আমার প্রিয় পোস্ট
- সত্যজিতের 'ফেলুদা' সমগ্র : এখন পর্যন্ত প্রকাশিত সকল সিনেমা, ইবুক,কমিকস্, অডিও নাটক এর মেগা কালেকশন - মানব সন্তান
- আসুন, জেনে নেই কিছু মার্মা ভাষা: পর্ব-১ - পয়গম্বর
- সামহয়্যার এর বইয়েরা - আদ্রিতা
- Photo Editing এর সাতকাহন - ইভা লুসি সেন
- ইলেকট্রনিক সার্কিট বানানোর নানা ধরনের বোর্ড এবং সল্ডারিং নিয়ে একটি সংক্ষিপ্ত আলোচনা !!! (স্পেশালি ইলেক্ট্রনিকস এর নতুন হবিস্ট ভাইদের জন্য

) - জাওয়াদ তাহমিদ
- পোস্ট না পড়ে কিংবা অল্প পড়ে কিভাবে সুন্দর মন্তব্য করবেন? (নতুন ও কর্মজীবী ব্লগারদের জন্য পরামর্শ) - ফিউশন ফাইভ
- আমার বুকমার্ককৃত মুভি ডাউনলোড করার সাইটগুলো শেয়ার করলাম
- পুশকিন
- বিনামূল্যে ফটোশপ শিখুন(ইহা কোন বিজ্ঞাপনধর্মী পোস্ট নয়)..........

- কূপমন্ডুক
- আকাশ কাঁপানো বিস্মৃত কয়েক জন বাঙ্গালী বীর - Neelpoddo
- তৈরী করুন নিজের অনলাইন টি.ভি. চ্যানেল। - সুইট
- রঘু রাইয়ের সঙ্গে এক দিন - হাসান বিপুল
- পিশিং এর মাধ্যমে হ্যাকিং করুন বাঘা বাঘা সব ইউজারদের ফেসবুক একাউন্ট।সম্পূর্ণ টিউটোরিয়াল।হ্যাকিং পর্ব-২ - সজীব রহমান
- এখন ইয়াহু থেকে কল করবো ফ্রী তে - আবিল (দ্যা লিরিক বয়)
- সত্যজিত রায়ের অসাধারন কিছু সিনেমা মিডিয়াফায়ার ডাউনলোড লিংক সহ - ক্যারাটে কিড
- ওরে তোরা সব জয়োধ্বনি কর.-------বাংলার কৌতুকরাজ জাফরল্লাহ শারাফত চৌধুরির ধারাভাষ্য - নিশাচর বাদুড়
- বাংলাদেশের পাখি... ১ - (অ)ভদ্র ছেলে
- অল্প সময়ে ফেসবুক, ফ্লিকার, ইমেজসহ্যাক সহ ওয়ার্ডপ্রেস, ব্লগার, সামহোয়্যারইন ব্লগ, টেকটিউনস ইত্যাদিতে একসাথে অনেকগুলো ছবি আপলোড করুন কোন ঝামেলা ছাড়াই - আরিফ বল্গ
- রুদ্র মোহাম্মদ শহীদুল্লাহকে লেখা তসলিমা নাসরিনের চিঠি - আপেল মাহমুদ তপু
- 'অটার ফিশিং' দেখতে গহীন গায়ে......... - অর্ফিয়াস
- চট্টগ্রাম সেনা বিদ্রোহের ২৯ বছর পর ফিরে দেখা। পর্ব-৬ - ত্রিশোনকু
- নিজের একটা ব্লগ সাইট করুন ডমেইন হোস্টিং সহ সবই ফ্রী। - নিঃসঙ্গ
- আধ ঘন্টায় প্রেম, অতঃপর বিয়ে... - ড়ৎশড়
- হুমায়ুন আহমেদের ১৪৮ টি বইয়ের বিশাল সমগ্র [রিপোস্ট] লিংকসহ ঠিক করে দিলাম - বখতিয়ার হোসেন
- ওয়ার্ডপ্রেস শিখুন খুব সহজে !!! ( পর্ব - ১ ) - ডিজিটাল ম্যান
- গেম ডাউনলোড : AVATAR : The Game - এ.কে.এম. ওবায়েদ-উল হক
- ডিজিটাল ক্যামেরা টিউটোরিয়াল (বেসিক) - জোবাইর
- বাংলা ব্লগ'স্ফেয়ারে মুক্ত'চিন্তার গুরুত্বপূর্ণ লেখা/পোস্ট/ব্লগ সংগ্রহের উদ্যোগঃ সচেতন সকলে'র অংশগ্রহন কাম্য … - মনির হাসান
- কুমীরের খামার - ক্রোকোডাইল ফ্যাক্টরী !!!! - শ।মসীর
- কলিগ খালি এডাল্ট সাইট ভিজিট করে - ডট কম ০০৯
- মেজর নাজমুল হক : অকৃতজ্ঞ জাতির এক অচ্ছ্যুৎ সেক্টর কমান্ডার - অমি রহমান পিয়াল
- একটি মামাবাড়ির আবদার ~ তথা ~ দাতা হাতেম তাই ~ তথা ~ হাজী মুহম্মদ মুহসীন টাইপ পোস্ট (লিংকদাতা পোস্ট)
- নাফিস ইফতেখার
- জন্মযুদ্ধ '৭১ : আমাদের স্বাধীনতার জন্য রক্ত দিয়েছিলো তিব্বতীরাও! - অমি রহমান পিয়াল
- আদিবাসী সুর, আদিবাসী গান - ভাঙ্গা পেন্সিল
- ওর্য়াডপ্রেস ব্লগ ইনস্টল এবং অত:পর - হাসান
- আমার ঈদ শপিং - শওকত হোসেন মাসুম
- প্রিমিয়াম লিঙ্ক জেনারেটর (আপডেটেড - ১৭ই ডিসেম্বর ২০১০)
- অরণ্যচারী
- দুইন্যার হগ্গল পদের ভিডিও চালান ♫♫♫উইন্ডোজ মিডিয়া প্লেয়ারে♫♫♫!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!! - তাজুল ইসলাম মুন্না
- ইন্টারনেটের যে সাইটগুলোতে সারাদিন কাটাই

- অরণ্যচারী
- কথাশিল্পী বিভূতিভূষণ বন্দোপাধ্যায় - সৈয়দ আমিরুজ্জামান্
- পারু-থাকসান মন্দিরের পথের বাঁকে-বাঁকে এবং নিঃসঙ্গ প্রকৃতি উপভোগ - ধূসর মানচিত্র
- বঙ্গ দেশের প্রথম বাঙ্গালীর মহাকাশ অভিযানের বিবরণী - আনোয়ারুল আলম
- 2টা অসাধারন রেপিডশেয়ার প্রিমিয়াম লিঙ্ক জেনারেটর সাইট - স্স্পরসের বাহিরে
- বান্দরবান-থানচি, তিন্দুর, বড়পাথরের বাকে- বাকে - ধূসর মানচিত্র
- 2টা Rapidshare Premium Account সবার জন্য - স্স্পরসের বাহিরে
- খুব অল্প খরচে বেড়িয়ে আসুন মিয়ানমারের মংডু শহরঃ- - জুল ভার্ন
- আসেন ক্যাতা করি
- নাফিস ইফতেখার
- আমি বন্দী কারাগারে,আছি মা গো বিপদে - ফারহান দাউদ
- শব্দ-রাজ্যে অভিযান (২৭): Utopian ! - ম্যাভেরিক
- ছফা'র বর্ণনায় হুমায়ূন আজাদ-১: হুমায়ুন আজাদ একটা সজারু (চৌর্যবৃত্তির এই বিষয়গুলো আমাদের জানাই ছিল না) - সাদাত হাসান
- জুমলা টিউটোরিয়াল ৮: সাইট মেন্যু - গৌতম রায়
- কিভাবে পোস্টে ইউটিউব ভিডিও যোগ করবেন? - হাসিন
- ফ্রি হোস্টিং এবং ডোমেইনসহ মাত্র এক ঘণ্টায় তৈরি করুন নিজের একটি ওয়েবসাইট বা ব্লগ সাইট - পান্থ বিহোস
- ওয়েবের টাইমমেশিন, ঘুরে আসুন অতীত থেকে!!!
