আমার প্রিয় পোস্ট
- প্রবাসের পথে... (১) ওসাকার অলিগলি... - নতুন রাজা
- ইহুদিরা যুগে যুগে যেভাবে প্যালেষ্টাইন দখল করেছে - রিয়াজুল ইস্লাম
- সবাইকে জানাতে চাই! সবার সাহায্য চাই। - মহিউদ্দিন আহামেদ সৈকত
- যন্ত্র গণকের যন্তর মন্তর - ১ - রাগিব
- যুদ্ধবিষয়ক সিনেমা : হৃদয়ে দাগ কেটে যাওয়া ৫ টি মুভি (মহান মার্কিন সেনাদের বোরিং গুণগান বর্জিত) - মেহরাব শাহরিয়ার
- পোস্ট না পড়ে কিংবা অল্প পড়ে কিভাবে সুন্দর মন্তব্য করবেন? (নতুন ও কর্মজীবী ব্লগারদের জন্য পরামর্শ) - ফিউশন ফাইভ
- নবীজীকে দু'দিন স্বপ্নে দেখেছেন জেনারেল মঈন - আবু আব্দুল্লাহ মামুন
- অ্যাপোক্যালিপস ফিলিস্তিন - ফারহান দাউদ
- বড় হতে হতে আমরা কোথায় গিয়ে ঠেকেছি? - রুখসানা তাজীন
- স্টেরিওটাইপের কথকতা - রাগিব
- এই শীতে রাঙামাটি আসুন - ফজলে এলাহী
- জানতে চাই ঃ অনলাইনে আয় রোজগার - আবু সাঈদ আহমেদ
- রোগঃ- হেপাটাইটিস - *প্রতিফলন*
- ছাওয়াল ও জওয়াব ৪ : বক্রপথে শয়তানের কুমন্ত্রণা - বিপ্লব০০৭
- মসজিদ মাদ্রাসাগুলোকে ধর্মনিরপেক্ষ করা হোক - সালমা শহীদ
- মেঘের রাজ্যে - সৌম্য
- ভয়ঙ্কর সুন্দরী ১০জন - সৌম্য
- সার এর মুল্য হ্রাস প্রসংগেঃ - বাবুয়া
- সার এর মুল্য হ্রাস প্রসংগেঃ বাবুয়ার ব্লগ থেকে - নির্বাক হাসান
- আমার শৈশব-আমার সবচেয়ে সুখের দিন - সাতিয়া মুনতাহা নিশা
- সার কোম্পানীতে চাকরি চাহিয়া নজরদারির খপ্পরে!!
- এরশাদ বাদশা
- শ্রীলংকায় পিতা আদম (আঃ) এর পবিত্র পায়ের ছাপ এবং আদমের সেতু !! - জেমসবন্ড
- ৫তারা হোটেলে কামলার অভিঙ্গতা ০১ ( যদি কারুর কাজে লাগে) - নতুন
- আজ ইনজেকশন খাইতে হইব ! ভয়ে আছি !! - ঝড়ো হাওয়া
- রাঙিয়ে দাও রাঙিয়ে দাও আমার সত্ত্বাকে... - এম্নিতেই
- somewherein...... মাই লাভ, মাই প্যাশান!!! - বাবুয়া
- রাংগামাটি যাবেন ??

- শিবলী
- নবী - রাসূলদের সমাধিক্ষেত্র সমূহ এবং অন্যান্য ! - জেমসবন্ড
- আমরা বড় অসহায় - মুহম্মদ জায়েদুল আলম
- গাজায় কি হচ্ছে। - এস্কিমো
- ফিলিস্তিনে আসলে কি হচ্ছে? কোথায় এখন মানবাধিকার? ধিক্কার মানুষরুপী নর-খাদকদের! - বাংলার দাদা
- ঈদ স্পেশাল: ঈদে বাড়ি গেলেও কাছে থাকুন, সবসময়! - ত্রিভুজ
- আসেন, এমনি এমনিই একটু মিষ্টি মুখ করি ...
