আমার প্রিয় পোস্ট
- আমার দেখা সেরা শর্টফিল্ম গুলোর কালেকশন, একটি মাস্টওয়াচ পোস্ট - নিয়নের আলো
- প্রিয় হুমায়ুন আজাদের প্রবচনগুচ্ছ, সবগুলি(২০০)প্রবচন একসাথে - নির্ঝর নৈঃশব্দ্য-২
- সম্পুর্ন একটি ওয়েবসাইট তৈরির টিউটোরিয়াল (পর্ব-৬) - আবিল (দ্যা লিরিক বয়)
- ছবি নিয়ে মজা করার অসাধারন ২০টি ওয়েব সাইট(Have Fun)
- হাসান জোবায়ের
- ✿ ইন্টারনেটে ফ্রি মুভি, লাইভ টিভি দেখবেন যেভাবে ✿ - হাশেম
- ভিডিও সম্পাদনা - কিভাবে ঘরে বসে এ্যামেচার এডিটর হবেন, আর হোম ভিডিও বানাবেন - সোনাবীজ; অথবা ধুলোবালিছাই
- ইউটিউবের ভিডিও ডাউনলোড করবার দারুন উপায় (১) - রিমঝিম বৃষ্টি
- গুগল এডসেন্স থেকে আয় করার অনন্য উপায় সমন্ধে জানতে একটি ব্লগের ভূমিকা - কবীর'স ব্লগ
- “ভালোবাসার কাজটি খুঁজে নিতে হবে” – স্টিভ জবস এর বিখ্যাত সমাবর্তন বক্তৃতা - বিলাশ বিডি
- ওয়েব সার্চ টিপস: গুগুলে ফাইল খুঁজতে খুঁজতে হয়রান? - ত্রিভুজ
- অনলাইন ফ্রিল্যান্স আউটসোর্সিং৷ - মনির মুনতাহা
- জিমেইলের সেরা কিছু ফিচার যার জন্য জি-মেইল ব্যবহার করবেন (আর.এস.এস পড়ুন মেইল বক্স থেকে) - ১ - পাপী
- ছবি এডিটিং এর কিছু প্রয়োজনীয় সাইট - বোকা ছেলে
- মেমোরি প্রশিক্ষন - কিভাবে সব কিছু মনে রাখবেন - শ্রাবনের ফুল
- সাহায্য চাই পোস্ট! প্রথমআলো থেকে লেখা কীভাবে ইউনিকোডে কনভার্ট করে ওয়ার্ড ফাইল বানাবো? - হমপগ্র
- ব্লগারস ব্লাড ব্যাংকঃ ১২৯ ব্লগারের তথ্য (আপডেট পোস্ট) - ফিউজিটিভ
- আমার সেই প্রিয় সাইকেলটা এখন কোথায় আছে? - মিলটন
- নতুন নতুন রাস্তা, দালান বা বাহারী বিজ্ঞাপন অবশ্যই রাষ্ট্রীয় উন্নয়নের মাপকাটি নয়। - সৈয়দ সাইফুল আলম শোভন
- রাষ্ট্রীয় নিরাপত্তা ও অর্থনৈতিক উন্নয়নের স্বার্থে, রাষ্ট্রীয় সম্পদ বিরাষ্ট্রীয়করণ বন্ধ করতে হবে - সৈয়দ সাইফুল আলম শোভন
উন্নয়ন-পরিকল্পনা যদি হয় শুধুমাত্র বাণিজ্যিক বিবেচনায়, তাহলে তা এই শহর ও শহরের প্রতিটি মানুষকে পণ্য বানাবে।
১৯ শে জুন, ২০০৯ দুপুর ১২:৩৯
স্বাধীনতার পূর্বে ঢাকা শহরে ৪৭টি খাল ছিল। অধিকাংশ খালের প্রস্থ ছিল ১৫০ ফুটের বেশি। এগুলো দিয়ে নগরীর ময়লা পানি ও বৃষ্টির পানি নিষ্কাশন হত। বড় বড় নৌযান সহজেই মালামাল নিয়ে শহরের কেন্দ্র আসতে পারতো। স্বাধীনতার পর মাত্র তিন যুগের ব্যবধানে রাজধানী ঢাকা মহানগরী এলাকার ২৫টি খাল বিলুপ্ত হয়েছে। বর্তমানে ২২টি খালের অস্তিত্ব থাকলেও তা ক্রমশ সংকুচিত হয়ে পড়ছে।
