আমার প্রিয় পোস্ট

বাংলাদেশের সেরা চাকরি: সামরিক অফিসার ;)

৩০ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৯ দুপুর ১২:১৬

শেয়ারঃ
0 0

এইচএসসি পাশ করে আজকাল বুয়েট,মেডিকেল আর আইবিএতে দৌড়ানোর সংস্কৃতি গড়ে উঠেছে। কেন? ডাক্তার, ইন্জিনিয়ার কিংবা বিজনেস গ্র্যাজুয়েট হলে নাকি উচ্চ বেতনে সম্মানজনক চাকরি পাওয়া যায়। আমাদের দেশের ছেলেমেয়েরা আসলে বোকা। আরে সামরিক বাহিনীর চাকরিতে যে সম্মান, ক্ষমতা আর গ্ল্যামার তা কি এরা দেখে না? এই তো কয়দিন আগে পেপারে দেখলাম বাংলাদেশ সেনাবাহিনীতে লং কোর্সে ভর্তি চলছে। তার কয়েকদিন আগে দেখলাম নৌবাহিনীতে অফিসার ক্যাডেট হিসেবে ভর্তি প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। চাকরির সুযোগ-সুবিধা শীর্ষক প্যারাতে তো আমার চোখ আটকে গেল! ওরে সুযোগ-সুবিধারে! ট্রেনিং শেষে প্রথম শ্রেণীর গেজেটেড কর্মকর্তা হিসেবে স্বীকৃতি, সরকারি স্কেলে বেতন ও অন্যান্য ভাতা ,রেশন, পরিবারের সদস্যদের জন্য বিনামূল্যে চিকিৎসা সেবা, প্রয়োজনে বিদেশে চিকিৎসার জন্য প্রেরণ, উন্নত মনোরম ও নিরাপদ এলাকায় বাসস্থানের সুবিধা, সন্তানদের জন্য ক্যান্টনমেনট স্কুল, ক্যাডেট কলেজ থেকে শুরু করে এমআইএসটি ও এএফএমসিতে পড়ালেখার সুযোগ, সরকারি খরচে বিদেশে উন্নত প্রশিক্ষণ ও ভ্রমনের সুযোগ, জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনে গিয়ে আর্থিক স্বচ্ছলতা লাভের সুযোগ, বুয়েট কিংবা অন্যান্য পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে উচ্চতর শিক্ষালাভের সুযোগ, ব্যাক্তিত্বের বিকাশ, নেতৃত্বের গুণাবলী অর্জন, সবশেষে রয়েছে চাকরি শেষে উন্নত এলাকায় প্লট কিংবা ফ্ল্যাট বরাদ্দ (নামমাত্র মূল্যে) :)

আহ! কী করলেন আপনারা জীবনে!! বেশিরভাগ ব্লগাররাই তো সেই বয়স পার হয়ে এসেছেন। কী মিস যে করেছেন তা বুঝতেই পারলেন না! আমি তো কেবল বিজ্ঞাপনে দেয়া সুযোগ-সুবিধার কথাই বললাম, আরও কত্ত সুবিধা যে আছে তা তো বললামই না। সবার উপর খবরদারি করার ক্ষমতা, প্রায়ই বেসামরিক সরকারি প্রতিষ্ঠানে উচ্চপদে আসীন হবার সুযোগ, প্রতিরক্ষা থেকে পররাষ্ট্র মন্ত্রনালয়ে চাকরি বদলি হয়ে বিদেশ ভ্রমনের সুযোগ, খাকি পোষাকে ব্যবসায়ীদের সাথে খাতির করে অবসরে যাওয়ার পর লাভজনক ব্যবসায়ে ইনভেস্ট করার সুযোগ আরও কত্ত কী!

ছেলেমেয়েরা খালি বুয়েট-মেডিকেলে দৌঁড়ায়। আরে বাপ! এত কিছু দেইখাও তোদের জ্ঞানবুদ্ধি হইল না? আজ থেইকাই নিয়ত নে এইচএসসি পাশ কইরাই কর্নেল একাডেমি। সিরাজ একাডেমি, দি মেরিন গাইড না কি এইসব একাডেমিতে ভর্তি হবি, ধানমণ্ডি লেকের পাড়ে পিটি-প্যারেড আর কসরত করবি এরপর সশস্ত্র বাহিনীতে পরীক্ষা দিবি। পাইলে তো লাইফ বানগায়া! আর না পাইলে তখন অন্য জায়গায় দৌঁড়াবি। ;)

 

বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...

