আমার প্রিয় পোস্ট

আল্লাহ সকল প্রশংসার মালিক।আল্লাহ একক ও অদ্বিতীয়। হে আল্লাহ তুমি আমায় ক্ষমা কর। আমায় রহম কর। আমায় দান কর এমন সুন্দর চরিত্র যা তুমি পছন্দ কর।

নাস্তিকতার বাস্তবতা কতটুকু?

১৪ ই জুলাই, ২০১০ রাত ৯:০৫

শেয়ারঃ
0 3 0

যে স্রষ্টাকে মানে বা বিশ্বাস করে সেই আস্তিক।যে স্রষ্টাকে বিশ্বাস করে না সে নাস্তিক। বিস্তারিত ভাবে বলতে গেলে আস্তিক তারা যারা এই ভূ-মন্ডল নভো-মন্ডল কেউ সৃষ্টি করেছে বলে বিশ্বাস করে।নাস্তিক তারা যারা আস্তিকের বিপরীত মতবাদ অর্থাৎ এই সব কেউ সৃষ্টি করেনি সব কিছু এমনি এমনি হয়েছে বলে বিশ্বাস করে।নাস্তিকরা কোন প্রমান ছাড়া স্রষ্টাকে বিশ্বাস করতে রাজি নয়।কারন তারা যুক্তিতে বিশ্বাসী।আর অবশ্যই যুক্তির সূতিকাগার হল প্রমান।এই নাস্তিকতার ব্যাপারে হযরত ঈমাম আবু হানিফার (রহঃ)একটি বিখ্যাত ঘটনা আছে ।একবার এক নাস্তিক ঈমাম সাহেবকে এসে চ্যালেন্জ করল এই মহাজগতের কোন স্রষ্টা নাই।যদি থাকে তাহলে প্রমান করুন।ঈমাম সাহেব বললেন ঠিক আছে আগামী কাল সকাল এতটা বাজে আমি আপনাকে জনসম্মুখে প্রমান করে দেব এই মহাজগতের স্রষ্টা আছে।পরদিন নির্দিষ্ট সময়ে নির্দিষ্ট জায়গায় নাস্তিক লোকটি এসে হাজির হল। লোকে লোকারণ্য।সবাই অধীর আগ্রহে অপেখ্খা করছে কখন ঈমাম সাহেব আসবেন। নাষ্তিকের প্রশ্ণের কি উত্তর দিবেন?কিন্তু ঈমাম সাহেবের দেখা নাই।নির্দিষ্ট সময়ের অনেক পড়ে তিনি আসলেন।নাস্তিক লোকটি খানিকটা রেগে বললঃকি ব্যাপার আপনি এত দেরী করে এলেন। কি ভয় পেয়েছেন?
ঈমাম সাহেব বলেলনঃনা, আসার পথে এক আশ্চর্য জনক ঘটনা দেখতে গি্যে এতটা দেরী হয়ে গেল।
নাস্তিক লোকটি কৌতুহলী হয়ে বললঃকি সেই ঘটনা?
ঃআসার পথে এক বনের মধ্যে দিয়ে আসছিলাম।বনের কিছুটা ভিতরে ঢোকার পর হঠাৎ দেখি একটা বড় গাছ নিজে নিজে কেটে গেল।তারপর নিজে নিজে শত টুকরা হয়ে একটা নৌকার হয়ে গেল।তারপর নৌকাটা নিজে নিজে নদীতে নেমে, নিজে নিজে চলতে লাগল।
নাস্তিক ঈমাম সাহেবের কথা শুনে হো হো করে হেসে উঠলঃঈমাম সাহেব আপনার মাথা কি ঠিক আছে? একটি গাছ নিজে নিজে নৌকা হয়ে নিজে নিজে নদীতে নেমে গেল। কোন কারিগর ছাড়া এটা কি সম্ভব?এই অবাস্তব গল্প কোথ্থেকে যোগাড় করলেন।
নাস্তিকের কথা শুনে ঈমাম সাহেব বললেন কেন ভাই এই এত বড় মহাজগত যদি নিজে নিজে তৈরী হতে পারে তাহলে একটি নৌকা কেন তৈরী হতে পারে না।
ঈমাম সাহেবের উত্তর শুনে নাস্তিক থ হয়ে গেল।
প্রখ্যাত বৃটিশ গানিতিক ও দার্শনিক(স্বঘোষিত নাস্তিক) বাট্রান্ড রাসেল প্রভূর পিতৃ পরিচয় খুজে পাননি বলে ,বলেছিলেন স্রষ্টা একটি অলিক ধারনা। পিতা হতে পুত্র,গাছ হতে ফল ,জলীয় বাষ্প হতে বৃষ্টি এই ভাবে জগত সংসারের নিয়ম দেখে তিনি প্রশ্ন করেছিলেন প্রভূর পিতা কে?অথবা তাকে কে সৃষ্টি করেছে?কিন্তু তিনি এই প্রশ্নের কোন জবাব বের করতে পারেননি ।না পেরে বলে ফেললেন এই বিশ্বের সব কিছু কারনের ফলাফল।এই নাস্তিকতার প্রথম প্রবক্তা ছিলেন খ্রীষ্টপূর্ব ৬০০ অব্দে প্রাচীন মনিষী থেলাস,একজিমান্ডার,একজিমেনিস প্রমুখ।তারা প্রচার করতেন এই মহাবিশ্বের সৃষ্টি একটি প্রাকৃতিক কারন।