ভরাটকৃত এসব খালের উপর গড়ে ওঠে বিশাল বিশাল কংক্রিটের স্থাপনা। দাতা ও কথিত উন্নয়ন গোষ্ঠীর বিভিন্ন প্রকল্প বাস্তবায়নের জন্য উন্নয়নের নামে পরিকল্পিত ও অপরিকল্পিতভাবে খালগুলো ভরাট করে রাস্তাঘাট, বক্স-কালভাট, বিল্ডিংসহ বিভিন্ন স্থাপনা নির্মাণের ফলে প্রকৃতির আর্শিবাদ খালগুলো ক্রমে হারিয়ে গেছে। দাতা নামক ঋণবাণিজ্য গোষ্ঠীর উন্নয়ন কর্মকান্ডের ক্ষতিগুলো থেকে শিক্ষা না নিয়ে আবারও মেতে উঠছি। প্রকৃতি ধ্বংসের খেলায়।
ঢাকা শহরের খাল দখলের সংস্কৃতিতে রাষ্ট্রপতির স্ত্রী থেকে শুরু করে হাউজিং কোম্পানী, সিটি করপোরেশনসহ বিভিন্ন সরকারী-বেসরকারী প্রতিষ্ঠান জড়িত রয়েছে।
রামচন্দ্রপুর খাল এককালের বিশাল এই খালটির বুকে গড়ে উঠছে বিশাল অট্টালিকা গতকালের ছবি।
২০০০ সালের মহানগর, বিভাগীয় শহর ও জেলা শহরের পৌর এলাকার খেলার মাঠ, উম্মুক্ত স্থান, উদ্যান এবং প্রাকৃতিক জলাধার সংরক্ষণ আইন ও বিধিবিধান উপেক্ষা করে রাজধানীর পানিনিষ্কাশনের অন্যতম পথ মোহাম্মদপুরের রামচন্দ্রপুর খালের অংশবিশেষ অকৃষি খাসজমি দেখিয়ে স্থায়ী বন্দোবস্ত দেওয়া হয়। ২০০৬ সালে রাষ্ট্রপতি ড. অধ্যাপক ইয়াজউদ্দিন আহম্মেদ তত্ত্বাবধায়ক সরকারের প্রধান উপদেষ্টা হিসেবে শপথ নেওয়ার ৪৮ ঘন্টার মধ্যেই ব্রিটিশ কলাম্বিয়া স্কুলের সভাপতি ড. আনোয়ারা বেগমের নামে এ বন্দোবস্তদেওয়া হয়। ড. আনোয়ারা রাষ্ট্রপতির স্ত্রী।
ঢাকা শহরের খালগুলো ধ্বংসের একটি বড় কারণ ঋণ প্রদানকারী গোষ্ঠী ও সরকারী সংস্থাগুলোর দূরদৃষ্টির অভাব ও পরিবেশ বিষয়ক উদাসীনতা। খাল ভরাট করে সরু বক্স কালভার্ট নির্মাণ, খালের উপর সড়ক নির্মাণ, খাল দখল করে ভবন নির্মাণসহ বিভিন্নভাবে বন্ধ করা হয়েছে খাল। আর এ সকল কার্যক্রমের সক্রিয় সহযোগিতা বা আর্থিক যোগান দিয়েছে ঋণপ্রদানকারী গোষ্টী। বক্সকালভার্ট এর মতো নিত্য নতুন বাহারী প্রকল্পের মাধ্যমে সেগুনবাগিচা ও মতিঝিলের মাঝে সংযোগ খালটি বিলীন হওয়ায় সেখানে বিরাজ করছে মারাত্মক জলাবদ্ধতা, যা পরিবেশ দূষণকে প্রকট করেছে, জনস্বাস্থ্যের বিপর্যয় ডেকে এনেছে এবং মানুষের দুর্ভোগ চরম আকার ধারণ করেছে।
হাজারীবাগের এই খালটিকে ওয়াসা পরিকল্পতি ভাবে হত্যা করেছে উন্নত পয়নিষ্কাশন ব্যবস্থার নামে।