- ইন্ঞ্জিনিয়ার
- জার্নি টু 'সাজেক' - পাহাড়ের এক রানী । - জেড ইসলাম
- নতুন ব্লগাররা ওয়েবসাইটের দিকে নজর দিন ~ পাঠককে ওয়েবসাইটকে ধরে রাখুন - হাসান
- ছবি এডিটিং এর কিছু প্রয়োজনীয় সাইট - বোকা ছেলে
- স্মৃতির পাতা জুড়ে প্রিয় চৌধুরী জাফরুল্লাহ শরাফত - সীমান্ত আহমেদ
- ভড়কে যান ভড়কে দিন(নোটপ্যাড এর কারিশমা) - আলামিনস্টাইন
- সিকিম সিনড্রোম? - েমাহাম্মদ িমজানুর রহমান
- ফ্রি মুভি ডাউনলোড - দুঃখবিলাস
- আপনি কিভাবে ঘুমান
- ডেলফ
- ৭০০মেগাবাইটের যেকোন মুভি ডাওনলোড করুন মাত্র ৩০০ মেগাবাইটে। একই মান অত্যাধিক সুবিধা সহ - টাক্কা
- মুভি ডাউনলোডের কোন সাইট আছে? - হমপগ্র
- ভাবতেছি জিনিসখান আপনাদের সাথে শেয়ার করবো নাকি - মইন
- টেকনিক্যাল ক্যাতা পোস্ট- মোবাইলে বাংলা ফন্ট (নোকিয়া-সিম্বিয়ান)
- চোরকাঁটা
- নোকিয়ার জন্য ফোন ট্র্যাকার(চুরি রোধের উপায়) - রহস্য
- Google AdSense ... ওয়েব থেকে আয়-উপার্জন (৪) - ত্রিভুজ
- আসুন আমরা Rapidshare থেকে Resume Support সহ Super Speed এ File Download করি... - অতিথি_পথিক_মানুষ
- কেন কিনবেন বই যখন ফ্রী পাচ্ছেন? - তামিম
- Rapidshare থেকে সহজে ডাউনলোড করার উপায় - ঐক্যতান
- ফটোগ্রাফি বিষয়ে কাজে লাগার মতো পাঁচটি সাইট - মিসকল মফিজ
- ইন্টারনেট এক্সপ্লোরারের টাইটেলবারে নিজের নাম যোগ করা - মশিউর রহমান মেহেদী
- মুঠোফোন-সফটওয়ার'জ - চিলে কোঠার সেপাই
- কতগুলো ফ্রী মুভি ডাউনলোডের সাইট! সাথে মুভী ডাউনলোডের ইউনিভার্সাল সাইট! - ঢিল মারে কে মোর টিনের চালে
- টপটেন-০০১! - মুকুট
- Esnips থেকে গান ডাউনলোডের উপায় - রাশেদ
- ফ্রীতে নিজের একটা সাইট করুন ডমেইন সহ সবেই ফ্রী... - নিঃসঙ্গ
- বিষয় যখন গান - সায়েন্স জোন
অগুনিত মেহেরের গল্প।
০৪ ঠা জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ১০:৫৮
![]()
অগুনিত মেহেরের দিন শুরু হয় এভাবে
বাংলাদেশ মিলিটারী একাডেমীর কঠোর কিন্তু অত্যন্ত আনন্দের দিন গুলো নিয়ে মাসখানেক আগে চির উন্নত মম শীর (মিলিটারী একাডেমীর স্লোগান) সিরিজ করে ব্লগে লিখতে শুরু করেছিলাম। শেষে কিছু ব্যাক্তিগত কারনে প্ল্যানটা ছাড়তে হয়েছিল। সম্পুর্ন অন্য কারনে এই লিখা। এটা ঐ সিরিজের সাথে সম্পর্কিত নয়, আজকে একজনের কথা বলবো, তার নাম মেহের।
মিলিটারী একাডেমীর প্রথম রাতের কথা। ভয়ানক স্বাগতম ডলা চলছে। একাডেমীর গেট দিয়ে ঢোকা মাত্রই সিনিয়রেরা ক্ষুধার্ত নেকড়ের মতো ঝাপিয়ে পড়লো। আমি আর জনৈক কোর্সমেট ফাঁকি দিয়ে মুল দল থেকে আলাদা হতে গিয়ে ব্যাপক ডলার সম্মুখিন হলাম। জনৈক মহিলা সিনিয়র আলাদা করে পাঙ্গালো। কিছুক্ষনের মধ্যেই আমরা বার পাচেক বমি করলাম, উলটা হয়ে ঝুলে থাকতে থাকতে অবস্থা শেষ। বর্ষার দিন, পিটি গ্রাউন্ডে লজ্বাবতীর কাঁটা ভালোই ছিল। সারা শরীর থেকে রক্ত ঝরছে। আমার কর্পোরালে স্যাডিস্টিক মানসিকতার জন্যে ব্যাটালিয়ন খ্যাত ছিল। প্রায় অর্ধমাইল ফ্রগ জাম্প দিতে দিতে অবস্থা শেষ। এমন সময় অনেকক্ষন পর উঠে দাড়ানোর অনুমতি মিললো। সাহস করে উঠে দাঁড়িয়ে সিনিয়রের মুখের দিকে তাকিয়ে একটূ ভ্যাবাচেকা খেলাম। একজন সাদা চামড়ার বিদেশী ক্যাডেট। বাংলাদেশ মিলিটারী একাডেমীতে প্রচুর বিদেশী ক্যাডেট আসে জানতাম। এর সাথে আমার প্রথম পরিচয়। তালগাছের মতো লম্বা।শুকনা, চামড়া অনেক বেশী ফ্যাকাশে দেখে মনে হয় রক্ত শুন্যতায় ভুগছে বাদামী চুল, বাদামী পিঙ্গল চোখ। ভু-মধ্যসাগরীয় চেহারা। পরে জানলাম দুর্দান্ত রকমের বেয়াড়া একজন কিন্তু অসম্ভব রকম ফিজিক্যালী টাফ একজন। নাম মেহের। দেশ প্যালেস্টাইন।
একাডেমীতে ফার্স্ট টার্ম আর ফাইন্যাল টার্মের মধ্যে অন্যরকমের খাতির। থার্ড টার্ম মুলত পাঙ্গা পালিশ চালায়, সেকেন্ড টার্মারেরা নিজেরাই থাকে দৌড়ের উপরে। তবে অবসরে তারাও সিনিয়রশীপের প্রাকটিস চালিয়ে নেয়। ফাইন্যাল টার্মের অন্যতম কাজ হচ্ছে এদের হাত থেকে ফার্স্ট টার্মারদের রক্ষা করা। যেমন ধরা গেছে, ডাইনিং রুমে সবাই ক্ষুধার্তের মতো গোগ্রাসে খাচ্ছি, এমন সময় কারো হাত থেকে চামচ খসে পড়ে গেল। কর্পোরাল (একজন থার্ড টার্মার ক্যাডেট) লাফ দিয়ে উঠে সবাইকে তাড়িয়ে নিয়ে আসবে। পুট অন ডাংরি লং বুট, মেক ফল ইন। এমন সময় ফাইন্যাল টার্মার কেউ এসে কর্পোরালকে আলাদা করে নিয়ে কিছু বলে সব ফার্স্ট টার্মারদের সাথে পিলি পিলি গল্প শুরু করে দেবে, কার কার গার্ল ফ্রেন্ড আছে, এই সব। আজকের পাঙ্গা বাদ। মেহের স্যার প্রথমদিকে মোটেও এমন ছিলেন না।
সারাদিন হাড়ভাঙ্গা খাটুনির পরে সোমালিয়ান রেফুইজিদের মত ডাইনিং রুমে বসেছি, হঠাত করে মেহেরের বিচিত্র আরবিংলিশ (বাংলিশ হলে আরবিংলিশ হবে না কেন?) সেই উচ্চারন বোঝাও দুরহ, ইয়েত ফার্স্ত তার্মারস আই’ভ লস্ট তেন তাকা নিয়ার হোয়াইত ওয়াল। গো এন্দ ফাইন্দ ইত। আমাদের খাওয়া ফেলে ছুটতে হতো কোম্পানী লাইনের পিছে সাদা দেয়ালের দিকে। পাশের পাহাড় থেকে পাহাড় ধ্বসের কাদায় ভর্তি থাকতো। গায়ে কাদা মেখে না ফিরলে আরো ক্যাচাল। বিরক্ত হয়ে একদিন আলী দাঁড়িয়ে বললো, স্যার ফরগেট টেন টাকা, ইটস টু চিপ, উই ক্যান গিভ ফিউ থাউজ্যান্ড বাকস। পুরো ডাইনিং হল পিনপতন নিঃস্তব্ধ। থার্ড টার্মাররাও হচকে গেছে। আমরা ভয়ে শেষ আজকে রাতে ভিগোরাস পাঙ্গা থেকে বাঁচার বুদ্ধি খুজতেছি সবাই। সবাইকে অবাক করে মেহের ঘর ফাটিয়ে হাসতে লাগলো। এরপর থেকে সে আমাদের খুব কাছের জন।
মেহের একাডেমীর টাফেস্ট একজন। সাড়ে ছয়ফিটের মতো উচ্চতা, যেকোন ক্যাডেটের তিনপা দৌড় তার এক পা দৌড়ের মতো। মাইল টেস্ট পয়েন্টে বিশাল একটা বোর্ড আছে, ওয়ান মাইল আর টু মাইলের রেকর্ড হোল্ডারদের নাম সেখানে লিখা থাকে। তুমি কি চ্যালেঞ্জ নিতে পারবে? জিসি মেহের জিসি নাম্বার ব্লা ব্লা, ৪মিনিট ৪৫সেকেন্ডে একমাইল দৌড়ে আসতে পারে। তুমি তাকে হারাতে পারবে? অবশ্য মেহের থাকতে থাকতেই সিলেট ক্যডেটের আরেকজন এই রেকর্ড ফেঙ্গে নিজের নাম বসিয়ে দিল, সেও আমাদের জাহাঙ্গির কোম্পানীর। কিন্তু মেহেরের দুই মাইলের রেকর্ড বহাল ছিল। এখন কি অবস্থা জানি না। এসল্ট কোর্সের রেকর্ডও হঠাত সেই একই ছেলে ভেঙ্গে বসলো। ব্রায়ান লারা কিভাবে হেইডেনের কাছ থেকে রাজকীয় ভাবে নিজের রেকর্ড পুনরুদ্ধার করে ঠিক সেরকম ভাবেই মেহের তার রেকর্ড উদ্ধার করলো ট্রেনিংএর একদম শেষ মুহুর্তে। এসল্ট হচ্ছে বাধা ডিঙ্গানী দৌড়, ঘাড়ে রাইফেল নিয়ে অনেকগুলো বাধা ডিঙ্গিয়ে পাহাড়ের মধ্যে দিয়ে শেষে ফায়ারিং রেঞ্জে গিয়ে দশ রাউন্ড গ্রুপিং ফায়ার করা লাগে। যদিও পুরাটাই টিম ভিত্তিক আয়োজন কোন দল আগে যায়, তারপরেও ব্যাক্তিগত রেকর্ড করা সম্ভব। মেহেরের শেষ এসল্টের দিন জাহাঙ্গির কোম্পানীর একই দলে মেহের এবং সীলেট ক্যাডেট কলেজের সেই রেকর্ড ব্রেকার পড়লো। মেহের শুরু করলো অদ্ভুত স্লোলী ভাবে।নাইন ফিট ওয়ালের উপরে অনেকক্ষন বসে থাকলো খামোখা। দলের শেষ ক্যডেটটাকে পার করে দিয়ে হঠাত কি মনে করে শুট লাগালো, পাহাড়ের ওপারে যখন ফায়ার শেষ করলো, ততক্ষনে নিজের রেকর্ড পুনরুদ্ধার করে ফেলেছে।
