় দেখলাম। ডকুড্রামার শুরুতে একটা কথা বলেছিল। পৃথিবীতে প্রতি সেকেন্ডে সবচেয়ে বড় মিরাকেলটা হচ্ছে--মানবজন্ম। শুধু আমরা যথেষ্ট জানি না বলে উপলব্ধি করি না।
পুরাটা দেখা শেষ করে দেখি আমার চোখে পানি! ডকুড্রামা শেষে ঘরের লাইট জ্বলতে জ্বলতে লুকিয়ে চোখের পানি মুছলাম। মাকে আরও বেশি ভালোবাসতে শিখলাম। ফিরে এসে বিহ্বল আমি বুক ভরা আবেগ নিয়ে এটা লিখেছিলাম।
গর্ভধারণকে পশুর ভূমিকা বলা শুধু পুরুষ হিসেবে অপরাধ না, 'মানুশ' হিসেবে অপরাধ! বইটা দু'দিন ধরে পড়ছিলাম একটু চমক খুঁজতে, একটু অসাধারন কিছু দেখতে। 'নবী রাসুলের চেয়েও মহৎ' মানুষটার থেকে একটু নতুন কিছু শুনতে।
শুনলাম। বইটা আর পড়ব না। রেখে দিলাম।
বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...
লেখক বলেছেন: হ, হুমায়ূন আজাদ তো হুমায়ূন আজাদই। না হলে কি আর গর্ভ ধারণ পশুর কাজ হয়! তিনি নিশ্চয়ই টেস্ট টিউব বেবী ছিলেন না!
অ্যামাটার বলেছেন:
ধুর , মাইনাস
বুড়া শাহরীয়ার বলেছেন:
প্লাস
পান্জেরী বলেছেন:
আমি হু.আযাদের পাক-সার-জমিন-সাদ-বাদ (নামটা পুরোপুরি মনে নেই) কিনেছিলাম বহুত আশা নিয়ে - '৭১ এ পাকিস্তানের কুৎসিত চেহারা নিয়ে জানব বলে। কিন্তু বইয়ের প্রথম ২-৩ পৃষ্ঠা পড়ার পর আর আগাতে পারিনি। এমন বিশ্রী বিশ্রী কথাবার্তা!আমি বুঝিনা, কিছু লিখতে গেলে কেন তা খারাপ ভাষায় লিখতে হবে। এতে পাঠক বিরক্ত হয়ে লেখকের মুল বক্তব্যই আর খোঁজে পাবেনা।
এরপরও একশ্রেনীর অন্ধ লোকজন হু.আযাদ, তসলিমা এদের গুরু মানে, সুসাহিত্যিক, ভাষাবিদ, ... বিভিন্ন বিশেষণে বিশেষিত করে। এরা কি জেনে করে না না জেনে করে? না জেনে করলে এরা মূর্খ, আর না জেনে করেলে বলব এরা ঐসব লেখকদের মতোই খারাপ মানসিকতার।
লেখক বলেছেন: আমি সেই বইটাই প্রথম পড়েছিলাম, হুমায়ূন আজাদ সম্পর্কে এত শুনেছি যে একটা তীব্র মোহ নিয়ে বইটা পড়েছিলাম। বইটা পড়ে আমি অনেকগুলো দিন ভীষণ রকমের ডিপ্রেসড ছিলাম, বমি করতে বাকি ছিল। হুমায়ূন আজাদের তীব্র ভক্তরা যখন শুনেছে, তখন বলেছিল, হ্যা, ওই বইটা একটা ডিজাপয়েন্টমেন্ট, কিন্তু ভালো বই অমুক তমুক। আরেকটা আনলাম পড়ার জন্য, মহত্ত্ব খুঁজে বের করতে। যেই পুরুষতান্ত্রিক সমাজ নিয়ে এত কিছু বললেন লেখক, তিনি নিজেই বুঝতে পারছেন না, তিনি যে মানুষ বলতে আসলে 'পুরুষ' বুঝাচ্ছেন! নারীর গর্ভধারণ পাশবিক কাজ, নারী শুধু 'পুরুষ' হয়ে উঠতে পারলেই 'মানুশ' হয়ে উঠবে!
আশরাফ রহমান বলেছেন:
হুমায়ুন আজাদ নিশ্চয়ই তার মায়ের কথিত পাশবিক কাজের ফসল!
পান্জেরী বলেছেন:
এরপরও একশ্রেনীর অন্ধ লোকজন হু.আযাদ, তসলিমা এদের গুরু মানে, সুসাহিত্যিক, ভাষাবিদ, ... বিভিন্ন বিশেষণে বিশেষিত করে। এরা কি জেনে করে, না না জেনে করে? না জেনে করলে এরা মূর্খ, আর জেনে করেলে বলব এরা ঐসব লেখকদের মতোই খারাপ মানসিকতার।
দিগন্ত বলেছেন:
এ তো ওনার ব্যক্তিগত মতামত। এতে সমস্যার কি আছে? গর্ভধারণ করা কারোর কাছে সমস্যার মনে হতেই পারে ...
পান্জেরী বলেছেন:
আশরাফ রহমান বলেছেন: হুমায়ুন আজাদ নিশ্চয়ই তার মায়ের কথিত পাশবিক কাজের ফসল!- আশফাক ভাই ভাল বলেছেন।
তবে একজন মায়ের প্রতি এমন অপবাদ না দিলেই ভাল। কারন, হু.আযাদের মা হলেও, ইনি একজন মা। মায়ের কষ্ট অনেক অনেক, বিয়ে করে সন্তান নেয়ার পর বুঝি। আগে বুঝিনি।
ধন্যবাদ।
পান্জেরী বলেছেন:
আশফাক ভাই, আমি জানি আপনি অপবাদ দেন নি, হু.আযাদের ভাষায় বলেছেন। তারপরও...
ফারজানা মাহবুবা বলেছেন:
অংশবিশেষ নয়, পুরো বইটা পড়েই আমার অনেকবার মনে হয়েছে আমি নারী, এই আমাকে অপমান করা হয়েছে।সন্ধ্যা, পুরো বইটার উপর রিভিউ দাও।
হুমায়ুন আজাদের লজিক দিয়ে এন্টি লজিক দাও।
কষ্ট হবে, কিন্তু যেহেতু তুমি এখন পড়ছ, কাজটা করতে পারবে।
হুমায়ূন আজাদের লেখক সত্ত্বার প্রতি পূর্ন শ্রদ্ধা জানিয়েই জিজ্ঞেস করি,
তার স্ত্রী যখন তার সন্তান পেটে নিয়ে গর্ভবতী ছিলেন তখন কি তার স্ত্রীকেও তার গর্ভবতী পশুর মত মনে হয়েছিল?
লেখক বলেছেন: ঠিক একই কথা আমার মনে হচ্ছিল জানো! পশ্চিমে সন্তান জন্মের সময় বাবা উপস্থিত থাকতে পারে। বেশির ভাগ সময় বাবারা অজ্ঞান হয়ে যায়, সহ্য করতে পারে না। পৃথিবীর প্রতিটা দেশে এটা বাধ্যতামূলক করা উচিত!
লজিকগুলো এত বেশি সিমপ্লিস্টিক, যে এন্টি লজিকের জন্যও যে ভাবতে হয়, সেটা আমার মনেই হয় নি!
ফারজানা মাহবুবা বলেছেন:
দিগন্ত,তিনি যখন একজন বড় মাপের লেখক, তখন তার ব্যাক্তিগত সমস্যাকে জাতীয় পর্যায়ে মতামত জানিয়ে আমাদেরকে, এই নারীদেরকে যে সমস্যায় ফেলে দিলেন!
ফারজানা মাহবুবা বলেছেন:
আরণ্যক যাযাবর,হুমায়ুন আজাদ দোষগুনের উর্ধে মানুষ নন।
তার সমালোচনা করলেই ‘তাকে বোঝার বুদ্ধি সবার থাকেনা’, এটা কি ধরনের কথা?
আপনি লজিকে আসুন।
আপনার বোন/স্ত্রী যদি গর্ভধারন করে এবং তাকে হুমায়ুন আজাদের এই লাইন পড়ে শোনানো হয়, তার রিএকশান কেমন হতে পারে বলে মনে করেন?
একটা গল্প বলি।
ইহুদীদের কথিকা এটা।
একদিন মোজেস গডকে জিজ্ঞেস করলেন, গড, এত কষ্ট করে কেন মাদেরকে গর্ভ ধারন করতে হয়?
সন্তান ফলের মত গাছে ধরলেই তো পারে!
গড বললেন, ঠিক আছে ঐ নদীর ধারে যাও। ওখানে গাছে গাছে সন্তান ধরে আছে।
মোজেস গেলেন।
গিয়ে দেখলেন নদীর ধারের গাছে ফলের মত সত্যি সন্তান ধরে আছে। মায়েরা সব নদীর ধারে বসে গল্প করছে।
একটু পর ভীষন ঝড় এল।
মায়েরা সব দৌড়ে আশ্রয়ের সন্ধান্তে চলে গেল। আর বাচ্ছাগুলো ফলের মত টুপ টুপ করে নদীতে পড়ে গেল। মা’রা তবুও আশ্রয় থেকে বের হলেন না।
তখন মোজেস বললেন, গড, ইউ আর দ্য ন’লেজ।
হুমায়ুন আজাদের এ বই পড়ে আমার মনে হয়েছে হুমায়ুন আজাদ যদি ঐ গাছে ধরত, আর তার মা যদি ঝড়ের ভিতর তাকে ফেলে আশ্রয়ে চলে যেত, এবং সে যদি নদীতে পড়ে যেত তাহলে মোজেস’র মত তারো বোধোদয় ঘটত।
ফারজানা মাহবুবা বলেছেন:
এন্টিলজিকের জন্যে ভাবতে না হলেও ভাবো।আমি সাধারনত এসব বিতর্কিত বিষয় এড়িয়ে যেতে পারলেই খুশী হই। কিন্তু হুমায়ুন আজাদের নারী পড়ে আমার মনে হয়েছে লোকটার মুখোশ খোলার সময় এসেছে।
পাক-সার-জমিন-সারবাদ’ পড়লেও তোমার একই জিনিষ মনে হবে।
ফালতু সব তথ্যের উপর নির্ভরশীল বাজে পর্ণ-উপন্যাস।
এর চে’ বরং হুমায়ুন আহমেদ আর আনিসুল হকের বই দুইটা মুক্তিযুদ্ধের মহামূল্যবান সম্পদ। হুমায়ুন আজাদ সম্পর্কে আহমেদ ছফার মন্তব্য পড়ে নিও। (এখন খুঁজে পাচ্ছিনা, দরকারের সময় আমি কেন যে কিছু খুঁজে পাইনা! ধুর!) তাহলেই বুঝবা হুমায়ুদ আজাদ ইস্যু এধরনের লেখা লিখেও কেন উপরে উঠে এসেছে।
আরণ্যক যাযাবর বলেছেন:
আপনাদের মতো ভালোমানুষি মুখোশ পড়া কুটিল দেশবিরোধী একটি চক্রের সমর্থক মানুষদের সাথে লজিক খাটেনা @সম্মানিতা ফারজানা মাহবুবা।
ভালোমানুষি মুখোশগুলো খুলে ফেলে আশরাফ রহমানের মতো ভাষায় কথা বলুন।
তাহলে আমাদের সাধারণ মানুষের জন্যে ব্যাপারগুলো বোধগম্য হবে।
আবুফয়সাল আহমেদ বলেছেন:
@ আরণ্যক যাযাবর"হুমায়ুন আজাদ বোঝার মতো বুদ্ধি সবার থাকেনা।"
ভাই ভাল খারাপ বোঝার জন্য সাহিত্য বুঝতে হয় না। আর হুমায়ুন আজাদ বুঝতে যদি এক্সট্রা ক্যালিবারের দরকার হয় তো দরকার নাই এমন সাহিত্যিকের যিনি সাধারণ মানুষের কাছেই পৌছাতে পারেন নাই । আমি নিজে তাঁর বেশ কয়েকটি বই পড়েছি। সিম্পলি সেক্স ম্যানিয়াক মনে হয়েছে। খারাপ কথা ভাল ভাবেও বলা যায়।
@ দিগন্ত বলেছেন
" এ তো ওনার ব্যক্তিগত মতামত। এতে সমস্যার কি আছে? গর্ভধারণ করা কারোর কাছে সমস্যার মনে হতেই পারে "
ভাই ওনার কাছে কিভাবে মনে হল? ওনার ব্যক্তিগত মতামতের উপর ভিত্তি করে সমস্ত নারীদের তিনি এভাবে বলতে পারেন না। ব্যক্তগত মত প্রকাশ মানে যা তা বলে যাওয়া নয়।
পান্জেরী বলেছেন:
সন্তান জন্মের সময় বাবার উপস্হিতি বাধ্যতামূলক করা উচিত কিনা জানি না। তবে সিডনির westmead হসপিটালে আমার প্রথম বেবী জন্ম নেয়ার সময় আমি স্ত্রীর পাশে সর্বক্ষণ ছিলাম। পুরো ৩৮ ঘন্টা লেবারের সময় ডাক্তাররা বিভিন্নভাবে চেষ্টা করেছিলেন। পরে যখন রাত দুটায় সিজারের জন্য নিয়ে গেল, আমিও গেলাম। ঘটনাক্রমে সেদিন ছিল শুক্রবার দিবাগত রাত ও আমি রোজা ছিলাম। স্ত্রীর এমন কষ্টে আল্লাহর কাছে কান্নাকাটি করা ছাড়া কিছুই করার ছিল না।এসময়টাতে বুঝলাম মা কি জিনিস। আমার অভজ্ঞতা নিয়ে ইনশাআল্লাহ পরে একটি পোস্ট দেয়ার চেষ্টা করব।
পান্জেরী বলেছেন:
সন্ধ্যাবাতি, আপনি ফারজানার পরামর্শমত কঠিন কাজটা (হুমায়ুন আজাদের লজিক দিয়ে এন্টি লজিক) করে ফেলুন। বিষয়টা অনেক পরিশ্রম ও সময়ের ব্যাপার। উনিও সম্ভবত আপনাকে হেল্প করতে পারবেন প্রয়োজন হলে, যেহেতু উনিও বইটা পড়েছেন।
সিহাব চৌধুরী বলেছেন:
চমতকার সমালোচনা । নারী মা , মায়ের শরীর পশুর শরীরের সাথে কখনোই, তার কোন শারীরিক অবস্থাতেই তূল্য নয় ।
কিন্তু কথার পরেও কথা থাকে । হুমায়ূন আজাদের বইটি নারী বইটি পুরো বাংগালী জাতির জন্য একটি prodigy ! যে বিষয়টি তোমার চোখ এড়িয়ে যাচ্ছে তা হচ্ছে, গর্ভবতী নারীর শরীরের অকৃতির প্রতি হুমায়ূন আজাদের রোবোটিক দৃষ্টি । in his mechanical eyes -- a pregnant mother shapes like a beast mother. dont be a aesthetic arbitar to judge his robotic eyes !
হুমায়ূন আজাদ এমনই এক প্রতিভা, যাকে দেখার জন্য দুটি চোখ তো নয়ই, অনেকগুলো চোখও যথেষ্ঠ নয় । @ সন্ধ্যাবাতি ।
মৃদুল মাহবুব বলেছেন:
আমার মন্তব্য আলাদা পোষ্ট আকারে দিয়েছি।
নাস্তিকের ধর্মকথা বলেছেন:
হুমায়ুন আজাদের অনেক বই বা উপন্যাস আমার কাছেও ভালো লাগেনি। বরং খুব খারাপই লেগেছে। পাক সার জামিন সাদ বাদও ভালো লাগে নি। কিছু বই, শুধু ভালো না অসাধারণ লেগেছে। কিশোরদের উপযোগী বই লাল নীল দীপাবলী ও কত নদী সরোবরে তো আমি এখনও পড়ি- বারবার পড়ি। আব্বুকে মনে পড়ে, ফুলের গন্ধে ঘুম আসে না এসব বইকে তো স্কুল লেভেলের ছেলেপেলেদের অবশ্য পাঠ্য মনে করি। ওর ভাষার উপর গবেষণাগ্রন্থসমূহ একেকটা মাস্টারপিস। এমন অনেক কিছুই বলা যায়।
যাহোক, প্রসঙ্গে আসি- হুমায়ুন আজাদ এর এমন কিছু আলোচনা আছে, এমন কিছু বক্তব্য আছে- তা সাধারণ চিন্তা বা গরপরতা চিন্তা দিয়ে বোঝাটা কঠিন। কেননা, এনাদের মত ব্যক্তিরা শুধু একটি নির্দিষ্ট ফ্রেমে চিন্তা করেননা, কোনরূপ সংস্কার এনাদের চিন্তাভাবনার গণ্ডীকে টুটে ধরতে পারেনা।
এবার যে লাইন কটিতে আপনি আতকে উঠেছেন সে সম্পর্কে দুটি কথা বলি-
.....................
ফারজানা মাহবুবা বলেছেন:
আরণ্যক যাযাবর,হাসালেন।
আপনাদের দেখি কমন একটা সিনোরিও আছে, যখনই আপনাদের বুঝের বাইরে দাঁড়িয়ে কেউ লজিক দেয়, তখনি আপনারা এ ধরনের কথা বলে অপমান করার চেষ্টা করে কাহিনী ঘুরিয়ে দিতে চান।
হুমায়ুন আজাদের প্রতিভা বোঝার জন্যে দশ চোখের প্রয়োজনীয়তা(!!),
হুমায়ুন আজাদের লেখার বুঝা জন্যে বুদ্ধি(!!),
এসব সন্ধ্যার কোশ্চেনের উত্তর হল??
আর সম্পূর্ন ম্যাটেরিয়ালিস্টিক দৃষ্টিকোন থেকে দেখে যদি পুরো মা জাতিকে অপমান করার সাধ জাগে কারো, কী আর বলার আছে!
