ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষা ও গবেষণা ইনস্টিটিউটের (আই.ই.আর) শিক্ষার্থীরা পূর্বের ন্যায় ব্যাচেলর অব এডুকেশন (সম্মান) প্রথম বর্ষের ভর্তি পরীক্ষা আলাদাভাবে নেয়ার দাবিতে আন্দোলন করছে। আই.ই.আর, আই.বি.এ এবং চারুকলা অনুষদে সম্মান প্রথম বর্ষে ভর্তির জন্য পৃথক ভর্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়ে থাকে। উল্লেখ্য, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অন্য সকল বিভাগ ও ইনস্টিটিউটে ভর্তি পরীক্ষা ক, খ, গ ও ঘ ইউনিটের অধীনে হয়ে থাকে। গত ২৫শে আগস্ট বুধবার ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের একাডেমিক কাউন্সিলের এক বৈঠকে আই.ই.আর-এর ভর্তি পরীক্ষা ২০১০-১১ শিক্ষাবর্ষ থেকে খ ও ঘ ইউনিটের অধীনে সম্পন্ন করার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়। এ খবর জানতে পেরে পরদিন বৃহস্পতিবার শিক্ষার্থীরা আই.ই.আর থেকে মিছিল বের করে উপাচার্যের কার্যালয়ের সামনে গিয়ে অবস্থান নেয়। তারা নতুন সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে শ্লোগান দিতে থাকে। সামান্য সময় ভিসির কার্যালয় ঘেরাও করে রেখে তারা ফিরে আসে। আই.ই.আর-এর শিক্ষকগণ শিক্ষার্থীদের সাথে একাত্মতা ঘোষণা করেন। প্রশাসন থেকে কোন প্রকার সাড়া না পেয়ে শিক্ষার্থীরা আজ সকাল দশটার পর আবার উপাচার্যের কার্যালয়ের সামনে অবস্থান নেয় ও শ্লোগান দেয়। পরে তারা প্রায় ঘন্টাখানেক উপাচার্যের বাসভবনের সামনের সড়ক অবরোধ করে এবং যান চলাচল বন্ধ রাখে। এরপর উপাচার্যের অফিস থেকে শিক্ষার্থীদের সাথে আলোচনার সিদ্ধান্ত নেয়ার পরে ছাত্ররা সড়ক ছেড়ে উপাচার্যের কার্যালয়ে গিয়ে প্রায় দেড় ঘন্টা বৈঠক করে। ভিসি শিক্ষার্থীদের এ ধরণের গণতান্ত্রিক উপায়ে পরিচালিত আন্দোলনের প্রশংসা করেন এবং উল্লেখ করেন যে, এ ধরণের আন্দোলন করার অধিকার শিক্ষার্থীদের আছে। এসময়ে শিক্ষার্থীরা আই.ই.আর-এর পৃথক ভর্তি পরীক্ষার স্বপক্ষে যুক্তি উপস্থাপন করে এবং উপাচার্য মহোদয় তা শুনে তাদের যুক্তি খণ্ডনের চেষ্টা চালান। তিনি জানান, বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তিচ্ছু শিক্ষার্থীদের আর্থিক ও অন্যান্য ভোগান্তি কমাবার লক্ষ্যে আই.ই.আর-এর ভর্তি পরীক্ষা খ ও ঘ ইউনিটের অধীনে সম্পন্ন করার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। ছাত্ররা বলে যে, খ ও ঘ ইউনিটের চলমান প্রশ্ন পদ্ধতির মাধ্যমে আই.ই.আর এর মত একটি ভিন্ন ইনস্টিটিউটে পড়বার যোগ্যতা নির্ণয় করা সম্ভব হবে না। কেননা আই.ই.আর-এ স্নাতক (সম্মান) পর্যায়ে পাঁচটি স্ট্রিম রয়েছে। এগুলো হল ভৌত বিজ্ঞান শিক্ষা, জীববিজ্ঞান শিক্ষা, সমাজবিজ্ঞান শিক্ষা, ভাষা শিক্ষা ও বিশেষ শিক্ষা। এই পাঁচটি ধারায় অধিকাংশ কোর্স এক হলেও ৪৮ক্রেডিট ঘন্টার মোট ১২ টি কোর্স স্ট্রিমভেদে পৃথক যেগুলো প্রথম দুই বছর শিক্ষার্থীদের পড়তে হয়। ভৌত বিজ্ঞান শিক্ষায় যেমন স্নাতক পর্যায়ের পদার্থবিজ্ঞান, গণিত, রসায়ন ইত্যাদি পড়তে হয় তেমনি জীববিজ্ঞান শিক্ষায় স্নাতক পর্যায়ের প্রাণীবিদ্যা, উদ্ভিদবিদ্যা, রসায়ন পড়তে হয়। বিশেষ শিক্ষা বিভাগে মনোবিজ্ঞান ও বিশেষ চাহিদা সম্পন্ন ব্যক্তিদের জন্য প্রযোজ্য বিশেষ মনোবিজ্ঞানের স্নাতক পর্যায়ের কোর্স পড়তে হয়। খ ও ঘ ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষায় এ বিষয়গুলো পড়বার ঝোঁক (এপটিচিউড) যাচাই করার কোন সুযোগ থাকে না। শুধুমাত্র সামাজিক বিজ্ঞান শিক্ষা ও ভাষা শিক্ষা স্ট্রিমে পড়ার যোগ্যতা নির্ণয় করা সম্ভব হয়। এ প্রেক্ষিতে ভিসি স্যার পরবর্তী ভর্তি পরীক্ষায় খ ও ঘ ইউনিটের প্রশ্ন পদ্ধতি পরিবর্তনের ব্যাপারে জানান। কিন্তু তার বক্তব্য শিক্ষার্থীদের উত্থাপিত দাবি-দাওয়ার স্বপক্ষে না যাওয়ায় তারা আন্দোলন অব্যাহত রাখার সিদ্ধান্ত নেয়। বিশেষ করে ভিসি স্যারের একটি বক্তব্য শিক্ষার্থীদের মাঝে আশঙ্কার জন্ম দেয়। সেটি হল, "একাডেমিক কাউন্সিল কোন সিদ্ধান্ত নিলে আন্দোলন, মিছিল করে তোমরা কিছু করতে পারবে না।" তাছাড়া আই.ই.আর-এর ভর্তি পরীক্ষা খ ও ঘ ইউনিটের অধীনে হলে আই.বি.এ'র ভর্তি পরীক্ষা কেন পৃথকভাবেই সম্পন্ন হবে সে প্রশ্নের জবাবে ভিসি বলেন যে, পর্যায়ক্রমে আই.বি.এ'র ভর্তি পরীক্ষাও বিদ্যমান ইউনিটগুলোর অধীনে আনা হবে। এক পর্যায়ে যুক্তি হিসেবে তিনি ২০০৯-১০ শিক্ষাবর্ষে আই.ই.আর-এর ভর্তি পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁসের বিষয়টিও উল্লেখ করেন। এর প্রেক্ষিতে শিক্ষার্থীরা বলে যে, ১৯৯৪-৯৫ শিক্ষাবর্ষে খ ইউনিটের প্রশ্নপত্রও ফাঁস হয়েছিল। পরে পরীক্ষা বাতিল করে পুনরায় পরীক্ষা নেয়া হয়েছিল। অথচ আই.ই.আর-এর প্রশ্নপত্র ফাঁস হওয়ার পর পরীক্ষা হওয়ার আগেই তা স্থগিত করে পরে পরীক্ষা নেয়া হয়। শেষ পর্যন্ত ভিসি স্যার এবং আই.ই.আর-এর শিক্ষার্থীর ঐক্যমতে আসতে পারেন নি। আই.ই.আর-এর জন্য পৃথক ভর্তি পরীক্ষা চালু রাখার দাবি মেনে না নেয়া পর্যন্ত শিক্ষার্থীরা আন্দোলন অব্যাহত রাখার সিদ্ধান্ত নেয়।
স্বতন্ত্র ভর্তি পরীক্ষা চালু রাখার দাবিতে আই.ই.আর-এর শিক্ষার্থীদের আন্দোলন
আমাদের গ্রামের গল্প!

