আমার প্রিয় পোস্ট

::::: দেখবো এবার জগতটাকে :::::

:::: ৪০০ বছরের রাজধানীঃ নারিন্দা আর্মেনীয়ান গোরস্তান ::::

১৬ ই নভেম্বর, ২০০৮ সন্ধ্যা ৬:৪৫

শেয়ারঃ
0 7 0


৪০০বছরের রাজধানীবাসীর হয়তো খুব অল্প কয়েকজন পুরান ঢাকার আর্মেনিয়ান গোরস্তান দেখেনি। হয়তো অনেকেই নাম শুনে চিনতে পারে না। কিন্তু বলধা গার্ডেনের সামনে খ্রিস্টান কবরস্থান বললে সবাই চিনতে পারবেন।যারা দেখেছেন তাদের একটা বিশাল অংশই ভিতরে ঢুকে দেখেননি কি আছে। অবশ্য ঢোকার দরজা বেশীরভাগ সময়ই বন্ধ হয়ে থাকে, এবং ব্যাপটিস্ট চার্চের পার্মিশান লাগে ঢুকতে এটা একটা বড় কারন। যারা ভেতরটা দেখেননি আসুন তাদেরকে ভিতরটা দেখিয়ে আনি।


আমি ইতিহাসের ছাত্র না, ইতিহাস সম্পর্কে খুব কম জানি। কিন্তু এই গোরস্তান সম্পর্কে অল্প যা জানি সেটাই হালকা চালে বলি। ভারতবর্ষে উপনেবিশিক ইউরোপিয়ান শক্তি অনেক গুলোই ছিল, কিন্তু অভিবাসী বোধহয় শুধু আর্মেনিয়ানরা।তারা বঙ্গভুমীকে পদানত করে শোষন করতে নয়, এখানে থাকতে আসে। তাই বিয়ে এবং আরো অন্যান্য ভাবে স্থানীয়দের সাথে সম্পুর্ন ভাবে মিশে যায়। ঢাকার আরমানীটোলা কিংবা এই অংশতেই তাদের বেশিরভাগ বাড়ি করে স্থায়ী হয়। আর্মেনিয়ানরা খ্রিশ্চান ছিল কিন্তু নবাবী আমলে স্থানীয় মুসলমানদের অনেক সংস্কৃতিকে তারা নিজের মত করে নেয়। সম্ভবত তারা মুসলীম ধারার খুব কাছাকাছি উপায়ে কবর দিত। মুলত ঢাকার আর্মেনিয়ান এবং অন্যান্য খ্রিশ্চানরা শেষঠিকানা হিসাবে ব্যাবহার করতো এটা। পলাশির যুদ্ধেরও আগে থেকে। ১৭৫৭ সালে ইস্টইন্ডিয়া কোম্পানীর বেনীয়ারা নবাব সীরাজউদ্দৌল্লাহর কাছ থেকে বাংলা ছিনিয়ে নেবার পরেও এরা স্থানীয়দের মতই বাস করতে থাকে, ততদিনে স্থানীয়দের সাথে আর ভালোভাবে মিশে গেছে।

(নবাবী আমলে কিংবা ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানীর যুগে সম্ভ্রান্তদের কবর গুলো মন্দির কিংবা এরকম প্রাচ্য স্টাইলের হত)

