আমার প্রিয় পোস্ট

জার্নি টু 'সাজেক' - পাহাড়ের এক রানী ।

১৫ ই এপ্রিল, ২০০৯ সন্ধ্যা ৭:২৪

শেয়ারঃ
0 9 0


কিছুদিন পুর্বে সাজেক গিয়েছিলাম কোনো একটা কাজে। অসম্ভম রকমের চোখ ধাঁধানো সুন্দর জায়গা বলে কিছু ছবি তুলে এনেছিলাম। পাঠকদের জন্য দিলাম, আশা করি ভাল লাগবে।
সাজেকের সংক্ষিপ্ত পরিচিতি:
রাঙামাটির জেলার বাঘাইছরি উপজেলার একটি ইউনিয়ন সাজেক। বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় ইউনিয়ন সাজেক আয়তনে বিশাল, বাংলাদেশের অনেক উপজেলার চেয়েও আয়তনে বড়। এটির অবস্হান খাগড়াছড়ি জেলা থেকে উত্তর-পুর্ব দিকে। মুল সাজেক বলতে যে স্হানকে বুঝায় সেটি হলো 'রুইলুই' এবং 'কংলাক' নামের দুটি বসতি, স্হানীয় ভাষায় 'পাড়া'। সমতল ভুমি থেকে প্রায় ১৮০০ ফুট উচ্চতায় অবস্হিত 'রুইলুই' এবং 'কংলাক' বসতি, (এই উচ্চতা আমার নিজের মাপা জিপিএস দিয়ে)। রুইলুই-এর উচ্চতা কিছুটা কম, প্রায় ১৭৮০ ফুট; সবচেয়ে উচু হলো কংলাক পাড়া, প্রায় ১৮০০ ফুট।
রুইলুই এবং কংলাক থেকে ভারতের মিজোরাম রাজ্য বেশ কাছাকাছি, হাটার দুরত্ব প্রায় দুই ঘন্টার। এজন্য সেখানকার মানুষের জীবনযাত্রায়, পোষাক-পরিচ্ছদে আধুনিকতার ছাপ পড়েছে। মেয়েরা প্রায় সবাই পশ্চিমা স্টাইলে জিন্স প্যান্ট, গেন্জি বা টি-শার্ট পরিধান করে থাকে। তাদের প্রায় সবারই ছেলেমেয়েকে বাংলাদেশের কোনো শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে না দিয়ে মিজোরামের উন্নত এবং ইংলিশ মিডিয়াম স্কুল-কলেজে পড়ালেখার জন্য পাঠায়। একারনে তাদের অনেকেই ইংরেজিতে কথা বলতে অভ্যস্ত। পাহাড়ী জীবনযাত্রায় তারাই সবচেয়ে উন্নত।

পাঠকদের জন্য কিছু ছবি :
১) সর্বশেষ কংলাকে উঠতে পাথরের সিড়ি


২) কংলাকের পাহাড়ের চুড়াটি পাথরের

৩) নিচে একটি পাড়া এবং দুরে ভারতীয় সীমানায় উচু পাহাড়ের সারি

৪) দিগন্তে পাহাড়ের সারি

৫) বিস্তীর্ন পাহাড়ের উপর মেঘের ছায়া

৬) পাহাড়ি বাঁশের জঙ্গল

৭) মেঘের সাগর

৮) মেঘের সাগরে পাহাড় মাথা উচু করে দাড়িয়ে

৯) পাহাড় ডুবে আছে মেঘের সাগরে

১০) উচুতে একা দাড়িয়ে সে, তাকে আমার ভাল লেগেছে

১১) এই স্হানটুকুই সম্ভবত সাজেকের সর্বোচ্চ স্হান

১২) কংলাকে যাওয়ার পথে এই উচু বটগাছটি দেখা গেল

১৩) সাজেকের অধিবাসীদের ঘরগুলো এমনই সুদৃশ্য

১৪) ওখানে অনেক কফি গাছ হয়, কফি গাছের ফল

১৫) এগুলো হলো কফি গাছ

 

সর্বশেষ এডিট : ১৬ ই নভেম্বর, ২০০৯ সন্ধ্যা ৬:২১ | বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...

