আমার প্রিয় পোস্ট

...ক্ষুদ্র আশা নিয়ে রয়েছে বাচিয়া,সদাই ভাবনা,
যা কিছু পায়, হারায়ে যায়, না মানে স্বান্তনা...

ফিনিক্স পাখির ডিম

০৫ ই মার্চ, ২০০৯ রাত ১২:০২

শেয়ারঃ
0 0 0


কুক্কুরের বউ আজ একটা ডিম পেড়েছে। প্রতিদিনই পারে। কিন্তু আজকেরটা একটু ভিন্ন রকম। রোজকার মতো সাদাটে না। কেমন যেন একটু হলদেটে। তাই ডিমটা নিয়ে পুরো পাড়ায় হুলস্থুল পড়ে গেলো। কুক্কুরদের প্রতিবেশী লাল মাথা মোরগটা এসে বেশ বিজ্ঞ ভাবে বললো, এটা আসলে ফিনিক্স এর ডিম। লাল মাথা মোরগ হলো এই খোয়ারের সবচেয়ে জ্ঞানী মোরগ। নানান বিষয়ে তার অগাধ জ্ঞান। তাই তার কথা শুনে সবাই চোখ বড় বড় করে বললো, ফিনিক্সের ডিম কি? তখন লাল মাথা শুরু করলো তার লেকচার। ফিনিক্স নাকি এক প্রকার ম্লেচ্ছ প্রজাতির পাখি। উড়তে পারা পাখিদের মোরগকূলের সবাই ম্লেচ্ছ বা অচ্ছুত প্রজাতির পাখি হিসেবেই ধরে।তাদের মতে সত্যিকারের পাখি হলো মোরগকূল।

ফিনিক্সের ডিমটা নিয়ে খোয়ারের সবাই নানান রকম আলোচনা সমালোচনা শুরু করলো। ডিমটাকে কি করা হবে। এটা যেহেতু ম্লেচ্ছ প্রজাতির ডিম, আর কুক্কুরের বউই এটা পেরেছে, তাই কুক্কুর আর তার বউকে একঘরে করে ফেলা হলো। সারাদিন খাঁচায় বসে থাকে তারা। ডিমটাকে মোরগদের গোয়েন্দা টিম বাজেয়াপ্ত করে নিয়ে গেছে। চলছে নানান রকম পরীক্ষা নিরীক্ষা। বিজ্ঞানী টিম বিশেষ অধিবেশনে বসেছে। বার্তা বাহক শুটকো মুরগী একটু পর পর সবাইকে লেটেষ্ট আপডেট জানিয়ে যাচ্ছে। এই খোয়ারের ক্ষমতায় আছে এখন হলদে পালকদের মোরগ দল। গত নির্বাচনে তারা বিপুল সংখ্যাগরিষ্ঠতা পেয়ে ক্ষমতায় বসেছে। তারা এসেম্বলিতে অবশ্য বলেছে যে, বিরোধী পক্ষের খয়েরী ঝুটি মোরগ বাহিনীই এই অপকর্মের জন্য দায়ী। তারা নাকি ষরযন্ত্র করে কুক্কুরের বউকে বিশেষ ঔষধ খাইয়ে তাকে দিয়ে ফিনিক্সের ডিম পারিয়েছে। শুনে কুক্কুর আর তার বউয়ের যে কি পরিমান খারাপ লাগলো, তা আর বলার নয়।

অবশেষে গোয়েন্দা টিম অনেক পরীক্ষা নিরীক্ষা করে যখন রিপোর্ট দিলো যে এটা আসলে মুরগীরই ডিম, তখন কুক্কুর আর তার বউ ছাড়া পেলো। কয়েকদিনের মাথায় ডিমটা ফুটে যখন খুব ফুটফুটে আর তুলতুলে একটা মোরগছানা বের হলো, তখন কুক্কুর পুরো খোয়ারে একটা পার্টিও দিয়ে ফেললো।

