অনুভূতিগুলো ফিরে আসে
বহুভাবে,বার-বার, মনে ভাসে।
হঠাৎ পাওয়া নীল কষ্টের অবাক তরী
স্বপ্নপরী, কেমন করে হাওয়ায় মিলায়,
আবারো চায়, নতুন কোনো স্বপ্ন বিলায়,
অবাক হৃদয়!
আপাত দৃষ্টিতে পরিবর্তনশীল অনুভূতি গুলো আসলে চেনা অনুভুতিরই পূনরাবর্তন। একটি নির্দিষ্ট চক্রের শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত গুনে চলেছি আবার শুরু থেকে গুনবো বলে।
২।
পতন্গ বাহিত পরাগে জন্মে
ফুলগুলো যদি পবিত্র হয়,
জারজ ছেলের অপবাদ কেন তবে একা মধুবালার!
প্রজাপতি পুরুষ-গুলো নিষেক শেষে
গোসল সেরেই পবিত্রতায় মাথা ঠোকে।
অক্ষম স্বামির শুন্যতায় পূর্ণতা টানে পীরের দরগা।
অত:পর
জন্মের চিৎকারে পীর শিশ্নের কেরামতি ফলে,
দোয়ার দাওয়ায় পথ প্রসস্ত করতে এসে
নাতি কোলে চমকে ওঠে দাদি
তার সংসারও যে টিকে ছিলো
একই পীরের দোয়ার বলে।
৩।
চেষ্টার চুলোয় আরো কিছু পাটখড়ি দাও
তাতে চাল না ফুটুক, পানি ফুটবে
আমার মতো আরো কজন
আশাবাদি হয়ে উঠবে।
যদিও আমরা জানি
সভ্যতার পশ্চাৎ গতির হার
অগ্রগতির চে বেশি
তবুও মনকে চোখ ঠারি
সেই পরকিয় বউয়ের স্বামির মত
যে এই আশায় পথ গুনে
একদিন তার তীরেই ফিরে আসবে
নিরুদ্দেশের পাখি।
ডানা ঝাপটে বলবে কষ্ট হচ্ছে,
ক্ষমা কর, মুক্তি দাও।
তোমার চেষ্টার চুলোয় আরো কিছু খড়ি দাও
তার পোড়া কয়লার ধোঁয়া
আবার হ্য়তো তোমার ট্রেনকে নিয়ে আসবে
আমার ডেরার কাছের ষ্টেশনে
যেখানে তোমার আঁচলের ঝাপটায় ভাঙা খেলাঘর
সাজিয়ে চলেছি নিরন্তর।
আমায় ক্ষমা কর।
যেতে দেয়ার মত উদার
এখনো হতে পারিনি।
৪।
মন:সংকলন-১
স্বপ্ন গুলো সেই কবে উড়ে গেছে,
দুষ্ট ধুলোর দল পর্দা করেছে ধুসর,
যাতে, সবুজ চাদরের ওপারে
তোমার আরো ধুসরতা থেকে যায় অজ্ঞাত।
মিলনের সময়গুলো আরো বেশি ক্লান্ত স্বরে হাই তোলে।
অপিরিত অন্ধকারে
পরিচিত রাতের পাখিরা আর ডাকেনা।
তোমার কান্খিত অর্ফিউস কি সুরে বাজাত
জানা নেই
পিপড়ে গুলোকে পাঠিয়ে দিয়েছি
কিছু খুঁজে পাবে নিশ্চয়।
তোমার পিছু পিছু
আমার স্বপ্নরা সেই কবে উড়ে গেছে।
তবুও প্রতিটি ভোরে
ঘরের চাল হতে উড়াল দেই
সেই কাক কিংবা কবুতরের মত
আরো এক চিলতে নতুন আকাশের খোঁজে।
সর্বশেষ এডিট : ২২ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১০ রাত ৯:৪৭

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