মৃদুল মাহবুব বলেছেন:
আমার মন্তব্য:আমাদের জন্য হীরে বসানো সোনার খাচার কারিগর তারা প্রস্তুত করতে চলেছে।
পান্জেরী বলেছেন:
"হুমায়ূন আজাদ এমনই এক প্রতিভা, যাকে দেখার জন্য দুটি চোখ তো নয়ই, অনেকগুলো চোখও যথেষ্ঠ নয়। " - হা হা হা....... হু.আযাদকে দেখতে আপনার কয়টা চোখ (mechanical eyes!) লাগল খুব জানতে ইচ্ছে করছে? @সিহাব চৌধুরী।
ফারজানা মাহবুবা বলেছেন:
সন্ধ্যা,(হুমায়ুন আজাদ বোঝার মতো বুদ্ধি সবার থাকেনা।)
(এ তো ওনার ব্যক্তিগত মতামত। এতে সমস্যার কি আছে? গর্ভধারণ করা কারোর কাছে সমস্যার মনে হতেই পারে ...)
(হুমায়ূন আজাদ এমনই এক প্রতিভা, যাকে দেখার জন্য দুটি চোখ তো নয়ই, অনেকগুলো চোখও যথেষ্ঠ নয় )
(হুমায়ুন আজাদ এর এমন কিছু আলোচনা আছে, এমন কিছু বক্তব্য আছে- তা সাধারণ চিন্তা বা গরপরতা চিন্তা দিয়ে বোঝাটা কঠিন।)
হাহাহাহাহা!
তোমার উত্তর পেয়ে গিয়েছ আশা করি!!
এদের সাথে কথা বলে লাভ নেই, সব বিল্ট-ইন প্রোগ্রামড!
আমি যাই।
সিহাব চৌধুরী বলেছেন:
আমি নিজে ই তো অনেক কম বুঝি , অতোগুলা চোখ অখনও ফুইটা উঠে নাই । আল্লার কাছে প্রার্থনা, যেন চোখগুলা ফুটে ওঠে ! @ পাঞ্জেরী ।
দিগন্ত বলেছেন:
"দিগন্ত,তিনি যখন একজন বড় মাপের লেখক, তখন তার ব্যাক্তিগত সমস্যাকে জাতীয় পর্যায়ে মতামত জানিয়ে আমাদেরকে, এই নারীদেরকে যে সমস্যায় ফেলে দিলেন!"
- এই সমস্যা আমাদের তৃতীয় বিশ্বের। যখনই কেউ সেলিব্রিটি হয়ে যায়, তার সমস্ত কথাই আলোচ্য বিষয় হয়ে যায়। আমার ধারণা, ওনার এই বক্তব্যের সাথে আমি একমত না হলেও অন্য অনেক বক্তব্যের সাথে একমত।
নারীদেরকে কিভাবে সমস্যায় ফেলছেন সেটা অবশ্য আমি বুঝলাম না।
সিহাব চৌধুরী বলেছেন:
ম্যাডাম ফারজানা, আপনি বলবেন কি , আমার মন্তব্যের কোন অংশটা প্রোগ্রামড ।
হুমায়ূন আজাদ এমনই এক প্রতিভা, যাকে দেখার জন্য দুটি চোখ তো নয়ই, অনেকগুলো চোখও যথেষ্ঠ নয় . -- এ কথাটি বলার আগে আমি বলেছি কি কারনে অনেকগুলো চোখও যথেষ্ঠ নয় । সব কিছুকে টেনেটুনে generalized করে ফেলাটা কি ধরনের non-programmed চিন্তা ?
ফারজানা মাহবুবা বলেছেন:
হা হাহাহাহাহা!কীভাবে সমস্যায় ফেললেন বুঝেননি?
এই যে উনি বললেন প্রেগন্যান্ট নারীকে পশুর মত লাগে! এখনতো তার অন্ধ অনুসারীরাও সে দৃষ্টিকোণ থেকে দেখা শুরু করবে!
খেয়াল করেছেন? এখনো কিন্তু একজন প্রেগন্যান্ট যখন রাস্তায় বের হয় মানুষ তাকে সাইড দেয়। একটু বসার জায়গা করে দেয়। হাতে ভারী কিছু থাকলে তা নিয়ে এগিয়ে দেয়।
কিন্তু তাকে যদি পশুর মত মনে করা শুরু করে…………………!
হায় হায়!
(হাহাহাহা!)
ফারজানা মাহবুবা বলেছেন:
সিহাব চৌ,হুমায়ুন আজাদের লাইনগুলো পড়ুন।
আমার দু’টা মাত্র চোখ আর স্বল্প জ্ঞান নিয়েই বুঝেছি সে মোটেও রোবোটিক সেন্স থেকে জাজ করেনি। সে তার পারসোনাল মত দিয়েছে।
আমরা এতটা ছাগল নই যে ঘাস বলে সবুজ রঙ করা যা তা খাইয়ে দেবেন!
এবং সন্ধ্যার পোষ্টের কমেন্টে আপনার কমেন্ট টা পড়লে যে কেউ বুঝবে আপনি বুঝাতে চেয়েছেন সন্ধ্যার এখনো বুঝার চোখ ফুটেনি!
হাহ!
নারী বইটা নারীদেরকে নিয়েই লিখেছে নারীদেরকে উদ্দেশ্য করে।
এবং একজন নারী হিসেবে সন্ধ্যা নারী বইতে নারীর অপমানের বিরুদ্ধে দাঁড়িয়েছে।
সেখানে আপনারা যা কমেন্ট করছেন, আপনাদেরকে প্রোগ্রামড না বলে উপায় নেই।
হুমায়ুন আজাদ পড়েছি, পড়ে তাকে সাহিত্যিক মনে হয় নাই। লজিক ছাড়া, উপাত্ত ছাড়া, তসলিমা টাইপ লেখা মনে হয়েছে।
পান্জেরী বলেছেন:
আমি জানিনা হু.আযাদ কতবড় ভাষাবিদ। যখন আমরা বলি, 'পাশবিক', যেমন, বিভিন্ন ধরনের পাশবিক নির্যাতন যেখানে ভিক্টিম অনিচ্ছায় নির্যাতিত হন আর নির্যাতক নিজের কু-ইচ্ছাকে চরিতার্থ করার জন্য শক্তি প্রয়োগ করে। এধরনের কাজ সাধারন বিবেক সম্পন্ন সকল লোক ঘৃণা করে।আর যখন, হু.আযাদ নারীর গর্ভধারনকে পাশবিক বলেন, তখন জানতে ইচ্ছে করে এর স্বীকার নারী কি স্বেচ্ছায় না অনিচ্ছায় গর্ভধারন করেন? আমার জানামতে বিবাহিত প্রতিটি নারীই মা হওয়ার আকাঙ্খা করেন, আর স্বামী এর জন্য শক্তি প্রয়োগ করেন না। তাহলে এটা কখনই পাশবিক নয়।
আর যারা বিবাহিত জীবনের পরিবর্তে পশুবৎ জীবনে (যখন যার, তখন তার) অভ্যস্ত (হু.আযাদ টাইপ লোকজন একে বেছে নেন, আমি পত্রিকায় পড়েছি ডিপার্টমেন্টের ছাত্রীদের সাথে তার অবৈধ রিলেশেনের কথা), তাদের জন্য নারীর গর্ভধারন একটি অস্বাভাবিক ও অনাকাঙ্খিত। কারণ, এতে শিশুর পরিচয় দেয়া সহ অন্যান্য ব্যক্তিগত ও সামাজিক কাজে সমস্যা হয়! তাই তাদের কাছে তা পাশবিকই বটে!
সিহাব চৌধুরী বলেছেন:
ফারজানা, প্রথমেই বলে নিয়েছিলাম নারী বইটি অপরিপক্ক বাংগালীর জন্য এই মূহুর্তে অপ্রয়োজনীয় । হুমায়ূন আজাদ ভুল সময়ে জন্ম নেয়া সঠিক মানুষ । গ্যালিলিও, জিয়োদ্রনো ব্রোনো এদের কে ততকালীন মানুষ বুঝতে পারেনি । তাই বলে আমরা কি বুঝতে পারি নি ? পেরেছি ।
উনার অন্ধ অনুসারীরা কোন প্রেগন্যান্ট মহিলাকে, পশু বলতেই পারে -- সেটা উনার উক্তির ভুল ব্যাখ্যা ও প্রয়োগ । উনার দোষ ট কোথায় দেখলেন ? @ ফারজানা মাহবুবা ।
পান্জেরী বলেছেন:
"হুমায়ূন আজাদ ভুল সময়ে জন্ম নেয়া সঠিক মানুষ ।" - দম পাটানো হাসি................হা হা হা........।
ফারজানা মাহবুবা বলেছেন:
সিহাব চৌ,
আপনি আমার মন্তব্য পড়েন নি?
আপনি প্রথমে বললেন ওটা উনি থার্ড আই থেকে রোবোটিক সেন্সে বলেছেন।
আমি বললাম- মোটেও তা নয়। উনি সম্পূর্ন তার পারসোনাল অভিমত দিয়েছেন।
এখন আবার বলছেন- উনি ভুল সময়ে জন্ম নেয়া ভুল মানুষ!!
এই ভুল সময়ে জন্ম নেয়া ভুল মানুষের থিউরী দিলে তো আর কথা বলা যায় না স্যার।
আমি অফ যাচ্ছি।
ফারজানা মাহবুবা বলেছেন:
স্যরি, কথাটা ছিল ‘ভুল সময়ে জন্ম নেয়া সঠিক মানুষ’!!আর অপরিপক্ক বাংগালী বলে খুব সম্ভব আপনি নিজেরই অপমান করলেন নিজের জাতীয় সত্ত্বার অপমান করে।
অনেক লেখক সাহিত্যিকদেরকেই দেখি যখন তাদের লেকার সমালোচনা করা হয়, তখনই তারা নিজেদেরকে বাজারের শিল-বাটোয়ারার মত ওজন বাড়ানোর জন্যে এই লাইনটা কোট করেন!
সময়ের সাথে জাতির উত্তরণ ঘটে ঠিক। কিন্তু জাতি কখনোই অপরিপক্ক থাকেনা।
জাতি অপরিপক্ক থাকলে জাতি মুখ তুলে দাঁড়িয়ে থাকতে পারবেনা। মুখ থুবড়ে পড়ে যাবে।
আশরাফ রহমান বলেছেন:
হুমায়ুন আজাদ নিশ্চয়ই তার মায়ের কথিত পাশবিক কাজের ফসল!আমার মন্তব্যে 'কথিত' শব্দটি ব্যবহার করেছি। আমি নিজে এটাকে পাশবিক মনে করি না। সুতরাং তার মায়ের প্রতি অসম্মানও করি নি।
সিহাব চৌধুরী বলেছেন:
উনি ভুল সময়ে জন্ম নেয়া ভুল মানুষ!!
বলিনি, বলেছি --
উনি ভুল সময়ে জন্ম নেয়া সঠিক মানুষ!!
অফ যাওয়ার জন্য অনেক ধন্যবাদ । @ ফারজানা মাহবুবা ।
লেখক বলেছেন: ফারজানা মাহবুবা বলেছেন: স্যরি, কথাটা ছিল ‘ভুল সময়ে জন্ম নেয়া সঠিক মানুষ’!!
আর অপরিপক্ক বাংগালী বলে খুব সম্ভব আপনি নিজেরই অপমান করলেন নিজের জাতীয় সত্ত্বার অপমান করে।
অনেক লেখক সাহিত্যিকদেরকেই দেখি যখন তাদের লেকার সমালোচনা করা হয়, তখনই তারা নিজেদেরকে বাজারের শিল-বাটোয়ারার মত ওজন বাড়ানোর জন্যে এই লাইনটা কোট করেন!
সময়ের সাথে জাতির উত্তরণ ঘটে ঠিক। কিন্তু জাতি কখনোই অপরিপক্ক থাকেনা।
জাতি অপরিপক্ক থাকলে জাতি মুখ তুলে দাঁড়িয়ে থাকতে পারবেনা। মুখ থুবড়ে পড়ে যাবে।
রিজভী বলেছেন:
+
সিহাব চৌধুরী বলেছেন:
@ পাঞ্জেরী , বেশি হাসতে গিয়ে আবার যেন ফেটে যেয়েন না । আমরাও মাঝে মাঝে হাসতে চাই । আপনার মত দু একজন না থাকলে কিভাবে সম্ভব ?
পান্জেরী বলেছেন:
আশরাফ রহমান ভাই, আমরা বুঝেছি। আরও ক্লিয়ার করার জন্য ধন্যবাদ।
ধিক্ তাদের।
যার কথা কর্ম এবং বিশ্বাসে সাধারন আইজুদ্দিন হওয়ারও কাছাকাছি নয়, তাকে নবী রাসূলের সাথে তুলনা করে।মূর্খতারও একটা সীমা থাকা উচিত।
একটা অকাট মূর্থও মাকে সম্মান দেয়। মাতৃত্বকে সম্মান দেয়।
সেই মা, মাতৃত্ব অপমানকারীর পক্ষে যারা চিৎকার করে- তারা সম্ভবত সেই বাস্তব রুপ যেই রুপে তারা মাকে কলংকিত করতে চেয়েছ।
কিন্তু মা তো মা.. চিরকালের মহান।
জননী, জন্মভূমি স্বর্গাদপি গরিয়সী....
মায়ের পদতলে সন্তানের বেহেশত.....
মায়ের একধার দুধের দাম কাটিয়া গায়ের চাম
পাপোষ বানাইলে ঋনের শোধ হবেনা..
এমনা মায়েরে কেন ভিক্ত করনা
আমার মা......
সিহাব চৌধুরী বলেছেন:
মানুষ কি বেড়ে উঠে না ? জাতিও বেড়ে উঠবে , আশা রাখি । যারা সাথে সাথে বেড়ে উঠবে না তারাই মুখ থুবড়ে পড়ে থাকবে । পরিপক্ক করার একটা ট্রাই নিয়েছেলেন হুমায়ূন আজাদ । নারীর সত্যিকার মুক্তি চেয়েছিলেন, নারীকে পন্য রাখতে চান নি । কিন্তু আফসোস, যাদের জন্য পরাধীনতার যক্ষপুরি থেকে চুরি করতে গেলেন স্বাধীনতা, তারাই বলে চোর । @ সন্ধ্যাবাতি, ফারজানা মাহবুবা ।
সন্ধ্যাবাতি, লেখকের আমার অবিশ্বাস বইটি পড়ার জন্য অনুরোধ করছি ।
শাওন বলেছেন:
সিহাব চৌধুরী বলেছেন: চমতকার সমালোচনা । নারী মা , মায়ের শরীর পশুর শরীরের সাথে কখনোই, তার কোন শারীরিক অবস্থাতেই তূল্য নয় ।
কিন্তু কথার পরেও কথা থাকে । হুমায়ূন আজাদের বইটি নারী বইটি পুরো বাংগালী জাতির জন্য একটি prodigy ! যে বিষয়টি তোমার চোখ এড়িয়ে যাচ্ছে তা হচ্ছে, গর্ভবতী নারীর শরীরের অকৃতির প্রতি হুমায়ূন আজাদের রোবোটিক দৃষ্টি । in his mechanical eyes -- a pregnant mother shapes like a beast mother. dont be a aesthetic arbitar to judge his robotic eyes !
হুমায়ূন আজাদ এমনই এক প্রতিভা, যাকে দেখার জন্য দুটি চোখ তো নয়ই, অনেকগুলো চোখও যথেষ্ঠ নয় । @ সন্ধ্যাবাতি ।
সিহাব ভাই , এখান থেকে সাত আট বছর আগে দক্ষিণাঞ্চলের দূর্ধর্ষ পূর্ব বাংলার কম্যুউনিস্ট পার্টীর নেতা যখন ধরা পড়ল তখন তালা থানায় আনা হয়েছিলো পায়ে বেড়ী পড়িয়ে। এমন কোনো লোক ছিলোনা তখন সেই বদমাইশের আতংকে আতংকগ্রস্ত । কত নারী ধর্ষিত হয়েছে আল্লাহ মালুম !
থানায় আনা হলে তিন ধরে তাকে থানার ছাদে ওঠানো হয় । তিন চার ঘন্টা পর পর তাকে ছাদে তোলা হয় মানুষজনের দেখানোর জন্য ।
কত দূর দূরন্ত থেকে মানুষ আসছে দেখতে । তাকে দেখে থু থু করেছিলো । মানুষ গুলো এসে থু দিয়ে চলে যাচ্ছিলো । আরো কত মানুষ চোখিয়ে ছিলো দেখার । দেখতে পারেনি । শুধু একবার থু দিতে এসেছিলো ।
নারী বললে আমার লাগে । কারণ আমার মা ও নারী / আমি যখন পেটে ছিলাম তখন সে গর্ভবতি ছিলো । সুতরাং আমার লাগবে ।
মুনশী বলেছেন:
হুমায়ুন আজাদের হগল কতা অমৃত না। যেই বেডারা কয় হগল কতা অমৃত। হেগোরে আন্ধা কওন।
হু.আ. কিছু ভালা কতা লেখছে। বহুত বাজে কতা লেখছে। মদ খাইয়া টাল হইয়াও লেখতো।
নারী বইডাতে হে নারীরে সম্মান দিতে যাইয়া নারীত্বের অপমানও করছে।
সিহাব চৌধুরী বলেছেন:
@ শাওন, আমারো লেগেছে । একটা বাচ্চা কে যখন মা কোন ইতিবাচক উপদেশ দেয় কিন্তু বাচ্চাটির সেটি মনপুতঃ না হলে তা তার মনে লাগতেই পারে । মায়ের দোষ কোথায় ।
আমি বলেইছি নারি বইটি একটি prodigy, সময়ের আগে চলে এসেছে ।
তোমার দক্ষিণাঞ্চলের দূর্ধর্ষ পূর্ব বাংলার কম্যুউনিস্ট পার্টীর নেতার অবতারনা অপ্রাসংগিক মনে হল ।
শাওন বলেছেন:
হুমায়ূন আজাদ এমনই এক প্রতিভা, যাকে দেখার জন্য দুটি চোখ তো নয়ই, অনেকগুলো চোখও যথেষ্ঠ নয় । @ সন্ধ্যাবাতি । অনেক চোখের কথা বললেন তাই অনেক চোখের বর্ণনা দিলাম । তারা সবাই এসেছিলো থু দিতে । কোন চোখ কি চায় তা আমি আপনি বলব কি করে ?
