আমার প্রিয় পোস্ট
- সামুর জন্য ইমেইজ আপলোডার - কমেন্টে ছবি আপলোড!
[আপডেট ১.৫] - আমড়া কাঠের ঢেকি
- রহস্যময় আলুটিলা আর নয়নাভিরাম রিসাং - কাঊসার রুশো
- সাজেক ট্যুর! কিছু ছবি, কিছু তথ্য! - নীল ভোমরা
- আমি আর বউ দুজন মিলে মজা করলাম। দেখুন কেমন হয়েছে। - টিংকু ট্রাভেলার
- মেঘের দেশে পাহাড়ের দেশে (দার্জিলিং) - যেতে চান? - মুহিব
- হোটেল : কোনটাতে থাকবেন? - পিচ্চি
- সামুর সব রেসিপি পোস্ট
[আপডেট * ~ ৫ ~ *] - বাবুনি সুপ্তি
- নাফাখুম...... বাংলাদেশের নায়েগ্রা! - নীল ভোমরা
- শ্রীমঙ্গলের লাউয়াছড়া আর নুরজাহান টি স্টেটের ছবি - ফয়সাল আকরাম
- মুসা ইব্রাহীম- ‘বাংলা ভুতের’ প্রথম স্বাক্ষাতকার!!! - ব কলম
- জ্ঞান-বিজ্ঞানের রাজ্যে মুসলমানঃ উত্থান ও পতন পর্ব-৫ - তায়েফ আহমাদ
- দেখুনতো আপনি কালার ব্লাইন্ড কিনা? - পিচ্চি
- সেন্টমার্টিন : যাতায়াত ও থাকা খাওয়ার প্রয়োজনীয় তথ্য। - সাইফুল আলম শাহিন
- শীতের সবজিতে থাই স্যুপ - ভূলু
- ব্যাবিলন - ইমন জুবায়ের
- somewhere in... blog just crossed 3 million monthly pageviews! - আরিল
- আগামীবার যখন উইন্ডোজ নতুন করে সেটআপ দেবেন....... - নাফিস ইফতেখার
- ফিরে দেখা ২০০৯ : বছরজুড়ে সামহোয়্যারইন ব্লগের উল্লেখযোগ্য ঘটনাসমূহ - ফিউশন ফাইভ
- ব্যতিক্রম বিশ্ব ব্যক্তিত্ব ওয়ারেন বাফেট - ভাবসাধক
- ছবি ব্লগ : ঈদ বেড়ানো সুন্দরবনে, পর্ব ৩/ শেষ: কচিখালি ও করমজল - যীশূ
- "আপনার লিখা"র কপি করা মানুষদের খুঁজে বের করার সহজ উপায় - সিউল রায়হান
- কে কত স্পিড পান? [আবজাব পোষ্ট] - বিডি আইডল
- বগালেক কি সত্যি আগ্নেয়গীরি? জানতে চাইলে দেখে আসুন নিজের চোখে? - সৌম্য
- কম্পিউটারের কর্মদক্ষতা বাড়ানোর কয়েকটি টিপস্!!! - মুকুট
- আসুন, গড়ে তুলি জ্ঞানের ভাণ্ডার - রাগিব
- চিম্বুক, নীলগীরি, বগা লেক - নীল ভোমরা
- রাংগামাটি যাবেন ??

- শিবলী
- মৌমাছি—বিস্ময়কর এক ভেক্টর গণিতবিদ ! - ম্যাভেরিক
- বাংলাদেশের প্রায় সকল পর্যটন স্হানের ছবি ব্লগের সংকলন (শত তম পোষ্ট ) - শ।মসীর
- জার্নি টু 'সাজেক' - পাহাড়ের এক রানী । - জেড ইসলাম
- মেমোরি প্রশিক্ষন - কিভাবে সব কিছু মনে রাখবেন - শ্রাবনের ফুল
- সামহোয়্যারইন ব্লগের কোন অপশনের কাজ কি? (১) - ত্রিভুজ
- আল্লাহকে কেন মানব না ? - জুহো.
- বান্দরবানঃ যাবার আগে জেনে নিন দরকারী কিছু তথ্যঃ পর্ব ১ - জুহো.
- বান্দরবানঃ যাবার আগে জেনে নিন দরকারী কিছু তথ্য : পর্ব ২ - জুহো.
- বাংলা ফন্ট নিয়ে জটিলতার শেষ কোথায়? - জুহো.
- ঢাকা শহর ও বাংলাদেশের কিছু পুরাতন ছবি - রিয়াজুল ইস্লাম
- ইনকা সভ্যতা, পাথর নগর, স্প্যানিশ বর্বরতা ও মাচু পিকচুর সেই সূর্যদেবতার থান ... - ইমন জুবায়ের
- প্রবাল দ্বীপে ভরা পূর্নিমায় বর্ষা যাপন... - রাব্বি !
