আমার প্রিয় পোস্ট
- বারাক ওবামা এবং সেই কৃষ্ণাঙ্গ মার্কিন প্রেসিডেন্টদের গল্প... - যুবােয়র হাসান
- অন্তর্জালে আমি কাদের কাদের পুন মার্তে চাই? - পাগলা গারদের ওয়ার্ডেন
- আজ বিশ্ব শালা-শালি দিবস
- নাফিস ইফতেখার
- ব্লগিং করার সুবিধার্তে সা,ই, এ - দুঃখবিলাস
- অর্থনীতি ব্লগ: আয়কর রিটার্ণ যাদের দিতেই হবে - শওকত হোসেন মাসুম
- পরশুরামের কুঠার অথবা জিন্দা লাশের আয়ুষ্কাল - ফারুক ওয়াসিফ
- যেকোন Webpage থেকে বিজ্ঞাপন অপসারন করুন, বিজ্ঞাপনহীন ওয়েবের জগতে আপনাকে স্বাগতম! - নাফিস ইফতেখার
- চ্যাট করুন ইন্টারনেট সংযোগ ছাড়াই - তারকে
- গুগল বুকস থেকে বই ডাউনলোড করবেন যেভাবে - অনিকেত প্রান্তর
- XP Genuine করুন : Microsoft এর মাথায় কাঁঠাল ভেঙে খান - নাফিস ইফতেখার
- এ্যাডমিনিস্ট্রেটরের পাসওয়ার্ড খোলা - পথিক মানিক
- "এক ক্লিকে দুই সার্চ ইঞ্জিন" Google and Yahoo! Search Result Side by Side - প্রচেত্য
স্ট্রিট ফটোগ্রাফি : একটি উদাহরণ ও টুকটাক কাজের কথা
১৪ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৮ দুপুর ১২:০২
আইজেনস্টাডের বিখ্যাত ছবি। এ দুজনের একজন ছিলেন নাবিক আরেকজন নার্স। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে জাপান পরাজয় মেনে নিলে একেবারেই অপরিচিত এ দুজন আরো অনেকের মতো আনন্দে নেমে এসেছিলেন নিউ ইয়র্কের টাইম স্কোয়ারে।
স্ট্রিট ফটোগ্রাফি কি? এর মানে কি পথে পথে ছবি তুলে বেড়ানো? অনেকটা তাই। এর বৈশিষ্ট্য হলো ক্যান্ডিড শট। হতে পারে বিভিন্ন পাবলিক প্লেসে যেমন পথে, পার্কে, সি বিচে, শপিং মলে এমনকি পলিটিকাল মুভমেন্টে।
ফটোগ্রাফির ভাষায় এটি স্ট্রেইট ফটোগ্রাফির মধ্যে পড়ে। অর্থাৎ যা যেভাবে আছে, সেভাবেই ছবিতে তুলে আনার চেষ্টা। যেন সমাজের একটি আয়না। এ কারণেই স্ট্রিট ফটোগ্রাফি অনেক সময়েই হয়ে ওঠে আইকনিক, বিশেষ করে যখন তা কোনো একটি বিশেষ বিষয় ও সময়কে নির্দেশ করে। উদাহরণ হিসেবে বলা যায়, আলফ্রেড আইজেনস্টাড-এর নিউ ইয়র্ক টাইমস স্কয়ারে তোলা দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে আমেরিকার বিজয়ের ফটো। (ওপরের ছবিটি)
বেশির ভাগ ক্ষেত্রেই দেখা যায় স্ট্রিট ফটো স্রেফ একটি বিষয়কে উপস্থাপন করে। এ শ্রেণীর ফটোর আরো একটি দিক হলো এতে সব সময় ফটোগ্রাফারকেই অ্যাপ্রোচ করতে হয় ছবি তোলার জন্য। এর মানে এ নয় যে, আপনি প্রত্যেকের কাছে গিয়ে বলবেন, প্লিজ, আপনার একটি ছবি তুলতে চাই। এমন করলে বরং আপনার ছবি স্বতঃস্ফূর্ততা হারাবে। তবে ছবি তোলার উদ্যোগটি নিতে হবে আপনাকেই। এ তথ্য থেকে আরো একটি বিষয় পরিষ্কার হয়ে যাওয়ার কথা। সেটি হলো এটি কোনো লাজুক ফটোগ্রাফারের কাজ নয়। আর যদি লাজুকতা থাকেই তবে তা দূর করার কাজটি নিজেকেই করতে হবে। যেমনটা পেরেছিলেন ব্রেসো। মজার ব্যাপার হলো, অতীত ঘাটলে দেখা যায় অনেক বিখ্যাত স্ট্রিট ফটোগ্রাফারই ক্যারিয়ারের শুরুতে যথেষ্ট শাই বা লাজুক ছিলেন।