 

১. ৩০ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৯ দুপুর ১২:১৯
আট আনা বলেছেন: হুমম মিসটেকেনলি ভুল হৈয়া গেসে /:)
৩০ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৯ দুপুর ২:২৮

লেখক বলেছেন: আসলেই, ভুল হয়া গেসে ;)

২. ৩০ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৯ দুপুর ১২:২৩
রাজ মো, আশরাফুল হক বারামদী বলেছেন: আসলেই বহুত সুযোগ সুবিধা।
৩০ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৯ দুপুর ২:২৯

লেখক বলেছেন: তা আর বলতে।

৩. ৩০ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৯ দুপুর ১২:২৭
রোহান বলেছেন: হেগো হইলো আরাম আয়েশ দুধের পায়েশ মার্কা কপাল... খালি পরথম কয়ডা বছরই যা কষ্ট... হের পরে তো মৌজাই মৌজা ;)
৩০ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৯ দুপুর ২:২৯

লেখক বলেছেন: হাসা কথা কইসেন।

৪. ৩০ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৯ দুপুর ১২:২৮
ইন্ঞ্জিনিয়ার বলেছেন: ইসসসসসসসসসসসসসসসসসসসসসসসসসসসসসসসসসসসসসসসসসসসসসসসসসসসসসসসসসসসসসসসসসসসসসসসসসসসসসসসসসসসসসসসসসসসসসস বিরাট ভুল করছি ;)
৩০ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৯ দুপুর ২:২৯

লেখক বলেছেন: বুল সবই বুল ;)

৫. ৩০ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৯ দুপুর ১২:৩০
কুয়াশায় ডাকা বলেছেন: ওদের সুযোগ-সুবিধার বর্ননা করে শেষ করা যাবে না... কি না আছে ওদের... যা কস্ট সব ঐ ট্রেনিং পিরিয়ডেই... তার পরেই খালি ভাব আর ভাব... এই ভাবের জোরেই তো ওরা আমাদের ব্লাডি সিভিলিয়ান বলে গাল দেয়...
৩০ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৯ দুপুর ২:৩০

লেখক বলেছেন: আপচুচ। আমরা বিলাডি ..... ;)

৬. ৩০ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৯ দুপুর ১২:৩২
শ।মসীর বলেছেন: সাব ষ্ট্যান্ডার্ড বলেছেন: হুমম মিসটেকেনলি ভুল হৈয়া গেসে
৩০ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৯ দুপুর ২:৩০

লেখক বলেছেন: মিসটেকেনলি মিশটেক

৭. ৩০ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৯ দুপুর ১২:৩৮
স্বপ্নরাজ বলেছেন: একটা কথা বাদ পইড়া গেছে... যাগো ট্যক্সের টাকাই খাবেন তাদেরই উপরই অস্র ধইরা খবরদারি করবেন। এর চেয়ে মজা আর কোথায় পাবেন? মজাই মজা.. ;)
৩০ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৯ দুপুর ২:৩১

লেখক বলেছেন: এইটা অবশ্য সরকারি উচ্চপদস্থ আমলা, পুলিশ, উকিল আর যারা যারা আছে সবাই করে।

৮. ৩০ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৯ দুপুর ১২:৪০
জুল ভার্ন বলেছেন: ক্ষমতা, ট্যাকা পয়সা, জৌলুশ, খুন খারাবী সব কিছুই উনাদের হাতের নাগালে!
৩০ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৯ দুপুর ২:৩২

লেখক বলেছেন: ইতিহাসের বড় বড় দুর্ঘটনাগুলো উনারই ঘটিয়েছেন।

৯. ৩০ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৯ দুপুর ১:০০
পরশমনি বলেছেন: মিসটেক করছেন আপনি। ওদের মিশনের কথাই কইলেন না। পয়সা তো ওখানেই।

আর আমার মিসটেক আমার হাইট কম। :(
৩০ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৯ দুপুর ২:৩৩

লেখক বলেছেন: কইসি তো ভাই তয় সংক্ষেপে। ;) একজন তো দুই তিবার কইরা যাইতেসে।

১০. ৩০ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৯ দুপুর ১:২৫
নাহিদ মাহমুদ বলেছেন: আপনি যে রিপোর্টটি দেখে লেখেছেন, হয় তাতে ব্যাপারটা সঠিকভাবে লেখা হয়নি বা অঅপনি বুঝতে ভুল করেছেন।

