অনুসন্ধান:
cannot see bangla? সাধারণ প্রশ্ন উত্তর বাংলা লেখা শিখুন আপনার সমস্যা জানান ব্লগ ব্যাবহারের শর্তাবলী

আমার লিঙ্কস

আমার প্রিয় পোস্ট

জীবন গঠনে নিজেস্ব প্রতিক্রিয়ার দায় বেশি, ঘটে যাওয়া ঘটনার ভূমিকা সামান্য।

ডিসেনসিটাইজেশন, সমকামিতা আর পেডোফিলিয়া

১৫ ই এপ্রিল, ২০১০ সকাল ৮:৫১ |

শেয়ারঃ
0 0

ফোবিয়া হচ্ছে যখন কারও স্বাভাবিক কোন কিছু সম্পর্কে অস্বাভাবিক পরিমান ভয় থাকে। উচ্চতা, মাকড়শা, সাপ, বদ্ধঘর এগুলোকে হয়তো অনেকে অপছন্দ করেন, কিন্তু যাদের ফোবিয়া থাকে, তারা বদ্ধঘরে অক্সিজেনের অভাব হওয়ার আগেই শ্বাসরুদ্ধ হয়ে জ্ঞান হারিয়ে ফেলেন, সামান্য উচ্চতাতেই হাত পা কাপাকাপি শুরু করে দেন, ছোট, নিরীহ প্রকৃতির মাকড়শা দেখেও ভয়ে জমে যান। ফোবিয়া দূর করার জন্য মনোবিজ্ঞানীরা বেশ কয়েকটা ভিন্ন পথে আগান, যার একটা হচ্ছে 'এক্সপোজার থেরাপী'। যার উচ্চতার ভয়, তাকে প্রথমে এক তলা, তারপর দো'তালা, তারপর আরেকটু উঁচু জায়গায় নিয়ে আস্তে আস্তে বুঝতে দেয়া যে উঁচুতে উঠলেও আসলে কিছু হয় না, জিনিসটা খুবই স্বাভাবিক। এই যে আস্তে আস্তে এক্সপোজ করে অস্বাভাবিক একটা ভয়কে স্বাভাবিক করে আনা হয়, একে বলা হয় 'ডিসেনসিটাইজেশন'।

ডিসেনসিটাইজেশন যেমন মানসিক অসুস্থতা সারাতে থেরাপি হিসেব কাজ করে, তেমনি ভিন্ন ধরণের ডিসেনসিটাইজেশন সুস্থ মানুষকেও মানসিক ভাবে অসুস্থ করে দিতে পারে। এই ডিসেনসিটাইজেশন প্রক্রিয়া ব্যবহার করে আর্মিকে ট্রেইনিং দেয়া হয়। যেই ছেলেটা মাত্র আর্মিতে ঢুকেছে, তার হাতেই চাবুক তুলে দিলে সে ইন্টারোগেশনের সময় সেটা ব্যবহার করতেই পারবে না। তাই আমেরিকানরা একটা দারুণ পদ্ধতি আবিষ্কার করেছিল। আর্মিতে আসা নতুনদের ইন্টারোগেশন রুমের দরজার বাইরে দাঁড় করিয়ে রাখতো, ভিতরে সিনিয়ররা ঝাল মিটিয়ে রক্তারক্তি করে ইন্টারোগেইট করতো। বাইরে বসে থাকা নতুনেরা শুধু সেটা শুনতো। পরের দিন, শোনার পাশাপাশি, বাইরে থেকেই দেখার ব্যবস্থা হয়ে যেত। এরপর যখন ওদের হাতে চাবুক তুলে দেয়া হতো, তখন ওরা খুব সহজেই রক্তারক্তি করতে পারত।

রিসার্চে দেখা গিয়েছে যেসব শিশুরা এমন ভিডিও গেইম খেলে যেখানে মারামারি, রক্তারক্তি বেশি, সেই সব শিশুরা আস্তে আস্তে সেগুলোকে স্বাভাবিক বলে ধরে নেয়। তখন খেলার মাঠে কাউকে পছন্দ না হলে ঘুষি দিয়ে নাক ফাটিয়ে দেয়া তার কাছে কেবল স্বাভাবিকই মনে হয় না, উচিত বলে মনে হয়।

একটা সময় ছিল, খুব বেশি আগে না, একশ-দেড়শ বছর আগেই বিয়ের আগে প্রমিকার হাত ধরতে পারাই ছিল বিরাট ব্যাপার। জেইন অস্টেনের 'এমা' পড়তে গিয়ে চমকে উঠেছিলাম, যখন পড়লাম মিস্টার এলটন ঘোড়ার গাড়িতে 'মেইড ভায়োলেন্ট লাভ টু এমা'। পরে টিচার বুঝিয়ে দিলেন, মিস্টার এলটন জেইনের হাত ধরে প্রেম নিবেদন করেছিল। মাত্র দেড়শ বছরেই মেইকিং ভায়োলেন্ট লাভের সংজ্ঞায় অস্বাভাবিক রকমের পরিবর্তন। উদাহরন দিলাম জেইন অস্টেনের, সেটা মনে আছে বলে, কিন্তু মাত্র একশ বছর আগের শরৎচন্দ্রের সাহিত্যেও থীমটা ওরকমই। মুসলিম সাহিত্যিকদের সাহিত্যে তো ব্যাপারগুলো আরও সিরিয়াস ছিল।

মাত্র একশ বছরে পৃথিবীর কি ভীষণ পরিবর্তন। এর কিছু কিছু হয়তো দরকার ছিল, কিন্তু মানুষ সীমারেখাগুলো ধাক্কা দিয়ে সরাতে সরাতে এখন এমন অবস্থায় এসে পড়েছে যে সীমারেখাগুলো এখন কনফিউজিং।

যেই বাবা মায়েরা বিয়ের আগে হাত ধরার অধিকার নিয়ে যুদ্ধ করেছিল, তারা হঠাৎ করে টের পেল, তাদের ছেলেমেয়েরা বিয়ের আগে সঙ্গী/সঙ্গিনীর পুরাটুকুই উপভোগ করার অধিকার চায়। আর যেই বাবামায়েরা বিয়ের আগে সঙ্গী সঙ্গিনীর পুরাটুকুই উপভোগ করেছিল, তারা হঠাৎ টের পেল, তাদের ছেলেমেয়েরা আর বিপরীত লিঙ্গের প্রতি আগ্রহী নয়।

এই সামাজিক আন্দোলনগুলো খুব কাছাকাছি হয়েছে। যেহেতু এই সীমারেখা নির্ধারনের একমাত্র একক ছিল মানুষের গণমত, সে জন্য মানুষের গণমত বদলানোর সাথে সাথে এই সীমারেখাগুলো বদলানো কেবল সময়ের ব্যাপার।

সমকামিতার ইতিহাস খুবই ইন্টারেস্টিং। আর একশ বছর আগেও সমকামিতা যে কি জিনিস, এবং সুস্থ স্বাভাবিক মানুষ যে এরকম করতে পারে, সেটা সাধারন মানুষেরা চিন্তাও করতে পারতো না। এই শতাব্দীর মাঝামাঝি সময় সমকামিতা নিয়ে একটু একটু লেখালেখি শুরু হলো, এবং সেটা থামলো না। আস্তে আস্তে সমকামীদের আন্দোলনের জন্য সমকামিতার যেটা আমার কাছে সবচেয়ে ইন্টারেস্টিং লাগে সেটা হচ্ছে, ১৯৯০ সাল পর্যন্ত সমকামিতা মনোবিজ্ঞানীদের জন্য তৈরি করা মানসিক অসুস্থতার লিস্ট আইসিডি-৯ এ ছিল, অর্থ্যাৎ ১৯৯০ সাল পর্যন্ত, মাত্র ২০ বছর আগ পর্যন্ত সমকামিতাকে মানসিক অসুস্থতা হিসেবে গণ্য করা হতো। এরপর ক্লাসিফিকেশনটা বদলানো হয়েছে গণমতের চাপে পড়ে।