- আইরিন সুলতানা
- চিনে রাখুন : ইসরাইলপ্রিয় এক নারী ও টিভি চ্যানেল - সরকার মারুফ
- সামহোয়্যারইন ব্লগের কোন অপশনের কাজ কি? (১) - ত্রিভুজ
- মুসলিম ব্লগারদের জন্য কিছু কথা - আবূসামীহা
- টক অবদ্যা টেলিকম সেক্টরঃ ওয়াইম্যাক্স, একটু ধারনা। - পথচারী
- ওয়াইম্যাক্স (WiMAX ) এর ব্যবহার ...(২) - পথচারী
- ওয়াইম্যাক্স (WiMAX ) এর ব্যবহার ...(১) - পথচারী
- কেন নামায পড়েন : একটি সত্যিকারের নির্দোষ প্রশ্ন - আশীফ এন্তাজ রবি
- দেশে আসছে তৃতীয় প্রজন্মের মুঠোফোন সেবা - মেঘলা মানুষ
- Windows সফটওয়্যার এর লিনাক্স একুইভালেন্ট/অল্টারনেটিভ (১ম কিস্তি) - টেকনো
- ছেড়া তারের শেষ খবর - আশফাক সফল
- লিনাক্স :: একটি বিশ্বস্ত, শক্তিশালী এবং স্বপ্নের অপারেটিং সিস্টেম (ইতিহাস, ইন্সটল, ব্যবহার) - পাপী
- আওয়ামী স্বর্ণযুগ : কিছু নমুনা - অভ্র
- "কেসপারস্কি-২০০৯ এন্টিভাইরাস ফুল ভারসন" ক্রেকসহ ফ্রি ডাউনলোড করুন। - লুলুপাগলা
- ভূত নিয়ে চতুর্থ সত্য ঘটনা..... (শেষ পর্ব) - ইউনুস খান
- কাচ্চি বিরিয়ানী রেসেপি - মাহবুব সুমন
- নবীনদের জন্য - নাদান
- সকল ব্লগারের নামের লিস্ট ও লিংক এক জায়গায় জড়ো করা হচ্ছে, আপনারা সহযোগীতা করুন - বহুরূপী মহাজন
- মাংসের ঝুরি কোরমা - জরিণা
- মোবাইলের একটা কল মানে........... - দিনমজুর
- মাল্টি ন্যাশনাল কোম্পানিগুলোর মাল্টি ডাইমেনশনাল প্রফিট ও আমাদের হতভাগা দেশের লাভ (একটি সহজ-সরল হিসাব) - বহুরূপী মহাজন
জার্নি টু 'সাজেক' - পাহাড়ের এক রানী ।
১৫ ই এপ্রিল, ২০০৯ সন্ধ্যা ৭:২৪
কিছুদিন পুর্বে সাজেক গিয়েছিলাম কোনো একটা কাজে। অসম্ভম রকমের চোখ ধাঁধানো সুন্দর জায়গা বলে কিছু ছবি তুলে এনেছিলাম। পাঠকদের জন্য দিলাম, আশা করি ভাল লাগবে।
সাজেকের সংক্ষিপ্ত পরিচিতি:
রাঙামাটির জেলার বাঘাইছরি উপজেলার একটি ইউনিয়ন সাজেক। বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় ইউনিয়ন সাজেক আয়তনে বিশাল, বাংলাদেশের অনেক উপজেলার চেয়েও আয়তনে বড়। এটির অবস্হান খাগড়াছড়ি জেলা থেকে উত্তর-পুর্ব দিকে। মুল সাজেক বলতে যে স্হানকে বুঝায় সেটি হলো 'রুইলুই' এবং 'কংলাক' নামের দুটি বসতি, স্হানীয় ভাষায় 'পাড়া'। সমতল ভুমি থেকে প্রায় ১৮০০ ফুট উচ্চতায় অবস্হিত 'রুইলুই' এবং 'কংলাক' বসতি, (এই উচ্চতা আমার নিজের মাপা জিপিএস দিয়ে)। রুইলুই-এর উচ্চতা কিছুটা কম, প্রায় ১৭৮০ ফুট; সবচেয়ে উচু হলো কংলাক পাড়া, প্রায় ১৮০০ ফুট।