ক্যাডেটকলেজে যেযেহতু আমি নিজে পড়েছি, আমাদের ব্যাচে সেনা কর্মকর্তার সন্তান ছিল ১১জন। পরবর্তীতে আমাদের ব্যাচ থেকেও সেনাবাহিনী এবং বিমান বাহিনীতে জয়েন করে ১৩জন। তাই সম্ভবত আমি আপনাকে কিছু ব্যাপার পরিস্কার করে দিতে পারবো।

"ট্রেনিং শেষে প্রথম শ্রেণীর গেজেটেড কর্মকর্তা হিসেবে স্বীকৃতি, সরকারি স্কেলে বেতন ও অন্যান্য ভাতা ,রেশন, পরিবারের সদস্যদের জন্য বিনামূল্যে চিকিৎসা সেবা, প্রয়োজনে বিদেশে চিকিৎসার জন্য প্রেরণ, উন্নত মনোরম ও নিরাপদ এলাকায় বাসস্থানের সুবিধা"......................................................................................

এখানে যা বলা হয়েছে তা যে কোন দেশের সেনা বাহিনীর জন্য অত্যন্ত স্বাভাবিক। আমার মনে হয় এই পয়েন্ট নিয়ে কিছু বলার নেই। কারন আপত্তিকর কোন চাহিদাপূরন এখানে নেই। তারা ফাস্ট ক্লাস গেজেটেড অফিসার হন বটে। তাদেরকেও কিন্তু অনার্স-মাস্টার্স করতে হয়। নতুবা তাদের প্রমোশন যথাযথভাবে হয় না। এমনকি তাদের গ্রাজুয়েশন, পোস্ট গ্রাজুয়েশন ও করতে হয়। আপনি হয়তো পি.এস.সি. এন.ডি.সি. এ ধরনের কিছু ডিগ্রি উচ্চপদস্থ সামরিক অফিসারদের দেখতে পাবেন। এই গ্রাজুয়েশন ডিগ্রি উনারা নেন আর্মি স্টাফ কলেজ থেকে। যা মিরপুরে অবস্হিত। আপনি শুনলে অবাক হবেন যে, ৫/৬ বছর পূর্বে মাত্র ৩০জন সেনা অফিসার এই ডিগ্রি নিতে পারতো। প্রতি বছর। এখন সেই সংখ্যা বাড়িয়ে ৭০-১০০ জনে রাখা হয়। আরো শুনলে অবাক হবেন যে, এই স্টাফ কোর্স গ্রাজুয়েশনটিতে চান্স পাওয়াই অত্যন্ত কঠিন। ক্যাপ্টেন র্যাংকের কোন অফিসার এই কোর্সে চান্স পেলে তা অত্যন্ত বিরল রেকর্ড ধরা হয়। মেজর র্যাংক থেকে কেউ এই কোর্সে চান্স পেলেও সেই সব সেনা অফিসার অত্যন্ত ভাগ্যবান বলে বিবেচিত হন। অথচ মেজর হতে একজন সেনা অফিসারের কমপক্ষে ৮ বছর সময় লাগে(অনার্স কমপ্লিট করতে হয় এই সময়ের মধ্যেই)। অত্যন্ত প্রতিযোগিতামূলক এই পরীক্ষাকে তাই খুব সহজ ভাবার বিন্দুমাত্র অবকাশ নেই।

৩য় পয়েন্ট টা হলো, "ব্যাক্তিত্বের বিকাশ, নেতৃত্বের গুণাবলী অর্জন, সবশেষে রয়েছে চাকরি শেষে উন্নত এলাকায় প্লট কিংবা ফ্ল্যাট বরাদ্দ (নামমাত্র মূল্যে)"........................................................................
এই পয়েন্টের প্রথম অংশ নিয়ে বলার কিছু নেই। এটা সেনা বাহিনী বা নৌবাহিনীর খুব স্বাভাবিক একটা প্রক্রিয়া। তবে শেষোক্ত অংশটি নিয়ে সবাই আপত্তি করে থাকেন। কারন সেনা অফিসাররা প্রায় সবাই ঢাকায় প্লট বা ফ্ল্যাট পেয়ে থাকেন। সেটা সেনাবাহিনীর নিজস্ব এখতিয়ারভুক্ত। আমার কাছেও ব্যাপারটা ভালো লাগে না। কারন এই সুযোগটি অন্যান্য সরকারী চাকরির তুলনায় তারা বেশীই পেয়ে থাকেন। তবে একটা কথা বলা ভাল, আমরা ঢাকায় "ডি.ও.এইচ.এস. নামে পরিচিত একটা এলাকার নাম জানি। যার সিনিং হলো, ডিফিন্স অফিসার্স হাউজিং সোসাইটি। এটা অনেকটাই আমাদের বসুন্ধরার মত হাউজিং সোসাইটি। মহাখালেতে এর একটি প্রকল্প আছে। আরেকটি ডি.ও.এইচ.এস. প্রকল্প ২০০৪সালে মীরপুরে সরকার অনুমোদন দেন। ২০১৪ সাল পর্যন্ত আর কোন প্রকল্প অনুমোদনের সশ্ভবনা নেই বললেই চলে।

