আমার প্রিয় পোস্ট

স্বতন্ত্র ভর্তি পরীক্ষা চালু রাখার দাবিতে আই.ই.আর-এর শিক্ষার্থীদের আন্দোলন

২৮ শে আগস্ট, ২০১০ বিকাল ৫:৪৯

শেয়ারঃ
0 12 1

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষা ও গবেষণা ইনস্টিটিউটের (আই.ই.আর) শিক্ষার্থীরা পূর্বের ন্যায় ব্যাচেলর অব এডুকেশন (সম্মান) প্রথম বর্ষের ভর্তি পরীক্ষা আলাদাভাবে নেয়ার দাবিতে আন্দোলন করছে। আই.ই.আর, আই.বি.এ এবং চারুকলা অনুষদে সম্মান প্রথম বর্ষে ভর্তির জন্য পৃথক ভর্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়ে থাকে। উল্লেখ্য, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অন্য সকল বিভাগ ও ইনস্টিটিউটে ভর্তি পরীক্ষা ক, খ, গ ও ঘ ইউনিটের অধীনে হয়ে থাকে। গত ২৫শে আগস্ট বুধবার ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের একাডেমিক কাউন্সিলের এক বৈঠকে আই.ই.আর-এর ভর্তি পরীক্ষা ২০১০-১১ শিক্ষাবর্ষ থেকে খ ও ঘ ইউনিটের অধীনে সম্পন্ন করার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়। এ খবর জানতে পেরে পরদিন বৃহস্পতিবার শিক্ষার্থীরা আই.ই.আর থেকে মিছিল বের করে উপাচার্যের কার্যালয়ের সামনে গিয়ে অবস্থান নেয়। তারা নতুন সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে শ্লোগান দিতে থাকে। সামান্য সময় ভিসির কার্যালয় ঘেরাও করে রেখে তারা ফিরে আসে। আই.ই.আর-এর শিক্ষকগণ শিক্ষার্থীদের সাথে একাত্মতা ঘোষণা করেন। প্রশাসন থেকে কোন প্রকার সাড়া না পেয়ে শিক্ষার্থীরা আজ সকাল দশটার পর আবার উপাচার্যের কার্যালয়ের সামনে অবস্থান নেয় ও শ্লোগান দেয়। পরে তারা প্রায় ঘন্টাখানেক উপাচার্যের বাসভবনের সামনের সড়ক অবরোধ করে এবং যান চলাচল বন্ধ রাখে। এরপর উপাচার্যের অফিস থেকে শিক্ষার্থীদের সাথে আলোচনার সিদ্ধান্ত নেয়ার পরে ছাত্ররা সড়ক ছেড়ে উপাচার্যের কার্যালয়ে গিয়ে প্রায় দেড় ঘন্টা বৈঠক করে। ভিসি শিক্ষার্থীদের এ ধরণের গণতান্ত্রিক উপায়ে পরিচালিত আন্দোলনের প্রশংসা করেন এবং উল্লেখ করেন যে, এ ধরণের আন্দোলন করার অধিকার শিক্ষার্থীদের আছে। এসময়ে শিক্ষার্থীরা আই.ই.আর-এর পৃথক ভর্তি পরীক্ষার স্বপক্ষে যুক্তি উপস্থাপন করে এবং উপাচার্য মহোদয় তা শুনে তাদের যুক্তি খণ্ডনের চেষ্টা চালান। তিনি জানান, বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তিচ্ছু শিক্ষার্থীদের আর্থিক ও অন্যান্য ভোগান্তি কমাবার লক্ষ্যে আই.ই.আর-এর ভর্তি পরীক্ষা খ ও ঘ ইউনিটের অধীনে সম্পন্ন করার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। ছাত্ররা বলে যে, খ ও ঘ ইউনিটের চলমান প্রশ্ন পদ্ধতির মাধ্যমে আই.