somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

মেঠোপথের কথকতা

৩১ শে অক্টোবর, ২০০৯ রাত ১:১৮
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

“হাজার বছর ধরে আমি পথ হাটিতেছি পৃথিবীর পথে
সিংহল সমূদ্র থেকে নিশীথের অন্ধকারে মালয় সাগরে
অনেক ঘুরেছি আমি, বিম্বিসার অশোকের ধূসর জগতে
সেখানে ছিলাম আমি, আরো দূর অন্ধকারে বিদর্ভ নগরে
আমি ক্লান্ত প্রাণ এক, চারিদিকে জীবনের সমুদ্র সফেন …....



সিংহলের সাগর দেখা হয়নি, অন্ধকারে মালয় সাগরে ডুব দেবার ইচ্ছে নেই, হাজার বছর ধরে হাটা সেটাও হয়তো বাস্তবে খুব একটা কাব্যিক না। যাই হোক জীবনানন্দ দাশের মৃত্যু দিবসের (২২শে অক্টোবর) পরের দিন আমরা বেরুলাম পৃথিবীর পথে হাটতে। কোন জায়গাকে দেখতে সবচেয়ে ভালো উপায় হাটা। হাটাকে গ্লোরিফাই করতেই হয়তো এটাকে গালভারী নাম দেয়া হয়েছে হাইকিং।
ঢাকা থেকে আমাদের গন্তব্য রৌহা। রাহাত ভাইএর গ্রামের বাড়ী। ধামরাইয়ের ছোট্ট একটা গ্রাম। মেইনরোড থেকে ভ্যানে প্রায় আধা ঘন্টার রাস্তা। জিপিএস দিয়ে এরিয়াল ডিস্ট্যান্স বের হলো ৩০ কিলোমিটারের একটু বেশী। গ্রামের আঁকা বাঁকা রাস্তা। তাই মোট দুরত্ব ৪০ কিলোর বেশী হবে। ভ্রমন বাংলাদেশের এই হাইকিং ইভেন্টটা প্রতিমাসে হবার কথা থাকলেও এই বছরে মাত্র ২টা করা হয়েছে। আগেরটাতে হেটে গিয়েছিলাম ইশতিয়াকদের (ব্লগার হিলী) গ্রামের বাড়ী ইসলামপুর, পড়ের ইভেন্টটাতে আমি বাদ ছিলাম। যেভাবেই হোক এবারেরটাতে আছি, পণ ছিলো। এছাড়া হাইকিং শেষে মুরগীর বার-বি-কিউএর লোভ তো ছিলই।
যাই হোক কাক ডাকা ভোড়ে বের হলাম আমরা, ইশতিয়াক আর ছোট ভাই জ্যাক এর সাথে। আমিন বাজারে জমায়েত হলাম। একই সময়ে উদ্যোক্তা রাহাত ভাই, ফয়সাল ভাইকে নিয়ে হাজির। পুরবী আপু আর হাটা চ্যাম্পিয়ান রুমি দুই মহিলা সদস্যও যথাসময়ে উপস্থিত, তাদের সাথে আসলো কামরুল ভাই। আমার দুই গেষ্ট শরীফ আর হাসিব দেরী করে ফেললো অনেকক্ষন। আটটার সময় শুরু করার কথা থাকলেও হাসিব আর শরীফের জন্যে আমরা ক-জন শুরু করলাম সাড়ে আটটার দিকে। প্রথম দল আস্তে আস্তে হাটছিল, আমরা দ্রুত হেটে আধাঘন্টা কাভার করে নিলাম। গাবতলীর ময়লা, বাস টেম্পোর হই চই এর পরে অন্যরকম পৃথিবী। পথে চারদিকে খালি কাশবন আর কাশবন। অবশ্য এই এলাকায় হাইওয়েতে বড় বড় বাসের হৈ হুল্লুর কম নয়। হুশ হুশ করে কানের পাশ দিয়ে ছুটে যায়, আর হঠাত হঠাত প্রান আঁতকানো হর্ন দিতে এরা ওস্তাদ। একটা ময়লার ডিপো আছে, সারা ঢাকা শহরের সব ময়লা এখানে জমা হয় (আরেকটাও কাকতালীয় ভাবে বাস স্ট্যান্ডের কাছে, সায়দাবাদে)। ঐ এলাকায় অসংখ্য শিকারী পাখি। কাক, চিল, শকুন। কাক আর চিল খুব কমন পাখি, শুনতে অবাক লাগে কিন্তু শকুন আশঙ্কাজনক অস্তিত্ব সঙ্কটে থাকা একটা প্রানী। আজকাল শকুন দেখাই মুশকিল। অনেক অনেক অনেক দিন পর শকুন উড়তে দেখলাম।



