পৃথিবীর সকল মানুষ ভালো মানসিকতা নিয়ে জীবন পরিচালনা করতে চায় ।
পরিবেশ,সঙ্গ মানুষের মনের বিপ্লবীয় পরিবর্তন সাধন করে। এর ফলে রচিতহয় অন্য এ অধ্যায়। যেখানে ন্যায় বোধ বিবেকের তাড়নায় সৎ সাহসী সুন্দর মানবিখ গুনাবলী গুলো ক্রমেই বিলীন হয়ে যায় । তবু প্রতিটি ব্যক্তি পৃথীরি যে প্রান্তে ই হোক সে নূন্যতম একজনের কনকট ভালো থাকে। এই তাদের দুইজনের ভালো সর্ম্পক বজায় থাকে।মানবিক চিন্তা গুলো ক্রমেই লালসায় নিমজ্জিত হয়ে অথৈ জলে হারিয়ে যায় ।
দারদ্রিতা আমাদের চেতনাকে কেবলই অন্যায় প্রবনতার দিকে ঠেলে দেয়। যদি একজন সামর্থ্যবান ব্যক্তি সঠিক সময়ে শ্রমের বিনিময়ে নিজেকে উৎর্সগ না করে। নিজস্ব শ্রমকে পুজি করতে সামাজিক মযার্দা তাকে প্রথম বাধা দেয় - পারিবারিক বন্ধন ও অনেক সময়, কিংবা বংশ ও গোত্র ও প্রভাব বিস্তার করে। কিন্তু প্রতিটি মানুষ সৎ,সুন্দর ও ন্যায়ে জীবন ভালোবাসে। এখানে নিজেকে সঁপে দিয়ে অল্পে তুষ্ট হওয়ার প্রান্তকর প্রচেষ্টার অধিকারীরাই প্রকৃত সুখী।
মানুষে মানুষে শ্যেণী প্রকরণের উদাভব হয় । শ্রম,অর্থ, অধিকার সূত্রের হাত ধরেই প্রতিষ্ঠিত হয় শ্যেণীবিন্যাস। সবল -দূর্বল,ধনী- দরিদ্র,উঁচু- নিচু ভেদাভেদ।প্রকৃত নিময়ে যে শে্রণী বিন্যাস রচিত হয় তাকে পরম সত্য ও পরম তুষ্টির বিষয় আত্নস্থ করতে পারলেই সকল মানুষ ই ভালো মনুষের কাতারে চলে আসে। এতে করে প্রত্যেকই প্রত্যেকের কল্যাণকামী হয়। কল্যাণকামী লেঅক সংখ্যা উত্তরাত্তর বৃদ্ধি না পেলে অকল্যাণেষল দেওয়াল শক্ত হয়ে যাবে । এই আশংকা কে আমরা কখনই মওছে ফেলতৈ পারিনি বলেই আমোদের পৃথীবি এত সংঘাতময়। এই রৃক্ষটির শিকড় দ্রুতই চারপাশে ছড়িয়ে থাকাই মূল কারণ।
প্রত্যাশিত ফলাফল প্রাপ্তির হিসাব পরিকল্পনার প্রস্তুতি গুলো কেবলই দৃঢ় প্রত্যয়ের আকাঙ্খায় থাকে ।
দুনিয়ার প্রতিটি মানুষ তবুও আত্নসত্বায় বিলীন হয় না ।
জটিল কিছু শব্দ নিয়ে একটি দূর্বল বাক্য তৈরি হয় মাত্র। যে শব্দগুলো একটি করে ইতিহাসের সূচনা করে। জীবরে স্তরে স্তরে শব্দগুলোর প্রতিফলন হয়।
আনন্দ, বেদনা , শোক.উৎসব,উল্লাস, উদ্বেগ,মোহ,লোভ,মমতা ভালেঅবাসা,প্রতিটি শব্দে জীবনের খন্ড খন্ড অংশ চিত্রায়িত হয়।সেআ চিত্রগুলো একত্রে যোগ করেই কেবল জীবন রচনা তৈরি হয়। ইচ্ছা অভিলাস বাচাঁর আকাঙ্খাকে তীব্র করে স্বপ্নগুলো পথ দেখায় আবেগ জীবনের গতিকে স্থির করে অন্য চিন্তায় ফিরিয়ে দেয়।
সব মিলিয়ে প্রয়োজন - অপ্রয়োজনী ভাষাগুলো নিয়ে শব্দম্লায় কল্প চিন্তা যুক্ত হয়।
শথ প্রশ্ন অন্তরে র প্রান্ত হতে উঁকি দেয়। জানার প্রবল বাসনায় মগ্ন হয়ে উদ্বেলিত প্রাণ তন্ময় হয়। হঠাত্ছন্দ পতন হয়। স্বাধীনতা পরাধীনতার বন্দি হতে মুক্ত।নেশায় আসক্ত মানবরে আলোর পথে ফিরে আসার দুয়ার কখনো বন্ধ হয়নি । মুক্ত মন শূন্য আকাশে ব্যকুলতায় কাতর হয়ে আবার নীড়ে ফিরে ।
বোধগম্যহীন ভাষাগুলো বাক্যের আসক্তিকে দূরে ঠেলে দিয়ে নব আকাঙ্খায় পরিনত করে ।