- আমেরিকান ধর্ম যাজক ইউসুফ এসতেসের ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করার কাহিনী....... - আব্দুর রহমান
- ফেসবুকে বাংলা অক্ষর ছোট দেখার সমস্যা দূর করে নিন সহজেই.... - সুনীল সমুদ্র
- প্রমিত বাংলা বানান রীতিঃ সচরাচর সমস্যা করে এমন শব্দের একটি সম্ভার! - ম্যাভেরিক
- চলুন সেন্টমার্টিন্স ঘুরে আসি... (এবার যাওয়ার আগে অনেক খুঁজেও কোন তথ্য পাইনি নেটে। সেই হতাশা থেকেই লেখা।) - ক-খ-গ
হার্ট এ্যাটাক: হবার আগেই ব্যবস্থা নিন।
২৬ শে জুলাই, ২০০৯ সন্ধ্যা ৭:০১
নিজের শরীরটা সুস্থ্য সবল থাকুক তা কে না চায়! তাই জেনে নেওয়া দরকার কিভাবে এটাকে ঠিকঠাক রাখা যায়। একসময় ধারনা ছিল হার্টের রোগ হচ্ছে বড়লোকদের এবং বয়ষ্কদের বিষয়। কিন্তু এখন পরিসংখ্যান বলে ভিন্ন কথা। বাংলাদেশে সকল শ্রেনীর মানুষের মধ্যেই এ রোগের বিস্তার বেড়ে চলেছে। সম্ভবতঃ খাদ্যাভাস, জীবনযাত্রা এর একটা বড় কারন। তাই আসুন জেনে নেই এর কারন ও প্রতিকার।
আমাদের শরীরের সমস্ত অঙ্গ প্রত্যঙ্গই গুরুত্বপূর্ণ। তবে হৃদপিন্ড কয়েকটা কারণে বিশেষ গুরুত্ব বহন করে। অধিকাংশ অঙ্গ প্রত্যঙ্গ সাময়িকভাবে বিকল হয়ে গেলেও প্রান সচল থাকে। এমনকি মস্তিষ্কের অধিকাংশ অংশ অচল হয়ে গেলেও কৃত্রিম যন্ত্রের সাহায্যে দীর্ঘদিন পর্যন্ত শরীরকে চালু রাখা যায়। কিন্তু হৃদপিন্ড কয়েক সেকেন্ড বন্ধ থাকলেই মৃত্যু অনিবার্য। তাই হৃদরোগে মৃত্যু one of three leading causes of death. ![]()
প্রথমেই আমাদের জানা দরকার হৃদপিন্ডের কাজ কি?
হৃদপিন্ড একটা পাম্প যা সমস্ত শরীরে রক্ত সরবরাহ করে। এই রক্ত প্রধানতঃ অক্সিজেন যুক্ত রক্ত। সমস্ত শরীরে ব্যবহারের পর অক্সিজেন বা বাতাস যখন নিঃশেষ হয়ে যায় তখন কার্বন-ডাই-অক্সাইড যুক্ত রক্ত পুনরায় হৃদপিন্ডে প্রবেশ করে। একথা অবশ্য সকলেরই জানা যে, হৃদপিন্ড বুকের বাম দিকে অবস্থান করে। যদিও হৃদপিন্ডের সঠিক অবস্থান বুকের ঠিক মাঝখানে এবং এর অংশ বিশেষ বাম দিক পর্যন্ত প্রসারিত। একারণে হার্টের ব্যথা সব ক্ষেত্রেই বুকের বাম দিকে হবে, একথা ঠিক নয়। বরং বুকের মাঝখানে শুরু হয়ে বাম কাধ, চোয়াল এবং বাম হাতের আঙ্গুলের মাথা পর্যন্ত ছড়িয়ে পড়তে পারে। ক্ষেত্র বিশেষে ডান দিকে এমনকি শরীরের অন্যত্রও এই ব্যথা অনুভূত হবে পারে। তবে, এর অর্থ এই নয় যে, বুকের ব্যথা মানেই হার্টের ব্যথা। আনুষঙ্গিক অবস্থা দেখে চিকিৎসকগণ হার্টের ব্যথাকে অন্য ব্যথার থেকে পার্থক্য করে থাকেন। যা ক্ষেত্র বিশেষে আধুনিক পরীক্ষা নিরীক্ষার সাহায্য ব্যতীত নিশ্চিত হওয়া যায় না। বুকে ব্যথা অন্য যে সব কারণে হতে পারে তার মধ্যে প্রধান তিনটা কারন হচ্ছে-
১. এ্যাসিডিটি যা গ্যাষ্ট্রিক বলে বেশি পরিচিত।
২. মাংসপেশী কিংবা বুকের খাঁচার ব্যথা। (musculoskeletal pain)
৩. মানসিক- যেমন রোগীর মনে এই চিন্তা ঢুকে যাওয়া যে তার হার্ট দুর্বল।![]()
এখন কাদের ক্ষেত্রে অধিক সতর্কতা প্রয়োজন ? ![]()