তবে ৩য় পন্টে টা নিয়ে ভুল বোঝা-বঝির অবকাশ আছে। পয়েন্ট টা হলেঅ, "সন্তানদের জন্য ক্যান্টনমেনট স্কুল, ক্যাডেট কলেজ থেকে শুরু করে এমআইএসটি ও এএফএমসিতে পড়ালেখার সুযোগ, সরকারি খরচে বিদেশে উন্নত প্রশিক্ষণ ও ভ্রমনের সুযোগ, জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনে গিয়ে আর্থিক স্বচ্ছলতা লাভের সুযোগ, বুয়েট কিংবা অন্যান্য পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে উচ্চতর শিক্ষালাভের সুযোগ".....................................................................................

বুয়েট কিংবা অন্যান্য পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে উচ্চতর শিক্ষালাভের সুযোগ থাকলেও এখানে সেনা,নৌ বা বিমান বাহিনীর অফিসার রা চাইলেই পড়তে আসতে পারেন না। শুধু তাদের পোস্ট গ্রাজুয়েশন এর সুযোগ থাকে, আলাদা কোটার ভিত্তিতে। কারন শক্তিশালী ডিফেন্স গড়তে হলে এর কোন বিকল্প নেই। আপনারা জানেন হয়তো এই সব বাহিনীতে "ইন্জিনিয়ারিং কোর" নামে একটা আলাদা শাখা থাকেই। তাই কারিগরী কিবদ্যায় তাদের পারদর্শী করে তুলতে এই সুযোগগুলো দেয়া হয়। কিনতু এতে একটা বিশ্ববিদ্যালয়ের স্বাভাবিক ভর্তি কার্যক্রমে বিন্দুমাত্র সংকট তৈরী করেনা। কারন ডিফেন্সের এই প্রসিডিউরটা, একান্তই ডিফেন্সের নিজস্ব নিয়ম। পাবলিক রুলস এর সাথে তা সাংঘর্ষিক না মোটেও। একজনও সাধারন পরীক্ষার্থীর ভর্তির সুযোগ এতে হ্যাম্পার হয় না। আর তাদের সন্তানদের ক্ষেত্রে তো এটা আরো প্রযোজ্য না। বাংলাদেশের কোন পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় বা বুয়েট, বি.আইটি বা মেডিকেল এ ডিফেন্সের কোন আলাদা কোটা নেই। স্বাভাবিক ভর্তিল প্রসিডিউরে যদি কোন অফিসারের সন্তান সুযোগ পান তো পান, নতুবা না।

আর আরম ফোরস মেডিকেল বা এম.আই.এস.টি নিয়ে কথা বলি। এই প্রতিষ্টান দুটো সেনা বাহিনীর তত্বাবধানে পরিচালিত। তাদের বাহিনীর প্রয়োজনে সুযোগ্য ডাক্তার, ইন্জিনিয়ার তৈরীর লক্ষে। এটারও একটা প্রেক্ষাপট আছে। বুয়েট-মেডিকেল প্রত্যাগত আন্ডারগ্রাজুয়েটরা ডিফেন্স পছন্দ নাও করতে পারেন। অথচ ডিফেন্সের নিজস্ব বাহিনীর জন্য ডাক্তার, ইন্জিনিয়ার প্রয়োজন। এ কারনে এই ২টি প্রতিষ্ঠানের উদ্ভব। তবে আর্ম ফোর্সেস মেডিকেলে এখন দুটি ভাগ করেছে। একটি হলো এ.এফ.এম.সি.। এইভাগে যারা পড়বেন তারা ডিপেন্সে যোগ নাও দিতে পারেন। আরেকটি হলো এ.এম.সি.। এইটাতে যারা জয়েন করেন তাদের অবশ্যই ডিফেন্সে যোগ দিতে হয়। আর এগুলোতেই একমাত্র ডিফেন্সের নিজস্ব কোটা আছে। এখানে একটা কথা বলে রাখা ভালো যে, অর্ম ফোর্সেস মেডিকেল কলেজ আরর এম.আই.এস.টি. কিন্তু ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় বা বুয়েটের অর্ন্তগত নয়।এই প্রতিষ্ঠানদুটো বাংলাদেশ উইনিভার্সিটি অফ প্রফেশনালস বা বি.ইউ.পি. এর অন্তর্গত। যা ডিফেন্সের নিজস্ব বিশ্ববিদ্যালয়। ন্যাশনাল স্টাফ কলেজ সহ সেনাবাহিনীর সকল অফিসার এখন অনার্স-মাস্টার্স করেন এই বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনস্থ প্রতিষ্ঠান সমূহে।