মোরগছানাটির নাম রাখা হলো, টুক্কুর। ধীরে ধীরে টুক্কুর বড় হয়ে উঠে। মোরগদের পাঠশালায় ভর্তি হয়। কত কিছু শেখে। কিভাবে মাটি থেকে কেঁচো খুটে বেড় করতে হয়, কিভাবে সকাল বেলা গলা ফাটিয়ে কুক্কুরুক্কু ডাকতে হয়। আরো অনেক কিছু। কিন্তু টুক্কুরের এসব ভালো লাগে না। ভালো লাগে না তার এই মুরগির খোয়ারের জীবন। চারপাশে বেড়ায় ঘেরা একটা ছোট জায়গা। তার ইচ্ছে করে খোয়ারের বাইরের পৃখিবীটা দেখতে। সেখানে কি আছে তা জানতে। একদিন সে তার বাবা কুক্কুরকে জিজ্ঞেসও করেছিলো। কুক্কুর উত্তর দিতে পারেন নি। কুক্কুর এখন বুড়ো হয়ে গেছে। হয়তো আর কিছুদিন পরই তাকে নিয়ে যাবে খোয়ারের মালিক। বুড়ো মোরগ আর ডিম না দেয়া মুরগিদের কোথায় যেন নিয়ে যায় খোয়ারের মালিক। খোয়ারের মোরগ মুরগিরা সেটা জানে না।তবে তারা এটা জানে, যাকে একবার নিয়ে যাওয়া হয়, সে আর ফিরে আসে না। যেভাবে একদিন নিয়ে যাওয়া হয়েছিলো টুক্কুরের মা কে।

টুক্কুরের বেজায় সাহস। সে প্রায়ই ম্লেচ্ছ পাখিদের মতো উড়তে চেষ্টা করে। খোয়ারের ডান দিকের উঁচু ডিবিটায় উঠে পাখা মেলে ঝাপ দিয়ে পরে। খুব বেশীক্ষন থাকতে পারে না। ধপাস করে এসে নীচে পড়ে। তারপরও সে চেষ্টা করে যায়। তার স্বপ্ন সে একদিন ঠিকই উড়তে পারবে। জ্ঞানী লাল মাথা মোরগের কাছে সে শুনেছে, যে ডিমটা ফুটে সে জন্ম নিয়েছে, সেটা নাকি ছিলো একদম ম্লেচ্ছ পাখিদের ডিমের মতো।টুক্কুরের খুব ম্লেচ্ছ পাখি হতে ইচ্ছা করে। পাখা মেলে উড়তে ইচ্ছা করে। লাল মাথা মোরগ তাকে আরো বলেছে, ফিনিক্স পাখির কথা। সে পাখির গায়ে নাকি একসময় আগুন ধরে যায়, আর সেই আগুনের ভষ্ম থেকে নতুন পাখির জন্ম হয়। টুক্কুর স্বপ্ন দেখে সে ফিনিক্স পাখির মতো আগুন থেকে জন্ম নেয়া এক উড়তে পারা ম্লেচ্ছ পাখি হয়ে আকাশে উড়ছে। উপর থেকে দেখছে পুরো পৃথিবীটাকে।

দু’দির পর একদিন হঠাৎ করে খোয়ারের সবাই খেয়াল করে খোয়ারের ঠিক বাইরে একটা পেন্ডেল টানানো হচ্ছে। লাল নীল রংএর কাপড় দিয়ে কি সুন্দর করে সাজানো। মনে হয় খোয়ার মলিকের কোন অনুষ্ঠান।সারদিন গান বাজনা হয় সেখানে। টুক্কুরের বেশ মজা লাগে। কিছুক্ষন পর খোয়ার মালিক তার লোকজন নিয়ে এসে খোয়ারের গেটটা খুলে ভেতরে ঢুকে। কতগুলো বুড়ো মোরগ আর ডিম না দেয়া মুরগিকে ধরে নিয়ে যায়। সাথে ধরে নিয়ে যায় কুক্কুর কেও। টুক্কুরের বুকটা ফেটে যায় কষ্টে। তার মাকে নিয়ে গেছে বেশ কিছু দিন আগে। এখন বাবাকেও নিয়ে গেলো। হয়তো তাকেও একদিন নিয়ে যাবে। কোথায় নিয়ে যায় এদের? সাহস করে টুক্কুর খোয়ারের ডান দিকের উঁচু ডিবিটার উপরে উঠে পরে। কিছু দূরেই একটা খোলা জায়গায় অনেকটা জুড়ে আগুন জ্বালানো হয়েছে। বড় বড় ডেকচি রাখা আগুনের পাশে। এক কোনায় রাখা হয়েছে কিছুক্ষন আগে ধরে নিয়ে যাওয়া মোরগ আর মুরগিদের। এক কোনায় পড়ে থেকে ভীত চোখে এদিক ওদিক তাকাচ্ছে কুক্কুর। দূর থেকে অসহায় বাবাকে দেখে খুব খারাপ লাগে টুক্কুরের।

