আমার প্রিয় পোস্ট

সিগারেট খেতে গিয়ে ধরা খাওয়ার গল্প।

৩১ শে মে, ২০০৯ রাত ৯:১২

শেয়ার করুন:                   Facebook




আজকে বিশ্বধুমপান নিধন দিবস।

দুপুরে ভাত খাওয়ার পরে মহাসারম্বরে সিগারেট নিধনে বের হলাম। বের হবার সময় একটু দুঃশ্চিন্তা ছিল। ভাত খেয়ে আমার বাবাও তারাহুরো করে বাইরে গেছেন। নির্ঘাত সিগারেট খেতে। কিছুতেই তাকে কন্ট্রোল করা যাচ্ছে না। এত চিল্লা চিল্লি করা হয়, সব মুখ বুজে সয় আর বলে আর খাবো না। কিন্তু বাড়ি থেকে বেড়ুলেই সিগারেট হাতে আমার হাতে ধরা খায়। আমার সন্দেহ ঠিক ছিল। গলীর মুখে সিগারেট সহ আমার হাতে কট খেল। তার কাচুমাচু চেহারা দেখে মায়া লাগছিলো, কিন্তু মাতৃভক্ত ছেলের মতো আমি মোবাইলে ছবি তুলে ফেলেছি ততোক্ষনে। এই ছবি দেখে আম্মু আজকে সিরিয়াসলি ধরবে।

সন্ধ্যায় সিগারেট খাবার এলাকা আমাদের ভাগ করা আছে। আমার বাবা যায় তাজমহল রোডের পূর্ব দিকে, ওদিকটা আমি যাই না এজন্যে যেন আমার হাতে কট না খান। আর আমি যাই পশ্চিম দিকে রিং রোড এরিয়াতে যেন আমি তার হাতে ধরা না খাই। কয়েকবছর আগে স্ট্রোকের পরে তার সিগারেট খাওয়ার উপরে বাড়ি থেকে নিষেধাজ্ঞা জারি হয়েছে। আমার দায়িত্ব তাকে সিগারেট খাওয়া অবস্থায় দেখলেই হই চই করা। এটা আমি নিষ্ঠার সাথে করি। তো একবার কোরবানীর ঈদে আব্বু আর চাচা গেছেন গাবতলী। আমি ভাবলাম আজকে তাজমহল রোডের আমার বাবার এরিয়াটা খালি। ওখানে নিশ্চিন্তে আমি সিগারেট খেতে পারবো।

আয়েশ করে সিগারেট ধরিয়ে যাচ্ছিলাম, হঠাত আমার বাবার গলা, সৌম্য সৌম্য। এদিকে এদিকে।

তাকায় দেখি আমার বাবা, একটা চায়ের দোকানে বসে। সম্ভবত হাতে সিগারেট ছিল আমাকে দেখে চান্সে সিগারেট ফেলে দিয়েছেন কোন চিপায়। আমি পারি নাই। হাত দিয়ে কায়দা করে আরাল করে রাখছি। আব্বু ডেকেই যাচ্ছেন, সৌম্য এদিক আস, চা খেয়ে যাও। (আমার বাবা সারাজীবন চা কোম্পানীতে চাকরী করায় অতিরিক্ত চায়ের নেশা। তাই বাসাতে তার চা খাওয়ায় কন্ট্রোল করেন আমার মা। বাইরের চায়ের দোকানে গিয়ে অতিরিক্ত তেষ্টা মেটানতে অবশ্য মানা নেই)।

আমি কইলাম, না চা খাব না। আমি চা খাই না।

আব্বু নাছোড়বান্দার মতো পিছে লেগে থাকলো। না না আস। আমাকে চা খাওয়ানোর জন্যে জোড়াজুড়ি শুরু করলো।

আমার হাতের তালু সিগারেটের ছ্যাকা লেগে পুড়ছে। আর থাকতে না পেরে মাত্র দু-টান দেয়া সিগারেটটা ফেলে দিলাম। আব্বুর কাছে যেতেই বললো, তোমার হাত থেকে কি জানি পড়ে গেছে।

আমি বললাম না না। পড়ে নাই।

আব্বু ভালোমানুষের মতো চেহারা করে বললো না না পড়ছে, ভালো করে দেখ। ইম্পর্টেন কিছু হইতে পারে। ঐ যে ওদিকে, সাদা রঙের যেটা পড়ে আছে।