 

১৫ ই এপ্রিল, ২০০৯ রাত ৮:০১

লেখক বলেছেন: পিলাচের জন্য ধন্যবাদ।

১৫ ই এপ্রিল, ২০০৯ রাত ৮:০২

লেখক বলেছেন: আপনার ভাল লাগায় আমারও যে ভাল লাগলো !!!

৩. ১৫ ই এপ্রিল, ২০০৯ সন্ধ্যা ৭:৫৩
ফিউশন ফাইভ বলেছেন: স্মৃতিকাতর হয়ে পড়লাম ছবিগুলো দেখে। আমিও গিয়েছিলাম বছরখানেক আগে।
১. সেনাবাহিনী সাজেক পর্যন্ত যে সড়কটি তৈরি করছে, সেটার কাজ কতদূর পর্যন্ত হয়েছে বলতে পারেন?
২. রুইলুই পাড়া ফেলে কংলাক বা কমলাকের পর আর কি যেতে পেরেছিলেন?
১৫ ই এপ্রিল, ২০০৯ রাত ৮:১২

লেখক বলেছেন: কি উপলক্ষ্যে গিয়েছিলেন সেখানে ?

১। রাস্তাটিতে এখন মেরামতের কাজ চলছে, নতুন কালভার্ট ব্রিজ হচ্ছে। শীঘ্রই পুরোটা পাকা রাস্তা হয়ে যাবে।

২। সময়ের অভাবে কংলাকের পরে আর যেতে পারিনি। কংলাক পাড়াই সর্বোচ্চ পাহাড়, এরপর থেকে শুধু নিচে নামতে হয়, সামনে একটা স্কুল, এরপর কিছুদুর পরে একটা পাড়া আছে নিচে।
পরবর্তিতে আরো সামনে যাওয়ার ইচ্ছা আছে।

ধন্যবাদ পড়ার জন্য।

৪. ১৫ ই এপ্রিল, ২০০৯ রাত ৮:০২
পজিটিভ২৯ বলেছেন: চোখ জুড়িয়ে গেল!!!

ধন্যবাদ বাংলাদেশের এমন রূপ দেখানোর জন্য।
১৫ ই এপ্রিল, ২০০৯ রাত ৮:১৫

লেখক বলেছেন: এই আমাদের বাংলাদেশের এর চেয়েও চোখ জুরানো, চোখ ধাঁধানো রূপ আছে।

পরবর্তিতে আরো সুন্দর কিছু দেব আশা করছি।

৫. ১৫ ই এপ্রিল, ২০০৯ রাত ৮:০৮
শান্তির দেবদূত বলেছেন: চমৎকার !! এত সুন্দর সুন্দর স্পট ও প্রাকৃতিক বৈচিত্র থাকার পরেও বাংলাদেশের পর্যটন শিল্প যে কেন ব্যাপ্তি লাভ করছে না !!

সত্যিই চমৎকার .... আপনাকে অনেক অনেক ধন্যবাদ :) :)
১৫ ই এপ্রিল, ২০০৯ রাত ৮:২৩

লেখক বলেছেন: বাংলাদেশের পর্যটন শিল্পকে বিকশিত করানো হচ্ছে না।

প্রায় একযুগ ধরে বিভিন্ন উপলক্ষ্যে বাংলাদেশের পার্বত্য এলাকায় আমার যাতায়াতের এবং অবস্হানের অভিজ্ঞতা থেকে আমি বলতে পারি, যথাযথ পদক্ষেপ নিলে এই পার্বত্য চট্রগ্রাম হতে পারে বাংলাদেশের প্রধান আয়ের উৎস।

আপনাকেও অনেক ধন্যবাদ।

৬. ১৫ ই এপ্রিল, ২০০৯ রাত ৮:১০
টিংকু ট্রাভেলার বলেছেন: আমি একটা খবরদি। বাংলারপথের আগামী পর্বে সাজেক যাব। যে যে আমার সাথে যেতে চান তারা রবিবার রাত ৯:৩৫ মিনিটে চ্যানেল আইয়ের সামনে বসুন। তবে সিট বেল্টটা টাইট করে বাধবেন। সাজেকে রাস্তা বলে কথা। সাজেকর যেটুকু আমি দেখেছি সেটুকু আপনারাও দেখতে পাবেন।
৭. ১৫ ই এপ্রিল, ২০০৯ রাত ৮:২৬
টিংকু ট্রাভেলার বলেছেন: জিহাদ সাহেবের সাজেকের ছবিগুলো অসাধারণ হয়েছে। প্রিয়তে রাখলাম।
১৫ ই এপ্রিল, ২০০৯ রাত ৮:৩৫

