গত দুই দিনের অনেক আলোচিত একটা বিষয় পতাকা ছিড়ে ছবি উন্মুক্ত করা। প্রথম আলো কিন্তু সংবাদটা বেমালুম চেপে গেছে। কারন কাজটা হয়েছে কোন একজন মন্ত্রীর উপস্থিতিতে। প্রথম আলোতে কেন সংবাদটা এলো না? উত্তর হতে পারে নিচের যে কোন একটি:
১। ঘটনাটা সত্য নয়।
২। প্রথম আলো জাতীয় পতাকা ছিড়ার ঘটনাটাকে গুরুত্বহীন মনে করেছে।
৩। প্রথম আলো ঘটনাটাকে চেপে গিয়েছে।
এখন একে একে আলোচনা করা যাক:
১। ঘটনাটা সত্য নয় - এমনটা ঠিক না। ঘটনা সত্য এবং এর জন্য বাফুফের একজন কর্মকর্তা পদ ত্যাগও করেছেন। তাছাড়া ছবিসহ অন্য পত্রিকায় তা প্রকাশও হয়েছে।
২। জাতীয় পতাকা ছিড়ার ঘটনাটা গুরুত্বহীন - প্রথম আলোর মতো একটা জাতীয় পত্রিকার সম্পাদকদের বিবেচনা বোধ এতোটা দুর্বল হতে পারে না। যদি তাই হয় তবে তাদের পত্রিকা পরিচালনা করার মতো গুরুত্বপূর্ন কাজ করা উচিৎ নয়।
৩। প্রথম আলো ঘটনাটাকে চেপে গিয়েছে - এটাই আমার কাছে বেশি বিশ্বাসযোগ্য মনে হয়। তবে এর অর্থ হচ্ছে জাতীয় পতাকার সম্মানের চেয়ে কোন ব্যক্তির সম্মান বড় বলে বিবেচিত হয়েছে তাদের কাছে। এটা নিচুস্তরের দায়িত্বশীলতার পরিচায়ক।
এটা একটা উদাহরণ দিলাম। আরও অনেক ঘটনার কথা বলা যায় যেখানে দেশের সম্মানকে তারা যথাযথ গুরুত্ব দেইনি। অনেক ক্ষেত্রে তাদের প্রকাশিত লিখা দেশাত্মবোধের বিপক্ষেই গেছে। সময় পেলে আরও বিস্তারিত লিখার ইচ্ছা আছে।
তাই বলবো, সবার আগে প্রথম আলোরই উচিৎ নিজেকে বদলানোর শপথ করা অথবা আমাদের উচিত তাদের শপথ করানো।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