না না। আমার হাত থেকে ঐটা পড়ে নাই।

আরে দেখ না, দরকারী কিছু হইতে পারে।

চোরের মায়ের বড় গলা। আমিও গলার রগ ফুলায় বললাম, না হইতেই পাড়েনা। আমার হাত থেকে পড়লে টের পাইতাম।

আব্বু আরো কিছু বলতে যাচ্ছিলো। তার আগেই চায়ের দোকানের বজ্জাত জামাল (পিচ্চি ভালো গান গায়) এসে আব্বুকে বলে, ছার, নেন আপনার তিননাম্বার সিগারেট।

 

লেখাটির বিষয়বস্তু(ট্যাগ/কি-ওয়ার্ড): রম্য গল্প ;
সর্বশেষ এডিট : ৩০ শে আগস্ট, ২০১০ রাত ৯:৪৪

 

১. ৩১ শে মে, ২০০৯ রাত ৯:২০
ইশতিয়াক অাহমেদ বলেছেন: হাঃ হাঃ হাঃ...

ভাই, অনেকদিন পর মনে হয়...
৩১ শে মে, ২০০৯ রাত ১০:৪২

লেখক বলেছেন: খালি ট্রাভেল ব্লগ লিখি তো, এইজন্যে মনে হয়। গত শুক্রবার উয়ারী-বটেশ্বর গেছিলাম। ৩/৪দিন আগে একটা পোষ্টাইছিলাম।

২. ৩১ শে মে, ২০০৯ রাত ৯:২৬
অ্যামাটার বলেছেন: হাহাহা...বেটা কা বাপ!
দু'জনেরই ইজ্জত পাংচার:D
আমার বাপে খায়না, তয় আমি গর্বিত ধুমপায়ী:) অবশ্য কোনওদিন ধরা পড়িনাই।
৩১ শে মে, ২০০৯ রাত ১০:৪১

লেখক বলেছেন: বাবা খায় না, কিন্তুক আপনি খান। শকিং। আধুনিক ছেলেরা সিগারেট খায়না চুয়িং গাম চিবায়। (আমার মায়ের থিওরী)। সো আমি ক্ষ্যাত। আপনিও আমার দলে।

৩. ৩১ শে মে, ২০০৯ রাত ৯:২৬
ক্যামেরাম্যান বলেছেন: বাপকা বেটা বলমু নাকি বেটাকা বাপ, ঠিক ঠাওর পাইতেসি না :)
৩১ শে মে, ২০০৯ রাত ১০:৪০

লেখক বলেছেন: বাবায় বলে মা-কা বেটা।

৩১ শে মে, ২০০৯ রাত ১০:৩৯

লেখক বলেছেন: হা হা হা।

ঐ দিনের ঘটনা অবশ্য বাড়িতে রিপোর্ট করি নাই। বাবাকে হাতে নাতে ধরলেই মোবাইলে ছবি তুলি। ঐদিন এক্সকিউজ করা হইছে।

৫. ৩১ শে মে, ২০০৯ রাত ৯:২৭
চাঙ্কু বলেছেন: হাহা হাহাহা

সিগারেট খাইতে মঞ্চায় :(
৩১ শে মে, ২০০৯ রাত ১০:৩৭

লেখক বলেছেন: সিগারেট খারাপ জিনিস একে পুড়িয়ে ফেলুন। হা হা হা।

ছাড়ার ব্যাপক চেষ্টা করতেছি। পারতেছি না।

৬. ৩১ শে মে, ২০০৯ রাত ৯:৩১
সততার আলো বলেছেন: বাহ, বহুত মজার ঘটনাতো!

গুলশানের নির্জন অভিজাত আবাসিক এলাকার ওদিকটা ছিল আমার সিগারেট খাওয়ার সবচে নিরাপদ জায়গা। বাসা থেকে বেরিয়ে সামান্য হেটে ওদিকটায় গিয়েই ফুসফুসের ভেতর গরম ধোঁয়ার ছ্যাঁকা দেওয়াটা আমার অভ্যাস ছিল। অথচ তারপরও কেমন করে যেন বাবার কাছে ফাঁস হয়ে গিয়েছিল সিগারেট খাওয়ার ব্যপারটা। তিনি ধূমপান খুবই অপছন্দ করেন। তবে সরাসরি আমাকে কিছু বলেননি। চাচাত ভাইকে দিয়ে বলিয়েছিলেন তবে অতটা জোর দিয়ে নয়। আসলে বাবার আমার উপর বিশ্বাস খুবই বেশি। তারই প্রমান হিসেবে আমি প্রায় দেড়বছরের অভ্যাস একদিনে ঝট করে ছেড়ে দিয়েছি। একদিন হঠাৎ চিন্তা করলাম সিগারেট ছেড়ে দেব, তারপর মাত্র একবার ধুমপান করেছি। এই শেষ। এখন সিগারেট আমার চোখের বিষ।