ত্রিভুজ বলেছেন:
চমৎকার বিশ্লেষন! +ফ্রয়েডকে বিজ্ঞানী ঘোষনা না দিতে পারলে যে আমাদের নাস্তিকুলের রাতের ঘুম হারাম হয়ে যাবে। না এ ভারী অন্যায়... ফ্রয়েডকে আবার বিজ্ঞানী ঘোষনা করা হউক!
হা হা হা..
(এই টপিকে একদিন আজিজে পাক্কা ৩ ঘন্টা আজাইরা তর্ক করছিলাম.. এখন মনে পড়ে হাসি পাচ্ছে)
গুড পোষ্ট... অনেকের পক্ষেই হজম করতে কষ্ট হচ্ছে... তাই ১৪ জনের ভাল লাগেনি... =)
ত্রিভুজ বলেছেন:
@ফারজানা মাহবুবা হুমায়ূন আযাদ সম্পর্কে তাসলিমা নাসরিন ও নির্মলেন্দু গুণের মন্তব্যটা পড়ে নিবেন... তাসলিমার "ক" এ আছে।
(মজা পাবেন.. সন্দেহ নাই...)
দিগন্ত বলেছেন:
"ফ্রয়েডকে বিজ্ঞানী ঘোষনা না দিতে পারলে যে আমাদের নাস্তিকুলের রাতের ঘুম হারাম হয়ে যাবে। "- বর্তমানযুগের অধিকাংশ বিজ্ঞানীই নাস্তিক আবার তারাই ফ্রয়েডের কাজকে বিজ্ঞান বলে স্বীকৃতি দেন না। সুতরাং আপনার বক্তব্য ঠিক নয়।
মাহিরাহি বলেছেন:
আমার মত প্রতিভা এশিয়াতে দ্বিতীয়টি নেই।উনি জানেন না কার সাথে টিভিতে যেতে হয় আর কার সাথে বেডরুমে।
আমি যতদুর জানি মন্তব্য দুটি হু আজাদের।
আর পাক সার বাদের মত উপন্যাস পড়লে লেখকের চরিত্র বুঝতে দুটা চোখ লাগে না একটা চোখই যথেষ্ট।
সিহাব চৌধুরী বলেছেন:
ওও আচ্ছা । হুম, দেখো ভাইয়া -- তুমি যে চোখগুলোর কথা বললে, তার সবাই একই জিনিস দেখছিলো -- দেখছিলো, একটি পাপী, একটি ধর্ষক ।
আর আমি যে চোখগুলোর কথা বলেছি, সেগুলোর মধ্যে একটি চোখ এই লাইন গুলোতে
গর্ভধারণ পাশবিক কাজ! গর্ভ ধারণ করা পশুর ভূমিকা! গর্ভবতী নারী দেখতে গর্ভবতী পশুর মতো!
দেখবে নারীত্বের অপমান, অন্য কোন চোখ দেখবে mechanical হুমায়ূন আজাদের দৃষ্টি -- গর্ভবতী পশু । এই দেখায় কোন শ্লেষ নেই, আছে সরল পর্যবেক্ষণ !
@ শাওন ।
সুর বাংলা বলেছেন:
কুন্ডা বেছী অছলীল"গর্ভ ধারণ করা পশুর ভূমিকা! "
"গর্ভবতী নারী দেখতে গর্ভবতী পশুর মতো!"
-------------------------------------------------: হুমায়ূন আজাদ
"আপনার মা তো আপনাকে ফ্রি জন্ম দিছে, আপনি কি তাতে লো কোয়ালিটির হইছেন?"
-------------------------------------------------: ব্লগার মাহবুব মোর্শেদ
সিহাব চৌধুরী বলেছেন:
@ সুর বাংলা, চমতকার আলোচনা চলছে । এর মাঝে আপনি এটা কি নিয়ে এলেন ? দয়া করে ডাইভার্ট করার চেষ্টা করবেন না ।
মাহবুব সুমন বলেছেন:
মুছে ফেলা কমেন্ট আবার করছিঃ
আপনার শেকড় ব্লগস্পটে ঢুকতে পারছি না
আমন্ত্রিত নই
শহীদ জননীর " একাত্তরের দিনগুলি " বইটি পড়ে শেষ করেছেন ? নাকি সেটা বানিয়ে লেখা বলে পড়া বাদ দিয়েছেন ??
সুম্মা আমিন ইয়া হাবিবী। আল্লাহ আপনার হেদায়েত করুন।
লেখক বলেছেন: অপ্রাসঙ্গিক।
নাস্তিকের ধর্মকথা বলেছেন:
হুমায়ুন আজাদের অনেক বই বা উপন্যাস আমার কাছেও ভালো লাগেনি। বরং খুব খারাপই লেগেছে। পাক সার জামিন সাদ বাদও ভালো লাগে নি। কিছু বই, শুধু ভালো না অসাধারণ লেগেছে। কিশোরদের উপযোগী বই লাল নীল দীপাবলী ও কত নদী সরোবরে তো আমি এখনও পড়ি- বারবার পড়ি। আব্বুকে মনে পড়ে, ফুলের গন্ধে ঘুম আসে না এসব বইকে তো স্কুল লেভেলের ছেলেপেলেদের অবশ্য পাঠ্য মনে করি। ওর ভাষার উপর গবেষণাগ্রন্থসমূহ একেকটা মাস্টারপিস। এমন অনেক কিছুই বলা যায়।যাহোক, প্রসঙ্গে আসি- হুমায়ুন আজাদ এর এমন কিছু আলোচনা আছে, এমন কিছু বক্তব্য আছে- তা সাধারণ চিন্তা বা গরপরতা চিন্তা দিয়ে বোঝাটা কঠিন। কেননা, এনাদের মত ব্যক্তিরা শুধু একটি নির্দিষ্ট ফ্রেমে চিন্তা করেননা, কোনরূপ সংস্কার এনাদের চিন্তাভাবনার গণ্ডীকে টুটে ধরতে পারেনা।
এবার যে লাইন কটিতে আপনি আতকে উঠেছেন সে সম্পর্কে দুটি কথা বলি-
"...নারীর গর্ভধারণ একান্ত পাশবিক কাজ। নারীকে কি চিরকালই ধারণ ক'রে যেতে হবে গর্ভ, পালন ক'রে যেতে হবে পশুর ভূমিকা? গর্ভবতী নারী দেখতে অনেকটা গর্ভবতী পশুরই মতো, দৃশ্য হিশেবে গর্ভবতী নারী শোভন নয়, আর গর্ভধারণ নারীর জন্যে অত্যন্ত পীড়াদায়ক।..."
১। ফেমিনিস্ট অনেক ধারার মধ্যে একটি শক্তিশালী ধারা আছে- যারা মনে করে গর্ভ-ধারণ বা এই গর্ভকালীন ৯/১০ মাসটিই দুনিয়ায় নারীকে পুরুষের থেকে ধীরে পিছিয়ে দিয়েছে।
২। প্রসব কালীন যন্ত্রণাকে অনেকেই অমানবিক মনে করেন।
৩। মানুষও তো পশু- তাই নয়কি? তবে পার্থক্য হলো- মাথায়?
৪। মস্তিষ্কজাত বিষয়াদি মাইনাস করলে মানুষকে পশু বলা যায়, এবং এটি বলার রীতি আজকের নয়।
৫। আগের জামানায় মহামারিতে লোক মারা যেত, সামান্য অসুখে ছটফট করতে করতে লোক মরতো-
সেটাকেও অনেকসময় বলা হয়, পশুর মত লোক মরছে।
৬। "পশুর মত লোকটি মরেছে"- এটি যখন বলা হয়েছে, তখন সেই লোকটির প্রতি কোন অশ্রদ্ধা জ্ঞাপন নয়, বরং এখানে পশুর সাথে সিমিলারিটি দিয়ে এমন একটি বিষয়কে ইণ্ডিকেট করা হয়েছে যে, পশু যেমন একটি অসুখে সম্পূর্ণ অসহায়- সে সময় ঐ লোকটিরও অবস্থা অনুরূপ ছিল।
৭। যন্ত্রণাভোগ বা কষ্টের দিক দিয়ে গর্ভধারণের বিষয়টি বা বিশেষ করে প্রসব কালীন অবস্থাটি এখন পর্যন্ত অনেকখানি পশুদের মতই রয়েছে।
৮। ফলে, হু.আ. শুধু নন- আমি আপনি আমরা- আমাদের সকলের মা-ই এই পাশবিক যন্ত্রণা ভোগ করেছেন।
৯। গর্ভে ধারণ করলেই যে শুধু মায়ের ভালোবাসা থাকে- সেটা আজকের প্রেক্ষিতে চারপাশের প্রেক্ষাপটে সত্য মনে হলেও, সেটাই চুড়ান্ত সত্য নয়।
১০। বাবা গর্ভে ধারণ না করেও সন্তানের প্রতি প্রচণ্ড টান ফীল কি করে না??
১১। গর্ভে ধারণ করার পরও মা সন্তানকে ত্যাগ করেছেন, এমন উদাহরণ কি নেই চারপাশে?
১২। আবার গর্ভে ধারণ না করেও কোন পালিত বাচ্চাকে পাগলের মত ভালোবেসেছে এমন উদাহরণও কিন্তু আছে।
লেখক বলেছেন: এনার মত ব্যক্তি অবশ্যই একটা নির্দিষ্ট ফ্রেইমে চিন্তা করেছেন, আর তা হলো, ১ নম্বর। তার ধারণা, গর্ভধারণের জন্যই নারী পশুর পর্যায়ের!
আপনার পয়েন্ট ফর্মের উত্তর পড়ে বুঝার চেষ্টা করলাম আপনি কি বলার চেষ্টা করেছেন।
১. তো? আমি কি করব! নবী রাসুলের চেয়ে মহৎ মানুষের সেটা ভাবা কতটুকু যুক্তিসঙ্গত আপনি কন!
২. অমানবিক? না, নারী মানুষ, এবং যুগে যুগে নারী এটা করে এসেছে। দরকার হলে অতিমানবিক বলুন, অমানবিক না!
৩. পশু না, প্রানী। পশু বলতে নিম্ন প্রজাতির প্রানী বুঝানো হয়।
৪. হ সেইটাই।
৫. কারণ, পশু নিম্ন জাতির, পশুর জীবনের কোন দাম নাই। নারীকে পশুর সাথে তুলনা করা মানে নারী সম্পর্কে এই কথা বলা।
৬. উপরে দেখুন।
৭. না, মানুষের গর্ভধারণ আর প্রসবের যন্ত্রনা অন্যান্য প্রানীর চেয়ে বেশি। একবার ভেবে দেখুন, গরু ছাগল বানর সব কিন্তু একা একা সন্তান জন্ম দিতে পারে, মানুষ পারে না। ব্যাথা কমে নি, বেড়েছে। এবং সেটাই মানুষের জীবনের মূল্য বাড়িয়ে দিয়েছে, মা বড় কষ্ট করে নাস্তিক।
৮. উপরের মন্তব্য পড়ুন, কষ্টটা পাশবিক না, অতিমানবিক।
৯, ১০, ১১, ১২ এর প্রাসঙ্গিকতা বুঝলাম না। আপনি কি বলতে চাইছেন গর্ভধারণের প্রথা উঠায় দেয়া উচিত?
তীরন্দাজ বলেছেন:
"বিয়ের আগে প্রেম ভালোবাসা যতোই গভীর হোক না কেন, বিয়ের পরে যদি সন্তান না হয়, তাহলে দোষ নারীরই।" বেশীরভাগ ক্ষেত্রেই এমন হয়। পুরুষদের অক্ষমতা কোন কারণ হতে পারে না। তারপর দুদিন পর তালাক। তাহলে "গর্ভধারণ পাশবিক" নয়তো কি?উপরের এই লাইনক'টিই যদি কেউ যদি তীরন্দাজের নামে কোট করে দেয়, তাহলে তীরন্দাজের ঘাড়ে নারীবিদ্বেষীর সিল পড়বে সাথে সাথেই।
যদি বলা হয়, তীরন্দাজের আক্ষেপ এটা, তাহলে সিলটা আর পড়বে না।
হুমায়ুন আজাদ এই আক্ষেপটাই করেছেন। তিনি আমাদের পুরুষশাষিত সমাজের কদর্য চোখে নারীদের দেখেছেন ও নিজের ভাষায় প্রকাশ করেছেন।
আমার সমস্যা হচ্ছে সন্ধ্যাবাতি:
আমার বিশ্বাস, আপনার মেধা ও মননের গঠনে ও শিক্ষায় এই পার্থক্যটুকু বোঝার ক্ষমতা অবশ্যই রয়েছে। কিন্তু আপনি কোন না কোন ভাবে পুর্বপ্রভাবিত, তাই সঠিক বিষয়টা সঠিক ভাবে দেখতে চাইছেন না। সেখানেই দু:খ হয় আমার। আপনি ধার্মিক, আমি তা নই। তাতে আমার সামন্যতমও আপত্তি নেই। কিন্তু আপনার এই গড্ডালিকা প্রবাহে গা ভাষানোয় হতাশ হই।
আপনি নারী বইটা নিজেকে প্রভাবমুক্ত করে পড়ে দেখুন। আপনি মূল বক্তব্যটি বুঝতে পারবেন না, এটা আমি কখনোই বিশ্বা করি না।
লেখক বলেছেন: না তীরন্দাজ, আপনি এর আগে পরের লেখা পড়ে দেখুন।
'এক দিন হয়তো গর্ভধারণ গণ্য হবে আদিম ব্যাপার বলে, মানুষ বেছে নেবে সন্তানসৃষ্টির বিকল্প উপায়; তখন গর্ভধারণই নারীত্ব বলে মনে হবে না। নারী গর্ভধারণে আনন্দ পায় না। পুরুষতন্ত্রের শিক্ষার ফলে নারী আজো মনে করে গর্ভধারণেই তার জীবনের সার্থকতা, কিন্তু এটা তা নয়। অধিকাংশ নারী এখনই গর্ভধারণপ্রক্রিয়া থেকে রক্ষা পেলে আনন্দে তা গ্রহন করবে, গর্ভবতী হওয়ার মধ্যে জীবনের কোন সার্থকতা, মহত্ত্ব, পূণ্য নেই। এক সময় নিয়ম গর্ভিনী থাকাই ছিলো নারীর কাজ; এখন গর্ভের সংখ্যা কমেছে, তাতে ক্ষতি হয় নি, বরং সমাজরাষ্ট্র এটা চায়। আমূল নারীবাদীরা মনে করেন, মানবপ্রজাতিকে টিকিয়ে রাখার দায়িত্ব নারীর নয়, পুরুষকে উদ্ভাবন করতে হবে সন্তানসৃষ্টির বিকল্প পথ; েবং কেকশো বছর পরে গর্ভধারণ যে আদিম পাশবিক কাজ বলে গণ্য হবে তাতে সন্দেহ নেই।"
আমি কোট করেছি 'নারীর ভবিষ্যত' অধ্যায় থেকে।
আপনি এগুলো পড়ে বলুন, হুমায়ূন আজাদ কি মনে করেন না গর্ভধারণ নারীকে অপমানিত করে? আদিম পশুর পর্যায়ে নিয়ে যায়? "অধিকাংশ নারী" গর্ভধারণ থেকে মুক্তি দিতে চাইলে মুক্তি চাইতো নাকি!
সন্তান জন্মের সময় 'অক্সিটোসিন' নামের একটা হরমোন নি:সরিত হয়। এই হরমোনের ফলে মায়েদের মার্তৃত্বের ভাব আসে, ভালো লাগা আসা, কষ্টকর অনুভূতিটাকেও মহত মনে হয়। যেই নারী একবার মা হয়েছে, সে তাই আবারও মা হতে চায়। হুমায়ূন আজাদ গর্ভধারণকে খুব তুচ্ছ করে দেখেছেন, ঘৃনা করেছেন পুরা এক্সপেরিয়েন্সটাকে, যা একটা পুরুষের পক্ষেই সম্ভব। একই পুরুষ অন্য মুখোশে গর্ভবতী নারীর প্রতি ইনসেন্সিটিভ হয়।
দ্বিতীয়নাম বলেছেন:
হায়রে বিশ্বাস!