মেহেরের সাথে অজ্ঞাত কারনে আমার খুব খাতির হলো। আমি দৌড়ে বেশ দুর্বল ছিলাম। রাতে ডিনারের পর কর্পোরালের কাছ থেকে আমাকে ছুটিয়ে এনে ব্যাটালিয়ন চক্করে পাঠাতো। দৌড়ানোর সময় কিভাবে শরীর সামনে ঝুকে রাখতে হয়, হাতের পজিশন, ফুট মুভমেন্ট ছোট ছোট ব্যাপার গুলো কিভাবে শক্তি সংরক্ষন এবং দ্রুত বাতাস কেটে সামনে এগোতে সাহায্য করে খুটি নাটি অনেক হেল্প করতো।
ফিলিস্তিনে বোধহয় বৃষ্টিপাত খুব কম হয়, বর্ষাকাল, আমাদের কাদা আর জঙ্গলে থাকতে থাকতে শরীর চুলকানী শুরু হয়ে যায় দেখে আমরা এই ঋতুটাকে দু-চোখে দেখতে পারতাম না। তাকে দেখতাম বর্ষা আসলেই মহানন্দে কোম্পানী লাইনের সামনে জোর করে দু-চারজনকে নিয়ে ভিজতো। ইয়াসির আরাফাত বাংলাদেশ সফরে এসে সরকারের সাথে একটা চুক্তি করে। এই চুক্তি অনুযায়ী প্রায় ৩০/৩৫ জন প্যালেস্টাইনিকে সামরিক প্রশিক্ষনের জন্যে চট্টগ্রামে পাঠানো হয়। কিন্তু প্যালেস্টাইনের রাস্তায় রাস্তায় গেরিলা যুদ্ধ করা এই ছেলেগুলো আমাদের মতো মধ্যবিত্ত ঘরের ছেলেনা। জন্মের পর থেকেই তারা রক্ত দেখছে। প্রতিদিন ঘুম ভেঙ্গে পাখির ডাক নয় শুনে ইজরায়েলের দৈত্যাকার আব্রাহাম ট্যাঙ্ক গুলো তাদের উপত্যকার বসতবাড়ির উপর দিয়ে চালিয়ে যাচ্ছে। বয়স দশ হবার আগেই একে৪৭এর সাথে তাদের পরিচয় হয়।একাডেমীতে একটা গান শুনতাম, আই ডোন্ট ওয়ান্ট মাই টিনেজ কুইন, আই জাস্ট ওয়ান্ট মাই টি-৫৬। টিনেজ কুইনের সাথে পরিচয় হবার সুযোগ পাবার অনেক আগেই বেশিরভাগ কিশোর পঙ্গু হয়ে যায় কিংবা ইজরায়েলী হেলিকপ্টার গান শিপ গুলো ধুলোর সাথে মিশিয়ে দিয়ে যায়। স্বাভাবিক ভাবে কনভেনশনাল মিলিটারী ট্রেনিং গ্রহন করার উপযোগী তারা ছিল না। বিশৃংখলা, চেইন অফ কমান্ড ভঙ্গ ইত্যাদি কারনে পররাষ্ট্রনীতির চাপকে অস্বীকার করে মিলিটারী একাডেমী ওদেরকে ছাটাই করতে থাকে। কারন অতিরিক্ত বেয়াড়া আর বিশৃংখল হবার কারনে ঐতিহ্যবাহী এই প্রতিষ্ঠানটার কাছে এরা মোটেও গ্রহনযোগ্য ছিল না। শেষ পর্যন্ত ৩০জনের মধ্যে মাত্র ৭জন টিকে ছিল। ক্যাম্প ডেভিড চুক্তির থেকে ইয়াসির আরাফাত হয়তো স্বপ্ন দেখেছিলেন একদিন স্বাধীন প্যালেস্টাইন গঠন হবে এবং বাংলাদেশ মিলিটারী একাডেমী থেকে প্রশিক্ষিত এরাই প্রথম প্যালেস্টাইন আর্মির পায়োনিয়ার হবে। বাংলাদেশ মিলিটারী একাডেমী এদের নিয়ে বেশ ঝামেলা পোহাতো। ওদের বেয়ারাপনা আর উচ্ছৃংখলতাই একমাত্র কারন নয়। ভাষা সমস্যাও একটা কারন। এরা ইংরেজীতে অসম্ভব দুর্বল। পড়াশুনার অবস্থা আরো ভয়ঙ্কর। আমাদের পড়াশুনার মাধ্যম ইংরেজী। আর কমিশনের শর্ত হচ্ছে ন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির আন্ডারে গ্রাজুয়েশন করতে হবে। ট্রেনিং অফিসার এবং সিনয়রেরাও কথা বার্তার জন্যে ইংরেজী ব্যাবহার করেন। যুদ্ধ বিদ্ধস্ত ফিলিস্তিনি গেরিলাদের কাছ থেকে আশা করা যায় না তারা ইংরেজীতে ক্যালকুলাস কিংবা পলিটিক্যাল সায়েন্স পড়বে। ট্রেনিং দেবার জন্যে যেই সৈনিক ইন্সট্রাক্টরেরা ছিল তারা এদের পানিশমেন্ট দিতে পারতো না। ধরলেই স্তাফ হামি বঙ্গলা বুঝি না। মহাজ্বালাতন। আরবীজানা সৈনিক পাওয়া অসম্ভব। আমরা বিএসসিতে ম্যান্ডেটরি হিসাবে বাংলা প্রথম এবং দ্বীতিয় পত্র নিতাম। এরা ইংরেজীর পাশে আরবী নিত। সৌভাগ্যবশত একজন এডুকেশন কোরের মেজর বের হলেন যিনি ইসলামিক স্টাডীজএ ঢাকা ইউনিভার্সিটি থেকে মাস্টার্স করেছেন। কিন্তু বেচারা ছাত্র হিসাবে এমন কজনকে পেলেন যাদের মাতৃভাষা আরবী।
ফার্স্ট মিডটার্মের পর ফাইন্যাল টার্ম বাদে সবাই এক সপ্তাহের ছুটিতে বাড়ী যায়। ফাইন্যাল টার্মারদের জন্যে অনেক গিফট নিয়ে আসা দস্তুর। মেহের আমাকে দায়িত্ব দিল তার জন্যে চটি বই নিয়ে আসতে হবে নীলক্ষেত থেকে। কিভাবে কিভাবে জানি সে রসময় গুপ্তের বিশাল ফ্যান হয়ে গেছে (বাংলা বুঝলেও পড়তে পারে না)। ঘটনাটা অদ্ভুত, এক ছেলে যে এক বর্ন বাংলা পড়তে পারে না সে রসময় গুপ্তের ফ্যান। গালা নাইটের দিন ফাইনাল টার্মারেরা জুনিয়র সাজে আর ফার্স্ট টার্মারেরা সিনিয়র সেজে ওদের পানিশমেন্ট দেয়। ফাইন্যাল টার্মারেরা অবশ্য তাদের গায়ে পানির বালতি শেভিং ফোম ইত্যাদি ঢেলে দিতে পারে। গালা নাইট কনসার্টে আইউব বাচ্চুর গানের তালে মেহের, নেমের, আব্দুল্লাহ সাত প্যালেস্টাইনী দেখি গলা ফাটিয়ে গান গাচ্ছিলো, আর বেশী কাতালে উতাল তেব আকাতে। পথে নেমের এবং আব্দুল্লাহ যার যার কোম্পানীর ছেলেদের গায়ে কাস্টার্ড ঢেলে দিছে দেখে সাবধান ছিলাম। রুমে ঢোকার আগে ভালো করে তালা টা পরীক্ষা করে দেখলাম, না সব ঠিকাছে। তালা খুলে ঢুকতে যাবার মুহুর্তে দেখি আমার ড্রেসিং রুমের জানালাটা খোলা। দেরি হয়ে গেল, পালাতে পারলাম না, আমার শেভিং ফোমের ক্যানের পুরোটা আমার মাথায় শেষ করলো মেহের।
মেহের তার পরিবারের সম্পর্কে কিছুই বলতো না। এটুকু জানতাম তার বাড়ি গাজা স্ট্রিপে ছিল এখন কিছু নেই। তার বাবা ছিলেন একজন ডাক্তার। ইমেইল এড্রেস লিখে রেখেছিল। ই-মেইলের জবাবে অনেক কিছু লিখলেও প্যলেস্টাইন সম্পর্কে একটা কথাও ছিল না। ওনার রুমে বিশাল একটা প্যালেস্টাইনী পতাকা ছিল। ইজরায়েলী আর্মির প্রতি তীব্র ঘৃনা লুকাতে পারে নি। পাসিং আউট প্যারেড শেষে সদ্য সেকেন্ড লেফট্যান্টে পরিবর্তিত ক্যাডেটরা যার যার ইউনিফর্ম লাগিয়ে বাড়ি যাচ্ছিলো প্যারেন্টসদের সাথে। প্যালেস্টাইনীদের ট্রেনিং শেষ। এরা ইউনিটে যাবে না, এরা যাবে সরাসরি ব্যাটেল ফিল্ডে। একাডেমী খালি হলেও এদের কয়েকদিন থাকা লাগবে। দুপুরে মেহেরকে দেখলাম আয়োজন করে খাচ্ছে, বাইরের আনন্দ উচ্ছাসে কিছুই এসে যায় না। নিয়ম অনুযায়ী ক্যাডেট ইউনিফর্ম খুলে সেকেন্ড লেফটেন্যান্টের পিপস লাগানো ইস্টবেঙ্গল রেজিমেন্টের ইউনিফর্ম পড়েছে। জানতাম সেটাই তার সাথে শেষ দেখা। বাইরের উতসব ফেলে তার সাথে বেশিক্ষন থাকার ইচ্ছে ছিল না।
ইজরায়েলের মোসাড খুব নামকড়া ইন্টালিজেন্স। বাংলাদেশে সাতজন ছেলে ট্রেনিং শেষ করছে ব্যাপারটা তারা ভালো ভাবেই জানতো। ওদেরকে দু বছরের মধ্যে একাডেমীর বাইরে খুব সাবধানে যাতায়াত করতে হতো। ছুটিতে ঢাকায় এলে এম্বেসীতে থাকতো। মিলিটারী একাডেমীর মতো সুরক্ষিত জায়গায় মোসাডের কিছু করার সম্ভবনা ছিল না। ট্রেনিং শেষে শুনেছি ওরা প্রথমে লেবানন যায়। কিন্তু প্যালেস্টাইনে নামার সাথে সাথে ছয়জন মোসাদের হাতে ধরা পড়ে। প্রচন্ড টর্চার করে ৬জনকেই মেরে ফেলে। আরেকজন পালিয়ে পালিয়ে নিজেকে রক্ষা করে। ৬ মাস পরে সেও ধরা পরে এবং ইজরায়েলীরা গুলি করে ফেলে। সপ্তম জনের নাম মেহের। বাংলাদেশ মিলিটারী একাডেমীর সবকজন প্যালেস্টাইনি ক্যাডেটের মৃত্যুর খবর নিশ্চিত হলে মিলিটারী একাডেমীতে একদিনের শোকদিবস পালিত হয়েছিল।
লেখাটির বিষয়বস্তু(ট্যাগ/কি-ওয়ার্ড): ফিলিস্তিন।, ফিলিস্তিন। ;
প্রকাশ করা হয়েছে: কথার কথা বিভাগে । সর্বশেষ এডিট : ০৮ ই সেপ্টেম্বর, ২০১০ রাত ২:২২
আছহাবুল ইয়ামিন বলেছেন:
খুবই অদ্ভুত লাগল। সামরিক ট্রেনিংপ্রাপ্ত হলেই তাকে মেরে ফেলতে হবে???
