অনেক দিন পরে ব্লগে পোষ্ট। আবারও শর্টকার্ট ছবি ব্লগ। লেখা লেখির ঝামেলা নেই। শুধুই ছবি। ছবি গুলান সবই পাহাড়ি জীবন ধারার। এই জানুয়ারী’তে বোমাং রাজপূন্যাহ’র সময় আগ্রহ নিয়ে বান্দারবান গিয়েছিলাম। রাজপূন্যাহ’র ছবি পাই নি, তাই এই ছবি নিয়েই আপাতত তুষ্ট। রাজপূন্যাহ নিয়ে বড় আকারের ট্রাভেলগ ফাঁদার ধারে কাছে গেলাম না। ছবি ব্লগ দিয়েই কাজ সারা।
মোরা ঝর্নার মতো উদ্দাম!
শুধুই পবিত্রতা
বম পল্লীতে।
বালিকারা...
যেদিন যাচ্ছিলাম বাসে পেপারে দেখলাম, পাহাড়ে ফের রক্তপাত, শান্তিবাহিনী-ইউপিডিএফ সংঘর্ষ।
এইটা পুরান ছবি, মুরং দের গ্রামটার নাম সম্ভবত মুঙ্গোহা পাড়া নইলে কৈকনিয়া পাড়া। থানছি’র বলিবাজার দিয়ে বিপরীত পথ দিয়ে কেওকারাডং এর বিকল্প ট্রেক খুঁজতে গিয়ে এই গ্রামটায় অল্প সময়ের বিশ্রাম নিয়েছিলাম। হঠাতই খেয়াল করলাম, এটাই ফ্লিকারে আমার সব বেশী ভিজিটেট ছবি।
এটার নাম বাঁশ-পাতি পাখি। ইংরেজী নাম গ্রীন বী ইটার। সামু’তে রাজা মশাই একটা পোষ্ট দিছিলেন এই পাখিটা নিয়া।
গান গাইতে ব্যাস্ত বাঁশ পাতি পাখি বা গ্রীন বী ইটার।
এই পাখির নাম পরিচয় বাইর করতে পারি নাই। টিয়া’র সাইজ। এক্সপার্ট কেউ ধরায়া দিলে খুশি হবো।
এই পাখিটা’র নাম জানি না। সাদা , সাইজে চড়ই এর সমান। খুবই ছটফটে। আগে অনেকবার দেখছি। খোদ ঢাকা শহরেও। কেউ নাম জানলে জানায়া দিয়েন।
এই পাখিটা’র নাম জানি না। সাদা , সাইজে চড়ই এর সমান। খুবই ছটফটে। আগে অনেকবার দেখছি। খোদ ঢাকা শহরেও। কেউ নাম জানলে জানায়া দিয়েন।
ইনি মহামান্য ‘গোখরা’। ফনা না তোলায় কেমন বোকা সোকা লাগছে।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


