somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

হারায়ে খুঁজি প্রিয়

১৮ ই ডিসেম্বর, ২০১১ রাত ৯:৩৩
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :


এক.
লন্ডন শহরের এক প্রান্ত। ফায়ার প্লেসের পাশে শোয়া ফারিয়া। বাইরে কনকনে শীত। বড়ো শান্ত, বড়ো নির্জন যেন পৃথিবী। অন্ধকার চারদিকে। ভীষণ অন্ধকার। নিস্তব্দ! শীতল! ফারিয়ার মনে হচ্ছে সে শুন্যে ভেসে চলছে। শুন্য! মহাশুন্য! স-ব শুন্য! যেন ধরনীর তাবৎ মাটি সরে গেছে ওর পায়ের তলা থেকে! আকাশেও যেন নেই কিছুই! চাঁদ-তারা, গ্রহ নখ্খত্র, কেউ নেই, কিছু নেই। সবই শুন্য। কেবলই আঁধার চারিদিকে। অথৈ আঁধার। সে আঁধার সাঁতরিয়ে ফারিয়া ভেসে চলে শুন্যের গহীনে! দু’চোখে শুধু একটা প্রতিচ্ছবিই মূর্ত হয়ে ওঠে তার- রাহাত! রাহাত! এ অসীম জগতে শুধু সে একজনই! রাহাত!


দুই.
রেডিয়াম মাখানো ঘড়িটা জানান দেয়, রাত দু’টা। সেদিনও বোধ হয় দুপুর দু’টা-ই বেজেছিল। সিডিউলে কোন কাশ ছিল না। আড্ডা, গান আর হাসি তামাসায় ব্যস্ত সবাই। হঠাৎ শিলার ডাকে পাশ ফিরে ফারিয়া।
: এই ফারিয়া... শোন, শোন।
: কিরে, চেচাচ্ছিস কেন?
: গুন্ডাটাকে একটা শিা দিতে হবে। উচিত শিা!
: কোন গুন্ডারে...? কি করেছে তোকে?
: আরে ওই ইডিয়টটাকে। রাহাত। রাহাত।
: নিশ্চয়ই টিট মেরেছে তোকে।
: টিট মেরেছে ঠিকই। তবে আমাকে নয়, তোকে।
: যা-যা, আমাকে টিট মারার সাহস ওর নেই।
: আমার কথা বিশ্বাস হচ্ছে না, না?
: সত্যিই কি আমাকে টিট মেরেছে?
: সত্যি মানে! তিন তিরিক্কে নয়শ’বার সত্যি!
: কি নাম দিয়েছে আমার?
: তুই নাকি প্রায়ই লাল শাড়ি পড়িস, ঠোঁটে লাল লিপস্টিক মাখিস, জুতাটাও পড়িস লাল। এসব করে ছেলেদের হৃদয়ে লাল রঙে রাঙায়িত হতে চাস্। তাই ও তোর নাম দিয়েছে ‘মিস লালী’।
: কী, শেষ পর্যন্ত আমাকে নিয়ে টানাটানি! আমি লাল শাড়ি পড়লে ওর কি? ওর ফাদারের কি? ওর ফোরটিন জেনারেশনের কি?
: সেটা ওকে গিয়েই জিজ্ঞেস কর।

কিছুক্খণ পর ফারিয়া কয়েকজন মেয়েসহ এসে দাঁড়ায় রাহাতদের পাশে। মেয়েদেরকে উদ্দেশ্য করে বলে- আমাদের কলেজে যে ছেলেটা নিজেকে নিজে হিরো ভাবতে ভালোবাসে, অথচ গায়ের দূর্গন্ধে তার পাশ দিয়ে হাঁটা যায় না। অন্যদের নাম বিকৃত করতে যিনি পটু। মেয়েদের সামনে আসার সাহস নাই, পিছু পিছু ঘোরা ফেউ। আজ থেকে তার নাম হল ‘ফিঙে পাখি’ আপনারা রাজি? সমস্বরে রব উঠল- রাজি। রাহাত বুঝতে পারে, উপাধীটা কার জন্য। তাই মনে মনে সিদ্ধান্ত নিয়ে নেয় যা নেবার।
কিছুণ রাহাত গ্র“পকে দেখা গেল না ক্যাম্পাসে।
আধঘন্টা পর ফারিয়া নামছিল দোতলা থেকে। সাথে চার-পাঁচজন মেয়ে। নিচে রাহাতকে দেখে গর্বিত ভঙ্গিতে খাতা দোলাতে লাগলো সে। ভাবখানা এমন যেন সাত রাজ্য জয় করে ফিরে আসছে সে। রাহাতও সিঁড়ি বেয়ে উঠতে লাগলো উপরের দিকে, পেছনে রাহাত গ্র“পের কয়েকজন।
: দাঁড়াও ফারিয়া! বলিষ্ঠ কন্ঠ রাহাতের।
: ‘ফিঙে পাখি’ বলে যে উপাধী আমাকে দিয়েছো, সে জন্য বেশ গর্বিত মনে হচ্ছে নিজেকে। আর আমার রাজ্যে এত সাহস নিয়ে বাস করছো জেনে তোমার জন্য এই ুদ্র উপহার, একথা বলতে বলতে সাথে করে নিয়ে আসা মালাটি ওর গলায় পরিয়ে দিল। হাততালি বেজে উঠল পেছনে।

