"কি থেকে কি হয়ে গেল বাবা। স্ট্যান্ড করা ছেলেটা এভাবে শেষ হয়ে গেল। যখন ঢাকা মেডিক্যালে চান্স পাইলো তখন সবার কতো আশা। ডাক্তারি পড়তে আসছিল, লাশ হয়ে গেল।"
বলছিলেন ছাত্রলীগের অভ্যন্তরীণ সংঘর্ষে নিহত ঢাকা মেডিক্যাল কলেজের ছাত্রলীগ নেতা রাজিবের খালু হায়দার আলী। এর জন্য ছাত্র রাজনীতিকে দোষারোপ করে তিনি বলেন, "এখন তো সবই শেষ। দোষ দিয়েই বা লাভটা কী।"
ঢাকা মেডিকেল কলেজ ছাত্রাবাসে নিজের দলের কর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষে আহত ছাত্রলীগ নেতা ও শেষ বর্ষের ছাত্র আবুল আসাদ রাজীব মঙ্গলবার সন্ধ্যায় সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান।
রাজশাহী থেকে ২০০০ সালে এসএসসি পরীক্ষায় মেধা তালিকায় জায়গা করে নেয় রাজিব। এরপর রাজশাহী ওল্ড গভর্নমেন্ট কলেজ থেকে এইচএসসি পরীক্ষাতেও কৃতিত্বের সাথে উত্তীর্ণ হয় সে। এরপর ভর্তি হয় ঢাকা মেডিক্যাল কলেজে। হায়দার আলী বলেন, "সবাই জানে ঢাকা মেডিক্যালে ভর্তি হতে হলে অনেক মেধাবী হতে হয়। ও অনেক পড়াশোনা করতো। প্রথমতো ভালই চলছিল। তারপর কীভাবে জানি বন্ধুদের পাল্লায় পড়ে রাজনীতিতে জড়িয়ে গেল।"
গত বছরের ১০ অক্টোবর একটি ডাকাতির অভিযোগে রাজশাহী মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ নগরীর আরআরএফ পুলিশ লাইন (শ্বশুরবাড়ি) থেকে রাজিবকে গ্রেপ্তার করে। পরে সে জামিনে ছাড়া পায়।
ওই বছরের ২৭ সেপ্টেম্বর দুপুরে রাজিবসহ সাতজন রাজশাহী নগরীর হেতেম খাঁ এলাকার জনতা ব্যাংকের সাবেক ডিজিএম আবুল কাশেমের বাসায় ডাকাতি করে বলে অভিযোগ রয়েছে। বলা হয়, এ ঘটনায় খোদ ওই বাড়ির গৃহকর্তার ছেলেও জড়িত ছিল ।
................................................................................
আর কত রক্ত চাই ছাত্র রাজনীতির? !
আর কত মায়ের বুক খালি করবে এই ছাত্র রাজনীতি?
আর কত?
তথ্যসূত্রঃ বিডিনিউজ২৪

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