আপনার কোন ধারনা ভুল প্রমান করা আমার উদ্দেশ্য ছিল না। শুধু বিষয়গুলো সম্পর্কে একটা পরিস্কার ধারনা দেয়ার চেষ্টা করেছি মাত্র।
৩০ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৯ সন্ধ্যা ৭:৪৮

লেখক বলেছেন: আমি তো সুযোগ-সুবিধা নিয়ে কোন প্রশ্ন তুলছি না। ;) স্বাভাবিকভাবেই যেখানে এত সুবিধা সেখানে যাওয়ার জন্য ছাত্রদের উৎসাহ দিচ্ছি। :)

১১. ৩০ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৯ দুপুর ১:৪১
রাজীব বলেছেন: আমার ছোট ভাইয়ের এক বন্ধু ইউ,এস,এ-তে স্কলারশীপ পেয়েও যায়নি কারন আর্মিতে ভর্তির সুযোগ পেয়েছে।
৩০ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৯ বিকাল ৩:০০

লেখক বলেছেন: আপনার ছোট ভাইয়ের বন্ধুর তো এলেম আছে। ;)

১২. ৩০ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৯ দুপুর ১:৫৯
দ্বিধা বলেছেন: নাহিদ ভাইয়ের তথ্য থেকে অনেক কিছু জানা গেল। কিন্তু সমস্যা আসলে যা দেয়া হচ্ছে সেখানে না..."তারা প্রায়ই অধিকারের সাথে তাদের ক্ষমতাকে গুলিয়ে ফেলে"...সমস্যা তখনই শুরু হয়!
এক-আধটুকু বেশি সুবিধা যে তারা পায়, সেটা আমার গ্রাহ্যই করতাম না, তানা হলে!! ;)
৩০ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৯ বিকাল ৩:০৪

লেখক বলেছেন: নাহিদ ভাইয়ের বক্তব্য ঠিক আছে কিন্তু উনি যেই উদ্দেশ্যে সেটি দিয়েছেন তা জেনেই আমি লেখাটি লিখেছি। সুবিধা ভোগ করবে ঠিক আছে কিন্তু দেশের অন্যান্য প্রতিষ্ঠানের সুবিধার সাথে সামঞ্জস্য রেখে। উন্নত দেশের মিলিটারি যেই সুবিধা পাবে উনারাও তা পাবে তাইলে উন্নত দেশে সিভিল ইনস্টিটিউশন যেসব সুবিধা পায় আমাদের সেসব সুবিধা কই? কাট ইওর কোট একর্ডিং টু ইওর ক্লোথ হতে হবে তো।

১৩. ৩০ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৯ দুপুর ২:২১
ভাবসাধক বলেছেন: রিটায়ার ডিফেন্স কর্মকর্তাদের কথা লেখক কম বললেন । আজকাল তো রিটায়ার আলাদের পোয়াবারো ! সমস্ত অপিসে বড় পদে উচু বেতনে তারাই আসীন ।

কারন এদেশের ব্যবসা প্রতিষ্ঠান গুলো ধোয়া তুলসী পাতা । আর তাই তাদের জালিয়াতির প্রটেকশন দেযার জন্যই দরকার সাবেক মেঝর, করনেল, বিরিগেডিয়ার, মেঝর জেনারেল, ইসকডান লিডার, গ্রুপ ক্যাপটান ! হায় রে বিধি ! আমাদের এডমিন, এইচ আর , ম্যানেজম্যন্ট চাকুরী এখন বুড়াদের দখলে ।

চাকুরী থেকে রিটায়ার করার ১৫ বছর পরও ফোন করে বলে " আমি কর্ণেল এক্সওয়াই বলছি " জেড সাহেব কি আছেন ? এদিখে অপর দিকের পুচকে টেলিফোন অপারেটরের অবস্তা ভাবুন !!!!!!!!!!!!! ভয়ে অস্তির ,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,