ই.আর এর মত একটি ভিন্ন ইনস্টিটিউটে পড়বার যোগ্যতা নির্ণয় করা সম্ভব হবে না। কেননা আই.ই.আর-এ স্নাতক (সম্মান) পর্যায়ে পাঁচটি স্ট্রিম রয়েছে। এগুলো হল ভৌত বিজ্ঞান শিক্ষা, জীববিজ্ঞান শিক্ষা, সমাজবিজ্ঞান শিক্ষা, ভাষা শিক্ষা ও বিশেষ শিক্ষা। এই পাঁচটি ধারায় অধিকাংশ কোর্স এক হলেও ৪৮ক্রেডিট ঘন্টার মোট ১২ টি কোর্স স্ট্রিমভেদে পৃথক যেগুলো প্রথম দুই বছর শিক্ষার্থীদের পড়তে হয়। ভৌত বিজ্ঞান শিক্ষায় যেমন স্নাতক পর্যায়ের পদার্থবিজ্ঞান, গণিত, রসায়ন ইত্যাদি পড়তে হয় তেমনি জীববিজ্ঞান শিক্ষায় স্নাতক পর্যায়ের প্রাণীবিদ্যা, উদ্ভিদবিদ্যা, রসায়ন পড়তে হয়। বিশেষ শিক্ষা বিভাগে মনোবিজ্ঞান ও বিশেষ চাহিদা সম্পন্ন ব্যক্তিদের জন্য প্রযোজ্য বিশেষ মনোবিজ্ঞানের স্নাতক পর্যায়ের কোর্স পড়তে হয়। খ ও ঘ ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষায় এ বিষয়গুলো পড়বার ঝোঁক (এপটিচিউড) যাচাই করার কোন সুযোগ থাকে না। শুধুমাত্র সামাজিক বিজ্ঞান শিক্ষা ও ভাষা শিক্ষা স্ট্রিমে পড়ার যোগ্যতা নির্ণয় করা সম্ভব হয়। এ প্রেক্ষিতে ভিসি স্যার পরবর্তী ভর্তি পরীক্ষায় খ ও ঘ ইউনিটের প্রশ্ন পদ্ধতি পরিবর্তনের ব্যাপারে জানান। কিন্তু তার বক্তব্য শিক্ষার্থীদের উত্থাপিত দাবি-দাওয়ার স্বপক্ষে না যাওয়ায় তারা আন্দোলন অব্যাহত রাখার সিদ্ধান্ত নেয়। বিশেষ করে ভিসি স্যারের একটি বক্তব্য শিক্ষার্থীদের মাঝে আশঙ্কার জন্ম দেয়। সেটি হল, "একাডেমিক কাউন্সিল কোন সিদ্ধান্ত নিলে আন্দোলন, মিছিল করে তোমরা কিছু করতে পারবে না।" তাছাড়া আই.ই.আর-এর ভর্তি পরীক্ষা খ ও ঘ ইউনিটের অধীনে হলে আই.বি.এ'র ভর্তি পরীক্ষা কেন পৃথকভাবেই সম্পন্ন হবে সে প্রশ্নের জবাবে ভিসি বলেন যে, পর্যায়ক্রমে আই.বি.এ'র ভর্তি পরীক্ষাও বিদ্যমান ইউনিটগুলোর অধীনে আনা হবে। এক পর্যায়ে যুক্তি হিসেবে তিনি ২০০৯-১০ শিক্ষাবর্ষে আই.ই.আর-এর ভর্তি পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁসের বিষয়টিও উল্লেখ করেন। এর প্রেক্ষিতে শিক্ষার্থীরা বলে যে, ১৯৯৪-৯৫ শিক্ষাবর্ষে খ ইউনিটের প্রশ্নপত্রও ফাঁস হয়েছিল। পরে পরীক্ষা বাতিল করে পুনরায় পরীক্ষা নেয়া হয়েছিল। অথচ আই.ই.আর-এর প্রশ্নপত্র ফাঁস হওয়ার পর পরীক্ষা হওয়ার আগেই তা স্থগিত করে পরে পরীক্ষা নেয়া হয়। শেষ পর্যন্ত ভিসি স্যার এবং আই.ই.আর-এর শিক্ষার্থীর ঐক্যমতে আসতে পারেন নি। আই.ই.আর-এর জন্য পৃথক ভর্তি পরীক্ষা চালু রাখার দাবি মেনে না নেয়া পর্যন্ত শিক্ষার্থীরা আন্দোলন অব্যাহত রাখার সিদ্ধান্ত নেয়।

