somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

জীবন এবং স্থাপত্য

২০ শে অক্টোবর, ২০০৮ বিকাল ৩:১৩
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

জীবন এবং স্থাপত্য
এ বইটি শুধুমাত্র স্থাপনা সংক্রান্ত একটি বই নয় কিংবা বইটিতে উল্লেখিত উপাত্ত সাধারণ ভাবনারও প্রকাশ নয় _ এটি একটি মহতী উদ্যোগের চাবিকাঠি। যা একটি জনগোষ্ঠীর পরিকল্পিত জীবনের _ বহি:প্রকাশ।
সত্তর দশকের শুরু। স্থাপনা শিল্পী ইয়ান গেল স্থাপনা বিষয়ে তার বিশেষত্বকে তুলে ধরতে মরিয়া। বহু প্রতীক্ষা ও নিরীক্ষার পর তিনি মানুষের জীবনের মূল্যবোধের তাড়নাকে মূল বিষয় ধরে জীবন-জীবিকা, আনন্দ-বেদনার সাথে শিল্পকে এমন ছকবদ্ধভাবে সাজিয়েছেন, তাতে উঠে এসেছে মূল্যবোধ, শিক্ষা ও অলংকারিত জীবনের একটি যুথবদ্ধ অবস্থা।

ইয়ান গেল এবং তার চিন্তা ও অর্ন্তগত ভাবনা সম্বন্ধে প্রাতস্বিক সৃষ্টিশীলতা যারা জানবেন তাদের মধ্যেই তার সম্পর্কে এক ধরনের শ্রদ্ধার জন্ম নেবে। কারণ স্থাপত্যকলা কীভাবে গণমানুষের সেবায় আসে সেটা স্থপতি ইয়ান গেল-এর অলৌকিক নির্মান শৈলী দ্বারাই বুঝা সম্ভব। স্থাপত্য শিল্প একটি গণবিছিন্ন শিল্পধারা হিসেবে আমাদের সমাজ ও সামাজিকতায় গণ্য হয়ে আসছে। ইট কাঠের মধ্যে আটকে থাকা স্থাপনা শিল্পকে তিনি নিজস্ব আঙ্গিকে তুলে এনেছেন মানুষের কাছে, দিয়েছেন চিনত্দার নতুন দিগনত্দ । তাই আজ তিনি সবার শ্রদ্ধেয় স্বনামখ্যাত একজন শিল্পী হিসেবে বিশ্বে সম্মানিত।

ইয়ান গেলের স্থাপত্য শিল্প না দেখা পর্যন্ত স্থাপত্য শিল্প দেশের প্রতিটি মানুষের জন্য কতটা জরুরী সেটা অনুধাবন কিংবা কতটা গণমুখী তা প্রমান করা সম্ভব নয়। ইয়ান গেলের স্থাপত্য শিল্পের বিকাশ যেমন জড় বা স্থির নয়, তেমনি মানুষের প্রতি তাঁর আস্থা, স্থাপত্য শিল্প সম্বন্ধে বোধ মানুষের ভিতরে সৃষ্টি করেছে সময়শূন্য সত্যতা নির্মানের এক অবিনম্র ব্যাপ্তি। যাকে ইয়ান গেলের একক কৃতিত্ব ও মেধার ফসল বলা যায়। এ বইটি স্থাপত্য শিল্পের একটি ধ্রুপদ গ্রন্থ। যারা স্থাপত্য শিল্পকে প্রথাগত শিল্পের বাইরে ভাবেন সেইসব ভিন্ন বয়সী ও পেশার মানুষের জন্য এ বইটি একটি বহুমাত্রিক শিল্প সমৃদ্ধ সৃষ্টি।

ইটকাঠের জীবনে শুধু কাঠিন্য নয় কোমলতাও আছে, এ অসাধারণ সৃষ্টিশীল গ্রন্থটি আমাদের সে কথাই স্মরণ করিয়ে দিতে সক্ষম। শিল্পের দায়বদ্ধতা, শিল্পিত রূপ আর তার ব্যবহার জনগণের অন্তরের কাছাকাছি নিয়ে যাওয়া_ যা বিচ্ছুরিত জন থেকে জনে।

এই অংশটি ইয়ান গেল এর জীবন এবং স্থাপত্য বইয়ের
সর্বশেষ এডিট : ২৩ শে অক্টোবর, ২০০৮ সন্ধ্যা ৭:৫২
২টি মন্তব্য ২টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

পাখি মন

লিখেছেন সামিয়া, ১০ ই জুন, ২০২৬ বিকাল ৩:১০



রাত গভীর হলে পাখিটা বারান্দায় এসে বসে। দূরের আকাশে তখনও কিছু আলো জ্বলজ্বল করে, কিন্তু পৃথিবীর কোলাহল ধীরে ধীরে স্তব্ধ হয়ে আসে। সেই নীরবতার মধ্যে বসে পাখিটার মনে হয়, মানুষ... ...বাকিটুকু পড়ুন

শৃঙ্খল মুক্তি আমার

লিখেছেন স্বপ্নের শঙ্খচিল, ১০ ই জুন, ২০২৬ বিকাল ৪:৪৫

শৃঙ্খল মুক্তি আমার



ভেঙেছি সমাজের যত চেনা দায়,
চিন্তার প্রাচীর আজও ধুলোয় মেশায়।
ঈমানের নোঙর ছিঁড়েছি হেলায়,
ডুবেছি একাকী ; এক অচিন ভেলায়।
ভালোবাসা, মানবিকতার যত শত মায়াজাল,
ছিঁড়ে ফেলেছি আমি সব কটা পাল।
সহমর্মিতার পথ... ...বাকিটুকু পড়ুন

বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্র - ভ্রাম্যমান লাইব্রেরী ভাবনা

লিখেছেন ইফতেখার ভূইয়া, ১০ ই জুন, ২০২৬ রাত ৮:৪৬


শ্রদ্ধেয় আবদুল্লাহ আবু সায়ীদ স্যাররে হাতে গড়া প্রতিষ্ঠান বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্র তার জন্মলগ্ন ১৯৭৮ সাল থেকে অনেকটা পথ পেরিয়ে এসেছে। আমার মনে পড়ে, আমি স্কুলে পড়াকালীন সময়ে বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্র থেকে স্কুল... ...বাকিটুকু পড়ুন

=একান্ত নিজস্ব জিনিসগুলো পর হয়ে যাচ্ছে=

লিখেছেন কাজী ফাতেমা ছবি, ১০ ই জুন, ২০২৬ রাত ৯:৪৫



যে চোখ দিয়ে দেখেছি ধরার আলো, সে চোখও দিচ্ছে ফাঁকি,
যে চোখের আলোয় দেখেছি পুকুর নদী, শুকনো উঠোন;
বৃষ্টি ভেজা দিন, দেখেছি ময়না শালিক, ঘুঘু ডাকা দুপুর
সে চোখ পর হয়ে যাচ্ছে অল্প... ...বাকিটুকু পড়ুন

রবিন খুদারা কেন বাংলাদেশে বিনিয়োগ করেন না ?

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ১১ ই জুন, ২০২৬ রাত ২:২৩


Robin Khuda ঢাকার ছেলে। স্কুল পড়েছেন এই দেশেই। তারপর অস্ট্রেলিয়া গেছেন, AirTrunk বানিয়েছেন, Blackstone তাকে ১৬ বিলিয়ন ডলারে কিনে নিয়েছে, আর এখন তিনি ভারতে ৩০ বিলিয়ন ডলার বিনিয়োগ করছেন... ...বাকিটুকু পড়ুন

×