পরিবেশ বিধ্বংসী কাজে সরকারী সংস্থাগুলোর জবাবদিহিতা না থাকা এবং পরিবেশ অধিদপ্তর, ঢাকা সিটি করপোরেশন, রাজধানী উন্নয়ন কতৃপক্ষ, ঢাকা ওয়াসা, পূর্ত মন্ত্রণালয়সহ সংশ্লিষ্ট সরকারী ও স্বায়ত্বশাসিত প্রতিষ্ঠানগুলোর কাজের সমন্বয় না থাকায় উন্নয়নের নামে প্রাকৃতিক ও শহরের পানি নিস্কাশনের জন্য প্রয়োজনীয় খালগুলোকে ড্রেনে রূপান্তর করা হয়েছে, বন্ধ করা হয়েছে। নগরীর খাল দখলের দিকে সবচেয়ে বেশি এগিয়ে আছে ঢাকা সিটি করপেরেশন। শুধুমাত্র দাতাদের তুষ্ট করতে এবং টেন্ডার, ঠিকাদারী বাণিজ্যকে প্রাধান্য দিয়ে, কথিত উন্নয়নের নামে এই প্রতিষ্ঠানটি ১৯টি খালের উপর রাস্তা র্নিমান করে সম্পূর্ন ও আংশিক ভরাট করে ফেলেছে। কিছু খালকে পাইপের মাধ্যমে ড্রেনেজ সিস্টেম তৈরি করে প্রাকৃতিক খালগুলোকে সমাধি দেওয়া হয়েছে।
প্রতিটি শহরের একটি নির্দিষ্ট পরিমান জলাভূমি থাকা প্রয়োজন। খাল দখলের ভয়াবহ পরিনাম নিয়ে আমাদের দেশে অনেক তথ্য ও প্রমান থাকা স্বত্বেও উন্নয়ন সংস্কার ইত্যাদি নামে দখল করা হচ্ছে । উন্নয়নের নামে খালে বালু দিয়ে ভরাট করে ড্রেনে রুপান্তরের কার্যক্রম পরিবেশ আইন ১৯৯৫, পরিবেশ নীতিমালা, বেঙ্গল ক্যানেল এ্যাক্ট ১৮৬৪, মহানগরী, বিভাগীয় শহর ও জেলা শহরের পৌর এলাকাসহ দেশের সকল পৌর এলাকার খেলার মাঠ, উম্মুক্ত স্থান, উদ্যান এবং প্রাকৃতিক জলাধার সংরক্ষণ আইন ২০০০ এর সুস্পষ্ট লঙ্ঘন।
একটা সময় ছিল, যখন নগরীর অধিবাসীদের দেশী মাছের যোগান দিত খাল। শুধু তাই নয়, জীববৈচিত্র রক্ষা এসব খালের ভূমিকা ছিল অতীব গুরুত্বপূর্ণ। আর নগরীর বৃষ্টির পানি পানি নিস্কাশনের ক্ষেত্রে খালের প্রয়োজনীয়তার কথা বলে শেষ করা যাবে না। এছাড়া গ্রীষ্ম ও শীতকালে ভূপৃষ্টের পানির সঙ্কট দেখা দিলে খালের পানি নগরবাসীর প্রয়োজনীয় অনেক কাজে ব্যবহৃত হত। বিশেষ করে, মানুষের গোসলসহ নানা কাজে খালের পানিই ছিল প্রধান মাধ্যম। শহরের অভ্যন্তরে নৌ চলাচলের ব্যবস্থা থাকায় নগরবাসী বিনোদনের সুবিধাও পেত। শুধুমাত্র কথিত উন্নয়নের অন্তরালে খালগুলোকে বক্স কালভার্টে বা ড্রেনে রূপান্তর করায় এতগুলো সুবিধা আমরা হারিয়েছি।
পাশাপাশি খাল দখল, লেক দখল ও জলাশয় দখল করে বালু দিয়ে ভরাট করে ফ্ল্যাট ও প্লট ব্যবসা করার অভিযোগও রয়েছে হাউজিং কোম্পানিগুলোর বিরুদ্ধে, কিন্তু কতৃপক্ষ এসব বিষয়ে নিরব ভূমিকা পালন করে। সরকার যখনই কোন দখলকারীর বিরদ্ধে অভিযান শুরু করে তখনই তারা মহামান্য আদালত থেকে স্টে অর্ডার নিয়ে আসে। তারপর সরকারী প্রতিষ্ঠানগুলোও চুপসে যায়। কিন্তু তাদের স্টে অর্ডারের বিরুদ্ধে আদালতে মামলা পরিচালনা করার মত প্রয়োজনীয় আইনজীবি তাদের নেই কিংবা এসব পরিকল্পনাও তাদের নেই বলে মনে হয়।
