বুড়িগঙ্গার তীরবর্তী শুভাঢ্যা খাল এখন হাজারো মানুষের নৌযাতায়াতের একটি বড় মাধ্যম। দখলদারদের গড়ে তোলা স্থাপনার এবং দীর্ঘদিন যাবত ময়লা-আবর্জনার স্তূপে ভরাট হয়ে যাওয়ায় এই খালটি চেনার উপায় ছিল না। সাম্প্রতি জেলা প্রশাসন ও যৌথ বাহিনীর উদ্যোগে খালপাড়ের অবৈধ দখলদারদের উচ্ছেদ ও পূনঃখনন শেষে খালটি অবমূক্ত ঘোষণা করার আবার নৌ-চলাচল শুরু হয়েছে। কিন্তু এই খালের সংযোগ শাখাগুলো এখনো দখলদারদের কারণে ময়লা আবর্জনায় বন্ধ হয়ে আছে। পানি প্রবাহ অক্ষুন্ন রাখতে এই শাখাগুলো উদ্বার করা প্রয়োজন।
আজ সকালে একটি প্রতিনিধিদল কেরানীগঞ্জের শুভাঢ্যা খাল পরিদর্শন করেন। পরিদর্শনে দেখা যায়, শুভাঢ্যা খালের শাখাগুলোতে পর্যাপ্ত পানি প্রবাহ না থাকায় পানি প্রচুর নোংরা। এছাড়া আশেপাশের বাড়িঘরের সূয়ারেজ লাইন খালের সাথে থাকার ফলে খালের পানি দূষিত হচ্ছে। এছাড়া খালের পাশে বসতবাড়ির আবর্জনা ফেলে খাল ভরাট করছে, দূষিত হচ্ছে খালের পানি। কিন্তু উপায়ানত্দ না থাকায় আশে পাশের মানুষ সেই পানিতে গোছল করছে, যা তাদের স্বাস্থ্যহানী ঘটাচ্ছে।
শুভাঢ্যা খালের শাখাগুলো যেমন, খেজুরবাগ খাল, কবুতর খাল, কদমতলী খাল, জেলে পাড়া খালসহ আরো অনেক সংযোগ খাল রয়েছে যা বর্তমানে দখলের ফলে মৃতু্য বরন করেছে। এলাকাবাসির সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, এই খালগুলো উদ্ধার ও পূনঃখনন করা গেলে শুভাঢ্যা খালের মত নৌচলাচল শুরু হলে তাদের যাতায়াতের ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে। এছাড়া পরিদর্শনে দেখা যায়, খালের দুই পাশে হেঁটে চলাচলের কোন ব্যবস্থা নেই। যা আছে তার আবার বেহাল অবস্থা। এলাকাবাসি শুভাঢ্যা খালের সংযোগ খালগুলো উদ্বারের দাবি জানায়।
শুভাঢ্যা খালের শাখাগুলো উদ্ধর করা গেলে শহরের পরিবেশ রক্ষা, পানি সংকট দূরীকরণ, জলাবদ্ধা হ্রাস ও নৌযোগাযোগের ক্ষেত্রে শুভাঢ্যা খালের মত এই সংযোগ খালগুলো গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।
সর্বশেষ এডিট : ২৩ শে অক্টোবর, ২০০৮ রাত ৮:০৩

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