লেখক বলেছেন: ফিলিস্তিনি তরুন (সামরিক বয়সী হলেই) হওয়াটাই অপরাধ। আর এরাতো প্রথম শ্রেনীর মিলিটারী ট্রেনিং পাওয়া গেরীলা।
আবদুর রাজ্জাক শিপন বলেছেন:
কিছু বলার ভাষা পাচ্ছিনা ।
এই চরম অন্যায়ের বিরুদ্ধে আমাদের অকার্যকর কিছু শব্দের ব্যয়- ই আমাদের অক্ষমতার প্রকাশ ।
লেখক বলেছেন: তথাকথিত মুসলিম উম্মাহ, কিংবা মুসলীমসজমের টেন্ডার নিয়ে বসে থাকা দেশগুলো সৈদি আরব, লেবানন মিশর, সবাই মজা দেখছে।
মেহের এবং সকল শহীদের আত্মার শান্তি হোক।
লেখক বলেছেন: দাউদ ভাই, সিনিয়র জুনিয়র সত্তেও ওনার সাথে খুব ক্লোজলি মিশেছিলাম। দুর্ভাগ্যবশত তার কোন ছবি আমার কাছে নাই। কিন্তু টিভিতে ইজরায়েলী গণহত্যা দেখলেই মনে পড়ে ভয়ানক লম্বা, ছিপছিপে এক তরুন, বাদামী চোখের কারনে কোন এক্সপ্রেশন ধরা পরে না। ভয়াবহ বেয়াড়া, বিশৃংখল, মিলিটারী একাডেমীতে কনভেনশনাল ওয়ার ফেয়ারের হাজার কাস্টমসে প্রান ওষ্ঠাগত, একজন প্যালেস্টাইনি গেরিলা, আমার খুব প্রিয় একজন সিনিয়র।
লেখাজোকা শামীম বলেছেন:
অসাধারণ । ধন্যবাদ।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ শামীম ভাই।
আকাশচুরি বলেছেন:
+
খোকন জিও বলেছেন:
+ প্রিয়তে
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ খোকন ভাই।
আহসান হাবিব শিমুল বলেছেন:
আমি নপুংশক, আমরা নপুংশক, এই পৃথিবীর মানুষেরা নপুংশক, এই সভ্যতা নপুংশক।সবার চোখের সামনেই যুগযুগ ধরে সংঘটিত হচ্ছে এত বড় নৃশংসতা, অথচ কোন শালাই কিচ্ছু বলে না? ধিক এ সভ্যতা।
এরপর কোন প্যালেস্টাইনি তরুন যদি আত্মঘাতি হামলায় উড়িয়ে দেয় ইসরায়েলি কোন রেস্তোরা, সেটাই হবে ন্যাযুদ্ধ।
লেখক বলেছেন: যুদ্ধ জিনিসটাই ঘৃনার, ইজরায়েল কিংবা পাকিস্তানের মুলনীতি অনুসারে সব মানুশ সমান নয়। হায় ঈশ্বর, একবিংশ শতাব্দিতেও মানুষ সভ্যতা পেল না।
নিবিড় অভ্র বলেছেন:
স্যলুট সব ফিলিস্তিনীকে.....মোসাড সেই কাজই করেছে, যা ৭১ এ পাক বাহিনী করেছিল; হাল ধরতে পারার মত কান্ডারিদের হত্যা করেছে... প্যালেস্টাইনকে অবদমিত করে রাখার জন্য
লেখক বলেছেন: পাকিস্তান এবং ইজরায়েল দুটোই ধর্মভিত্তিক রাষ্ট্র। যেখানে সব মানুষ সমান এটাই স্বীকার করা হয় না।
লেখক বলেছেন: পড়ার জন্যে ধন্যবাদ।
অ্যামাটার বলেছেন:
মর্মান্তিক...কি বলব...ভাষা খুজে পাচ্ছি না...
অফটপিক: সৌম্য ভাই, কত তম লং? আপনার ঐ সিরিজটা পড়া হয় নি, এখনও কি ফোর্সে আছেন?
লেখক বলেছেন: জ্বী না। লিগামেন্ট ছিড়ে বের হয়ে আসছিলাম ট্রেনিং শেষ করার আগে।
৫০ লং। প্যালেস্টাইনিরা ছিল ৪৭ এ।
অ্যামাটার বলেছেন:
"সে, নো টু যায়োনিজম"
লেখক বলেছেন: হুম। সিএন এন দেখছেন আজকে? চান্দা তুলতেছে দেখলাম ইজরায়েলীদের রক্ষায়। ইজরায়েলীরা নিজেদের হিযবুল্লাহ দের রকেট হামলা থেকে বাঁচতে আর্মার্ড ট্যাঙ্ক ঢুকায় দিছে। সাবাশ আত্মরক্ষা।
আরিফ থেকে আনা বলেছেন:
অসম্ভব রকম ভাল লাগল
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।
লেখক বলেছেন: সবধরনের বর্বরতাই ঘৃনার পাত্র।
উন্মোচক বলেছেন:
ধন্যবাদ। অনেক ধন্যবাদ।
সাইফুর বলেছেন:
মানবতা নিয়ে বড় বড় বুলি যারা দেয় তাদের নিশ্চুপ দেখে অবাক হই
লেখাজোকা শামীম বলেছেন:
পশ্চিমারা এমন ভাব করে যেন ধর্মভিত্তিক রাষ্ট্র বিষয়টা জঘন্য। অথচ ওরাই দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পরে কেবল ইহুদী ধর্মের উপর ভিত্তি করে একটি রাষ্ট্র বানাল যাদের নিজস্ব ভূমি নেই। প্রাচীন ধর্মগ্রন্থ অনুসারে প্যালেস্টাইন তাদের ভূমি। সম্পূর্ণ ইহুদী ধর্ম গ্রন্থের দেয়া তথ্যের উপর ভিত্তি করে গড়ে উঠল দখল করা জমির উপর ইসরাইল নামক একটি দখলবাজ রাষ্ট্রের। ব্রিটিশরা ছিল প্রথম মদদদাতা, আর এখন আমেরিকা।
পৃথিবীর সবচেয়ে বড় ধর্ম রাষ্ট্রের মদদদাতারা বলে তারা নাকি আধুনিক ? অন্যদের ধর্ম মানে মৌলবাদী আর ওদের সেই প্রাগৈতিহাসিক গুহাবাসী ধর্ম আধুনিক। হায় ! পশ্চিমা সভ্যতা !
লেখক বলেছেন: স্বাধীনতার সুফল কিন্তু সবসময় বিশেষ মহল ভোগ করে। আশা করি একদিন স্বাধীন ফিলিস্তিন রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠিত হবে। কিন্তু ওদের জাতিস্বত্তা কি হবে? আরব বিশ্ব ধারনাটাই অদ্ভুত লাগে। যেরকম ইহুদি রাষ্ট্র সেরকম ধর্ম দিয়ে জাতির পরিচয় নির্ধারন করাটা বোকামী। আরব, মিশর, লেবানন, আফগানিস্তান, ইরাক, ইরান সবারই আলাদা ঐতিহ্য আর নিজস্ব জাতিস্বত্তা আছে।
ফিউশন ফাইভ বলেছেন:
আমার যদি ভুল না হয়, তাহলে ওই সাতজন ফিলিস্তিনী ক্যাডেটের মধ্যে দুজনকে আমি মিলিটারি একাডেমির পাসিং আউটে কাছ থেকে দেখেছিলাম। একজনের চেহারা এখন আমার আবছা আবছা মনে পড়ছে- ফর্সা, বেশ স্মার্ট দেখাচ্ছিল। সে সময় একজন সেনা কর্মকর্তা আমাকে বলেছিলেন, প্রশিক্ষিত ফিলিস্তিনী ক্যাডেটরা প্রথমে বৈরুত যাবে। পরে সেখান থেকে ফিলিস্তিনে ঢুকবে। ভালো লাগল পড়ে।
লেখক বলেছেন: আপনি ঠিক। ৪৭এর সাথে পাসিং আউট করছিলো টোটাল ৭জন। ৪৭এর ম্যান পাওয়ার বেশি থাকায় সবাই প্যারেডে মিলে নাই। প্রথমে জয়েন করেছিলো ৩০জনের মতো। কিন্তু খুব উচ্ছৃংখল আর কনভেনশনাল ওয়ারফেয়ারের উপযুক্ত না হওয়ায় বাদ পড়তে পড়তে ৭জন ছিল শেষে। হিজবুল্লাহর মদতদাতা লেবানন। বৈরুতে শুনছি ওদের ট্রেনিং ক্যাম্প আর ঘাঁটি আছে।
আহসান হাবিব শিমুল বলেছেন:
"দৃষ্টি আকর্ষন"-এ নেয়া সামুর মডুদের ধন্যবাদ।সা,মুর মডুদের কিছু সিন্ধান্ত সাইবার অ্যাকটিভিজমকে অনুপ্রানিত করে।
অ্যামাটার বলেছেন:
তবে ফিলিস্তিনদের এই দুর্দশার জন্য আরব রাজতন্ত্রগুলোর মার্কিন দালালীও সমান দায়ী।যা হোক, কর্তৃপক্ষকে অশেষ ধন্যবাদ পোষ্টটা স্টিকি করার জন্য।
সা,মুর মডুদের কিছু সিন্ধান্ত সাইবার অ্যাকটিভিজমকে অনুপ্রাণিত করে।
নোটিশবোর্ড বলেছেন:
আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ এই অসাধারণ লেখাটির জন্য। একই সাথে আপনাকে অনুরোধ করবো, সম্ভব হলে ছবিটি সরিয়ে অন্য ছবি ব্যবহার করার জন্য। আহত রক্তাক্ত সন্তানকে বহণ করার এ দৃশ্য অনেকের জন্য হয়ত সহনীয় নাও হতে পারে।শুভ ব্লগিং।
লেখক বলেছেন: হুম। এভাবে ভাবি নাই। সরায় দিচ্ছি
মমতা জাহান বলেছেন:
সরি ছবি আডলোড করা শিখতেছিলাম। হঠাৎ অপ্রাসঙ্গিক পড়ে গেছে। সরি।
মাছুম পলাশ বলেছেন:
সামহোয়ারে এই প্রথম মন্তব্য করছি। এতটুকু পড়ার পরে মনের অবস্থা যে কি তা বোঝাতে পারবো না। শুধু এতটুকু বলব ইসরাঈল আর কতকাল এই ঘৃণ্য ও নৃসংস হত্যাকান্ড চালাবে। বিশ্ব নেতৃত্বের কি কিছুই করার নেই? মেহের সহ সবার আত্মা শান্তি পাক
অ্যামাটার বলেছেন:
@নোটিশবোর্ডের অনুরোধটা ভাল লাগেনি। ইজরাইলের নৃশংসতার চিহ্ন চোখের সামনে থেকে সরিয়ে দিলেই কি তাদের বর্বরতা মুছে যাবে!
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ শামীম ভাই।
বিবিধ বলেছেন:
অসাধারণ। খুবই ভালো লাগলো।লেখাজোকা শামীম বলেছেন, পৃথিবীর সবচেয়ে বড় ধর্ম রাষ্ট্রের মদদদাতারা বলে তারা নাকি আধুনিক ? অন্যদের ধর্ম মানে মৌলবাদী আর ওদের সেই প্রাগৈতিহাসিক গুহাবাসী ধর্ম আধুনিক। হায় ! পশ্চিমা সভ্যতা !
