আমার প্রিয় পোস্ট
- একমেবাদ্বীতম ব্রাত্য রাইসুর (কাল্পনিক) সাক্ষাৎকার - আহসান হাবিব শিমুল
- ....র্দাপ - হিমালয়৭৭৭
- একজন জননীর অকাল প্রয়াণ (উৎসর্গ বন্ধুবর ব্লগার সীমান্ত আহমেদ) - মেহরাব শাহরিয়ার
- ব্লগার সীমান্ত আহমেদের আম্মা... - তানিম হুমায়ুন
- সীমান্ত আহমেদ'এর জন্মদিন - মিলটন
- বিপন্ন বিস্ময় এবং দুঃখবিলাসী এই আমি - সীমান্ত আহমেদ
- আমার আধা ক্যাডেট হয়ে ওঠার কাহিনী। (পর্ব-১) - ফেরারী পাখি
- অদ্ভুত আঁধার এক এসেছে এ পৃথিবীতে আজ - একরামুল হক শামীম
- গল্পঃ বাথরুমে গণতন্ত্রের পতনে শ্যাওড়াপাড়ার মানুষেরা যা করে - মোস্তাফিজ রিপন
- পাগলের রাজণৈতিক প্রলাপ : ( বিশেষ পর্ব) [স্বঘোষিত রাজাকারদের অপপ্রচারের প্রতিবাদ] - এ. এস. এম. রাহাত খান
- অফিসের বারান্দা থেকে তোলা কিছু ছবি
- ক-খ-গ
- ইফতার পোস্ট:: মেগা শক অ্যাট চকবাজার :: - মেহরাব শাহরিয়ার
- ক্যাডেট নম্বর ১৮৬২- অসময়ে হারিয়ে যাওয়া অতি আপনজন (শেষ পর্ব) - সীমান্ত আহমেদ
- শ্যাওলা ধরে থাকা সময় - সুলতানা শিরীন সাজি
- নোটবুক: ২: সেপ্টেম্বর ২, ২০০৮ - রিফাত হাসান
- যুক্তরাষ্ট্রে ফান্ডিং নিয়ে পড়তে আসুন -২ (GRE)। - কুম্ভকর্ণ
- ভালো লাগা প্রিয় কবিতারা- ১৭ (মানুষ -কাজী নজরুল ইসলাম ) - আবদুর রাজ্জাক শিপন
- জাতীয় কবির মৃত্যুবার্ষিকীতে কবিকে স্মরণ । ভালো লাগা প্রিয় কবিতারা-২৯ (সাম্যবাদী--কাজী নজরুল ইসলাম ) - আবদুর রাজ্জাক শিপন
- আমার নাস্তিকতা, মিথ্যা কথার বয়ান এবং একটি সাদা রঙের মেঘ - রিফাত হাসান
- মা তোমার কি মনে পড়ে ? [ মায়ের কাছে সন্তানের খোলা চিঠি ] - ইউনুস খান
- আজ রাতে কোথায় ঘুমাবো? - মাহবুব মোর্শেদ
- "এত ভালবাসার প্রতিদান দিব কি করে?" - মীতু
- জঙ্গলরাজ্যে অমঙ্গল - ফারহান দাউদ
- নিজে কানা পথ চিনেনা, পরকে ডাকে বারংবার..!!! - মানবী
- গল্পঃ একজন অতিমানবের গল্প - মোস্তাফিজ রিপন
- একদিন এক বাদলা দিনে। - কোলাহল
- জীবনানন্দ দাশ : 'বনলতা সেন' কাব্যগ্রন্থ - একরামুল হক শামীম
- ভালো লাগা প্রিয় কবিতারা- ২২ ( মানুষ--নির্মলেন্দু গুণ) - আবদুর রাজ্জাক শিপন
- আমি বন্দী কারাগারে,আছি মা গো বিপদে - ফারহান দাউদ
ক্যাডেট নম্বর ১৮৬২- অসময়ে হারিয়ে যাওয়া অতি আপনজন(পর্ব -১)
২২ শে জুলাই, ২০০৮ সকাল ১০:৪৪
পূর্ব প্রকাশের পর.....