সিগারেট ছেড়ে দেয়া কঠিন কিছু নয়। শুধু প্রয়োজন আত্ন বিশ্বাস। আশা করি সকল সচেতন ধুমপায়ী সিগারেটের নেশার জেলখানা হতে অতি দ্রুত মুক্তি পাবে তাঁদের আত্নবিশ্বাসের শক্তি দিয়ে।
৩১ শে মে, ২০০৯ রাত ১০:৩৬

লেখক বলেছেন: আমি অনেক চেষ্টা করতেছি। ছাড়তে পারতেছি না। :( :( :(

৭. ৩১ শে মে, ২০০৯ রাত ৯:৩২
বড় বিলাই বলেছেন: শেষ লাইন পইড়া হাসতে হাসতে শেষ।
৩১ শে মে, ২০০৯ রাত ১০:৩৫

লেখক বলেছেন: তাইলে আবার হাসতে হাসতে শুরু করেন।

৮. ৩১ শে মে, ২০০৯ রাত ৯:৩৪
রুবাইয়াত ইসলাম সাদাত বলেছেন: খুব মজা পেলাম সৌম্য ভাই।

ধূমপান কিন্তু স্বাস্থ্যের জন্যে ক্ষতিকর।
৩১ শে মে, ২০০৯ রাত ১০:৩৫

লেখক বলেছেন: জ্বী ক্ষতিকর। কিন্তু মানসিক ভাবে শক্তি দিতে এর জুড়ি নাই।

৯. ৩১ শে মে, ২০০৯ রাত ৯:৩৯
সাদা মনের মানুষ বলেছেন: খুবই মজার, আমিতো শুনেছি প্রায়ই নাকি আপনারা বাপ-বেটা একে অপরের হাতে ধরা খান :D
৩১ শে মে, ২০০৯ রাত ১০:৩৪

লেখক বলেছেন: কামাল ভাই, আমার বাবা আমার সাথে অনেক ওপেন। কিন্তু এই একটা বিষয় দুরত্ব রেখে চলি।

৩১ শে মে, ২০০৯ রাত ১০:৩৩

লেখক বলেছেন: জ্বী পড়লাম। আমি চামুচ পকেটেই রাখি। সৌখিন জিপ্পো ইউজ করি। বার্মিজ মার্কেটের স্মাগলড আইটেম।

১১. ৩১ শে মে, ২০০৯ রাত ৯:৫৬
অ্যামাটার বলেছেন: অফটপিক: ধুমপান কর্লে শিবির থেকে নাম খারিজ করে দেয়। উপ্রের কোনও একজনরে কইলাম।
৩১ শে মে, ২০০৯ রাত ১০:৩০

লেখক বলেছেন: ৫ মিনিট আগে আল-জাজিরা ইংলিশএ নিকোলাস হক এর রিপোর্ট দেখাচ্ছিলো বাংলাদেশে ঘাতক দালালদের বিচার নিয়ে। বুদ্ধিজীবী কবরস্থানে শহীদদের পরিবারের কান্না, এর পরেই সাকা চৌধুরীর সাক্ষাতকার। সে বড় গলায় বলছিলো, MY FATHER WAS AN IDEAL CITIZEN, HE BELIVED IN MUSLIM CONFEDARATION. I FEEL PROUD TO BE MY FATHER'S SON. I BELIVE IN ISLAM.