হেমায়েতপুরে পৌছালাম খুবই তাড়াতাড়ি। হেমায়েতপুর বাজারে একটা দোকানে ঢুকে সকালের নাস্তা করে নিলাম সবাই। হেমায়েত পুর থেকে দুটো রাস্তা। ডানেরটা আরিচাগামী আর বামেরটা গেছে সিঙ্গাইর উপজেলার দিকে। এই রাস্তাটায় কখনো আসিনি। ওই রাস্তায় ঢুকে পড়লাম। এখানে দলটা বেশ ছড়িয়ে গিয়েছিলো। তবে ঘণ্টাখানেকের মধ্যেই সবাই আর একজোট হলাম। তেঁতুলো ঝোড়া নামের একটা গ্রামের স্কুলে দেখি ধুন্ধুমার ক্রিকেট ম্যাচ হচ্ছে। লুঙ্গি পড়া বোলার মালকোচা মেরে তেড়েফুড়ে মালকোচা পড়া ব্যাটসম্যানকে কঠিন একটা বাউন্সার দিলো। উইকেট কিপার ইয়াবড় লাফ দিয়েও সেই বাউন্সার ঠেকাতে পারলো না। বাই ফোর। উইকেটকীপারও মালকোচা পড়েছে। অবাক ব্যাপার, এত বড় লাফ দিয়েও তার মালকোচা খুলে গেলো না। ক্রিকেট মাঠে অস্ট্রেলিয়ার এক খেলোয়াড়কে দেখেছিলাম বাউন্ডারি লাইনে স্কিড করে চার ঠেকাতে গিয়ে প্যান্ট খুলে গিয়েছিলো। ভাগ্যিস তেমন কিছু হলো না।
ধল্লা নদীর ব্রিজটা অনেক উচু। উপরে দারুন হাওয়া। শরত শেষে কার্তিক শেষ। কিন্তু আকাশ যেন ঝলমল করছে। নিচে জেলেদের মাছ ধরা।


ধল্লা নদীর ব্রিজের আগ পর্যন্ত ইন্ডাস্ট্রিয়াল এলাকা। শিল্পপতিরা দামী গাড়ি হাঁকিয়ে যাতায়াত করেন, তাই রাস্তার অবস্থা ভালো। ওপাশে আস্তে আস্তে রাস্তা সরু হয়েছে। রাস্তার উপরেই হাট বাজার বসেছে। গ্রাম্য আবহাওয়ার শুরু। ঘন্টা খানেক হেটে একটা মসজিদে ঢুকে হাত মুখ ধুয়ে নিলাম। অনেক গুলো গ্রাম আর বাজার পেড়িয়ে এসেছি, নাম ধাম আর মনে নেই। একটা স্টিলের নির্মিয়মান ব্রিজকে হাতের বামে রেখে আমরা ক-জন ডানে ঢুকে পড়লাম, রাহাত ভাইয়ের পথ নির্দেশ মতো। ইট বিছানো রাস্তা সামনে গিয়ে দু ভাগ। বামের কাঁচা রাস্তা ধরে পুরোপুরি গ্রামে ঢুকে পড়লাম। এখানে মানুষের উচ্ছাস দেখার মতো। কই যান? কই থেকে আসলেন, ঢাকা থিকা হাইটা আসলেন ক্যান? এতটা রাস্তা হেটে ফায়দা কি? মনে হচ্ছিলো সাইনবোর্ড বানিয়ে পিঠে ঝুলিয়ে হাটি। বেশীর ভাগ লোক অবশ্য আমাদের জবাবের থোড়াই কেয়ার না করে নিজে নিজে মনগড়া উত্তর বানিয়ে নিচ্ছিলো। অধিকাংশর ধারনা আমরা নাটক/সিনেমা বানাই। ইশতিয়াক আগ্রহ ভরে জানাচ্ছিলো, আপনাদের সন্দেহই সঠিক। সামনের ঐ পোলাটা নায়ক, ঐ যে আপু আসতেছে উনি নায়িকা। এখানে একটা গ্রাম জয়মন্ডপে আমরা লম্বা বিরতী নিলাম একটা টিনের বাসার সামনে। ওপাশে বড় দিঘীতে কাজল কালো জল, চারপাশে বড় বড় নারকেল গাছের ঠান্ডা ছায়া, খড়ের গাদায় আরাম করে গা এলিয়ে দেয়া যায়। জয়মন্ডপের পরে দক্ষিণ ভিটা নামের একটা গ্রাম পড়লো, এখান থেকে সবই চষা ক্ষেত। আলুর চাষ হচ্ছে বোধহয় খুব জোড়ে সোরে, জমির আইল ধরে আরো মাইলখানেক হাটার পরে একটা কাচা রাস্তা পড়লো, রাহাত ভাই জানালো পুরো পথে আমাদের আর পিচ ঢালা রাস্তায় উঠতে হবে না। পাশের বাড়ির মহিলা একটা বড় জগে পানি পাঠিয়ে দিলো আমরা মুসাফির পুরুষ-মহিলাগুলোর জন্যে। নিমিষেই জগ শুন্য।