এখানে কোন প্রভূ বা স্রষ্টা নাই।পীথাগোরাস সর্বপ্রথম গানিতিক ব্যাখ্যার অবতারনা করে এই মতবাদের সায় দেয়ার চেষ্টা করেন।পীথাগোরাসের এই মতবাদের উপর ভিক্তি করে লুসসিপাস ও ডেমোক্রিটাস আরও শক্তিশালী করার চেষ্টা করেন।যুক্তিগত ভাবে নাস্তিকতা টিকে গেলেও তা সাময়িক।কেননা অনুবিক্ষন যন্ত্র আবিষ্কারের আগে কেউ জানত না ব্যাকটেরিয়া , ভাইরাস বলে কোন জীবানু পৃথিবীতে আছে।অনুবিক্ষন যন্ত্র আবিষ্কারের পর জানা গেছে ওদের অস্তিত্বের কথা।তাই বলে যন্ত্র আবিষ্কারের আগে জীবানু গুলো কি ছিল না?সবাই এক বাক্য বলবেন অবশ্যই ছিল।
এ মহা বিশ্ব স্রষ্টাবিহীন নিজে নিজে সৃষ্টি হয়েছে এবিষয়ে প্রিন্সটন বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক রনক্লিন বলেনঃপদার্থের সংযোজনে স্বতঃফূর্ত ভাবে নিজ থেকেই হঠাৎ করে জীবনের স্পন্দন শুরু হওয়ার সম্ভাবনা ততটুকু, যতটুকু সম্ভাবনা আছে একটি ছাপাখানায হটাৎ করে বিস্ফোরন ঘটার ফলে একটি পূর্ণাংগ অভিধান সংকলিত ,সম্পাদিত ও মুদ্রিত হয়ে বেরিয়ে আসার।স্রষ্টার সৃষ্টি বিশাল।বর্তমানের সবচেয়ে উন্নত টেলিষ্কোপ দিয়ে এই বিশাল মহাশূন্যর যতটুকু দেখা গেছে বৈগ্গানিকগনের ধারনা অনুযায়ি একশ ভাগের দশ ভাগ(আনুমানিক )।এই দশ ভাগের বিস্তৃতি প্রায় ১৩,০০০ মিলিয়ন আলোক বর্ষ(আনুমানিক)।আরোও কত ভাগ ত বাকি রয়ে গেছে।আমাদের এই সৌর জগত এখন পর্যন্ত আবিষ্কৃত মহাজগতের তুলনায় প্রায় অস্তিত্বহীন।মহাজগতের দশ ভাগের একভাগ(আনুমানিক)শুধু মাত্র চোখে দেখে আমরা হয়রান হয়ে যাছ্ছি কোনা কুলকিনারা পাছ্ছিনা।এতেই আমরা কত সহজে স্রষ্টার অস্তিত্বকে অস্বিকার করে ফেলছি।বেশি কিছুনা একটা লবনের পরিপুর্ন এনাটমি আমাদের মস্তিস্কে ধারন করার ক্ষমতা আমাদের আছে কিনা দেখি।
লবনের ছোট্ট একটি কনায় সোডিয়াম ও ক্লোরিনের এটম সংখ্যা হল ১০০০০০০০০০০০০০০০০ ।(একের পরে ১৬টি শূন্য)
মানুষের ব্রেইনের নিউরনের সংখ্যা হল ১০০০০০০০০০০০(একের পর ১১টি শূন্য)।নিউরনের কোষের সাথে সংশ্লিষ্ট রয়েছে প্রায় ১০০টি ডেন্‌ডরাইস আছে যা মষ্তিস্কের ধারন ক্ষমতা নিউরনের সংখ্যার হাজার গুন বৃদ্ধি করে।এখন যে ধারন ক্ষমতা হল তাও ১০০০০০০০০০০০০০০(একের পর ১৪টি শুন্য)।
তাহলে ভাবুন মহাজগতের এনাটমিটা কেমন হবে?
মানুষ্য সমাজের বড় বড় বুদ্ধিজীবির মাথায় কি সম্ভব স্রষ্টার সম্পর্কে ধারনা করা যেখানে স্রষ্টার সৃষ্টির ক্ষুদ্র লবন সম্পর্কে ধারনা মষ্তিস্কে ধারন করতে পারছে না।তাই বলব নিজের অযোগ্যতার কারনে কিছু ধারনা করতে না পারলেই কি তাকে অষ্বিকার করে ফেলব?
হযরত আলী(রাঃ) সাথে এক নাস্তিক এভাবে তর্ক করতে করতে যখন হার মানছেই না।তখন আলী(রাঃ)বললেন ঃআছ্ছা আপনার ধারনা আনুযায়ি আল্লাহ যদি না থাকে তাহলে বেহেশত নাই দোজখও আজাবও নাই।তাহলে মৃত্যর পর আপনিও বেচে গেলেন আমিও বেচে গেলাম।আর যদি আল্লাহ থাকে তাহলে বেহেশত থাকবে দোজখ থাকবে আর আজাবও থাকবে তখনত আমি বেচে যাব আপনার কি উপায় হবে?
(বিঃদ্রঃ-নাস্তিকেরা অনুগ্রহ করে "আল-কোরান দা চ্যালেন্জ" লেখক কাজি জাহান মিয়া।মদিনা প্রিন্টাস থেকে প্রকাশিত বই খানা অবশ্যই পড়বেন ।)

