আমার প্রিয় পোস্ট

যা তুমি আগামিকাল করতে পার, তা কখনো আজ করতে গিয়ে ভজঘট পাকাবে না...

ছবিতে কম্পোজিশনের গুরুত্ব : একটি উদাহরণ ও কয়েকটি টিপস

০৩ রা সেপ্টেম্বর, ২০০৮ দুপুর ১:৫৬

শেয়ারঃ
0 3 0

ফটোগ্রাফি একটি শিল্পমাধ্যম এবং যে কোনো শিল্পের মতো এর সৌন্দর্য বিচার অনেকগুলো আপেক্ষিক বিষয়ের ওপর নির্ভর করে। যেমন ধরুন, স্টুডিওতে তোলা একটা পোর্টেট-এর বেলায় আলো যতোটা গুরুত্ব পাবে ততোটা পাবে না রাজপথে যদি আপনি বিরোধী দলের মারদাঙ্গা কর্মসূচির ছবি তোলেন। সেখানে প্রধান বিবেচনার বিষয় কোন মুহূর্তটি আপনি ফ্রেমে ধরতে চেয়েছেন। আবার যখন ল্যান্ডস্কেপ আপনার ছবির বিষয় হয়, তখন অনেকটা বেশি বিবেচনা দাবি করবে ফ্রেমের ভেতর মূল এলিমেন্টগুলো কিভাবে আপনি সাজিয়েছেন।

এ লেখাটি মূলত তাদের খানিকটা সাহায্য করতে পারে যাদের ফটোগ্রাফ কোনো না কোনো কারণে ঠিক "ভালো ফটোগ্রাফারদের মতো" হয় না। একটি কথা মনে রাখা জরুরী, সেটা হলো একটি ভালো ফটো তুলে পুরস্কার পাওয়া যতোটা গুরুত্বপূর্ণ ততোটাই দরকারি অপর ফটোটি কেন ভালো হলো না, সেটি জানা। মনে রাখবেন, একই বিষয়ের একই অ্যাঙ্গল থেকে তোলা দু’জনের দুটি ফটোগ্রাফ মান বিচারে দুই রকম হতে পারে। আসুন একটি উদাহরণ থেকে সেটি বিবেচনা করা যাক।

চায়নার তিয়েনআনমেন স্কয়ারে সাঁজোয়া ট্যাংক বহরের সামনে দাঁড়ানো নির্ভীক সেই সাদা শার্ট গায়ে যুবকের কথা হয়তো অনেকেরই মনে থাকবে। সে দিনের সেই ঘটনার ফটো প্রায় একই অ্যাঙ্গল থেকে তুলেছিলেন অনেকেই। এপি, এএফপি, রয়টার্স, ম্যাগনাম, বাঘা বাঘা সব নিউজ মিডিয়ার ফটোগ্রাফার ছিলেন সেখানে। কিন্তু শেষ বিচারে ওই বছরের ওয়ার্ল্ড প্রেস ফটো জিতে নেন নিউজউইক ম্যাগাজিনের চার্লি কোল। একই ফটো তো অনেকেই তুলেছিলেন, তাহলে নিউজউইকের ফটোগ্রাফার কেন পাবেন পুরস্কার? বাকিরা কি দোষ করলো? কারণটি দেখুন ওপরের উদাহরণে।

