মারাদোনা মারাদোনাই হ! আগেই বলেছিলাম এর নাম আর্জেন্টিনা। ঈশ্বর' সহায় থাকলে ২২শে জুন রাতে গ্রিস গোল খেতো কম করে হলেও অর্ধডজন। মাঠে মেসি আর মাঠের বাইরে মারাদোনা! আহা সে কি খেলারে ভাই! মনটা ভরে যায়। যারা ওই রাতের খেলা দেখেছেন তারা নিশ্চয়ই লক্ষ্য করেছেন, খেলা শুরুর আগে সাইডলাইনে কোচদের নির্ধারিত স্থানে বসার আগেই মারাদোনা প্রিসের কোচের সঙ্গে কেমন হাত মেলালেন! হাসলেন। কুশল বিনিময় করলেন। জাতীয় সঙ্গীত বাজানো পরে ক্যামেরা যখন তার মুখের ওপর ফোকাস করে তখন তিনি হাত নেড়ে ভক্তদের তথা বিশ্ববাসীকে যেন জানান দিলেন, ফুটবলের ঈশ্বরের পু্ত্র মাঠে বসে আছেন। তিনি হাত মুখে নিয়ে উড়ন্ত চুমু দিলেন। সে চুমু যে পূর্ব থেকে পশ্চিম, উত্তর থেকে দক্ষিণ সর্বত্র ছড়িয়ে পড়ল। আনন্দে ভক্তরা চোখ মুছলেন। এমন কোচকে, এমন ফুটবলের মহানায়ককে ভাল না বেসে পারা যায়! এখানেই শেষ নয়। তিনি সাইডলাইনে কয়েক মুহূর্ত মাত্র বসেছিলেন। তারপরই কখনও তার শিষ্যদের বল দেখিয়ে দিয়েছেন। মাঠে খেলেছেন মেসি আর মাঠের বাইরে খেলেছেন মারাদোনা। তিনি শান্ত মাথায় মাঠের সীমানার বাইরে নিজেকে ব্যস্ত রেখেছেন। এখানেই শেষ নয়। তার দল খেলার শেষ মুহূর্তে যখন গোল করে, তখন মারাদোনার অভিব্যক্তি বলছিল ওই গোল যেন তিনি নিজে করেছেন। এমন উত্তেজনা, ফুটবলকে এতটা ভালবসেছেন কতজন কোচ। দল গোল করার পর দলের অন্যরা বা খেলোয়াড়রা যেখানে কোচকে জড়িয়ে ধরে আনন্দ প্রকাশ করে, মারাদোনা সেখানে ব্যতিক্রম। তিনি উল্টো অন্যদের জড়িয়ে ধরলেন। মনে হলে তিনিই এই মাত্র গোলটি দিয়ে এলেন। তিনি তার বসার নির্ধারিত চৌহদ্দির মধ্যে দৌড়াদৌড়ি করেছেন। যেন আনন্দ শেষ হচ্ছে না তার। কথা তো ভাই শেষ হয় না রে। খেলা শেষে তিনি নিজ দলের প্রতিটি খেলোয়াড়কে বুকে টেনে নিয়েছেন। আদর করেছেন সন্তানের মতো। তাদের মুখে চুমু এঁটে দিয়েছেন। বাদ যাননি বিপক্ষ দল গ্রিসের খেলোয়াড়রাও। তাদেরকেও বুকে টেনে নিয়ে সান্তনা দিয়েছেন ফুটবলের রাজপুত্তুর মারাদোনা। সবে শেষে তিনি নিজেই ছুটে গেছেন মাঠের মাঝে। সেখানে রেফারিদের সামনে হাজির মারাদোনা। হয়তো রেফারিরা তাকে দেখে হতভম্ব। মারাদোনা তাদের সামনে! মারাদোনা হাত বাড়ালেন। হ্যান্ডশেক করলেন রেফারিদের সঙ্গে। দেখেছেন এমন দৃশ্য ফুটবলে কোনদিন! এমনটা মারাদোনার পক্ষেই সম্ভব। তিনি জানেন তার ভক্তের সংখ্যা কত। এ বিশ্বকাপে সে সংখ্যা বেড়ে যাবে কতগুন তা ভবিতব্যই বলে দেবে। নিজ দলের খেলোয়াড়রা মাঠ ছাড়ার পর মারাদোনা মাঠ ছেড়েছেন। অন্যদের মতো তিনি খেলা শেষ হওয়ামাত্র নিজে দৌড় দেননি ড্রেসিংরুমে। যেমনটি ঘটিয়েছেন দুঙ্গা ব্রাজিলের প্রথম ম্যাচেই। সচেতন দর্শক নিশ্চয়ই এসব লক্ষ্য করেছেন। এখানেই মারাদোনা মারাদোনা। তার স্থান কেউ দখল করতে পারবে না। ফুটবলের তিনি একক। তার তুলনা একমাত্র তিনিই।
আপনার ATM কার্ড কি সত্যিই নিরাপদ?
আপনার ATM কার্ড কি সত্যিই নিরাপদ?
ধরুন, মাসুদ একদিন বাজার করতে বের হয়েছেন। তার মানিব্যাগে একটি Contactless Visa Card ছিল। বাজারের ভিড়ের মধ্যে একজন চোর একটি বিশেষ স্ক্যানিং ডিভাইস নিয়ে ঘুরছিল।... ...বাকিটুকু পড়ুন
ফিরে যাওয়া বলে কিছু নেই
আমি যে নদীর কথা ভাবি,
সে নদী জল নয় সময় বয়ে নিয়ে চলে।
এক পাড়ে মানুষের কোলাহল,
হাটের গুঞ্জন, ভাতের গন্ধ, সন্ধ্যার আহবান,
অন্য পাড়ে কেবল শূন্যতা,
যেন কেউ কোনোদিন সেখানে ছিলইনা।
তবু দু পাড়ই... ...বাকিটুকু পড়ুন
১০০০-তম পোস্টঃ কন্যা আপন সাজন সাজে রে
আমাকে ও রাহমিনকে এনিমেট করলে কেমন দেখাবে? এই আইডিয়া থেকেই গানটা রিমিক্স করে এনিমেটেড ভিডিও সং বানিয়ে ইউটিউবে ছেড়েছি। ছোটবেলায় মেঝ খালার বিয়েতে এই গানটা শুনেছিলাম। সবাইকে গানটি দেখা ও... ...বাকিটুকু পড়ুন
নাজিয়া সামান্তা, হিজাব এবং আমাদের সমাজের প্রাতিষ্ঠানিক ভণ্ডামি।

একজন তরুণী প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয়ের সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে ড্রাম বাজিয়ে দর্শক মাতাল। নেটিজেনরা বাহবা দিল। কিন্তু সমস্যাটা অন্য জায়গায়—মেয়েটি বোরকা-হিজাব পরা, সে ২০২৫ সালে হজ করেছে, পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ পড়ে এবং নিজের... ...বাকিটুকু পড়ুন
শৃঙ্খল মুক্তি আমার
শৃঙ্খল মুক্তি আমার

ভেঙেছি সমাজের যত চেনা দায়,
চিন্তার প্রাচীর আজও ধুলোয় মেশায়।
ঈমানের নোঙর ছিঁড়েছি হেলায়,
ডুবেছি একাকী ; এক অচিন ভেলায়।
ভালোবাসা, মানবিকতার যত শত মায়াজাল,
ছিঁড়ে ফেলেছি আমি সব কটা পাল।
সহমর্মিতার পথ... ...বাকিটুকু পড়ুন

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।