গা জ্বলতেছে।

১২. ৩১ শে মে, ২০০৯ রাত ৯:৫৭
রুবেল শাহ বলেছেন: সিগারেট খাইতে মঞ্চায় না আইজকা এক ঠোঙ্গা কিনুম...............;)
৩১ শে মে, ২০০৯ রাত ১০:৩৪

লেখক বলেছেন: আমারেও দিয়েন ভাগ। নইলে কিন্তু আঙ্কেলরে কইয়া দিমু।

১৩. ৩১ শে মে, ২০০৯ রাত ১০:০৯
এ. এস. এম. রাহাত খান বলেছেন:
আইজ ধানমন্ডি লেকে তামাক বিরুধী ক্যাম্পেন
৩১ শে মে, ২০০৯ রাত ১০:৩২

লেখক বলেছেন: হা হা প গে।

৩১ শে মে, ২০০৯ রাত ১০:৩২

লেখক বলেছেন: এইসব কি কন? আপনার সাথে পুরান ঢাকায় গেলাম। সারাদিন বিড়ি খাইলাম।

১৫. ৩১ শে মে, ২০০৯ রাত ১০:২৫
লেখাজোকা শামীম বলেছেন: এই জন্য তো বিড়ি সিগারেট খাইলামই না জীবনে
৩১ শে মে, ২০০৯ রাত ১০:৩১

লেখক বলেছেন: আহারে বেচারা।
সুকান্ত ভট্টাচার্যের একটা কবিতা আছে, সিগারেট নিয়া। পড়ছেন নাকি শামীম ভাই?

১৬. ৩১ শে মে, ২০০৯ রাত ১০:৩১
মউ বলেছেন: আইজ ধানমন্ডি লেকে তামাক বিরুধী ক্যাম্পেন , হা হা হা ওরা মনে হয় তামাক খেয়েই মাথায় এ ধরনের চিন্তা নিয়ে ক্যাম্পেন করতাছে। ;)
৩১ শে মে, ২০০৯ রাত ১০:৫৬

লেখক বলেছেন: আমার মনে হয় গাঞ্জা খেয়ে এইরকম হাস্যকর বুদ্ধি মাথায় আসছে।

৩১ শে মে, ২০০৯ রাত ১০:৫৮

লেখক বলেছেন: :D

১৮. ৩১ শে মে, ২০০৯ রাত ১০:৪০
টানিম বলেছেন: তামুক খাইতে যায়া আমিও ধরা খাইছি।
০২ রা জুন, ২০০৯ ভোর ৪:৪৯

লেখক বলেছেন: তামুকের জন্যে কট খায় না এমন লোকই নাই। কেউ খায় বাপের কাছে কেউ ধরা খায় পোলার কাছে।

১৯. ৩১ শে মে, ২০০৯ রাত ১০:৪৩
ইসানুর বলেছেন: বড় বিলাই বলেছেন: শেষ লাইন পইড়া হাসতে হাসতে শেষ।
৩১ শে মে, ২০০৯ রাত ১০:৫৯

লেখক বলেছেন: বড় বিলাই শেষ, মফিজুল হক শুরু করেন।

২০. ৩১ শে মে, ২০০৯ রাত ১০:৫২
শয়তান বলেছেন: নাহ । ওমনে কট খাই নাই জীবনে । তবে এখন তো নিজের রুমেই খাই । কেউ কিছু কয় না । বিরক্ত হৈয়া গেসে মনেহয় ।
৩১ শে মে, ২০০৯ রাত ১১:০১

লেখক বলেছেন: আহারে কি মজা, নিজের রুমেই খান। হিংসায় জ্বলে পুড়ে মরি।

২১. ৩১ শে মে, ২০০৯ রাত ১০:৫৩
ভাঙ্গা পেন্সিল বলেছেন: আপনাদের বাপ বেটার দ্বৈরথ পইড়া মজা পাইলাম!
০১ লা জুন, ২০০৯ রাত ১:১৩

লেখক বলেছেন: :( :( :(

০১ লা জুন, ২০০৯ রাত ৩:২৯

লেখক বলেছেন: আমি জেনেশুনে বিষ করেছি পান...।
বস, আমার নাম সৌম্য, সোম্য না।

২৩. ০১ লা জুন, ২০০৯ রাত ৩:৩৮
নিশাচর বলেছেন: সোম্য ভাই একটু আসেন।নুতুন একটা লেখা আছে।

ডিজিটাল বালক;)
০১ লা জুন, ২০০৯ রাত ৮:৩১

লেখক বলেছেন: জ্বি পড়লাম।
মাস্টার মশাইয়ের কারাবাস শেষ হয়নি এখনো?