 

লেখাটির বিষয়বস্তু(ট্যাগ/কি-ওয়ার্ড): ধর্ম ;
বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...

 

১. ১৪ ই জুলাই, ২০১০ রাত ৯:২১
হোরাস্‌ বলেছেন: নাস্তিক এবং আস্তিক উভয়েই নাস্তিক।

আপনার সংজ্ঞার নাস্তিকরা মনে করে এ মহাবিশ্ব কেউ সৃষ্টি করেনি। এরা হলো লেভেল ওয়ান নাস্তিক।

আর আপনার সংজ্ঞার আস্তিকরা বিশ্বাস করে মহাবিশ্বের সৃষ্টিকারী ইশ্বরকে কেউ সৃষ্টি করেনি। এরা হলো লেভেল টু নাস্তিক।
১৪ ই জুলাই, ২০১০ রাত ৯:৩২

লেখক বলেছেন: ভাই গঠনমুলক মন্তব্য করুন।

২. ১৪ ই জুলাই, ২০১০ রাত ৯:২৩
ধুসরিত বলেছেন: ভাল লাগলো। ধন্যবাদ।
১৪ ই জুলাই, ২০১০ রাত ৯:২৭

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।

৩. ১৪ ই জুলাই, ২০১০ রাত ৯:২৩
বালক বন্ধু বলেছেন: চমৎকার লিখা। কিন্তু সত্যিকি ভাই চোরে না শোনে ধর্মের কাহিনী।
চালিয়ে যান।
১৪ ই জুলাই, ২০১০ রাত ৯:৩২

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।

৪. ১৪ ই জুলাই, ২০১০ রাত ৯:২৮
তাশমিয়া বলেছেন: পুরান প্যাঁচাল পারলেন। /:)

সৃষ্টিকর্তাকে কে সৃষ্টি করেছে??
১৪ ই জুলাই, ২০১০ রাত ৯:৩৯

লেখক বলেছেন: প্রকৃতি একটি সৃষ্টি ।স্রষ্টা ও সৃষ্টির মধ্যে সীমারেখা আছে।প্রতিটি বস্তুর স্রষ্টা থাকতে হবে এ হল সৃ্ষ্টির জন্য আইন স্রষ্টার জন্য নয়।