ফারিয়া বিস্ময়ে ‘থ’ হয়ে গেছে। ছি! এত নিচে নামতে পারলো রাহাত! এটাতো কোন মালা নয়, যেন এটম বোমা। রাস্তায় পড়ে থাকা কাগজের টুকরা, পলিথিন আর সিগারেটের বাক্সো দিয়ে তৈরী এ মালা থেকে ডাষ্টবীনের গন্ধ বেরুচ্ছে। এদিকে রাহাত বলেই চলছে- জানি, তুমি প্রিন্সিপাল স্যারের কাছে যাবে। কিন্তু অন্য কিছু করার ছিল না আমার। আমিতো ‘ফিঙে পাখি’ তাই না? এই বলে চলে আসতে চাইলো সে, কিন্তু পেছন থেকে বজ্রের মত ধ্বণীত হলো-
: দাঁড়াও রাহাত!
স্বয়ং প্রিন্সিপাল স্যারের কন্ঠ শুনে স্তম্ভিত রাহাত দাঁড়িয়ে পড়লো গাড়ির হার্ড ব্রেক কষার মতো করে। প্রিন্সিপাল স্যার ফারিয়ার মাথায় হাত রেখে বলতে লাগলেন- কাঁদিস নে মা, কাঁদিস নে। আর রাহাতকে বললেন, চলো আমার সাথে।

এতণে রাহাত নিজেকে খুব ছোট ভাবতে শুরু করলো। কাজটা মোটেও ঠিক হয়নি তার। পেছন থেকে সাকিব বলেই ফেললো- মাফ চেয়ে নিবি।

অফিসে এসে গম্ভীর মুখে প্রিন্সিপাল স্যার বলতে লাগলেন, তুমি এ কলেজের একজন ব্রিলিয়ান্ট স্টুডেন্ট। তোমার কাছ থেকে আমাদের অনেক চাওয়া, অনেক প্রত্যাশা। অথচ দিন দিন কোথায় নেমে যাচ্ছো তুমি? সাধারণ ছাত্রদের সাথে খারাপ আচরণের অভিযোগ আমি এর আগেও পেয়েছি তোমার গ্র“পের ছেলেদের নামে। শেষ পর্যন্ত তুমিও সে খাতায় নাম লেখালে। জুনিয়র একজন ছাত্রীর সাথে এমন আচরণ করতে বিবেকে বাধলো না তোমার? ছি! ছি রাহাত, ছি! এই তোমাদের শিা? এই তোমাদের ব্রত? সামান্যতম নৈতিকতাটুকুও খোয়াতে চাও পবিত্র এ ক্যাম্পাসে? বিধাতার একটি খুদ্র সৃষ্টি হিসাবে বেঁচে থাকবে হয়তো বা। পূর্ণতা পাবে না কোনদিন, যদি না মা চাইতে পারো ফারিয়ার কাছে।
সবাই নিরব। নিরব রাহাতও। ফারিয়ার কান্না ততণে থেমে গেছে। রাহাত আড়চোখে দেখার চেষ্টা করে অশ্র“ধোয়া ফারিয়াকে। দারুণ লাগছিল ওকে। যেন শিশির স্নাত শরতের কোন শেফালী। যেন ভীরু চোখে পৃথিবী দেখা কোন চঞ্চলা হরিণী!
রাহাতের নিরবতা স্যারকে ঘামিয়ে তুলেছে। বিচলিত বোধ করতে লাগলেন তিনি। কিছুটা দুঃখবোধ আর হতাশা জড়ানো কণ্ঠে তিনি আবার বলতে লাগলেন, ক্ষমা না চাইলেও তোমাকে কিছু বলবো না। শুধু আফসোস! তোমার মত একজন মেধাবী ছাত্রের কাছে আমি আজ পরাজিত হলাম...!