এপির ফটোগ্রাফার জেফ ওয়াইডেনার যে ছবি তুলেছেন তাতে চোখ বারবার চলে যায় সাদা স্ট্রিট লাইটের দিকে। এই ছবিটার ওপরের দিকে বেশ খানিকটা জায়গা অন্ধকার হয়ে আছে, সেখানে একটি গাড়ির কেবল বাম্পারটি দেখা যাচ্ছে- তাও আপনার দৃষ্টি খানিকটা কেড়ে নেবে। অপরদিকে চার্লি কোলের তোলা ছবিতে আপনি দুটো ‘ঝামেলা’র কোনোটিই পাবেন না। সেইসঙ্গে চার্লি আরো চালাকি করেছেন কম্পেজিশনে। ওয়াইডেনারের ছবিতে সবচেয়ে পেছনের ট্যাংকের পর দেখুন খানিকটা খালি জায়গা আছে। এ খালি জায়গা বলে দেয় ট্যাংক ওখানে চারটিই ছিল। অপরদিকে চার্লি কোলের ছবিতে চার নম্বর ট্যাংকের ফিগারটি ইচ্ছে করেই পুরোটা রাখা হয়নি। এ ছবিটি দেখলে এমন অনুভূতি জাগে যে, ওই লাইনে অসংখ্য আর্টিলারি ট্যাংক ছিল। সামনে দাঁড়ানো যুবকের সাহস বোঝানোর জন্য চার্লির ছবিটি অনেক পাওয়ারফুল। অথচ, আলাদা আলাদাভাবে দেখলে ছবি দুটিকে অনভিজ্ঞ চোখে মনে হবে একই রকম।

নিউজ ফটোগ্রাফি বিচার করলে এমন অনেক উদাহরণ পাওয়া যাবে।
শেষ করার আগে চলুন কম্পোজিশন বিষয়ে কিছু টিপসের খোঁজ নেয়া যাক। এ টিপসগুলো বিভিন্ন বইতে হরহামেশাই পাওয়া যায়, অনলাইন নাগালের মধ্যে থাকলে সেখানেও পাবেন অনেক টিপস। এমন অনেক টিপস থেকে লাগসই কয়েকটা মিলিয়ে নিন নিজের অভিজ্ঞতার সঙ্গে।

০১· ফ্রেমের ভেতরে পুরো স্থানটুকু ফিল আপ রাখার চেষ্টা করুন। আর যদি স্পেস খালি রাখতে চান, তবে ভেবে দেখুন খালি রাখার জন্য যথেষ্ট যুক্তি আছে কি না।

০২· সাবজেক্ট যতোটা গুরুত্বপূর্ণ ততোটাই গুরুত্ব দিন ব্যাকগ্রাউন্ডকে। খুব ভালো সাবজেক্টের ছবিও ব্যাকগ্রাউন্ড খারাপ হওয়ার কারণে আবেদন হারাতে পারে।

০৩·ভিউফাইন্ডারে তাকানোর আগেই কল্পনায় বোঝার চেষ্টা করুন ঠিক কতোটুকু অংশ আপনি ফ্রেমের মধ্যে রাখবেন। আর কোন বিষয়গুলি অবশ্যই ফ্রেমের বাইরে রাখা উচিৎ।

০৪·ছবি তোলার সময় একটি পোর্টেট (খাড়া) ও একটি ল্যান্ডস্কেপ (আড়াআড়ি) ফরম্যাটে স্ন্যাপ নিয়ে রাখুন।

০৫· আলো কম বেশি, রঙের তীব্রতা কম-বেশির মতো বিষয়গুলোর ব্যাপারে সচেতন থাকুন।

০৬· ভালো ফটোগ্রাফার হতে হলে ভালো ছবি দেখার কোনো বিকল্প নেই। যখন কোনো ফটোগ্রাফ আপনার খুব ভালো লাগে তখন সেই ফটোগ্রাফটির কম্পোজিশন খেয়াল করুন। চারকোনা ফ্রেমের ভেতর দরকারি এলিমেন্টগুলোর অবস্থান বোঝার চেষ্টা করুন।

০৭· খালি চোখে আমরা যতো বিষয় দেখি তার সবই মাটি থেকে মোটামুটিভাবে সাড়ে পাঁচ ফিট ওপর থেকে দেখি। ছবি তোলার সময় সব সাবজেক্টই যে একই উচ্চতা থেকে তুলতে হবে তেমন কোনো আইন নেই। চেষ্টা করম্নন সাধারণ উচ্চতা থেকে বেশ খানিকটা নিচে বা উপরে ক্যামেরা রেখে ছবি তুললে ফলাফল কি দাঁড়ায়। কোনো কোনো ক্ষেত্রে এটা নাটকীয় ছবি তৈরি করে। মোট কথা, সাধারণ দৃষ্টিভঙ্গির বাইরে বিষয়টি অন্য কোনো ভাবে, অন্য কোনো এঙ্গলে দর্শককে দেখানো যায় কিনা যাচাই করুন।