হায় ! বাংলাদেশ !!!!!!!!!!!!!!!!!১
১৪. ৩০ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৯ দুপুর ২:২১
ভাবসাধক বলেছেন: রিটায়ার ডিফেন্স কর্মকর্তাদের কথা লেখক কম বললেন । আজকাল তো রিটায়ার আলাদের পোয়াবারো ! সমস্ত অপিসে বড় পদে উচু বেতনে তারাই আসীন ।

কারন এদেশের ব্যবসা প্রতিষ্ঠান গুলো ধোয়া তুলসী পাতা । আর তাই তাদের জালিয়াতির প্রটেকশন দেযার জন্যই দরকার সাবেক মেঝর, করনেল, বিরিগেডিয়ার, মেঝর জেনারেল, ইসকডান লিডার, গ্রুপ ক্যাপটান ! হায় রে বিধি ! আমাদের এডমিন, এইচ আর , ম্যানেজম্যন্ট চাকুরী এখন বুড়াদের দখলে ।

চাকুরী থেকে রিটায়ার করার ১৫ বছর পরও ফোন করে বলে " আমি কর্ণেল এক্সওয়াই বলছি " জেড সাহেব কি আছেন ? এদিখে অপর দিকের পুচকে টেলিফোন অপারেটরের অবস্তা ভাবুন !!!!!!!!!!!!! ভয়ে অস্তির ,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,

হায় ! বাংলাদেশ !!!!!!!!!!!!!!!!!
৩০ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৯ বিকাল ৩:০৯

লেখক বলেছেন: ঐ জায়গায় আর হাত দেই নাই। চাকরিতে থাকা অবস্থায় শিল্পপতিদের সাথে সুসম্পর্ক গড়ে তুলে অবসরে সেই সুবিধা নেয়ার পাশাপাশি আজকাল দেখছি কোন বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে বড়সড় পদে অবসরপ্রাপ্ত সামরিক কর্মকর্তাদের অগ্রাধিকারের কথা বলা হয়। আগে সিকিউরিটি গার্ডের চাকরিতে অবসরপ্রাপ্ত সামরিক বাহিনীর ননকমিশন্ড সদস্যের অগ্রাধিকারের কথা বল হত আজকাল সেই সিস্টেমে বিভিন্ন কোম্পানির সিইও বা ডিএমডি পদে কমিশন্ডদের অগ্রাধিকারের কথা বলা হয়।

মন্তব্যের জন্য ধন্যবাদ।

১৫. ৩০ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৯ দুপুর ২:৪৭
খুশবু বলেছেন: আমি ২বার চেষ্টা করলাম, হল না । এবার ৬৬ বিএম ট্রাই করতেছি । হতেই হবে না হলে আমি শেষ।
৩০ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৯ বিকাল ৩:১১

লেখক বলেছেন: বাই, দোয়া করি যেন আপনার হয় কিন্তু হইলে পরে ট্রেনিং শেষে আবার আমারে মারতে আইসেন না! ডর লাগতেসে। এত কিছু কইলাম পরে ডান্ডা পাইলে আবার আমার নিরীহ মুখটা আপনার সামনে ভাসতে পারে। :)

ভাই এইচএসসি কোন ইয়ার?? কোন কলেজ?

১৬. ৩০ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৯ দুপুর ২:৫৩
নুভান বলেছেন: দাড়োওয়ান হৈবার মুঞ্চায় নাই : Click This Link
৩০ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৯ বিকাল ৩:২১

লেখক বলেছেন: মুন্চাইলে এখন কত্ত আরামে থাকতেন ;)

আপনার লেখাটি পড়লাম। ভাল বলেছেন। আসলে বহিঃশত্রু আক্রমনের জন্য কূটনীতি ছাড়া আর কিছু করার সাধ্য আমাদের নাই। আমরা কি আমেরিকার সাথে যুদ্ধের প্রস্তুতি নিয়ে সামরিক বাহিনীর পিছনে টাকা ঢালব? তাইলে তো দেশ উজার হয়া যাইব। আপনার কথার সাথে আমিও একমত যে মানবসম্পদ সৃষ্টিতে টাকা ঢাল তারপর নিজের দেশে সম্পদ বেড়ে গেল তা বাঁচাইতে সামরিক শক্তি বাড়াও। আমাদের দেশে ঘোড়া ডিঙায়া ঘাস খাওয়ার পায়তারা চলতেসে।