রাহাত লক্ষ করলো স্যারের চশমার পুরু কাঁচ ঘোলাটে হয়ে উঠেছে অশ্র“ধারায়। সাথে সাথে সে ঝুঁকে পড়লো স্যারের পায়ে।
: আমাকে ক্ষমা করে দিন স্যার। আমার ভুল হয়ে গেছে, আই এম সরি স্যার। আই এম সরি।
রাহাতের পিঠ চাপড়ে স্যার বললেন- ইয়েস, মাই বয়। আশা করি ওর কাছ থেকেও ক্ষমা চেয়ে নিবে।

আস্তে করে রাহাত ভীরু ভীরু চোখে তাকায় ফারিয়ার দিকে। আর বলে- আই এম রিয়েলি সরি ফারিয়া। সরি। ফারিয়াও তাকায় রাহাতের দিকে বিদ্যুৎচ্ছ্টা দু’টি চোখের পাপড়ি মেলে। মুখে মৃদূ হাসি, চোখে শুধু ক্ষমার ভাষা।

তিন.
ওর সবগুলো চিঠি যেভাবে পুড়িয়ে ফেলেছিলো, আজও পুড়ে ফেলবে বলে ঠিক করলো শীলার দেয়া চিঠিটা! শীলার সাথে তো কোন শত্র“তা নেই ওর! তবু কেন বারবার ও চিঠি পাঠায় সে? কেন রাহাত সম্পর্কে এতসব কথা লিখে পাঠায় এখানে? কেন এমন করে ও? অথচ সবকিছু ভুলে যেতে চায় সে। সবকিছুই। কারণ, সে যে এখন অন্য কারো রেজিস্ট্রি করা ঘরণী। ঘরণীর কথা মনে হতেই মনে পড়ে রাহাতের লেখা একটা কবিতার কথা-
যখন তুমি হয়ে যাবে
অন্যের ঘরণী...
এবং
অতপর একদিন
শুনবো ঠিকই অবাক সে সব হাসি...

না পড়েই শীলার চিঠিটা পুড়িয়ে ফেলতে মনস্থ করে সে। কিন্তু হঠাৎ মনটা এক প্রবল আর্তনাদে ছটফট করে ওঠে তার। যেন কোন এক অচিন পাখি ডানা ঝাপটিয়ে উড়ে যেতে চায় নীল আকাশে। কিন্তু প্রচন্ড ঘুর্ণিবার্তা আর বজ্রপাতে পাখনা ভেঙে আচমকা মুখ থুবড়ে পড়ে ওর বুকের চৌকাঠে।

নাহ! আমি পারবো না! পারবো না! ডুকরে ওঠে ফারিয়া। স্মৃতিরা জাবর কাটতে থাকে মস্তিষ্কে- সেদিন কলেজ থেকে ফিরে সারারাত ঘুমাতে পারেনি সে। অন্যরকম একটা অনুভুতি আচ্ছন্ন করে রেখেছিল তাকে। সে কি ভয়ের না ভালোবাসার, বুঝতে পারেনি সে। কেমন একটা অধিকারবোধ নিয়ে আচরণ করেছিলো ছেলেটা! ফারিয়ার মনে হল, সে বুঝি মরেছে আজ! প্রথম যেদিন কথা হয়েছিলো, ভালোবেসে সেদিনও সে পড়েছিল সেই লাল শাড়িটা। মাথায় জড়ানো বেলী ফুলের মালার সাথে ছিলো একটা লাল গোলাপও। খাঁটি ইরানী গোলাপ। গোলাপ বিক্রেতা বলেছিলোÑ যে এ গোলাপের সুগন্ধে মুগ্ধ হবে না, সে কখনো ভালোবাসতে পারবে না। হায়রে ভালোবাসা! রাহাতের সে মুগ্ধ হওয়া আজ তার জীবনে নির্মম অভিশাপ। বুকফাটা বেদনার তীব্র আর্তনাদ! কেন এমন হয়? কেন?