সূচনার লিংক
Click This Link
ছোটবেলায় একেবারে নিজের চেনা গন্ডির মধ্যে বেড়ে ওঠার করনে ক্যাডেট কলেজের প্রথম দিন গুলি অনেক দীর্ঘ মনে হত।সারা দিন ড্রিলের গুতানি আর হাউসে সিনিয়রদের যন্ত্রনা সব মিলে আমি হাপিয়ে উঠছিলাম।
আমার সবচেয়ে ভালো সময় কাটত গেমস টাইম।হৈহৈ করে ফুটবল খেলতাম সবাই।তা আমার আগে খেলার অভিজ্ঞতা না থাকায় ফুটবল খেলায় আমার জায়গা হলো ডিফেন্সে।গ্রাম্য ভাষায় বলতে বেগী।তা আমার পার্টনার হলো আলম।তার বিশাল দেহের কারনে তাকে সবাই চীনের প্রাচীর তুল্য জ্ঞান করত।সে হলো মেইন বেগী।আর আমি তার সহবেগী।সেই শুরু।এরপর একে একে পাচটি ফুটবল কম্পিটিশন আমরা কলেজ লাইফে খেলে ফেললাম সহবেগী হিসাবে।শেষ কম্পিটিশনে আমি ছিলাম ক্যাপ্টেন।আমরা ম্যাচে চার দুই গোলে এগিয়ে।সে উঠে যাচ্ছে বাড় বাড় কর্নারের সময়।আমি মানা করছিলাম।সে শেষবারের জন্য অনুমতি চাইল।বলল,এবার না হলে আর যাব না।অদ্ভুতভাবে ষেই কর্নারকে গোলে পরিনত করল সে।একেবারে স্বপ্নের মত।আমাদের ফুটবল কম্পিটিশনের শেষ গোল।
ফুটবলের কথাই যখন আসল তাকে নিয়ে আরেকটি মজার ঘটনা বলার লোভ সামলাতে পারলাম না।তখন ১৯৯৮ সাল।বিশ্বকাপ শেষ।টার্ম শুরু হবে হবে।তআ প্রথম দিন কোন কাজ নেই।তো তখনকার ক্লাশ সেভেনের মধ্যে হঠাৎ আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ল।হাউসে ভূমিকম্প হচ্ছে।ছাদ ভেঙ্গে পড়ল বলে।হাউস কাপছে।হাউস মাস্টার ডাকাডাকি সিরিয়াস অবস্থা।তা হাউস মাস্টার উপরের রুমে এসে দেখতে পেলেন আমাদের।পাউডারের কৌটা দিয়ে টাইব্রেকার খেলছিলাম আমরা বেডের মাঝের জায়গা গোল পোস্ট ধরে।তা আলম গোল রক্ষক হয়ে তিন চারবার চিলাভার্ট ডাইভ দেয়াতে এই বিপত্তি।আলমের এই বিশাল শরীর তিনচারবার জোড়ে আছড়ে পড়লে তা যে ভুমিকম্পের মত লাগবে তা আর বিচিত্র কী।হাউস মাস্টার পুরো ব্যাপারটিতে মজা পেলেন তাই তেমন কিছু না বলে হালকা ঝাড়ি দিয়ে আমাদের বিদায় দিলেন।