ইংরেজ, ডাচ, ফ্রেঞ্চ সবাই আর্মেনিয়ান গ্রেভ ইয়ার্ড ব্যাবহার করতে থাকে। আমি ওখানে মনোযোগ দিয়ে এপিটাফ গুলো পড়তে গিয়ে একটা দোতালা কবরের এপিটাফে দেখলাম ভদ্রলোক ইস্ট ইন্ডীয়া কোম্পানীর ঢাকার প্রথম গভর্নর ছিলেন। পলাশির যুদ্ধের প্রায় ২ বছর আগে ঢাকায় মারা যান। এছাড়া অসংখ্য কবর আছে যেগুলোর এপিটাফ পড়ে বয়স উদ্ধার করা অসম্ভব। এক ব্রিটিশ লেফট্যান্টের কবর পেলাম। ২২ বছরের এই তরুন সীপাহী বিদ্রোহ দমন করতে গিয়ে নিজের ইউনিটের নেটিভ সৈনিকদের হাতে মারা যান। ঢাকার প্রথম সিভিল সার্জেনের কবর। এছাড়া কিছু কবরের এপিটাফ অচেনা কোন ভাষায় লেখা। কিছু কিছু গ্রীক বলে চিনতে পারলাম (ঢাকা ইউনিভার্সিটিতে গ্রিক বনিকদের স্মরনে একটা স্তম্ভ আছে)। আর কিছু আছে চাইনিজ। আমার পরিচিত একজন খুব নামকরা ট্রেকার হান রেগী। ওর দাদা চায়না থেকে এসে এদেশে বসতী করে। ওরা ৩ পুরুষের বাঙ্গালী। ওর কাছে শূনেছিলাম তার দাদার কবরও নাকি এখানে।

ইংরেজ শাষনামলে কবরে ভাষ্কর্য রাখা মনে হয় জনপ্রিয় ছিল)




গ্রেভ ইয়ার্ডের মুল গেট দিয়ে ঢুকে কেয়ারটেকারের রুমের পাশ দিয়ে সোজা একটা রাস্তা চলে গেছে। একটূ এগুলো সাদা বিশাল তোড়ন। হয়তো একসময় এটাই মুল দরজা ছিল। শুরুর দিকের কবর গুলো অনেক অনেক প্রাচীন। নিঃসন্দেহে। খুব কম এপিটাফ পড়া যায়। এখানেই অনেক গুলো কবর আছে যেগুলো তখনকার যখন ইউরোপিয়ানরা বাংলা দখল করতে পারে নি। বাম দিকে বাউন্ডারী ওয়াল বরাবর আরো কিছু কবর আছে। এগুলো মোটামুটি ১৮৩০-১৯৩০ এর মধ্যে। এই কবর গুলোর মধ্যে খ্রিশ্চিয়ান ঐতিহ্য অনুসারে উচুমানের কিছু কারুকায করা স্তম্ভ বা মুর্তি আছে। যেমন এলিজাবেথ নামের এক মহিলার কবরে মা মেরীর ক্রন্দন রত মুর্তীটা সবার চোখে পড়বে। কিংবা মাঝামাঝি যায়গায় ৩ হলি সৌলের হাটূ গেড়ে থাকা মুর্তি। ৩ দিক থেকেই একই রকম লাগে। পুরাতন কবর গুলোতে একটা আকর্ষনীয় বৈশিষ্ট আছে। তারা কবর গুলো প্রাচীন ভারতীয় ঐতিহ্যে বানাতো। অনেকটা মন্দির কিংবা নবাবী স্টাইলের। পরিষ্কার বোঝা যায়, পলাশির যুদ্ধের আগে এবং পরে থেকে সীপাহী বিদ্রোহের আগের একটা দির্ঘ সময় পর্যন্ত ইওরোপিয়ান ঢাকাবাসীরা তাদের শেষ আবাসটা স্থানীয় ডিজাইনে বানাতো।




(এটা ঢাকায় ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানীর প্রথম গভর্নরের কবর, কবরটা বহুওতলা, পলাশীর যুদ্ধের আগের তারিখ এপিটাফে)

কবর স্থানের শেষ দিকটা (বলধা গার্ডেনের দিকে) আধুনিক। সদ্য জন্মানো শিশুর কবর থেকে স্থানীয় বৃদ্ধ সবার কবর। পাকিস্তান আমল থেকে বর্তমান যুগ পর্যন্ত অনেক কবর আছে। এগুলো মুলত আধুনিক সেমিটারীর মত সাদা ক্রস দিয়ে বানানো। একটা মজার ব্যাপার কবরস্থানের ওয়ালের ওপাশে একটা বড় ক্লিনিক। রোগীদের আবাসটা কবরস্থান লাগোয়া। রোগীদের মানসীক ভাবে দুর্বল করতে নিশ্চই নয়।