সেদিন ও ফারিয়ার হাত ধরেছিলো একবার। বলেছিলো ‘এই হাত ধরা চিরদিনের জন্য। তুমি হাতটা ছাড়িয়ে নিও না কখনো’। পরিশ্রান্ত সুর্যটা তখনো ডোবেনি ঐ পাহাড়ের অন্তরালে। তবে রঙ বদলাচ্ছিল কেবল। আনমনা রাহাত অনিমেষ চোখে চেয়ে থাকে ডুবন্ত সূর্যের বিদায় পথের দিকে কিছুক্ষণ। সূর্যটা যেন দিনের কান্তি ভুলতে ভীষণ ব্যস্ত। কিন্তু, সে কি পারবে? তাকে যে আবার জাগতে হবে নতুন বৈরাণীর নব সাজে।
: ফারিয়া, যখন আমি একা থাকি। একাকিত্বের সাহারা আমাকে ভীষণ ভাবে পেয়ে বসে। তখন আমার ভেতরে একটা অন্যরকম জগত তৈরী হয়। সে জগতে আমি হাঁটাহাঁটি করি নিশঃব্দে। সারাটা পৃথিবীকে যেন আমি নতুন ভাবে সৃষ্টি করি অবিরাম, ঠিক যেমনটি সৃষ্টি করতে ইচ্ছে হয় আমার। মাঝে মাঝে হারিয়ে যেতে ইচ্ছে করে অজানা কোনো দিগন্তের সমুদ্র স্ফটিকে! কিংবা ভোরের কুয়াশার ঝুপড়িতে। আচ্ছা, তোমার কি কখনো এমন মনে হয়?
: তোমার এমন কবিতামার্কা কথাবার্তা আমার বুঝে আসে না। আমিতো শুধু তোমাকেই ভাবি সারাক্ষণ, সকাল-দুপুর-রাত। এর বাইরে আর কিছু ভাবার সময় কই আমার?
: তাই বুঝি?
: জ্বি, তাই বোঝেন।
প্রচন্ড আবেগের তীব্রতায় ওর দু’চোখে চেয়ে থাকে রাহাত। ঐ দু’চোখে সে দেখতে পায় আগামী দিনের প্রাচুর্য্য ভরা সোনালী বসন্তের উচ্ছল দিনগুলো। যেন দেখতে পায় দিগন্ত বিস্তৃত ভালোবাসার পশরা সাজানো স্বপ্নের ঢালি। যেন উপলব্ধি করে সে অযুত স্বপ্নের লাস্যি ঝর্ণার কলকল ছুটে চলা। ফারিয়াও সেদিন বুঝতে পারেনি কল্পনার বসন্তের আড়ালে যে লুকিয়েছিলো চৈত্রের দাবদাহ! কালবৈশাখীর মরণছোবল আর শুষ্ক মরুর লু-হাওয়া। কর্মকান্ত সূর্যটা ততক্ষণে ডুবে গেছে প্রায়। তারই কিছুটাচ্ছটা এসে রাঙিয়ে দিল দু’জনকে। রাহাত ওর হাতে হাত রেখে ওয়াদা করলো ছাত্র রাজনীতির নামে নোংরা লেজুড়বৃত্তি আর কোন্দলের পথে সে যাবেনা আর। একটি সুন্দর জীবনের বায়না নিয়ে সেদিন বিদায় নিল তারা।
রাহাত কবিতার একটি চরণ উপহার দিয়েছিলো তার প্রথম ভালোবাসাকে-
যদি দেখা না হয় বহুদিন...
তবু ভালোবাসা, প্রেমের অনুভবে
প্রতিায় রবো
দিনের পর দিন...

চার.
সেদিন কেন মিছিলে গিয়েছিলে তুমি? কেন এত নির্মম প্রতিশোধ নিলে আমার উপর? তোমার মতো এমন মেধাবী একজন ছাত্র কেন নষ্ট রাজনীতির নির্মম শিকার হতে যাবে? কেন? কত্তো নিষেধ করেছি তোমাকে। কি! করিনি? কোন কথাই তো শুনলে না আমার। এসব অভিযোগ মনে মনে আওড়াতে গিয়ে সেদিনের উন্মাতাল স্মৃতিগুলো সেলুলয়েডের ফিতার মতো ভেসে উঠল হৃদয় ক্যানভাসে। রাহাত সেদিন একটি গোলাপকলি আর এক টুকরো চিঠি তুলে দিয়েছিলো ফারিয়ার হাতে। বলেছিলো, আজ গন্ডগোল হতে পারে ক্যাম্পাসে। সাবধানে থেকো তুমি। ফারিয়া ঘুণারেও বুঝতে পারেনি, এটাই ছিল তার অবিশ্রান্ত কথোপকথনের শেষ প্রহর। এটাই ছিলো শেষ উপহার।

চোখের সামনেই মিছিল। ওদের দলেরই প্রতিদ্ব›িদ্ধ দু’গ্র“পের। হঠাৎ যুদ্ধক্ষত্রে। কিরিচ, ড্যাগার আর রামদা’র উম্মাতাল প্রদর্শনী যেন এদিক সেদিক। বিকট শব্দে বিস্ফোরণ আর মুর্হুমুহ গুলির আওয়াজে প্রকম্পিত ক্যাম্পাস। আর কিছু মনে নেই ফারিয়ার...। প্রায় এক মাস পর রাহাত মোটামুটি সুস্থ শরীরেই বের হয়ে এসেছিল মেডিকেল থেকে। কিন্তু সে যে যুদ্ধক্ষে্তরে হারিয়ে ফেলেছে মানসিক ভারসাম্য! আজ প্রায় ছ’মাস মানসিক হাসপাতালই ওর স্থায়ী ঠিকানা!