৬. ১৪ ই জুলাই, ২০১০ রাত ৯:৩৭
দুরন্ত ইসলাম বলেছেন: আধুনিক যুগে এই সব ফালতু বিষযে যারা বিতর্ক করে তাদেরকে শুলে চড়ানো হোক।
১৪ ই জুলাই, ২০১০ রাত ৯:৪৩

লেখক বলেছেন: বড় বড় বিগ্গানীরা যেখানে স্রষ্টাকে স্বিকার করেছেন সেখানে এদের মত চুনোপুটিরা .......।হাতি ঘোড়া গেল তল ভেড়া বলে কত জল?

৭. ১৪ ই জুলাই, ২০১০ রাত ৯:৪১
পারভেজ আলম বলেছেন: হাঃ হাঃ, হোরাস ভাইরে ঝাজা।

অনটপিকঃ আচ্ছা ভাই, ঠিকাছে। অনুবিক্ষন যন্ত্র আসার পর যেহেতু ভাইরাস ব্যাকটেরিয়ার কথা জেনেছি, তেমনি মহা শক্তিশালী দুর্বিক্ষন যন্ত্র দিয়ে যেদিন ইশ্বরকে দেখা যাবে, বা অন্যকোন যন্ত্র দিয়ে উপলদ্ধি করা যাবে, সেদিন অবশ্যই ইশ্বরের অস্তিত্ব সম্পর্কে আমরা জেনে যাবো, তখন আর বিশ্বাস অবিশ্বাসের প্রশ্ন থাকবেনা।
প্রথম যে ইমাম সাহেবের কাহিনি দিয়েছেন, সেটা আগেও অনেকে উপস্থাপন করেছেন। কাহিনিটা অদ্ভুদ এবং হাস্যকর, যে এই কাহিনি বানিয়েছে তার কার্যকারণ সূত্র সম্বন্ধে কোন ধারণা নাই। মানুষ গাছ কেটে নৌকা বানায়, এছাড়া আপনা আপনি নৌকা তৈরি হওয়ার ঘটনা কখনো ঘটেনা, এটা পর্যবেক্ষনলদ্ধ সত্য। মানুষ বানায় বলেই নৌকা তৈরি হয়, মানুষ, গাছ, কাঠ, নৌকা এগুলো সব সার্বিক বস্তু। স্রষ্টা বলে যদি কিছু থাকে তবে তিনি সার্বিকও হবেন না, বিশেষও হবেন না, বরং সার্বিকের স্রষ্টা হবেন। তো এইসব সার্বিক বস্তু মানুষ, গাছ এসবের উদাহরণ দিয়ে স্রষ্টা সম্বন্ধে কিভাবে আলোচনা করা যায় আমার বোধগম্য না, এটা যৌক্তিকও না। আবার যেই পর্যবেক্ষনলদ্ধ জ্ঞানের ফলে আমরা জানি যে মানুষ গাছ না কেটে নৌকা বানালে নৌকা আপনা আপনি তৈরি হয় না, সেই একি পর্যবেক্ষনলদ্ধ তথ্য থেকে আমরা জানি যে সূর্য রোজ উদিত হয় আর অস্ত যায় বলেই দিন এবং রাত হয়, আরো সঠিক ভাবে বলতে গেলে পৃথিবী মহাকর্ষের প্রভাবে সূর্যের চারদিকে ঘোরে বলেই দিন এবং রাত হয়। এখন পর্যন্ত আমাদের পর্যবেক্ষনে সূর্যের পৃথিবীর নিচে অস্ত গিয়ে আল্লাহকে সিজদা করে আবার উদিত হওয়ার অনুমুতি চাওয়ার কোন ঘটনা ধরা পরেনাই। তেমনি, সূর্যের উত্তাপে পৃথিবীর পানি বাস্প হয়ে আকাশে মেঘ জমে বলেই সেই মেঘ থেকে বৃষ্টি হয়, এটাই আমরা পর্যবেক্ষন থেকে জানি, এখন পর্যন্ত কেউ মিকাইল ফেরেশ্তাকে কোন হোসপাইপ দিয়ে বৃষ্টি ঝড়াতে দেখেন নাই। তেমনি, মহাবিশ্বের তাবত নক্ষত্রপুঞ্জ পরস্পর থেকে ক্রমেই দূরে সরে যাচ্ছে দেখে আমরা বিগ ব্যাং এর কথা চিন্তা করতে পারছি, কিন্তু সেই বিগ ব্যাং কোন মহা শক্তিমান স্রষ্টা ঘটিয়েছেন কিনা তা আমরা পর্যবেক্ষন করতে পারছিনা। পদার্থবিজ্ঞান মহাবিশ্বের যেসব সূত্র গুলো আবিষ্কার করছে, আপাতত সেইসব সূত্রমতেই মহাবিশ্ব চলছে বলে আমরা জানি, সেই সূত্রগুলো কেউ লিখেছেন কিনা তা তো আমরা জানিনা। কেউ যদি ধরে নেয় যে কেউ লিখেছে সেটা তার বিশ্বাস, আর কেউ যদি আপাতত জানা জ্ঞানটাকেই সর্বোচ্চ মেনে নিয়ে কল্পনা করা থেকে বিরত থাকে তবে তাকে অবশ্যই দোষ দেয়া যায় না। ঐ ইমামের যুক্তিটা তাই আসলেই হাস্যকর।
আর আলীর যেই ঘটনা বলেছিলেন, সেটার সত্য মিথ্যা আমার জানা নাই। যতদুর জানি আলী খুব জ্ঞানী মানুষ ছিলেন, এবং ইসলামী ধর্মতত্ত্ব নিয়ে গভীর জ্ঞান রাখতেন। তার মতো একজন মানুষ, সৃষ্টিকর্তার অস্তিত্ব নিয়ে এমন জুয়া খেলার কথা বলবেন এটা চিন্তা করা কষ্টকর। আমার মধ্যে যদি আল্লাহর অস্তিত্ব নিয়ে পরিপূর্ণ ইমান না থাকে, এবং আমি যদি "যদি আল্লাহ থাকে" এই রকম হিসাব করে ইবাদত করি এবং মুখে স্বিকার করি যে আল্লাহ আছে, সেটাকে খুব সম্ভবত ইসলামে "মুনাফিকি" বলা হবে।
তবে আপনার পোস্টটা ভালো হয়েছে। একিসাথে অনেক কিছুই উপস্থাপন করেছেন। নাস্তিকতার ইতিহাস নিয়ে যা বলেছেন তা পূর্নাঙ্গ না, তবে তথ্যবহুল।
১৪ ই জুলাই, ২০১০ রাত ৯:৫০