লেখক বলেছেন: এই অধমের পোস্ট প্রিয়তে নিয়েছেন এজন্য নিজেকে ধন্য মনে করছি।

একেবারে নাম ধরে বললেন, মমম.........ম, কিছু একটা বুঝতে পারছি না।

৮. ১৫ ই এপ্রিল, ২০০৯ রাত ৮:২৯
ইমন জুবায়ের বলেছেন: সাজেকের পটভূমিতে একটা গল্প লিখেছিলাম -
Click This Link
৯. ১৫ ই এপ্রিল, ২০০৯ রাত ৮:৩৭
ইমন জুবায়ের বলেছেন: রাঙামাটির জেলার বাঘাইছরি উপজেলার একটি ইউনিয়ন সাজেক।
এটা আমার জানা ছিল না। আমি ভেবেছিলাম সাজেক খাগড়াছড়ির উত্তরে। লেখাটায় তথ্যগত অসঙ্গতি রয়ে গেল।
১৫ ই এপ্রিল, ২০০৯ রাত ৯:০০

লেখক বলেছেন: যদিও আমি সঠিক তথ্য উপর ভিত্তি করে লিখেছি, তারপরও আপনার কথাতে আবার চেক করলাম। সাজেক খাগড়াছরি জেলার উত্তর-পর্ব দিকে, ম্যাপ এবং আমার জিপিএস রিডিং তাই বলে। আপনি আরো ভালো করে যাচাই করে দেখবেন বলে আশা করি।

১০. ১৫ ই এপ্রিল, ২০০৯ রাত ৯:০৫
ইমন জুবায়ের বলেছেন: তাহলে আমার লেখাটায় তথ্যগত অসংগতি রয়ে গেল। কী আর করা। আপনাকে ধন্যবাদ। সময় পেলে গল্পটা পড়বেন আশা করি।
১৬ ই এপ্রিল, ২০০৯ সকাল ৮:৪৪

লেখক বলেছেন: আপনার গল্পটা পড়ার ইচ্ছা আছে। এটাকে কোনোভাবে কপি করা যাবে তো ?

১১. ১৫ ই এপ্রিল, ২০০৯ রাত ৯:২০
অ্যামাটার বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ...ছবিগুলোর জন্য। কবে যে দেখব...:(
১২. ১৬ ই এপ্রিল, ২০০৯ রাত ১:৫৪
ফিউশন ফাইভ বলেছেন: মারিশ্যায় একটি কাজ ছিল। পরে সাজেক গিয়েছিলাম মূলত ভ্রমণের উদ্দেশ্যে। সড়কের কাজ শীঘ্রই শেষ হবে জেনে ভালো লাগল। এরপরও এটি বাংলাদেশের বিপজ্জনক পথগুলোর একটি।
হ্যাঁ, কংলাকের পর শুধুই নিচে নামা। পাহাড়ের ওপরের বাসিন্দারা ব্যবহারের জন্য বহু নিচ থেকে পানি আনে। খুবই কষ্টকর জীবন। সেই ঢালুতে বিডিআরের একটি ছোট্ট ক্যাম্প আছে। কংলাকের হেডম্যান একজন নেতৃস্থানীয় ত্রিপুরাকে আমাদের সঙ্গে গাইড হিসেবে দিয়েছিলেন। তিনি আমাদের সেই জীর্ণ স্কুলে নিয়ে গিয়েছিলেন।
১৩. ১৬ ই এপ্রিল, ২০০৯ রাত ১:৫৭
ফিউশন ফাইভ বলেছেন: সাজেকের সবকিছুই আসলে খাগড়াছড়ির সঙ্গে। অথচ বিস্ময় হল এই যে, সাজেকের প্রশাসনিকভাবে রাঙামাটির অন্তর্গত। পুরো বাঘাইছড়ি থানার অর্ধেকজুড়েই এই একটি ইউনিয়ন- সাজেক।
১৬ ই এপ্রিল, ২০০৯ সকাল ৮:২৯