এই রকম একটি সাইনবোর্ড স্থাপনের মধ্যেই দায়িত্ব শেষ ঋণ বাণিজ্যগোষ্ঠীর অবাধ বিচরণ ক্ষেত্র ওয়াসা।
খাল ও জলাশায় ভরাট এবং অপরিকল্পিত নগরায়নই জলাবদ্ধতার জন্য দায়ী। এই জলাবদ্ধতা নিরাশনে ৪১ বছরে ওয়াসা কোন সমাধান দিতে পারেনি। উল্টো দিনের পর দিন রাজধানীর খালগুলো ওয়াসার হাত ছাড়া হয়েছে। আর ওয়াসার ঘাড়ে ভর করা ঋণ বাণিজ্য প্রতিষ্ঠানগুলো বিভিন্ন সময় উন্নত সুয়্যারেজ ব্যবস্থাপনা নামে কিছু দেশীয় ইঞ্জিনিয়ার, পরিকল্পনাবিদের সহয়তায় প্রাণবন্ত খালগুলোকে ইট কংক্রিটের আড়ালে ব্ন্দী করেছে। হাজার কোটি টাকা ব্যয়ে খালগুলোর কথিত উন্নয়ন শহরে জলাবদ্ধতা সমস্যার সমাধান দিতে পারেনি। বরং বিপন্ন হয়েছে পরিবেশ আমরা হারিয়েছে প্রাকৃতিক জীববৈচিত্রে সমৃদ্ধ খালগুলো।
ঢাকার জলাবদ্ধতা তাৎক্ষনিক সমাধান অন্তত্য ড্রেনগুলো পরিষ্কার করা, কিন্তু স্থায়ী ও দীর্ঘমেয়াদী সমাধানের জন্য প্রয়োজন সরকার জনগণের সহয়তায় খালগুলোর অস্তিত পুণউদ্ধার করা।
পরিবেশ ও অর্থনীতি যোগাযোগ
খাল ও জলাশয় উদ্ধার বা সংস্কার কেবল মহানগরীর পানি ও বর্জ্য চলাচলের জন্যই প্রয়োজন এমন নয়, জলাবদ্ধতা সমস্যা ছাড়াও জলাশয়বিহীন রাজধানী এই জনপদ ও জনজীবনের জন্যই বিপদের কারণ হয়ে ওঠবে। দেখা দিবে ভূমিকম্প, জীববৈচিত্র ক্ষতিগ্রসত্ম হবে। ভূগর্ভস্থ পানি নিচে নেমে যাওয়া, তাপমাত্রবৃদ্ধিসহ নানা পরিবেশ সংকটের আশঙ্কা করছেন পরিবেশ বিশেষজ্ঞরা। যা শুধু পরিবেশের উপরই নেতিবাচক প্রভাব ফেলছে না, এটা অর্থনীতির জন্যও নেতিবাচক। তাছাড়া প্রতিবছর খাল দখলের কারণে সৃষ্ট জলাবদ্ধতার অর্থিক ক্ষতির পরিমাণ দেড় হাজার কোটি টাকা। পরিবেশসহ অন্যান্য ক্ষতি যোগ করলে এর পরিমাণ কয়েক হাজার কোটি টাকায় ছাড়িয়ে যাবে।
বিশেষজ্ঞরা মনে করেন ঢাকার চারদিক ঘিরে তৈরি বৃত্তাকার নৌপথটি রয়েছে তা অকার্যকর থাকার অন্যতম কারণ শুধুমাত্র খালগুলো সঙ্গে সংযোগ না থাকার কারণেই। কারণ আশেপাশের মানুষের যাতায়াতের গন্তব্য বা চাহিদা অধিকাংশ ক্ষেত্রেই শহরের মধ্যে। যদি নদীর সাথে খালের সংযোগ স্থাপন করা না যায় তাহলে বৃত্তাকার নৌপথ ঢাকার যাতায়াত ব্যবস্থায় কার্যকর ভূমিকা নিতে পারবেনা। রাজধানীর খালগুলোকে যদি আগের অবস্থানে ফিরিয়ে দিয়ে নৌ চলাচলের ব্যবস্থা করা যেতে পারে। রাজপথগুলিতে যানবাহন ও মানুষের চাপ হ্রাস পাবে, পাশাপাশি যানজট সমস্যা নিরসনে কার্যকর সমাধান পাওয়া যাবে।