লেখক বলেছেন: আপনার কথার উত্তর দিতে গেলে বলতে হ্য় নিজ চোখে না দেখলে নিজ কানে না শুনলে বিশ্বাস করা যাবে না।তাই ঈমাম এবং আলী(রাঃ) এর ঘটনার কোন সত্যতা নাই।নিচে বর্ণিত বইটি পড়ুন আশা করি অনেক উত্তর পেয়ে যাবেন।

৮. ১৪ ই জুলাই, ২০১০ রাত ৯:৪৭
পারভেজ আলম বলেছেন: আর
নাস্তিকতার বাস্তবতা কতটুকু?

আস্তিকতার চেয়ে সামান্য বেশি।
৯. ১৪ ই জুলাই, ২০১০ রাত ১০:১৫
পারভেজ আলম বলেছেন: লেখক বলেছেন: আপনার কথার উত্তর দিতে গেলে বলতে হ্য় নিজ চোখে না দেখলে নিজ কানে না শুনলে বিশ্বাস করা যাবে না।তাই ঈমাম এবং আলী(রাঃ) এর ঘটনার কোন সত্যতা নাই।নিচে বর্ণিত বইটি পড়ুন আশা করি অনেক উত্তর পেয়ে যাবেন।

আপনেরে আরেকটু বুঝদার মনে করছিলাম। আমি পর্যবেক্ষনের কথা বলছি, উদাহরণ সহকার বলছি। এই পর্যবেক্ষন চোখ, কান, মেশিন, মেথমেটিক্স এই সবকিছু দিয়াই হইতে পারে। ইন্দ্রিয়, মেশিন আর ম্যাথমেটিকাল থিওরী ছাড়া জ্ঞান অর্জনের অন্য কোন উপায় আছে কি? থাকলে জানাবেন, উপকৃত হব।