লেখক বলেছেন: হ্যা, বিশ্বাসে আঘাত লাগলে মানুষ পিছলামি করে, অন্য প্রসঙ্গ নিয়ে আসে, যুক্তি খন্ডন না করে হালকার উপর ঝাপসা উদাসী স্টেইটমেন্ট দেয়।
নাস্তিকের ধর্মকথা বলেছেন:
সিহাব,
হুমায়ুন আজাদের মেকানিক্যল দৃষ্টিভঙ্গি যেটিকে বলছেন- সেটি নিয়ে আমার দ্বিমত আছে।
প্রেগন্যান্ট অবস্থায় একজন নারীর শরীরের যে কণ্ডিশন হয়- ধীরে ধীরে শরীরের বিভিন্ন স্থানে পানি জমে- মেদ জমে-........... চোখ-মুখ-মুখমণ্ডল আর যাই হোক নর্মাল অবস্থার সাথে তো একটা পার্থক্য তো হয়ই।
এখন সেটাকে যদি নারীকে অবমাননার জন্য, নারীর সেসময়ের অসহায়ত্বের জন্য, নারীর প্রতি ঘৃণা তৈরির জন্য ব্যবহার করা হয়- তখন তার বিরুদ্ধে কথা বলা দরকার ঠিক আছে। কিন্তু, হু.আজাদের ঐ গ্রন্থের আলোচনা গুলো নারীদেরই উপস্থাপনকৃত, সেটিতে হু.আজাদ মাত্র তাঁর সমর্থন জানিয়েছেন- কেননা তিনি অনেক বড়মাপের মানুষ।
কেননা, যে নারীরা বা ফেমিনিস্টরা এসব কথা বলেছেন- তার পেছনের কথা হলো- এই যে, গর্ভবতী নারী তো আসলেই অথর্ব- করুনার পাত্র- তাদের পশুবত বললেও যে সমালোচনার ঝড়, তা কি করুনা নিসৃত নয়? এখানে সহমর্মিতা, সমবেদনাই মূল নয়? নারীর জন্য তা কতখানি সম্মানকর??
এখন ফেমিনিস্টদের এ অবস্থানকে সমর্থন জানানোর একটি বিশেষ দিক আছে- নারীর মানুষ ও পুরুষের মানুষ হয়ে ওঠার স্বার্থেই এর দরকার আছে বৈকি।
লেখক বলেছেন: নাস্তিকের ধর্মকথা,
নারীর গর্ভধারণ, সমস্ত মানবজাতির জন্য একটা মহৎ কাজ। একজন পুরুষের কথা চিন্তা করুন, যখন সে কোন ন্যায় যুদ্ধে যায়, তার স্বাভাবিক অবস্থার পরিবর্তন হয় একটা 'মহৎ' কাজের জন্য। তাকে অনেক কিছুতে ছাড় দেয়া হয়। একজন ভালো স্ত্রী তখন স্বামীকে বুঝে, তার দূরে থাকা সত্যেও তাকে ঘৃনা করতে শিখে না, তার পরিবর্তিত অবস্থায় তাকে বুঝে চলে, she works around him
এইটা কি পুরুষটাকে 'করুণা' করা? সে পশুর পর্যায়ে চলে গিয়েছে তাই তাকে মায়া দেখায় চলতে হবে? নাকি বাস্তবতা?
এই বুঝে চলাটা তখন পুরুষটার 'অধিকার।
ঠিক তেমনি, গর্ভধারণের সময় কেউ করুণা চায় না। তার পরিবর্তিত অবস্থাকে সম্মান করা হোক, বুঝে চলুক, সেইটা চায়। সে যে কি ভীষণ রকমের সংগ্রাম করছে, সেটা জেনে তাকে শ্রদ্ধা করুক (করুণা নয়) সেইটা চায়। পশুকে আমরা ঘৃনা করি, করুণা করি, সম্মান আর শ্রদ্ধা করি না।
আপনাদের মন্তব্য পড়ে কষ্ট হচ্ছে। আমি সত্যিই লাকি ফীল করছি, আমার আশে পাশের পুরুষদের মানসিকতা এমন নয়!
থু দেই তার মুখে। সে কি তার স্ত্রীকে এইসব কথাই বলেছে মা হবার সময়।
নাবিক বলেছেন:
আমি যখন মাতৃগর্ভে ছিলাম, শুধু আমি তার গর্ভে থাকার কারণে, আমার মানুষ মা'কে পশুর মতো লাগতো?বুঝলাম, হুমায়ূন আজাদকে বুঝার মতো যোগ্য এখনো আমরা হয়ে উঠিনি। কিন্তু বলছেন আপনারা উনারে অনেক বুইঝা ফালাইছেন আমারে একটু বুঝিয়ে দেন তো, হুমায়ুনের এ উক্তি দ্বারা আপনারা কি মহাসত্য আবিস্কার করেছেন। সন্ধ্যার আপত্তিটাতো পরিস্কার। ফারাজানার আর্গুমেন্টগুলোও যুক্তিবাদি মনকে আলোড়িত করে।কিন্তু আপনারা কি বুঝলেন তাইতো কইলেন না। বারবার একই কথা আউড়ে যাচ্ছেন, বুঝবানা বুঝবানা। আমার মতো মাথামোটাদের বুঝাইয়া থুইয়া যান। নাকি আপনারা বইটাও পড়েন নাই, বুঝেনও নাই শুধু ছাপাইয়া যাইতাছেন।
একটা জিনিস খেয়াল করলাম, কথাটার ব্যাপারে আপত্তি তুলেছে সন্ধ্যা, সবচাইতে বেশি কমেন্ট করেছে ফারাজানা। দু'জনই নারী। যিনি মন্তব্যটা করেছেন (হুমায়ুন আজাদ), আর যারা তাদের (সন্ধ্যা, ফারাজানা) বিরোধিতা করছে সবগুলো নিক মনে হইলো পুরুষের। নারীকে দেখতে পশুর মতো লাগে এইটা কইলে নারীর কেমন লাগে এটা নারীদের চেয়ে আমাদের পুরুষগুলান বেশী বুঝে!!
বাংলা সাহিত্যের ছাত্র হওয়ার সুবাদে তার ব্যাপারে ক্লাসে স্যারদের একাডেমিক আলোচনাগুলো এখনো কানে বাজে। সে সব আলোচনার চুম্বক অংশ নিয়ে একটা পোস্ট দেয়ার লোভ হচ্ছে খুব। উপরের মন্তব্য গুলো পড়ে মনে হচ্ছে, আমাদের স্যাররা বাংলার টিচার হয়েও হুমায়ুনকে বুঝেতেন না, কারণ তারা যে তার সমালোচক ! তারা সাহিত্য বুঝেন, কবি গুরু ও নজরুল বুঝেন কিন্তু হুমায়ুন বুঝার বয়েস তাদের এখনো হয়নি। তবে একটা কথা ঠিক, চটি বইয়ের ভাষাকে হুমায়ূনই প্রথম ভদ্রলোকের শেলফে তুলে দিতে পেরেছেন। চটি বইয়ের মতো এ বই লুকিয়ে পড়তে হয়না। ড্রয়িং রুমে বইগুলো থাকলে আভিজাত্য বাড়ে।সবার সামনে চটির উপাদানগুলোই বুদ্ধিজীবি বুদ্ধিজীবি ভাব নিয়ে পড়া যায়।
আরেকটা কথা, হুমায়ূনের লেখা নিয়ে কথা বলেন, আপত্তি নাই। কিন্তু যে মানুষটা চলে গেছে, তার ব্যক্তি চরিত্র নিয়ে কথা না বলাই ভালো।
সন্ধ্যাকে অনুরোধ করবো আপনি পাল্টা যুক্তি গুলো তুলে ধরুন।
খুব একটা ভালো লেখা। প্লাস দিলে কম হবে।
মৃন্ময় আহমেদ বলেছেন:
হা হা হা হা... কেনো জানি না এতো যুক্তি তর্কের মাঝখানে আমার খুব হাসি পাচ্ছে।। হাসিটা নেতিবাচক না অস্তিবাচক সেটা বুঝতে পারতেছি না।।
অনকে বইপড়ুয়া হলেও হুমায়ূণ আজাদের 'নারী' আমার পড়া হয়নি। তবে আজ পড়ার প্রয়োজনীয়তা উপলব্ধি করছি।।
পড়ার পরে এ নিয়ে আমার মন্তব্য আসছে।।
মৃন্ময় আহমেদ বলেছেন:
সহমত@তীরন্দাজ।
মৃদুল মাহবুব বলেছেন:
দেখছি আলোচনা থেকে থুথু ছিটাতে কেউ েকউ মজা পায়। হায়.......বড় লজ্জাকর এ ধারা।
মৃন্ময় আহমেদ বলেছেন:
একটা কথা বলতে ভুলে গেছি, হুমায়ুন আজাদের 'সবকিছু ভেঙে পড়ে' বইটা পড়ে ভেবেছিলাম আর কখনো এই লেখকের বই পড়বো না।।।
এম.এ.হামিদ বলেছেন:
চমতকার রম্য হইসে
ফারজানা মাহবুবা বলেছেন:
নাস্তিকের ধর্মকথার লজিক আমার কাছে উত্তর দেয়ার মত মনে হয়নি, তাই বাদ।কিন্তু তিরন্দাজ,
বিয়ের পরে সন্তান না হলে নারীকেই তালাক দেয়া হয়, নারীকেই হেয় করা হয়, এটা আমাদের সমাজ ব্যবস্থার দোষ। আপনার আমার মত মানুষ, এই আমাদের মানসিকতার দোষ। কারন যারা তালাক দেয় তারা আমদেরই চাচা, আমাদেরই মামা, আমাদেরই খালু বা আমাদেরই কিছু না কিছু।
কিন্তু আমাদের মানসিকতার জন্যে আপনি গর্ভধারনকে পাশবিক বলছেন! আমি কোনো লিংকই খুঁজে পাচ্ছিনা এই দুই’য়ের মধ্যে।
না, হুমায়ুন আজাদ আক্ষেপ করেননি।
তিনি তার মন্তব্য জানিয়েছেন।প্রবলেম হল তিনি যদি তার মন্তব্যকে মন্তব্য হিসেবে, তার ব্যাক্তিগত অভিমত হিসেবে দিতেন, তাহলে কিছু বলার ছিলনা। তিনি তার কথাকেই সবসময় সমাজের কথা বলে আখ্যায়িত করেছেন। গন মানুষের সমস্যার কথা বলে আখ্যায়িত করেছেন। তার অনুসারীদের মন্তব্য পড়ুন। অনেক তো তাকে সময়ের আগেই চলে আসা মানুষ বলে বলছেন। তার মানে তার কথাগুলো ভবিষ্যত থেকে আসা! নির্ভূল!
এবার আপনি এই কথাটা আমাদের গন মানুষকে শুনান।
আমি জাস্ট আমাদের কাজের বুয়াকে এমাত্র শুনিয়ে জিজ্ঞেস করেছি ‘খালা, এই কথাটা শুনে আপনার কী মনে হয়?”
বুয়ার উত্তর “ হেরে মাডিত পুইত্যা লাউন পরয়োজন! হের মা হেরে জন্ম দিছে নাকি হেইডা খোঁজ লন দেহি। হের মা হেরে কিছু কয়নাই?”
এই হল সাধারন মানুষ।
এবং আপনি প্রয়োজনে সার্ভে করুন।
চ্যালেঞ্জ দিচ্ছি। যদি সাধারন মানুষ তার প্রতি ঘৃনা না প্রকাশ করে!!
এবং আপনার কমেন্টের উত্তরে সন্ধ্যার কমেন্ট’র পর কিছু বললেন না যে?!
ফারজানা মাহবুবা বলেছেন:
গর্ভধারন যদি নারীকে অপমানিতই করে তাহলে আসুন আমরা আন্দোলনে নামি পৃথিবীর যাবতীয় মেয়েরা আজকে থেকে গর্ভধারন করবেনা।এবার ভাবুন, পৃথিবীর অবস্থা কেমন হবে??
এবং আমার একটাই প্রশ্ন,
হুমায়ুন আজাদের কাছে গর্ভধারন যদি নারীত্বের মনুষত্ব্যে উন্নতির পথে বাঁধাই হয়, তিনি তার স্ত্রীকে কেন ‘গর্ভিত’ করেছেন?
তিনি ‘বেশ্যালয়ের’ প্রয়োজনীয়তার কথা বলেছেন।
প্রস্টিটীউটদের সম্মানের কথা বলেছেন, বলেছেন তারাও পেশাজীবি, তার মেয়ে যদি এ পেশা বেছে নেয় তার কেমন লাগবে?
আমার এ প্রশ্নগুলোর আন্সার কেউ দিয়ে গেলে বড়ই বাধিত থাকতাম!
কাস্তের মত চাদঁ বলেছেন:
হুমায়ুন আজাদের অনেকগুলো বই পড়েছি, লোকটা একটা জ্ঞান পাপী ছাড়া আর কিছু নয়। তার সাহিত্য-সমালোচনাগোলো সত্যিই মানোত্তীর্ন, বাকিগুলো বিস্ময়করভাবে আবর্জনাপূর্ন।সে একবার একটা আধুনিক কবিতা সংকলন করেছিল, যার মধ্যে আল-মাহমুদের কোন কবিতা ছিলনা!!!
হুমায়ুন আজাদ-আহমদ শরীফ এরা একই মতাদর্শানুসারী, যার মৌলিক ধারনা হচ্ছে পাশ্চাত্য পৃথিবীর সেরা সভ্যতা, সবাইকে এর অনুসরন করতে হবে। তারা সবকিছু পাশ্চাত্যের ছাচে পরিমাপ করেন।
এম.এ.হামিদ বলেছেন:
Simone de Beauvoir রের 1949 treatise The Second Sex, পড়েন হুমায়ন আজাদ নারী হিসাবে সামন ডি বিভোয়ার যা কইসেন তাই রিপিট করসে। এবার কন নারী হিসাবে নারীকে অপমান করা হইসে
এম.এ.হামিদ বলেছেন:
Sexual behaviour in the Human Female (Hardcover)by Alfred C.; Pomeroy, Wardell; Martin, Clyde E.; Gebhard, Paul H. Kinsey (Author) পারলে এটাও পড়েন
কালপুরুষ বলেছেন:
পোষ্ট, মন্তব্য ও পাল্টা মন্তব্যগুলো পড়লাম। হুমায়ুন আজাদের লেখা কোন বই আমার এখনো পড়া হয়নি। তবে শুনেছি খুব অহংকারী ছিলেন নিজের লেখার ব্যাপারে। আর অহংকারী মানুষকে আমার কখনই কেন জানি পছন্দ হয়না। তাই নিজের ভেতর থেকেই পড়ার আগ্রহ হয়নি। হুমায়ুন আজাদ এবং তার লেখা নিয়ে অনেকদিন আগে একবার ব্লগে বিতর্কের সৃষ্টি হয়েছিল। তখন সম্ভবত হুমায়ুন আজাদ জীবিত ছিলেন এবং কিছু দুষ্কৃতি দ্বারা আহত হয়েছিলেন, সেই সময়কার কথা। ব্লগার কনফুসিয়াস, রাসেল( ........), আমি এবং আরও দুই একজন ব্লগারের কিছু বক্তব্য ছিল। পোষ্টটা এখনও আছে কিনা জানিনা। হুমায়ুন আজাদ সম্পর্কে আমার এক মন্তব্য নিয়ে সেটা কনফুসিয়িসের পোষ্ট ছিল। পোষ্টটা মুছে না থাকলে লিংকটা দেবার চেষ্টা করবো। যেহেতু আমি তার লেখা পড়িনি তাই তার বই সম্পর্কে কোন মন্তব্য করবো না। তবে এই পোষ্ট পড়ে যা মনে হলো তিনি নারীদের যথেষ্ট অপমান করেছেন। রীতিমত নিন্দনীয়।
কালপুরুষ বলেছেন:
দুঃখিত, @কনফুসিয়াস হবে।
এম.এ.হামিদ বলেছেন:
কালু তুমি যেটা কইলা সেটার কোন মিনিং আচে, তুমি ৩২০ পাতার বইয়ের ৩টা লাইনের বেসিসে এগুলান কও কেমতে
কালপুরুষ বলেছেন:
হামিদ, ৩২০ পাতার বইয়ের মূল কথা হৈল "নারী", মাত্র দুইটা অক্ষর হেইডা বুঝাইতে হুমায়ুন আজাদ মাত্র ৩২০ পাতা খরচ করছে। তারপরেও অনেককিছু বুঝতেই বাকি রাখছে। বর্তমানে পৃথিবীতে কম কইরা হৈলেও ৩০০ কোটি নারী, তার মইধ্যে ধরো গিয়া ১০০ কোটি "মা" বা গর্ভধারণ করছে এমন নারী। তাগো চিহ্নিত করতে হুমায়ুন আজাদের যদি মাত্র ৩২০ পাতা লাগে তাইলে আমি মাত্র ৩ লাইনে হগল কিছু না বুঝনের কী আছে? তুমি কী বুঝছো হেইডা খুইলা কও। আমি একটু বুঝি।
এম.এ.হামিদ বলেছেন:
Simone de Beauvoir রের 1949 treatise The Second Sex, পড়েন এবার কও যে হ্যাতে নারী হইয়া নারীর অপমান করসে। চাইলে আমার ব্লগে একটা পোষ্ট আচে পড়তে পারো
একজন নামী নারী লেখক পত্রিকায় রিভিয়ু লিখেছিলেন 'নারী' বইটির। এই মুহুর্তে লেখকের নাম মনে আসছে না।
তিনি বলেছিলেন, বইটি জনপ্রিয়তা পেয়েছে আলোচনার জন্য না। বইটিতে খোলামেলা আলোচনা পর্নপ্রিয়দের আকর্ষণ করেছে।
বইটিতে তত্ব ও তথ্যের সমাহার আছে কিন্তু প্যারাডক্স থেকেই গেছে। হুমায়ুন আজাদের ব্যাক্তি জীবনেও সেই প্যারাডক্স ছিল।
গুড পোস্ট
দ্বীপবালক বলেছেন:
"গর্ভবতী নারী দেখতে অনেকটা গর্ভবতী পশুরই মতো, দৃশ্য হিশেবে গর্ভবতী নারী শোভন নয়।"তার কাছে নারী পশুই বটে।
সময়ের অনেক পূর্বে জন্ম গ্রহন করা মনুষ্য!
আপন মাতা ও জায়াকে সে কি দৃষ্টিতে দেখিত?
