যায়যায়দিন পত্রিকার বর্তমান অবস্থা দেইখা কান্না পায়।এই দেশে বহুত পাবলিকে আপোষ করছে,বড়ো বড়ো কবিরা এরশাদের কবিতা লেইখা দিছে,বহুত পাবলিকে হাসিনারে আম্মা ডাকছে,খালেদারে আম্মা ডাকছে,মাগার শফিক রেহমান
তাগো সবাইরে ছাড়াইয়া গেছে।দেশের ইতিহাসে শফিক রেহমান একটা দালালীর ইউনিক ইউনিট।দালালী পরিমাপক যন্ত্র।
বয়েস হইবার কারনে কি না জানি না,তবে তার ভীমরতি ইতিহাসে লেখা থাকবো।
আমার এক বড়ো ভাই,যিনি আগে অন্য পত্রিকায় চাকরি করতেন এবং এখানকার ব্লগার,উনারে কইছিলাম,আপনে নাকি যায়যায়দিন এ যাইতেছেন ? উনি কইছিল,যামু না,কারন শফিক রেহমান খুবই কম সাকসেসফুল সম্পাদক।
আমি জিগাইলাম ,"কেমনে কী?"
উনি কইলো,শফিক রেহমান পত্রিকা বানাইছে কয়টা হিসাব কইরা দেখো :
১.সাপ্তাহিক যায়যায়দিন (খুবই সফল)
২.সাপ্তাহিক মৌচাকে ঢিল (ব্যর্থ)
৩.সাপ্তাহিক সীমানা পেরিয়ে (বাইরাইতেই পারে নাই)
৪.দৈনিক যায়যায়দিন প্রতিদিন। (পুরা ব্যর্থ)
তাইলে দেখা যায়,উনার চাইরটার মাঝে তিনটাই ব্যর্থ প্রজেক্ট।এর মানে উনি সম্পাদক হিসাবে ৭৫ ভাগ ব্যর্থ।
এই লুজারের লগে গিয়া লাভ কী?
এখন চিন্তা কইরা দেখলাম,উনি সঠিক কথা কইছিল।
শফিক রেহমানের বিচার দরকার ।
নিম্নোক্ত কারনে তারে দ্রুত বিচারের মুখামুখি করা হোক :
১. বারবার বিভিন্ন পত্রিকার সাংবাদিকরে ডাইকা আইনা বিপদে ফালানোর অপরাধে।
২.রহস্যজনক ভাবে যায়যায়দিন মিডিয়াপ্লেক্স তৈরী ও জায়গা পাওয়ার বিষয়ে।
৩.বাংলা ভাষাকে বিকৃত করার অপচেষ্টার অপরাধে।
শফিক রেহমান এখন কালের জঞ্জাল।যতো আগে সাফ হয়,ততোই মঙ্গল।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।