ইমাম আবু হানিফার ঘটনাটা যে কাহিনি সেটা এই গল্পের আলাদা আলাদা ভার্সন পড়লেই বোঝা যায়। ঐ সময়ের নাস্তিকরা, বিশেষ করে মুসলিম জগতের বস্তুবাদিরা কার্যকারণ সূত্র সম্বন্ধে অবহিত ছিলেন, পদার্থবিজ্ঞানের বড় বড় সূত্র তখনো আবিষ্কার হয় নাই। আবু হানিফাও যতটুকু জ্ঞানী লোক ছিলেন বলে জানি, নাস্তিকের প্রশ্নের উত্তর তিনি এইরকম হাস্যকর যুক্তি উপস্থাপন করে দিয়েছেন মেনে নিতে কষ্ট হয়। তাই সন্দেহ প্রকাশ করেছি। আর আলীর কাহিনিতে সন্দেহ প্রকাশ করেছি কেন সেটাতো আগের মন্তব্যেই বলেছি, ঐ কাহিনি যদি সত্য হয় তাইলে মুনাফিকি কোন খারাপ জিনিস না।
কিন্তু আপনিতো আমার একটা প্রশ্নেরও উত্তর দিলেন না, এরিয়ে গেলেন। আমিতো কিছু যুক্তি দিলাম, আপনার পালটা যুক্তি কই?
আর যেই বইটার নাম দিয়েছেন সেটা আমি পড়েছি। একটা না, বইটার আসলে দুইটা খন্ড। পড়েছি ৭/৮ বছর আগে। ঐ বইয়ে কি আছে ভালই ধারণা আছে আমার।
১০. ১৪ ই জুলাই, ২০১০ রাত ১০:২১
গ্রাউন্ড ফ্লোর বলেছেন: আগে সংগা নির্ধারণ করা উচিৎ।
১১. ১৪ ই জুলাই, ২০১০ রাত ১০:২৬
নোটার্হম বলেছেন: লেখক ভাইকে ধন্যবাদ । তবে আপনার লেখা ও মন্তব্যের মন্তব্যে পুরো খুশী না হয়ে আংশিক খুশী হলাম। লেখক ভাই আপনি কি বুঝতে পারেননি হোরাস ও তাশমিয়া নাস্তিক হবার জন্য উছিলা খূঁজছেন ? আর পারভেজ সাহেবের কথা কি বলব ? উনি কত বড় মাপের মানুষ ! তার বড় মাপের (অর্থাৎ অনেক লেখা) লেখা দেখে বুঝছেননা ?
নাস্তিকেরা যখন নাস্তিক হবার জন্য উছিলা খূঁজে , তখন তাদের কাছে সবচাইতে সহজলভ্য উছিলা হয় "প্রশ্ন করো,সৃষ্টিকর্তাকে কে সৃষ্টি করেছেন ? "এটা হাজার হাজার বছরের ইতিকথা ,অর্থাৎ হাজার হাজার বছর ধরে নাস্তিকেরা এ প্রশ্নের উছিলা নিয়ে নাস্তিক হতে চেষ্টা করে চলছে ।,তাদের এ প্রশ্নটি ভূল । আর লেখক ভাই তাদের এ ভূল প্রশ্নের উত্তর দেবার চেষ্টা করে আরো একটি ভূল করলেন।
নাস্তিকদের এ প্রশ্নটি ভূল হলেও এ প্রশ্নের সমাধান আমার কাছে আছে ।
তবে আমি সমাধানটি এত সহজেই ছাড়ছিনা ।আমি সমাধানটি তখনই প্রকাশ করব যখন কোন নাস্তিক এ মর্মে তার নিজের কাছে প্রতিজ্ঞা করে যে এ প্রশ্নের সন্তোষজনক সমাধান পেলে সে আর নাস্তিক থাকবেনা । তবে সমাধানটি সহজে বুঝতে হলে বিজ্ঞানের যে কোন শাখায় উঁচু মানের জ্ঞান থাকা আবশ্যক ।
১২. ১৪ ই জুলাই, ২০১০ রাত ১০:৩২
সবাক বলেছেন: হোরাসের মন্তব্য যদি গঠনমূলক না হয়, তাহলেতো আপনি কঠিনমাত্রার নাস্তিক।
১৩. ১৪ ই জুলাই, ২০১০ রাত ১০:৩৬
নোটার্হম বলেছেন: আসলে আমি নোটার্হম নই। হতে চেয়েছিলাম নোটাইম । registration করার সময় "ই" কিভাবে লিখতে হয় জানতামনা বলে এ দুরবস্থা । এখন কোন টাইমেই নোটার্হম কে আর নোটাইম করতে পারছিনা । কেউ কি জানাবেন কিভাবে এ দুরবস্থা থেকে মুক্তি পেতে পারি ?
১৪. ১৪ ই জুলাই, ২০১০ রাত ১০:৩৮
পারভেজ আলম বলেছেন: নোটার্হম বলেছেন: লেখক ভাইকে ধন্যবাদ । তবে আপনার লেখা ও মন্তব্যের মন্তব্যে পুরো খুশী না হয়ে আংশিক খুশী হলাম। লেখক ভাই আপনি কি বুঝতে পারেননি হোরাস ও তাশমিয়া নাস্তিক হবার জন্য উছিলা খূঁজছেন ? আর পারভেজ সাহেবের কথা কি বলব ? উনি কত বড় মাপের মানুষ ! তার বড় মাপের (অর্থাৎ অনেক লেখা) লেখা দেখে বুঝছেননা ?