এরপরে শুরু হলো অদ্ভূত সব ব্যাপার। মানুষ বিয়ে করে, ২/৩ বাচ্চার বাবা মা হয়ে হঠাৎ করে বলা শুরু করলো, এখন আর সে নিজের স্বামী/স্ত্রীর প্রতি আগ্রহ নয়, তার সমকামিতার আগ্রহ হচ্ছে। এরকম খবর এখনও পর্যন্ত পত্রিকায় আসছে প্রায়েই, তাই গুগল সার্চ করলেই পাবেন অনেক খবর। সমকামিতা থেকে সমস্ত ট্যাবু উঠানোর আইনী ব্যবস্থা নেয়া হলো। ১৯৮০ সালের আমেরিকাতেও মাত্র ৩৪% মানুষ ভাবতো, সমকামিতা (নিজের জন্য না হলেও অন্য মানুষের ব্যক্তিগত জীবনে) গ্রহনযোগ্য একটা জীবন পদ্ধতি। এখন সংখ্যাটা আরও অনেক বড়। এখন সমকামিতার কনফেশন মোটামোটি একটা ফ্যাশন হয়ে দাঁড়াচ্ছে।

এত কথা বলার কারণ সমকামিতা নিয়ে কথা বলা না, যৌনতা নিয়ে আমাদের সামগ্রিক ডিসেনসিটাইজেশন নিয়ে বলা। কখনও ভেবেছেন, আমরা নিজেরাই যেই সীমারেখা নিজ হাতে দূরে ঠেলছি, বড় করছি, এর পরিনতি কোথায়, শেষ কোথায়?

চিন্তাগুলো আসলো, চার্চের শিশু যৌন নির্যাতনের খবরগুলো পড়তে গিয়ে। পেডোফিলিয়া জিনিসটা এত জঘন্য, যে আমি খবরগুলো প্রথম দিকে এড়িয়ে চলছিলাম। এখন দেখলাম, ইস্যুটা পোপ পর্যন্ত পৌঁছে গিয়েছে, তাই পড়তে পড়তে বেশ কিছু উদ্ভট খবরের মুখোমুখি হলাম। যার একটা হচ্ছে , ২০০৩ সালে আমেরিকান সাইকিয়াট্রিক এসোসিয়েশনের বাৎসরিক সম্মেলনে আমেরিকার বড় সড় মনোবিজ্ঞানীদের মধ্যে বেশ এক পরশ বিতর্ক হয়ে গিয়েছে, 'পেডোফিলিয়া' কে কি মানসিক অসুস্থতা হিসেবে রাখা হবে, নাকি হবে না, সেই নিয়ে। আমি খবরটা পড়ে কিছুক্ষন থ' মেরে বসে থাকলাম। এও সত্যি হতে পারে! পেডোফিলিয়া, ছোট ছোট নিষ্পাপ শিশুদের উপর যৌন নির্যাতন মানসিক অসুস্থতা নাকি সুস্থতা, সেটা নিয়েও মানুষ 'বিতর্ক' করতে পারে? এটা কি সত্যিই সম্ভব? চোখের সামনে ভেসে উঠলো অসংখ্য খবর, বেশ কিছু মানুষের ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতা, কখনও নিজের বাবা, কখনও চকলেটের লোভ দেখিয়ে প্রতিবেশী, কখনও চার্চের প্রিস্ট, নিষ্পাপ শিশুদের টলটলের মনের সুযোগ নিয়ে সারা জীবনের জন্য ক্ষত সৃষ্টি করে দেয় ওদের মনে। একদিনের অল্প কিছু সময়ের জন্য এক এক জন মানুষের সারা জীবন বদলে গিয়েছে। হয় তারা নিজেরাই অসুস্থ হয়ে গিয়েছে, না হলে অস্বাভাবিক সব ফোবিয়ায় ভুগেছে। এই পেডোফিলিয়া মানসিক অসুস্থতা কি না, সেটাও বিতর্কের বিষয় হতে পারে?


তারপর মনে হলো, এটা হয়তো শুরু। ঠিক যেভাবে সমকামিতার আন্দোলন শুরু হয়েছিল, এখনও বোধ হয় তাই হচ্ছে...

খুব ভয় হলো আমার, আমরা কি ভয়ংকর একটা পৃথিবী তৈরি করছি আমাদের পরবর্তী প্রজন্মের জন্য, যেখানে ওভার এক্সপোজারের জন্য অসুস্থ একদল চরম ডিসেনসিটাইজড মানুষ থাকবে কেবল, যাদের কাছে কোন সীমারেখাই অর্থবহ হবে না, কোন বিকৃতিই আর বিকৃতি থাকবে না...

 

সর্বশেষ এডিট : ১৫ ই এপ্রিল, ২০১০ সকাল ৮:৫১ | বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...

 


৩৯টি মন্তব্য

১. ১৫ ই এপ্রিল, ২০১০ সকাল ৯:০০

দেবজিত বলেছেন: টেনশনে আছি।

২. ১৫ ই এপ্রিল, ২০১০ সকাল ৯:০৫

ট্রয়লাস অফ দ্য সী বলেছেন: যুগটা ডিজুস হয়ে গেছে।

৩. ১৫ ই এপ্রিল, ২০১০ সকাল ৯:১৫

তিক্ত প্রাণ বলেছেন: ++++++++++

৪. ১৫ ই এপ্রিল, ২০১০ সকাল ৯:৫৬

কঠিনলজিক বলেছেন: একজন "ডিসেনসিটাইজেশন্ড" অলরেডি মাইনাস দিয়ে আপনার লেখার সার্থকতা ও বাস্তবতা বুঝিয়ে দিয়ে গিয়েছে।
মেন্টালি আমরা ওনেকটা "ডিসেনসিটাইজেশন্ড" হয়ে গিয়েছি অলরেডি, ৫০% ক্রস করার আগে মরে গেলেই বেচে যাই।

অতি শিঘ্রই হয়তো দেখতে হবে এ জাতীয় বেক ডেটেড চিন্তা চেতনা জাতীয় পোস্ট দেওয়ার বৈধতা নিয়ে বিতর্ক হবে।

আমাদের অনেক দূর যেতে হবে ,আরো সেক্যুলার হতে হবে, ধর্মমুক্ত চিন্তা ও চেতনা ধারণ করতে হবে ইত্যাদি।

৫. ১৫ ই এপ্রিল, ২০১০ সকাল ১০:১৭

মেরিনার বলেছেন: +++
এর একমাত্র solution আল্লাহর বিধানের কাছে আত্মসমর্পণ! মূলত আল্লাহর সৃষ্টিকে পরির্বতন/temper করতে চেয়েই মাত্র ৫০ বছরে পৃথিবীতে এত পরিবর্তন ঘটে গেছে।
এই পর্যায়ের সবচেয়ে বড়/খারাপ পদক্ষেপ ছিল contraceptive pill-এর introduction।

৬. ১৫ ই এপ্রিল, ২০১০ সকাল ১০:২৭

ফেরা বলেছেন: ++++++
অসাধারণ....

