আমার প্রিয় পোস্ট
- বারাক ওবামা এবং সেই কৃষ্ণাঙ্গ মার্কিন প্রেসিডেন্টদের গল্প... - যুবােয়র হাসান
- অন্তর্জালে আমি কাদের কাদের পুন মার্তে চাই? - পাগলা গারদের ওয়ার্ডেন
- আজ বিশ্ব শালা-শালি দিবস
- নাফিস ইফতেখার
- ব্লগিং করার সুবিধার্তে সা,ই, এ - দুঃখবিলাস
- অর্থনীতি ব্লগ: আয়কর রিটার্ণ যাদের দিতেই হবে - শওকত হোসেন মাসুম
- পরশুরামের কুঠার অথবা জিন্দা লাশের আয়ুষ্কাল - ফারুক ওয়াসিফ
- যেকোন Webpage থেকে বিজ্ঞাপন অপসারন করুন, বিজ্ঞাপনহীন ওয়েবের জগতে আপনাকে স্বাগতম! - নাফিস ইফতেখার
- চ্যাট করুন ইন্টারনেট সংযোগ ছাড়াই - তারকে
- গুগল বুকস থেকে বই ডাউনলোড করবেন যেভাবে - অনিকেত প্রান্তর
- XP Genuine করুন : Microsoft এর মাথায় কাঁঠাল ভেঙে খান - নাফিস ইফতেখার
- এ্যাডমিনিস্ট্রেটরের পাসওয়ার্ড খোলা - পথিক মানিক
- "এক ক্লিকে দুই সার্চ ইঞ্জিন" Google and Yahoo! Search Result Side by Side - প্রচেত্য
আমার নতুন ছবি ০২
৩০ শে জুন, ২০০৭ রাত ৩:৩০
সম্প্রতি গিয়েছিলাম শ্রীপুরে বয়স্ক আশ্রয় কেন্দ্র দেখতে। কেউ এসেছেন সম্প্রতি, কেউ অনেকবছর আগে। কেউ বছরে একবারও "ভিজিটর এসেছে" এমন মধুর বাক্য শুনতে পাননা, আবার কেউ কেউ ভাগ্যবান, কারন তাকে দেখতে যাবার মতো কেউ নেই তিন কুলে। থাকতে হয় না অপেক্ষায়।
ময়মনসিংহের এক নারী এখানে এসেছেন সন্তানের সঙ্গে রাগ করে, আর এক নারী এখন কেবল আরবী আয়াত পড়ে সময় কাটান, তিনি আজ আর বলতে চান না ৭১ সালে লাফিয়ে পালিয়ে এসেছিলেন পাকিস্তান আর্মির গাড়ি থেকে। এরপর তিনি সোজা যোগ দেন স্বাধীনতা সংগ্রামে।
ঢাকা কলেজ থেকে পাশ করেছিলেন পাকিস্তান আমলে, এখনো ইংরেজিতে শুদ্ধতা টনটনে। আবার বুকের কোথায় টনটন করে ওঠে যখন ঢাকা থেকে আসা সাংবাদিক লোকটিকে তার মনে হয় নিজের ছোট ছেলেটির মতন।
একজন আছেন, ফটো তুলতে দিতে একেবারেই নারাজ। এই ফটো ছাপা হলে আমার ছেলে মেয়েরা লজ্জা পাবে, ফটো তুলবেন না।
আরো একজন ছিলেন কর্নেল। রাগ করে চলে আসেন একমাত্র পুত্রবধুর সঙ্গে রাগ করে। এক কাপড়ে এসে আর ফিরে জাননি। অনেক বছর পর ছেলে যখন খোজ পেয়ে বাবাকে ধেতে আসেন তখনো কথা হয়নি বাবা-ছেলের সঙ্গে। কেবল নাতি এসে আদর করে দিয়ে গেছে বুড়ো দাদুকে। দুই মস পর যখন আবার সন্তান আসেন বাবার কাছে, গেট থেকেই জানতে পারেন বাবা মারা গেছেন মাত্র তিন দিন আগে। লাশ মাটি দেয়া হয়ে গেছে। আশ্রম কেন্দ্রে কোন স্বজনের ফোন নাম্বার বা ঠিকানা ছিল না, দেয়া হয়নি খবর।
তারেক রহিম বলেছেন:
পার্স্পেক্টিভটা দারুন বিষন্ন।
আবদুর রাজ্জাক শিপন বলেছেন:
হায় দুর্মতি....! স্বজনের খবর যারা নেয়না,যদি কখনও তাদের এমন হয়..একবারও ভাবে না !অনেক ধন্যবাদ বিপুল ভাই ।
খালেক সাজেদিন বলেছেন:
মন খারাপ হয়ে গেল!!