+++ভ্যান ট্যাসেলের কবরঃ প্রফেসর মুনতাসীর মামুনের বইয়ে ভ্যান টেসেলের নামটা প্রথম পাই। পরে নেটে খুজতেই তাঁর সম্পর্কে আরো জানতে পারি। মুনতাসীর মামুনের বইটা হাতের কাছে নাই। নবাবী আমলে একজন যুবরাজের ডায়েরীতেও তার কথা আছে। জেনেট ভ্যান ট্যাসেল ছিলেন একজন অসীম সাহসী এবং বিশ্বখ্যাত মার্কিন মহিলা আস্ট্রোনট। নিউ মেক্সীকোতে জন্মান তিনি বেলুনে করে আকাশে নানা রকম খেলা দেখাতেন। এবং এভাবে অনেক সুনাম করার পর ব্রিটিশ শাষিত ভারত বর্ষে খেলা দেখাতে আসেন। পরবর্তিতে ঢাকার নবাব বাড়িতে খেলা দেখাতে এসে এক্সিডেন্টের ফলে বেলুন থেকে পড়ে নিহত হন ১৮৯২ সালের ১৬ই মার্চ। ঢাকার নবাবের নির্দেশে তাঁকে নারিন্দা কবরস্থানে সমাহিত করা হয়। দি ইন্ডিপেন্ডেন্স পত্রিকা প্রথম তাঁকে নিয়ে স্টোরি করে। কিন্তু নারিন্দা কবরস্থানে কবর চিহ্নিত করার জন্যে একেক শতাব্দীতে একেক রীতি অনুসরন করা হয়, তাই তাঁর কবরটা নিশ্চিত ভাবে খুজে পাওয়া যায়নি। আমি কবরস্থানের কেয়ারটেকারের সাথে কথা বলেছিলাম। সাম্প্রতিক সময়ে অনেক কয়েকজন দেশি বিদেশী সাংবাদিক এবং ইতিহাসবীদ ভ্যান ট্যাসেলের সাথে দেখা করতে আসেন। কিন্তু আমরা সবাই জানি উনি নারিন্দায় আর্মেনিয়ান গ্রেভ ইয়ার্ডে আছেন, কিন্তু ঠিক কোনটা তার কবর আজও অনিশ্চিত।

লিঙ্কঃ
Click This Link

ভ্যান ট্যাসেল সম্পর্কেঃ Click This Link
Click This Link

ভ্যানট্যাসেল পরিবারের অনেকেই হয়তো আকাশচারি ছিলেন, তাই নেটে লু ভ্যান ট্যাসেল, পার্ক ভ্যান ট্যাসেল এনাদের নাম আসে। কিন্তু ঢাকায় নিহত জন একজন মহিলা ছিলেন (নবাবের জনৈক পুত্রের ডায়েরীর কপি ৪০০ বছর উপলক্ষে এক মেলায় পড়ার সুযোগ হয়েছিল, অনেকটা আধুনিক ব্লগার দের স্টাইলে মহানগরীর বিশেষ বিশেষ ঘটনা লিখে রাখতেন)

 

লেখাটির বিষয়বস্তু(ট্যাগ/কি-ওয়ার্ড): ঢাকাঐতিহ্য। ;
প্রকাশ করা হয়েছে: পৃথিবীর পাঠশালা।  বিভাগে । সর্বশেষ এডিট : ০৮ ই সেপ্টেম্বর, ২০১০ রাত ২:০৮ | বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...