৭. ১৫ ই এপ্রিল, ২০১০ সকাল ১১:৫৯

সততা বলেছেন: এখন পর্যন্ত পেডোফিলিয়া "psychological disorder" সমকামিতা তা নয়। 'উন্নত বিশ্বের' মনোবিজ্ঞানীদের ক্রেডিবিলিটিকে এক লাইনে "এরপর ক্লাসিফিকেশনটা বদলানো হয়েছে গণমতের চাপে পড়ে" বলে উড়িয়ে দেয়ার প্রবনতার মাঝে নিজেস্ব বায়াসের প্রভাব বেশী বলে পাঠকের মনে হতে পারে।

"জনমতের চাপে" পরে একদল শিক্ষিত মনোবিজ্ঞানী এরকম সি্দ্ধান্ত নিয়ে থাকলে সেটার সপক্ষে প্রমান থাকাটাও জরুরী।

পেডোফিলিয়াতে শিশুদের এবিউস করা হয়, হোমোসেক্সুয়ালিটিতে বিষয়টা কনসেন্সুয়াল। আর কোনটা মানসিক রোগের লক্ষন কোনটা নয় সে বিষয়ে মনোবিজ্ঞানী "আলেমদের" কথাই শিরোধার্য হওয়া উচিৎ যেমনটি ধর্মীয় আলেমদের ক্ষেত্রে হয়। কোনটাই প্রশ্নের উর্ধে নয় যদিও!

ডিফরেন্ট নোটে ২ টা ভিডিও দেখেন। এবিসি অস্ট্রেলিায়ার হাংরি বিস্টের ২ টা ক্লিপ

Click This Link

Click This Link


ভাবনার খোরাক: http://www.youtube.com/watch?v=CuQHSKLXu2c

১৭ ই এপ্রিল, ২০১০ ভোর ৫:৪৮

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ ক্রিটিক্যাল মন্তব্যের জন্য।

মনোবিজ্ঞানীরা গণমতের চাপে পড়ে সমকামিতাকে মানসিক অসুস্থতার লিস্ট থেকে সরিয়েছে সেটা বিশ্বাস করতে কষ্ট হচ্ছে? সাইকোলজি ফার্স্ট ইয়ারের পাঠ্যবইয়ের কথা মনে আছে, সেখানে জ্ঞানের বিকাশে লবি গ্রুপের প্রয়োজনীয়তা বুঝাতে গিয়ে এই উদাহরনটা দেয়া ছিল। লবী গ্রুপগুলো চেষ্টা না করলে মানসিক অসুস্থতার লিস্ট থেকে সমকামিতা সরতো না।

সরানোর পক্ষে একটা বড় যুক্তি ছিল, সমকামিতা আসলে শরীরের উপর নির্ভর করে। সমকামীদের মস্তিষ্কের কিছু ব্যাপার স্যাপার আলাদা, যে কারণে ওদের নিজেদের উপর কন্ট্রোল কম।

এই যুক্তিটা আমার নিজের কাছে সমকামিতাকে 'মানসিক অসুস্থতা' হিসেবে গণ্য না করার জন্য খুবই খোঁড়া যুক্তি মনে হয়। কেন জানেন? কোন বাচ্চা জরায়ুতে থাকা অবস্থায় যদি মায়ের ডিপ্রেশন থাকে, অবেসিটি থাকে, ডায়বেটিস থাকে, কিংবা, প্রথম জীবনের কিছু ঘটনার ঘটে, তাতে তার সেই রোগগুলোর 'রিস্ক' আর প্রবনতা বেড়ে যায়। এখন এই যে মানুষগুলো, নিজেদের দোষে না, প্রকৃতির দোষে অবিস, প্রকৃতির দোষে ডিপ্রেসড, প্রকৃতির দোষে ডায়বেটিক, তাহলে কি অবেসিটি, ডিপ্রেশন আর ডায়বেটিসকে রোগ বলা যাবে না?

এই সমস্ত যুক্তিতে এখনও কিছু মনোবিজ্ঞানী সমকামিতাকে রোগ বলে মনে করেন, কিন্তু সেই চিন্তাধারাটা পপুলার না।

ভিডিওগুলো দেখেছি। প্রথম দুইটা দুই রকম। :) ভাবনার খোরাক, কিন্তু আমার ভাবনাগুলো হয়তো আপনার ভালো লাগবে না।

ব্ল্যাংক স্লেইটের ভিডিওটা পুরাপুরি দেখিনি, একটু দেখলাম, তবে বইটা সম্পর্কে অল্প স্বল্প জানা।

১৭ ই এপ্রিল, ২০১০ ভোর ৫:৫২

লেখক বলেছেন: পেডোফিলিয়ায় শিশুদের এবিউজ করা হয়.... এই এবিউজের ব্যাপারটা কিন্তু মনোবিজ্ঞানীরা দেখবে না, এবিউজড হলে সেটা পুলিশের দেখার ব্যাপার। মনোবিজ্ঞানীরা যেটা আর্গু করবে সেটা হচ্ছে, এটা অসুস্থতা নাকি সুস্থতা।

আর কিছু মনোবিজ্ঞানী আছেন, ফ্রয়েডের পরে এসেছেন কিন্তু ফ্রয়েডের চিন্তাধারার কট্টর সমর্থক, তারা মনে করেন শিশুদেরও যৌন চেতনা আছে। এই জন্যই সব কিছু মনোবিজ্ঞানীদের আলেমদের হাতে ছেড়ে দিতে আমার ভয় লাগে :)

৮. ১৫ ই এপ্রিল, ২০১০ দুপুর ১২:০৫

হাসিব মীর বলেছেন: আমরা কি ভয়ংকর একটা পৃথিবী তৈরি করছি আমাদের পরবর্তী প্রজন্মের জন্য, যেখানে ওভার এক্সপোজারের জন্য অসুস্থ একদল চরম ডিসেনসিটাইজড মানুষ থাকবে কেবল, যাদের কাছে কোন সীমারেখাই অর্থবহ হবে না, কোন বিকৃতিই আর বিকৃতি থাকবে না...?
হ্যা যাচ্ছি। এবং ভয়ঙ্কর গতিতেই যাচ্ছি। এই সীমারেখা ভাঙ্গার একটা গালভরা নাম ও দিয়েছি আমরা। আধুনিকতা/প্রগতিশীলতা।
এই জোয়ারে ভেসে আমরা কোথায় যাচ্ছি তা দেখতে আমাদের নিজেদের সমাজে চোখ দিলেই হয়। ইয়াবা কালচার, কিশোর অপরাধ, আত্যহত্যা, খুন, ধর্ষন সব কিছুই তো সময়ের সাথে পাল্লা দিয়ে এগিয়ে চলছে। ভালই লাগে ভাবতে সভ্যতা এগিয়ে চলছে।

৯. ১৫ ই এপ্রিল, ২০১০ দুপুর ১২:২৫

দি ফিউরিয়াস ওয়ান বলেছেন: যুক্তির অনেক ফাঁক আছে বলেই মনে হল। ডিসেনসিটাইজেশন আর নৈতিকতাবোধের বিবর্তন এককথা নয়। আপনার লেখায় সমকামিতার জায়গায় "বর্ণবাদ-মুক্ততা আর ভিন্ন বর্ণে বৈবাহিক সম্পর্ক স্ভাভাবিকীকরণ" বসিয়ে দেখুন, হুবহু মিলে যাবে আপনার দেখানো যুক্তিতে।

১৭ ই এপ্রিল, ২০১০ ভোর ৬:০০

লেখক বলেছেন: নৈতিকতাবোধের বিবর্তন একটা ভিন্ন বিতর্ক। আমি নৈতিকতাবোধ নিয়ে বলি নি, বলতে চেয়েছি জাতিগতভাবে যৌনতার ক্ষেত্রে আমাদের সামগ্রিক ডিসেনসিটাইজেশন। এখন টম এন্ড জেরিতেও সেকচুয়াল কনোটেশন থাকে। ছোট বেলা থেকেই ডিসেনসিটাইজেশনটা শুরু হয়, যার কারণে ২০০ বছর আগে হাত ধরেই যেখানে সুখ পেত, এখন ব্যাপারটা এত সাধারন, যে এই সুখ দিতে আরও অনেক কিছু দরকার। এটা নৈতিকতাবোধের বিবর্তনের চেয়ে আলাদা। ছোট বাচ্চারা টিভিতে মারধোর দেখে বড় হলে সেটা ভালো না খারাপ, নৈতিক দিকের আলোচনার জন্য ইনএভিটেবলি আপনাকে ভাবতে হবে--তার কাছে যে মারামারিটা নরমালাইজড হয়ে যাচ্ছে সেটা, সে যে সেগুলার প্রতি ডিসেনসিটাইজড হয়ে যাচ্ছে... একটা মানুষ যখন তার গন্ডির ভিতরের সব কিছু এক্সপ্লোর করে ফেলে, তখন তার সুখ নেয়ার জন্য গন্ডির বাইরে বের হতে হয়, কারণ তার ডিসেনসিটাইজেশন হয়ে যায়... সেটাই বলতে চাচ্ছিলাম।