এ কথা ঠিক যে, বয়স নির্বিশেষে সবারই হার্টের অসুখ হতে পারে, তবে বিশেষতঃ হার্ট এ্যাটাক বয়স্ক এবং পুরুষদের হয়ে থাকে। মহিলাদের হরমোনজনিত কারণে হার্ট এ্যাটাকের ঝুকি অনেক কম থাকে। তবে পঞ্চাশোর্ধ মহিলাদের এই ঝুকি অনেকটা পুরুষদের কাছাকাছি পর্যায়ের। বুকে ব্যথা হলে যদি রোগীর মধ্যে নিম্নোক্ত বিষয় সমূহ পাওয়া যায়, তবে দেরী না করে চিকিৎসকের শরনাপন্ন হওয়া উচিৎ।
১. বয়ষ্ক (সাধারনতঃ পুরুষদের পয়তাল্লিশের অধিক, মহিলাদের ক্ষেত্রে পঞ্চান্ন এর অধিক)
২. পুরুষ
৩. রক্ত সম্পর্কীয় আত্মীয়দের মধ্যে যদি হার্ট এ্যাটাকের ইতিহাস থাকে।
৪. শরীরের ওজন বেশি হওয়া
৫. উচ্চ রক্ত চাপের (হাই ব্লাডপ্রেসার) রোগী হওয়া
৬. ডায়াবেটিসের রোগী হওয়া
৭. ধূমপায়ী হওয়া।
হার্ট এ্যাটাক হলে সাধারণতঃ কয়েকটা লক্ষন প্রকাশ পায় –![]()
১. বুকের পূর্বে উল্লেখিত স্থানে তীব্র ব্যথা অথবা চাপ।
২. অতিরিক্ত ঘাম হওয়া
৩. বমি হওয়া।
প্রধানত উক্ত তিনটা জিনিষের এক বা একাধিক লক্ষন হার্ট এ্যাটাকে প্রকাশ পায়। তবে, ডায়াবেটিস রোগী অথবা বৃদ্ধ বয়সে এ রকম তীব্র ব্যথা নাও হতে পারে। এ রকম পরিস্থিতির সৃষ্টি হলে দেরি না করে দ্রত রোগীকে হাসপাতালে স্থানান্তর করা উচিৎ।
এখন আমাদের জানতে হবে হার্ট এ্যাটাক কি?
প্রকৃত পক্ষে চিকিৎসা বিজ্ঞানের পরিভাষায় হার্ট এ্যাটাক বলে কিছু নেই। সাধারণ মানুষের কাছে যা হার্ট এ্যাটাক বলে পরিচিত তা আসলে মায়োকার্ডিয়াল ইনফার্কশন (Myocardial Infarction) বা সংক্ষেপে এম.আই.। হার্ট যদিও সারাদেহে রক্ত সরবরাহ করার পাম্প হিসেবে ব্যবহৃত হয়, তবে এই কাজের জন্য তার নিজের মাংসপেশীতেও খানিকটা রক্তের প্রয়োজন পড়ে। এই রক্ত সরবরাহ করার জন্য যে রক্তনালীগুলো থাকে এই গুলো যখন বন্ধ হয়ে যায় তখন হার্টের খাকিটা অংশ মরে যায়। এটাকেই এম.আই বা সাধারণ ভাষায় হার্ট এ্যাটাক বলে।
সাধারণ মানুষের মধ্যে ষ্ট্রোক এবং হার্ট এ্যাটাক সমন্ধে ধারণা পরিস্কার নেই। দুটোকে এক করে দেখা হয়। এটা ঠিক যে, দুই ক্ষেত্রেই রক্ত চলাচলে বিঘ্ন ঘটে, তবে ষ্ট্রোক বলা হয় যখন এটা ঘটে মস্তিষ্কে এবং এর ফলে সাধারণত রোগী অজ্ঞান হয়ে যায় কিংবা এক দিকে অসারতা অনুভব করে। পক্ষান্তরে হার্ট এ্যাটাকের ফলে রোগী সাধারনতঃ অজ্ঞান হয় না, অসারতা বা প্যারালাইসিসও হয় না। উল্লেখ্য যে, যখন রক্তনালীগুলো সম্পূর্ণ বন্ধ না হয়ে আংশিক বন্ধ হয়, তখন রোগীর সময়ে সময়ে ব্যথা অনুভূত হয়। বিশেষতঃ পরিশ্রমের কাজে কিংবা দুঃচিন্তা করলে, এটাকে এ্যানজিনা (Angina) বলে। এই পর্যায়ে রোগী এম.আই. এর ঝুকির মধ্যে থাকে। কারণ যে কোন সময়ে রক্তনালী সম্পূর্ণ বন্ধ হয়ে যেতে পারে। বিভিন্ন কারণে রক্তনালীগুলো বন্ধ হয়ে যেতে পারে। বয়সের
কারণে সাধারন নিয়মেই এটা হয় যা অপ্রতিরোধযোগ্য কিন্তু যে সব কারণ আমাদের হাতে (অর্থাৎ মোটা হওয়া, চর্বিযুক্ত খাবার খাওয়া, ধূমপান) সেগুলো সহজেই প্রতিরোধ করা সম্ভব। অপরদিকে ডায়াবেটিস ও উচ্চ রক্তচাপ যদিও প্রতিরোধযোগ্য নয় এবং নিরাময়যোগ্যও নয়, তবে সচেতনতা, চিকিৎসকের পরামর্শ মেনে চলা এবং নিরবিচ্ছিন্নভাবে ঔষধ সেবনের মাধ্যমে অনেকটাই নিয়ন্ত্রনে রাখা সম্ভব।