 

২১ শে নভেম্বর, ২০০৮ ভোর ৫:৪৫

লেখক বলেছেন: বাহবা দেবার জন্যে ধন্যবাদ রাজা মশাই।

২. ১৬ ই নভেম্বর, ২০০৮ সন্ধ্যা ৬:৪৭
সৌম্য বলেছেন: ওখানে ব্যাপ্টিস্ট চার্চের পার্মিশান নিয়ে ঢুকতে হয় আর ক্যামেরা বহনেরও অনেক নিয়ম আছে। বলতে লজ্জা লাগে আমি তক্কে তক্কে ছিলাম, একদিন গেট খোলা পেতেই ঢুকে গেছি। ছবি গুলো মোবাইল থেকে তোলা পরে ফটোশপে হালকা টাচ মারছি।
৩. ১৬ ই নভেম্বর, ২০০৮ সন্ধ্যা ৬:৫০
মাহবুব সুমন বলেছেন: অনেক আগে একবার গিয়েছিলাম সেখানে। আপনার দ্বারা আবার সেই পুরোনো কথা মনে পড়ে গেলো। আবারো যাবার ইচ্ছে আছে। ঢাকার অনেকেই মনে হয় এটা দেখেনি !
১৬ ই নভেম্বর, ২০০৮ সন্ধ্যা ৬:৫৫

লেখক বলেছেন: সুন্দর না ভিতরটা অনেক। পরশূদিন পুরান ঢাকা গেছিলাম। ভাবছিলাম দুপুরে এইখানে ঘুরে হাজির বিরিয়ানী খেয়ে বাড়ি ফিরবো। কিন্তু অনেক ট্রাই করলাম। ঢুকতে পারলাম না

৪. ১৬ ই নভেম্বর, ২০০৮ সন্ধ্যা ৬:৫১
হমপগ্র বলেছেন: চমৎকার পোস্ট! +++++
১৬ ই নভেম্বর, ২০০৮ সন্ধ্যা ৬:৫৩

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।

৫. ১৬ ই নভেম্বর, ২০০৮ সন্ধ্যা ৭:০১
সীমন্ত ইসলাম বলেছেন: চমৎকার পোস্ট। আমার এ সম্পর্কে কোন ধারনাই ছিলনা। জেনে ভালো লাগছে। লেখককে ধন্যবাদ।
১৭ ই নভেম্বর, ২০০৮ সন্ধ্যা ৭:১৮

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ

৬. ১৬ ই নভেম্বর, ২০০৮ সন্ধ্যা ৭:০৭
জাতেমাতাল বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ সৌম্য, ঐতিহাসিক পোষ্ট। টি এস সি'র মাঠের কোনায় এ ধরনের একটা সমাধি/সৌধ টাইপের কিছু একটা আছে। ভেতরে একটা মার্বেল স্টোনে অপরিচিত ভাষায় কিছু লিখা আছে।

আমার ভালো মনে নাই .........
যাই হোক, চমৎকার পোস্টের জন্য আবার ধন্যবাদ।
১৬ ই নভেম্বর, ২০০৮ সন্ধ্যা ৭:১২

লেখক বলেছেন: ওটা গ্রীক দের। গ্রীক বনীকরা একসময় এদেশে আসে। কিন্তু বজ্জাতির দিক দিয়ে ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানীর সাথে ফাইট দেবার সাধ্য ছিল কার। পরবর্তিতে গ্রীক একজন মিনিস্টার বাংলাদেশ সফরে এসে ঐ মার্বেল স্টোনটা তৈরি করে দেন।

৭. ১৬ ই নভেম্বর, ২০০৮ সন্ধ্যা ৭:০৯
জেরী বলেছেন: জায়গাটা আসলেই সুন্দর........।

ভালো মতো বললে শুধু ব্যাপ্টিস্ট চার্চ কেন সব চার্চই অনুমতি দেয়..।
১৬ ই নভেম্বর, ২০০৮ রাত ১১:০১

লেখক বলেছেন: হয়তো দেয়। কিন্তু আমি ট্রাই করি নাই। যতোবার গেছি, চান্স নিয়া ঢুকছি। ব্যাপটিস্ট চার্চের নিয়ম কানুন জানি না। আমি সাংবাদিক না, ইতিহাসবীদও না, কি বলতাম জাস্ট দেখার জন্যে ঢুকতে চাই?