শুধুমাত্র বাণিজ্যিক বিবেচনায় প্রাধান্য দিয়ে রচিত উন্নয়ন ও পরিকল্পনা, এই শহর, শহরের প্রতিটি মানুষকে পণ্য বানাবে। প্রকৃতিকে সুরক্ষিত করে, পরিকল্পনা হোক মানুষের জন্য। এ শহর আমাদের, এর রক্ষায় এগিয়ে আসতে হবে আমাদের সবাইকে।
লেখাটির বিষয়বস্তু(ট্যাগ/কি-ওয়ার্ড): খাল, নৌপথ, জলাশয়, ঢাকা, জলাব্ধতা ;
সর্বশেষ এডিট : ১৯ শে জুন, ২০০৯ দুপুর ১২:৪৩ | বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...
লেখক বলেছেন: মানুষের জন্য শহর চাই, পণ্য হতে চাই না।
আবু নাসের মোহম্মদ রেজা বলেছেন:
স্টিকি করার মতো পোষ্ট...
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।
ভালো-মানুষ বলেছেন:
শুধুমাত্র টাইটেল পড়ে + দিলাম। পরে এসে পড়ব। ধন্যবাদ।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।
নুসরাত জাহান যুথি বলেছেন:
আমরা নিজেরাই নিজেদেরকে ধ্বংসের খেলায় মেতে উঠেছি।
লেখক বলেছেন: দাতা নামক ঋণ বাণিজ্য প্রতিষ্ঠান কথিত উন্নয়ন ফমূলা আর আমাদের বিশেষজ্ঞ নামক জন্তু উপর আস্থা রেখে আমরা ধ্বংসের দিকে এগিয়ে যাচ্ছি। রুখতে হবে এই পরিবেশ, অর্থনীতি বিধ্বংসী কার্যক্রম।
মাসুদ১৯২৪ বলেছেন:
পন্য হতে চায়না আর কোউ সে সুযোগ নিক তাও দিব না ,চাই আন্দোলন
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ। চাই আন্দোলন প্রাকৃতিক ভারসাম্য, জীববৈচিত্র রক্ষা, অধিকার রক্ষায় কথিত উন্নয়ন বিরোধী আন্দোলন।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ দাদা।
বাইত যামু বলেছেন:
পোস্টে + । চালাইয়া যান। আমাগো আইনুল নিশাত পানিবিদরা উন্নয়ন আর নদী শাসনের নামে দেশটারে ১২ বাজাইছে।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ। জলাশয়গুলোর প্রাকৃতিক অবস্থা অক্ষুণ রাখা উচিত।
কালপুরুষ বলেছেন:
চমৎকার পোস্ট। প্রিয়তে রেখে দিলাম। ভাববার আছে বিষয়টি নিয়ে। ঢাকা মহানগরী উন্নয়ন পরিকল্পনা মুখ থুবড়ে পড়ে আছে। বিস্তারিত এলাকা পরিকল্পনা তালগোল পাকিয়ে গেছে। ভাঁওতাবাজি দিয়ে কোনরকম পরিকল্পনার নামে দায়সারা একটা রিপোর্ট দিয়েই পার পেতে চাচ্ছে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা।
লেখক বলেছেন: পরিকল্পনা করেন বিশেষজ্ঞরা আর তারা একটি নিদিষ্ট বিষয়ে বিশেষজ্ঞ এবং তারা তাদের বিশেষজ্ঞতার ভাব রক্ষার স্বার্থে সমাজ, মানুষ, পরিবেশ থেকে বিচ্ছিন্ন। তাই তাদের পরিকল্পনায় স্থাপনা ছাড়া অন্য ফাংশান প্রভাব লক্ষ্য করার সময় তাদের পরিকল্পনায় থাকে না। কিছু কিছু ক্ষেত্রে পরিকল্পনাবিদরা সম্পূর্ণ কাজটি একাই করতে চান নিজের নাম জাহির করতে। ফলে অন্যান্য বিষয়গুলো প্রাধান্য পায় না। ফলে পুরো প্রকল্পটি ব্যর্থ হয়।