এম.এ.হামিদ বলেছেন:
পর্ন প্রিয়তার জন্য হুমায়ুন আজাদ পড়তে হয় নাকি, রসময় গুপ্ত আচে। সালোয়ার কামিজ
তীরন্দাজ বলেছেন:
ধরুন আমি একটা গল্প লিখলাম। আমার টাকা পয়সার অভাব নেই। মনে করি টাকা দিয়েই সব কেনা যায়। কিন্তু একটাই সমস্যা। আমি ইচ্ছে করলেই যা খুশী তাই কিনতে পরা। আমার বাড়ীতে যে আবর্জনা জমে, সেটা নিয়ে সমস্যা ছিল এতদিন। কিন্তু গত বন্যায় ঘরবাড়ী ডুবে যাওয়ায় গ্রাম থেকে শহরে এসেছে অনেক লোক। এরা একটি দুরের একটা বস্তিতে থাকে। আমার তাতে তেমন অসুবিধা হয়না। হয়তো মধ্যবিত্তদের হতে পারে, আমার হয়না, আমাকে ওদের চেহারাও দেখতে হয়না। এখন মহা আরামে আছি। খাই দাই ভুড়ি বাড়াই, তার সমস্ত আবর্জনা বস্তিবাসীরা নিয়ে যায় সকাল বিকেল।..........এভাবেই
অতি উদ্ভট এক গল্পের উদ্ভট উদাহরণ। সময় কম বলে সাজিয়েও বলতে পারলাম না।
এই গল্পের বর্ণনা কারীকে কেমন মনে হয়? অহংকারী, স্বার্থপর, জঘন্য একটি মানুষ। সবাই একই কথা বলবে। ফারজানা, আপনার বাড়ীর কাজের বুয়াও একই কথা বলবে।
কিন্তু আমি এই উদ্ভট, আত্মাহংকারী বর্ণনার মাঝে নিজেকেই অপমান, নিজেকেই সমালোচনা করার একটি সুর খুজে পাই।
ঠিক একই ভাবে আমাদের এই পুরুষশাসিত জঘন্য (আমি নিজেও এটা মানি) সমাজের মানুষ হয়ে এভাবে উদ্ভট, অপমানজনক, অসুন্দর কিছু বলার মাধ্যমে হুমায়ুন আজাদ নিজেকে এই সমাজের অংশ হিসেবেই অপমানিত করেছেন।
সমাজ যদি অসুন্দর হয়, তাহলে নারীর গর্ভধারণের মতো একটি পবিত্র জিনিসও অপবিত্র হয়ে যায়। আর সে গর্ভধারণ যদি বাধ্যতামূলক হয়, তাহলে আরো অপবিত্র।
কিন্তু আসলেই কি গর্ভধারণ অপবিত্র? কখনোই নয়। অপবিত্র হচ্ছে সমাজ। হুমায়ুন আজাদ এই সমাজকে এভাবেই অপবিত্র, অসুন্দর হিসেবে দাড় করিয়েছেন।
জানিনা, বোঝাতে পারলাম কি না?
সোনার বাংলা বলেছেন:
+
ফ্রয়েডের অনেক কষ্টার্জিত সাইকোএনালিসিস এগজেক্ট সায়েন্সের আওতায় পড়ে না।
আর আমেরিকান দুই মনোবিজ্ঞানীর দ্বারা স্বপ্নের বায়োলজিক্যাল ব্যাখ্যা আসার পর সাকোএনালিসিস অকেজো।
কালপুরুষ বলেছেন:
হামিদ, দার্শনিক, সমাজবিজ্ঞানীরা সমাজের নানা উপাত্ত, তথ্য ও ধারাবাহিক কার্যকলাপের উপর ভিত্তি করে তাঁদের মতবাদ (থিওরী নয়) প্রদান করেন। সোস্যাল সাইন্স আর ন্যাচারাল সাইন্স যেহেতু এক জিনিষ নয় তাই সমাজবিজ্ঞানের যাবতীয় মতবাদ অন্যান্য যাবতীয় প্যারামিটারস যেমন সামাজিক, অর্থনৈতিক, রাজনৈতিক ও মনস্তাত্বিক উপকরণ সমূহের স্থিতিশীলতার উপর নির্ভরশীল। তাই এখানে শতকরা একশত ভাগ নিশ্চিত করে বলা সম্ভব নয় এটা হলে এটা হবেই- যা প্রাকৃতিক বিজ্ঞানের বেলায় প্রযোজ্য। হুমায়ুন আজাদ সেক্ষেত্রে সমাজবিজ্ঞানী বা দার্শনিক ছিলেন বলে আমি শুনিনি। তিনি সাহিত্যিক ছিলেন। সাহিত্যে কল্পনা বা অনুমানের আশ্রয় নেয়া তেমন কোন ব্যাপার নয়। একজন কবি বা সাহিত্যিক তার কাব্য চর্চায় বা প্রবন্ধে পৃথিবী, মানুষ, নারী, পুরুষ বা প্রকৃতি যে কোন রূপে, যে কোন মহিমায়, যে কোন আদর্শে বা যে কোন মন্ত্রে আবির্ভূত হতে পারে। এখানে বিজ্ঞানের কোন প্রয়োজন নেই, যুক্তি, বিচার-বিশ্লেষণের চুলচেরা হিসেব নেই। এখানে কবি বা সাহিত্যিক সম্পূর্ণ স্বাধীন চিন্তার অধিকারী, ইচ্ছা ও প্রকাশভঙ্গি তার ইঙ্গিতের বা ভাবনার আজ্ঞাবহ দাস। তাই একজন সাহিত্যিকের লেখা সবসময় দর্শন বা বিজ্ঞানসম্মত হবে এটা ভাববার কোন অবকাশ নেই। তবে একজন কবি বা লেখকের অনেক শক্তি। সেই শক্তি হলো একটা নিজস্ব পাঠক গোষ্ঠি গড়ে তোলা। তার ব্যক্তিগত আদর্শ যাই হোকনা কেন তার সাহিত্য একটা আদর্শের বলয়ে প্রতিস্থাপন করা। যারকেন্দ্রে থাকে তার সেই ভক্ত পাঠককুল। সেদিক থেকে হুমায়ুন আজাদ সার্থক। তার সাহিত্য দিয়ে একটা বিরাট পাঠক-গোষ্ঠি তৈরী করতে সক্ষম হয়েছেন। যারা তার লেখাকে বেদ বাক্য মনে করে। তার যথার্থ অনুসারী। কিন্তু বিতর্কটা তখনই শুরু হয় যখন সেই সাহিত্যের বুলিকে কেউ দর্শন হিসেবে বা সমাজ বিজ্ঞানের কোন মতবাদ হিসেবে আঁকড়ে ধরে বা সেটাকে পুঁজি করে তর্ক করে। হতে পারে আমি কম বুঝি। হতে পারে তাঁকে বোঝার মত জ্ঞান আমার নেই। হয়তো সে ভুল সময়ের সঠিক মানুষ। কিন্তু জ্ঞান-বিজ্ঞান এখন আর সেই সক্রেটিস বা গ্যালিলিও সময়কার স্তরে নেই। মানুষ এখন আর অনুমান নির্ভর নয়। সব কিছুতেই প্রমাণ দাবী করে। তাই ৬০০ কোটি মানুষের চোখে ঠুলি পড়িয়ে কোন "সঠিক মানুষ" এই ভুল সময়ের এতোগুলো মানুষকে এতো সহজে বোকা বানাতে পারবে না। পারবে না কোন নবী বা ফেরেশতা আসলেও। কারন মানুষ এখন শুধু বুদ্ধি নয় সাথে সাথে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি নির্ভর। ৬০০ কোটি মানুষ আজ টার্মিনটেড নয়, হুমায়ুন আজাদ এমন কোন প্রোগ্রামড্ টার্মিনেটর নন যিনি সভ্য মানুষের চিন্তা-ভাবনা সমূলে পাল্টে দেবেন। আর যদি সেটাই হতো তবে তিনিই হতেন খোদার সৃষ্টি একমাত্র রোবট- আর আমরা সেই হতভাগা চিরকালের নিতান্ত নিরুপায়, অসহায় এক মানব গোষ্ঠি।
এম.এ.হামিদ বলেছেন:
কালু, হুমায়ুন আজাদ একজন দার্শনিক আর উনি যা কইসে সেটা ১০০ বছরের পুরোন থিওরী। বাট তোমার ইতং বিতং কথা কেমতে নারী অফমান হইলো বোজা গেলোনা । এটা দর্শন, সেটা আপেক্ষিক আলোচান হইতে পারে। মাগার নারী অফমান কেমতে হয়
কালপুরুষ বলেছেন:
হামিদ,এতো কাঁচা বুদ্ধি নিয়া খামাখা তর্ক করো ক্যান? এই পোষ্টটা পড়ছো? নাকি হুদাই তর্ক করতেছো? নারীর অবমাননা নিয়াইতো এই পোষ্ট। দর্শন কারে কয়? হুমায়ুন আজাদরে সবাই সাহিত্যিক হিসেবে জানে, দার্শনিক হিসেবে না। শুনছি প্লেটো, সক্রেটিস, রুশো এঁরা দার্শনিক ছিলেন। হুমায়ুন আজাদের কোন সোস্যাল থিওরী বা দর্শন তত্ত্ব আছে বলে জানি নেই। থাকলে কও, পইড়া দেখুম্নি। আর ১০০ বছর আগেও নারী নারীই ছিল, পশু ছিলনা। গর্ভবতী হইলেও পশুর মতো লাগতো না।
মৃদুল মাহবুব বলেছেন:
পাক সার জমিন সাদ বাদ নিয়া যারা কথা বলছেন তাদের উদ্দেশে,শোনের কথাতো কইলেন বহুত। মাগার কামের কথা নাই। তা বাংলাদেশে যখন নির্বাচনটা হয় আর তারপর যা ঘটে তা নিয়া মিডিয়া মাত্র কয়দিন মেতে ছিলো। তারপর আর কোন কথা বলে নাই মিডিয়া কারণ যে কি তা বোঝানোর দরকার হবে না আপনাকে আশা করি । ঘটনা গুলো ঘটেছে আর তারপর বোমা হামলা চলেছে। কই এতো লেখক আছে তারা তো কথা কয নাই। সত্য যা ঘটেছিলো তা নিয়া যদি একজন লেখক বই লেখে তাতে দোষ হয়ে যায়।
আমরা কি ভুলে গেছি সেই মায়ের কথা যিনি বলেছিলেন "একে একে আসেন বাবারা, আমার মেয়ে অনেক ছোট।"
একটা মেয়ের স্তন কেটে নেওয়া হয় প্রকাশ্য দিবা লোকে।
এতো দুএকটা ঘটনা। যা মিডিয়ায় এসেছে। আর এর বাইরের আরও আরও অনেক কান্না নিরবে হারিয়ে গেছে। মুখ খুলতে চায় না কেউ। যেহেতু মুখ খোলে না কেউ সেহেতু বাংলাদেশে কিছুই ঘটে নি। তা তখন আপনাদের সেন্সরশীল মানবিকতা কোথায় থাকে? একজন লেখক এটা সহ্য করতে পারে না। তাই হয়তো লেখা হয় পাক সার জমিন সাদ বাদ। আপনারদের মত কিছু লোক লেখকের সংবেদনশীলতা বুঝবে না কোনদিন।
আর লেখকদের জ্ঞান গরিমা নিয়ে প্রশ্ন তুললেন তো । তা বেশ আমরা মূর্খ্য। তবে সংবেদনশীলতা আছে। এর জন্য অন্তত ধন্য বোধ করি। কিন্তু যাদের সংবেদনশীলতা নাই , তারা আসলে কি সেই প্রশ্ন রয়েই গেলো।
লেখক বলেছেন: মৃদুল মাহবুব,
একই কথা অন্য ভাবে বলা যেত। আমার মনে হয়েছে এই করুণ সত্যগুলোর আড়ালে পর্ণকে হালাল করা হয়েছে।
একটা উদাহরণ খোলাখোলি দিব, কিছু মনে করবেন না।
প্রধান চরিত্র মেয়েটাকে কিভাবে সোনার হার দিয়েছিল সেটা মনে আছে?
এই বইয়ের সত্য কথাগুলো মানুষকে অনেক স্পর্শ করে, তাই এরকম জঘন্য পর্ণগুলো নিয়েও অনেকে মুখ খুলে না। কিন্তু বমি পেলে, সে কারণেই পায়। সত্য কথাগুলো কাঁদায়।
স্নোবল বলেছেন:
কালপুরুষ ভাই, আমরা হইলাম মানুষ আর গরুরা হইল গরু। আমাগো গায় পশম আচে, গরুর গায় পশম আচে। আমাগো দুইটা চোক আচে, আর গরুগো দুইটা চোক আচে। আমাগো রক্ত আচে, আর গরুগো রক্ত আচে। আমাগো জনন অংগ আচে, আর গরুগো জনন অংগ আচে। আমাগো ব্রেইন আচে, আর গরুগোও ব্রেন আচে। আমাগোরে লাডি দিয়া বাইড়াইলে আমরা বেথা পাই, গরুরাও পায়। তাহলে গরুরা পশু আর মানূষে পশু না কেন? গরুর সাথে আমাদের ডিফারেন্সটা কি? আমাগো ব্রেনটা গরুর চাইতে ভালো-এই তো ডিফারেন্স? আপনি এই সত্যটা কেন মানতে চাইতেসেন না বলেনতো? আপনি বলতে পারেন, পশু শব্দটা ভালো লাগে না ভাই, মানুষেরে পশু কইয়ো না; সেটা অন্য ব্যাপার। আপনি যদি বলেন নারীরে পশু (খারাপ শব্দ) বলে অবমাননা করা হইসে, সেইটাও মানতে রাজি আচি। কিন্তু বাস্তবতা হইল আমরাতো পশুই তাই না?
লেখক বলেছেন: আলোচনা ঘুরানোর খুবই লেইম প্রচেষ্টা। এসব হাদীস রাসেল ব্লগে আগেও নিয়ে এসেছে, অপ বাক নামে, এবং সেইগুলা নিয়ে বহু আলোচনা হয়েছে। সেক্স এডুকেশন আর পর্ণের মধ্য পার্থক্য আছে, এইটা ইসলাম বুঝেছে চোদ্দশ বছর আগে। সে যাক গে, রাসেলের কিংবা আপনার নবী রাসুলের এমন একটা কথা সবার চোখে পড়ে গেল দেখে লজ্জা পেয়ে মনে হয় ইসলামের নবীর কথা নিয়ে টান দিচ্ছেন... ইসলামে গর্ভবতী নারী সম্পর্কে কি কি বলা হয়েছে সেগুলোর একটা সংকলন করেন তো দিকি... গর্ভধারণের রাতগুলো, কিংবা সন্তান পালনের প্রতিটা রাত সারা রাত তাহাজ্জুদ পড়ার সমান প্রিয় আল্লাহর কাছে, কিংবা মায়ের পায়ের নিচে সন্তানের বেহেস্ত...
আপনার যা বলার আছে, নিজে অনুবাদ করে দিন। এত বড় ইংরেজি কপি পেস্ট শুধু শুধু মন্তব্যের ঘর আটকে রাখে, কেউ পড়ে না। ডিলিট করলাম।
এম.এ.হামিদ বলেছেন:
http://www.lacan.com/svolos.htm আপনে যদি পারেন তাইলে আরেকটু পড়াশুনা করেন। একন দরো তক্তা মারো পেরেকের যুগ, সবাই ওসুদ দিয়া সাইকোলজিক্যাল প্রবলেম সারাইতে চায় তাই প্রজাক, প্যাক্সিল, জোলফটের কদর আর ফ্রয়েড পুরানা। মাগার যদি চিকিতসা করতে হয় সব সাইকোলজিষট গোড়াতেই যায়
ওয়ালী বলেছেন:
আসলে ঠিকই হুমায়ুন আজাদ সাহেবকে বুঝতে দুটি চোখই যথেষ্ঠ নয়। কি আর করার আমাদেরতো আর দশ দশটা চোখ নেই ওমন দশ মাথা ওয়ালা এলিয়ান হুমায়ুন আজাদ সাহেবকে আমরা চিনবো। একবার কি চিন্তা করে দেখার মতো সময় আসেনি যে গর্ভধারীনিকে বিবেক বুদ্ধিহীন পশুর সাথে তুলনা করা হচ্ছে আসলে তার অর্থ কি এই নয় যে হুমায়ুন আজাদ সাহেবের দুইটা চোখ আছে একটা নাক আছে একটা মুখ আছে দুইদুইটা কান আছে তাই উনি একটা গাধা অর্থ্যত পশু। উধাহরণতো আরো দেয়া যায় যেমন উনিও খাদ্য গ্রহণ করেন আবার কুকুর খাদ্য গ্রহণ করে উনিও প্রাতক্রিয়া সাড়েন কুকুর সাড়ে। এমন একজন পশু কি ভাবে বিচার করে " নারীর গর্ভধারণ একান্ত পাশবিক কাজ। নারীকে কি চিরকালই ধারণ ক'রে যেতে হবে গর্ভ, পালন ক'রে যেতে হবে পশুর ভূমিকা? গর্ভবতী নারী দেখতে অনেকটা গর্ভবতী পশুরই মতো, দৃশ্য হিশেবে গর্ভবতী নারী শোভন নয়, আর গর্ভধারণ নারীর জন্যে অত্যন্ত পীড়াদায়ক।"উহু, তাকে এই বিচারারের ক্ষমতা আমরা দেই নাই। বিচারের ক্ষমতা একমাত্র মানুষেরই।
মৃদুল মাহবুব বলেছেন:
কেন পর্ণ কি সাহিত্যে আসতে পারে না? এখন একটা চরিত্র বোঝানোর জন্য শুরু পর্ণ নয় কোরান হাদিস বেদ বাইবেল সব আসতে পারে। আর তবে কি আমরা সেই আগমনের পথ বন্ধ করবো। আমরা কি চাই শিল্প সাহিত্য সংগীত চিরকাল এক অন্ধ কূপের গভীরতা নিয়ে থাক। সাহিত্যে যৌনতা থাকতেই পারে, কেননা আমার জানি প্রত্যেকেই জানি আমার অথবা তোমার আড়ালে কি আছে। এটাকে এতা অস্বাভাবিক ভাবে দেখার কি কিছূ আছে। যা আপনাতে কাঁদাছে তা আবার আপনাকে বমি করাচ্ছে। এটা কি সম্ভব সন্ধ্যাবাতি? আমার মনে হয় যে কোন কারণেই হোক আপনি একটা মাঝামাঝি অবস্থায় থাকতে চাচ্ছেন। যা হোক আলোচনা চলুক.....