১৭ ই এপ্রিল, ২০১০ ভোর ৬:০৩

লেখক বলেছেন: নৈতিকতার বিবর্তন একই প্রক্রিয়ায় হয়, কিন্তু নৈতিকতার বিবর্তন সব সময় খারাপ না, কিন্তু ডিসেনসিটাইজেশন খারাপ। এখনকার বাচ্চাদের মুখে সবচেয়ে বেশি যেই শব্দটা শুনবেন সেটা হচ্ছে 'বোরড'।

১০. ১৫ ই এপ্রিল, ২০১০ দুপুর ১:০৮

ডিজিটালভূত বলেছেন: ভাল লাগল। চিন্তার আছে অনেক কিছু।
আপনি কি মনোবিজ্ঞান নিয়ে পড়াশুনা করেন?

১৭ ই এপ্রিল, ২০১০ ভোর ৬:০০

লেখক বলেছেন: না

১১. ১৫ ই এপ্রিল, ২০১০ দুপুর ১:৪০

সুরঞ্জনা বলেছেন: +++

১২. ১৫ ই এপ্রিল, ২০১০ দুপুর ২:১০

সততা বলেছেন: প্রথম লিংকটির ঠিকানা পরিবর্তিত হয়েছে

Click This Link

১৩. ১৫ ই এপ্রিল, ২০১০ বিকাল ৪:৫১

নীল বেদনা বলেছেন:
ধন্যবাদ। চিন্তার অনেক খোরাক পেলাম। আমাদের দেশেও এই ডিসেনসিটাইজেশন প্রকৃয়া বেশ জোরেশোরেই চলছে। শুধু সমকামিতা নিয়ে নয়! নিজস্ব কৃষ্টি কালচারের বিপরীত অনেক কিছু নিয়েই।

১৪. ১৫ ই এপ্রিল, ২০১০ সন্ধ্যা ৬:২৮

অদৃশ্য আলোক বলেছেন: পরবর্তী প্রজন্ম কি করবে, সেটা পরবর্তী প্রজন্মের উপরই ছেড়ে দিন। আমরা যখন বুড়ো হয়ে যাবো, তখন পরবর্তী প্রজন্মের উপর আমাদের মাতবরি না করলেও চলবে।

১৫. ১৬ ই এপ্রিল, ২০১০ ভোর ৫:৪৮

১৭ ই এপ্রিল, ২০১০ ভোর ৬:০১

লেখক বলেছেন: দেখেছি, ওটার ব্যাপারে আমার চিন্তা ৭ নম্বর কমেন্টের জবাবে লিখেছিলাম।

১৬. ১৭ ই এপ্রিল, ২০১০ ভোর ৬:৩৪

জাতি জানতে চায় বলেছেন: আলফ্রেড কিনসের মত মানুষিক রোগী যখন নিজেই মানুষিক আচরন নিয়া গবেষনা করেন, তখন মানসিক রোগ গুলি রোগ না থেকে স্বভাবিক আচরন পরিগনিত হয়! দারুন পোস্টের জন্য ধন্যবাদ!

১৭. ১৭ ই এপ্রিল, ২০১০ সন্ধ্যা ৭:৪৮

সততা বলেছেন: ধন্যবাদ কিছু পয়েন্ট তুলে ধরেছেন

১। লবী গ্রুপ: লবী গ্রুপের প্রভাব থাকার 'সম্ভাবনা' অস্বীকার করছি না। 'মূলধারা' তৈরী হবার পেছনে লবী গ্রুপের প্রেশার-এর ম্যগনিচিউড জানতে চাচ্ছি (সূত্র/প্রমাণ)। সোশিও-ইকোনোমিকাল প্রক্ষাপটে সমকামী প্রেশার গ্রুপকে খুব শক্তিশালী বলে মনে হয়?

২। মনোবিজ্ঞানীর কাজ নৈতিকতা নিয়ে নয়: কথা সত্য।

৩। সেনিটাইজেশন জিনিষটাও খুব উপকারী নয়: 'সেনিটাইজড বাস্তবতা'র চিত্র খুব একটা সুবিধার মনে হচ্ছে না। শুধু দেখছি উগান্ডা /মিশর/বাংলাদেশের অপ্রেস্ড একদল মানুষদের। সেনিটাইজড চশমা লাগিয়ে এর থেকে ভালো কোনো চিত্র আঁকতে পারবেন?


তারিক রামাদান এ প্রশ্ন করা হয় । When questioned about his statements pertaining to homosexuals being anathema in Islamic law and how the Muslim world is being forced to accept homosexuality in order to appear politically correct and more Westernized, Ramadan deftly skirted the question by figuratively tipping his hat to “political correctness” by saying ”this is how Muslims perceive the world is viewing them, not how they perceive themselves. You can disagree with someone being gay but we should respect that person and not tell him or her that they are not a Muslim because of this.”

লবী গ্রুপ অনেকটাই সফল নাকি?

১৯ শে এপ্রিল, ২০১০ সকাল ৭:২৬

লেখক বলেছেন: ১. আমি ম্যাগনিচ্যুড নিয়ে কোন রিসার্চ করি নি, তবে নব্বইয়ের দশক থেকে এখনের লিটারেচার আর মিডিয়ায় সমকামিতার স্যাচুরেশন দেখে মনে হয় না ম্যাগনিচ্যুডটা ছোট। গত বছর আমেরিকার একজন মডেল সমকামিতা নিয়ে টিভিতে একটা নেগেটিভ মন্তব্য করে ভীষণ রকমের ঝামেলায় পড়েছিল।

২.

৩. হ্যা, লবী গ্রুপ সফল, কারণ আর একশ বছর আগেও মুসলিম সমাজে এই প্রশ্নগুলো শোনা যায় নি। গত চোদ্দশ বছরের ইতিহাসে আপনি ইসলামের কোন ইমামকে পাবেন না যারা সমকামিতাকে জাস্টিফাই করার চেষ্টা করছে, এখন মুসলিমদের মধ্যেও (যদিও খুব ক্ষুদ্র একটা জনগোষ্ঠী) সেই আন্দোলনটা শুরু করার চেষ্টা করছে... এটা এই সেনসিটাইজেশনরই ফল।

ইমামের বক্তব্য সম্পর্কে: চিন্তা করুন একজন স্কিজোফ্রেনিক ভাবছে পাশের বাসার ছোট ছেলেটা আসলে মঙ্গল গ্রহ থেকে আসা একটা এলিয়েন, সে এসেছে পৃথিবী ধ্বংস করার মিশনে। তাই সেই স্কিজোফ্রেনিক আপনার সাহায্য চাচ্ছে ছোট ছেলেটাকে হত্যা করে পৃথিবীকে বাঁচাতে। স্কিজোফ্রেনিক ছেলেটাকে সাহায্য না করলে সে খুবই 'কষ্ট' পাবে। তাকে বিশ্বাস না করলেও সে কষ্ট পাবে। ইমামের বক্তব্য অনুযায়ী তাকে অবিশ্বাস করে তাকে সাহায্য না করে আপনি আল্লাহর চোখে পৃথিবীর সবচেয়ে বড় অন্যায় করছেন।