লেখক বলেছেন: সম্পুর্ন ঠিক বলেছেন। আমার কাছেও চিন্তার বিষয়।

১৪. ১৮ ই এপ্রিল, ২০০৯ বিকাল ৩:৪৬
জুল ভার্ন বলেছেন: যেমন সুন্দর বর্ণনা তেমন সুন্দর ছবিগুলো। অনেক ধন্যবাদ।
১৮ ই এপ্রিল, ২০০৯ বিকাল ৩:৫৩

লেখক বলেছেন:
তাই ? আপনার মন্তব্যে বেশ পুলকিত হলাম।

আপনাকেও অনেক ধন্যবাদ।

১৫. ১৮ ই এপ্রিল, ২০০৯ বিকাল ৩:৫৯
ইমন জুবায়ের বলেছেন: আমার গল্পটা ডাউনলোড করা যাবে-এখানে ক্লিক করে:

Click This Link
১৮ ই এপ্রিল, ২০০৯ বিকাল ৪:১৩

লেখক বলেছেন: আচ্ছা ঠিক আছে ।

১৬. ২৯ শে এপ্রিল, ২০০৯ দুপুর ২:২৮
মুহিব বলেছেন: সাজেকের নাম এত শুনি। এত যে সুন্দর তা আগে জানতাম না। যাওয়ার লিস্টে রাখলাম।
২৯ শে এপ্রিল, ২০০৯ বিকাল ৪:৫৬

লেখক বলেছেন: সত্যিই অনেক সুন্দর জায়গা। বেশি সময় নিয়ে যাবেন, দুর্গম রাস্তা।

১৭. ৩০ শে এপ্রিল, ২০০৯ সন্ধ্যা ৭:০০
ড়ৎশড় বলেছেন: ছবিগুলো খুব চমৎকার।অসাধারণ।আপনাকে ধন্যবাদ আমাদেরকে এমন একটি লিখা দেয়ার জন্য।
১৯. ২০ শে জুলাই, ২০০৯ সন্ধ্যা ৬:০৭
দীপান্বিতা বলেছেন: খুব ভাল লাগল.........কফি গাছ দেখে অনেক স্মৃতি মনে এলো.....:)
২১ শে জুলাই, ২০০৯ সকাল ১০:২৩

লেখক বলেছেন: কফি গাছ নিয়ে মনে হয় আপনার অনেক মজার স্মরনীয় স্মৃতি আছে ??? ;)
লিখুন না এখানে , আমরাও হয়তো মজা পাব।

২০. ২০ শে জুলাই, ২০০৯ সন্ধ্যা ৬:৩৭
গ্ল্যাডিয়েটর বলেছেন: সেনাসদস্যরা জীবনের ঝুকি নিয়ে অক্লান্ত পরিশ্রম করে সাজেক পর্যন্ত রাস্তা তৈরি করার সৌজন্যেই সাজেক যাওয়ার আপনার সৌভাগ্য হয়েছে ।
যখন এখানে কোন রাস্তা ছিল না এই দূর্গম পথ কত কষ্টে পায়ে হেটে সেনাসদস্যরা টহল দিত তা আপনি কোনোদিনই অনুভব করতে পারবেন না ।
২১ শে জুলাই, ২০০৯ সকাল ১১:১৭

লেখক বলেছেন: খুব সম্ভব আপনি বাংলাদেশের আর্মির কোন সদস্য । সেটা যদি না হয় তাহলে আপনার অসম্ভব রকমের আর্মি প্রীতি আছে কোনো কারনে।

১) দুর্গম এলাকায় জীবনের ঝুকি নিয়ে অক্লান্ত পরিশ্রম করে রাস্তা তো শুধু আর্মিরাই করে না ! অন্য সিভিল সংস্থার লোকজনও করে থাকে । ওখানে আর্মি এবং অনেক সিভিল লোক মিলে কাজ করছে। এই কিছু দিন আগেও সেখানে কয়েকজন সিভিলিয়ান কর্মী সন্ত্রাসীদের হাতে নিহত হয়েছে।
আর সেনাসদস্যদের কাজই হলো জীবনের ঝুকি নিয়ে। তাদেরকে তৈরি করা হয়েছে যুদ্ধ করার জন্য, আর যুদ্ধ মানেই তো জীবনের ঝুকি আর কঠোর পরিশ্রম। তাই না ? নাকি আপনি মনে করেন তাদের কাজ হওয়া উচিৎ বিশাল অট্রালিকায় বিলাসবহুল রুমে বসে টেলিভিশন দেখা আর সুইচ টেপা ?