অর্থাৎ দেখা যাচ্ছে, হার্ট এ্যাটাকের ঝুকি আমরা অনেকাংশেই কমিয়ে আনতে পারি যদি নিম্নোল্লেখিত বিষয়গুলো মেনে চলি-![]()
১. নিয়মিত শারীরিক পরিশ্রম
২. ধূমপান এবং মদ্যপান ত্যাগ করা
৩. চর্বিযুক্ত খাবার পরিহার করা
৪. ডায়াবেটিস ও উচ্চ রক্তচাপ থাকলে নিয়ন্ত্রনে রাখা এবং
৫. অল্প অল্প বুকে ব্যথা হলে বিশেষতঃ চল্লিশোর্ধ পুরুষ এবং পঞ্চাশোর্ধ মহিলাদের চিকিৎসকের শরনাপন্ন হয়ে বুকে ব্যথার কারণ নির্ণয় করা।
সাধারণতঃ যাদের ক্ষেত্রে চিকিৎসকগণ সন্দেহ করেন বুকের ব্যথার প্রকৃতি হার্টের কারণে হওয়ার সম্ভাবনা, তাদের ইসিজি করানো হয়ে থাকে। ইসিজি অনেকাংশেই হার্টের ব্যথাকে প্রকাশ করে থাকলেও সবক্ষেত্রে পারে না। এদের জন্য আরেক ধরনের ইসিজি করার প্রয়োজন যাকে ষ্ট্রেস ইসিজি বা ইটিটি (ETT) বলে। এই ইসিজি করার সময়ে রোগীকে একটা মেশিনের উপর দৌড়াতে হয়। এই পরিশ্রম চলাকালীন সময়ে অনবরত ইসিজি হতে থাকে। অর্থাৎ সাধারণ ইসিজি করাকালীন যেহেতু রোগী বিশ্রামরত থাকে, অল্প বিস্তর হার্টের সমস্যা এক্ষেত্রে ধরা নাও পড়তে পারে। এদের জন্যই পরিশ্রমরত অবস্থায় ইসিজি বা ইটিটি করা হয়। বর্তমান সময়ের সবচেয়ে বহুল প্রচলিত এবং নিখুত পরীক্ষা হচ্ছে এনজিওগ্রাম যা হার্টের রক্তনালীর ব্লক প্রায় নিশ্চিতভাবেই সনাক্ত করে। এটা একটা বিশেষ এক্সরে যা সামান্য ইনজেকশনের প্রয়োগের মাধ্যমে করা হয়ে থাকে। বছর কয়েক আগেও এর জন্য প্রতি বছর হাজার হাজার রোগী বিদেশে পাড়ি জমাত। বর্তমানে ঢাকার বিভিন্ন স্থানে হরহামেশাই এ পরীক্ষা হচ্ছে। খরচ মোটামুটি বার হাজার টাকা। তবে, এই খরচ যদিও এনজিওগ্রামের জন্য যা একটি পরীক্ষা মাত্র। বর্তমানে MRI Angiogram নামে আরেকটি পরীক্ষা করা হচ্ছে যেখানে প্রচলিত Angiogram থেকেও ঝুকিমুক্ত উপায়ে ব্লক দেখা হয়। রোগ সনাক্ত করার হার প্রচলিত Angiogram এর মত। তবে সমস্যা দুটো। এক এখানে খরচ বেশী (প্রায় ৩০,০০০ টাকার মত )। দ্বিতীয়ত যাদের কিছু একটা procedure এ যাওয়াই লাগবে বলে ধারনা করা হয় তাদের জন্য এটা বাড়তি খরচ ছাড়া কিছুই নয়।
এই সব পরীক্ষায় হার্টের রক্তনালীতে ব্লক না পাওয়া গেলে তো ভাল অন্যথায় এই রক্তনালীকে পরিষ্কার রাখার জন্য যে ব্যবস্থা করা হয় তা দুই রকমের।
1) ষ্টেন্টিং বা বেলুনিং: একটা বেলুন আকৃতির জিনিষ প্রবেশ করিয়ে রক্তনালীর চুপসে যাওয়া অংশকে প্রসারিত করা । এই প্রক্রিয়ায় রোগীকে বড়জোর দুই দিন হাসপাতালে থাকতে হয়, রোগী একটা ইনজেকশনের মত ব্যথা ছাড়া আর কিছুই টের পায় না। কোনরকম অজ্ঞানও করা হয় না। খরচ ক্ষেত্রভেদে এক থেকে তিন লাখ কিম্বা আরো বেশী হতে পারে।
২) বাইপাসঃ যদি একাধিক জায়গায় ব্লক থাকে বা স্থানটি জটিল অবস্থায় থাকে সে ক্ষেত্রে বেলুন বা ষ্টেন্ট ঢুকাবার সুযোগ থাকে না এ ক্ষেত্রে বাইপাস অপারেশনের মাধ্যমে ঐ জায়গাকে কেটে ফেলে ভাল রক্তনালী জোড়া দেওয়া হয়। রোগীকে দুই থেকে তিন সপ্তাহ হাসপাতালে অবস্থান করতে হয়, কয়েক ব্যাগ রক্ত অথবা ডোনার প্রস্তুত রাখতে হয়। যদিও এই প্রক্রিয়ায় খরচ ষ্টেন্ট বা বেলুনিং থেকে অনেক কম। সাধারণতঃ এক থেকে দেড় লাখ।