১৮. ১৭ ই এপ্রিল, ২০১০ সন্ধ্যা ৭:৫৩

সততা বলেছেন: দু:খিত সেনসিটাইজড হবি সেনিটাইজড-এর বদলে

১৯. ১৭ ই এপ্রিল, ২০১০ রাত ৮:৫১

সততা বলেছেন: এই ভিডিও পেডোফিলিয়া ডিসেনসিটাইজড করতে সাহায্য করবে। এটারও দরকার আছে।

২০. ১৮ ই এপ্রিল, ২০১০ সন্ধ্যা ৭:৪০

মেরিনার বলেছেন: আমার ব্লগে আমার একটা লেখা:

www.somewhereinblog.net/blog/mariner77/29125020

এর উপর মন্তব্য করতে গিয়ে-

রাত্রি২০১০ বলেছেন: আপনার বক্তব্যের সাথে আমি একমত হতে পারছিনা।
আমরা যারা প্রকৃতিগত ভাবে বিপরীত লিঙ্গের প্রতি আকৃষ্ট তাদের জন্য আপনার মন্তব্য সঠিক। কিন্ত যারা সমকামী বা উভয় লিঙ্গের প্রতি একইভাবে প্রকৃতি গত ভাবে আকৃষ্ট তারা দ্বিমত পোষণ করবেন। আল্লাহ তাদেরও সৃষ্টি করেছেন। তাদের ভালবাসার অধিকার আমার থেকে কোন অংশে কম নয়। কাউকে ঘৃণা করাটাই অনুচিত একটা কাজ- বিশেষতঃ ঘৃণার কারন যদি প্রকৃতি প্রদত্ত হয়ে থাকে।



আমার জবাব ছিল এরকম:

লেখক বলেছেন: আমার বক্তব্যে সমকামীদের কোন প্রসঙ্গই আসেনি। বিপরীত লিঙ্গের প্রতি আকৃষ্ট হওয়াটাই মানুষের জন্য natural এবং norm। আমি সেই দৃষ্টিভঙ্গী থেকেই কথা গুলো বলেছি - সমকামিতা হচ্ছে exception। আর এটা সর্বজনবিদিত যে: exception can not be norm, standard or example।

যদিও ব্লগের মন্তব্যের এই অতি ক্ষুদ্র পরিসরে, আপনার উক্তি নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করার অবকাশ নেই, তবু, আপনি যখন প্রসঙ্গটা আনলেন তখন বলছি যে আমাদের পৃথিবীর সমকামিতার সিংহভাগই "প্রকৃতি প্রদত্ত" নয় বরং induced বা আমাদের হাতে তৈরী - এর পিছনে রয়েছে মানুষ কর্তৃক আল্লাহর সৃষ্টির পরিবর্তন। প্রণীকুলে কখনো দেখেছেন যে, একটা মোরগ আরেকটা মোরগকে তাড়া করে তার উপর mounted হচ্ছে? অথবা একটা ষাঁড় আরেকটা ষাঁড়ের উপর?? মানুষের ব্যাপারটাও এরকমই ছিল/আছে/থাকবে যতক্ষণ না মানুষ আল্লাহর সৃষ্টির পরিবর্তন করেছে/করছে/করবে এবং সেই প্রক্রিয়ায় বিকৃতির জন্ম দিয়েছে/দিচ্ছে/দেবে।

মানুষ হাতের পাঁচটা পাঁচটা দশটা আঙ্গুল নিয়ে জন্মায় - এটাই স্বাভাবিক। কিন্তু ধরুন, একটা অত্যন্ত প্রকৃতিবান্ধব aboriginal সমাজ - যেখানে কেউ কখনো "আল্লাহর সৃষ্টির পরিবর্তন করে নি" - সেখানেও দেখা গেল একটি শিশু হাতের ১১ টা আঙ্গুল নিয়ে জন্মগ্রহণ করেছে। এখানে মানুষের কোন ভূমিকা নয় জেনে ব্যাপারটাকে "প্রকৃতি প্রদত্ত" বলা যেতে পারে। ঐ একই অবস্থায় যদি কেউ সমকামী হয়ে জন্মায়, তখন তার ব্যাপারটা "প্রকৃতি প্রদত্ত" বলা যেতে পারে। কিন্তু বর্তমান পৃথিবীর বিকৃতি ও বিকৃত-যৌনাচার সমকামিতা - একটা induced, engineered এবং politically promoted/motivated বিষয়। তা না হলে, ব্যাপারটা natural হলে, রবীন্দ্রনাথ, নজরুল বা জীবনান্দ দাশের যে শত সহস্র প্রেমের কবিতা/গল্প/গান রয়েছে তাতে considerable amount of "gay literature" থাকতো! কিন্তু তা নেই - কারণ এই পর্যায়ের সমকামী ধারার বিকৃতি over the period of time আমাদের উদ্ভাবিত বিকৃত জীবনধারার ফলশ্রুতিতে develop করেছে। আপনি মোঃ এনামুল হক-এর লেখা: বাংলাদেশের মুসলিম সমাজে "বিবাহ ও নারীবাদ" বইটা পড়লে এই ব্যাপরে জানতে অনেকটুকু পারতেন।

আমি আপনার জন্য ঐ বই থেকে একটা ছোট্ট অংশ তুলে দিচ্ছি:

"একটা ছোট্ট উদাহরণ এখানে প্রাসঙ্গিক মনে করছি ৷ পশ্চিমা সভ্যতায় জন্মনিয়ন্ত্রণের বড়ির প্রচলনের অধ্যায় সম্বন্ধে ইতোমধ্যেই আলোচনা করেছি ৷ বড়িতে সাধারণত স্ত্রী-হরমোন ব্যবহার করা হয়, যা বড়ি সেবনকারিনীর দেহ থেকে বর্জ্য পদার্থের সাথে বেরিয়ে গিয়ে পয়ঃনিষ্কাশন ব্যবস্থায় পড়ে এবং সেখান থেকে নদীর জলে ৷ অনেক পশ্চিমা দেশেই এধরনের জল পরিশোধিত করে পুনরায় তা ’ওয়াটার সাপ্লাই’ সিস্টেমের মাধ্যমে নাগরিকদের সরবরাহ করা হয় ৷ Re-cycled এই (পানীয়) জল থেকে জীবাণু বা অন্য সব অনাকাঙ্খিত পদার্থ ফিল্টার করার ব্যবস্থা থাকলেও, হরমোন অপসারণ করার কোন কার্যকরী পদ্ধতি আজো আবিস্কৃত হয়নি ৷ ফলে না চাইলেও নারী-পুরুষ নির্বিশেষে সকলে ঐ স্ত্রী-হরমোন পুনরায় গ্রহণ করছেন পানীয় জলের সাথে- যার ফলে পুরুষ জনসংখ্যর sperm count বা সংক্ষেপে, শুক্রাণু, দ্রুত কমে যাচেছ ৷ অন্য অনেক দেশেই এ সমস্যাটা থাকলেও, বৃটেনে তা এক বিপজ্জনক পর্যায়ে পৌঁছেছে - যেখানে অদূর ভবিষ্যতে হয়তো শুধু স্ত্রী-ডিম্বাণু নিষিক্ত করতেই বাইরে থেকে পুরুষ আমদানী করতে হবে ৷ তাহলেই দেখুন মাননীয় পাঠক! আল্লাহ্‌ প্রদত্ত natural বা প্রাকৃতিক বিষয়াবলীকে বিকৃত করতে চাইলে কি বিশাল মূল্য দিতে হতে পারে ৷"

এভাবেই জন্ম নিয়ন্ত্রণ বড়ি বা মাংস তথা দুধের মাধ্যমে গ্রহণ করা হরমোন থেকে যে
hormone imbalance হয়, সেটাকে সমকামিতার একটা কারণ বলে ধরা হয়।

------------
আপনাদের সাথে শেয়ার করতে ইচ্ছা করলো!