একমত।
বিষাক্ত মানুষ বলেছেন:
লেখাটার জন্য ধন্যবাদ । মৃত মাছের চোখে অসহায় ভাবে হাতের তালুর রেখায় চেয়ে থাকি ।
মমতা জাহান বলেছেন:
যারা নিরিহ শিশুদের হত্যা করছে তাদের জন্যে একরাশ ঘৃনা।
ঘৃণা জাতি সংঘের জন্যে। ইসরাইলের জন্যে। আমেরিকার জন্যে । অভিশাপ অন্তর থেকে।
শেরিফ আল সায়ার বলেছেন:
যখন পড়ছিলাম তখনও বুঝতে পারছিলাম হঠাৎ কেনো এই পোষ্টটাকে স্টিকি করা হলো। কর্তৃপক্ষতো শুধু শুধু কোনো পোষ্টকে স্টিকি করে। একদম শেষ পেরায় এসে থমকে গেলাম।
কিছু কিছু কথা খুব ভাবালো।
যেমন, আমাদের মতো মধ্যবিত্ত ছেলেদের মতো ওরা মিলিটারী ক্যাম্পে ওরা আসেনি। ওরা তো জন্মের পর থেকে রক্তের বন্যা দেখে দেখে বড় হয়েছে। সত্যিতো এই বাস্তবতাটা ভেবে দেখিনি।
তারপর আমাদের ছেলেরা ট্রেনিং শেষে ঘরে ফিরবে ছুটিতে আর ওরা সরাসরি যাবে যুদ্ধক্ষেত্রে।
বর্তমান বস্তবতায় এখন সেখানে যা চলছে তা এক অমানবিকতা। সারা বিশ্বের হর্তকর্তারা কি করছেন আমি জানি না। দফায় দফায় বিমান হামলায় সেখানকার অগনিত মানুষের রক্ত ঝরছে; কিন্তু পৃথিবীর মানুষের কিছুই করার নাই।
এখন আমার সামনে আমার মা- বোন বসে আছে। মন্তব্য লিখতে লিখতে ঘটনাটা শুনালাম; আমার মতো তারাও স্তম্ভিত।
ধন্যবাদ কি করে দিবো!!
তবে এমন একটি ঘটনা ব্লগে তুলে আনার জন্য আমি আপনার কাছে কৃতজ্ঞ।
ভালো থাকবেন সৌম্য ভাই।
উন্মোচক বলেছেন:
লেখক বলেছেন, টিভিতে ইজরায়েলী গণহত্যা দেখলেই মনে পড়ে ভয়ানক লম্বা, ছিপছিপে এক তরুন, বাদামী চোখের কারনে কোন এক্সপ্রেশন ধরা পরে না। ভয়াবহ বেয়াড়া, বিশৃংখল, মিলিটারী একাডেমীতে কনভেনশনাল ওয়ার ফেয়ারের হাজার কাস্টমসে প্রান ওষ্ঠাগত, একজন প্যালেস্টাইনি গেরিলা, আমার খুব প্রিয় একজন সিনিয়র।
ম্যাভেরিক বলেছেন:
সাধারণ ভাষায় অসাধারণ মমতায় লেখা। আজকাল মমতা কম চারপাশে। আর আমি আশা করে যাই, আমার ধারণা যাতে ভুল হয়।
অমাবশ্যার চাঁদ বলেছেন:
খুব কস্ট লাগল।
মজলুমের কন্ঠসর বলেছেন:
বয়স দশ হবার আগেই একে৪৭এর সাথে তাদের পরিচয় হয়।একাডেমীতে একটা গান শুনতাম, আই ডোন্ট ওয়ান্ট মাই টিনেজ কুইন, আই জাস্ট ওয়ান্ট মাই টি-৫৬।
টিনেজ কুইনের সাথে পরিচয় হবার সুযোগ পাবার অনেক আগেই বেশিরভাগ কিশোর পঙ্গু হয়ে যায়।
কিংবা ইজরায়েলী হেলিকপ্টার গান শিপ গুলো ধুলোর সাথে মিশিয়ে দিয়ে যায়।
চাপা কষ্টে বুক ভরে গেছে।হায়রে সালার একবিংশ সভ্যতা।
এটাই তাহলে একবিংশ সভ্যতা।
এর বেশি কিছু বলতে পারলাম না , পারিও না .........
লেখক বলেছেন: দুর্বল হয়েও বাংলাদেশ সরকার ফিলিস্তিনিদের সাহায্য করছে। আমরা আর কি বা করতে পারি?
লেখক বলেছেন: ফিলিস্তিনিদের নিয়ে আরেকটা ইস্যু। আরব বিশ্ব ধর্ম দিয়ে জাতিগত ভাবে পরিচয় দেয়। কিন্তু একজন আরব, একজন মিশরীয়, একজন লেবানিজ অথবা ইরাকী কিংবা ফার্সি, সবারই আলাদা আলাদা জাতিস্বত্তা আছে। আরব বিশ্ব চুপ চাপ খালি দেখেই যাচ্ছে। আমেরিকার বানিজ্য জিয়োনিজ গ্রুপের দখলে। আর আমেরিকাকে চটাতে চায়না আরবরা। সবাই নিজের চামড়া বাঁচায় চলে।
'লেনিন' বলেছেন:
সৌম্য তাহলে লং কোর্স করা? ৫৬তম ব্যাচ কি আপনাদের সাথে দেখা হয়েছে?
লেখক বলেছেন: আমি ৫২ পর্যন্ত পেয়েছিলাম।
একলব্য১৯৭১ বলেছেন:
বি এম এর উত্তাল দিনগুলোর কথা মনে করিয়ে দিলেন।অসাধারণ লেখা!
লেখক বলেছেন: বস কত লং?
মনির হাসান বলেছেন:
নিরবতা পালন ছাড়া আর কি করতে পারি আমি ...
সুশীল সুমন বলেছেন:
ইসরায়েল আর মোসাদের জন্য থু থু ...
স্বাধীনতাকামী যেকোন জাতিগোষ্ঠীকে সাহায্যের যে অঙ্গীকার বাংলাদেশ পালন করে যাচ্ছে এটা আসলেই প্রিয় বাংলাদেশের জন্যে আমার মনে শ্রদ্ধা জাগায়।
আচ্ছা আসামের/ সেভেন সিস্টারের কোন মুক্তিকামী সৈন্য কি বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর ট্রেনিং পাচ্ছে?
লেখক বলেছেন: নাহ। ওসব ভারতের অপপ্রচার।
নুর হাসান মুহাম্মদ তানভীর বলেছেন:
খুবই সুন্দর লিখেছেন, খুবই কঠিন বস্তবতা
একলব্য১৯৭১ বলেছেন:
সৌম্য ভাই,আপনার অনুমতি সাপেক্ষে লেখাটির ইংরেজি অনুবাদ করতে চাই।আমার বিদেশী বন্ধুদের জন্য।ওরা জানুক কি করা হচ্ছে মুক্তিকামী প্যালেস্টাইনের সাথে।আমার আইইউটির প্যালেস্টাইনিয়ান বন্ধুরাও জানুক ওদের জন্য এক বুক মমতা নিয়ে বসে থাকা অক্ষম বাংলাদেশিদের অনুভূতির কথা।
লেখক বলেছেন: ফিলিস্তিন কোন স্বার্বভৌম রাষ্ট্র নয়। তাই বাংলাদেশ সরকার তার সাথে সামরিক চুক্তি করতে পারে না। ফিলিস্তিনিদের সাহায্যের ব্যাপারটা সবাই জানে। কিন্তু ব্যাপারটা বিশদ আলোচনা করে না। পররাষ্ট্রনীতি না কি জানি আছে, আমি ঠিক জানি না।
চাণক্য বলেছেন:
ইহাই বাস্তব, এমনি হইত এমনই হইতেছে এমনই হইবে। স্বাভাবিক।
লেখক বলেছেন: কেন হবে? দশমিলিয়ন বছর পরেও কেন মানুষ মানুষকে হত্যা করবে? এমন সব নারী পুরুষকে যাদের সাথে পরিচয় পর্যন্ত নেই।
লেখক বলেছেন: ইনসার্জেন্সি সবদেশেই আছে। মোটামুটি সবদেশে। স্বাধীনতার যুদ্ধ, অস্তিত্ব বাচানোর যুদ্ধ আর বিচ্ছিন্নতাবাদ ভিন্ন জিনিস। তাই না?
ভাঙ্গা পেন্সিল বলেছেন:
অসাধারণ কাহিনী পড়ে মন খারাপ হয়ে গেল
হুমায়রা হারুন বলেছেন:
অসম্ভব সুন্দর একটা লেখার জন্য ধন্যবাদ সৌম্য।
আবদুর রাজ্জাক শিপন বলেছেন:
@নাজিম সাহেব
আপনার ভারত প্রীতি আমাকে মুগ্ধ করে । যার জন্য স্পর্শকাতর একটা প্রশ্ন আপনি অত্যন্ত মমতা নিয়ে তুলেছেন ।
প্রশ্নের মুখটা আপনার দিকে ঘুরিয়ে দেই-- অর্থাৎ উত্তরটা আপনার কাছ থেকেই জানাতে চাইছি ।
"আচ্ছা আসামের/ সেভেন সিস্টারের কোন মুক্তিকামী সৈন্য কি বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর ট্রেনিং পাচ্ছে?" -- আপনার কি মনে হয় ? বাংলাদেশের একজন নাগরিক হিসেবে নিশ্চয় এ -বিষয়ে আপনারও একটা ধারণা আছে । সেই ধারণাটা জানতে চাইছি ।
অচেনা সৈকত বলেছেন:
মর্মস্পর্শী লেখা।
মাহমুদুল হাসান রুবেল বলেছেন:
অনেকদিন পর চোখ দিয়ে পানি পড়লো । কিছু লিখতে মন চাচ্ছে না । মানুষ ভাল থাকুক । অনেক ভাল ।
রাজর্ষী বলেছেন:
খুবই ভালো লাগলো
রাশেদ বলেছেন:
মন খারাপ হওয়া বাস্তব কাহিনী।
সুলতানা শিরীন সাজি বলেছেন:
পড়ার সময় ভাবছিলাম শেষটা যেনো কষ্টের না হয়...যদিও সেই অবশ্যম্ভাবী কষ্টের কথাই পড়তে হলো..........।
ভীষন মন ছোঁয়া..........জীবনের গল্প।
শুভেচ্ছা রইলো সৌম্য।
মেহের এবং ওর সংগীদের আত্মার শান্তি কামনা করছি।
শফিউল আলম ইমন বলেছেন:
মর্মান্তিক। কি বলব বুঝতে পারছিনা। পশ্চিমারা নিজেরা আগ্রাসন চালাচ্ছে আবার ইসরায়েলের আগ্রাসনকে ও সাপোর্ট করে যাচ্ছে। সাধারন হিসেবে প্রতিবাদ আর ঘৃণা করা ছাড়া আর কিছু নাই।আপনি অসাধারন লিখেছেন।
মুকুট বলেছেন:
ভাষা হারিয়ে ফেললাম, কি বলব!!! সকল মেহেরদের জন্য থাকল সশ্রদ্ধ ছালাম, আগামীর মেহেরটা মুক্ত করুক প্যালেষ্টাইনকে, নিশ্চিহ্ন করে দিক বর্বর ইসরাইলকে। শুভকামনা প্যালেষ্টাইন তোমার জন্য!!!!!!!
মারুফ আল্লাম বলেছেন:
অত্যাচারীদেরও শেষ আছে। আমরা তাকিয়ে আছি সেই শেষটি দেখবার জন্যে।সভ্যতার মুখোশধারী রাষ্ট্রগুলোর প্রতি শত ধিক!