কিছু পরে একটা লোক এসে মোরগ মুরগিগুলো থেকে একটা একটা করে নিয়ে তাদের গলায় ছুড়ি চালাতে থাকে। যা বোঝার বুঝে যায় টুক্কুর। আসলে তার বাবা আর অন্যদের নেয়া হয়েছে মেরে ফেলার জন্য। হয়তো এই অনুষ্ঠানের ভুড়িভোজের জন্যই। জবাই করা মোরগ আর মুরগির রক্তে ভেসে গেছে খোলা যায়গাটা। লোকটা এখন তার বাবার দিকে এগুচ্ছে। তাহলে কি এখন তার বাবাকেও এভাবে জবাই করবে? কি করবে টুক্কুর? বসে বসে দেখবে?একটু দুরেই আগুন জ্বলছে। যা করার এখনই করতে হবে। সে কি পারবে উড়ে গিয়ে তার বাবাকে নিয়ে উড়ে পালিয়ে যেতে। তাকে যে পারতেই হবে। নিশ্চয়ই এখন সে আগুনে ঝাপ দিলে ফিনিক্স পাখির মতো সেখান থেকে সত্যিকারের উড়তে পারা পাখি হয়ে জন্ম নিবে। হয়তো একটু কষ্ট হবে, কিন্তু সে তো তার বাবাকে বাঁচাতে পারবে। পারবে সে নিশ্চয়ই পারবে।

টুক্কুর ঝাপ দিলো। বেশ কিছু দিনের প্রাকটিসের ফল। তাই টুক্কুর বেশ ভালো ভাবেই জ্বলন্ত আগুনের ঠিক ভেতরে লাফ দিতে পারলো। তার পালকে আগুন ধরে গেলো। পালক পোড়া গন্ধ বের হলো। প্রচন্ড তাপ লাগছে টুক্কুরের। চামড়া পুড়ছে। আর কতক্ষণ লাগবে তার সত্যিকারের পাখি হতে। ফিনিক্সের মতো পোড়া ছাই হতে উড়ন্ত পাখি হয়ে উড়ে যেতে।




পেছনের কথা: ছোট বেলায় খুব লেখালেখির শখ ছিলো। অনেক গল্প, ছড়া লিখেছি। লেখা গুলো হারিয়ে গেছে আমার শৈশবের সাথে সাথে। দু’একটা যা মনে আছে, চেষ্টা করছি নতুন করে লিখতে। সে রকমই একটা গল্প এটা। সম্ভবত স্কুলের ম্যাগাজিনে ছাপা হয়েছিলো। গল্পের মূল থিমটাই যা মনে আছে। লেখাটা তাই সম্পূর্ণ নতুনই বলা চলে।

 

লেখাটির বিষয়বস্তু(ট্যাগ/কি-ওয়ার্ড): গল্পশিশুতোষ গল্প ;
বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...