কিছু কিছু ক্ষেত্রে অবশ্য কপি পেস্ট করা হয়, এই দেশের সামাজিক অবস্থান, পরিবেশ, পরিস্থিতি, আচার-আচরণ না বিচার করেই। পাশাপাশি দাতা নামক ঋণগোষ্ঠি এবং ঠিকাদার নামক জন্তুদের চাপ তো রয়েছে।
বাইত যামু বলেছেন:
পরিকল্পনা শুধু ব্যবসাবান্ধব। শহরের শিশুপার্কগুলো বরাদ্দ দেওয়া হচ্ছে গাড়ি মেলা, বৈশাখী মেলা হাবিজাবি কত কি। পিটাইতে মনে চায়।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।
লেখক বলেছেন: তাদের সংখ্যা কিন্তু কম। রক্ষায় জাগতে হবে সাধারণ মানুষকে।
রোহান বলেছেন:
চমৎকার লেখা। স্টিকি করা যেতো, মডারেটরদের নজরে আনলে ভালো হতো। এসব সবার জানা এবং বোঝা দরকার। মৃতপ্রায় নগরীকে টিকিয়ে রাখতে এবং মানুষ হিসেবে নাগরিকদের টিকিয়ে রাখতেই এসব দূর্নীতির বিরুদ্ধে নিজেদের বিবেক বুদ্ধি জাগ্রত করা জরুরী। মোহাম্মদপুরে ইয়েসউদ্দিনের স্ত্রীর খাল দখল নিজ চোখে দেখা কারণ ঐ খালের কাছে আমাদেরও জমি আছে ছোট এক টুকরো। ওখানে শুধু খাল দখলই না আশেপাশের কয়েকজনের জমি দখলের প্লানও ছিলো।
আর ঐ খালের বাউন্ডারীতে যাদের জমি সবাইকে দেখি একটু একটু করে বছরের পর বছর ধরে খালের ভেতরের জমি দখল করতে। এখনও তেমন কন্স্ট্রাকশন হয় নি, ফুল কন্স্ট্রাকশন হয়ে গেলে এই খাল দখল করা ভয়াভ কষ্টসাধ্য হয়ে যাবে
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ। আমরা ২৬টি খাল নিয়ে একটা কাজ করেছি আশা করি এটা শীঘ্রই পোস্ট দিতে পারব। আরো ভাল ভাবে বিস্তারিত জানা যাবে সেই পোস্টে।
জুল ভার্ন বলেছেন:
অসম্ভব সুন্দর লেখা! ছবিগুলো লেখাটাকে আরো বেশী বাস্তবতার ছোঁয়া দিয়েছে। এমন একটা সুন্দর লেখা যদি প্রিয়তে না রাখি-তাহলে আপনার পরিশ্রমকে অসম্মান করা হবে।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ। ছবিগুলো আমার নিজের তোলা। ঢাকার ২৬টি খালের বর্তমান সরজমিন একটা প্রতিবেদন কাজ করছি তার খানিকটা তুলে ধরলাম। আপনার মন্তব্য প্রেরণা হয়ে থাকবে কাজের ক্ষেত্রে।
সামহোয়্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...

















এটাই পুজিবাদের প্রকৃত চেহারা। তাই সভ্যতা বিনির্মাণে দাবী আদায়ে আন্দোলন গড়ে তুলতে হবে, আর সকল আস্দোলনের ভারকেন্দ্র হতে হবে পুজিবাদ বিরোধী সমাজতান্ত্রিক চেতনা। তবেই মুক্তি সম্ভব।
Click This Link