ঢেলে সাজানোর মত দূরহ সিদ্ধান্ত নেওয়ার জন্য মানুষের হাহাকার ।
মানুষ কতটা স্বাধীন কতটা মুক্ত । একজন মানুষ মানবসত্বার উর্ধ্বে উঠে আমাদের কোন ইপহার দেয় নি । কিন্তু বিষ্ময়কর আবিস্কারে আমাদের আরামপ্রদ জীবনের হাতিছানি সহজ করেছে । এরপর মনে হয় অসীম জ্ঞানের রাজ্যে মানবের বিচরণ সসীম সীমানার প্রান্তকে কখনই অতিক্রম করতে পারে নি । মুক্ত চিন্তা,মুক্ত চেতনা,মুক্ত অভিলাস সত্যিকার অর্থে কতটা স্বাধীন তা পরিমাপ করার মানদন্ড খঁজে পাই হয়তো বা পাই না । কিন্তু তারপর প্রতিটি মানুষকে অসম্ভব রকমের ভালো মনের হয় । আর খারাপ কিছু লক্ষ্যে করলে মনের অজান্তে আমাদের উপলদ্ধি টা হয় তো সঠিক ছিল না বলেই মনে হয় ।
সব মন্দ গুলো কে ভালো বলতে ইচ্ছে হয় এ জন্যে যে মন্দ কাজ গুলোর ঘটক অনুঘটক ও প্রভাবক উদ্দেশকে জানতে পারি না বলেই খারাপ গুলোকে মন্দ বলে স্বীকার করতে পারি না ।
এখানে একটি পক্ষ তৈরি হয়ে যায়। যারা মন্দ গুলোকে ভালো স্বীকার করেন নেয়
তাদের মন আত্না আজ অন্ধ হয়ে গেছে ।
সত্যের উর্ধ্বে মিথ্যের সর্বনিন্মে এ মধ্যে সীমায় গড়ে উঠে বসতি । না পাওয়ার বেদনা প্রাপ্তির উল্লাসে উত্তাপ মন পুনরায় শীতল হয্য়ে যায় । যুক্তি তর্কে বুদ্ধির বিবেচনায় একই শব্দে উপমা ভিন্ন ভিন্ন সাজানো যায় ।যে বিবেক গুলো নতুন নতুন যুক্তি দেয় বুদ্ধির বিবেচনায় গ্রহণীয় ও বর্জনীয় শক্তি উদ্ধার করে একটি সিদ্ধান্তে উপনিত হয় । সে চেতনা গুলোই ক্ষণকাল পরেই আবার পূর্বের রূপে ফিরে যায় । তবুও মনে রপ্রশান্তি পৃথীবির প্রতিটি মানুষ কতনা ভালো ।
ভালা ও মন্দের পিছনের শব্দটি সহযোগিতা । আর সহযোগিতার পাশে র শব্দটি সহযোগী । একটি উত্পাদ = এক বা একাধিক বিক্রিয়ক। ভালো হওয়ার জন্য প্রয়োজন সহযোগিতা ও সহযোগী । প্রশ্ন মনের অজান্তে ঘুরপাক খায় ? কে কার সহযোগী হবে কেন হবে । কি লাভ সহযোগী হয়ে ? মন্দ কাজের সহযোগী ভালো কাজের সহযোগী প্রভাব তৈরিতে সহযোগী ।প্রভাব বিস্তারে সহযোগী আবিস্কারের জন্য সযোগী ।
এমন শত শত প্রশ্ন তৈরি হয় প্রতিটি শব্দ থেকে । মানুষের বিবেকের মৃত্যু হয় না বলেই ভালো হওয়ার বাসনা আকাঙ্খা আজীবনের লালিত স্বপ্ন হয়ে থাকে । অন্য রকম অনূভূতি থেকে সাড়া দুনিয়ার মানুষ গুলো কে চিত্কার করে ভারো বলতে ইচ্ছে করে । কিন্তু এই আওয়াজ কেউ কেউ শুনতে পায় না । এ ইচ্ছে করার পর অল্পক্ষণেই বিরোধী শব্দ মাথায় ঘুরপাক খায় । আজ যারা ধ্বংস লীলার কাজে মগ্ন, অন্যায় করে বেড়াণো যাদের পেশা মানবাধিকার লংঘন করাই যাদের নেশা তারা কি করে ভালো । এইপ্রশ্ন গুলোর জবাব তৈরি না করে কেমন করে সবাইকে ভালো বলা য়ায় । সত্যিই কি এই প্রশ্নে র জবাব তৈরি করা অসম্ভব ।
আমাদের সকলের প্রচেষ্টায় নিশ্চয় তা অসম্ভব নয়
এর জন্য একটা কিছু অবশ্যই আকঁড়ে ধরতে হয় যা আমাদের গাউডলাইন দেয়
এখানে ধর্মে আলো জ্বলে

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