পথিক মানিক বলেছেন:
চমৎকার উপস্হাপনা। ধন্যবাদ শেয়ার করার জন্য।
বাবুয়া বলেছেন:
সাবলীল বর্ণনায় আর অসাধারণ মমতায় লেখা। আজকাল মমতা কম চারপাশে। স্যালূট মেহের কে, স্যালূট অন্য সব প্যালেস্টাইনী বীর শহীদদের। শুভকামনা প্যালেষ্টাইন তোমার জন্য!!!
আমিও সেভেন্থ লং কোর্সের ক্যাডেট ছিলাম। আপনার লেখা পড়ে নিজেকে হারিয়ে ফেলেছিলাম বি এম এ'র দিন গুলিতে!
@নাজিমুদ্দীনের মন্তব্যের শেষ প্যারাটা বালখিল্য এবং ঔদ্ধতপূর্ণ! তাকে ধিক্কার জানাচ্ছি-ঐ মন্তব্যের জন্য।
কর্তৃপক্ষকে অশেষ ধন্যবাদ পোষ্টটা স্টিকি করার জন্য।
লেখকের প্রতি অনেক ধন্যবাদ জানাচ্ছি এই পোস্টের জন্য।
আহসানুল কবীর তুহিন বলেছেন:
হায়রে দেশ! শুধুমাত্র মুসলমান হওয়ার অপরাধে এই বর্বরতা, পাশাপাশি সোদি কুয়েত অন্যান্য দেশের আমীর রা মাইয়া লৌক নিয়া ব্যস্ত
সাঈফ শেরিফ বলেছেন:
অশ্রু, রক্ত, ঘাম ও বারুদের কথকতা শিরোনামে একটা কিছু লিখতে চেয়েছিলাম। কোরবানির রক্ত দেখানোর অপরাধে সুধী সমাজ আজ সরব। কত সন্তান তাদের প্রিয় বাবা মা ভাই বোন কে চোখের সামরে লাশ হতে দেখেছে তার খবর কি কেউ রাখে।বাঙালি নতুন প্রজন্ম কি জানে কখন মানুষের মাঝে বিপ্লবী রক্ত ঢেউ ফুসে ওঠে, কতটা কষ্ট বুকে ধারণ করলে এক এক জন আত্মঘাতী বোমারু হয়? আমরা বাস্তবতা দেখি দখলদারদের মিডিয়ার দর্পনে যার পুরোটাই বেসামরিক সন্ত্রাসীদের রক্তে মাখা বেয়নট ।
মুক্তিযুদ্ধ ও কারো কারো কাছে সন্ত্রাস, আর সন্ত্রাসী যুদ্ধ কারো কাছে আত্মরক্ষার নির্মম মাধ্যম।
প্রিয় পোস্টে।
নির্বাসন বলেছেন:
আহারে...যখনি টিভিতে ফিলিস্তিনি কিশোরদের ইস্রায়েলী ট্যাঙ্ক উদ্দেশ্য করে ঢিল ছুড়তে দেখি তখন কেন যেন আমাদের স্বাধীনতা যুদ্ধের কথা মনে পড়ে যায়। আসলে আমরা তো এক অর্থে অনেক ভাগ্যবান, ফিলিস্তিনীরা যে জীবন যাপন করছে তা বিবেকবান মানুষের সহ্য করা খুব কঠিন।
কিন্তু বাস্তবতা হলো আমাদের বিবেক আমরা বাধা দিয়ে রেখেছি সাম্রাজ্যবাদীদের কাছে, এ শেকল কবে ছিড়বে, কবে মুক্তি মিলবে মানবতার?
অক্ষর বলেছেন:
মন খারাপ হওয়া লেখা
মাহবুব সুমন বলেছেন:
অসহায় রাগে শরীর জ্বলছে।
আবু সালেহ বলেছেন:
ফারহান দাউদ বলেছেন: এমন একটা পরিণতিরই আশংকা করছিলাম। কি দুর্ভাগ্য এই পৃথিবীর,মানবতার নামে গলা ফাটিয়ে ফেলা মানবাধিকার সংগঠন গুলো এদের নিয়ে কিছুই বলে না,হাজার হাজার ফিলিস্তিনি শিশুর জীবনের কোন দাম নেই। ওদের হয়ে কথা বলতে গেলে আবার এখানে দেখবেন কিছু মহা প্রগতিবাদী এসে বক্তৃতা শোনাচ্ছে,ফিলিস্তিনিদের এই দুর্দশা নাকি তাদের নিজেদের দোষেই,স্বাধীনতার স্বপ্ন বাদ দিয়ে তাদের ইসরাইলের পা চাটা দরকার ছিল।
মেহের এবং সকল শহীদের আত্মার শান্তি হোক।
পদ্ম পুকুর বলেছেন:
লেখাটা এগিয়ে গিয়ে এমন ভাবে শেষ হয়েছে যে মনে হয় কোন একটা থ্রিলার গল্প....কিন্তু আসলে চরম বাস্তব।
আমরা যে বয়সে টিনেজ কুইনের স্বপ্ন দেখি, সেসময় তারা দেখে টি ৫৬ এর স্বপ্ন।
আহারে জীবন!!!
চন্দন বলেছেন:
আল্লাহ তাদের জান্নাতবাসী করুন।
দিগন্ত বলেছেন:
জোর যার মুলুক তার ... এই শেষ কথা। ধন্যবাদ লেখার জন্য।
কাকশালিখচড়াইগাঙচিল বলেছেন:
শ্লা এমেনস্টি কই???? কোন দেশ সন্ত্রাসবাদের মোকাবিলায় কতটা কঠিন আইন করেছে তার জন্য কীভাবে টর্চার করা হবে, সেটা ত খুব জানে, কোনো সন্ত্রাসীকে বেত দিলে তারা রে রে করে ওঠে আর যে এত লোক মারা হচ্ছে রাস্ট্রীয় সন্ত্রাসে তারা এখন কই?
মানবাধিকার রেজুলুসনের কী খবর ইউ এন --এ
সপ্ন বলেছেন:
সাঈফ শেরিফ বলেছেন: অশ্রু, রক্ত, ঘাম ও বারুদের কথকতা শিরোনামে একটা কিছু লিখতে চেয়েছিলাম। কোরবানির রক্ত দেখানোর অপরাধে সুধী সমাজ আজ সরব। কত সন্তান তাদের প্রিয় বাবা মা ভাই বোন কে চোখের সামরে লাশ হতে দেখেছে তার খবর কি কেউ রাখে।বাঙালি নতুন প্রজন্ম কি জানে কখন মানুষের মাঝে বিপ্লবী রক্ত ঢেউ ফুসে ওঠে, কতটা কষ্ট বুকে ধারণ করলে এক এক জন আত্মঘাতী বোমারু হয়? আমরা বাস্তবতা দেখি দখলদারদের মিডিয়ার দর্পনে যার পুরোটাই বেসামরিক সন্ত্রাসীদের রক্তে মাখা বেয়নট ।
মুক্তিযুদ্ধ ও কারো কারো কাছে সন্ত্রাস, আর সন্ত্রাসী যুদ্ধ কারো কাছে আত্মরক্ষার নির্মম মাধ্যম।
প্রিয় পোস্টে। সহমত@সাঈফ শেরিফ । আমি কি বলব বুঝে পাচ্ছিনা। সৌম্য ভাই আপনাকে ধন্যবাদ এই লেখাটি উপহার দেওয়ার জন্য।
মামু বলেছেন:
মামু বলেছেন:
মন মণষা বলেছেন:
স্বজন বলেছেন:
চোখের পানি ধরে রাখা গেলনা। কিন্ত এভাবে আর কত দিন? এই জুলুমের কি শেষ নেই। মজলুম মানবতার অসহায় আর্তনাদ কবে স্ফুলিংগ হয়ে জালিমের তখতে তাউস জ্বালিয়ে দেবে। কবে হবে সেই দিন, যে দিন এই পৃথিবীতে আর কোন শিশুর রক্ত ঝরবেনা। আর কোন মেহেরকে ট্রেনিং নেয়ার অপরাধে জীবন দিতে হবেনা। নাকি আদৌ সেই দিন আসবে না ?
নীলসাধু বলেছেন:
ধন্যবাদ সৌম্য । অসাধারণ মমতায় লেখা এই লেখাটি উপহার দেওয়ার জন্য।
মেহের এবং সকল শহীদের আত্মার শান্তি হোক।
শিট সুজি বলেছেন:
বি এম এ তে আরো বেশি করে ফিলিস্তিনি ক্যাডেট নেওয়া উচিৎ । এবং তাদের উপযোগী প্রশিক্ষন ব্যবস্থা চালু রাখা উচিৎ।অসাধারন লেখাটির জন্য ধন্যবাদ।
জেমসবন্ড বলেছেন:
পৃথিবীর মানুষ এই সমস্যার সমাধান করবেনা বলেই আল্লাহ এতে হস্তক্ষেপ করেবেন ।
কুরআন ও হাদিসে বহু বিবরণ আছে ইহুদীদের সাথে মুসলমানদের যুদ্ধ এবং তাদের পরিণতি সম্পর্কে ।
ঈসা (আঃ) নেমে আসবেন তাদের ধ্বংস করার জন্য ।
চিটি (হামিদা রহমান) বলেছেন:
শুরুটা পড়ে আসছিলাম, শেষে এসে এমন খবর পেতে হবে ?? সামরিক ট্রেনিংপ্রাপ্ত হলেই তাকে মেরে ফেলবে.......কি একটা নিয়ম।
এ সময় বিশ্বের নোবেল......মানবদরদীরা কোথায় যায়।
শওকত হোসেন মাসুম বলেছেন:
অসাধারণ। সরাসরি প্রিয়তে রাখলাম।
কে এম তানভীর আহম্মেদ বলেছেন:
মর্মান্তিক। এরকম একটি লেখার জন্য আপনাকে ধন্যবাদ, সরাসরি প্রিয়তে।
শওকত হোসেন মাসুম বলেছেন:
সালটা বলবেন।
এস,আহমেদ বলেছেন:
সত্যি কি নিশ্ঠুর, কি নির্মম।
হায় মানবতা!
অবুঝ শিশুরা যখন অত্যাধুনিক বিমানের বোমা বর্ষনে নিহত হচ্ছে, অসখ্য নারী হচ্ছে কামানের গুলার শিকার, সাধারণ মানুয যখন নির্বিচারে প্রান দিচ্ছে তখন সেই খুনীদের সমর্থন করে তথাকথিত সভ্য সমাজ বলছে "সবারই অধিকার আছে তার দেশের নাগরিকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার"
এই অবুঝ শিশুদের রক্ততের হিসাব তোমাকে চুকাতে হবে হে অন্ধ, বধির মানব বিশ্ব।
সাথে এই লেখাটিকে আমার প্রিয় তালিকায় নিয়ে গেলাম।
বিরাট শিশু আনমনে.. খেলিছ
ভাঙ্গিছ গড়িছ
নিতি নিরজনে আনমনে.. "
----------------------------------------
নির্বাক দীর্ঘশ্বাসে--
ঘৃণা সবার জন্য(আমাকে সহ)
যে নির্লিপ্ততা অন্যায়কে দীর্ঘতর করে এক অসহনীয় মাত্রায় পৌছে দিচ্ছে!!!!