আন্ধার রাত বলেছেন:
আপনিও ওখানে বসবাসের জন্য রেডি হোন। খুব শীঘ্রই বুড়ো হয়ে যাবেন। তখন অন্যরা আপনাকে দেখতে যাবে ঠিক এভাবেই।
মানবী বলেছেন:
দুঃখজনক। শেয়ার করার জন্য ধন্যবাদ হাসান বিপুল।
রবিনহুড বলেছেন:
{ হে মহাজীবন, আর এ কাব্য নয়এবার কঠিন, কঠোর গদ্যে আনো,
পদ-লালিত্য-ঝঙ্কার মুছে যাক
গদ্যের কড়া হাতুড়িকে আজ হানো!
প্রয়োজন নেই, কবিতার স্নিগ্ধতা }
জীবন অনেক নিষ্ঠুর
সালাম তোমাদের সবাইকে।
হাসান বিপুল বলেছেন:
@কেমিকেল : ধন্যবাদ আপনার মন্তব্যের জন্য। লেখার সময় কেবল আমার অনুভূতিটুকু তুলে দিয়েছি, লেখার মান বা ছোট-বড় নিয়ে মাথা ঘামাইনি, আপনি মনোযোগ দিয়েছেন বলে ভালো লাগল।@ অন্ধার রাত: কেবল আমি নই; আমি-আপনি, আমরা সবাই একসময় এমন হব, সে জন্যেই এ লেখা, আপনি ধরতে পেরেছেন বলে ধন্যবাদ।
তারেক, শিপন, খালেক, মানবী, আপন, উদাসী আপনারা সময় দিয়েছেন, আমি কৃতজ্ঞ।
@ আরিফ, আইডিয়া ভালো। চেষ্টা করবো।
@ রবিনহুড, শহীদুল্লাহ, আপনাদের আবেগের প্রকাশ ভালো লেগেছে।
কেমিকেল আলী বলেছেন:
যে বিষয়টা আমাকে বেশি নাড়া দিয়েছে সেটা হল ঐ মানুষটি যে পাকি আর্মির ট্রাক থেকে লাফিয়ে পালিয়ে এসেছিল। এত সাহসী মানুষটাও ভাগ্যের ফেরে এখন কতটা অসহায়!
বইপাগল বলেছেন:
মনটা আদ্র হয়ে গেলো।
হাসান বিপুল বলেছেন:
@ কেমিকেল : পাক আর্মির গাড়ি থেকে যিনি লাফ দিয়েছিলেন তার চেহারা এই ফটোতে নেই। তার গল্প নিয়ে আলাদা পোস্ট দেয়ার ইচ্ছে আছে।
রাশেদ বলেছেন:
দু:খজনক কিন্তু নির্মম বাস্তব ঘটনা
নাট_বল্টু বলেছেন:
এক দিকে ভাল। এইসব ছেলেমেয়েদের কাছে থাকার চেয়ে না থাকা ভাল...যারা বাবা মার দেখাশোনা করার সময় পায় না, তাদের বাবা মার সহোচর্য পেয়ে হবে কি? এই আশ্রমের সকল বাবা মাকে জানাই মন থেকে ভালবাসা
রকি ভাই বলেছেন:
প্রিয়তে যুক্ত হলো
লতিফ হোসাইন বলেছেন:
বিপুল, আরো কিছু ছবি দেখতে হবে। আরো কিছু গল্প শুনতে হবে। নিজের ভবিষ্যত প্রস্তুতির জন্যেই। সময় বলে নিজের আশ্রয় এমন একটা জায়গায়ই হতে পারে। আরো কিছু পড়ার অপেক্ষায় রইলাম।
নতুন পৃথিবী বলেছেন:
৫!
জেসন বলেছেন:
লেখক সহেব আপনি মন্তব্যের উত্তর দেন না ক্যান।
লেখক বলেছেন: প্রশ্নের উত্তর হয়, মন্তব্যের প্রতি মন্তব্য হতে পারে, উত্তর বা জবাব হয় কি? অনেক মন্তব্যে নীরব থাকাটাও কিন্তু এক অর্থে সম্মতি তথা মত প্রকাশ।



















আরও একটু বড় করে লিখলেন না কেন?
ধন্যবাদ