১৯ শে এপ্রিল, ২০১০ সকাল ৭:১৭

লেখক বলেছেন: আমি সমকামিতাকে ঘৃনা করি, কিন্তু সমকামীদের ঘৃনা করি না... মায়া লাগে ওদের জন্য। কেউ যদি প্রকৃতি প্রদত্ত কারণে বিষন্নতা বা বাইপোলার রোগে ভুগেন, স্কিজোফ্রেনিক হন, তাকে কি আপনি ঘৃনা করতে পারবেন? তবে অনেক সময় সমকামিতা ইনডিউজড হয় বলে আমারও মনে হয়। আমি জানি না।

২১. ১৮ ই এপ্রিল, ২০১০ রাত ১১:৪০

মরুর মুসাফির বলেছেন: এখনকার পোলাপান সব ডিজুস প্রোডাক্ট। তাই আতংকে আছি

২২. ১৯ শে এপ্রিল, ২০১০ দুপুর ২:৩৬

মেরিনার বলেছেন: ব্যাপারটা হচ্ছে ozone depletion-এর মত। সবাই তো আর CFC ব্যবহার করে না - করে গুটি কয়েক লোক। কিন্তু একবার ozone layer যদি নষ্ট হয়েই যায় তখন UV ray সবারই ক্ষতি করবে - দোষী বা নির্দোষ নির্বিশেষে। আমরা কি তখন বলতে পারবো যে তা প্রকৃতির দোষ? মোটেই নয় - আমরা, মানুষরা আল্লাহর সৃষ্টি পরিবর্তন করার জন্য তা হবে আমাদের শাস্তি!! সমকামিতার জন্য শুধু শুধু প্রকৃতিকে দোষ দিয়ে লাভ নেই!

২০ শে এপ্রিল, ২০১০ সকাল ৮:২৯

লেখক বলেছেন: ঠিক সেটাই,

Increasing prevalence of male homosexual partnerships and practices in Britain 1990-2000: Evidence from national probability surveys.
Mercer, Catherine H.; Fenton, Kevin A.; Copas, Andrew J.; Wellings, Kaye; Erens, Bob; McManus, Sally; Nanchahal, Kiran; Macdowall, Wendy; Johnson, Anne M.
AIDS. Vol 18(10), Jul 2004, 1453-1458. doi: 10.1097/01.aids.0000131331.36386.de

এরকম অসংখ্য রিসার্চ পাবেন, যেখানে বলা হচ্ছে, হোমোসেকচুয়ালিটি বাড়ছে। এর সবগুলোই যে প্রকৃতির দোষ তা তো আর না। কেউ কেউ হয়তো মানসিক রোগী, কিন্তু রোগটা যখন বাইরে বের হয়ে পড়ে, তখন সুস্থরাও ভাবা শুরু করে তারা রোগী! বাইপোলার ডিজওর্ডার নামে একটা রোগ আছে, যেখানে রোগীরা কখনও খুব ডিপ্রেসড হয়, কখনও খুব খুশী অনুভব করে। রোগটা এক সময় কেবলই রোগ ছিল, কিন্তু এখন বের হচ্ছে মেল গিবসনের মত অনেক ট্যালেন্টেড মানুষেরা এই রোগে ভুগছেন। এগুলো বের হওয়ার পর, সুস্থরাও একটু উদাস ফীল করলে বা মুড সুইং হলে তাকে 'বাইপোলার ডিজওর্ডার' বলে ঘোষনা দিচ্ছে।

২৩. ১৯ শে এপ্রিল, ২০১০ দুপুর ২:৫৬

সততা বলেছেন: মূলধারার (মনো)বিজ্ঞানকে মোকাবেলা/প্রশ্নবিদ্ধ করতে হলে পকেটে আরও যুক্তিশীল অস্ত্র দরকার। মাইকেল স্পেক্টর বলেন "When you get proof, you need to accept the proof". একদল ক্রেডিবল (মনো)বিজ্ঞানীদের empirical or scientific basis-এর ভিত্তিতে করা রিসার্চ ওয়ার্ককে এক লহমায় লবী গ্রপের প্ররোচনার উপর দায় দিয়ে আপননি তাদেরকে কর্মকান্ডকে/কর্মকান্ডের প্রক্রিয়াকে হেয় করলেন।

উইকি বলছে
"Major psychological research into homosexuality is divided into five categories:

1. What causes some people to be attracted to their own sex?

2. What causes discrimination against people with a homosexual orientation and how can this be influenced?

3. Does having a homosexual orientation affect one's health status, psychological functioning or general well-being?

4. What determines successful adaptation to rejecting social climates? Why is homosexuality central to the identity of some people, but peripheral to the identity of others?

5. How do the children of homosexual people develop?
"
এসবের বিরুদ্ধে আপনি যেই এনালজিগুলো উপস্হাপন করলেন, সগুলো কোনোটাই যুক্তিযুক্ত হবেনা। এ বিষয় নিয়ে যারা রিসার্চ করবেন তাদের উপর বেশী ভরসা থাকা উচিত নয় কোন অল্টারেনটিভের ভিত্তিতে? প্রশ্নবিদ্ধ করতে হলে সিস্টেমের মধ্য থেকেই করতে হবে সিস্টেমের বাইরে থেকে এরকম ব্লগ লিখলে ২০টা সাধারন পাঠকের বাহবা পাবেন কিন্তু নিজের ইল্লজিকাল বায়াসের ইগো বুস্ট আপ হওয়া ছাড়া অন্য কিছুই হবেনা।

সময় পেলে দেখুন এই ডকুমেন্টারি । বেশ কিছু 'ধর্ম-বিশ্বাসী' মুসলিম গে কিভাবে তাদের জীবন কাটায়। তাদের আইডেন্টিটিকে 'ঘৃনা' করে তাদের কতটা আপন করতে পারবেন? স্রষ্টা তার স্রষ্টিকেও কি অনেকটা 'আপনার মত' করে আপন করবেন? হে আদম সন্তান আমি তোমাকে এক জটিল মানসিক রোগ দিলাম এর এই দিলাম তোমার পবিত্র বই আর দিলাম কয়েক ধরনের ব্যাখ্যা। ক্লাসিকাল ইসলামের এক ব্যাখ্যা আর সো কলড "প্রোগ্রেসিভ মুসলিমদের" আরেক ব্যাখ্যা একটু ভুল করে ভুল ব্যাখ্যা ফলো করলে তোমার ভবিষ্যত নষ্ট করো না। স্রষ্টাকে কি এতোটা খেলো মনে হয়?