লাজুকতার এ তথ্যটিকে একটু অন্যভাবে ব্যাখ্যা করলে কেমন হয়? সে ব্যাখ্যাটি হলো, ফটোগ্রাফার হিসেবে আপনি যদি লাজুক হয়ে থাকেন তবে আজ থেকেই স্ট্রিট ফটোগ্রাফির চর্চা শুরু করুন। এ শুরুটি করতে পারেন আপনার বাড়ির সামনের রাস্তাটি থেকেই, যেখানে আপনার পরিচিত লোকজন আছে। যারা আপনার ছবি তোলা দেখে তেড়ে মারতে আসবে না।
এভাবে বিষয়টি একটু ইজি হয়ে এলে না হয় একটু দূরে কোথাও যান ছবি তুলতে। প্রথমে অপরিচিত লোকজনের দিকে ক্যামেরা সরাসরি না-ই ধরলেন। অথবা টেলি লেন্স ব্যবহার করে দেখতে পারেন। এ সংক্রান্ত একটি কৌশল পাবেন স্টিভ ম্যাককারির কাছ থেকে। তিনি কোনো এলাকায় গিয়েই ছবি তুলতে শুরু করেন না। প্রথমে আশপাশের লোকদের সময় দেন যাতে তারা অপরিচিত এ ফটোগ্রাফারের উপস্থিতি ভুলে যেতে পারে। তারপর তিনি ছবি তুলতে শুরু করেন।
ব্রেসো আরো মজার কাজ করতেন বলে জনশ্রুতি আছে। তিনি তার ছোট্ট লাইকা ক্যামেরাটি হাতের রুমাল দিয়ে পেচিয়ে নিতেন। মাঝে মধ্যে তিনি হাতটি মুখের কাছে তুলে আনতেন যেন মনে হয় তিনি নাক মুছছেন। আর ওই ফাকে ছবি তুলে নিতেন।
আরো একটি পদ্ধতি অনেক ফটোগ্রাফার ব্যবহার করেন। একেবারে হালকা মেজাজে টুরিস্টের মতো ছবি তুলতে বের হন এরা। ফলে আশপাশের লোকজন এদের দিকে তেমন মনোযোগ দেয় না। অবশ্য বাংলাদেশে এতেই লোকজনের আগ্রহ বেড়ে যেতে পারে অনেক গুণ।
তবে, স্ট্রিট ফটোগ্রাফির আসল লক্ষ্য হলো লোকজনের অলক্ষ্যে কোনো পাবলিক প্লেসের প্রাণ স্পন্দনটি তুলে আনতে পারা।
=============
যাযাদি, ১৯-০২-০৮
=============
মুহিব বলেছেন:
ভাল পোস্ট
আরণ্যক যাযাবর বলেছেন:
প্রথমে আশপাশের লোকদের সময় দেন যাতে তারা অপরিচিত এ ফটোগ্রাফারের উপস্থিতি ভুলে যেতে পারে। তারপর তিনি ছবি তুলতে শুরু করেনএইটা বোধহয় খুব জরুরী।
সবাই আটকে যায় এইখানে। ক্যামেরা আছে, কিন্তু ছবি তোলা কি ঠিক হবে? কিংবা যার ছবি তুলছেন, তিনি বা তারা ক্যামেরা র কথা চিন্তা করলে সেটা মেকি মনে হবে।
লেখক বলেছেন: জ্বি, স্টিভ ম্যাককারি যিনি পাকিস্তানে শরণার্থী আফগান কিশোরীরর বিখ্যাত ছবিটি তুলেছিলেন Click This Link তিনি এ কথা অনেকবার বলেছেন। অন্তত তিনটি ভিডিওতে ম্যাককারির মুখে আমি এটি শুনেছি।
মন মণষা বলেছেন:
চমৎকার লেখা...ফটোগ্রাফী নিয়ে লেখা চলতে থাকুক।
আরণ্যক যাযাবর বলেছেন:
হ্যা, এই ছবিটা খুব বিখ্যাত।
তারপরে আছে মানবিক দিক। কোন একটা বড় দুর্ঘটনা বা সংঘর্ষ হচ্ছে। আহত মানুষের বা সেই দৃশ্যের ছবি তুললে বলা হতে পারে, ফটোগ্রাফার সেখানে কী করছিলেন। তিনি কেনো এগিয়ে যান নি।