১৭. ৩০ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৯ বিকাল ৪:৫০
আমি এবং আঁধার বলেছেন: ক্যাডেটে পড়ার সময় গাধার মতন ফর্ম ফিলাপ করসিলাম, পরে আল্লা সুবুদ্ধি দেয়াতে আর I.S.S.B.পরীক্ষা দেই নাই।

যে দেশের বাপ-মায়েরা মনে করে আর্মি অফিসার, ডাক্তার, দামী আপিসের কেরাণি আর ইঞ্জিনিয়ার[তাও মাত্র ২/১ টা বিষয়ে!!] ছাড়া পোলা/মাইয়ার কুনো ভবিষৎত নাই, সেই দেশের উন্নতি জীবনেও হইবোনা। উদাহরণ- বাংলাদেশ!!!!!!
৩০ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৯ সন্ধ্যা ৭:৫০

লেখক বলেছেন: কী যে বলেন! আর্মিতে গেলে কত্ত মজায় থাকতেন এখন ;)

১৮. ৩০ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৯ বিকাল ৫:৩৪
মাহবুব সুমন বলেছেন: কমিশন পাবার পর সেকেন্ড লেফট্যানান্ট পদ প্রথম শ্রেনীর গেজেটেড পদের সমতুল্য না, এটা ২য় শ্রেনীর। লেফট্যানান্ট পদ প্রথম শ্রেনীর পদ।

পিএসসি বা এনডিসি কোনো ডিগ্রী না, এটা কোর্স। একাডেমিক কোনো ডিগ্রীর সাথে এর তুলনা করা যাবে না।
ডিফেন্স সার্ভিসেস কমান্ড এন্ড স্টাফ কলেজে করানো এমডিএস একটি ডিগ্রী যা আগে জাতীয় বিশ্ব বিদ্যালয়ের আওতায় করানো হতো।

২য় লেফট্যানান্ট - মেজর পদে প্রমোশন টাইম স্কেলে হয়, যদিও কোর্স ও ট্রেইনিং শেষ করতে হয়। বাকী গুলো সিলেক্টিভ। বেশীর ভাগ আর্মি অফিসারই পাস কোর্স পাশ থেকে যায় !! :)

আমাদের আর্মি চলে পাকিস্তান আর্মির ধারায়। পাকি আর্মিরা যে ভাবে সব কিছু করে আমাদের রামগাধাগুলাও একই ভাবে করে। কোনো ফারাক নাই দুই গাধার মাঝে। উন্নত দেশগুলোতে এরকম কোনো সুযোগ নাই যা আমাদের দেশের আর্মিরা পায়।
৩০ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৯ সন্ধ্যা ৭:৫১

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ। এই বিষয়গুলো জানতাম না। আচ্ছা সেকেন্ড লেফট্যানেন্ট থেকে লেফট্যানেন্ট হতে কতদিন সময় লাগে সাধারনত??

ধন্যবাদ আপনার সুন্দর মন্তব্যের জন্য।

১৯. ৩০ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৯ বিকাল ৫:৪৩
অন্ধ দাঁড়কাক বলেছেন: ভালো লিখছেন। আমাদের মতো গরীব দেশে এরকম হাতী পোষা আসলেই মানায়না। আপনার সব পয়েন্টে সহমত। ২/১টা ব্যাপারে আমার একটু কথা ছিল:

"ক্যাডেট কলেজের পেছনে যে খরচ হয় তা দিয়ে পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় চালান যায়। সামরিক বাহিনীর কর্মকর্তাদের সন্তানদের জন্য ওখানে আলাদা সিট আছে।" - এই ধারণা আপনার কেমনে হলো বুঝলামনা। আপনি হয় ক্যাডেট কলেজের বাজেট অথবা পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের বাজেট কত জানেননা। আর ক্যাডেট কলেজে যারা পড়ে তাদের এখন বেতন এবং অন্যান্য আনুষাঙ্গিক বাবদ কত খরচ হয় একটু খোঁজ নিবেন দয়া করে। আর বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রদের বেতন আশা করি জানা আছে।

"জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনে গিয়ে আর্থিক স্বচ্ছলতা লাভের সুযোগ" - এইটা আর্মি অফিসারদের জন্য চরম লোভনীয় একটা ব্যাপার নি:সন্দেহে। তবে মজার ব্যাপার হচ্ছে, জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনে একজন আর্মি অফিসার তার বেতনের ৩৫/৪০% নিজের হাতে পান, বাকি অংশ পায় সরকার। এই মুহূর্তে বাংলাদেশের কয়েক হাজার আর্মি/নেভী অফিসার মিশনে আছে। এতএব তাদের মিশনে গিয়ে টাকা কামানোটা আমাদের দেশের জন্য ভালো একটা রেমিট্যান্সের সোর্স ও বটে।
৩০ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৯ সন্ধ্যা ৭:৫৭