২০ শে এপ্রিল, ২০১০ সকাল ৮:২৪

লেখক বলেছেন: মূলধারার মনোবিজ্ঞানীদের জবাব আমি ব্লগে বসে দিতে যাব কেন? দিচ্ছে বেশ কিছু মনোবিজ্ঞানী (ন্যাশনাল এসোসিয়েশন ফর রিসার্চ এন্ড থেরাপী ফর হোমোসেকচুয়ালস http://www.narth.com/) এবং এখন বেশ কিছু থেরাপীও আছে যেগুলো দিয়ে হোমোসেকচুয়ালিটি থেকে হেটেরোসেকচুয়ালিটিতে আসা যায়। আজকে সকালে অন্তত: দশটা জার্নাল আর্টিকেলের এবস্ট্রাক্ট পড়েছি, যেখানে বৈজ্ঞানিক প্রমান দেয়া যে হোমোসেকচুয়ালরা হেটেরোসেকচুয়াল হয়েছে থেরাপীর পরে। ওদের থেরাপীগুলো ওয়ারল্ড হেলথ ওরগেনাইজেশন দ্বারা অনুমোদিত।

আপনার শেষ প‌্যারাগ্রাফ প্রসংগে: স্রষ্টা সেই সব হোমোসেকচুয়ালদের নিয়ে কি করবেন যারা স্রেফ মানসিক রোগে ভুগছে, এবং প্রোগ্রেসিভ ব্যাখ্যায় পরিবর্তিত ধর্মপালন করছে, সেই প্রসঙ্গে আমি যাই নি, কারণ আমি জানি না। ইনফ্যাক্ট, এখানে আমি স্রষ্টা, তার শাস্তি, ইত্যাদি প্রসঙ্গই তুলি নি। তাই স্রষ্টাকে খেলো মনে করি কি না, স্রষ্টার মটিভ, আপনার এই সব জটিল প্রশ্ন কোথা থেকে আসল, জানি না। আমার লেখাটা ছিল এখনকার সমাজ কোন দিকে যাচ্ছে সেটা নিয়ে। আমার পয়েন্ট ছিল: "The presence of biological influences in shaping desire DOES NOT render a behavior automatically moral". এর বিপরীত এজাম্পশনে আগাতে থাকলে আপনাকে শিশুদের সাথে যৌন সম্পর্ককে, পশুর সাথে যৌন সম্পর্ককে মানসিক সমস্যার লিস্টের বাইরে আনতে হবে এবং নৈতিক ঘোষনা করতে হবে।

আমার অভিজ্ঞতা কিছুটা নিচের লেখার লেখিকার মত, এবং তিনি যা বলেছেন, তার মধ্যে বড় কোন পয়েন্টে আমার দ্বিমত নেই:

Click This Link

"They are never asked to provide evidence for the arguable claim that homosexuality is equivalent to race; or that disapproval of homosexual conduct is equivalent to racism; or that homosexual impulses are biologically determined; or that the presence of biological influences in shaping desire renders a behavior automatically moral."

২৪. ২০ শে এপ্রিল, ২০১০ বিকাল ৪:৪৫

সততা বলেছেন: So it comes down to "The presence of biological influences in shaping desire DOES NOT render a behavior automatically moral" and " এখন 'নৈতিকতার' দোহাই? এবং এটা প্রমানের জন্য "শিশুদের সাথে যৌন সম্পর্ককে, পশুর সাথে যৌন সম্পর্ককে মানসিক সমস্যার লিস্টের বাইরে আনতে হবে" এবং "নৈতিক ঘোষনা করতে হবে"

আমি মনোবিজ্ঞানী/মানসিক রোগ চিকিৎসক নই তবে তর্কের খাতিরে ধরে নেই এক সময় সব-কিছুই "মানসিক রোগ নয়" বলে ঘোষিত হল। যেহেতু মোরাল প্রশ্নের উত্তর মনোবিজ্ঞানীরা দেবে না তখন সমাজ/রাষ্ট্রের আইন কালেক্টভিলি ডিফাইন করবে কিভাবে তাদের হ্যান্ডেল করবে। এর পরেও কিন্তু মোরালিটি ডিফাইন করার বড় কোন অস্ত্র এখনকার রক্ষনশীলরা পাবে না। হোমোসেক্সুআলদের আর পেডোফাইলদের এক দৃষ্টিতে কখনই দেখা হবে না যতদিন তাদের দ্বারা শিশুদের আব্যিউস করার সম্ভাবনা থাকবে। পেশাজীবি মনোবিজ্ঞানীদের/মানসিক রোগের চিকিৎসকদের সংগঠনের সাথে ধর্মবিশ্বাসী রক্ষনশীলদের তুলনামুলক বিচারে কোন যুক্তিতে রক্ষনশীলরা আপার হ্যান্ড পাবে? রক্ষনশীলরা অনেক আপার হ্যান্ড পেয়েছে "মোরাল রিলাটিভিসম "-এর মত একটা অলস দার্শনিক মতবাদের কারনে। মুসলিমম্যাটারাস -এর আর্টিকেল যতই পলিটিকালই কারেক্টনেসের পরিচয় থাকুক না কেনো সে তাঁর কোরানের আয়াত-এর ডগমা কিভাবে ঢাকবে? সেটাকে আমি কেনো হোমোফোবিয়া/বিগট্রি বলে ডিফাইন করতে পারবো না? আমার ডিসিশন মেকিং/মোরালিটি নিয়ে প্রশ্ন উঠলে তাঁরটা নিয়েও প্রশ্ন উঠবেই। আমার ইহলৌকিক-নিয়ত-পরিবর্তনশীল- প্রথম-সেমিস্টারের-লবীগ্রুপের-ভূমিকা-শেখানো-সাবধানী-এজুকেশন-সিস্টেমের উপর ভরসা থাকবে তথাকথিত মধ্যযুগীয় আইন/চিন্তাধারাকে শক্তিশালী করা বেশ কিছু রক্ষনশীল মানসিকতার দর্শন হতে।

আর নার্থ-এর যেই লিন্ক দিলেন সেখানে খুঁজে পেলাম না ওদের সাকসেস রেট কিরকম মানে কতজনকে চিকিৎসার সুযোগ পেয়ে কতজন কে হোমো থেকে হেটেরো করল। পেলে জানাতে ভুলবেন না। কিনসের স্কেল অনুযায়ী একপাশের ফ্রিন্জের কিছু হোমোদের হেটেরো বানানো অসম্ভব মনে হয় না যদিও। পলিটিকাল কারেক্টনেসের জন্য ওরাও বলতে বাধ্য হচ্ছে "NARTH is a professional, scientific organization that offers hope to those who struggle with unwanted homosexuality" যতদিন তারা পিয়ার রিভিউড রিসার্চ ওয়ার্ক করবে ততদিন তাদের কর্মকান্ডকে হেয় করার কোন যুক্তি থাকবে না। যদিও তাদের ট্র্যক রেকর্ড খুব একটা সুবিধার না জড়িত ব্যাক্তিদের বাইবেল বায়াস অতীতে প্রমানিত

২৫. ২০ শে এপ্রিল, ২০১০ বিকাল ৫:৫০

সন্ধ্যাবাতি বলেছেন: একটা জার্নাল আর্টিকেলের এবস্ট্রাক্ট দিলাম, যেখান থেকে চিন্তার খোরাক পাবেন, কিভাবে পেডোফিলিয়াকে হোমোসেকচুয়াল রাইট হিসেবে দেখেন অনেকে, এবং যারা পেডোফিলিয়াকে মানসিক অসুস্থতা হিসেবে দেখতে চান নি, তাদের সম্পর্কে পড়াশোনা শুরু করতে পারেন হয়তো এখান থেকে--


Review of Children and sexuality: From the Greeks to the Great War.
deMause, Lloyd
The Journal of Psychohistory. Vol 36(1), Sum 2008, 94-95.
Abstract
Reviews the book, Children and Sexuality: From the Greeks to the Great War by George Rousseau (ed.) (2007). The editor of this volume begins the book by pointing out that the "concepts of Western 'sexual abuse' are problematic." When his fellow contributor refers to "boys who routinely fellate older men, are not 'abused' despite ingesting their elders' semen but ritually initiated into manhood." What you must not do is, like "psychohistory, mandate that we interpret all protagonists as if they were 'case histories.'" This book was a result of History of Childhood Seminars in Oxford in 2003-4, one of many seminars held today to teach students that the sexual use of little children is really to be defended as part of the defense of homosexual rights. But this book, like so many published today, dumbs down child abuse to just another "cultural practice" that we must respect, or else we are being "culturally naive" and are "contributing to outright hysteria and panic" when we write about how the horrible mistreatment of children badly affects societies. (PsycINFO Database Record (c) 2009 APA, all rights reserved)
Review of Children and sexuality: From the Greeks to the Great War.
deMause, Lloyd
The Journal of Psychohistory. Vol 36(1), Sum 2008, 94-95.
Abstract
Reviews the book, Children and Sexuality: From the Greeks to the Great War by George Rousseau (ed.) (2007). The editor of this volume begins the book by pointing out that the "concepts of Western 'sexual abuse' are problematic." When his fellow contributor refers to "boys who routinely fellate older men, are not 'abused' despite ingesting their elders' semen but ritually initiated into manhood." What you must not do is, like "psychohistory, mandate that we interpret all protagonists as if they were 'case histories.'" This book was a result of History of Childhood Seminars in Oxford in 2003-4, one of many seminars held today to teach students that the sexual use of little children is really to be defended as part of the defense of homosexual rights. But this book, like so many published today, dumbs down child abuse to just another "cultural practice" that we must respect, or else we are being "culturally naive" and are "contributing to outright hysteria and panic" when we write about how the horrible mistreatment of children badly affects societies. (PsycINFO Database Record (c) 2009 APA, all rights reserved)