কালপুরুষ বলেছেন:
স্নোবল, আপনার কথামত তাইলে পশুরেওতো মানুষ কওন যায়, তাইনা? যেহেতু পশুগো লগে আমাগো হগল কিছুই মিলতাছে। খালি আমাগো ব্রেইন একটু ভাল, আমরা একটু বেশী বুঝি, তাই আমাগো মানুষ কয়। কারা কয়? মানুষেই কয়। তাইলেতো পশুগো লগে আমাগো গলায় গলায় মিল হওনের কথা। কেউ আমারে আপনের পশু কইয়া গাইল দিলেও হাম্বা হাম্বা কয়া খুশীতে গদ গদ হওনের কথা। কিন্তু তা হইনা কেন? কারন নিজেরে কেউ পশু ভাবতে চাইনা, মানুষ ভাবতে চাই। আচ্ছা কনতো দেহি, পশুরা কী আমাগো কখনো মানুষ কয়? কিংবা মানুষ বইলা ডাকে? নিজের কানে শুনছেন কোন পশুরে আমাগো মানুষ কয়া ডাকতে? শুনেন নাই তাইনা! কারণ হেগো কথা কওনের উপায় নাই, কোন ভাসা জানা নেই। কোন বই পইড়া কোন শিক্ষা নিতে পারেনা। হাতির পায়ে শিকল পড়ায়া দিলে নির্দ্দিষ্ট গন্ডির মধ্যেই থেকে যায়। সে যদি জানতো তার গায়ে শিকল ছেড়ার মতো প্রচন্ড শক্তি আছে তবে সার্কাসের তাঁবুতে আগুন লাগলে তাকে পুড়ে মরতে হতো না।
জীব মানেই যার প্রাণ আছে। আর জীবকুলের শ্রেষ্ঠ জীব মানুষ। একমাত্র মানুষই পারে তার বুদ্ধি আর মনন চর্চা করতে। যে বই পড়ে আমরা জ্ঞান অজর্ন করি তা অন্য কোন জীবকে গুলে খাওয়ালেও তা কাজ হবে না। কারন তারা মানুষ নয়- অন্য কোন জীব। মানুষ জীব তাই পশু প্রবৃত্তি মানুষের মধ্যে থাকা স্বাভাবিক, কিন্তু পশুর মধ্যে মনুষত্ব বা মানবিক গুন খুঁজতে যাওয়া বোকামী। পশু পোষ মানলেও সে পশু রয়ে যায়, মানুষ হতে পারেনা। প্রভুভক্ত হতে পারে কিন্তু কখনই প্রভু হয়ে উঠতে পারেনা। আর তাই পশু তার আবস্থানেই রয়ে যায়- মানুষ চলে আসে শ্রেষ্ঠত্বের আসনে। গরুর সাথে মানুষের তুলনা করে মানুষকে পশু সাব্যস্ত করতে পারবেন না, কারন গরুকে জামা কাপড় দিলেও তা পড়তে পারবে না, নিজের ঘরে যত্ন করে রাখলেও কমোড ব্যবহার করতে পারবে না। আপনি তার মাংশ ভক্ষণ করলেও সে আপনার মাংশ ভক্ষণ করতে পারবে না। সে মাঠে ঘাস খেতে পারবে কিন্তু আপনার সাথে ডাইনিং টেবিলে ডিনার করতে পারবে না। তাই সে পশু- চিরকালই পশু। মানুষের পর্যায়ে সে কখনই আসতে পারবে না, মানুষের সাথে সে কোনভাবেই তুলনাতে আসতে পারেনা। পশম থাকলেই পশু আর মগজ থাকলেই মানুষ হয়না। বোধ, বুদ্ধি আর বিবেচনা থাকতে হয়। তবে আমার ভয় একজায়গাতেই- আমি কী মানুষের সাথে কথা বলছি? কেউতো আবার গুঁতোতে আসবে না?
নাস্তিকের ধর্মকথা বলেছেন:
সন্ধ্যাবাতি,
আমার মন্তব্যের জবাবে আপনার কথাকটি পরলাম- পড়ে মনে হলো আপনি আমার কথাগুলো মনে হয় পড়েননি, বা পড়লেও বুঝেন নি, বা বুঝলেও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত ভাবে নিজের মনোমত উত্তর দিয়ে গেছেন!!!
এই পোস্ট পড়লেও একই ধারণা হয়। আপনি হুমায়ুন আজাদের নারী পড়েছেন ছিদ্রান্বেষণের উদ্দেশ্যে- কিন্তু যে পোস্ট আপনি দিলেন তা দেখেই মন হয়- আপনি নারী ভালো করে পড়েননি, বা পড়লেও বুঝেন নি বা বুঝলেও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত ভাবে বিভ্রান্তি সৃষ্টির উদ্দেশ্যে পোস্ট
টি তৈরি করেছেন।
যেকোন ফেমিনিস্ট আলোচনায় ফ্রয়েডকে আনতে হয়। কেননা- এই পুরুষ ব্যক্তিটি নারীর অপমান করেছেন সবথেকে বেশি। ফলে- ফেমিনিস্ট মাত্রই ফ্রয়েডকে খণ্ডানো পবিত্র দায়িত্ব বলে মনে করেন। হুমায়ুন আজাদের নারীতে ফ্রয়েড এসেছে সে জায়গা থেকেই।
আর আপনি ফ্রয়েডকে এনেছেন সম্পূর্ণ অপ্রাসঙ্গিকভাবে বিভ্রান্তি সৃষ্টির উদ্দেশ্যে। বলেছেন, ............অথচ, বইটার একটা বড় অংশ জুড়ে ফ্রয়েডের 'বৈজ্ঞানিক তত্ত্ব'!
আর হু. আজাদের খণ্ডিত কোটেশন দিয়েও তার সম্পর্কে যে বিভ্রান্তি তৈরি করার চেস্টা করেছেন- সেটিও আপনার সম্পর্কে ঐ ধারণা তৈরির জন্য যথেস্ট।
কালপুরুষ বলেছেন:
পড়লাম। মন্তব্য লিখতে ইচ্ছে করছে না।
সবুজ সাথী বলেছেন:
সন্ধ্যাবাতি, তোমার লেখা আর যুক্তিতে আমি অভিভুতো। নাস্তিকের দলের হুমায়ুন আজাদকে ডিফেন্স করা দেখেও আমি অভিভুতো। এই কথাগুলো হুমায়ুন আজাদ বলেছেন, কাজেই এটা দার্শনিক তত্ত্ব (!) না হয়ে পারেনা।
++++++++ আল্লাহ তোমার জ্ঞান বৃদ্ধি করুন, তোমার লেখনী আর যুক্তির ধার আরও শাণিতো হোক।
আবূসামীহা বলেছেন:
এরা (হু,আ, ও সমগোত্রীয়রা) কী না পারে?
আরিফুল হোসেন তুহিন বলেছেন:
প্রিডমিনেশন থাকলে যা হয় আর কি,সন্ধ্যাবাতি,
আপনি হুমায়ন আজাদকে যা যা বলেছেন তা মনে হয় বই পড়ার আগেই একই ধারনা ছিল।
সত্যি,হুমায়ুন আজাদকে বোঝার জন্যে প্রয়োজনীয় জ্ঞান আপনার নেই তা আমি মনে করি না,কেবলমাত্র প্রিডমিনেশন থেকে এধরনের কথা বলা সম্ভব।
আর কোনও লেখকের একটি মন্তব্য তুলে দিয়ে তাকে বিতর্কিত করার চেষ্টা নতুন নয়।প্রগতিবাদী লেখকরা সবসময়ই অক্ষম সমালোচকদ্বারা বিতর্কিত হয়।
আর পশু শব্দটিকে এত নোংরা ভেবে শিউরে উঠছেন!মাথাটা বাদ দিলে বুড়ো আঙ্গুল ছাড়া মানুষের আর কোন ইউনিক বৈশিষ্ট্য আছে?বরং মানুষের ইতিহাস ঘাটলে অন্ধকার ছাড়া কম কিছুই খুজে পাওয়া যায়।
সন্ধ্যাবাতির সমালোচনার স্টাইলে আমার আগের প্যারাটির জন্যে আমাকে মানবতার শত্রু বলা যেতে পারে!!
এখন কথা হচ্ছে আজাদকে পড়ে তারপর মন্তব্য কারা করছেন?
একজনকে দেখলাম আজাদের একটা বইও পড়েন নি কিন্তু বিশাল সব মন্তব্য করে বসে আছেন!
বাতি,
আপনার বিরোধিতা করছি কারন আপনার লেখায় আজাদকে আঘাত করার প্রবনতাই বেশী,নিরপেক্ষ বিশ্লেষন থেকে।
আজাদের কবিতা পড়ে দেখবেন,প্রতিভাকে আঘাত করার আগে নিজেকে একবার আয়নায় দেখে নিতে হয়!
ও ভুলে গেছিলাম,আপনি তো আবার বাংলা কবিতা পড়েন না,ছেলেদের লেখা তো হতাশাবাদী আক্ষেপ ছাড়া আর কিছুই নয় আপনার কাছে।
আজাদের সব লেখা পড়বেন,মানুষটাকে চেনার চেষ্টা করবেন।অন্তত কবিতাগুলো পড়বেন,সাহিত্য সমালোচনা পড়বেন।
আজাদের গদ্য পড়তে বলছি না,কারন তা পড়ার মত পর্যাপ্ত "মনকে
খোলার ইচ্ছা " আপনার নেই।আর আপনার লেখার বিপক্ষে যুক্তিগুলো তীরন্দাজ ভালো দিয়েছেন,আমি তাই রিপিট করলাম না।
আপনার মত মানুষরাই ইউলিসিস কে নিষিদ্ধ করে রেখেছিল।জেমস জয়েস কে এভাবেই বিতর্কিত করেছেন।
মনে রাখবেন এ পৃথিবীতে সর্বোত্কৃষ্ট মননশীল কাজ গুলো প্রগতিবাদী রাই করেছেন,রক্ষনশীলরা নয়।
আর ফারজানা,
আপনি বয়সে বড় হলেও কিছু কিছু ব্যাপারে অপরিনত।
আর,
যে বলেছেন আধুনিক কবিতার সংকলনে কেন আল মাহমুদ নেই,
বইটার ভূমিকা পড়লেই জানা যাবে কেন,
আল মহমুদ,আবু জাফর ওবায়দুল্লাহ,আব্দুল মান্নান সৈয়দ
এদেরকে রাজনৈতিক চাটুকারিতা,মৌলবাদ এসব কারনে বাদ দিয়েছেন।আজাদের নিজের ভাষায়,
"তারা কবিতা,আধুনিকতা এবং মানুষের বিরুদ্ধে চলে গেছেন"
শেষে মা নিয়ে এত চিল্লাপাল্লা করলেন সন্ধ্যবাতি,
প্লীজ
আজাদের এই কবিতাটা আজই পড়বেন।
"আমাদের মা"
মাহবুবা আখতার বলেছেন:
বইটা পড়িনি, এজন্য তেমন কিছু বলতে পারছি না। যদি এধরনের কিছু উনি লিখে থাকেন, তাহলে নিঃসন্দেহে সেটা নিন্দনীয়। আমি বুঝতে পারছি না এটা নিয়ে এতো আলোচনা সমালোচনার (যেগুলো কমেন্টের ঘরে দেখছি) কি আছে। কেউ যদি ভুল করে বা বলে বা লেখে (তা সে যেই হোক না কেন) তবে সেটা স্বীকার করে নেয়াটা কি খুবই সাহসের কাজ?
আমার তো মনে হয় না।
নাস্তিকের ধর্মকথা বলেছেন:
আরিফুল হোসেন তুহিন,
এনাদের এ বিষয়টিই বোঝানোর চেস্টা করছিলাম।
হুমায়ুন আজাদের নারী বইটি তাঁর মৌলিক কোন সৃষ্টি নয়- সেখানে যেসব কথা-বার্তা আছে- তা ওনার বহুত আগেই অনেক ফেমিনিস্টরা বলে গেছেন। সেসব ফেমিনিস্টদের আলোচনার পয়েন্ট অব ভিউটি ধরানোর জন্য ব্যাখ্যা দিচ্ছিলাম- কিন্তু- এনাদের অবস্থা এমনই- এনারা এমনই প্রিডমিনেশনের স্বীকার যে একইভাবে একই কথা জাবর কেটেই যাচ্ছিলেন।
যাহোক, আমার ব্যক্তিগত অবস্থান ফেমিনিস্টদের অবস্থানের সাথে অনেক জায়গায় বিপরীত। এমনকি- এই পোস্টে বলা কথা সমূহের সাথেও আমি দ্বিমত করি- কেননা, ফিজিক্যাল বাস্তব কণ্ডিশনকে দোষারোপ করা আমার অযৌক্তিক মনে হয় (যদিও- এর বিরুদ্ধে কথা বলার একটি দরকারো আছে- কেননা এর মধ্য দিয়েই বিজ্ঞানের আরেকটি জয়যাত্রা শুরু হতে পারে), নারীদের এই ফিজিক্যাল দুর্বলতা থাকা মানেই তারা পুরুষদের তুলনায় মানুষ হিসাবে অনুন্নত নয়, এবং যতদিন বিজ্ঞানের বদৌলতে নারী এই সীমাবদ্ধতাকে অতিক্রম করতে পারবে না, ততদিন নারীরা পুরুষের পদানত থাকবে এটা যৌক্তিক মনে হয় না- সে অর্থে এই সীমাবদ্ধতাকে নারীর পিছিয়ে পরার কারণও মনে হয় না- সে জায়গা থেকে গর্ভধারণ নিয়ে ফেমিনিস্টদের অতিরিক্ত কথা বলা কাজের মনে হয়না- মনে হয় এভাবে নারী-পুরুষের বৈষম্যের মূল কারণ শোষণ-বৈষম্য মূলক সমাজ-ব্যবস্থা একেই পাশ কাটানো হয়;
কিন্তু, এনারা যে জায়গা থেকে রিঅ্যাক্ট করছেন- দেখে মনে হয়, ১৪০০ বছর আগের কলাগাছসমূহের কথা বলছি!!!
কতবতবকতকত বলেছেন:
khaisey amare.....ar jai hok azad ekta kajer kaj korse boita likhe....na hole eto ato alochona somalochona kisue hotona.
মৃদুল, কথাটা বোধ করি আমাকে বলেছেন।
নাহ, এ ধরনের কথা আমি কজা করে বলিনি বরং রাগে দুঃখে ঘটনার আকষ্মিকতায় হঠাৎ আমার মুখ থেকে বেরিয়ে গেছে। হুমায়ূন আজাদ যা ইচ্ছে তাই বলতে পারেন। কিন্তু আমি প্রত্যুত্তরে কিছু বললে নিজের কাছে ছোট হয়ে যাই। তাই এভাবে বলা কথাটা সন্ধ্যাবাতিকে মুছে দিতে অনুরোধ করছি।
এম.এ.হামিদ বলেছেন:
নারী নির্যাতনের জন্য হুমায়ুন আজাদের মরনোত্তর ফাসি চাই
উলটা মানুষ বলেছেন:
হায়রে! লজিক দেখে হাসব নাকি মানবজাতির দেখে দুঃখ করব? এই ধরনের বই যারা লেখে তাদেরকে তো মাইর দেওয়া উচিতই, এমনকি যারা পাবলিশ করে তাদেরকেও।
চিটি (হামিদা রহমান) বলেছেন:
আমি ও বইটার কয়েকটা অধ্যায় পড়েছি। লেখক অনেক ক্ষেত্রে ভুল তথ্য দিয়েছেন। বিশেষ করে মনোবিজ্ঞান সম্মত যে সব তথ্য দি্যেছেন তা সঠিক না । বইটাতে লেখক নারীদের কে খুব অবেহেলার চোখে দেখেছেন।
শরীফ ফখরুজ্ জামান বলেছেন:
বেচারা হুমায়ুন আজাদ ... মরে গিয়ে ও আলোচনা সমালোচনা থামছে না। তবে পোষ্টগুলো পড়ে ভদ্রলোকের বইগুলো পড়ার আগ্রহ চলে গেলো।
বৃত্ত বলেছেন:
+++++++++
সেলিম তাহের বলেছেন:
এম.এ.হামিদ বলেছেন: Simone de Beauvoir রের 1949 treatise The Second Sex, পড়েন হুমায়ন আজাদ নারী হিসাবে সামন ডি বিভোয়ার যা কইসেন তাই রিপিট করসে। এবার কন নারী হিসাবে নারীকে অপমান করা হইসে>>> আজাদ এর "নারী" বইটি আসলে Kate Millet এর "The Sexual Politics" বইটির প্রায় হুবহু বাংলা সংস্করণ। নব্বই দশকে "নারী" বইটি প্রকাশিত হবার বেশ ক'বছর আগেই আমি The Sexual Politics বইটি পড়েছিলাম (নারীবাদী রচনা/সাহিত্যের প্রতি আগ্রহ থেকে)। "নারী" পড়তে যেয়ে তাই হোঁচট খেয়েছিলাম...এ যে দেখছি Kate Millet এর বইটির নব্য বাংলা সংস্করণ!