রুইলুই এবং কংলাক থেকে ভারতের মিজোরাম রাজ্য বেশ কাছাকাছি, হাটার দুরত্ব প্রায় দুই ঘন্টার। এজন্য সেখানকার মানুষের জীবনযাত্রায়, পোষাক-পরিচ্ছদে আধুনিকতার ছাপ পড়েছে। মেয়েরা প্রায় সবাই পশ্চিমা স্টাইলে জিন্স প্যান্ট, গেন্জি বা টি-শার্ট পরিধান করে থাকে। তাদের প্রায় সবারই ছেলেমেয়েকে বাংলাদেশের কোনো শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে না দিয়ে মিজোরামের উন্নত এবং ইংলিশ মিডিয়াম স্কুল-কলেজে পড়ালেখার জন্য পাঠায়। একারনে তাদের অনেকেই ইংরেজিতে কথা বলতে অভ্যস্ত। পাহাড়ী জীবনযাত্রায় তারাই সবচেয়ে উন্নত।
পাঠকদের জন্য কিছু ছবি :
১) সর্বশেষ কংলাকে উঠতে পাথরের সিড়ি
২) কংলাকের পাহাড়ের চুড়াটি পাথরের
৩) নিচে একটি পাড়া এবং দুরে ভারতীয় সীমানায় উচু পাহাড়ের সারি
৪) দিগন্তে পাহাড়ের সারি
৫) বিস্তীর্ন পাহাড়ের উপর মেঘের ছায়া
৬) পাহাড়ি বাঁশের জঙ্গল
৭) মেঘের সাগর
৮) মেঘের সাগরে পাহাড় মাথা উচু করে দাড়িয়ে
৯) পাহাড় ডুবে আছে মেঘের সাগরে
১০) উচুতে একা দাড়িয়ে সে, তাকে আমার ভাল লেগেছে
১১) এই স্হানটুকুই সম্ভবত সাজেকের সর্বোচ্চ স্হান
১২) কংলাকে যাওয়ার পথে এই উচু বটগাছটি দেখা গেল
১৩) সাজেকের অধিবাসীদের ঘরগুলো এমনই সুদৃশ্য
১৪) ওখানে অনেক কফি গাছ হয়, কফি গাছের ফল
১৫) এগুলো হলো কফি গাছ
সর্বশেষ এডিট : ১৬ ই নভেম্বর, ২০০৯ সন্ধ্যা ৬:২১ | বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...
দেবার্নব রায় বলেছেন:
পিলাচ.........।
লেখক বলেছেন: পিলাচের জন্য ধন্যবাদ।
তিথী ও টাটা বলেছেন:
বেশ ভাল লাগল
লেখক বলেছেন: আপনার ভাল লাগায় আমারও যে ভাল লাগলো !!!
ফিউশন ফাইভ বলেছেন:
স্মৃতিকাতর হয়ে পড়লাম ছবিগুলো দেখে। আমিও গিয়েছিলাম বছরখানেক আগে।১. সেনাবাহিনী সাজেক পর্যন্ত যে সড়কটি তৈরি করছে, সেটার কাজ কতদূর পর্যন্ত হয়েছে বলতে পারেন?
২. রুইলুই পাড়া ফেলে কংলাক বা কমলাকের পর আর কি যেতে পেরেছিলেন?
লেখক বলেছেন: কি উপলক্ষ্যে গিয়েছিলেন সেখানে ?