পাঁচ.
নাহ। না পড়েই চিঠিটা পুড়ে ফেলা ঠিক হবে না। কোন সুখবরও তো থাকতে পারে ওটাতে! দুরু দুরু বুকে, ত্রস্ত হাতে চিঠির খামটা খোলার চেষ্টা করে ফারিয়া। চিঠিটা বের করে ক্রমশ পড়তে থাকে সে...
হ্যাঁ, এইতো...! শুন্য মনে হচ্ছে যেন পৃথিবীটাকে। নিরুদ্দেশ শুন্যতা যেন নেমে আসছে চারদিক হতে। কেবলই শুন্য! মহাশুন্য! যে পৃথিবীতে রাহাত নেই, সে তো শুন্যই...!
২টি মন্তব্য ২টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

শিক্ষা খাতে শুরু হয়েছে তারেক রহমান ম্যাজিক

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ০৮ ই জুন, ২০২৬ রাত ১১:২৯


রাজনীতির মাঠে ক্ষমতার হাতবদল যেমনই হোক না কেন, সাধারণ মানুষের আসল নজর থাকে জীবনের মৌলিক জায়গাগুলোতে। আর একটি দেশের ভবিষ্যৎ বদলে দেওয়ার সবচেয়ে বড় হাতিয়ার হলো শিক্ষা ব্যবস্থা।... ...বাকিটুকু পড়ুন

আমরা এমন কেন?

লিখেছেন তাই-ফি, ০৯ ই জুন, ২০২৬ রাত ৩:৪৪

একটা গল্প দিয়ে শুরু করা যাক।

শেষ বিচারের পর নরকে শাস্তি ভোগ করছে পাপীরা। বিশাল বিশাল তেলের ড্রামে তাদের একবার ডুবিয়ে আবার ভাসিয়ে তোলা হচ্ছে। প্রতিটি ড্রামের সামনে একজন করে পাহারাদার... ...বাকিটুকু পড়ুন

পাহাড়ে চড়া আর মাউন্টেনিয়ারিং: এক নয়

লিখেছেন মুনতাসির, ০৯ ই জুন, ২০২৬ সকাল ১০:০৮




আজকাল পাহাড়ে ওঠা অনেক সহজ হয়েছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রায় প্রতিদিনই দেখা যায় কেউ না কেউ কোনো পাহাড়ের চূড়ায় দাঁড়িয়ে ছবি তুলছেন। ট্রেইল ধরে হেঁটে, কখনো দড়ি ধরে, কখনো গাইডের সাহায্যে... ...বাকিটুকু পড়ুন

“আবহাওয়াবিদ” মোবাইল অ্যাপের শুভ উদ্বোধন: বুধবার, ১০ জুন ২০২৬

লিখেছেন মোস্তফা কামাল পলাশ, ০৯ ই জুন, ২০২৬ দুপুর ১:৪৭



“আবহাওয়াবিদ” মোবাইল অ্যাপের শুভ উদ্বোধন: বুধবার, ১০ জুন ২০২৬

আনন্দের সঙ্গে জানাচ্ছি যে বাংলাদেশের সর্বস্তরের মানুষের কাছে সহজে আবহাওয়া পূর্বাভাস এবং আবহাওয়া-সংক্রান্ত গুরুত্বপূর্ণ সতর্কতামূলক তথ্য পৌঁছে দেওয়ার লক্ষ্য নিয়ে abohawa.com... ...বাকিটুকু পড়ুন

আমাদের গ্রামের গল্প!

লিখেছেন রাজীব নুর, ০৯ ই জুন, ২০২৬ সন্ধ্যা ৬:১৩



আমাগো গ্রাম আপনারা সবাই চিনেন।
মুন্সিগঞ্জ, বিক্রমপুর। শ্রীনগর থানা। খুবই প্রাচীন অঞ্চল। অবশ্য এখন গ্রাম বদলে গেছে! ইংলিশ মিডিয়াম স্কুল হয়েছে, বিউটি পার্লার, কমিউনিটি সেন্টার, শপিংমল, ফাস্টফুডের দোকান হয়েছে।... ...বাকিটুকু পড়ুন

×