৮. ১৬ ই নভেম্বর, ২০০৮ সন্ধ্যা ৭:৩৪
আতিকুল হক বলেছেন: ছবিগুলা ভালো হইছে। লেখাটা আরো ভালো। ধন্যবাদ ঘুরাইয়া দেখানোর জন্য।
১৬ ই নভেম্বর, ২০০৮ রাত ১১:৩৮

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ আতিক ভাই। আমার তোলা ছবি দেইখ্যা কেউ প্রসংসা করে না। আপনে করলেন।

৯. ১৬ ই নভেম্বর, ২০০৮ রাত ৮:১০
আবু নাসের মোহম্মদ রেজা বলেছেন: আমাদের চারপাশে ছড়িয়ে থাকা এই ইতিহাসের না জানা কথাগুলো জানানোর জন্য অসংখ্য ধন্যবাদ। +++++
১০. ১৬ ই নভেম্বর, ২০০৮ রাত ১১:১০
মেহরাব শাহরিয়ার বলেছেন: রীতিমত মুগ্ধ হলাম ,
সিরিজটা প্রলম্বিত হোক
১৭ ই নভেম্বর, ২০০৮ রাত ১২:৩৫

লেখক বলেছেন: চেষ্টায় থাকবো

১১. ১৭ ই নভেম্বর, ২০০৮ ভোর ৪:১৫
ফারহান দাউদ বলেছেন: দারুণ সিরিজ শুরু করলেন।
১৭ ই নভেম্বর, ২০০৮ ভোর ৫:৩১

লেখক বলেছেন: সিরিজ???
ভয়াইছি। কিন্তুক ঢাকা শহরে এরকম বেশ কিছু জিনিস আছে, ইন্টারেস্টিং। আমাদের মোহাম্মদপুরে মোগলদের একটা মসজিদ আছে। লালবাগ ফোর্টের স্টাইলে এটাও লাল (আমি ছোট বেলায় লাল দেখছি)। মসজীদটা পুরান হয়ে গেলে এলাকার মুরুব্বীরা এটা রিনোভেশন করলো এবং সাদা চুনকাম করে ফেললো। এইটা কত বড় ফাইজলামী?

১২. ১৭ ই নভেম্বর, ২০০৮ সন্ধ্যা ৭:২৬
সৌপ্তিক বলেছেন: বাহ সুন্দর। সব সময় এই জায়গাটা রিক্সায় যাবার সময় দাড়িয়ে দেখতাম। আপনার মাধ্যমে আবারো দেখার সুযোগ হলো। ধন্যবাদ
১৯ শে নভেম্বর, ২০০৮ রাত ৮:০২

লেখক বলেছেন: সাহস করে একদিন দেওয়াল টপকে ঢুকে পরবেন। সুন্দর জায়গা।

১৩. ২০ শে নভেম্বর, ২০০৮ সকাল ৭:২২
তানজু রাহমান বলেছেন: এই ছবি তোলার দোষে আপনাকে না র‌্যাব ধরে!
তবে ভাই আপনি দারুন পোস্ট দেন। আপনার পোস্টের বিষয়গুলো আমাকে আকৃষ্ট করে। ভালো তথ্যও থাকে বলে মনে করি।
:)
২০ শে নভেম্বর, ২০০৮ সকাল ৯:০৯

লেখক বলেছেন: উতসাহ দেবার জন্যে ধন্যবাদ।

১৪. ২০ শে নভেম্বর, ২০০৮ দুপুর ২:১৬
নীলসাধু বলেছেন: খুব ভাল লাগার মত লেখা । ভাল লেগেছে খুব। ধন্যবাদ।
২০ শে নভেম্বর, ২০০৮ রাত ১১:২৭

লেখক বলেছেন: নীল দা নাকি। কেম্বা আছুইন?