লেখক বলেছেন: "কোন একটা বড় দুর্ঘটনা বা সংঘর্ষ হচ্ছে। আহত মানুষের বা সেই দৃশ্যের ছবি তুললে বলা হতে পারে, ফটোগ্রাফার সেখানে কী করছিলেন। তিনি কেনো এগিয়ে যান নি।"
- এ বিষয়ে একটি পোস্ট দেবার ইচ্ছে আছে।
তানভীর আহমেদ সজীব বলেছেন:
সুন্দর পোষ্ট...নিয়মিত ফটোগ্রাফি বিষয়ক এ ধরনের পোষ্ট আশা করছি...আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ...
যীশূ বলেছেন:
টেলি লেন্স খুব কাজে দেয়। পকেটের মোবাইলের ক্যামেরা চলতি পথের ছবি তুলতে খুব সাহায্য করে।
লেখক বলেছেন: হ্যা, সীমাবদ্ধতা থাকলেও ক্যান্ডিড শটের জন্য মোবাইল ফোন মজার টুল।
মোঃ আশিকুর রহমান জিতু বলেছেন:
ভাল
হাসান বিপুল বলেছেন:
মুহিব, মন মণষা ও তানভীর আহমেদ সজীব, আপনাদের উৎসাহ পেয়ে ভালো লাগলো।
মুকুল বলেছেন:
পোস্টের জন্য ধন্যবাদ হাসান বিপুল ভাই।
লেখক বলেছেন: ভাইরে, আমি শর্ট মানুষ। ধন্যবাদ দিয়ে আরো ছোট কেন করেন? (বিনয়ের অবতার আর কি! আসলে ভালো লাগছে।)
নীল লাল সবুজ বলেছেন:
চমৎকার পোষ্ট!
আমি ১২-১৪ মেগা পিক্সেলের কেমেরা কিনতে চাইতেছি।
লেখক বলেছেন: ১২ মেগাপিক্সেল হলে সস্তায় পাবেন, এর বেশি যেতে চাইলেই দাম এক লাফে অনেকটা বেড়ে যাবে।
সনি মাত্র ডিএসএলআর তৈরিতে হাত দিল আলফা সিরিজের মাধ্যমে। আমি হলে এখনই সনি কেনার রিস্ক নিতাম না।
সনি ভালো কম্পানি, সন্দেহ নেই। কিন্তু নতুন প্রডাক্ট সিরিজের বেলায় অনেক সময়ই খুচরা কিছু সমস্যা থেকে যায়। যেমন ধরেন র' ফরমাটের ছবি এডিট করার জন্য হয়তো প্লাগইন ঠিকমতো কাজ করছে না, সবচেয়ে বড় সমস্যা যেটা হবে, তা হলো- কোনো সমস্যা হলে অনলাইন ডিসকাশন ফোরামে গেলে নিকন বা ক্যাননের বেলায় চট করে সমাধানস পাওয়া যায়। কিন্তু এখনো কোনো প্রফেশনাল ফটোগ্রাফার যেহেতু সনি ব্যবহার করছে না, তাই অভিজ্ঞদের পরামর্শ আপনি পাবেন না।
নিকন আর ক্যাননের মধ্যে আমার পছন্দ ক্যানন। কারণ-
কারণ ০১. ক্যানন লো লাইটে ভালো পারফরমেন্স দেয়।
কারণ ০২. ঢাকায় ক্যাননের ডিলার আছে, কাজেই ওয়ারেন্টি পাওয়া যাবে।
১২.১ মেগাপিক্সেলের ক্যাননের পাবেন ৪৫০ডি। বাংলাদেশী টাকায় ৬০ হাজারের কম হবে দাম। ফিচার জানতে হলে Click This Link
আরো একটু ভালো চাইলে ১৫ মেহাপিক্সেলের ৫০ডি পাবেন, সেমি প্রফেশনাল ক্যামেরা, দাম লাখের একটু বেশিই হবে হয়তো। ফিচার জানতে হলে Click This Link
তাইলে ক্যানন টাই নিলাম আর ছোটবেলার থেকে ছবি তোলার ইচ্ছাটা প্রবল সামর্থে কুলায় নাই তাই নেয়া হয়নাই এখন চাইতেছি কষ্ট করে হইলেও একটা কেমেরা নিবো
প্রফেশনাল যেহুত না টাই ১২.১ মেগাপিক্সেলের ক্যানন টাই আমার জন্য ভাল হবে
আবার ও আপনারে বড় একটা ধন্যবাদ
মনজুরুল হক বলেছেন:
ইবার তুমারে ছিনিছি বিপুল !! ভাল তো ? দেখা হয়না কেন ?