=======================================
এ আর্টিকলটি এর আগে ছাপা হয়েছিল যায়যায়দিনের ক্যামেরা পাতায়

 

সর্বশেষ এডিট : ০৩ রা সেপ্টেম্বর, ২০০৮ দুপুর ২:১১ | বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...

 

২. ০৩ রা সেপ্টেম্বর, ২০০৮ দুপুর ২:০১
আসিফ আহমেদ বলেছেন: চমৎকার একটি পোস্ট....+
৩. ০৩ রা সেপ্টেম্বর, ২০০৮ দুপুর ২:০১
তপন চৌধুরি বলেছেন: ভাল লাগল লেখাটি পড়ে৷
৪. ০৩ রা সেপ্টেম্বর, ২০০৮ দুপুর ২:০২
ক্ষুদ্র বলেছেন: হুমমম .... জানার আছে অনেক কিছু ।

৬. ০৩ রা সেপ্টেম্বর, ২০০৮ দুপুর ২:০৩
বিরক্তিকর বলেছেন: চমৎকার।
ধন্যবাদ লেখককে।
০৩ রা সেপ্টেম্বর, ২০০৮ বিকাল ৩:২৬

লেখক বলেছেন: "বিরক্তিকর বলেছেন: চমৎকার।"

ফটোগ্রাফির ভাষায় বলা যায়, হাই কনট্রাস্ট কমেন্ট!

৭. ০৩ রা সেপ্টেম্বর, ২০০৮ দুপুর ২:০৪
মুহিব বলেছেন: ভাল কিছু শিখলাম। ধন্যবাদ
৮. ০৩ রা সেপ্টেম্বর, ২০০৮ দুপুর ২:০৪
হাসান বিপুল বলেছেন: আমার মতে এ বিষয়ে লেখা অনেক বড় ও বিশ্লেষণ সহ থাকা উচিৎ ছিল। আপনাদের পছন্দ আমার বাড়তি পাওনা।
৯. ০৩ রা সেপ্টেম্বর, ২০০৮ দুপুর ২:০৭
লাল পিপড়া বলেছেন: রিপোস্ট নাকি ? কালকে দেখছি মনে হয়
০৩ রা সেপ্টেম্বর, ২০০৮ দুপুর ২:০৮

লেখক বলেছেন: কাল পোস্ট করে আবার মুছে দিয়েছিলাম। সঙ্গের ছবিটি এডিট করে আজ পোস্ট দিলাম। আপনার মনোযোগ আছে দেখে ভাল লাগল।

১১. ০৩ রা সেপ্টেম্বর, ২০০৮ দুপুর ২:০৯
আমিনুল ইসলাম বলেছেন: দারুণ। ফটোগ্রাফিতে আমার অসাধারণ আগ্রহ আছে। আপনাকে ধন্যবাদ। আশা করছি ভবিষ্যতে এজাতীয় পোস্ট পাব।
১২. ০৩ রা সেপ্টেম্বর, ২০০৮ দুপুর ২:০৯
অ রণ্য বলেছেন: চমৎকারে পোষ্ট
১৩. ০৩ রা সেপ্টেম্বর, ২০০৮ দুপুর ২:১০
হাসান বিপুল বলেছেন: যদি আপনাদের ভালো লাগে তবে এমন ছোট ছোট আর্টিকল আরো শেয়ার করার ইচ্ছে আছে। এখন তো প্রায় সব বাড়িতেই ডিজিটাল ক্যামেরা আছে।
১৪. ০৩ রা সেপ্টেম্বর, ২০০৮ দুপুর ২:১৩
বিরক্তিকর বলেছেন: ডিজিটাল ক্যামেরার অটো আর ম্যানুয়েল এর পার্থক্য জানতে চাই।