১। রাস্তাটিতে এখন মেরামতের কাজ চলছে, নতুন কালভার্ট ব্রিজ হচ্ছে। শীঘ্রই পুরোটা পাকা রাস্তা হয়ে যাবে।
২। সময়ের অভাবে কংলাকের পরে আর যেতে পারিনি। কংলাক পাড়াই সর্বোচ্চ পাহাড়, এরপর থেকে শুধু নিচে নামতে হয়, সামনে একটা স্কুল, এরপর কিছুদুর পরে একটা পাড়া আছে নিচে।
পরবর্তিতে আরো সামনে যাওয়ার ইচ্ছা আছে।
ধন্যবাদ পড়ার জন্য।
লেখক বলেছেন: এই আমাদের বাংলাদেশের এর চেয়েও চোখ জুরানো, চোখ ধাঁধানো রূপ আছে।
পরবর্তিতে আরো সুন্দর কিছু দেব আশা করছি।
শান্তির দেবদূত বলেছেন:
চমৎকার !! এত সুন্দর সুন্দর স্পট ও প্রাকৃতিক বৈচিত্র থাকার পরেও বাংলাদেশের পর্যটন শিল্প যে কেন ব্যাপ্তি লাভ করছে না !! সত্যিই চমৎকার .... আপনাকে অনেক অনেক ধন্যবাদ
লেখক বলেছেন: বাংলাদেশের পর্যটন শিল্পকে বিকশিত করানো হচ্ছে না।
প্রায় একযুগ ধরে বিভিন্ন উপলক্ষ্যে বাংলাদেশের পার্বত্য এলাকায় আমার যাতায়াতের এবং অবস্হানের অভিজ্ঞতা থেকে আমি বলতে পারি, যথাযথ পদক্ষেপ নিলে এই পার্বত্য চট্রগ্রাম হতে পারে বাংলাদেশের প্রধান আয়ের উৎস।
আপনাকেও অনেক ধন্যবাদ।
টিংকু ট্রাভেলার বলেছেন:
আমি একটা খবরদি। বাংলারপথের আগামী পর্বে সাজেক যাব। যে যে আমার সাথে যেতে চান তারা রবিবার রাত ৯:৩৫ মিনিটে চ্যানেল আইয়ের সামনে বসুন। তবে সিট বেল্টটা টাইট করে বাধবেন। সাজেকে রাস্তা বলে কথা। সাজেকর যেটুকু আমি দেখেছি সেটুকু আপনারাও দেখতে পাবেন।
টিংকু ট্রাভেলার বলেছেন:
জিহাদ সাহেবের সাজেকের ছবিগুলো অসাধারণ হয়েছে। প্রিয়তে রাখলাম।
লেখক বলেছেন: এই অধমের পোস্ট প্রিয়তে নিয়েছেন এজন্য নিজেকে ধন্য মনে করছি।
একেবারে নাম ধরে বললেন, মমম.........ম, কিছু একটা বুঝতে পারছি না।
ইমন জুবায়ের বলেছেন:
রাঙামাটির জেলার বাঘাইছরি উপজেলার একটি ইউনিয়ন সাজেক।এটা আমার জানা ছিল না। আমি ভেবেছিলাম সাজেক খাগড়াছড়ির উত্তরে। লেখাটায় তথ্যগত অসঙ্গতি রয়ে গেল।
লেখক বলেছেন: যদিও আমি সঠিক তথ্য উপর ভিত্তি করে লিখেছি, তারপরও আপনার কথাতে আবার চেক করলাম। সাজেক খাগড়াছরি জেলার উত্তর-পর্ব দিকে, ম্যাপ এবং আমার জিপিএস রিডিং তাই বলে। আপনি আরো ভালো করে যাচাই করে দেখবেন বলে আশা করি।
ইমন জুবায়ের বলেছেন:
তাহলে আমার লেখাটায় তথ্যগত অসংগতি রয়ে গেল। কী আর করা। আপনাকে ধন্যবাদ। সময় পেলে গল্পটা পড়বেন আশা করি।
লেখক বলেছেন: আপনার গল্পটা পড়ার ইচ্ছা আছে। এটাকে কোনোভাবে কপি করা যাবে তো ?
ফিউশন ফাইভ বলেছেন:
মারিশ্যায় একটি কাজ ছিল। পরে সাজেক গিয়েছিলাম মূলত ভ্রমণের উদ্দেশ্যে। সড়কের কাজ শীঘ্রই শেষ হবে জেনে ভালো লাগল। এরপরও এটি বাংলাদেশের বিপজ্জনক পথগুলোর একটি।হ্যাঁ, কংলাকের পর শুধুই নিচে নামা। পাহাড়ের ওপরের বাসিন্দারা ব্যবহারের জন্য বহু নিচ থেকে পানি আনে। খুবই কষ্টকর জীবন। সেই ঢালুতে বিডিআরের একটি ছোট্ট ক্যাম্প আছে। কংলাকের হেডম্যান একজন নেতৃস্থানীয় ত্রিপুরাকে আমাদের সঙ্গে গাইড হিসেবে দিয়েছিলেন। তিনি আমাদের সেই জীর্ণ স্কুলে নিয়ে গিয়েছিলেন।
ফিউশন ফাইভ বলেছেন:
সাজেকের সবকিছুই আসলে খাগড়াছড়ির সঙ্গে। অথচ বিস্ময় হল এই যে, সাজেকের প্রশাসনিকভাবে রাঙামাটির অন্তর্গত। পুরো বাঘাইছড়ি থানার অর্ধেকজুড়েই এই একটি ইউনিয়ন- সাজেক।
লেখক বলেছেন: সম্পুর্ন ঠিক বলেছেন। আমার কাছেও চিন্তার বিষয়।
জুল ভার্ন বলেছেন:
যেমন সুন্দর বর্ণনা তেমন সুন্দর ছবিগুলো। অনেক ধন্যবাদ।
লেখক বলেছেন:
তাই ? আপনার মন্তব্যে বেশ পুলকিত হলাম।
আপনাকেও অনেক ধন্যবাদ।
লেখক বলেছেন: আচ্ছা ঠিক আছে ।
মুহিব বলেছেন:
সাজেকের নাম এত শুনি। এত যে সুন্দর তা আগে জানতাম না। যাওয়ার লিস্টে রাখলাম।
লেখক বলেছেন: সত্যিই অনেক সুন্দর জায়গা। বেশি সময় নিয়ে যাবেন, দুর্গম রাস্তা।
ড়ৎশড় বলেছেন:
ছবিগুলো খুব চমৎকার।অসাধারণ।আপনাকে ধন্যবাদ আমাদেরকে এমন একটি লিখা দেয়ার জন্য।
সুমন১০৭ বলেছেন:
জটিল।
লেখক বলেছেন: কফি গাছ নিয়ে মনে হয় আপনার অনেক মজার স্মরনীয় স্মৃতি আছে ??? ![]()
লিখুন না এখানে , আমরাও হয়তো মজা পাব।
গ্ল্যাডিয়েটর বলেছেন:
সেনাসদস্যরা জীবনের ঝুকি নিয়ে অক্লান্ত পরিশ্রম করে সাজেক পর্যন্ত রাস্তা তৈরি করার সৌজন্যেই সাজেক যাওয়ার আপনার সৌভাগ্য হয়েছে ।যখন এখানে কোন রাস্তা ছিল না এই দূর্গম পথ কত কষ্টে পায়ে হেটে সেনাসদস্যরা টহল দিত তা আপনি কোনোদিনই অনুভব করতে পারবেন না ।
লেখক বলেছেন: খুব সম্ভব আপনি বাংলাদেশের আর্মির কোন সদস্য । সেটা যদি না হয় তাহলে আপনার অসম্ভব রকমের আর্মি প্রীতি আছে কোনো কারনে।
১) দুর্গম এলাকায় জীবনের ঝুকি নিয়ে অক্লান্ত পরিশ্রম করে রাস্তা তো শুধু আর্মিরাই করে না ! অন্য সিভিল সংস্থার লোকজনও করে থাকে । ওখানে আর্মি এবং অনেক সিভিল লোক মিলে কাজ করছে। এই কিছু দিন আগেও সেখানে কয়েকজন সিভিলিয়ান কর্মী সন্ত্রাসীদের হাতে নিহত হয়েছে।
আর সেনাসদস্যদের কাজই হলো জীবনের ঝুকি নিয়ে। তাদেরকে তৈরি করা হয়েছে যুদ্ধ করার জন্য, আর যুদ্ধ মানেই তো জীবনের ঝুকি আর কঠোর পরিশ্রম। তাই না ? নাকি আপনি মনে করেন তাদের কাজ হওয়া উচিৎ বিশাল অট্রালিকায় বিলাসবহুল রুমে বসে টেলিভিশন দেখা আর সুইচ টেপা ?
২) আপনি কি করে বুঝলেন যে আমি দূর্গম পথে পায়ে হাটার কষ্ট অনুভব করতে পারবো না ?