২৬. ২০ শে এপ্রিল, ২০১০ সন্ধ্যা ৬:০০

সন্ধ্যাবাতি বলেছেন: কুরআনের আয়াতের ডগমা, বাইবেলের সাথে সংশ্লিষ্টতা, এগুলো প্রসংগে একটা কথা বলি, ভেবে দেখেন। অন্তত: যারা এগুলো স্পষ্ট করে বলে, তারা নিজেরাও জানে তাদের চিন্তা ভাবনা 'প্রভাবিত'। কিন্তু যারা সেক্যুলার, তারা অনেক সময় ভয়াবহ রকমের অহংকারী অন্ধ হয়, কারণ তারাও যে মানুষ, তারাও যে 'প্রভাবিত' হতে পারে, তাদের 'ডগমা' যে চোখে দেখা না গেলেও আছে, এটা ওরা বুঝতেই পারে না! একটু জার্নাল ঘেটে দেখুন, ইউনিভার্সিটির অন্যান্য সাবজেক্টের তুলনায় সাইকোলজি, লিবারেল আর্টস, এগুলোতে পড়া ছাত্র/ছাত্রীদের মধ্যে হোমোসেকচুয়ালদের পারসেন্টেড বেশি। এখানে বায়াস থাকাটা কি অস্বাভাবিক?

২৭. ২১ শে এপ্রিল, ২০১০ রাত ৯:১৪

সততা বলেছেন: হোমোসেক্সুয়ালিটিকে মানসিক অসুস্হতার লিস্ট থেকে তুলে দেয়াতে পেডোফিলিয়া এডভোকেসী গ্রুপ লাভবান হয়েছে, সে বিষয়ে সন্দেহ নাই। তবে ভবিষ্যতে পেডোফিলিয়া সেই লিস্টে থাকুক বা না থাকুক সেটার দায়িত্ব বিজ্ঞানীদের/পেশাজীবিদের সংগঠনের উপর ভরসা না করে আর কোন ক্রেডিবল অল্টারনেটিভ আছে কি? পেডোফিলিয়াও এক্সেপ্টবল হতে পারে যখন সেটা কনসেন্সুয়াল হবে/রাষ্ট্র- সমাজের মোরাল ভ্যালুর সাথে কম্পাটিবল হবে। এবিউস ট্যাগ সহ সেটা কোনদিনই এক্সেপটেবল হবে না। আপনি/আমি পছন্দ করি বা না করি কনসেন্সুয়াল পেডোফাইল বাস্তবে থাকা অস্বাভাবিক নয়, অস্বাভাবিক নয় যুফিলিয়া, অস্বাভাবিক নয় ১১-১২ বছরের কিশোর/কিশোরীর একত্রে শয্যাগমন। নাগরিক সমাজ নিজের স্বার্থেই মোরাল ভ্যালু ডিফাইন করবে, এটার সাথে সমকামীতাকে গুলিয়ে ফাড(Fear, uncertainty and doubt) ছড়ায় কোন ফায়দা নাই। উইকি বলছে
"In the modern West, major studies indicate a prevalence of 2% to 13% of the population. A 2006 study suggested that 20% of the population anonymously reported some homosexual feelings, although relatively few participants in the study identified themselves as homosexual." স্ট্যাট সত্য হলে ধর্ম-বিশ্বাসীদের জন্য আয়রনিক প্রশ্ন হবে কেন স্রষ্টা এত বেশী মানসিক রোগী তৈরী করছে? অবশ্য উপযুক্ত উত্তর হতে পারে স্রষ্টার দেখানো পথে হয়তো মানব সমাজ চলছে না তাই এরকম হচ্ছে।

"যারা সেক্যুলার, তারা অনেক সময় ভয়াবহ রকমের অহংকারী অন্ধ হয়" -হয় তো বটেই। অহংকারী/অন্ধ হয় এলিটিসম /স্ট্যাট এর প্রভাবে। স্বীকার করুক আর নাই করুক সেকুলার রাও বায়াসড। কিন্তু সেকুল্যারদের আছে বেলোনি ডিটেকশন কিট , রক্ষনশীলদের কী আছে যাদুর বই আর ফাড ছাড়া? ইন্টেলিজিন্ট ডিজাইনের প্রবক্তা/ গ্লোবাল ওর্মিং ডিনায়াল/অতীতে-হোমোফোবিক-বর্তমানে-প্রোফ্যামিলির ব্যানারে-অন্ধবিশ্বাসীদের থেকে মোরালিটির পাঠ নিতে কোনো ক্রেডিবল একাডেমিশিয়ান/বিজ্ঞানী বসে নাই। লিবারেল আর্টসের সাথে জরিতদের হোমোসেক্সুয়াল পারেসেন্টেজ বেশী হওয়ার নানাবিধ কারন থাকতে পারে। জরিপে সততার সাথে প্রশ্নের উত্তর দেয়া/না দেয়ার প্রভাব এর সাথে আরও নানা ফ্যাক্টরও থাকতে পারে আর থাকুক বা না থাকুক সেটাও কোন সমস্যা নয় ২০১০ সালে কন্সেনসুয়াল এড্যাল্টদের সেক্সুয়াল ওরিয়েন্টেশন কোনো ট্যাবু হওয়া উচিৎও না। সাইকোলোজি গ্রাজুয়েটদের বায়াস থাকাও অস্বাভাবিক নয়, কিন্তু পিয়ার রিভিউড রিসার্চ/সংখ্যাগুরু হেটেরো সাইকোলোজিস্টদের/ক্রেডিবল বিজ্ঞানীদের স্ক্রুটিনির কাছে সেই বায়াস নস্যি।

২৮. ২৩ শে এপ্রিল, ২০১০ সন্ধ্যা ৬:২৮

ফারজানা মাহবুবা বলেছেন: আমরা কি ভয়ংকর একটা পৃথিবী তৈরি করছি আমাদের পরবর্তী প্রজন্মের জন্য, যেখানে ওভার এক্সপোজারের জন্য অসুস্থ একদল চরম ডিসেনসিটাইজড মানুষ থাকবে কেবল, যাদের কাছে কোন সীমারেখাই অর্থবহ হবে না, কোন বিকৃতিই আর বিকৃতি থাকবে না...

২৯. ০১ লা জুলাই, ২০১০ রাত ৮:৫৩

পদ্মাচরের লাঠিয়াল বলেছেন: সততারে জাঝা!! ফাডায়ালাইসেন! তয় কুনো লাভ নাই, বায়াসড লজিকের লগে পারা কঠিন।

 

 

সামহোয়‍্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল‍্যাটফমর্। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব‍্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...

 

© সামহোয়্যার ইন...নেট লিমিটেড | ব্যবহারের শর্তাবলী | গোপনীয়তার নীতি | বিজ্ঞাপন