আমার প্রিয় পোস্ট
- বারাক ওবামা এবং সেই কৃষ্ণাঙ্গ মার্কিন প্রেসিডেন্টদের গল্প... - যুবােয়র হাসান
- অন্তর্জালে আমি কাদের কাদের পুন মার্তে চাই? - পাগলা গারদের ওয়ার্ডেন
- আজ বিশ্ব শালা-শালি দিবস
- নাফিস ইফতেখার
- ব্লগিং করার সুবিধার্তে সা,ই, এ - দুঃখবিলাস
- অর্থনীতি ব্লগ: আয়কর রিটার্ণ যাদের দিতেই হবে - শওকত হোসেন মাসুম
- পরশুরামের কুঠার অথবা জিন্দা লাশের আয়ুষ্কাল - ফারুক ওয়াসিফ
- যেকোন Webpage থেকে বিজ্ঞাপন অপসারন করুন, বিজ্ঞাপনহীন ওয়েবের জগতে আপনাকে স্বাগতম! - নাফিস ইফতেখার
- চ্যাট করুন ইন্টারনেট সংযোগ ছাড়াই - তারকে
- গুগল বুকস থেকে বই ডাউনলোড করবেন যেভাবে - অনিকেত প্রান্তর
- XP Genuine করুন : Microsoft এর মাথায় কাঁঠাল ভেঙে খান - নাফিস ইফতেখার
- এ্যাডমিনিস্ট্রেটরের পাসওয়ার্ড খোলা - পথিক মানিক
- "এক ক্লিকে দুই সার্চ ইঞ্জিন" Google and Yahoo! Search Result Side by Side - প্রচেত্য
এ ট্রিবিউট টু কিশোর পারেখ ০১
১০ ই জুলাই, ২০০৮ রাত ১:২৩
আগামী প্রজন্মকে মুক্তিযুদ্ধের সঙ্গে পরিচয় ঘটানোর জন্য প্রাথমিক যে প্রামাণ্য দলিল আমরা হাতের কাছে পাই তা হলো মুক্তিযুদ্ধের ফটোগ্রাফ। হাজার গল্প বলেও যে অনুভূতি আপনি আজকের কিশোরের মনে তৈরি করতে পারবেন না, একটিমাত্র ফটোগ্রাফ তার পুরো কাজটি করে দেবে অনায়াসে। একটি শূন্য রাস্তা, এক বিধবার করুণ দৃষ্টি যে হাহাকার তৈরি করবে, আর কোনো দলিল কি তা করার ক্ষমতা রাখে?
সম্মুখ সমর নয়, বরং সাধারণ মানুষের মুক্তিযুদ্ধে সম্পৃক্ততা এবং এতে তাদের অংশগ্রহণ, ত্যাগ ও প্রাপ্তির বিষয়টি যে ফটোগ্রাফার ক্যামেরায় ধারণ করে আমাদের উপহার দিয়ে গেছেন তিনি কিশোর পারেখ। তিনি বাংলাদেশি নন, ইনডিয়ান।
কোনো অ্যাসাইনমেন্ট নয়, আর্থিক কোনো লাভ নয়, স্রেফ একটি যুদ্ধকে ইতিহাসের অংশ করে রাখার জন্যই কিশোর চলে আসেন যুদ্ধ আক্রান্ত এ দেশে।
দুঃখজনক অথচ সত্যি হলো জীবিত থাকতে কখনোই এ ফটোগ্রাফারকে আমরা কৃতজ্ঞতা জানাইনি, স্মরণ করিনি তিনি মারা যাওয়ার পরও। তাই মনে হচ্ছে এ ফটোগ্রাফার সম্পর্কে আমার কাছে যে তথ্য আছে, তা ব্লগে প্রকাশ করা যেতে পারে।
প্রচারবিমুখ এ ফটোগ্রাফারের বিষয়ে ইন্টারনেটে তেমন কোনো তথ্য পাওয়া সম্ভব নয়। তাই তার সম্পর্কে তথ্য ও ফটোগ্রাফ বিষয়ক সাহায্যের জন্য আমি যোগাযোগ করি দৃক পিকচার লাইব্রেরির পরিচালক ড· শহিদুল আলম-এর সঙ্গে। ২০০০ সালে তিনি ছবিমেলা ১-এর অংশ হিসেবে ১৯৭১ : দি ওয়ার উই ফরগট শিরোনামে এ প্রদর্শনীর আয়োজন করেন যাতে ছিল দেশি-বিদেশি অনেক ফটোগ্রাফারের সঙ্গে কিশোর পারেখের তোলা বেশ কিছু ছবি।
ড· আলম আমাকে যোগাযোগ করিয়ে দেন কিশোর পারেখের ছেলে স্বপন পারেখ-এর সঙ্গে। স্বপন নিজেও আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন একজন ফটোগ্রাফার, ওয়ার্ল্ড প্রেস ফটোতে বিচারক হিসেবে ছিলেন অন্তত তিন বার, বর্তমানে কাজ করছেন ব্ল্যাক স্টার ফটো এজেন্সিতে এবং থাকেন মুম্বাই-এ। এ লেখাগুলো (কিশোর পারেখ সম্পর্কে যে লেখাগুলো আপনারা চাইলে আগামিতে আসবে) তৈরিতে সবচেয়ে বড় কনট্রিবিউশন স্বপনের। পাশাপাশি আমাকে তথ্যগত সহায়তা দিয়েছেন বাংলাদেশি আরেক ফটোগ্রাফার হাসান সাইফুদ্দিন চন্দন। এ ছাড়াও সহায়তা নিয়েছি ইনডিয়ার ফটোগ্রাফি ম্যাগাজিন বেটার ফটোগ্রাফির।
উল্লিখিত সবাইকে আমি কৃতজ্ঞতা জানাই।
ইমরান মামা বলেছেন:
কিশোর পারেখের প্রতি কৃতজ্ঞ। আপনার প্রতিও কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি পোস্টটার জন্য।
আহসান হাবিব শিমুল বলেছেন:
আরো বিস্তারিত জানতে চাই।আপাতত এতটুকুর জন্য প্লাস।
তানজু রাহমান বলেছেন:
জানতে চাই।
শান্তির দেবদূত বলেছেন:
অপেক্ষায় আছি, +++++++
লেখক বলেছেন: লিখব।
ইমরান মামা, আহসান হাবিব শিমুল, তানজু রাহমান, আবদুর রাজ্জাক শিপন, আলী আরাফাত শান্ত, আকাশচুরি ও শান্তির দেবদূত- ধন্যবাদ আপনাদের।
লেখক বলেছেন: সেটা তো করাই যায়। সমস্যা হলো এ লেখার স্টাইল/প্রকাশভঙ্গি আমার, তথ্যগুলো তো আমার নয়। তথ্যগুলো বিভিন্ন সোর্স থেকে সংকলন করা। আমি ঠিক জানি না এতে কপিরাইট আইনের ঝামেলা আছে কি না।
নেমেসিস বলেছেন:
বস এই লেখার সিরিজটা কি ই সংকলনে দেয়া যায় । একটু যদি তারাতারি দিতেন আমাদের তবে বেশ ভাল হত । Click This Link
লেখক বলেছেন: অবশ্যই দেয়া যায়। দ্রুত আপলোড হবে।
নেমেসিস বলেছেন:
অনেক অনেক ধন্যবাদ ।


