এর পরে কাচা মেঠোপথ ধরে আরো একঘন্টা হাটার পরে বিশাল একটা চষা ক্ষেতে নামলাম। যতোদুর যায় শুধুই চষা জমি। এই জায়গার নাম খড়ার চর। খড়ার চরের পরে ছোট্ট একটা খেয়া পড়লো। পাতলা ফিতার মতো চিক চিকে নদী। দুকুল উপচানো শুভ্র কাশবন। খেয়া নৌকার মাঝি যখন বললো, এটা নাকি ধলেশ্বরী নদী তখন আকাশ থেকে পরার জো হলো। পড়ের গ্রাম রুহিরটেক। রুহির টেকে একটা জঙ্গলে অতি বিরল 'কানা কুয়ো' পাখি চোখে পড়লো। অনেক চেষ্টা করেও পাখি টাকে ফ্রেম বন্দি করতে পারলাম না। আমার দৌড়া দৌড়ি দেখে সে এক ছুটে বাঁশ ঝারে ঢুকে পড়লো। রুহির টেক থেকে রুহির টেক বাজারে যাবার পথে এক বুড়োর সাথে খাতির হলো। আমাদের সাথে সাথে চললো পুরোটা রাস্তা। এই রাস্তাগুলো অতি চমতকার। দু-পাশে অনেক ছোট ছোট পুকুর, দিঘী আর বড় বড় শ্যাওলা জমা বিশাল বিশাল গাছের শান্ত ছায়া। শেষ দুপুরের ক্লান্ত সময়ে কানে বাজে ঘুঘু পাখির একটানা গান।
রুহির টেক বাজারে ডাল-পুরী আর সমুচা খেয়ে আবার হাটা। একটা নদী পার হলাম ব্রীজের উপর দিয়ে। চারপাশে বিস্তীর্ন ধানক্ষেতের বুক চিড়ে লম্বা রাস্তা। বাস নেই। ফটফটে মোটর সাইকেল আর রিক্সা ভ্যান ছাড়া আর কোন যানবাহন চোখে পড়ে না। পথে এক বাড়িতে গান বাজনা শুনে ঢুকে পড়লাম। মাঝখানে প্যান্ডেল টাঙ্গানো। অসংখ্যা লোকের মাঝখানে বাবড়ি চুলের কবিয়াল সুর করে পালা পড়ছে, মাঝখানে ঝকমকে ঢোলের বাজনা। গাজী পীরের কিস্যা। পল্লীকবি জসিমউদ্দিনের লেখার পাড় ভক্ত আমি। উনার লেখার মাঝে গাজী পীরের কিস্যার কথা অনেক বার এসেছে। গল্পটা কখনোই শোনা হয়নি। এবারেও সুযোগ হলো না। আবার পথ চলা। পিছনে বাবরী চুলের গ্রাম্য কবি সুর করে পালা পড়ছে,
'গাজী পীরের ঘুম ভাঙ্গলে উনি দেখলেন, বলেন কি দেখলেন? উনি দেখলেন উনি এক মন্দিরে। মন্দিরের পুজারিনী তাকে ভাবলেন তস্কর। পুজারিনী কৃপান হাতে ছুটে এলেন... গাজী পীরকে জিজ্ঞাস করলেন, বলরে চোরা, তুই আমার মন্দিরে কেমনে ঢুকলি? গাজী সাহেবের উঠলো রাগ। উনি গর্জন করে বললেন, তবেরে চুন্নি... তার আগে তুই বল, কোন জাদু মন্ত্রে, কোন ইন্দ্রজালে তুই আমারে এই মন্দিরে নিয়া আসলি?'
গল্পটা মনে হয় অনেক ইন্টারেস্টিং, শুনতে না পেরে আফসোস লাগলো।
ফুলতলা বাজারে আসতে আসতে ক্লান্তিতে শরীর ভেঙ্গে আসলো। গ্রামের লোকের প্রশ্নবানে এমনিতেই অস্থির।
বিকেল চারটার দিকে আমরা রাহাত ভাইদের বাসায় হাজির হলাম। ফুলতলা বাজারের পরের গ্রাম। নাম রৌহা। বাসার পাশেই পুকুর। পানিতে হাত পা ছড়িয়ে কয়েক মিনিট সাঁতার দিতেই পুরো শরীর চাঙ্গা হয়ে এল।




Click This Link style='border: 1px solid #ccc;align:center;clear:both;' />







Click This Link style='border: 1px solid #ccc;align:center;clear:both;' />



অল্প একটু পানি দেখা যাচ্ছে। খেয়ার মাঝি বললো এটাই নাকি ধলেশ্বরী (?)



