ব্লগে নাকি বহুত নিক ব্যন হইতাচে। তা হইবার পারে।
তবে ইতরপ্রানীর জন্মরেট বেশি।
নতুন নতুন নিক নিয়া ঝাপাইয়া পড়ার কাহিনী ঘটতাছে দেখলাম।
তবে সূফী মানুষ,একটু ভিন্ন ধরনের চিন্তা করি।
মনযোগ কইরা পেটার্ণটা খিয়াল করেন :
১.সাম্প্রতিক সময়ে প্রথম ব্যন হয়েছেন শুনলেন আশরাফ।
সেই আশরাফের ব্যনটা ব্লগে প্রকাশ করলেন হুদা ইসলাম নামে একজন ।উনি কিন্তু খুব নিয়মিত ব্লগার না,কিন্তু আশরাফের ব্যন খাওয়ার ঘটনা নিয়মিত কেউ পাইবার আগেই উনি পাইলেন !তারপরই এই বিষয়ে পোস্ট দিলেন মুন নামের আরেক ব্লগার ।উনি পোস্ট দিয়াই কইলেন পোস্ট মুইছা ফালাইতে পারেন। শেষপর্যন্ত কিন্তু উনি পোস্ট মুছলেন না,না কইয়াই পোস্ট মুইছা ফালাইলেন হুদা ইসলাম ।
এই দুইজনের মাঝে বোধহয় কমুনিকেশন সমস্যা হইছিল।
২.আশরাফের ব্যন নিয়া ব্লগ গরমের এই চেষ্টা মাঠে মারা গেল।মাঠে নামলেন ত্রিভুজ।এই বার আশরাফ রহমানের ব্যন মুক্তির দাবীতে ধমক দিতে আইলেন উনি।
উনি ব্যন খাইলেন ।উনার ব্যন নিয়া কে বা কারা পোস্ট দিয়াছেন এবং উষ্মা প্রকাশ করিয়াছেন উনাদের বেশির ভাগ নিকই পরিচিত না ।তাই উনাদের স্মরণ করতে পারছি না। (এই পয়েন্টটা খিয়াল রাখুন।)ব্লগ গরম হইলো না।
৩.ত্রিভুজের ব্যন নিয়া হাউকাউ করতে স্বয়ং দেখি আশরাফ হাজির! কী তাজ্জব।উনি না ব্যন খাইলেন,তাইলে এতো তাড়াতাড়ি আইলেন কেমনে?আর কারো ব্যনের ঘটনায় তো এমনতারি হয় নাইক্কা।তাইলে কি উনি ব্যন খান নাই ?উনার পেয়ারের লোকগুলা কি তবে ভুল জানতো নাকি ব্লগে ইচ্ছা কইরা ভুল জানাইলো?
৪.এই বার ব্যন খাইলেন শুনলাম সাইমুম।প্রবল সমালোচনার মাঝেও উনি আইসা মাপ না চাইয়া পরের দিন থাইকা শুরু করলেন "শাড়ি খোলা নারী "
কওয়া।শুনলাম ব্যন খাইছেন।
খবরটা কে দিয়াছেন ব্লগে ?নামটি স্মরণ করার চেষ্টা করুন ,আমার স্মরণ আসতেছে না।
৫.সাইমুমের ব্যণ খাওয়া লইয়া চতুরভূজ ,রিজভী আর সারওয়ার চৌধুরী বাজার মাতের চেষ্টা করলেন।
কিন্তু মুকুল ফাসঁ কইরা দিলেন যে সাইমুম ব্যন খান নাই।উনি আইসা উনার সব পোস্ট মুইছা দিছেন।কখন দিছেন ?যখন সূফী কইছে এই পোস্টগুলা বাংলাঅভিধানের কাটপেস্ট ,তারপরেই।
বড়ো তাড়াতাড়ি প্রত্যাবর্তন হয়া গেল না?
নাকি উনিও ব্যন খান নাই ?
৬.সাইমুমের ব্যন নিয়া ঠোটকাটা ব্লগাররে দেখি লম্বা কাব্য ময় চিঠি দিলেন চতুরভূজ।
কালকা একজন আইসা জানালেন চতূরভুজ ব্যন!
কী তামশা,আইজকা দেখি উনিও হাজির।খোশ আমদেদ।
তাইলে বিষয় কী দাড়াইলো?
যারে যারে ব্যন করছে কইয়া ভক্তকূল হই চই করতে থাকেন,এদের সবগুলাই তো দেখি ফিরত আসে পরের দিন।
আর কারো বিষয়ে তো এমনতারি হইলো না আজতক ।
এইবার বড়ো ঘন ঘন হইতাছে মনে হয়।
প্রতিদিন একজন কইরা ব্যনের ঘোষনা,খানিক হইচই ,পরের দিন উনি ফিরিলেন,তারপর আরেকজন ....তারপর আরেকজন...।
নাটক ভালোই ছিল,মাগার স্কৃপ্ট দুর্বল।
নাকি মডারেটররা আসলেই তাদের ব্যন করছেন কয়েক ঘন্টার লাগি ?
এ বিষয়টা পরিষ্কার হওয়া দরকার।মডারেটরদের বক্তব্য আশা করি।
নারী নির্যাতনকারী পোস্ট ও মন্তব্য,ধর্মীয় অশান্তি ছড়ানো পোস্ট ও মন্তব্য এইগুলার জন্য যদি ব্যনের মেয়াদ হয় কয়েক ঘন্টা,তাইলে আরো অনেকেউ উৎসাহিত হবেন,সন্দেহ নাই।
আর যদি আদৌ ব্যন না হইয়াও এই নাটক করতে থাকেন,তাইলেও এর বিধান চাই।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