ম্যানুয়েল ছবি তুললে কি কি বিষয় খেয়াল রাখা উচিত?
০৩ রা সেপ্টেম্বর, ২০০৮ দুপুর ২:২৩

লেখক বলেছেন: অটো সেটিংসে ক্যামেরা নিজেই শাটার স্পিড, অ্যাপারচার ও আইএসও সেট করে নেয়। ম্যানুয়াল সেটিংসে আপনি নিজে এগুলো সেট করে দিতে পারবেন। এটা হলো এক কথায় পার্থক্য।

দুই কথায় পার্থক্য হলো, ছবি তোলার সময় বেশ কিছু পরিস্থিতি আসে যখন ক্যামেরার অ্যাভারেজ বিবেচনার ওপর আস্থা রাখা যায় না, তখন আপনাকেই সেট করে দিতে হবে সেটিংগুলো।

আরো বিশ্লেষণ করে বলতে গেলে বড় আকারের পাচটি পোস্ট লিখতে হবে।

১৫. ০৩ রা সেপ্টেম্বর, ২০০৮ দুপুর ২:১৪
লাল পিপড়া বলেছেন: আপনে একটা টিউটোরিয়াল দেন কেমনে হুট কইরা স্বল্প সময়ে ভাল ছবি তুলতে হয় । ফটো এক্সাম্পল সহ
০৩ রা সেপ্টেম্বর, ২০০৮ বিকাল ৩:২৩

লেখক বলেছেন: আপনার প্রশ্নের উত্তরে একটা গল্প বলি...

ম্যানহাটনের কার্নেগি হল ক্লাসিকাল মিউজিক কনসার্টের জন্য বিখ্যাত। অনেক বড় শিল্পীর জন্যই সেখানে বাজাতে পারা সৌভাগ্যের বিষয়। তো সেই কার্নেগি হলে যাবেন এক ভদ্রলোক। কোন রাস্তা দিয়ে যেতে হয় জানেন না। তিনি খুজে পেতে ম্যানহাটনের এক ভবঘুরে লোক, যে কিনা ফুটপাথে দাঁড়িয়ে বেহালা বাজায় আর ভিক্ষা করে, তাকে গিয়ে ধরলেন।

আচ্ছা ভাই, কার্নেগি হলে যাবার পথটা বলতে পারো?

প্র্যাকটিস ম্যান, প্র্যাকটিস... চোখ বন্ধ করে ভবঘুরে বেহালা বাদক উত্তর দিলো।

১৬. ০৩ রা সেপ্টেম্বর, ২০০৮ দুপুর ২:১৫
চাচামিঞা বলেছেন: ভালো পোস্ট, আসলে এমনই হওয়া উচিত। +
১৭. ০৩ রা সেপ্টেম্বর, ২০০৮ দুপুর ২:২০
সাদাকালোরঙিন বলেছেন: ভালো লাগলো। সামনে আরো বিশদ বিশ্লেষন চাই।
১৮. ০৩ রা সেপ্টেম্বর, ২০০৮ দুপুর ২:২১
মুহিব বলেছেন: আরো লিখুন
১৯. ০৩ রা সেপ্টেম্বর, ২০০৮ দুপুর ২:৩৮
ডালটন বলেছেন: চমৎকার। টিপস গুলো ভাল। ++
২০. ০৩ রা সেপ্টেম্বর, ২০০৮ বিকাল ৩:০৭
নাফিস ইফতেখার বলেছেন: দারুন পোস্ট......প্লাস......
২১. ০৩ রা সেপ্টেম্বর, ২০০৮ বিকাল ৩:৩২
দূরন্ত বলেছেন: এতোদিনে আপনি আপনার সুন্দর লেখাগুলো ব্লগে দেওয়া শুরু করলেন। খুব ভালো লাগলো। এতোদিন এ লেখাগুলো মিস করতাম....