১৫. ২৭ শে জুলাই, ২০০৯ রাত ১১:৩৯
নাজিম উদদীন বলেছেন: গুড পোস্ট।

ঢাকার আর্মেনিয়ান চার্চও অনেক পুরাতন, আঠারশ শতকের শেষার্ধে নির্মিত।
০৭ ই আগস্ট, ২০০৯ বিকাল ৫:২১

লেখক বলেছেন: কেমনে যায়, একটু ডিটেইলস দেন। ঢুকতে প্রবলেম হয় নাকি মুসলিমদের?

১৬. ২৮ শে জুলাই, ২০০৯ সকাল ১০:৪২
ধীবর বলেছেন: দেখা হয় নাই চক্ষু মেলিয়া, বাক্যটা আবারো স্মরণ করিয়ে দিলেন সৌম্য। সরাসরি প্রিয়তে। এই রকম চান্স নিয়ে আরো কিছু অসাধারণ ছবি দেখবো বলে আশা করছি। +++++++
০৭ ই আগস্ট, ২০০৯ বিকাল ৫:২৬

লেখক বলেছেন: আচ্ছা, ইনশাল্লাহ চেষ্টা করবো।

১৭. ৩০ শে জুলাই, ২০০৯ রাত ১২:৪৯
আশিক হাসান বলেছেন: আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ আমার প্রিয় পরিচিত একটি ঐতিহাসিক স্থানকে ব্লগে সবার সামনে তুলে ধরার জন্য ।এখন ও মনে পড়ে কতদিন এই কবরস্থানের ঠিক পেছন অংশে নারিন্দা সরকারী উচ্চ বিদ্যালয়ে ছাত্র থাকা অবস্থায় দেয়াল টপকে ঢুকে পড়তাম । চারিদিক অসম্ভব নির্জনতা আর নিস্তব্ধতা কে সেসময় মনে প্রানে উপভোগ করতাম।যদিও অনেকে নাকি প্রায় ভূত দেখতো সবসময় এই কবরস্থানের ভেতরে । একদিন তো আমাদের এক বৃদ্ধ অংকের টিচার যাকে আমরা যমের মত ভয় পেতাম সে নিজেই অসুস্থ হয়ে পড়েছিলেন । তিনি নাকি এক বিদেশিনি বাচ্চা মেয়েকে একা খেলারত অবস্থায় দেখতে ছিলেন এবং দিনের আলোতে সেই মেয়েটি হঠাৎ অদৃশ্য হয়ে যায় ।

যাই হোক সে অনেকদিন আগের কথা । এখনও যখন বাসায় যাই কবরস্থানের পাশ দিয়ে যাওয়ার সময় কথা কথা মনে পড়ে । ব্যস্ততার জন্য আর কখনো ঢোকার সময় হয়ে উঠেনা ।আজ অনেকদিন পর আপনার পোস্ট দেখে নষ্টালজিয়ায় আক্রান্ত হলাম । পোস্ট সরাসরি প্রিয়তে ।
১৮. ৩১ শে জুলাই, ২০০৯ রাত ১:৪৫
রুদ্র নীল বলেছেন: ভাই আপনার ফেসবুক প্রফাইল এর নাম টা দেন,খুজে পাই না।
আপনার সাথে দেখা হইসিল শাহাবাগ এ।
Rudro Niel আমার প্রফাইল ফেসবুক এ।এড কইরেন।আপনার ছবি গুলা দেখব।
০৭ ই আগস্ট, ২০০৯ বিকাল ৫:২৮

