সামু ব্লগের সাথে ৩ বছর কাটিয়ে দিলাম। দেখতে দেখতে কোন দিক দিয়ে সময় পেরিয়ে গেল।
৩ বছর আগে সেই দিনটাও রমযানের দিন ছিল। রোযা থেকে ক্লান্ত হয়ে প্রথম পোষ্টটা দিছিলাম, যা প্রথম পাতায় আসে নি। ৩ বছর পেরিয়ে গেলে যে কোন জিনিসের আকর্ষনটাও কমে যায়। সবকিছু রংচটা লাগে।
অফিসে কাজের ব্যাস্ততায় দম ফেলার ফুসরত নেই। ৪তারিখ দুপুরে ফ্লাই করবো। জীবনের প্রথম হিমালয়ান এক্সপিডিশান। দির্ঘদিনের স্বপ্নটাকে বাস্তব করার জন্যে অনেক প্রতিবন্ধকতা হ্যান্ডেল করতে হচ্ছে। ২০১৩৭ফুট (৬১৩৫মিটার) উচু একটা পর্বত চুড়া। ২০১৩৭ফুট যে উচ্চতায় পাখি উড়ে না। আল্পাইন গিয়ার সব নেই। ধার ধুর করে যোগার করেও দেখি সব গুছাতে পারি নি। যাচ্ছি একা একা। ওখানে গিয়ে এক স্লোভাকিয়ান আর এক ভারতীয় মাউন্টেনিয়ারে সঙ্গী হিসাবে পাবার কথা। ওরা কেমন মানুষ কে জানে?
শরীর বিজ্ঞানীদের ভাষার ১০ হাজার ফুটের উপরে জায়গাকে বলে হাই অল্টিচিউড ১৫ হাজার ফুট হলে ভেরি হাই অল্টিচিউড, আর ১৮ হাজার ফুটের উপরে এক্সট্রিম হাই অল্টিচিউড। এক্সট্রিম হাই অল্টিচিউড এমন উচ্চতা যেখানে খুব কম মানুষই যায়, তাই মানুষের শারীরিক পরিবর্তনের ব্যাপারে খুব বেশী কিছু জানা যায়না। নিজের ফিটনেস আর সক্ষমতার উপরে আস্থা রেখে যাচ্ছি। কিন্তু মানসিক একটা সুক্ষ দুঃশ্চিন্তা থেকেই যাচ্ছে। প্রথমবার হিমালয়ে, ২০ হাজার ফুটের তুষার ধবল চুড়াটা যেমন আকর্ষনীয়, তেমনি...
প্রিয় মানুষটা গতকালও হাসপাতালে ছিল। এখনও অসুস্থ। কালকে ঈদের দিন। অফিসে আসার আগে দেখে এলাম আমার মা’ও অসুস্থ। আমেরিকায় ঝর আঘাত হানছিলো তখন বোন ফোন করে জানালো ওদেরকে এভাকুয়েশান করতে বলেছে। নিরাপদ এলাকায় সরে যেতে। সেই ঝরটা থেমে গেছে, ওটা নিয়ে ভাবনা আপাতত নেই।
ঈশ্বর, নিরাপদে ঢাকায় ফিরে আসতে চাই। ফিরে আসতে চাই প্রিয় মানুষগুলোর কাছে, এবং অবশ্যই সফল ভাবে পিক সামিট শেষ করে।
আমার গন্তব্য। (সুত্র- উইকিপিডিয়া)
সর্বশেষ এডিট : ৩০ শে আগস্ট, ২০১১ রাত ৯:০৩

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