লেখাটিকে আমার প্রিয় তালিকায় নিয়ে গেলাম।
হুমায়ুন কবির হাকিম বলেছেন:
বিজয়ীরা বরাবরই ভগবান এখানেতে পরাজিতরাই পাপী এখানে....নচিকেতা..........Click This Link
সুন্দর সমর বলেছেন:
ইসরাইল ধ্বংস হোক! চমৎকার এবং হৃদয় ছোয়া লেখা। আবেগহীন ভাবে আবেগের এমন পরিবেশন হেমিংওয়েকে মনে করিয়ে দিচ্ছে। কেবল ধন্যবাদ জানাতে ইচ্ছে না। সম্ভব হলে আপনাকে বাসায় দাওয়াত করে তিন বেলা খাওয়াতাম।
অারমান বলেছেন:
যারা নিরিহ শিশুদের হত্যা করছে তাদের জন্যে জাতিসংঘের জন্যে। ইসরাইলের জন্যে আমেরিকার জন্যে অভিশাপ অন্তর থেকে।
অমাবশ্যার চামচিকা বলেছেন:
অসাধারণ! এই ঘটনা জানানোর জন্য ধন্যবাদ।
শামস শামীম বলেছেন:
এত আবেগঘন স্টোরী। ইনকিলাব জিন্দাবাদ। মোসাদ নিপাত যাক।
ইয়াংকি, তোমার হায়েনাদাদের সামলাও।
চিলে কোঠার সেপাই বলেছেন:
এরকম লক্ষ লক্ষ মেহের আছে ফিলিস্তিনিদের ঘরে ঘরে... ঈসরাইলি ট্যাংকে পাথরের কনা নিক্ষেপ করে তাদের বয়োঃপ্রাপ্তি ঘটে...।
স্যমুয়েল পি হান্টিংটনের দৃষ্টিতে ফিলিস্তিনিদের প্রতিবাদ "সভ্যতার দ্বন্দ্ব" হতে পারে ;কিন্তু এটা সম্পূর্ণ জাতীয়তাবাদি আন্দোলন।
অকাটমুর্খ বলেছেন:
ভালো লাগলো...প্রিয়তে
মাহিরাহি বলেছেন:
এতে হামাসের সন্ত্রাসীরা নিহত হবার পাশাপাশি প্রায় ৪০০ লোকের বেশী মারা গেছেন যার প্রায় এক তৃতীয়াংশ ফিলিস্তিনি শিশু। গতকাল রিজওয়ান তার একটি পোস্টে এভাবেই লিখেছেন।
দুরের পাখি বলেছেন: ইসরায়েলের অমানবিকতা অস্বীকার করার উপায় নাই । কিন্তু হেজবুল্লাহ হামাসের অনাচারের কারনে ইসরায়েলি নাগরিকের নিরাপত্তার ব্যাপারটাওতো ওদের সামরিক বাহিনীকে দেখতে হয় । নাগরিকের নিরাপত্তা দিতে না পারলে ওরা ট্যাক্স দিয়া সামরিক বাহিনী পুষে কি বৈসা বৈসা বাল ফেলানোর জন্য
পোস্টের মন্তব্যে আবার ওপরের কথা বলেছিলেন দুরের পাখি
কিন্তু আজকের পোস্টটি পড়লে অনেককিছুই ষ্পষ্ট হয়ে গেছে।
ধন্যবাদ পোস্টের জন্য। এ পোস্টটি আমাদের অনেককিছুই বলে দেয়।
মাহিরাহি বলেছেন:
দু:খিত রিজওয়ান নয় রেজওয়ান হবে
হাসান শরিফ বলেছেন:
অসাধারন লেখা। যদি আমার কোনদিন টাকা হয়, তাহলে আমি এই স্ক্রিপটাকে নিয়ে চলচ্চিত্র বানাবো। ভালো থাকবেন ভাইয়া।
রশীদ বলেছেন:
নাঈম বলেছেন:
মানুষ এত নিষ্ঠুর হতে পারে?
লিপিকার বলেছেন:
কিছু বলার ভাষা নেই.....অসাধারণ একটা জীবনগল্প.......প্রিয়তে রেখে দিলাম
জানজাবিদ বলেছেন:
I am speechless!! You are fortunate to stay with such a martyr. The most impressive thing is ALL of them chose to return to their motherland and took risk on their lives. They could easily take refuse in other countries.
নুরুন্নবী হাছিব বলেছেন:
সত্যিই...অসাধারন...
তিতা করোলা বলেছেন:
NOTHING TO SAY 100+
খলিল মাহমুদ বলেছেন:
ভাষা হারিয়ে যায়, এতোটা করুণ।
সুখি মানুষ বলেছেন:
লেখাটির শেষাংশ মর্মবিদারী। কিন্তু শত্রুর মুখোশ উন্মোচনে এ ধরনের লেখা বড় একটি ভূমিকা রাখবে। আপনাকে অশেষ ধন্যবাদ।
আল্লাহ্র কাছে ফরিয়াদ তিনি যেন, বিশ্ব নেতৃবৃন্দের সুমতি দিন এবং ফিলিস্তিনকে মুক্ত করে দিন।
দ্রোহি বলেছেন:
কিছু বলার নেই; কেবল নিজের মাঝে অনুভব করি এক অক্ষম ক্রোধ। মেহেরের মত আরও কত শত তাজা প্রাণ নিহত হয়েছে মোসাদের হাতে তার কোন হিসাব নেই।আমার একজন বন্ধু ছিল বশীর। সিরিয়ার এক তরুন, নেদারল্যান্ড এ পড়তো। তাকে মোসাদ হত্যা করেছিল শুধুমাত্র তাদের দ্রোন মিসাইল প্রজেক্টের সার্ভার হ্যাক করার প্ল্যান করেছিল বলে। বশীরের সাথে আরও ৬ জন কেও হত্যা করে তারা বিশ্বব্যাপী।
মোসাদের দক্ষতা নিয়ে কোন প্রশ্ন নেই। তারও চেয়ে বড় বিষয়, তারা বিশ্বাসঘাতক তৈরী করে খুব সহজেই। এটাই তাদের শক্তি।
মেহের এবং সকল প্যালেস্টাইনী নিহতের আত্মার শান্তি কমনা করছি।
লেখককে ধন্যবাদ।
নাফিস ইফতেখার বলেছেন:
নির্বাক হয়ে গেলাম........আর কিছু বলার নেই.........আপনাকে ধন্যবাদ জানানোর ভাষাও আমার জানা নেই.........
নাফিস ইফতেখার বলেছেন:
প্রিয়তে নিলাম.........ভালো থাকুন.........
ইসানুর বলেছেন:
নকীবুল বারী বলেছেন:
পড়লাম.........এবং আবার পড়লাম......ফিলিস্তিন বিষয়ে কিছু বলার নেই.......শুধু কষ্ট পেয়েই যাই আর বুকে জমে তীব্র ঘৃণা....আর অসহায়ত্ব।
ধন্যবাদ অসাধারণ এই লেখার জন্য.............
একলব্য১৯৭১ বলেছেন:
সৌম্য ভাই,আমি ৫৩ তে ছিলাম।৩ মাস পর স্বেচ্ছা-অবসর নিয়ে চলে এসেছি মিলিটারি লাইফের সাথে খাপ খায়নি দেখে।৫০ এর রায়হান স্যার ছিলেন আমাদের সার্জেন্ট-অসাধারণ একজন মানুষ।৪৪/৪৫ এর আমার এক কাজিনের পাসিং আউটের সময় প্যালেস্টাইনি ক্যাডেটদের কয়েকজনের সাথে দেখা হয়েছিল।লম্বা,টকটকে ফরসা চেহারা আর একেবারেই শিশুদের মত কোমল মুখভঙ্গি-আমার কাজিনের রুমে এসে নিঃসংকোচে আমাদের সাথে গল্প করছিল মিষ্টি খেতে খেতে।জিসি আজেম অথবা আজের নামে একজনের কথা মনে আছে-বেশ কিছুক্ষন গল্প করেছিলাম।হয়ত সে এই সাতজনের একজন-এরকম সম্ভাবনা আছে কি??বুকের ভেতর মোচড় দিয়ে উঠল আপনার লেখা পড়ার পর যখন সেই ভাসা ভাসা মনে পড়া সরল মুখটার কথা ভাবলাম।
পুনশ্চঃ বস আপনার লেখাটার ইংরেজি অনুবাদ করতে চেয়েছিলাম(অবশ্যই আপনার কপিরাইটের পূর্ণ উল্লেখ সহ)...ইয়ে মানে,দেয়া যায় কি?আর যদি আপনি স্বহস্তে অনুবাদ করেন সেটার এক কপি পেতে পারি কি?
গরীব বলেছেন:
চমৎকার। ফিলিস্তিন পরিস্থিতি সম্পর্কে বেশি বেশি লেখা চাই।
ক্যানাডিয়ান-মামু বলেছেন:
FORMULA:__________
Bush ≠ Hitler
As, Muslim ≠ Jews
If, Bush = Hitler
then, Muslims = Jews (proved)
Other religions are appeared to be safe now
নীরজন বলেছেন:
আমি............আমি কোন কিছু বলার ভাষা পাইতেছি না.........মেহেরদের জন্য ভালোবাসা রইলো......
দ্বিধা বলেছেন:
অসহায় রাগে শরীর জ্বলছে।
কালকের প্রথম আলোতে একটা উপসম্পাদকীয় পড়ে সেটাও পাঠালাম।
Click This Link
সবার জন্য। পড়বেন, আশা করি।
অনার্য তাপস বলেছেন:
কষ্টকর এবং বেদনাদায়ক।
পাপী বলেছেন:
অসাধারণ! এটা যে বাস্তব সত্য তা বিশ্বাস করতে কষ্ট হয়। একটানে পড়ে গেলাম। লেখার জন্য ধন্যবাদ। প্রিয়তে গেল।
যুগান্তকারী বলেছেন:
সমবেদনা রইল প্যালেস্টাইনিদের জন্য।তবে ওদের দোষগুলান শুধরাইতে বলেন+ওদের মেয়েদের ভালো হতে বলেন।
আহসানুল কবীর তুহিন বলেছেন:
যুগান্তরী কি কইবার চান ক্লিয়ার করেন।
অনেক ধন্যবাদ সৌম্য।
আপনার আরো লেখার অপেক্ষায় রইলাম........
