ছাগল দিয়ে কি হাল চাষ হয় ? হয় না। তেমনি সন্ত্রাসী যাদের রক্তে তারা কি চাইলেই তা ঝেড়ে ফেলতে পারে। ঐ বর্বর সাংসদ আজ শুধু একজন মহিলা সাংবাদিকের গায়েই হাত তোলেননি, হাত তুলেছেন আমাদের বিবেকের উপর। সাংবাদিকতা পেশাটি বাদ দিলেও একজন মহিলার উপর একজন পুরুষ হাত তোলেন কিভাবে ? উনি আবার মেয়র হওয়ার স্বপ্ন দেখেন। ধমক দিয়ে কি সব সত্য চাপা দেয়া যায়। আজ মিডিয়া থাকাতে এই সংবাদটি সবার সামনে এসেছে কিন্তু এমন কত ঘটনা যে প্রতিনিয়ত ঘটছে এদের দ্বারা যা আমরা জানতেও পারছি না। শুধু ভুক্তভোগীরাই জানেন আর আল্লাহর কাছে বিচার দিয়ে সান্তনা খোজেন।
আমাদের চাওয়া তাই একজন সভ্য জনপ্রতিনিধি, যার ব্যবহার ভালো হবে।
পুরো সংবাদ:
ঢাকা: বেসরকারি টেলিভিশন চ্যানেল আরটিভি’র রিপোর্টার ও ক্যামেরা পারসনসহ একটি ইউনিটকে লাঞ্ছিত করেছেন মিরপুরের আওয়ামী লীগ নেতা ও সংসদ সদস্য কামাল আহমেদ মজুমদার।
এ সময় আরটিভি’র স্টাফ রিপোর্টার অপর্ণা সিংহের গায়ে অনৈতিকভাবে হাত তোলেন কামাল আহমেদ মজুমদার।
তিনি অপর্ণাকে ধাক্কা দেন এবং বুম ও ক্যামেরা ধরে টানাটানি করেন। এ সময় মজুমদারের লোকজনও তার ওপর চড়াও হয়।
মঙ্গলবার সকালে রাজধানীর মনিপুর স্কুলে প্রাথমিক পর্যায়ে ছাত্র-ছাত্রীদের ভর্তির ব্যাপারে অভিভাবকদের কাছ থেকে অতিরিক্ত ২০ হাজার টাকা করে আদায় করছিলেন স্কুল কর্তৃপক্ষ।
এ ব্যাপারে আরটিভি’র ওই সাংবাদিক ইউনিট খোঁজখবর নিতে গেলে সংসদ সদস্য কামাল আহমেদ মজুমদার এবং তার সন্ত্রাসী বাহিনী তাদের ওপর চড়াও হয়।
আরটিভির সাংবাদিক অপর্ণা সিংহ বাংলানিউজকে বলেন, ‘সংসদ সদস্য কামাল আহমেদ মজুমদার আমার গায়ে হাত তুলেছেন। আমার বুম এবং ক্যামেরা ধরে টানাটানি করেছেন। এছাড়া স্কুলের অধ্যক্ষ ফরিদ উদ্দিন এবং উপাধ্যক্ষ রহিম আমার সঙ্গে চরম দুর্ব্যবহার করেছেন। এ ঘটনা আশপাশে জানাজানি হয়ে গেলে লোকজন ঘটনাস্থলে ছুটে আসে। এ সময় কামাল আহমেদ মজুমদার তার সাঙ্গপাঙ্গদের সঙ্গে নিয়ে গাড়িতে উঠে চলে যেতে চাইলে উপস্থিত লোকজন তাকে বাধা দেয় এবং এ ঘটনার তীব্র প্রতিবাদ জানায়।’
অপর্ণা বাংলানিউজকে আরও জানান, ওই সংবাদ টিমে ক্যামেরাম্যান সাঈদ হায়দার ও ক্রাইম রিপোর্টার ওসমান গনি বাবুলও ছিলেন। ক্যামেরাম্যানসহ সকলের সঙ্গেই খারাপ আচরণ করেন কামাল আহমেদ মজুমদার।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে কামাল আহমেদ মজুমদার বাংলানিউজকে বলেন, সম্পূর্ণ মিথ্যা, ভিত্তিহীন একটি অপপ্রচার চালানো হচ্ছে। সকালে আমার গার্ডিয়ানদের সঙ্গে মতবিনিময় সভা ছিল। আমি সেখানে যেতেই আরটিভির একজন মহিলা রিপোর্টোর বলে যে এই ছবি উঠা। আমি শুধু ক্যামেরা সরিয়ে দিয়ে চলে গেছি। পরে আমি বলেছি আপনাদের কারও কোনও প্রশ্ন থাকলে আসুন কথা বলি। কিন্তু তারা কেউ আসেনি।
সেইসঙ্গে কামাল আহমেদ মজুমদার অভিযোগ করে বলেন, যারা প্রতিবছর ভর্তি বাণিজ্য করে তারাই এ বছর ভর্তি বাণিজ্য করতে পারছে না তারাই আরটিভির ওই রিপোর্টাদের খবর দিয়ে এনেছে। আরটিভির ওই রিপোর্টারকে ধাক্কা দেওয়া কিংবা মারধর করার কোনও কারণ তো আমি দেখি না।
উল্লেখ্য, সংসদ সদস্য কামাল আহমেদ মজুমদার মনিপুর স্কুলের ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি।
সূত্র: বাংলানিউজ

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।

