"বাবু, তোমার যেমন একটি লড়কী আছে , তেমনি দেশে আমারও একটি লড়কী আছে। আমি তাহারই মুখখানি স্মরণ করিয়া তোমার খোঁখীর জন্য কিছু কিছু মেওয়া হাতে লইয়া আসি, আমি তো সওদা করিতে আসি না।”
এই বলিয়া সে আপনার মস্ত ঢিলা জামাটার ভিতর হাত চালাইয়া দিয়া বুকের কাছে কোথা হইতে একটুকরা ময়লা কাগজ বাহির করিল। বহু সযত্নে ভাঁজ খুলিয়া দুই হস্তে আমার টেবিলের উপর মেলিয়া ধরিল। দেখিলাম , কাগজের উপর একটি ছোটো হাতের ছাপ। ফোটোগ্রাফ নহে , তেলের ছবি নহে , হাতে খানিকটা ভুসা মাখাইয়া কাগজের উপরে তাহার চিহ্ন ধরিয়া লইয়াছে। কন্যার এই স্মরণচিহ্নটুকু বুকের কাছে লইয়া রহমত প্রতিবৎসর কলিকাতার রাস্তায় মেওয়া বেচিতে আসে - যেন সেই সুকোমল ক্ষুদ্র শিশুহস্তটুকুর স্পর্শখানি তাহার বিরাট বিরহী বক্ষের মধ্যে সুধাসঞ্চয় করিয়া রাখে।
সম্পুর্ণ গল্পটি এখানে পাবেন ...
ওপরের ছবিটা আদিত্যর হাতের ছাপ। দেশ থেকে মাঝে মাঝে আসা বাবুর এটা সেটার সাথে তার হাতের ছাপটাও এসেছিলো কিছুদিন আগে। সেই থেকে নিজেকে রবিঠাকুরের সেই কাবুলিওয়ালা মনে হয় ...
আজ পেলাম বাবুর লেখা চিঠি, সম্ভবত ওর জীবনে লেখা প্রথম চিঠি, আমার জন্যেও আমার সন্তানের কাছ থেকে পাওয়া প্রথম চিঠি। অনুভুতিটা কেমন? সেই অনুভুতি ভাষায় প্রকাশের সাধ্য আমার নেই ...
চিঠিটাতে একটা লাইনই লেখা - "Papa how are you - Aditya". ছেলে আমাকে তার প্রিয় একটা স্পাইডারম্যানের ছবিও কেটে পাঠিয়েছে।
বাবুর হাতে আঁকা কয়েকটা ছবি দেখাই? আমার সোনামনিটা এগুলোও আমার জন্য পাঠিয়েছে। কয়েকটা ছবির ওপরে গোটা গোটা করে "Papa" লিখেও দিয়েছে






সন্তানের কাছ থেকে পাওয়া উপহার নিঃসন্দেহে কোন বাবার জন্য শ্রেষ্ট উপহার হবেই ... আমার কাছেও তার ব্যাতিক্রম নয় ...
এটা বাবুটার এবারের জন্মদিনে তোলা ছবি ... তার প্রিয় ব্রাজিল কেকের সাথে ...
সর্বশেষ এডিট : ২২ শে জুন, ২০১০ রাত ১১:১৬

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