লেখক বলেছেন: যথেষ্ট ভালো। আমরা বোধ হয় অতি অলস বা অতি ব্যস্ত হয়ে গেছি মঞ্জু ভাই। অবশ্যই দেখা হওয়া উচিৎ।
অপু দি গ্রেট বলেছেন:
ভাইয়া কোনো ফটোগ্রাফী কম্পিটিশনে ছবি দিতে হলেকি শুধু এসএলআর কেমেরার ছবি গ্রহনযোগ্গ । আমি যদি কম্পেক্ট কেমেরায় এমনকি মোবাইলের কেমেরায় ভাল ছবি তুলতে পারি তাহলে কি হবে আর কেন।।আপনার ফেসবুক এডটা দিবেন প্লীজ।।
লেখক বলেছেন: গল্প বা রচনা লেখার প্রতিযোগিতায় কি বলা থাকে যে, ইকোনো কলমে লেখা গল্প গ্রহনযোগ্য নয়? তাহলে ছবির বেলায় এমন আইন থাকবে কেন?
তবে কোনো কোনো প্রতিযোগিতার পুরস্কার পাওয়া ছবি হয়ত আয়োজকরা পত্রিকা বা অন্য কোথাও বড় করে ছাপতে পারেন, তখন ছবির রেজুলিউশন একটি বড় ফ্যাক্টর। আর সে ক্ষেত্রে মোবাইলে তোলা ছবি সবার আগে বাদ হয়ে যায়। কোনো প্রতিযোগিতায় ডিজিটাল ছবি দেয়ার আগে নিয়ম-কানুনে ভাল করে দেখে নেবেন কত রেজুলিউশনের ছবি চেয়েছে।
তারপরও ফটোগ্রাফাররা এসএলআর ক্যামেরায় ছবি তোলা পছন্দ করেন, কারণ এতে ক্রিয়েটিভ অপশন অনেক বেশি ও সহজ থাকে।
লেখক বলেছেন: ক্যামেরা কিট হিসেবে কিনলে লেন্স একটা সঙ্গে দেয়াই থাকে। সম্ভবত ১৮-৫৫ মিলিমিটার এফ ৩.৫-৫.৬ লেন্স দেয়া থাকে। এটি সাধারণ মানের একটি লেন্স, তবে বিগিনারদের জন্য (ধরে নিচ্ছি আপনি বিগিনার) কাজ ভালোই চলে যাবার কথা। এর পর যদি আপনার আরো লেন্স দরকার হয়, তখন আপনার প্রয়োজনের ধরনই বলে দেবে আপনি ঠিক কোন লেন্সটি কিনবেন।
বাংলাদেশ থেকে লেন্স কিনলে কোনো সমস্যা নেই, যদি সস্তায় পাওয়া যায়।
তারার হাসি বলেছেন:
ধন্যবাদ পোস্টটির জন্য।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ গ্রহন করলাম।
আরিফ থেকে আনা বলেছেন:
চমৎকার পোস্ট


