আপনার কথা শুনে মনে হচ্ছে দুর্গম পথে শুধু আর্মির লোকজনই চলাচল করে, অন্য কেউ না। আপনার এরকম ধারনাটা বদলে ফেলুন।
এরকম দুর্গম পথে চলার অভিজ্ঞতা আমার বেশ আগে থেকেই আছে।
আপনাকে ধন্যবাদ মন্তব্য করার জন্য।
গ্ল্যাডিয়েটর বলেছেন:
ধন্যবাদ ।আপনার সাথে আমি একমত,অনেক সিভিলিয়ানই আপনার মতো জানে যে পাহাড়ে হাটার কস্ট কি।আর অবশ্যই সিভিলিয়ানরাও কস্ট করছে আমি তা অস্বীকার করবো না ।
কিন্তু আমি যখন ছাত্রজীবনে বন্ধুদের সাথে হিলে বেড়াতে গেছি তখন আমদের যে কস্ট হয়েছে তার চেয়ে আনন্দ বেশি লেগেছে । তাই বছরের পর বছর হিলে যোগাযোগ বিহিন অবস্থায় থেকে দিনের পর দিন হেটে পেট্রলিং করার কস্ট আপনি বুঝবেন না।
আমি শুধু বলতে চেয়েছিলাম আপনি হয়তো দেখেছেন তাই বুঝবেন কিছুটা কিন্তু আমাদের দেশের অনেকে ভাবে আর্মিরা শুধু ঢাকা ক্যান্ট সুউচ্চু অট্টালিকায় থাকে আর সুইচ টিপে ।
তাই সবাই যদি আপনার মতো দেখতো তাহলে অনেকের ধারণা বদলাতো ।
আসা করছি আপনার এই লেখাটই পড়ে আরো অনেকে সাজেক বেড়াতে যাক ।
সবার মনের ধারনা বদলাক ।
লেখক বলেছেন: পোস্ট পড়ার জন্য ধন্যবাদ।
সামনে আবার যেতে পারি, তখন আবার নতুন ছবি আনবো।
ঘুমরাজ বলেছেন:
ভাল লাগল +++
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।
বায়লোজি বলে আমি নাকি ছেলে!! বলেছেন:
আপনি তো মারাত্বক ভাই....সাজেক ঘুইরা আইসা চুপ মাইরা বসে আছেন??আমাগেরে বন্দোবস্ত করে দিবেন কবে??
লেখক বলেছেন: তোমারে তো আমি বলিই, কিন্তু তুমি সময় মতো আসতে পারো না, তুমি তো ওই ডাংগুলি খেলা নিয়েই ব্যস্ত থাকো। জানিনা আসলে তুমি কি নিয়ে ব্যস্ত থাকো।
আমি যখন বলবো তখন আসলেই যেতে পারবা।
ফুরােমান বলেছেন:
এক বছর পূর্বে যখন সাজেক যাওয়ার সুযোগ হলো তখন টিমের কয়েক জন বেঁকে বসল সময়ের স্বল্পতার অযুহাতে। কিন্তু আমার ইচ্ছা ছিল যেকোন উপায়েই হোক যেতে হবে সাজেকের শেষ প্রান্তে। কারণ যে ভ্রমণে ঝুঁকি যত বেশি সে ভ্রমণ তত বেশি আনন্দদায়ক এটা আমার জানা আছে। আয়োজকগণ অবশ্য বলছিলেন সাজেকের সৌন্দর্যের কথা বলে বুঝানো যাবে না। না দেখলে বিশ্বাসও হবে না যে পাহাড়ের রূপ কত সুন্দর হতে পারে। অবশেষে তের জনের মধ্যে পাঁচ যেতে রাজি হলো, আর এ পাঁচ জনের একজন হতে পেরে আমি সত্যিই ধন্য হয়েছিলাম । সাজেক গিয়ে মনে হয়েছিল প্রকৃতি আসলেই সুন্দর, খুব সুন্দর। আর পাহাড়ের রূপ আরো বেশি সুন্দর। ঠিক কত বেশি সুন্দর তা বলে বুঝানো যাবে না, লিখেও বুঝানো যাবে না। বুঝতে হলে আপনাকেও যেতে হবে সে ভয়ংকর সুন্দরের সংশ্পর্সে। সে সুন্দরের ছবি দেয়ার জন্য আপনাকে ধন্যবাদ।
দীপান্বিতা বলেছেন:
উত্তর দিতে দেরি হয়ে গেল......কফির স্মৃতি বলতে আমাদের বাড়িতে কফি গাছ ছিল......যখন ফুল ফুটলে তার সৌরভ মনকে তাজা করে তুলতো......এছাড়া বাবা গাছের কফি ফল নিয়ে অনেক পরীক্ষা-নিরীক্ষাও করতেন....১০নম্বর ছবিটা অপূর্ব!
'রুইলুই এবং কংলাক থেকে ভারতের মিজোরাম রাজ্য বেশ কাছাকাছি, হাটার দুরত্ব প্রায় দুই ঘন্টার'- তাহলে তো সাজেক খুব সুন্দর স্থান!