লেখক বলেছেন: আমি যদ্দূর জানি ক্যাডেট কলেজে পিতা-মাতার আয়ের ওপর নির্ভর করে শিক্ষার্থীদের বেতন নির্ধারণ করা হয়। আর ক্যাডেট কলেজের বাজেট দিয়ে পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় চালান যায় এই হিসাব আমার না, শ্রদ্ধেয় জাফর ইকবাল স্যার একথা বলেছিলেন যখন সাবেক সেনাপ্রধান মইন ইউ আহমেদ প্রতিটি জেলায় একটি করে ক্যাডেট কলেজ স্থাপনের কথা বলেছিলেন।

হুমম। শান্তিরক্ষা মিশন থেকে সরকারের আয় আছে। প্রবাসী শ্রমিকদের রেমিটেন্স থেকেও তো সরকারের অনেক আয় হয় সেজন্য প্রবাসী শ্রমিকদের সুবিধা তো দূরের কথা বিদেশে যখন তারা নির্যাতিত হয় তখন বাংলাদেশ হাইকমিশন নিরব দর্শকের ভূমিকা পালন করে।

২০. ৩০ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৯ রাত ৯:৫৩
খুশবু বলেছেন: ২০০৮ মো:মডেল কলেজ
০১ লা অক্টোবর, ২০০৯ দুপুর ২:৫৩

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ। আমি আপনার ব্যাচমেট। চেষ্টা করেন ইনশাল্লাহ হয়ে যাবে সামরিক বাহিনীতে।

২১. ৩০ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৯ রাত ১০:১৯
রোদেলা বলেছেন: আপনি আসলেও বোকা ।এতো বড় একটা পেশা সম্পর্কে পুরো না জেনেই লিখে ফেললেন।তারা কতোটা প্রেশারে থাকেন তা কেব তারাই জানেন। নাইমতো অনেকটাই লিখে ফোলেছেন ,আমাদের সেনাবাহিনী পৃথিবীর অন্যান্য বাহিনী থেকে আলাদা কিছুনা।
০১ লা অক্টোবর, ২০০৯ দুপুর ২:৫২

লেখক বলেছেন: ;) ভাই প্রেসারে কে থাকে না বলেন তো? বেকারও তো মানসিক প্রেসারে থাকে। সামরিক বাহিনীতে সুযোগ-সুবিধা ভাল তাই বললাম সেখানে চাকরি করলে লাভ আছে। ব্যস এর বেশি কিছু না। :)

২২. ৩০ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৯ রাত ১০:৩৬
বুমবুম বলেছেন: আমার এই চাকরী কখনই ভালো লাগে না:|
০১ লা অক্টোবর, ২০০৯ দুপুর ২:৫৪

লেখক বলেছেন: ;) কী যে বলেন কত্ত মজা।

২৩. ৩০ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৯ রাত ১০:৩৯
রাতমজুর বলেছেন: একপাশ আইছে, আরেকটা কৈ?
০১ লা অক্টোবর, ২০০৯ দুপুর ২:৫৫

লেখক বলেছেন: বুঝলাম না। একপাশ, আরেকটা মানে?

২৪. ১১ ই নভেম্বর, ২০০৯ রাত ২:৩৩
হামিদ পায়োনিয়ার বলেছেন: আমারও ইচ্ছে আছে। তয় বিমান বাহিনীরে আমার খুব ভাল লাগে। এই বিষয়ে যদি কোন অভিজ্ঞতা থাকে তবে ধার দিতে পারেন।
সরাসরি প্রিয়তে এবং একখান প্লাস।

ধন্যসহ ( সহ= বাদ )

 

মোট সময় লেগেছে ২.৮৭৩৯ সেকেন্ড

 

সামহোয়‍্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব‍্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...
© সামহোয়্যার ইন...নেট লিমিটেড | ব্যবহারের শর্তাবলী | গোপনীয়তার নীতি
বলতে চাই অনেক কিছু কিন্তু কেন যেন বলতে পারি না
ব্লগারে আমার ব্লগ http://sleepinclassroom.blogspot.com/
আর এস এস ফিড

পোস্ট আর্কাইভ

আমার লিঙ্কস

আমার বিভাগ

    কোন বিভাগ নেই