 

১. ০৫ ই মার্চ, ২০০৯ রাত ১২:১৩
স্নো হোয়াইট বলেছেন: কুক্কুরুক্কু...কুক্কুরুক্কু...(বঙ্গানুবাদ : ভালো লেগেছে) :)
০৫ ই মার্চ, ২০০৯ রাত ১২:১৭

লেখক বলেছেন: করক্ করক্ কু (বঙ্গানুবাদ : অশেষ ধন্যবাদ ) :)

২. ০৫ ই মার্চ, ২০০৯ রাত ১২:৫০
রেজওয়ান শুভ বলেছেন: অসাধারন লাগলো

সোকেসে নিলাম :)
০৫ ই মার্চ, ২০০৯ সকাল ৭:৪২

লেখক বলেছেন: সরি ভাই, গত কয়েকদিন ধরে তুমি যখন আমাকে অনলাইনে নক করছো ততক্ষনে আমি ঘুমিয়ে পড়েছি। সকালে ঘুম থেকে উঠে তোমার মেসেজ পাচ্ছি।

সোকেসের বাসিন্দা করার জন্য ধন্যবাদ :)

০৫ ই মার্চ, ২০০৯ সকাল ৭:৪৩

লেখক বলেছেন: আরে আপনি দেখি প্রফাইলে ফিনিক্সের ছবি লাগিয়েছেন!!!

৪. ০৫ ই মার্চ, ২০০৯ রাত ২:৪৩
কঁাকন বলেছেন: ভালো লাগলো

ভালো থাকুন
০৫ ই মার্চ, ২০০৯ সকাল ৭:৪৩

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ। আপনিও ভালো থাকবেন।

৫. ০৫ ই মার্চ, ২০০৯ রাত ৩:৩৫
এন এইচ আর বলেছেন: পড়ে ভাল লাগল । বেশ আগ্রহ নিয়েই পড়লাম, পড়ে তৃপ্তিও পেলাম।
০৫ ই মার্চ, ২০০৯ সকাল ৭:৪৪

লেখক বলেছেন: ভালো আছেন তো?

ধন্যবাদ।

৬. ০৫ ই মার্চ, ২০০৯ সকাল ৮:১২
আলী আরাফাত শান্ত বলেছেন: ফিনিক্সের ডিম খাইতে মনে চায়!:(
গল্পটা ভালো.......
০৫ ই মার্চ, ২০০৯ সকাল ৯:৪২

লেখক বলেছেন: শুনেছি খুবই পুষ্টিকর।কারওয়ান বাজারে একবার খুঁজে দেখবেন নাকি? ;)

ধন্যবাদ।

৭. ০৫ ই মার্চ, ২০০৯ সকাল ৯:৪২
সব্যসাচী প্রসূন বলেছেন: আমি গতকালই আপনাকে বলতে চেয়েছিলাম নতুন গল্প চাই... কিন্তু মন্তব্যের ঘরে কিছুতেই বাংলা লিখতে পারছিলাম না..... যাউক গা আমার টেলিপ্যাথি পাওয়ার তাহলে ভালই কাজ করছে... ;)... ভাল লেগেছে..... চারিদিকে খারাপ লাগা পরিবেশ সৃষ্টি হয়েছে তা আমাদের এই ভাল লাগা দিয়েই দূর করতে হবে... :)
০৫ ই মার্চ, ২০০৯ সকাল ৯:৪৫

লেখক বলেছেন: কঠিন টেলিপ্যাথি। তাইতো বলি গতকাল সকাল থেকেই মনের মধ্যে কেমন সুরসুড়ি সুরসুড়ি লাগছিলো কিছু একটা লেখার জন্য। এখন বুঝছি, এটা তোমার টেলিপ্যাথিক সুরসুড়ি।

৮. ০৫ ই মার্চ, ২০০৯ সকাল ৯:৫৭
মুক্ত বয়ান বলেছেন: পোলাপাইনের কামে লাগব!! সোকেশে!!
০৫ ই মার্চ, ২০০৯ সকাল ১০:০৬

লেখক বলেছেন: ইহা নিতান্তই পোলাপাইনা গল্প।

৯. ০৫ ই মার্চ, ২০০৯ সকাল ৯:৫৯
জেরী বলেছেন: লেখাটা ভালো হয়েছে

ফিনিক্স পাখির ডিম ভাজি খাওয়ার তীব্র ইচ্ছা পোষণ করছি.....ফিকB-)
০৫ ই মার্চ, ২০০৯ সকাল ১০:০৯