এখন প্রশ্ন উঠতে পারে, এই এনজিওগ্রাম, বেলুনিং কিংবা বাইপাস না করলেই কি নয়? রোগীরা প্রায়ই এ প্রশ্ন করে থাকেন যে, শুধু ঔষধ দিয়ে কি সারানো যায় না? এর উত্তর হচ্ছে, একটা পর্যায় পর্যন্ত ঔষধের কার্যকারিতা সীমাবদ্ধ। বাইপাস কিম্বা স্টেন্টিং ই এখন পর্যন্ত চূড়ান্ত চিকিৎসা। ঔষধের মধ্যে কয়েকটা ঔষধ গুরুত্বপূর্ণ। রক্তে চর্বির পরিমান বেশি থাকলে কমানোর ঔষধ, আর রক্ত পাতলা রাখার জন্য অ্যাসপিরিন জাতীয় ঔষধ যা উন্নত দেশে প্রতিটি বয়স্ক লোকেই সেবন করে থাকে। এছাড়া প্রেসারের ঔষধগুলো সাধারণতঃ হার্ট এ্যাটাক বা angina কিছু মাত্রায় প্রতিরোধ করে। কিন্তু রক্তনালী যখন সম্পূর্ণ বন্ধ হয়ে যায়, তখন এ্যানজিওগ্রাম করে এর প্রকৃতি নির্ণয় করে ষ্টেন্ট কিংবা বাইপাস অপারেশন ছাড়া বুকের ব্যথা কমাবার কিংবা হার্ট এ্যাটাকের ঝুকি কমাবার বিকল্প থাকে না। এগুলো অনেকটা নদীতে পলি পড়লে ড্রেজিং করার মত। ঔষধ ছাড়াও আরও একটা বিষয় হার্টের চিকিৎসায় সমধিক গুরুত্বপূর্ণ। তা হল জীবনযাপন ব্যবস্থার পরিবর্তন। এর কিছুটা পূর্বেই উল্লেখ করা হয়েছে, যেমন- ধূমপান ত্যাগ করা, টেনশনমুক্ত থাকা, শারীরিক পরিশ্রম করে শরীরকে চর্বিমুক্ত রাখা। একই সাথে চর্বিযুক্ত খাবার পরিহার করাও প্রয়োজন। সকলের সুবিদার্ধে এখানে চর্বি যুক্ত খাবারের উল্লেখ করা হচ্ছে। যার প্রথমগুলো সর্বোচ্চ চর্বিযুক্ত, শেষেরগুলো সর্বনিম্ন চর্বিযুক্ত(descending order) । তবে হার্টের রোগীর অবস্থা অনুযায়ী এর সবগুলোই কিংবা অধিকাংশই বর্জনীয়। ![]()
১. মগজ
২. ডিমের হলুদ অংশ
৩. কলিজা (গরু/খাসি)
৪. চিংড়ি-বিশেষতঃ বড় চিংড়ি
৫. আইসক্রীম, চকোলেট
৬. খাসির মাংস
৭. হাসের মাংস
৮. গরুর মাংস
৯. মুরগীর চামড়া
১০. দুধ।
প্রশ্ন হতে পারে তাহলে খাওয়া যাবে কি? খেতে বাধা নেই কিংবা কোন ক্ষেত্রে বেশি খাওয়া প্রয়োজন এমন খাবারের মধ্যে-
১. সকল ধরনের শাকসবজি
২. ফল
৩. সব রকম মাছ বিশেষতঃ সামুদ্রিক মাছ
৪. সব ধরনের তেল (পাম ওয়েল এবং নারকেল তেল/দুধ ব্যতীত)
পরিশেষে হার্টের রোগীদের জন্য সুখবর হচ্ছে, বড় বড় রোগের যেমন- ক্যান্সার, কিডনী নষ্ট হওয়া, লিভার সিরোসিস অথবা ডায়াবেটিস এ সবের মধ্যে হার্টের চিকিৎসা যেমন সবচেয়ে সহজলভ্য তেমনি সর্বাধিক কার্যকর। উপযুক্ত সময়ে উপযুক্ত চিকিৎসা করলে হার্ট এ্যাটাককে অনেকাংশেই প্রতিরোধ করা যায় অথবা একবার হার্ট এ্যাটাক করলেও স্বাভাবিক জীবন-যাপন করা সম্ভব। হার্ট এ্যাটাক একবার করলে এর একটা অংশ চিরস্থায়ীভাবে অকেজো হয়ে পড়ে। দুই বা তিনবারে গোটা হৃদপিন্ডই অকেজো হয়ে পড়ে, তখন জীবন ধারণ অসম্ভব হয়ে পড়ে। এ কারণে উপযুক্ত সময়ে অর্থাৎ হার্ট এ্যাটাক একবারও হয়নি কিন্তু ঝুকির মধ্যে রয়েছে এ রকম প্রত্যেকেরই ইসিজি, ইটিটি এবং এনজিওগ্রাম করে নেয়া উচিত।
চেষ্টা আমাদের কিন্তু নিরাময় সম্পূর্ণরূপেই আল্লাহর হাতে।
....ডা. জুবায়ের হোসেন
লেখাটির বিষয়বস্তু(ট্যাগ/কি-ওয়ার্ড): চিকিৎসা ;
প্রকাশ করা হয়েছে: স্বাস্থ্য বিভাগে । সর্বশেষ এডিট : ৩০ শে মার্চ, ২০১১ দুপুর ১:৪৪ | বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...
