মোহাম্মদ আবুল হোসেন: সিডনির ঐতিহাসিক অপেরা হাউজের সিঁড়িতে দাঁড়িয়ে ৫ হাজার ২শ’ অস্ট্রেলিয়ান নারী-পুরুষ শুধুমাত্র ছবি তোলার জন্য নগ্ন পোজ দিলেন। ১লা মার্চ যুক্তরাষ্ট্রের ফটোগ্রাফার স্পেন্সার টিউনিক ছবি তোলার জন্য অস্ট্রেলিয়দের প্রতি নগ্ন পোজ দেয়ার আহ্বান জানালে সেখানে সমবেত হন ওই সব নারী পুরুষ। টিউনিক নগ্ন নরনারীর বিরাট গ্রুপের ছবি তোলার জন্য বিখ্যাত হয়ে গেছেন। তার ডাকে ১লা মার্চ অপেরা হাউজের সামনে যারা সমবেত হন তাদের বেশির ভাগই সমকামী।
আগে থেকেই এ আয়োজন নিয়ে ঘোষণা দেয়া ছিল। তার আহ্বানে অভুতপূর্ব সাড়া দেয়ার জন্য অস্ট্রেলিয়ার মানুষের কাছে কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন স্পেন্সার টিউনিক। তিনি বলেছেন, তারা ঘর থেকে বেরিয়ে এসে অপেরা হাউজের সামনে সিঁড়িতে একে একে সব কাপড় খুলে ফেলেন। মুহূর্তেই যেন সেখানে বিবস্ত্র নরনারীর এক মহাসমাবেশ তৈরি হয়ে যায়। কিন্তু কেউ কারো দিকে তাকিয়ে লজ্জা পাননি। উল্টো একে অন্যকে জড়িয়ে ধরে চুমু খেয়েছেন। এ সমাবেশে যোগ দিতে পেরে ১৯ বছর বয়সী ছাত্র আর্ট রাশ তো মহাখুশি। সে বলেছে, আমার জীবনে হয়তো আর কোনদিন এ অভিজ্ঞতা অর্জনের সুযোগ পাব না। সমাবেশ ছিল মানবিক গুণসম্পন্ন। স্পেন্সার টিউনিক এবারই প্রথম নন, এর আগেও বিশ্বের বিভিন্ন স্থানে একই রকম আয়োজন করেছেন। তুলেছেন নগ্ন নরনারীর সমাবেশের বিশাল বিশাল ছবি। এবার পুরুষ সমকামী ও নারী মারদি গ্রাস সমকামীদের উৎসব উপলক্ষে এ আয়োজন করা হয। স্পেন্সার টিউনিক এর আগে ২০০৭ সালের জুনে মেঙিকো শহরের জোকালো প্লাজায় সমবেত করেছিলেন ১৮ হাজার নরনারীকে। তাদেরকে সেখানে নগ্ন অবস্থায় ক্যামেরাবন্দি করেন তিনি। তিনি এভাবে ছবি ক্যামরাবন্দি করেছেন আয়ারল্যান্ডের কর্ক এন্ড ডাবলিন, আর্জেন্টিনার বুয়েনস এয়ারস, যুক্তরাষ্ট্রের বাফেলো, লিসবন, লন্ডন, মেলবোর্ন, মন্ট্রিয়েল রোম, সাও পাওলো, কারাকাস, নিউক্যাসল, ভিয়েনা, ডুসেলডর্ফ, হেলসিংকি, সান্টিয়াগো, মেঙিকো সিটি এবং আমস্টার্ডামে। তার কাছে এ কাজ একটি শিল্প। মানুষ নগ্ন হয়েও অশালীন কোন কাজে মত্ত হয় না।
সর্বশেষ এডিট : ০২ রা মার্চ, ২০১০ রাত ৯:৪৭

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