যা হোক ফিরে যাই ক্লাশ সেভেনের জীবনে।ক্যাডেট কলেজ আমার জীবনে অনেক প্রাপ্তি ঘটিয়েছে।তার মধ্যে শ্রেষ্ঠ প্রাপ্তি বলতে আমার অকৃত্রিম বন্ধুরা।ক্যাডেট কলেজ এমন জায়গা যেখানে আমাকে আমাদেরকে লড়তে হয়েছে অস্তিত্বের জন্য।আর একে টিকিয়ে রাখতে সহযোদ্ধা সব সময় ক্লাশমেটরা।আর তাই ক্যাডেট কলেজে আমাদের বন্ধুত্ব অনেকটাই আরোপিত।কিন্তু আমি নিঃসংকোচে এই দাবি করতে পারি আমাদের এই আরোপিত বন্ধুত্বের গভীরতা অনেক দিক ছাড়িয়ে গেছে অনেক স্বতঃস্ফুর্ত বন্ধুত্বকে।আমাদের এই বন্ধুত্বের সেতু বন্ধন আমাদের একত্রে সংগ্রামের ইতিহাস যেটাকে আমি অনেক বড় বলে মানি ,জানি অনেক বোদ্ধাই একে অমানবিক বলবেন।কিন্তু ক্যাডেট কলেজে যে না থেকেছে তার পক্ষে এই সময় কে অনুভব করা অসম্ভব।
এমনি এক ঘটনা ঘটল ক্লাশ সেভেনে।ক্লাশ এইটের ভাইরা আমাদের শাসনে ব্যস্ত সবসময়।আর তাদের কিছু করত বাড়াবাড়ি।ঐ বয়সে যা হয় আমরা অচিরেই সেই ভাইদের বিভিন্ন টিস নাম বের করে ফেললাম।আর তা চলতে লাগল মুখে মুখে।বেশিদিন লাগল না ধরা খেতে।আমার একবন্ধু বেখেয়ালের বশে সিনিয়রের সামনে বলে ফেলল একটি নাম।আর যায় কোথায়।শুরু হল আমাদের উপর জেরা - উদ্দেশ্য নাটের গুরু বের করা।ক্লাশমেট ফিলিংস নামক জিনিসটা আমরা ততোদিনে আমাদের মধ্যে ভালোভাবে বাসা গেড়ে ফেলেছে তাই অস্বীকার করতে লাগলাম।সবাই মার খেলাম গনহারে।আর বেশি পড়ল তার উপর যে মুখ ফসকে বলে ফেলেছিল।তার উপর অত্যাচার এই মাত্রায় উঠল নাটের গুরুরা নিজে থেকে দায়িত্ব স্বীকার করল।আর প্রধান নাটের গুরু আলম ছিল কিনা জানি না,কিন্তু সিনিয়রদের রাগ তার উপর বেশি থাকায় তাকে ধরা হলো নাটের গুড়ো।তার পর তার উপর ঝাপিয়ে পড়ল ওরা।সে কী মার।হ্যাংগারের পর হ্যাংগার ভাঙল ওর উপর।একপর্যায়ে যখন থামল তখন ওর ফর্সা শরীর লালে লাল হয়ে গেছে।
সিনিয়রগুলোকে তখন ঘৃণা করেছিলাম কিন্তু এখন তারা সবাই আমার খুব কাছের, মানুষ বন্ধুপ্রতিম।এটাই ক্যাডেট কলেজের সৌন্দর্য।
.......চলবে
লেখক বলেছেন: আমি আপনার সাথে এ নিয়ে তর্কে যাব না।শুধু বলব ক্যাডেট ১০০ জনকে বললে ৮৭ জন আমার পক্ষে থাকবে।
লেখক বলেছেন: আমার ২৫ বছরের জীবনেরে সবচেয়ে সুন্দর সময় ক্যাডেট কলেজের ৬ বছর।
আসিফ আহমেদ বলেছেন:
আমি তর্কের জন্য বলিনি, আমি শুধু মজার খাতিরে নির্মমতার ব্যাপারটার কথা বলেছি।
লেখক বলেছেন: ঠিক আছে।কিন্তু ব্যাপারটা আমি বললাম এই জন্য ব্যাপারটা বিতর্কিত।
ঊশৃংখল ঝড়কন্যা বলেছেন:
কি ভয়ংকর! এত মার খাওয়ার পর-ও কিভাবে বন্ধু হয় !!! যাইহোক, নস্টালজিক সময়ের কথাগুলো পড়তে ভাল লাগলো। ভাল থাকবেন অনেক বেশি!!!