লেখক বলেছেন: বাইপাস রোগীকে সাধারনতঃ ২ সপ্তাহ থাকতে হয় হাস্পাতালে।
আগে পায়ের vein কেটে নিয়ে এখন বেশীর ভাগ ক্ষেত্রে বুকের একটা artery দিয়েই কাজ চালান হয়। সুতরাং পায়ে দাগ থাকে না।
স্টেন্টিং এর সুবিধা হচ্ছে এখানে কাটা ছেড়া নেই বললেই চলে।
রন্টি চৌধুরী বলেছেন:
পোষ্ট প্রিয় তালিকায়।
লেখাজোকা শামীম বলেছেন:
শারীরিক পরিশ্রমের ক্ষেত্রে যোগ ব্যায়াম কেমন কাজ দেয় ? মানে কোন ব্যায়ামগুলো করা দরকার ?
লেখক বলেছেন: হার্টের জন্য যেটাকে গুরুত্ব দেওয়া হয় aerobic exercise অর্থাৎ দৌড়ান, সাতার কাটা, সাইক্লিং।
যোগ ব্যায়াম ওজন কমাবে না। তবে রক্তচাপ নিয়ন্ত্রনে যোগ ব্যায়াম বা যে সব উপায় মনকে শান্ত করে সেগুলো কার্যকরী।
রিয়াজুল ইস্লাম বলেছেন:
ভালো লাগলো।
লেখক বলেছেন: আপনাদের কাজে লাগলেই পরিশ্রম সার্থক হয়েছে মনে করব।
লেখক বলেছেন: চেষ্টা থাকবে ইনশাল্লাহ ।
লেখক বলেছেন: এটা ঠিক, ব্লগে বেশীর ভাগ ক্ষেত্রেই সবাই ফাস্টফুদ খেতে আসে। আবার আপনার মত অনেকেরই তথ্যবহুল পোস্টও পাওয়া যায়। তবে স্বাস্থ্য টপিক টা নিয়ে লেখা খুব কম।
অথচ এই সব ঝুকির মধ্যে সবাই আছি। বিশেষ করে অনেক ব্লগার ই আমার ধারনা কম্পিউটারের সামনে বসে বসে physical exercise আর করার সময় পান না। তাদের কথা চিন্তা করেই বিশেষ এই লেখা...
এডভোকেট বলেছেন:
আপনার লেখা ভাল লাগল:আমার বাবা হাট` এটাকে মারা গেলেন। আমার বাবা জীবিত থাকা কালীন সব সময় বলতেন , বাবার গাড়ে কি জেন একটা ব্যাথা অনুভব করে। ঠিক আমার একই সমস্যা মানে আমি যখন খুব ভারী কাজ করি তখন গাড়ের পেছনে ডান সাইটে হালকা ব্যাথা অনুভব করি। ডাক্তার কাছে গেলে বলে আপনার প্রেসার একদম ওকে এবং আপনার কোন সমস্যা নেই কিন্তু আমার সমস্যার সমাধান হলো না। কি করতে পারি।
লেখক বলেছেন: হার্টের ব্যথা (angina) ঘাড়ে হয়না। আপনার বাবার ঘাড়ে ব্যথা ছিল অন্যকারনে ।
আপনার মনে এই ভয়টাই ঢুকে গিয়েছে। তবু ECG প্রয়োজনে ETT করিয়ে নেওয়া উচিৎ। Blood cholesterol level টাও দেখা দরকার।
রামন বলেছেন:
মোটামুটি বুঝতে পারলাম ইনফার্কশন এড়িয়ে চলতে হলে প্রানীজ চর্বিযুক্ত খাবার (কোলেষ্টটেরল ও টাইগ্লিসারিড) এড়িয়ে চলতে হবে ।সুন্দর ও শিক্ষানীয় পোষ্টের জন্য ধন্যবাদ।
উপরের অসমাপ্ত মন্তব্যটি ভুলবশত মন্তব্য প্রকাশের ঘরে চাপ পড়েছে। দয়া করে সেটি মুছে দিন। ধন্যবাদ।
লেখক বলেছেন: এটিই একমাত্র বিষয় নয় যদিও।
একজনের কথা বলি। রোগী বলছে- ডাক্তার সাহেব, সারাজীবন আপনাদের কথা মানলাম; খাবার বাছবিচার করে খেলাম, সিগারেট বাদ দিলাম, ঔষধ খেয়ে গেলাম আর হার্ট এ্যাটাক হোল কিনা আমারই। অথচ আমার ছোট ভাই কোনটাই মানছে না, অথচ দিব্যি ঘুরে বেড়াচ্ছে। তাহলে বলেন আপনাদের কথা শুনে আমার কি লাভ হল ?