নোটার্হম, আলোচনা করতে চাইলে করেন, ব্যাক্তি আক্রমন করেন ক্যান। পায়ে পারা দিয়া ঝগড়া করতে চান ক্যান।
আপনের উত্তরট দ্যান। আপনের শর্ত মানতে রাজী আছি। তবে আপনের সমাধান সন্তোষজনক না হলে কি আপনি ধর্মত্যাগ করবেন? আমি ঘারত্যারামি করবোনা, বিচারক হিসাবে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের যুক্তিবিদ্যা এক্সপার্ট একজন দর্শনের শিক্ষককে রাখা যেতে পারে, বিজ্ঞানের শিক্ষক হলেও চলবে কি?
১৫. ১৪ ই জুলাই, ২০১০ রাত ১১:৪৪
পারভেজ আলম বলেছেন: ধ্যাত, ঐ মন্তব্যটা তো আগে করেছিলাম, তখন দেখলাম হয় নাই, তাই আবার করলাম। লেখক একটা মুছে দেবেন কি?
১৬. ১৫ ই জুলাই, ২০১০ রাত ১:০৯
সজীব আকিব বলেছেন: ইশ্বরই সবচেয়ে বড় নাস্তিক কেননা তিনি বিশ্বাস করেন না যে তার কোনো ঈশ্বর আছে।
১৭. ১৫ ই জুলাই, ২০১০ রাত ১:১৬
দুরন্ত স্বপ্নচারী বলেছেন: নাস্তিকতার কোন বাস্তবতা নেই। নাস্তিকরা না বুইঝা নাস্তিক। খামখা প্রশ্ন করে।
আস্তিকতা হইলো খাটি জিনিস। সব জিনিস না বুইঝা বিশ্বাস করার মজাই আলাদা। তাছাড়া আস্তিকদের পক্ষে বুঝার জন্যে আল্লাহই আছে, কষ্ট কইরা সব কিছু বুঝন লাগবো ক্যান?
১৮. ২১ শে জুলাই, ২০১০ সকাল ১১:২০
ডাইনোসর বলেছেন: পারভেজ আলম ও দুরন্ত স্বপ্নচারী কে ধন্যবাদ।
২০. ২০ শে ডিসেম্বর, ২০১১ সকাল ১১:৩০
ব্যাংকার বলেছেন: যে প্রশ্নগুলোর গ্রহনযোগ্য সমাধান না পেয়ে আমি আস্তিক Click This Link

 

মোট সময় লেগেছে ২.২৪৩৮ সেকেন্ড

 

সামহোয়‍্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব‍্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...
© সামহোয়্যার ইন...নেট লিমিটেড | ব্যবহারের শর্তাবলী | গোপনীয়তার নীতি
আর এস এস ফিড

পোস্ট আর্কাইভ

আমার লিঙ্কস

আমার বিভাগ

    কোন বিভাগ নেই