আমি দাবী করবো না যে মিলেট থেকে আজাদ পুরোটা মেরে দিয়েছিলেন, যেহেতু আজাদের মৌলিক কিছু চিন্তাও "নারী" বইটা তে পাওয়া যাবে। শুধু এটুকু আশা করেছিলাম যে আজাদের উচিত ছিল তাঁর এই বইটা যে Sexual Politics বইটা থেকে অনুসৃত- অন্ততঃ এটুকু স্বীকার করে নেয়া।
দেরীতে হলেও পোস্টটি চোখে পরলো। পোস্টটির মুল আলোচ্য বিষয়বস্তু নিয়ে কোন মন্তব্য থেকে আপাততঃ বিরত রইলাম।
পাগলা দাশু বলেছেন:
পশু শব্দটিতে এত আপত্তি কেন করিছেন ? আমরা সকলেই কি পশু না ? প্রতিটি ধর্মগ্রন্থে শারীরিক সম্পর্ককে নীচ পর্যায়ের এবং পশুবৃত্তিমূলক কাজ হিসেবে দেখানো হয়েছে। এইটি কখনো লক্ষ্য করেননি ?
একটি বইয়ের কিংবা প্রবন্ধের দুটি লাইন তুলে ভাব সম্প্রসারণ কিংবা ভাব সংকোচন নীতি গর্হিত এবং অসাধুবৃত্তিমূলক কাজ। পুরো লেখার মূল ভাব না দেখিয়ে ' বাক্য কিংবা শব্দমালায় আলোক নিক্ষেপ নিতান্তই লেখকের সাথে অন্যায় এবং পূর্বসূত্রিতার ফলযোগ।
হুমায়ুন আজাদের নিশ্চয়ই ভুল আছে এবং পঁচা লেখা আছে কিন্তু লেখাকে সামনে এনে প্রসঙ্গ উত্থাপন বাঞ্চনীয়। তিনি '' এছলাম''' লিখেছেন ''ইসলাম' না লিখে সেটা উল্লেখ করে তার লেখনী কর্তন করবার চেষ্টায় সাধুবাদ দেওয়া সম্ভবপর নয়।
নিজে লেখালিখি যখন করছেন, আরেকজন লিখককে মাটিতে নামানোর এই অসাধু
প্রক্রিয়া পরিহার করবেন এই কামনা করি মহান রাব্বুল আলামীন এবং বিশ্বকর্মার দরবারে।
লেখক বলেছেন: না, আমরা সবাই পশু না, আমরা সবাই 'প্রানী'। পশু বলতে আমরা মানুষের চেয়ে নিচু কিছু বুঝাই। 'পশুর পর্যায়ে' নেমে যায় মানুষ, প্রানীর পর্যায় থেকে। ইংরেজিতেও এই পার্থক্যটা আছে, animal আর beast ।
পুরুষ তো, আপনি এমন কথা বলতেই পারেন। এখন আর কি, আজাদীয় আদর্শে নতুন শ্লোগান তুলুন, গর্ভবতী নারী পশুর মত, ইয়াক থু, তাহাদের উন্নতি ঘটানো লাগিবে... তাহাদের পুরুষদের মত 'উন্নত' হইতে হইবে, নারীদের পশুর র পর্যায় থেকে উত্তরণ করতে হলে, পাশবিকতা বর্জন করিতে জন্মের সাথে সাথে জরায়ু কাটিয়া ফেলিতে হইবে। জেনিটেল মিউটিলেশন রদ আন্দোলন তো হিপোক্রেসী হয়ে গেল, জেনিটেলের বদলে আরেকটু ভিতরে খুঁড়ে জরায়ু কেটে ফেলার প্রস্তাব দিলেন আজাদ। ঘুরিয়ে পেঁচিয়ে ঠিকই বললেন, নারী পুরুষদের মত উন্নত নহে! আন্দোলন করো, তাহাদের পুরুষদের মত হইতে হইবে!
স্বপ্নশিকারী বলেছেন:
এই লোক একদম ভন্ড।আমার পরিচিত একলোক এবং হু: আ সিঙ্গাপুরে একই হাসপাতালে চিকিৎসারত ছিলেন ।
দেশে ফিরে আমার সাথে দেখা হবার পোর বললেন " শালা আমাদের দেশের নাম ডুবায় আইসে"।
আমি বললাম কেন কি হইসে?
সে বলল " ঐ হাসপাতালে কোন নার্স হু: আ এর কেবিনে যেতে চাইত না। কারন হু: আ এর বলে আলুর দোষ ছিল।"
অহনা বলেছেন:
একজন লেখক একজন স্রষ্টা। আর স্রস্টাকেতো কোনও পক্ষাবলম্বন করলে চলেনা! কারও প্রতি অনুরাগ বা বিরাগভাজন তিনি হতে পারেন কিন্তু তার প্রতিশোধ স্রষ্টা নেন না। স্রষ্টাতো তার নাফরমানকে নাখাইয়ে রাখেন না!একজন সত্যিকারের লেখকের দৃষ্টি হতে হয় ব্যক্তিনিরপেক্ষ। যার সেই দৃষ্টি নেই কেবল ইমপ্রেশনিস্টিক কিছু লেখা দিয়ে গেম দেওয়া যায় কিন্তু অন্তরজয় করা যায় না স্থায়ীভাবে। লেখক হয় প্রতিটি পাঠকের ব্যক্তিগত ভালোলাগার মানুষ। কিন্তু হুমায়ূন আজাদের এমন সত্যিকারের ভক্তদের তো কানও নিদর্শন আজ পাওয়া যায় না । স্রেফ তার লেখনীতে অসামঞ্জস্য বিষয়বৈচিত্রের নামে অশ্লীল মাদকতা দিয়ে কজনকেই বা আটকে রাখবেন স্থায়ীভাবে? কাম বা যৌনতা হলো অতি স্বল্প সময়ের একটি মানসিক প্রতিক্রিয়া। এর স্থায়িত্ব যেমন অল্প তেমনি এর উদ্যামতা বেশি। আর বেশিরভাগ মানুষ এই সামান্য প্রতিক্রিয়ার বশে এমনসব অন্যায় আর অশ্লীলতাকে ছড়িয়ে দেয় জনে জনে যা শুধু ব্যক্তিমানসের বিকৃতিই নয় তার বাস্তবজীবনের প্রতিচ্ছায়াও ব্যক্ত হয়
রাজনীতি বলেছেন:
হু আজাদ সভ্যসমাজের কিট।তার বইগুলো ( যেদুলো দিয়ে লাইটে এসেছেন) এত জঘন্য যা কোন মনুষত্ববোধ সম্পন্ন মানুষের চিন্তায়ও কখনো আসেনা। এগুলো কেবল নষ্ট চরিত্রের মানুষই ভাবতে পারে।
যীশূ বলেছেন:
সন্ধ্যাবাতি, আপনি বোধহয় হুমায়ুন আজাদের লেখার সাইকোলোজিটা ধরতে পারেন নি।
তারিক রিদওয়ান বলেছেন:
অরণ্য যাযাবর--- এই আহাম্মক ছাগলে বাচ্চা ছাগল টা এলো কোত্থেকে ????আর হুমায়ুন আযাদ ???? ওই হালা তো......... X-(
থাক আর কিছু বললাম না ওর ব্যাপারে।
সন্দীপন বসু মুন্না বলেছেন:
আরণ্যক যাযাবর বলেছেন:আপনার পোস্টে আমি মন্তব্য করি না।
আপনার কাঙাবনে মুড়ি খাওয়ার গল্প শুনায়ে নিজের ভালোমানুষি চরিত্র তৈরি কৈরার পর,
গোলাম আযমকে মহান নেতা বলা আর হুমায়ুন আজাদের লেখার অংশবিশেষ তুলে দিয়ে বিভ্রান্তি তৈরির যে চেষ্টা, তাতে আমি অবাক হই না।
কারণ আপনাদের চরিত্র এইরকমই। তাই আপনাদের জামাতীদের পোস্ট দেখলে আমি বেসিনে গিয়ে থুথু ফেলে আসি।
কিন্তু, আজ মন্তব্য করলাম, কারণ হুমায়ুন আজাদ।
হুমায়ুন আজাদ বোঝার মতো বুদ্ধি সবার থাকেনা।
প্লিজ, অংশবিশেষ তুলে দিয়ে বিভ্রান্তি তৈরি করে হুমায়ুন আজাদ কে অপমান করার চেষ্টা করবেন না।
সন্দীপন বসু মুন্না বলেছেন:
এই জাতীয় সিংগেল কোট নির্ভর লেখা একজন বড় লেখকের আলোচনা হতে পারে না। এতে ধর্মান্ধরা আস্কারা পায়। যা ভবিষ্যতের জন্য সুখকর নয়।
সন্দীপন বসু মুন্না বলেছেন:
রফিকুল ইসলাম রঞ্জু বলেছেন: যে বাক্যটির উদ্ধৃতি দিয়ে জনাব বা জনাবারা মেতেছেন, তারা শুধু বাক্যটির আক্ষরিক অর্থই বুঝেছেন। এর প্রেক্ষাপট বিবেচনা করেননি। ভাষা ব্যবহারের কৌশলও বোঝেন নি। পুরো বইটিতে তিনি নারীর ওপর পুরুষ ও পুরুষতান্ত্রিক সমাজ ব্যবস্থার কঠোর সমালোচনা করেছেন। সেই প্রেক্ষাপটে ওই বাক্যটির অর্থ কখনোই নারী অবমাননামূলক হতে পারেনা।
দ্বিতীয়ত, মধ্যবিত্তের সুশীল' জীবন যাপনের আড়ালে তাদের কুৎসিত কর্মকাণ্ড বেশ আগে থেকেই সাহিতে্য উঠে আসছে। সারাদিন সুন্দর সুশ্রী কথা বলে ঘরে ফিরে কিশোরী কাজের মেয়ের স্তন চেপে ধরা কিংবা চাচাতো-মামাতো ছোট ভাইটির সঙ্গে যুবতী বোনটির...কিংবা চাচার হাতে ভাতিজি...এরকম আরো অনেক কুৎসিত অথচ প্রতিনিয়ত সমাজে ঘটে চলা বিষয়গুলোকেই লেখায় নিয়ে আসছেন অনেকে। আক্রমন করছেন আমাদের তথাকথিত সুশীলবোধকে, প্রচলিত সুশীল' ভাষাকে। এটা একটা ধারা। যে কেউ তার বিরোধীতা করতে পারে, সমালোচনা করতে পারে। কিন্তু ওই লেখকের আকাংখাকে খাটো করা বা তাকে ব্যক্তিগত আক্রমণ করা অবশ্যই কোনো জ্ঞানী বা শিক্ষিত লোকের কাজ নয়। সেটা করলে তার ( যিনি খাটো করেন) উদ্দেশ্য নিয়েই প্রশ্ন ওঠে।
সপ্নীল বলেছেন:
মায়ের গর্ভে জন্ম নিয়ে কোন মানুষ এমন কথা বলতে পারেনা। এদের নিয়ে কথা বলে সময় নস্ট করার কোন মানে নাই।
দু-পেয়ে গাধ বলেছেন:
গর্ভবতী নারী দেখতে গর্ভবতী পশুর মতো!অতি বাজে মন্তব্য। লেখক কেবল মানুষ প্রজাতির মায়েদের নয় পশুদেরও মায়েদের অপমান করেছেন। তিনি বোধ হয় চেয়েছিলেন কারখানায় মানুষ তৈরী করতে। এর পর তিনি গর্ব করে (হয়তো আমাকেই) বলতেন "আমি তোর মতন নই রে জানোয়ার, আমি ............... এর কারখানায় তৈরী মানুষ।"
ঈশ্বরে বিশ্বাস করি না। বিশ্বাস করি না প্রার্থনাতে। কিন্তু আজ প্রার্থনা করছি পৃথিবীতে এমন মানুষ যেন আর না জন্মায়।
কারখানায় যেদিন মানুষ তৈরী করা হবে তখন নিশ্চয় এই রকম দু চারটা নমুনা দেখতে পাবো। তা নিয়ে দুঃখ করিনা।
পদ্মাচরের লাঠিয়াল বলেছেন:
হে হে, এরাই আবার কুরয়ান থেইক্যা কয়েক লাইন তুইল্যা দিলে চেল্লায়, আউট অফ কনটেক্সট দিয়া কুরানের বিকৃত ব্যাখ্যা করা হইসে।সব হিপোক্রেট ফান্ডামেন্টালিস্ট নাড়ীবাডী!!!!!
দু-পেয়ে গাধ বলেছেন:
@সন্দীপন বসু মুন্না বলেছেন: রফিকুল ইসলাম রঞ্জু বলেছেন:পুরো বইটিতে তিনি নারীর ওপর পুরুষ ও পুরুষতান্ত্রিক সমাজ ব্যবস্থার কঠোর সমালোচনা করেছেন। সেই প্রেক্ষাপটে ওই বাক্যটির অর্থ কখনোই নারী অবমাননামূলক হতে পারেনা।
****************************
একটা কথা জানার ছিল, কিছু মনে করবেন না। এই দুনিয়ায় এই একই উদ্দেশ্যে অনেকেই অনেক কিছু লিখেছেন। কিন্তু সমালোচনা যাদের করা হয় তাদেরই পশু ইত্যাদি বললে তবু বোঝা যায়। যারা সেই পশুগুলোকে মানুষ করার কাজে নিজের জীবন শেষ করে দিচ্ছে, তাদের এমন গালাগালি দেওয়ার কি মানে হয় বুঝলাম না।
তিনি কি বলতে চেয়েছেন আমি বাস্তবিক বুঝিনি। কিন্তু শারিরিক দিক দিয়ে দেখলে কেবল গর্ভবতী নারী নয়, সমস্ত মানুষের সঙ্গেই বাঁদরের, এমনকি যে কোনো ম্যামাল এর প্রচুর মিল আছে। মানুষকে পশুদের থেকে আলাদা করে তার মগজ। তিনি যা বলেছেন, তা ঐসব মানব-আকৃতির পশুরা সকলেই জানে। লেখক যদি তাদের থেকে আলাদা হন তাহলে কিছু সমাধান খুঁজে বার করা উচিত (এই ক্ষমতাটাই তাঁকে পশুদের থেকে আলাদা করতে পারে)।
কেউ কি উক্ত বইটির কোনো Electronic format এর লিঙ্ক দিতে পারবেন? তাহলে আরো অনেক বিষয় নিয়ে আলোচনা করা যেত। আমার কপিটা একজনকে দিয়ে ফেলেছি।
পদ্মাচরের লাঠিয়াল বলেছেন:
গাধা ভাইজান-পোয়াতি নারীদের প্রতি সার্বিক পোলাদের মনোভাব কেউ যদি ফার্স্ট পার্সনে ল্যাখে তাইলে তার মানে হইলো যে বক্তা নিজেই সবার প্রতিনিধিত্ব করতাসে। এর মানে শুধু ঐ লেখকের উপ্রে বর্তায় না।(অবশ্য লেখকের রিপ্রেজেন্টেশন যে সবসময় সঠিক হইবো তা নাও হইতারে।) এইডা মানেন তো?
নারী বইডা প্রচুর দার্শনিকের মতামতের একটা সংকলন। আপনে যদি সিমন দ্য বুভোঁইয়ার(ইনি কিন্তুক মাইয়া) দ্য সেকেন্ড সেক্স বইডা পড়েন তাইলে দ্যাখবেন উনি এর চেয়েও জঘন্য ভাষায় পোয়াতিকালরে কইসে পুরুষতান্ত্রিকতা বোঝানোর লাইগ্যা।
আর আউট অফ কনটেক্সট বড্ড জঘন্য কিন্তক প্রিয় একটা উপায় প্রতিক্রিয়াশীলদের লাইগ্যা। এই ল্যাহা তার চমৎকার উদাহরণ।
অফটপিক- আপনার বাকশৈলী দেইখ্যা আপনেরে ঘটি ঘটি মনে হইতেসে। আপনে কি ঘটি?(ফান হিসেবে না নিতে পারলে সজ্ঞানে ক্ষমা-ঘেন্না কইর্যা দিয়েন।)
হাদী নয়ন বলেছেন:
লেখক@ঠিক তেমনি, গর্ভধারণের সময় কেউ করুণা চায় না। তার পরিবর্তিত অবস্থাকে সম্মান করা হোক, বুঝে চলুক, সেইটা চায়। সে যে কি ভীষণ রকমের সংগ্রাম করছে, সেটা জেনে তাকে শ্রদ্ধা করুক (করুণা নয়) সেইটা চায়। পশুকে আমরা ঘৃনা করি, করুণা করি, সম্মান আর শ্রদ্ধা করি না। যথার্থ বলেছেন।
পোস্টে প্লাস।
দু-পেয়ে গাধ বলেছেন:
@ পদ্মাচরের লাঠিয়ালঃ-অফটপিক- আপনার বাকশৈলী দেইখ্যা আপনেরে ঘটি ঘটি মনে হইতেসে। আপনে কি ঘটি?(ফান হিসেবে না নিতে পারলে সজ্ঞানে ক্ষমা-ঘেন্না কইর্যা দিয়েন।
***********************************
আপনি ঠিকোই কইসেন। আমি ১০০% ঘটি পরিবারের পোলা। সেইসাথে ১০০% বাঙ্গালীও।
বাঙ্গাল ভাষা লিখলাম বলে রাগ করবেন না যেন। এটাও বাঙ্গালীদেরই ভাষা, শেখার চেষ্টায় আছি। হয়তো লেখায় ভুলভাল হতে পারে।
মানুষকে (এক্ষেত্রে নারীকে) সংগ্রামে উদবুদ্ধ করার জন্য অপমানজনক ভাষা ব্যবহার একটা অন্যতম উপায় হিসাবে দেখা যেতেই পারে। কিন্তু সেটা যদি এত বেশিদুর গড়ায় যে লোকে বইটা পড়ার ইচ্ছাই হারিয়ে ফেলে, তাহলে আর লিখে লাভ কি?