 

বিষয়বস্তুর স্বত্ত্বাধীকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...

 

১. ২৮ শে আগস্ট, ২০১০ বিকাল ৫:৫৯
সায়েমবিপ্লবি বলেছেন: ভাল লাগলো...............প্রশংসনীয় উদ্যোগ
২৮ শে আগস্ট, ২০১০ রাত ৯:৩৮

লেখক বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ আপনাকে।

২. ২৮ শে আগস্ট, ২০১০ সন্ধ্যা ৬:২৯
কানা-বাবা বলেছেন: IER - অনেক স্মৃতি বিজরিত। আমার শিক্ষা জীবন শুরু হয়েছিলো ওখান থেকে - মা MEd এর ক্লাস করত আর আমাকে পেছনের দিকে বসিয়ে রাখত।
২৮ শে আগস্ট, ২০১০ রাত ৯:৪৪

লেখক বলেছেন: আই.ই.আর-এ অনেকেরই ছোটবেলার স্মৃতি থাকে। বিশেষ করে যাদের মা শিক্ষকতা করেন বা করেছেন তাদেরকে ছোটবেলায় ছায়ানীড়ে ভর্তি করে দেয়া হয়।

৩. ২৮ শে আগস্ট, ২০১০ সন্ধ্যা ৭:১০
নীল-দর্পণ বলেছেন: এমন আন্দোলন চলবে যত দিন না মানা হয় আমাদের দাবি। যদি ভর্তী পরীক্ষার্থীদের সুবিধার কথা চিন্তা করেই করা হয় তবে আই,বি,তে কেন আগে নয়। আই,ই,আর তো হওয়ার কথা নয়। আই,বি,এ-র পরীক্ষা তো গ ইউনিটের সাথে মার্জ করে দিতে পারে। কারণ বিজনেছ ফ্যাকাল্টতেতো শিক্ষার্থীরা কাছা কাছি বিষয়ই পড়ছে। শুধু কাছা কাছি না বরং সমজাতীয়ই বলা যায়। কিন্তু আই,ই,আর-এর পঠিত বিষয়গুলোতো কোন ফ্যাকাল্টি বা ডিপার্টমেন্টের সাথে মিল নেই। এটা ভিন্ন রকমের একটা ইনস্টিটিউট। তা ছাড়াও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সবচেয়ে বড় (প্রশাসনিক ও একাডেমিক দিক থেকে) ও সবচেয়ে প্রাচীন ইনস্টিটিউট হল আই,ই,আর। তাবে এটাকে কেন একাডেমিক কমিটির গিনিপিগ হতে হবে? যদি গিনিপিগ দরকার হয় আই,বি,এ-কেই আগে বানান.......................
২৮ শে আগস্ট, ২০১০ রাত ৯:৫১

লেখক বলেছেন: দারুন বলেছেন। আই.ই.আর এর ভর্তি পরীক্ষায় ত্রুটি থাকতে পারে কিন্তু খ বা ঘ ইউনিটের অধীনে পরীক্ষা নেয়া কোন সমাধান হতে পারে না। বরং পরীক্ষার্থীদের আই.ই.আর এর বিষয়গুলো পড়ার যোগ্যতা আছে কিনা তা যাচাইয়ের জন্য আই.ই.আর-এর নিজস্ব ভর্তি পরীক্ষার আরও উন্নয়ন প্রয়োজন। খ বা ঘ ইউনিটের অধীনে যাওয়া মানে পুরো উল্টো পথে হাঁটা।

৪. ২৮ শে আগস্ট, ২০১০ সন্ধ্যা ৭:১২
অলিন্দ বলেছেন: যেখানে একই সাথে একইধরনের ভার্সিটি গুলোতে গুচ্ছ পদ্ধতিতে ভর্তি পরীক্ষার কথা বলা হচ্ছে, সেখানে এই ধরনের দাবি কাদের স্বার্থে করা হয় বুঝিনা..... ইন্সটিটিউটের ফর্ম বিক্রির আয় বাড়ানোর জন্য নয় তো?
২৮ শে আগস্ট, ২০১০ রাত ৯:৫৪

লেখক বলেছেন: ভাই, সেক্ষেত্রে তো ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ক ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষা আর বুয়েটের ভর্তি পরীক্ষা একসাথে হতে পারে। সবসময়ে সবকিছুকে একীভূত করা যায় কি?

৫. ২৮ শে আগস্ট, ২০১০ সন্ধ্যা ৭:৪১
বালক বন্ধু বলেছেন: @ অলিন্দ
প্রতিটি বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভাগের জন্য গুচ্ছ পদ্ধতিতে পরীক্ষা নেওয়া আর ইন্সটিটিউটগুলোর জন্য একই পরীক্ষা নেওয়া এক কথা নয়।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়সহ অন্যান্য বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর বিভাগগুলোতে যে বিষয়গুলো পড়ানো হয় তা আপনারা কোন না কোন ভাবে আগে থেকে পড়ে আসেন। কিন্তু চারুকলা, শিক্ষা বিজ্ঞান কি আপনারা আগে থেকে পড়ে আসেন। কখনো শিক্ষা বিজ্ঞান নামে কোন বিষয়কি আপনার বিদ্যালয়ে আপনাকে পড়ানো হয়েছে? কখনো বুদ্ধিমত্তা, বিমূর্ত যুক্তি কি আপনি পড়েছেন? কখনোকি আপনাকে পরীক্ষার হলে মাটির কোন জিনিস বানিয়ে পরীক্ষা দিতে হয়েছে, আপনাকে ড্রইংএর মাধ্যমে সামান্য চিত্রের জ্ঞান প্রদান করা হলেও পরীক্ষার হলে ক্যানভাস দিয়ে তুলির আচরে ছবি একে পরীক্ষা দেয়েছে? দেননি।