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ দীপান্বিতা। দেরি তো দেরি, সেতো অনেক দেরি !!! আমারও কিছুটা দেরি হয়ে গেল উত্তর দিতে
তো এটুকুই মাত্র আপনার কফির স্মৃতি ! আমি তো মনে করেছিলাম রোমাঞ্চকর বা রোমান্টিক কিছু একটা হবে।
যতদুর জানি আপনি আমাদের এখানের বৈদেশিনী ব্লগার, পাশের বাড়ির, তাই না ? তা আপনি কি মিজোরামের বাসিন্দা ? মনে হচ্ছে মিজোরাম এলাকা আপনার খুব পরিচিত।
নতুন রাজা বলেছেন:
খুব সুন্দর...
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।
দীপান্বিতা বলেছেন:
হাঃ...হাঃ ! পাশের বাড়ি থাকি আর খালি বাংলাতেই কথা বলি, তাই এখানে এসে বক্-বক্ করছি, আর সবার প্রতিভা দেখে অবাক হচ্ছি...
হ্যা, মিজোরাম যাওয়ার সৌভাগ্য আমার হয়......সেটা আমার জীবনের খুব সুন্দর এক স্মৃতি.....
লেখক বলেছেন: মিজোরাম যাওয়ার খুবই ইচ্ছা, শুনেছি মিজোরামে রাজধানী 'আইজল' নাকি বেশ নান্দনিক শহর। পুরো শহরটাই অনেক উচু পাহাড়ের উপরে অবস্থিত। আর আইজলের অনেক মজার কাহিনী শুনেছি ।
আপনি কিভাবে যান মিজোরামে ? আমি খোজ নেব দেখি সহজে যাওয়া যায় কিনা ।
মোহাম্মদ লোমান বলেছেন:
খুব সুন্দর লাগল। ++++++++++++++
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ লোকমান ভাই। কেমন আছেন ?
বাতচিত শেষ হয়ে গেছে ?
যীশূ বলেছেন:
যাইতে মুঞ্চায়। ক্যামনে যামু, কই থাকমু ডিটেইল দিলে ভালো হইতো।
লেখক বলেছেন: সাজেক যেমন দুর্গম তেমনি অনেক দুর যদিও গাড়ি যাওয়ার রাস্তা আছে, তারপরেও দুর্গম। অনেক উচু নিচু পাহাড়ি রাস্তা। যেতে হলে আগে অবশ্যই খাগড়াছড়ি যেতে হবে। সেখান থেকে কোন ছোট গাড়ি নিয়ে সাজেক যাওয়া যায়, সময় লাগতে পারে প্রায় ৩-৪ ঘন্টা।
সাজেকে বাইরের লোকদের জন্য থাকার জায়গা পাওয়া যাবে না। এর প্রধান কারন হলো পাহাড়ের চুড়ায় অবস্থান বলে ওখানে পানি নেই। ওখানকার লোকজন অনেক কষ্ট করে বেশ নিচ থেকে পানি সংগ্রহ করে। তারপরেও হয়তো কথা বলে ওখানকার কারও ঘরে থাকা যেতে পারে।
আমি ওখানে গিয়ে থাকি নাই শুধু পানির কারনে, এছাড়া থাকার জন্য আমার সমস্যা ছিল না।
উসীমজদ্দীন বলেছেন:
সাজেকের ছবিগুলো অনেক ভাল লাগল। বহুবার বাঘাইছড়ি যাওয়া হলেও সাজেক যাওয়ার সুযোগ হয়নি।শুনেছি সাজেকে প্রচুর কমলা পাওয়া যায় এবং তা খুব ভালমানের । আপনিতো ভাই সে বিষয়ে কিছু বললেন না? সাজেকের কমলা খাওয়ার লোভটা আমার বহুদিনের.........
পৃথিবীর আমি বলেছেন:
২ মাস পর পর মারিস্যা যাওয়া হয়। মারিস্যা থেকে সাজেক কতদূর বলতে পারবেন কি? একই রাস্তায় পরে কি?
সৈয়দা আমিনা ফারহিন বলেছেন:
সাজাক নিয়ে অনেক আগ্রহ আমার। ভাল লাগল পোস্টটা...!!
সামহোয়্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...
