আমাগো গ্রাম আপনারা সবাই চিনেন।
মুন্সিগঞ্জ, বিক্রমপুর। শ্রীনগর থানা। খুবই প্রাচীন অঞ্চল। অবশ্য এখন গ্রাম বদলে গেছে! ইংলিশ মিডিয়াম স্কুল হয়েছে, বিউটি পার্লার, কমিউনিটি সেন্টার, শপিংমল, ফাস্টফুডের দোকান হয়েছে।... ...বাকিটুকু পড়ুন
পণ্ডশ্রম

এই নিয়েছে ঐ নিল যাঃ! কান নিয়েছে চিলে,
চিলের পিছে মরছি ঘুরে আমরা সবাই মিলে।
কানের খোঁজে ছুটছি মাঠে, কাটছি সাঁতার বিলে,
আকাশ থেকে চিলটাকে আজ ফেলব পেড়ে ঢিলে।
দিন-দুপুরে জ্যান্ত আহা, কানটা... ...বাকিটুকু পড়ুন
আপনার ATM কার্ড কি সত্যিই নিরাপদ?
আপনার ATM কার্ড কি সত্যিই নিরাপদ?
ধরুন, মাসুদ একদিন বাজার করতে বের হয়েছেন। তার মানিব্যাগে একটি Contactless Visa Card ছিল। বাজারের ভিড়ের মধ্যে একজন চোর একটি বিশেষ স্ক্যানিং ডিভাইস নিয়ে ঘুরছিল।... ...বাকিটুকু পড়ুন
ফিরে যাওয়া বলে কিছু নেই
আমি যে নদীর কথা ভাবি,
সে নদী জল নয় সময় বয়ে নিয়ে চলে।
এক পাড়ে মানুষের কোলাহল,
হাটের গুঞ্জন, ভাতের গন্ধ, সন্ধ্যার আহবান,
অন্য পাড়ে কেবল শূন্যতা,
যেন কেউ কোনোদিন সেখানে ছিলইনা।
তবু দু পাড়ই... ...বাকিটুকু পড়ুন
১০০০-তম পোস্টঃ কন্যা আপন সাজন সাজে রে
আমাকে ও রাহমিনকে এনিমেট করলে কেমন দেখাবে? এই আইডিয়া থেকেই গানটা রিমিক্স করে এনিমেটেড ভিডিও সং বানিয়ে ইউটিউবে ছেড়েছি। ছোটবেলায় মেঝ খালার বিয়েতে এই গানটা শুনেছিলাম। সবাইকে গানটি দেখা ও... ...বাকিটুকু পড়ুন

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।