আসলেই সবটুকুই মানুষের হাতে না। তবুও জেনে শুনে বিপজ্জনক জিনিষ এড়িয়ে চলাই বুদ্ধিমানের কাজ, তাইনা ? কারন statistics বলে অমুক জিনিষ avoid করলে ৬০% heart attack prevent করবে। অমুকটা মেনে চললে ৭০% ক্ষেত্রে ভাল result পাওয়া গিয়েছে। কিন্ত আমার ক্ষেত্রে ৭০% এর মধ্যে পড়বে না কি ৩০% খারাপের দলে পড়বে সেটা বলা সম্ভব হয় না।
বিপ্লব কান্তি বলেছেন:
আমার হার্ট নেই : সাবেক বান্ধবী
লেখক বলেছেন: তার টা আপনি পান নি ? ![]()
আর হার্ট নেই তো ঝামেলাও নেই।
লেখাজোকা শামীম বলেছেন:
বিপ্লব কান্তি বলেছেন: আমার হার্ট নেই : সাবেক বান্ধবী ................................................................................
হার্ট থাকব কেমনে, সাবেক বান্ধবীই তো নিয়া গেছে।
কালের কলস বলেছেন:
খুব বেশী পরিশ্রম করতে গেলে হাঁফিয়ে উঠি, একবার মোটর সাইকেল ষ্টার্টের জন্য বেশ কিছুক্ষণ কিক দেয়ার পর হঠাৎ দাঁড়ানোর শক্তিটুকুও হারিয়ে ফেলি। সারাশরীর ঘামে ভিজে যায়। তৎক্ষনাত শুয়ে পড়লে, অল্পক্ষণ পর আমার বোধ করি।আমার নাক দিয়ে নেয়া নিশ্বাসের পাশাপাশি ঘনঘন মুখে(দীর্ঘ) শ্বাস নিতে হয়।
এসব কি কোন রোগের লক্ষণ, না শুধুই দূর্বলতা?
লেখক বলেছেন: আপনার বয়স,ওজন,প্রেসার আছে কি না, ডায়াবেটিস আছে কি না,ফ্যমিলিতে ( যেমন-বাবা,মা) কারু হার্টের রোগ আছে কিনা এ গুলোর ওপর ভিত্তি করে বলা যাবে সম্ভাবনা কতটুকু।
বন্ধনহীন বলেছেন:
বেশির ভাগ হার্ট এ্যাটাক হওয়া পুরুষদের বয়স দেখা যায় ৪২ বছর হতে ৫৫ এর মধ্যে। আমার এক বন্ধু বলছিলো, এর সাথে testosterone এর সম্পর্ক আছে। কথাটা কি ঠিক? খুব সম্ভবতঃ Spiegel এর কোন এক প্রতিবেদনে এ ধরণের তথ্য ছিল।
লেখক বলেছেন: testosterone এর নয় estrogen এর সম্পর্ক আছে। মেয়েদের যতদিন ( সাধারনতঃ ৪০-৫০ বৎসর পর্যন্ত) estrogen বেশী মাত্রায় release হতে থাকে ততদিন M.I এর ঝুকি কম থাকে। পুরুষদের এই হরমোন থাকেই না বললে চলে।
কালের কলস বলেছেন:
বয়স-৩৫ওজন-৫৬ কেজি
ডায়াবেটিস নেই, প্রেসার নরমাল,
আব্বা হার্ট এ্যাটাকে মারা গিয়েছেন জানুয়ারি ২০০২ সালে।
লেখক বলেছেন: সম্ভাবনা কম হলেও, ECG>ETT, Blood Cholesterol এগুলো করে ফেলা উচিত।
হাফিয়ে যাওয়াটা সরাসরি IHD (যেই রোগ টা নিয়ে আলোচনা হয়েছে তাকে as a whole ischaemic heart disease বা ইশকেমিয়া বলে) না হোলেও কারনটা বের করা ভাল।
কালের কলস বলেছেন:
ধন্যবাদ
লেখক বলেছেন: পড়েছেন জেনে খুশী হলাম।
জুহো. বলেছেন:
ভালো থাকুন এই কামনা রইলো।
লেখক বলেছেন: অথচ এই কথাটি ই ধ্রুব সত্য। বিজ্ঞানের অনেক কিছুই যা আজ নির্ভূল মনে হয় তা হয়তো আগামীতে ভূল প্রমানিত হয়ে যাবে।
১০০ বৎসর আগে যে পদ্ধতিতে চিকিৎসা করা হোত, যেটাকে সর্বাধুনিক মনে করা হোত, আজ সেই পদ্ধতিতে চিকিৎসা করলে কোন ডাক্তারকে জেলে ঢোকান হবে।
আপনার যদি medicine এর original বইগুলো পড়ার সুযোগ হয়ে থাকে, তবে জায়গায় জায়গায় দেখবেন মানুষ যতই প্রযুক্তিতে অগ্রসর হোক না কেন, কার ক্ষেত্রে কার্যকরী হবে সেটা কেউ predict করতে পারে না।
