
গত সপ্তাহে গেছিলাম দুলাহাজরা সাফারী পার্কে। মন ভরে ঘুরেছি। দুলাহাজরা সাফারী পার্কের নাম পরিবর্তন করে বঙ্গবন্ধু সাফারী পার্ক করে ফেলেছে। এছাড়া আর কোন পরিবর্তন চোখে পড়লো না। ছবিগুলো দুলাহাজরা সাফারী পার্কের।

ক্লাউডেড লেপার্ড বা লাম চিতা। বিলুপ্তীর সীমায় চলে যাওয়া এই প্রানীটার আবাসস্থল ভারতের আসাম, বাংলাদেশ এবং বার্মা। হিমালয়ের স্নো লেপার্ডের মতো মোটা লেজ আর ছাই রঙ্গা চামড়া। বছরখানেক আগে আদিবাসীদের গ্রামে এই মাদী চিতাটা শাবক বয়সে ধরা পড়ে। পরে একে দুলাহাজরা সাফারী পার্কে রাখা হয়। বিলুপ্তীর হাত থেকে রক্ষার জন্যে প্রাণীবিজ্ঞানীরা এর জন্যে এক পুরুষ সঙ্গীর খোঁজ করছেন, কিন্তু এই অতি দুর্লভ প্রানীর কোন সঙ্গী পাওয়া যাচ্ছে না।

লক্ষী প্যাঁচা, রক আউল বা ইন্ডিয়ান ঈগল আউলের ল্যাটিন নাম Bubo bengalensis
IUCNএর হিসাবে লাল চিহ্নিত অর্থাৎ আশঙ্কাজনক অস্তিত্ব সঙ্কটে আছে।

ইস্মাইল পিলিজ। এইটা কি জিনিস জানি না। সাইজে বড় সড় হনুমানের সমান, উল্লুকের সাইজ।

স্বাধীনতা হীনতায় কে বাঁচিতে চায়। মুখ পোড়া হনুমান বা Gray langur


মিঠা পানির কুমির। এই প্রজাতীর কুমীর বিলুপ্তির পথে। তবে সম্প্রতী এখানে মাদী কুমীর ২৩টা ডিম দিয়েছে।

চিতা বিড়াল। অত্যন্ত আশঙ্কাজনক অস্তীত্ব সঙ্কটে থাকা। অফটপিক, গত ডিসেম্বরে মদক মোয়ালের একটা মুরং গ্রামে একটা চিতা বেড়াল দেখেছি। মুরংরা মেরে কেটে কুটে খেয়ে ফেলেছিলো।

এশিয়াটিক ব্ল্যাক বিয়ার বা মুন বিয়ার। বাংলাদেশে বান্দারবানে বেশ ক বার পায়ের ছাপ আর হুঙ্কার শোনার দুর্ভাগ্য হয়েছিল। এদের বুকে একটা অর্ধচন্দ্রাকার দাগ থাকে এজন্যে মুন বিয়ার বলে।

তারকা কচ্ছপ, ২০০৫ সালে আইউসিএন রেড লিস্টেড ঘোষনা করেছে ।

রাজধনেশ।

সোনালী অজগর। প্রানীবীদরা এটাকেও প্রায় বিলুপ্ত হিসাবে ধরেন।

তিলা ঘুঘু। বাংলাদেশের ঘুঘুদের মাঝে তিলা ঘুঘুর অবস্থাই সবচেয়ে খারাপ। নির্বিচারে শিকার মুল কারন। এদের মাংস সুস্বাদু আর শিকার করা সোজা এটাই এদের কাল।


মায়া হরীন, পার্বত্য চট্টগ্রাম, এমনকি চট্টগ্রামের হাটহাজারী, ভাটিয়ারী, সিতাকুন্ডেও মাঝে মাঝে দেখা যায়।

বান্দর ফ্যামিলি।

লাম চিতা বা ক্লাউডেড লেপার্ড।

স্লিপিং বিউটি।
সর্বশেষ এডিট : ৩০ শে আগস্ট, ২০১০ রাত ৯:১৪

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