লেখক বলেছেন: ফিনিক্স পাখির ডিমতো ভাজি কইরা খাওন যায় না জেরী'পু। ইহা অগ্নি সংবেদনশীল বলিয়া সেদ্ধ করিয়া খাওয়াই নিরাপদ। :)

১০. ০৫ ই মার্চ, ২০০৯ সকাল ১০:০২
ভুতের আড্ডা বলেছেন: ভালো লাগলো। আপনার লেখাগুলো সব সময়ই বেশ আগ্রহ নিয়ে পড়ি।
০৫ ই মার্চ, ২০০৯ সকাল ১০:১১

লেখক বলেছেন: আপনার লেখাটা পড়ছি। এই উইক এন্ডে শেষ হবে আশা করি। তারপর আপডেট জানাবো। দুঃখিত, আসলে একটু দৌড়ের উপর আছি।

০৫ ই মার্চ, ২০০৯ সকাল ১০:২৪

লেখক বলেছেন: অক্কে...

১২. ০৫ ই মার্চ, ২০০৯ সকাল ১১:১৭
আশরাফ মাহমুদ বলেছেন: অনেক চমৎকার। আমি ভাবলাম বিবর্তন নিয়ে লেখা, পরে দেখি মোরগীয় (মানবীয়!) ভালবাসা চলে এসেছে। :)

++++++
০৫ ই মার্চ, ২০০৯ সকাল ১১:২৫

লেখক বলেছেন:
:)
ধন্যবাদ আশরাফ ভাই। মোরগ বলে কি ওরা মানুষ না, ওদের কি মন বলতে কিছু নাই ??? ;)

১৩. ০৫ ই মার্চ, ২০০৯ সকাল ১১:২৭
আশরাফ মাহমুদ বলেছেন: অবশ্যই আছে। তবে মন বলে যে কিছু নাই!
০৫ ই মার্চ, ২০০৯ সকাল ১১:৩৪

লেখক বলেছেন:
আসলেই তো!!!!
'মন' জিনিসটাতো নেই। কেবল মাত্র মস্তিস্কের লক্ষ লক্ষ নিউরনের সিন্যাপ্টিকাল রেজোনেন্সকে কি আমরা 'মন' বলি? প্রিয়জন চলে গেলে মস্তিস্কে অতিরিক্ত রক্ত সরবরাহের জন্য হার্ট নামক পাম্পিং মেশিনটা যে আরো বেশী করে পাম্প করতে গিয়ে বুকের মাঝে একটা চাপা অনুভুতি তৈরী করে সেটাকে আমরা কষ্ট বলি?

ধন্যবাদ আশরাফ ভাই, আমি মনে হয় আরো একটা সায়েন্স ফিকশন লেখার বিষয় পেয়ে গেলাম। :)

১৪. ০৫ ই মার্চ, ২০০৯ সকাল ১১:৩১
একলব্যের পুনর্জন্ম বলেছেন: ভাইয়া,চিনতে পারেন?

কেমন আছেন?
০৫ ই মার্চ, ২০০৯ সকাল ১১:৩৬

লেখক বলেছেন:
'একলব্য' কে চিনি। কিন্তু তার পুনর্জন্মের পর সে কার রূপে আবার মর্ত্যে এসেছে তাকে তো ভাই চিনতে পারছি না। জাতিস্মরের নামটা বললে চিনতে সুবিধা হতো।

১৫. ০৫ ই মার্চ, ২০০৯ সকাল ১১:৪০
একলব্যের পুনর্জন্ম বলেছেন: গতবার গণিত শাস্ত্র বেশে আবির্ভূত হইয়াছিলাম।আমিই গণিতের শূন্য আর কী !!!

হাহা হোহো.....

এবার চিনতে পারেন??