সুতরাং আপনার মন এটাকে মানুক না মানুক এটাই বাস্তব।
লেখক বলেছেন: কাজে লাগলে পরিশ্রম সার্থক মনে করব।
রী্য বলেছেন:
গত,১৪ জানুযারী আমার নিজেরই হয়ে গেল এম আই। আমার বয়স মোটে ৩২। মাংস জাতীয় জিনিস কম খেতাম আগে থেকেই তবুও। যায়হোক এখন ২টা ব্লক ৭০ এবং ৫০ পারসেন্ট। ওষুধ খাচ্ছি । ভাল আছি। কিন্তু দুখের বিষয় সিগারেট তো ছাড়তে পারলাম না। আগে দিনে ১০/১২ টা খেতাম এখন ৩/৪ টা হয়। বিকালে র দিকে আধাঘন্টা হাটি, ডায়াবেটিস নাই, প্রেসার ঠিক আছে, রেগুলারর খাচ্ছি:
১। Carvista (6.25mg) 1/2- 0 -1/2
2. Ramoril 2.5 mg 0 - 0 -1
3. Ecosprin 75mg 0- 1- 0
4. Orva 10mg 0- -0 1
5 Nofiate 200 mg 0- 0- 1
6 Pantonix 20mg 1 - 0 0 (সেরকম গ্যাস হলে খায়)
আপনার এরকম কার্যকরী পোষ্টের জন্য অশেষ দন্যবাদ।
আমাদের নতুন নতুন হার্টের কি কি প্রযুিক্ত আসলো জানাবেন দযাকরে।
লেখক বলেছেন: আপনার জন্য দুঃখ লাগছে। তবে নিয়মিত ওষুধ, হালকা ব্যায়াম(সীমার মধ্যে নিয়মিত), জীবনযাত্রা সুশৃঙ্খল করলে বাকী জীবন স্বাভাবিক কাটাবেন ইনশাআল্লাহ।
চিমটি বলেছেন:
সচেতনতাই কাম্য।
লেখক বলেছেন: যেটুকু আমাদের সুযোগ আছে, সেইটুকু চেষ্টা তো করাই উচিত।
ভাবসাধক বলেছেন:
ডা. ভাই ,চমতকার লিখেছেন ।আমার চাচা'র বল্ক ধরা পড়েছে আমার ও কি সম্ভাবনা আছে হার্টএর রোগ হবার ?
লেখক বলেছেন: যে সমস্ত risk factor আছে তার মধ্যে Family তে 1st degree relative (আপন চাচা ও এর মধ্যে) এর রোগও একটা ঝুকি হিসাবে গন্য। তবে অন্য ঝুকি গুলো এড়িয়ে চলবার চেষ্টা করতে থাকুন।
সুমন বলেছেন:
External Counterpulsation (ECP / EECP) নিয়ে যদি কিছু বলেন। প্লিজ।
লেখক বলেছেন: External Counterpulsation (ECP) নামে যে জিনিষটি দাবী করছে angina কিম্বা ischaemic cardiomyopathy নামে একটি রোগ (এখানেও বুকে ব্যথা হয়, যার খুব একটা কার্যকরী চিকিৎসা এখনো নেই) এর চিকিৎসায় non invasively কাজ করবে। কিন্তু এত অল্প সংখ্যক রোগীর উপর এটি প্রয়োগ করা হয়েছে যে এখনই এটা নিয়ে conclusive কিছু বলা মুশকিল। তবে ভবিষ্যতে এটিও একটি সম্ভাবনাময় চিকিৎসা ব্যবস্থা হিসাবে আসতে পারে। বাংলাদেশে এখনো এটি প্রচলিত হয়নি (বিদেশেও এটি under trail এই আছে)
এই পদ্ধতিতে রোগীর পায়ে অপারেশন ছাড়াই বাইরে দিয়ে বেলুনের মত মোজা পড়িয়ে দেয়া হয়। যেটা ধারাবাহিকভাবে সংকুচিত-প্রসারিত হতে থাকে।
কৌশিক বলেছেন:
পোস্টটা পড়ার পর থেকে বুকে ব্যাথা করছে
লেখক বলেছেন: আগেভাগেই সতর্ক হয়ে যান....
েমা আশরাফুল আলম বলেছেন:
Is it possible to do echo-cardiography on laboratory rat at DHAKA for research purpose?Please let me know.
লেখক বলেছেন: Not Possible.
সামহোয়্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...


















ডাবলিনের এক দেশী স্টুডেন্ট বয়ষ বড়জোর ২৭/২৮, অনেক মোটাছিল তার ক্ষেত্রে দেখেছি এটা। তার পা থেকে না নিয়ে হাত থেকে নেয়া হয়েছিল নালী। হাসপাতালে তাকে মাত্র চারদিন থাকতে হয়েছে। অপারেশনের পরদিন বাসায় চলে গেছে। কিভাবে সম্ভব কে জানে!!