২) আপনি কি করে বুঝলেন যে আমি দূর্গম পথে পায়ে হাটার কষ্ট অনুভব করতে পারবো না ?
আপনার কথা শুনে মনে হচ্ছে দুর্গম পথে শুধু আর্মির লোকজনই চলাচল করে, অন্য কেউ না। আপনার এরকম ধারনাটা বদলে ফেলুন।
এরকম দুর্গম পথে চলার অভিজ্ঞতা আমার বেশ আগে থেকেই আছে।

আপনাকে ধন্যবাদ মন্তব্য করার জন্য।

২১. ২১ শে জুলাই, ২০০৯ রাত ১১:১২
গ্ল্যাডিয়েটর বলেছেন: ধন্যবাদ ।

আপনার সাথে আমি একমত,অনেক সিভিলিয়ানই আপনার মতো জানে যে পাহাড়ে হাটার কস্ট কি।আর অবশ্যই সিভিলিয়ানরাও কস্ট করছে আমি তা অস্বীকার করবো না ।

কিন্তু আমি যখন ছাত্রজীবনে বন্ধুদের সাথে হিলে বেড়াতে গেছি তখন আমদের যে কস্ট হয়েছে তার চেয়ে আনন্দ বেশি লেগেছে । তাই বছরের পর বছর হিলে যোগাযোগ বিহিন অবস্থায় থেকে দিনের পর দিন হেটে পেট্রলিং করার কস্ট আপনি বুঝবেন না।

আমি শুধু বলতে চেয়েছিলাম আপনি হয়তো দেখেছেন তাই বুঝবেন কিছুটা কিন্তু আমাদের দেশের অনেকে ভাবে আর্মিরা শুধু ঢাকা ক্যান্ট সুউচ্চু অট্টালিকায় থাকে আর সুইচ টিপে ।

তাই সবাই যদি আপনার মতো দেখতো তাহলে অনেকের ধারণা বদলাতো ।
আসা করছি আপনার এই লেখাটই পড়ে আরো অনেকে সাজেক বেড়াতে যাক ।

সবার মনের ধারনা বদলাক ।
২২. ২১ শে জুলাই, ২০০৯ রাত ১১:২১
ফারহান দাউদ বলেছেন: সাজাকের নাম শোনা ছিল, ডেটালস জানতাম না। পোস্টের জন্য ধন্যবাদ।
২২ শে জুলাই, ২০০৯ সকাল ৯:২১

লেখক বলেছেন: পোস্ট পড়ার জন্য ধন্যবাদ।

সামনে আবার যেতে পারি, তখন আবার নতুন ছবি আনবো।

০৫ ই আগস্ট, ২০০৯ বিকাল ৪:২০

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।

২৪. ০৭ ই আগস্ট, ২০০৯ রাত ৮:৫৯
বায়লোজি বলে আমি নাকি ছেলে!! বলেছেন: আপনি তো মারাত্বক ভাই....সাজেক ঘুইরা আইসা চুপ মাইরা বসে আছেন??
আমাগেরে বন্দোবস্ত করে দিবেন কবে??
০৭ ই আগস্ট, ২০০৯ রাত ৯:১৬

লেখক বলেছেন: তোমারে তো আমি বলিই, কিন্তু তুমি সময় মতো আসতে পারো না, তুমি তো ওই ডাংগুলি খেলা নিয়েই ব্যস্ত থাকো। জানিনা আসলে তুমি কি নিয়ে ব্যস্ত থাকো।
আমি যখন বলবো তখন আসলেই যেতে পারবা।