২৪. ০১ লা জুন, ২০০৯ রাত ৩:৪৪
নম্রতা বলেছেন: He says : Do you mind if I smoke !
She says : Do you care if I die ?
================

মনে পড়ে, বাবার সিগারেটের প্যাকেট চুরি করেছিলাম কয়েকবার। কখনো ধরা পরিনি !
কোয়েড স্কুলে পড়তাম। ছেলেমেয়েরা সবাই মিলে খেতাম...সময়টা কেমন যেন ছিল।
বাবার কাছে ক্ষমা চাইবো এবার !
০১ লা জুন, ২০০৯ রাত ৮:৩৩

লেখক বলেছেন: ছোটবেলায় সিগারেট দুই চোখের বিষছিল। মুহম্মদ জাফর ইকবালের এক বইয়ে একটা টিপস পেয়ে বাবার উপর খাটালাম। তার সিগারেট প্যাকেট খুলে সব সিগারেটের তামাক আধা আধি বের করে ভিতরে বারুদ (ম্যাচের কাঠির আগা কেটে) ভরে দিয়ে আবার তামাক ভরে রেখে দিছিলাম আমি আর আমার বোন। পরে যখনই সিগারেট ধরিয়ে টান মারে আর সাথে সাথে ধুম-ফট্টাস!
হা হাহা।

২৫. ০১ লা জুন, ২০০৯ রাত ৩:৪৮
'লেনিন' বলেছেন: ছোট বোনের সামনে একবার এক পুরানো ক্লাসমেট প্রবলভাবে সাধা শুরু করলো... কী রে দোস্ত বেনসন তো?
আমার চোখ রাঙানিতে আরো বেড়ে গেলো.. হা হা হা

বলে আরে ও তো ছোট মানুষ...

ব্যাপার হচ্ছে বাসার কেউ এখনো কেউ জানেনা(অন্তত আমার জানামতে), যে আমার ধুম্রশলাকা সেবনের অভ্যাস রয়েছে ;)
০১ লা জুন, ২০০৯ রাত ৮:৪৬

লেখক বলেছেন: সামহোয়ার ইন ব্লগের পিকনিকের দিন বিড়ি খাওয়ার সময় একজন ব্লগারকে তার ছোট বোন চড় মারছিলো। বেচারার মান ইজ্জত সবার সামনে তেজপাতা।

২৬. ০১ লা জুন, ২০০৯ সকাল ৮:১৪
বাংলাদেশী সাইকেল ভ্রমণকারী বলেছেন: সম্ভবত ঐ দিন পুরাকীর্তি দেখার নেশায় আপনার কার্যক্রম ভালো করে মনে রাখি নাই। বুঝেন তো, ঐ জিনিষগুলোর প্রতি কি বেশুমার টান আমার . . .
০১ লা জুন, ২০০৯ রাত ৮:৪৮

লেখক বলেছেন: বে-শুমার। মানে যেইটার শুমারী করন যায় না।

আপনের খবর কি সাঈদ ভাই। ফোনেও পাওয়া যায় না। চারুকলাতেও আসেন না।

২৭. ০১ লা জুন, ২০০৯ রাত ৮:৩৯
এস এ মেহেদী বলেছেন: হে হে হে হে হে হে..........................


কেমন আছেন সৌম্য ভাই।
০১ লা জুন, ২০০৯ রাত ৮:৪৪

লেখক বলেছেন: আলহামদুলিল্লাহ ভালো আছি মেহেদী ভাই।
আপনার কি খবর? ভালো থাকবেন।

২৮. ০৬ ই জুলাই, ২০০৯ রাত ৩:৪৯
অরণ্য আনাম বলেছেন: ইহা একটি "বিড়ি খোর" ব্লগ ;)
০৬ ই জুলাই, ২০০৯ বিকাল ৪:৩৯

লেখক বলেছেন: বিড়ি খায় নাকি পান করে?

২৯. ১৮ ই জুলাই, ২০০৯ সকাল ১১:২১
সাধারণমানুষ বলেছেন: চায়ের দোকানের বজ্জাত জামাল (পিচ্চি ভালো গান গায়) এসে আব্বুকে বলে, ছার, নেন আপনার তিননাম্বার সিগারেট। হা হা হা
১৮ ই জুলাই, ২০০৯ সন্ধ্যা ৭:২৫

লেখক বলেছেন: হি হি হি

 

মোট সময় লেগেছে ০.১৬৯০ সেকেন্ড

 

© somewhere in net ltd | terms of use | privacy policy
আমি সাঈদ সৌম্য।
ঘুরা ঘুরি করতে ভাল্লাগে।
আর এস এস ফিড

পোস্ট আর্কাইভ

আমার লিঙ্কস

আমার বিভাগ