শুভেচ্ছা রইলো....
০৩ রা সেপ্টেম্বর, ২০০৮ বিকাল ৩:৪২

লেখক বলেছেন: আপনি লেখা মিস করেন আর আমরা রসিক অথচ স্বল্পবাক ছেলেটাকে মিস করি।

২২. ০৩ রা সেপ্টেম্বর, ২০০৮ বিকাল ৩:৩২
আহসান হাবিব শিমুল বলেছেন: ২য় ছবিতে সাদা ল্যাম্পোষ্ট আর গাড়ির উপস্থিতি দেখে সহজেই এইটার কম্পোজিশনের দূর্বলতা বুঝা যায়।

কিন্তু চারটা ট্যাংকের সবগুলো না দেখিয়ে ট্যাংকের সারি বোঝাতে প্রথমছবির ফটোগ্রাফার যে মুনশিয়ানা দেখিয়েছেন তা এককথায় অসাধারণ।

তবে এই লেখাটা না পড়লে আমার চোখে তা কোনদিনই ধরা পড়তো না।:(
২৩. ০৩ রা সেপ্টেম্বর, ২০০৮ বিকাল ৩:৩৬
রহস্য বলেছেন: + দিলাম ও প্রিয়তে যুক্ত করলাম।
২৪. ০৩ রা সেপ্টেম্বর, ২০০৮ বিকাল ৩:৫১
লাল পিপড়া বলেছেন: গত দশ বছর নাইকন মিনলটা লইয়া গুতাগুতি করতেছি । এখনও হাত পরিষ্কার হয় নাই। যে সব ফটো মনে করি বাজে হবে ঐ গুলাই ভাল ফটো হয় ।

এজন্যই হেল্প চাই ।
২৫. ০৩ রা সেপ্টেম্বর, ২০০৮ বিকাল ৪:৪৪
কালপুরুষ বলেছেন: চমৎকার পোস্ট।
২৬. ০৩ রা সেপ্টেম্বর, ২০০৮ বিকাল ৪:৫৭
হাসান বিপুল বলেছেন: হায় হায়, আমার উত্তর মুছে নতুন করে লিখতে গিয়ে একজনের কমেন্ট সহ মনে হয় মুছে ফেলছি। কমেন্ট যারই হোক, এ মুছে ফেলা একেবারেই অনিচ্ছাকৃত।
২৭. ০৩ রা সেপ্টেম্বর, ২০০৮ বিকাল ৫:০৮
চন্দন বলেছেন: শোকেসে রাখলাম
২৮. ০৩ রা সেপ্টেম্বর, ২০০৮ রাত ১১:২৮
লিপিকার বলেছেন: অসাধারন পোস্ট.........+++
২৯. ০৪ ঠা সেপ্টেম্বর, ২০০৮ রাত ১২:২০
ফারহান দাউদ বলেছেন: "আরো বিশ্লেষণ করে বলতে গেলে বড় আকারের পাচটি পোস্ট লিখতে হবে।"
তাই লিখেন,এত কাজের লেখা বড় হলেও পড়তে আপত্তি নেই।
০৯ ই জুন, ২০০৯ বিকাল ৫:২৮

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ আপনাকে।

৩৫. ২৭ শে আগস্ট, ২০১০ রাত ১২:৪৬
কাঊসার রুশো বলেছেন: চমৎকার একটি পোস্ট....+

 

মোট সময় লেগেছে ০.৯৪৪৫ সেকেন্ড

 

সামহোয়‍্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব‍্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...
© সামহোয়্যার ইন...নেট লিমিটেড | ব্যবহারের শর্তাবলী | গোপনীয়তার নীতি
আর এস এস ফিড

পোস্ট আর্কাইভ

আমার লিঙ্কস

আমার বিভাগ