অনেক নারীবাদী আছেন যাঁরা মনে করেন পুরুষদের দ্বারা নারীজাতির কোনো উপকার হতেই পারে না। (যেমন তসলিমার লেখা পড়ে আমার এরকম লেগেছিল)। কিন্তু বাস্তব হল যখন কোনো ভালো মানুষ বুঝতে পারেন কেউ সমস্যায় আছে, তিনি জাত বা জেন্ডার বিচার না করেই উপকার করতে নামেন। হতে পারে অনেক সময় ভ্রান্ত চিন্তার কারণে তিনি সমস্যাটা বুঝতেই পারেন না। বেশির ভাগ ক্ষেত্রে ধর্ম নামক হাজার খানেক বছর আগের চিন্তাধারাগুলোই সমস্যাগুলো বোঝার পথে বাধা হয়ে দাঁড়ায়।
কথাটা এই জন্যেই বললাম, কিছু নারীবাদী নারীদের মাথায় এরকম ধারণাই ঢোকাতে চাইছেন।
পদ্মাচরের লাঠিয়াল বলেছেন:
@দু-পেয়ে গাধ-হে হে, স্টার্টিং হিসাবে বাঙাল ভাষায় মন্দ ল্যাহেন নাই, তয় এইডা কিন্তক বেশ কঠিন। অসংখ্য ডায়ালেক্ট আছে এর ভিত্রে, শুধু তেসি তেসো আর তেসেন ই না, স্বার্থকভাবে ইডিয়ম লাগাইতে না পারলে এক্কেরে পাইনসা হয়া যায়।
যাউকগা অনটপিকে আহি,
কিন্তু সেটা যদি এত বেশিদুর গড়ায় যে লোকে বইটা পড়ার ইচ্ছাই হারিয়ে ফেলে, তাহলে আর লিখে লাভ কি?
হুমায়ুন আজাদ সম্পর্কে আপনে কট্টুক জানেন তা আমলে নাই তাই ঠিক বুঝতারতিসিনা কোন ভিউতে কমু। ভদ্রলোক এক্কেরে সত্যিকার অর্থে ভুল সময়ে ভুল জায়গায় পয়দা হইসিলেন। তার লেহার তীব্রতা সহ্য করার মতন হৃদয় আমাদের কোমল, পুতুপুতু, ধার্মিক তথা সাম্প্রদায়িক সংবেদনঅয়ালা বাঙালিদের এহনও হয় নাই(চাপাতির কোপ কি ব্যাডায় এম্নেই খাইছেন! হে হে) আপনে যেহেতু বইডা পড়সেন, কাজেই এট্টুক তো স্বীকার যাইবেন যে তার মূল উদ্দেশ্যরে বইডা খানিকডা হৈলেও পুরা কর্তে পারসে? লোকে কহনোই তার বই পড়ার ইচ্ছা হারায়নাই, প্রতিক্রিয়াশীলরা বাদে। যারা প্রিডিটারমাইন্ড কনসেপ্ট নিয়া আলোচনা পড়বো বা করবো তারা সাত কান্ড রামায়ণ পইড়াও সীতারে আব্বাহুজুর কইয়াই ডাকবো(পোস্টদাতা যার মোক্ষম উদাহরণ)।
কথাটা এই জন্যেই বললাম, কিছু নারীবাদী নারীদের মাথায় এরকম ধারণাই ঢোকাতে চাইছেন।
র্যাডিকাল ফেমিনিজম আমারো ভালা লাগেনা, তয় হরে দরে মোটা দাগে নারীবাদী(এইডাও কেমুন জানি শোভেনিস্টিক লাগে আমার!) রা কিন্তক একটা বিষয়ে সচেতন, আর সেইডা হইলো প্রেক্ষাপটের ভিত্তিতে পুরুষতান্ত্রিকতার সমালোচনা। এর তীব্রতা কিন্তক নির্মোহ, চরম নির্মোহভাবে কর্লেও আমাগো পোলাদের সহনমাত্রা ছাড়াইতে বাধ্য। কারণ আমরা ঐভাবে চিন্তা কইরা অভ্যস্ত না(হয়তো সক্ষমই না)। সবাই যে সবসময় যৌক্তিক তা নাও হইতারে, তয় এইরম আলুচনা-সমালুচনার দরকারাছে। নিজেরে মুক্ত না কইর্যা মাইনসে কহনোই অন্যেরে মুক্ত করতে পারেনা। আর এই মুক্তির জন্য নারীগো এইরম চিন্তার দরকারাছে- কারণ এর পরের ধাপই হইলো সার্বিকতা অর্থাৎ না নারী না পুরুষ, স্রেফ মানুষ।
আপনেরে ম্যালা ধইন্যা। আমার ব্লগে দাওয়াত থাকলো। ঘোরাঘুরি কইরা গেলে কৃতার্থ হই।
সবাই একই বৃত্তে ঘুরপাক খাচ্ছেন, বলে মনে হলো।
বেচারা হু আজাদ ভাবের ঠেলায় অনেককিছুই লখে ফেলতেন, আগপিছ বিবেচনা না করেই।
'নারী' তিনি দৃশ্যমানভাবেই পুরুষবাদী মনমানসিকতার উর্ধ্বে উঠতে পারেন নি। একটু ভাষাগত চাতুরির জন্য সেটি বুঝতে সামান্য দেরি হয়-এই আর কী!
তবে 'আমার অবিশ্বাস' বইটা পড়েছি। অনেক ভাল।
ভেগাবন্ড৬৯ বলেছেন:
এই ব্লগ, মন্তব্য সব কিছু মন দিয়ে পড়লাম।আমার মনে হয় সবাই হুমায়ুন আজাদ স্যারের বক্তব্যটা ভুল ব্যাখ্যা করেছেন।
...নারীর গর্ভধারণ একান্ত পাশবিক কাজ। নারীকে কি চিরকালই ধারণ ক'রে যেতে হবে গর্ভ, পালন ক'রে যেতে হবে পশুর ভূমিকা? গর্ভবতী নারী দেখতে অনেকটা গর্ভবতী পশুরই মতো, দৃশ্য হিশেবে গর্ভবতী নারী শোভন নয়, আর গর্ভধারণ নারীর জন্যে অত্যন্ত পীড়াদায়ক।..."
উনি এই কথা দ্বারা নারীর প্রতি প্রকৃতির অবিচার কে বুঝিয়েছেন। আমরা কোন ভাবেই অস্বীকার করতে পারি না যে, গর্ভধারণ অনেক কষ্টের কাজ। উনি কন ভাবেই নারীদের হেয় করেসেন বলে আমার মনে হই নি।
আজাদ স্যারের প্রসঙ্গেই অনেক ব্লগার ধরমের কথা নিয়ে এসেছেন। কোন ধর্ম নারী কে কতো মর্যাদা দিয়েছে জানি না। তবে শুনেছি যুদ্ধ বন্ধী নারী বা দাসী দের সাথে জর পূর্বক সঙ্গম কোন কোন ধর্ম পারমিট করে।
এখন আমি যদি শুধু মাত্র ইস্লামের একটা মাত্র স্টেটমেন্ট দিয়ে বলি "ইসলাম ধর্ম এক সাথে চারটা নারিকে ভোগের অনুমতি দেয়" এই জন্যে ইসলাম ধর্ম শুধু পুরুষ দের জন্য। তাহলে কি ঠিক হবে?
সো, সব কিছু না জেনে বা আংশিক জেনে মন্ত্যব করা কি সুবিবেচকের কাজ?
হুমায়ুন আজাদ অসম্ভব সুন্দর কিছু সাহিত্য সৃষ্টি করে গেছেন, এই কথা যারা অস্বীকার করে তাদের সাথে তরকে জাওয়াটা বুদ্ধিমানের মত কাজ হবে বলে মনে হই না। তারপরও যারা "আমাদের মা" কবিতা টা পড়েন নি তাদের জন্য দিলাম। এটাও কিন্তু হুমায়ুন আজাদের লেখা।
"আমাদের মা"
আমাদের মাকে আমরা বলতাম তুমি, বাবাকে আপনি।
আমাদের মা গরিব প্রজার মত দাঁড়াতো বাবার সামনে,
কথা বলতে গিয়ে কখনোই কথা শেষ ক’রে উঠতে পারতোনা।
আমাদের মাকে বাবার সামনে এমন তুচ্ছ দেখাতো যে
মাকে আপনি বলার কথা আমাদের কোনোদিন মনেই হয়নি।
আমাদের মা আমাদের থেকে বড় ছিলো, কিন্তু ছিলো আমাদের সমান।
আমাদের মা ছিলো আমাদের শ্রেনীর, আমাদের বর্ণের, আমাদের গোত্রের।
বাবা ছিলেন অনেকটা আল্লার মতো, তার জ্যোতি দেখলে আমরা সেজদা দিতাম
বাবা ছিলেন অনেকটা সিংহের মতো, তার গর্জনে আমরা কাঁপতে থাকতাম
বাবা ছিলেন অনেকটা আড়িয়াল বিলের প্রচন্ড চিলের মতো, তার ছায়া দেখলেই
মুরগির বাচ্চার মতো আমরা মায়ের ডানার নিচে লুকিয়ে পড়তাম।
ছায়া সরে গেলে আবার বের হয়ে আকাশ দেখতাম।
আমাদের মা ছিলো অশ্রুবিন্দু-দিনরাত টলমল করতো
আমাদের মা ছিলো বনফুলের পাপড়ি;-সারাদিন ঝরে ঝরে পড়তো,
আমাদের মা ছিলো ধানখেত-সোনা হয়ে দিকে দিকে বিছিয়ে থাকতো।
আমাদের মা ছিলো দুধভাত-তিন বেলা আমাদের পাতে ঘন হয়ে থাকতো।
আমাদের মা ছিলো ছোট্ট পুকুর-আমরা তাতে দিনরাত সাঁতার কাটতাম।
আমাদের মার কোনো ব্যক্তিগত জীবন ছিলো কিনা আমরা জানি না।
আমাদের মাকে আমি কখনো বাবার বাহুতে দেখি নি।
আমি জানি না মাকে জড়িয়ে ধরে বাবা কখনো চুমু খেয়েছেন কি না
চুমু খেলে মার ঠোঁট ওরকম শুকনো থাকতো না।
আমরা ছোট ছিলাম, কিন্তু বছর বছর আমরা বড় হতে থাকি,
আমাদের মা বড় ছিলো, কিন্তু বছর বছর মা ছোটো হতে থাকে।
ষষ্ঠ শ্রেনীতে পড়ার সময়ও আমি ভয় পেয়ে মাকে জড়িয়ে ধরতাম।
সপ্তম শ্রেনীতে ওঠার পর ভয় পেয়ে মা একদিন আমাকে জড়িয়ে ধরে।
আমাদের মা দিন দিন ছোটো হতে থাকে
আমাদের মা দিন দিন ভয় পেতে থাকে।
আমাদের মা আর বনফুলের পাপড়ি নয়, সারাদিন ঝরে ঝরে পড়েনা
আমাদের মা আর ধানখেত নয়, সোনা হয়ে বিছিয়ে থাকে না
আমাদের মা আর দুধভাত নয়, আমরা আর দুধভাত পছন্দ করিনা
আমাদের মা আর ছোট্ট পুকুর নয়, পুকুরে সাঁতার কাটতে আমরা কবে ভুলে গেছি।
কিন্তু আমাদের মা আজো অশ্রুবিন্দু, গ্রাম থেকে নগর পর্যন্ত
আমাদের মা আজো টলমল করে।
বিঃদ্রঃ বানানে অসংখ্য ভুল থাকতে পারে। আমি ফোনেটিক ইউজ করি।
এখন আমি অনেক বড় বলেছেন:
ফারজানা মাহবুবা বলেছেন: অংশবিশেষ নয়, পুরো বইটা পড়েই আমার অনেকবার মনে হয়েছে আমি নারী, এই আমাকে অপমান করা হয়েছে।সন্ধ্যা, পুরো বইটার উপর রিভিউ দাও।
হুমায়ুন আজাদের লজিক দিয়ে এন্টি লজিক দাও।
কষ্ট হবে, কিন্তু যেহেতু তুমি এখন পড়ছ, কাজটা করতে পারবে।
হুমায়ূন আজাদের লেখক সত্ত্বার প্রতি পূর্ন শ্রদ্ধা জানিয়েই জিজ্ঞেস করি,
তার স্ত্রী যখন তার সন্তান পেটে নিয়ে গর্ভবতী ছিলেন তখন কি তার স্ত্রীকেও তার গর্ভবতী পশুর মত মনে হয়েছিল?
অবলা পুরুষ বলেছেন:
"গর্ভধারণ পাশবিক কাজ!
গর্ভ ধারণ করা পশুর ভূমিকা!
গর্ভবতী নারী দেখতে গর্ভবতী পশুর মতো!"---হুমায়ুন আজাদ গর্ভধারণ-কে যদি এমন নজরে দেখে, তাহলে তো উনি কাউকে গর্ভবতী করার প্রশ্নই আসে না। কিন্ত যতদুর আমি জানি হুমায়ুন আজাদের স্ত্রীর ২টি সন্তান আছে। তবে তাদের পিতা কি হুমায়ুন আজাদ নয়!!!
অন্ধকার রাত বলেছেন:
হাত দ্বারা মুখ দিয়ে ভাত খেলে বান্দরের মতো লাগে। তাই আমাদের উচিত নিচে দিয়ে খাওয়া। পশুর মত লাগলে সমস্যা আছে, কিন্তু বানরের মতো লাগলে সমস্যা নাই, কারণ তারাতো আবার ডারউইন এর বাচ্চা বান্দর.................
ভাবসাধক বলেছেন:
গর্ভধারণকে পশুর ভূমিকা বলা শুধু পুরুষ হিসেবে অপরাধ না, 'মানুশ' হিসেবে অপরাধ!
বাংলাদেশ জিন্দাবাদ বলেছেন:
হুমায়ুন আজাদ অতিরিক্ত আবেগ প্রবণ ব্যাক্তি ছিলেন। তাই জোশে হুশ হারিয়ে ঐ মন্তব্য করেছিলেন.....
নিসঃঙ্গ শেরপা বলেছেন:
''আমাদের মা''- এই কবিতাটি প্রথমবার পড়ে মায়ের প্রতি যেরকম অনুভুতি অন্তত আমার হয়েছিল, 'মায়ের পায়ের নিচে সন্তানের বেহেশত'-এটা হাজার বার পড়েও তা হয়নি।আর,এই কবিতার স্রষ্টার প্রতি 'মাতৃত্তের অপমানকারীর' অভিযোগ তোলা
ৎায়ইাবুর বলেছেন:
সিহাব চৌ টাইপের যারা আছেন তাদের কাছে কিছু প্রশ্ন ছিলঃ১। হু আযাদ কোন সময় জন্ম নিলে ভালো হত বলে মনে করেন?
২। কিংবা তার এই থিওরী কখন প্রকাশ পেলে ভালো হত?
৩। আপনার কি আত্মসম্মানবোধ আছে?
৪। থাকলেও তা কি যথেষ্ট?
ভাইরে, কথায় কথায় ফ্রয়েড, আইন্সটাইন আর অমুক তমুক কে আনলেই জ্ঞানী হওয়া যায় না। যে সহজ কথা কে প্যাঁচ দিয়ে বোঝে সে জ্ঞানী না, আঁতেল।
shr বলেছেন:
হুমায়ুন আজাদের বাচ্চাগুলা মনে হয় তার বউ এর গর্ভে হয় নাই। কারণ উনি বোধহয় উনার বউকে পশু রুপে দেখতে ইচ্ছুক ছিলেন না..............উনার জন্ম কি উনার মার গর্ভে হয় নাই? না কি.................................? তার তো মনে হয় একটা মেয়েও আছে..........
তারেকমামু বলেছেন:
"উপরের মন্তব্য গুলো পড়ে মনে হচ্ছে, আমাদের স্যাররা বাংলার টিচার হয়েও হুমায়ুনকে বুঝেতেন না, কারণ তারা যে তার সমালোচক ! তারা সাহিত্য বুঝেন, কবি গুরু ও নজরুল বুঝেন কিন্তু হুমায়ুন বুঝার বয়েস তাদের এখনো হয়নি। তবে একটা কথা ঠিক, চটি বইয়ের ভাষাকে হুমায়ূনই প্রথম ভদ্রলোকের শেলফে তুলে দিতে পেরেছেন। চটি বইয়ের মতো এ বই লুকিয়ে পড়তে হয়না। ড্রয়িং রুমে বইগুলো থাকলে আভিজাত্য বাড়ে।সবার সামনে চটির উপাদানগুলোই বুদ্ধিজীবি বুদ্ধিজীবি ভাব নিয়ে পড়া যায়।"ভাই, বিয়াপক মজা পাইলাম....
তবে হু আযাদ কে বুঝার বয়স হয় নাই, এখনো......
সামহোয়্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...


















আপনার পোস্টে আমি মন্তব্য করি না।
আপনার কাঙাবনে মুড়ি খাওয়ার গল্প শুনায়ে নিজের ভালোমানুষি চরিত্র তৈরি কৈরার পর,
গোলাম আযমকে মহান নেতা বলা আর হুমায়ুন আজাদের লেখার অংশবিশেষ তুলে দিয়ে বিভ্রান্তি তৈরির যে চেষ্টা, তাতে আমি অবাক হই না।
কারণ আপনাদের চরিত্র এইরকমই। তাই আপনাদের জামাতীদের পোস্ট দেখলে আমি বেসিনে গিয়ে থুথু ফেলে আসি।
কিন্তু, আজ মন্তব্য করলাম, কারণ হুমায়ুন আজাদ।
হুমায়ুন আজাদ বোঝার মতো বুদ্ধি সবার থাকেনা।
প্লিজ, অংশবিশেষ তুলে দিয়ে বিভ্রান্তি তৈরি করে হুমায়ুন আজাদ কে অপমান করার চেষ্টা করবেন না।