২৫. ০৮ ই আগস্ট, ২০০৯ দুপুর ১২:৪৫
ফুরােমান বলেছেন: এক বছর পূর্বে যখন সাজেক যাওয়ার সুযোগ হলো তখন টিমের কয়েক জন বেঁকে বসল সময়ের স্বল্পতার অযুহাতে। কিন্তু আমার ইচ্ছা ছিল যেকোন উপায়েই হোক যেতে হবে সাজেকের শেষ প্রান্তে। কারণ যে ভ্রমণে ঝুঁকি যত বেশি সে ভ্রমণ তত বেশি আনন্দদায়ক এটা আমার জানা আছে। আয়োজকগণ অবশ্য বলছিলেন সাজেকের সৌন্দর্যের কথা বলে বুঝানো যাবে না। না দেখলে বিশ্বাসও হবে না যে পাহাড়ের রূপ কত সুন্দর হতে পারে। অবশেষে তের জনের মধ্যে পাঁচ যেতে রাজি হলো, আর এ পাঁচ জনের একজন হতে পেরে আমি সত্যিই ধন্য হয়েছিলাম । সাজেক গিয়ে মনে হয়েছিল প্রকৃতি আসলেই সুন্দর, খুব সুন্দর। আর পাহাড়ের রূপ আরো বেশি সুন্দর। ঠিক কত বেশি সুন্দর তা বলে বুঝানো যাবে না, লিখেও বুঝানো যাবে না। বুঝতে হলে আপনাকেও যেতে হবে সে ভয়ংকর সুন্দরের সংশ্পর্সে।


সে সুন্দরের ছবি দেয়ার জন্য আপনাকে ধন্যবাদ।
২৬. ০৯ ই আগস্ট, ২০০৯ রাত ৯:১২
দীপান্বিতা বলেছেন: উত্তর দিতে দেরি হয়ে গেল......কফির স্মৃতি বলতে আমাদের বাড়িতে কফি গাছ ছিল......যখন ফুল ফুটলে তার সৌরভ মনকে তাজা করে তুলতো......এছাড়া বাবা গাছের কফি ফল নিয়ে অনেক পরীক্ষা-নিরীক্ষাও করতেন....:)

১০নম্বর ছবিটা অপূর্ব!

'রুইলুই এবং কংলাক থেকে ভারতের মিজোরাম রাজ্য বেশ কাছাকাছি, হাটার দুরত্ব প্রায় দুই ঘন্টার'- তাহলে তো সাজেক খুব সুন্দর স্থান! :)
১০ ই আগস্ট, ২০০৯ দুপুর ১:৪৪

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ দীপান্বিতা। দেরি তো দেরি, সেতো অনেক দেরি !!! আমারও কিছুটা দেরি হয়ে গেল উত্তর দিতে
তো এটুকুই মাত্র আপনার কফির স্মৃতি ! আমি তো মনে করেছিলাম রোমাঞ্চকর বা রোমান্টিক কিছু একটা হবে। :)

যতদুর জানি আপনি আমাদের এখানের বৈদেশিনী ব্লগার, পাশের বাড়ির, তাই না ? তা আপনি কি মিজোরামের বাসিন্দা ? মনে হচ্ছে মিজোরাম এলাকা আপনার খুব পরিচিত।

১০ ই আগস্ট, ২০০৯ রাত ৮:২২

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।

২৮. ১১ ই আগস্ট, ২০০৯ রাত ৯:১৩
দীপান্বিতা বলেছেন: হাঃ...হাঃ ! :).....প্রথমে কিন্তু ইমন জুবায়েরকে ধন্যবাদ দিতে হয়......আসলে এখানেই ১ম ব্লগ করছি...তাই আপনি কখন প্রশ্ন করেছেন দেখতেই পাইনি!...আমি খুবই দুঃখিত, এত দেরিতে উত্তর দেওয়ার জন্য!