লেখক বলেছেন: Saeed shoummo লিখে সার্চ দিয়েন।

১৯. ০২ রা আগস্ট, ২০০৯ ভোর ৬:২০
ফারহান দাউদ বলেছেন: চামে ঢুকতে গেলে না ঠ্যাঙ্গানি খাওয়া লাগে! :| তবে আপনের ছবি তোলাতে লাভ হইসে, আমাদেরো দেখা হইলো, এমনিতে কবরস্তান জায়গাটা আমার বিশেষ ফেভারিট না।:|
২১. ০৭ ই আগস্ট, ২০০৯ বিকাল ৫:৩৭
অ্যামাটার বলেছেন: সৌম্য ভাই, পুরণো ঢাকা যে কতটা সমৃদ্ধ ঐতিহ্যে, সেটা আগে জানতাম না। এখন সপ্তাহে দুইদিন যাওয়া হয় বলে কিছু কিছু এলাকা ঘুরে দেখি। আর্মেনিয়ানদের ব্যাপারে মজার ব্যাপার, শুনলাম কি, এখনও নাকি আরমানিটোলায় কয়েকঘর আর্মেনীয় বাস করে! যদিও নেটিভদের সাথে মিলে-মিশে একাকার, অরিজিন কতটুকু ধরে রেখেছে, কে জানে...

যাকগা, শুক্রবার সকালের ভাগে কি আপনার কোনও প্রোগ্রাম থাকে? ঐ সময়টা ফ্রি থাকি, (আজকে অবশ্য না), সময় মিললে আসেন, আশপাশের ছোটখাট কোনও অভিযানে নামি? কাছাকাছি হলে ট্রান্সপোর্টের সমস্যা হবে না, যদিও শহরের বাইরে গাড়ি নিতে বাপে পারমিশন দেয় না:(
০৮ ই আগস্ট, ২০০৯ রাত ১২:৪৭

লেখক বলেছেন: পুরান ঢাকার চিপা গলিতে গাড়ি নিয়া যাবেন?

আমারে এট্ট আওয়াজ দিয়েন। আমি হাজির থাকবো।

২৩. ০৩ রা সেপ্টেম্বর, ২০০৯ বিকাল ৪:৪৮
নিভৃত পথচারী বলেছেন: নারিন্দায় যাতায়তের পথে প্রায়ই কৌতুহলী চোখে তাকাই খ্রীষ্টান কবরস্থানের দিকে। সুউচ্চ সীমানা দেয়ালে ওপাশ টা কেমন দেখাস সুযোগ হয়নি কখনও। আজ এই সুযোগে দেখে এবং জেনে নিলাম।
০৩ রা সেপ্টেম্বর, ২০০৯ রাত ১১:৪১

লেখক বলেছেন: http://www.flickr.com/photos/41020615@N04/

মাসখানেক আগে আরেকবার গেছিলাম ক্যামেরা নিয়ে। এটা সেখানকার লিঙ্ক।

ধন্যবাদ ভাই

২৪. ১০ ই জানুয়ারি, ২০১১ সকাল ৭:২৮
মেকগাইভার বলেছেন: একবার বন্ধুদের সথে বাজি ধরে এই কবরস্থানে দেয়াল টপকে ঢুকে সারারাত ছিলাম...............

বিস্তারিত পরের পোস্টে।
২৫. ২০ শে ডিসেম্বর, ২০১১ সন্ধ্যা ৭:৪৪
চাটিকিয়াং রুমান বলেছেন: অনেক কিছু জানা হলো আর্মেনিয়দের কবরস্থান সম্পর্কে।
২৬. ২৮ শে ডিসেম্বর, ২০১১ সকাল ১০:৪৮
রেজোওয়ানা বলেছেন: আপনার অনুমতি ছাড়াই আপনার এই লেখাটার লিংকটা আমার একটা পোস্টে এড করেছিলাম। আজ মনে হলো, সরি' বলা উচিত :(

 

মোট সময় লেগেছে ১.০০৭৯ সেকেন্ড

 

সামহোয়‍্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব‍্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...
© সামহোয়্যার ইন...নেট লিমিটেড | ব্যবহারের শর্তাবলী | গোপনীয়তার নীতি
আমি সাঈদ সৌম্য।
ঘুরা ঘুরি করতে ভাল্লাগে।
আর এস এস ফিড

পোস্ট আর্কাইভ

আমার লিঙ্কস

আমার বিভাগ