লেখক বলেছেন: নস্টলজিক আরো অনেক কিছুই আসবে।এই গল্পের সাথে থাকুন।
ধন্যবাদ।
সপ্ন বলেছেন:
ভালো হচ্ছে । লেখার মান ধরে রেখে চালিয়ে যান। এগিয়ে যেতে হবে অনেক দুরে।
লেখক বলেছেন: ভাই আমি কি আপনাকে চিনি?
আপনি কি ক্যাডেট?
ধন্যবাদ উৎসাহ যোগানোর জন্য।
ভালো থাকবেন।
১০০ কেডেটের মধ্যে আসলে ৯৮ জনই বলবে যারা পিটায় তারাই আবার ভাল বন্ধুতে পরিনত হয়... আর ৯৫ জন বলবে, পরে সিনিয়রদের বন্ধু হওয়ার পেছনে ঐ মার খাওয়া ব্যপারটাই মূল - মার খেয়েছিল বলেই এই বন্ধুত্ব। সেলুকাস!
আমি ঐ ৯৮ বা ৯৫ এর মধ্যের কেঊ না সেটা বুঝতেই পারছেন। কিন্তু আমি বলতে পারি - যারা পেটায় না - তারাও ভাল বন্ধুতে পরিনত হন, বা পিটাপিটি ছাড়াও এই বন্ধুত্ব সম্ভব... আমার সেরকম প্রচুর বন্ধু আছে... যারা নিজেরাই আপনার মত violent-romantic! সেলুকাস!
৯৮ আর ৯৫ কথাতো বললেন - এখন ১ বা ২ বা ৩ এর কথা বলেন শুনি... বুঝেননি, তাই তো? হুম - এই ১ বা ২ বা ৩ হলো ঐ অভাগা কেডেটরা যারা নাকি নিজেদের মানুষিক ভারসাম্য হারিয়ে ফেলে এই অহেতুক পিটাপিটি আর নির্দয় এক্সট্রা ড্রিলের কারনে। খবর রাখেন না মনে হয় - তাই না? হয়তো, রাখেন কিন্তু ১০০ তে ১ বা ২ বা ৩ কোন statistically significant figure না বলে পাত্তা দেন না - তাই তো? কি জানি - তবে আমি এমন বেশ করেক জনের কথাই জানি, যাদের অনেকেরই অনেক বছর লেগে গেছে সেই ভারসাম্য ফিরে পেতে।
আরো লিখবো হয়ত পরে - তবে আশা করি বুঝতে পারছেন আমি জেডেট কলেজের মত elite শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের অন্তর্নিহীত দর্শনের criticism করছি - এবং সেটা কেডেটের বাইরে থেকে নয়, ভেতর থেকেই।
আমি আপনার অভিগ্যতা কে খর্ব করছি না। বলছি না সব বানোয়াট কথা লিখেছেন - তবে বলছি সেই কথা - যেই কথা দিয়ে আমি এই লেখা শুরু করেছি।
লেখক বলেছেন: ভাই,ক্যাডেট কলেজের ভালো খারাপ দিক নিয়ে অনেক জ্ঞানী গুনী জন অনেক আলোচনা সমালোচনা করেছেন করছেন।তআদের কাছে আমি নস্যি।আমার এই লেখা ক্যাডেট কলেজের গুন অগুন প্রমান করা না।বরং আমার ক্যাডেট কলেজের এক নিঃস্বার্থ বন্ধুর গল্প বলা।অফ টপিক বলে আমি তর্কে যেতে চাচ্ছি না।
মন্তব্যের জন্য ধন্যবাদ।
ভালো থাকবেন।
ইউনুস খান বলেছেন:
আমিও আমার বন্ধুদের কাছ থেকে ক্যাডেটের অনেক ব্যাপার শুনেছি। সবকিছু্ই অদ্ভধ।
লেখক বলেছেন: পড়তে `থাকুন আরো আসবে আমাদের গল্প।
লেখক বলেছেন: চালানোর ইচ্ছা`ছিল আছে।দেখি কতদুর চলে।
তবে কতিপয় মাঝে মাঝে মেজাজ খারাপ হয়া যায় অফ টপিক মন্তব্যে।
আমার এই লেখাটি একেবারেই ভেতর থেকে আসা।এটা আমি না লিখে পারছিলাম না।তাই লিখে যাই।
এখানে ক্যাডেট কলেজ নিয়ে অনেক কথা হবে, বিরূপ, প্রতিরূপ। সেগুলো আলমের জন্যই ইগনোর করা দরকার। সেগুলো আলোচনার জায়গা তো এটা নয়! এটা শুধুই ক্যাডেট নম্বর ১৮৬২ এর ঘর!!!