পাশের বাড়ি থাকি আর খালি বাংলাতেই কথা বলি, তাই এখানে এসে বক্‌-বক্‌ করছি, আর সবার প্রতিভা দেখে অবাক হচ্ছি...:)

হ্যা, মিজোরাম যাওয়ার সৌভাগ্য আমার হয়......সেটা আমার জীবনের খুব সুন্দর এক স্মৃতি.....
১৩ ই আগস্ট, ২০০৯ বিকাল ৩:৩০

লেখক বলেছেন: মিজোরাম যাওয়ার খুবই ইচ্ছা, শুনেছি মিজোরামে রাজধানী 'আইজল' নাকি বেশ নান্দনিক শহর। পুরো শহরটাই অনেক উচু পাহাড়ের উপরে অবস্থিত। আর আইজলের অনেক মজার কাহিনী শুনেছি ।
আপনি কিভাবে যান মিজোরামে ? আমি খোজ নেব দেখি সহজে যাওয়া যায় কিনা ।

২৯. ১২ ই নভেম্বর, ২০০৯ দুপুর ১২:৩৮
মোহাম্মদ লোমান বলেছেন: খুব সুন্দর লাগল। ++++++++++++++
১৬ ই নভেম্বর, ২০০৯ সন্ধ্যা ৬:৫৩

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ লোকমান ভাই। কেমন আছেন ?
বাতচিত শেষ হয়ে গেছে ?

৩০. ১২ ই নভেম্বর, ২০০৯ দুপুর ১২:৪৬
যীশূ বলেছেন: যাইতে মুঞ্চায়। ক্যামনে যামু, কই থাকমু ডিটেইল দিলে ভালো হইতো।
১৬ ই নভেম্বর, ২০০৯ সন্ধ্যা ৬:৫০

লেখক বলেছেন: সাজেক যেমন দুর্গম তেমনি অনেক দুর যদিও গাড়ি যাওয়ার রাস্তা আছে, তারপরেও দুর্গম। অনেক উচু নিচু পাহাড়ি রাস্তা। যেতে হলে আগে অবশ্যই খাগড়াছড়ি যেতে হবে। সেখান থেকে কোন ছোট গাড়ি নিয়ে সাজেক যাওয়া যায়, সময় লাগতে পারে প্রায় ৩-৪ ঘন্টা।
সাজেকে বাইরের লোকদের জন্য থাকার জায়গা পাওয়া যাবে না। এর প্রধান কারন হলো পাহাড়ের চুড়ায় অবস্থান বলে ওখানে পানি নেই। ওখানকার লোকজন অনেক কষ্ট করে বেশ নিচ থেকে পানি সংগ্রহ করে। তারপরেও হয়তো কথা বলে ওখানকার কারও ঘরে থাকা যেতে পারে।
আমি ওখানে গিয়ে থাকি নাই শুধু পানির কারনে, এছাড়া থাকার জন্য আমার সমস্যা ছিল না।

৩১. ০৪ ঠা জানুয়ারি, ২০১০ রাত ১০:১২
উসীমজদ্দীন বলেছেন: সাজেকের ছবিগুলো অনেক ভাল লাগল। বহুবার বাঘাইছড়ি যাওয়া হলেও সাজেক যাওয়ার সুযোগ হয়নি।শুনেছি সাজেকে প্রচুর কমলা পাওয়া যায় এবং তা খুব ভালমানের । আপনিতো ভাই সে বিষয়ে কিছু বললেন না? সাজেকের কমলা খাওয়ার লোভটা আমার বহুদিনের.........
৩২. ০১ লা এপ্রিল, ২০১১ বিকাল ৪:২১
পৃথিবীর আমি বলেছেন: ২ মাস পর পর মারিস্যা যাওয়া হয়। মারিস্যা থেকে সাজেক কতদূর বলতে পারবেন কি? একই রাস্তায় পরে কি?
৩৩. ২৯ শে মে, ২০১১ ভোর ৪:২৮
সৈয়দা আমিনা ফারহিন বলেছেন: সাজাক নিয়ে অনেক আগ্রহ আমার। ভাল লাগল পোস্টটা...!!

 

মোট সময় লেগেছে ১.০৯২৭ সেকেন্ড

 

সামহোয়‍্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব‍্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...
© সামহোয়্যার ইন...নেট লিমিটেড | ব্যবহারের শর্তাবলী | গোপনীয়তার নীতি
সহজ-সরল সাধাসিধা মানুষ । অত্যন্ত নগন্য সাধারন একজন, তাই নিজেকে নিয়ে বলার মতো কিছু নাই।
চারিদিকে তাকিয়ে অবাক হয়ে দেখি...
আর এস এস ফিড

পোস্ট আর্কাইভ

আমার লিঙ্কস

আমার বিভাগ

    কোন বিভাগ নেই