০৫ ই মার্চ, ২০০৯ সকাল ১১:৪২

লেখক বলেছেন:
চিনেছি। মিষ্টার জিরো। :) :)
পুনর্জন্ম সার্থক হোক।

০৫ ই মার্চ, ২০০৯ সকাল ১১:৪৭

লেখক বলেছেন: হুমম।

১৭. ০৫ ই মার্চ, ২০০৯ দুপুর ১২:০৬
বর্তমানবাংলা বলেছেন: খুবই ভাল লাগলো
সংগ্রহে নিলাম +++++
০৫ ই মার্চ, ২০০৯ দুপুর ১২:২৯

লেখক বলেছেন: সংগ্রহে রাখার জন্য ধন্যবাদ। আরো কিছু লেখা আছে, সময় করে পড়ে দেখবেন।

১৮. ০৬ ই মার্চ, ২০০৯ রাত ২:৪৫
ক-খ-গ বলেছেন:
তাইতো বলি আমার ফিনিক্সের ডিমটা কৈ গেলো....... (রাগের ইমো)

খিক খিক খিক :)
ভালৈছে!
০৬ ই মার্চ, ২০০৯ সকাল ৯:১০

লেখক বলেছেন: আপ্নের টা আমি নেই নাই। কষ্ট কইরা কুক্কুরের বউ এই ডিমটা পারছে। তারে চোর অপবাদ দেওন কি ঠিক হইলো...(রাগের ইমো)

ধইন্যবাদ....

১৯. ০৮ ই মার্চ, ২০০৯ রাত ৮:৩৫
পারভেজ বলেছেন: খুব ভালো লেগেছে।
তোমার লেখার বিষয় বৈচিত্র আছে ।
চমৎকার :)
০৮ ই মার্চ, ২০০৯ রাত ৮:৪৩

লেখক বলেছেন: এটা ছোট বেলায় লেখা গল্পের অনুকরনে লেখা।

২০. ০৫ ই আগস্ট, ২০০৯ রাত ৯:৪১
শান্তির দেবদূত বলেছেন: এত ভালো একটা গল্প ! এত দিন পরে পড়লাম !! নিজের উপরই রাগ হচ্ছে। এটা নিঃসন্দেহে একটা মাস্টার পিস গল্প ....

আপনার এত ভালো লেখার রহস্য আজ বুঝতে পারলাম :) ..... কারন আপনি একেবারে ছোট বেলে থেকে লেখেন। লেখালেখির দক্ষতা এমন একটা ব্যাপার যেটা অনেক দিনের সাধনায় আয়ত্ব করতে হয়। এই সীমাবদ্ধতা হাড়ে হাড়ে টের পাচ্ছি, কারন আমার লেখালেখির বয়স মাত্র দেড় বছর।

ও, এই গল্পটা প্রিয়তে নিয়ে গেলাম।
০৬ ই আগস্ট, ২০০৯ ভোর ৫:৩০

লেখক বলেছেন: :)
খুজেঁ খুজেঁ পুরনো লেখা পড়ার জন্য অনেক অনেক ধন্যবাদ দেবদূত ভাই :)

০৬ ই আগস্ট, ২০০৯ ভোর ৫:৩১

লেখক বলেছেন: :)
অনেক ধন্যবাদ।

২২. ১৩ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ রাত ১২:৫৫
বোহেমিয়ান কথকতা বলেছেন: চমৎকার গল্প ।
অনেক দিন পর পড়লাম!!
১৩ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ সকাল ১১:৩১

লেখক বলেছেন: এটা অপরবাস্তব -৪ এ ছাপা হয়েছে।।

২০ শে মে, ২০১০ দুপুর ২:২০

লেখক বলেছেন: ধইন্যা।

 

মোট সময় লেগেছে ০.৯৮৭২ সেকেন্ড

 

সামহোয়‍্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব‍্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...
© সামহোয়্যার ইন...নেট লিমিটেড | ব্যবহারের শর্তাবলী | গোপনীয়তার নীতি
মুহম্মদ জায়েদুল আলম, লোকে আমাকে সিজার বলেই ডাকে।পাঁচিলের উপর বসে মানুষের ভীড় দেখি আর ভাবি, মানুষ না হয়ে চড়ুইপাখি হলেই...
আর এস এস ফিড

পোস্ট আর্কাইভ

আমার লিঙ্কস

আমার বিভাগ