লেখাটা সাইজে অনেক বড় হয়ে গেল। তা যাক। শেষ করছি 'উইনিং' এর খুব প্রিয় একটা গান দিয়ে। ইচ্ছে করে (এমপিথ্রি ডাউনলোড লিঙ্ক)   


ইচ্ছে করে
যাই চলে যাই অচিনপুর
যেখানে দুঃখ নেই কষ্ট নেই
ঝলমল করে আলো
রোদ্দুর.....

ইচ্ছে করে
হাটি এলোমেলো মেঠো পথ ধরে
গানের সুরে ছন্দে মাতি
ইচ্ছে করে

শহর থেকে একটু দুরে
ছায়া ঘেরা মোঠো পথ
পেড়োলেই
ছায়াঘেরা নদী
শ্যামল সবুজ বন
…...
সর্বশেষ এডিট : ৩০ শে আগস্ট, ২০১০ রাত ৯:২২
১২টি মন্তব্য ১২টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

পণ্ডশ্রম

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ১০ ই জুন, ২০২৬ রাত ১২:৩৪



এই নিয়েছে ঐ নিল যাঃ! কান নিয়েছে চিলে,

চিলের পিছে মরছি ঘুরে আমরা সবাই মিলে।

কানের খোঁজে ছুটছি মাঠে, কাটছি সাঁতার বিলে,

আকাশ থেকে চিলটাকে আজ ফেলব পেড়ে ঢিলে।

দিন-দুপুরে জ্যান্ত আহা, কানটা... ...বাকিটুকু পড়ুন

আপনার ATM কার্ড কি সত্যিই নিরাপদ?

লিখেছেন নাহল তরকারি, ১০ ই জুন, ২০২৬ সকাল ৮:২৮

আপনার ATM কার্ড কি সত্যিই নিরাপদ?

ধরুন, মাসুদ একদিন বাজার করতে বের হয়েছেন। তার মানিব্যাগে একটি Contactless Visa Card ছিল। বাজারের ভিড়ের মধ্যে একজন চোর একটি বিশেষ স্ক্যানিং ডিভাইস নিয়ে ঘুরছিল।... ...বাকিটুকু পড়ুন

১০০০-তম পোস্টঃ কন্যা আপন সাজন সাজে রে

লিখেছেন সত্যপথিক শাইয়্যান, ১০ ই জুন, ২০২৬ সকাল ১০:২৪

আমাকে ও রাহমিনকে এনিমেট করলে কেমন দেখাবে? এই আইডিয়া থেকেই গানটা রিমিক্স করে এনিমেটেড ভিডিও সং বানিয়ে ইউটিউবে ছেড়েছি। ছোটবেলায় মেঝ খালার বিয়েতে এই গানটা শুনেছিলাম। সবাইকে গানটি দেখা ও... ...বাকিটুকু পড়ুন

নাজিয়া সামান্তা, হিজাব এবং আমাদের সমাজের প্রাতিষ্ঠানিক ভণ্ডামি।

লিখেছেন মহিউদ্দিন হায়দার, ১০ ই জুন, ২০২৬ দুপুর ১২:৫১



​একজন তরুণী প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয়ের সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে ড্রাম বাজিয়ে দর্শক মাতাল। নেটিজেনরা বাহবা দিল। কিন্তু সমস্যাটা অন্য জায়গায়—মেয়েটি বোরকা-হিজাব পরা, সে ২০২৫ সালে হজ করেছে, পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ পড়ে এবং নিজের... ...বাকিটুকু পড়ুন

শৃঙ্খল মুক্তি আমার

লিখেছেন স্বপ্নের শঙ্খচিল, ১০ ই জুন, ২০২৬ বিকাল ৪:৪৫

শৃঙ্খল মুক্তি আমার



ভেঙেছি সমাজের যত চেনা দায়,
চিন্তার প্রাচীর আজও ধুলোয় মেশায়।
ঈমানের নোঙর ছিঁড়েছি হেলায়,
ডুবেছি একাকী ; এক অচিন ভেলায়।
ভালোবাসা, মানবিকতার যত শত মায়াজাল,
ছিঁড়ে ফেলেছি আমি সব কটা পাল।
সহমর্মিতার পথ... ...বাকিটুকু পড়ুন

×