প্রতিষ্ঠান পরিচালনার ব্যর্থতা ব্যবস্থাপনার সমস্যা:
রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানকে পরিচালনার জন্য কিছু লোককে দায়িত্ব প্রদান করা হয়। এ সকল ব্যক্তি যখন নিজেদের অদতা, দূর্নীতি, স্বেচ্ছাচারীতা কারণে প্রতিষ্ঠানকে ধবংরের দ্বার প্রানত্দে পেঁৗছে তখন পরামর্শ প্রদান করা হয় বেসরকারীকরণের। কিন্তু রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানকে বেসরকারীকরণের ফলে রাষ্ট্রের বিশাল জনগোষ্ঠী এবং সম্পদের তিগ্রসত্দ করা হয়। প্রশ্ন হচ্ছে কোন ব্যক্তি যদি কোন প্রতিষ্ঠান পরিচালনার দায়িত্ব নিতে না পারে বা পরিচালনা না করতে পারে তবে ব্যক্তি পরিবর্তন করা হবে, প্রতিষ্ঠান বেসরকারীকরণ তার সমাধান নয়। যারা একটি প্রতিষ্ঠান চালাতে পারে না, তাদের রাষ্ট্রীয়ভাবে পোষণ করা অপচয়। যারা রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠান দতার সাথে চালাতে পারে তাদেরই রাষ্ট্রীয় কোষাগার হতে বেতন প্রদান করা উচিত। কারণ তাদের বেতনভাতা পরিশোধ করা হয় এ সকল দায়িত্ব পালনের জন্য কোন প্রতিষ্ঠান বেসরকারী করার জন্য নয়। প্রয়োজনে রাষ্ট্র আরো যোগ্য প্রতিনিধি খুঁজবে। রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠান পরিচালনার জন্য কিছু ব্যক্তিকে নিয়োগ দেয়া হয় তারা পরিচালনা না করতে পারলে, তাদের অযোগত্যার জন্য প্রতিষ্ঠান বিক্রি করা হবে তা কোনভাবেই সমাধান হতে পারে না।
পাটকল, বিদু্যৎ, পানি ক্ষেত্রে কিছু সংস্থার অদূরদর্শী পরামর্শের ফলে রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানগুলো তিগ্রসত্দ হচ্ছে। সবচেয়ে অবাক হচ্ছে আমাদের প্রতিথযশা কিছু ব্যক্তি উন্নয়ন বিষয়ে কথা বললেই দেশের প্রতিষ্ঠানগুলো বেসরকারীকরণের মাধ্যমে তারা অর্থনৈতিক উন্নয়ন করার কথা বলেন। অথচ বিদেশে রপ্তানী বৃদ্ধি বা রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানগুলোকে কার্যকর করতে তাদের নীরবতা বিস্ময়ের সৃষ্টি করে। আজ পর্যনত্দ দেশের ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী যেমন কামার, কুমার, তাতী, জেলে, রিকশাওয়ালা, হকারদের উন্নয়ন এবং অর্থনীতিতের তাদের অবস্থান আরো জোরালো করতে কোন ধরনের পদপে গ্রহণ করা হয়নি। বরং এসকল জনগোষ্ঠীকে তাদের অর্থনীতি কর্মকান্ড হতে বিভিন্নভাবে ছড়িয়ে দেয়া হয়েছে। সংবিধান নীতিগ্রহনের ক্ষেত্রে কোন ধরনের অসমতাকে স্বীকৃতি দেয় না। যে কোন নীতি বা পরিকল্পনা গ্রহনের ক্ষেত্রে আমাদের সামাজিক ন্যায়বিচার নিশ্চিত করে পরিকল্পনা করা প্রয়োজন।
সর্বশেষ এডিট : ২৩ শে অক্টোবর, ২০০৮ সন্ধ্যা ৭:৫৪

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