েপচাইললা বলেছেন:
আহসান হাবিব শিমুল বলেছেন: আমি নপুংশক, আমরা নপুংশক, এই পৃথিবীর মানুষেরা নপুংশক, এই সভ্যতা নপুংশক।সবার চোখের সামনেই যুগযুগ ধরে সংঘটিত হচ্ছে এত বড় নৃশংসতা, অথচ কোন শালাই কিচ্ছু বলে না? ধিক এ সভ্যতা।
এরপর কোন প্যালেস্টাইনি তরুন যদি আত্মঘাতি হামলায় উড়িয়ে দেয় ইসরায়েলি কোন রেস্তোরা, সেটাই হবে ন্যাযুদ্ধ।
সহমত।
ধন্যবাদ, পোস্টের জন্য।
যুগান্তকারী বলেছেন:
To আহসানুল কবীর তুহিন vhai Arab country gulote jan taholei bujhben oder mey der koto gun(speacially UAE er Hotelgulate).Ar palestiner cheleder to kas theke dekhsi Beadop+bod+shob dhoroner Akam kukamer jonno potu.2 bosor age to palestiner ek chele hall(room) e tar girl friend nia ashchilo boila University ore dismiss korse.erokom bohut kahini tobe shobai na kisu bhalo ase(khubi alpo).Ekta duita hole kotha chilo kintu beshir bhagoy boder ekshesh.I think you are clear now.N:B:Bangla lekha hossena(pc problem)
ভ্রুক্ষেপিত জ্ঞান বলেছেন:
@যুগান্টকারী , তোমার হলে বদমাইশ ফিলিস্তিনিরে দেখছ তার গার্ল ফ্রেন্ড নিয়া রুমে আইছে।তোমার ওখানে আরো কয়েকটা বদমাইশ ফিলিস্তিনিকে দেখছ তো সব ফিলিস্তিনি বদমাইশ।
এই কয়টারে নিয়া সব গুলারে জাস্টিফাই কর। অনেক গিলুতো তোমার।
আরেকটু গবেষনা কর। নোবেল পুরুসকার পাইতে পার।
যুগান্তকারী বলেছেন:
ভ্রুক্ষেপিত জ্ঞান amar ghilu nia gobeshona korar apnar dorkar nai.amar montobbo pore dekhen ami shobaike boli nai,tobe ei porjonto probashe onek palestini dekhlam beshir bhagoy bodmaish kisu bhalo lok nai amito tato boli nai.montobbo korar age bhalo kore pora uchit chilo.
এখনই সময় বলেছেন:
দূর্বল চিত্তের ব্লগারদের নিচের লিংন্কে না যাবার জন্য অনুরোধ করছি।http://www.israilboykot.com/rezillikleri.php
মু্ক্ত মানব বলেছেন:
মন ছোঁয়া লেখা। স্বাধীনতা হীনতায় কে বাঁচিতে চায় রে, কে বাঁচিতে চায়...।
আই আনাম বলেছেন:
এরকম একটা পোস্টে মন্তব্য করতে পেরে নিজেকে ভাগ্যবান মনে করছি। সৌম্যকে অনেক অনেক ধন্যবাদ এরকম একটা পোস্ট দেওয়ার জন্য।
রাতুল" বলেছেন:
কষ্টের গল্প।
কিরণময়ী বলেছেন:
সেই সময়ে লেখাটি পড়ার সুযোগ হয়নি , কিন্তু অনুভুতি ভোতা হয়নি মনে হচ্ছে।টের পাচ্ছি খুব কষ্ট !শেষ প্যারাটি যদি না লিখতে হতো!যদি এভাবে না ঘটতো!
অঞ্জন সানি বলেছেন:
ভাই ...অসাধারন লাগল ।
মুক্ত বয়ান বলেছেন:
সৌম্য ভাই, অসাধারণ একটা লেখা। এতদিন কেন পড়লাম না। সোজা প্রিয়তে। মনটা খারাপ হয়ে গেল।
চিকনমিয়া বলেছেন:
ডিং
চিকনমিয়া বলেছেন:
৩ বলদার এই পুষ্টডা ভালা লাগেনাই, আফসুস
বাঙ্গাল বলেছেন:
অনেক দিন পর কাদলাম
হাসান মাহবুব বলেছেন:
অসাধারণ লেখা।
হাসান মাহবুব বলেছেন:
ঠেলা
জলপাই দেশি বলেছেন:
যুদ্ধ জিনিসটাই ঘৃনার, ইজরায়েল কিংবা পাকিস্তানের মুলনীতি অনুসারে সব মানুশ সমান নয়। হায় ঈশ্বর, একবিংশ শতাব্দিতেও মানুষ সভ্যতা পেল না। - একমত।
খালেদ সময় বলেছেন:
একদিন ভোর হবে। রাতের আধার কাটবে তবে
সজল বস বলেছেন:
+ ও প্রিয়তে
নগর-বাউল বলেছেন:
খুব ভালো লাগল।
আরিফ থেকে আনা বলেছেন:
ভাল আছি বস।এরকম লেখা ড্রাফটে রাখলে নতুন পাঠকরা মিস করবে, আনড্রাফট করার জন্য ধন্যবাদ।
|জনারন্যে নিসংঙগ পথিক| বলেছেন:
এই লেখাটা মাঝে মাঝেই পড়ি, শোকেসড, বুকমার্কড। কখনো কমেন্ট করা হয় নাই। কমেন্ট করার ও কিছু খুঁজে পাবার নাই। অদ্ভুত বিষন্ন এক বাস্তবতা।
কাঊসার রুশো বলেছেন:
বিষয়টা জানতাম ই না। কমেন্ট করার ও কিছু খুঁজে পাবার নাই। অদ্ভুত বিষন্ন এক বাস্তবতা।
অনিক আহসান বলেছেন:
চমৎকার একটা লেখা..
যুক্তিপ্রাজ্ঞ বলেছেন:
অসাধারণ লেখা. অনেক বেশি দেরিতে চোখে পড়ল - ডিসকো বান্দরের একটা পোস্টের লিন্ক ধরে.অনেক অনেক আগে আমিও বিএমএ-তে ছিলাম, আমরা যাওয়ার আগেও একদল ফিলিস্তিনি বিএমএ-তে ট্রেনিং নিয়েছিল, কমিশন পেয়েছিল কিনা জানা নাই. আমরা দেখিনি, গল্প শুনেছি. এক এডুকেশন কোরের ইন্সট্রাকটর বলেছিলেন, এক পিটি স্টাফ এক ফিলিস্তিনিকে ভার্টিক্যাল রোপ করতে বলেছিলেন, উত্তরে সে বলেছিল, 'স্তাফ, ইউ দু, আই সি' - অর্থাদ্, ডিসিপ্লিন আগেও ভাল ছিল না.
আমাদের সময় মালদ্বীপ ও মালয়েশিয়ান ক্যাডেট ছিল. মালদ্বীপেররা তাদের দেশের প্রথম কমিশন্ড অফিসার হয়েছিল.
পিলখানার স্মৃতি নিয়ে এই ফেব্রুয়ারিতে এমনিতেই মূহ্যমান আছি, বিএমএ থেকে পাস-আউট করা কয়েকজন ক্যাডেটের জন্য এতদিন পরে হঠাত কষ্টরা দলা বেধেঁ গলায় আটকে আছে মনে হচ্ছে. তাদের রুহের মাগফেরাত কামনা করছি, আমিন.
অস্থির পৃথিবী বলেছেন:
অসাধারণ....
মা-নবি০৩ বলেছেন:
ডিসকো বান্দরের একটা পোস্টের লিন্ক ধরে চোখে পড়ল@ যুক্তিপ্রাজ্ঞ আমি ৫১ তে ছিলাম ।ফাস্ট টার্ম শেষে টেসে পড়া রউফিয়ানদের একজন । আপনি সম্ভবত ৫০-৫১-৫২ কোন একটা লঙ কোর্সের
অনিক বলেছেন:
অসম্ভব সুন্দর একটা লেখনী। প্রিয়তে রেখে দিলাম।
যুক্তিপ্রাজ্ঞ বলেছেন:
@মা-নবি০৩: আমার কোর্সমেটরা কেউ তোমাদের টার্ম/প্লাটুন কমান্ডার ছিল হয়ত, আমার কোর্স তোমাদের কোর্সের অর্ধেকেরও কম. পরিচয় হয়ে ভাল লাগল.
ক্যাপ্টেন০৫ বলেছেন:
অসাধারণ লাগলো, কিসুই মনে হয় করার নেই আর। ইসরায়েলের হাতে বনদি সবাই। ডানে বামে তাকালেই দেখবেন তারা আছে।
অন্ধ দাঁড়কাক বলেছেন:
মনটা খারাপ হয়ে গেলো
শ্রাবন্য বলেছেন:
এসব দেখে মন খারাপ হতে হতে এখন আর সহজে কিছু হয় না। কিন্তু সাতজন প্রশিক্ষিতের একই পরিনতি মেনে নিতে পারছি না। এই ফিলিস্তিনীরা কবে যে মুক্তি পাবে!সুন্দর লিখেছেন, বিশেষ করে ফিনিশিং। প্রিয়তে গেল।
ডিসকো বান্দর বলেছেন:
অদ্ভূত ভাই। ভালো লাগলো।
ইউনুস খান বলেছেন:
কিছু বলার ভাষা হারিয়ে ফেলেছি।
মেহের স্যালুট ভাই ................. !
রেজওয়ান মাহবুব তানিম বলেছেন:
আমি সত্যি মর্মাহত ভাই । জীবন কেন এত নিষ্ঠুর ?? মেহেরের আত্মা শান্তিতে থাক ।
আমি তুমি আমরা বলেছেন:
মাজেদুল ইসলাম বলেছেন: খুবই খারাপ লাগলো শেষের দিকটা পড়ার পর।ধন্যবাদ এমন একটা ঘটনা আমাদের জানানোর জন্য ।
আর যেন নতুন ব্লগার রা এইরকম একটি লেখা পড়তে পারে।
মেহেরের আত্মা শান্তিতে থাক ।
লেখক কে আবার ও সালাম।
স্মৃতির নদীগুলো এলোমেলো... বলেছেন:
এত খারাপ লাগলো শেষটা পড়ে। মেহেরকে আল্লাহ বেহেস্ত নসীব করুক। আমিন
আপনার লেখার শেষটুকু পড়ে খুব খারাপ লাগলো। দুজনের সাথেই আমার বেশি খাতির হয়ে গিয়েছিল দুই দিনে। অনেকদিন যোগাযোগ নেই, আগে মাঝে মাঝে মেসেঞ্জারে পেতাম। এখন আর পাই না, দেখি আবার যোগাযোগ করব।
এদের পরিণতিও যেনো সেরকম না হয়।
অপরাজেয়আমি বলেছেন:
বস কি বলব বুজতাসি না। শেষের টুকু পড়ে আমি নিজেই শেষ।
শফিক আসাদ বলেছেন:
ভাষা খুঁজে পাচ্ছিনা। নিজেকেই কেমন সস্তা লাগে এই সব শুনলে।
অভয়ারোন্য বলেছেন:
কষ্ট পেলাম।





