চালিয়ে যা।
লেখক বলেছেন: এই জন্যই ইগনোর করলাম।ক্যাডেট নম্বর ১৮৬২ এর সম্মানে।এই লেখা আমি শুধু ওর জন্যই লিখছি।তাই চলেবে।
ক্যাডেট কলেজের বিরূপ মন্তব্যের দাতভাঙা জবাব চাইলেই দিতে পারতাম।শুধু অফ টপিক বলে এড়িয়ে গেছি।লেখার ফোকাস নষ্ট হয়ে যাবে বলে।
ধন্যবাদ দোষ্ত।তোদের উৎসাহে আমি এই লেখা এগিয়ে নিয়ে যাব।
ভালো থাকিস।
ক্যাডেট নম্বর ৯৯৯ বলেছেন:
ভালো লাগছে। যে কোনো লেখাতেই মাত্র একজনের চরিত্র ফুটিয়ে তোলা কঠিন কাজ। তুমি সেটা চেষ্টা করে যাচ্ছ এবং সফলও হচ্ছো। তবে সমালোচনা সহ্য করতে শেখাটা যে কারোর জন্যই আমি গুরুত্বপূর্ণ মনে করি। এটা ভীষণ কঠিন। দাতভাঙা জবাব অনেক সময়ই সুখকর হয়না। এটা বড় ভাই হিসাবে তোমার জন্য একটা টিপস ভাবতে পারো।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ ভাইয়া মন্তব্যের জন্য।
মাঝে মাঝে অফ টপিক মন্তব্যে একটু বেশিই হয়তো রিএক্ট করে ফেলি।
আপনার মন্তব্য আমাকে উৎসাহিত করবে।
লেখাটায় একজনকে ফুটানো আসলে কঠিন ।
আলম বলেই আমি তআ এত সহজে পেরেছি।
শিট সুজি বলেছেন:
সীমান্ত boss..হ্যাংগার এর বাড়ি খাইছেন । Locker Stick & জাম্বুরার ডাল এর বাড়ি খান নাই । miss করছেন ।
"১০০ কেডেটের মধ্যে আসলে ৯৮ জনই বলবে যারা পিটায় তারাই আবার ভাল বন্ধুতে পরিনত হয়... আর ৯৫ জন বলবে, পরে সিনিয়রদের বন্ধু হওয়ার পেছনে ঐ মার খাওয়া ব্যপারটাই মূল - মার খেয়েছিল বলেই এই বন্ধুত্ব। " - একমত ।
এই মার খেয়ে প্রায় সবাই normal থাকে। রুম এ এসে কাদার পর সবার ই মাইরের effect শেষ হয়ে যায় । বড়জোর prep time এ সেই বড় ভাই কে অদ্ভুশ্রাব্য কিছু গালিগালাজ করা । যে ক্যাডেট মানসিক ভারসম্য হারিয়ে ফেলে সে পূর্ব থেকেই abnormal ।
লেখক বলেছেন: বাদ দেও না ভাই।যারা বিসি তাদের এইসব বইলা লাভ নাই।
লেখক বলেছেন: একমত।


















ভুমিকম্পের ঘটনাটা জব্বর।