মনে রাখবেন প্রতিটি দেশেই ইন্সটিটিউট করা হয় একটি নির্দিষ্ট বিষয়কে আরো ক্ষুদ্রাতি ক্ষুদ্র ভাবে অধ্যায়ন, গবেষণা, প্রয়োগ, বাস্তবায়ন, ভুল নির্ণয় ও পুনবাস্তবায়নের মত গুরুত্বপূর্ণ কাজগুলো করা হয়ে থাকে। সব দেশেই শিক্ষা ও গবেষণা ইন্সটিটিউট একটি আলাদা বিষয়। জাপানে শিক্ষা ও গবেষণার জন্য আলাদা বিশ্ববিদ্যালয় বর্তমান।

যেখানে উদ্দেশ্য একটি নির্দিষ্ট বিষয়ে বিশেষজ্ঞ তৈরী করা সেখানে আলাদা পরীক্ষা নেওয়া কি যুক্তিযুক্ত নয়? কারণ আলাদা পরীক্ষার মাধ্যমে সর্বোচ্চ সুক্ষ্ণ বিশ্লেষণের মাধ্যমে উপযুক্ত মেধার শিক্ষার্থী বাছাই করার মাধ্যমে বিশেষজ্ঞ তৈরী করা সম্ভব।
আমাদের দেশে এমনিতেই শিক্ষার বেহাল দশা। তার উপর দেশের প্রথম শিক্ষা ও গবেষণা ইন্সটিটিউটের উপর এই অবিচার তা কোন ভাবেই মেনে নেওয়া যায় না।

আই,ই,আর, এর দাবি শুধু এই এক ইন্সটিটিউট নিয়ে নয়। সব ইন্সটিটিউটের জন্যই আমাদের একই কথা। ইন্সটিটিউটগুলোতে আলাদা ভর্তি পরীক্ষা গ্রহণের মাধ্যমেই সম্ভব সর্বোচ্চ মেধার বিশেষজ্ঞ তৈরী করা।

প্রতিটি ইন্সটিটিউট তাদের বিভিন্ন কার্যক্রমের মাধ্যমে যেমন ভর্তি ফরম, মাসিক বেতন, কোর্স ফি ইত্যাদিরে মাধ্যমে যে অর্থ আয় করে তার হিসাব বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাষণকে নিয়মিত প্রদান করতে হয়। এর এই অর্থগুলোর একটি বড় অংশ বিশ্ববিদ্যলয় প্রশাসনের অর্থশালায় চলে যায়। বাকী অর্থের খরচের হিসাবও বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনকে দিতে হয়। তাই চাইলেই ফরম বিতরনের মাধ্যমে পকেট ভারি করা সম্ভব নয়।

আর এই আন্দোলন করছি আমরা ছাত্ররা। ফরম ভর্তির টাকা নিশ্চয় আমরা পাই না?

আশা করি বুঝতে পেরেছেন।
২৮ শে আগস্ট, ২০১০ রাত ৯:৫৬

লেখক বলেছেন: ভাইয়া, আপনি আমার ধারণা আরও পরিষ্কার করে দিলেন। আপনাকে অনেক ধন্যবাদ।

২৮ শে আগস্ট, ২০১০ রাত ৯:৫৭

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।

৭. ২৮ শে আগস্ট, ২০১০ রাত ৮:০১
আসিফ রেজা রাজ বলেছেন: আই,ই,আর এর ভর্তি পরীক্ষার প্রশ্ন ও খ ইউনিট এর ভর্তি পরীক্ষার প্রশ্নের মধ্যে তেমন কোন পার্থক্য এ পর্যন্ত দেখি না, এমনকি যারা ভর্তি পরীক্ষায় অংশ নেয় সে সব পরীক্ষার্থীরাও আই,ই,আর এর ভর্তি পরীক্ষার জন্য যে বিশেষ কোন প্রস্তুতি নেয় এমনও নয়, সেহেতু এই ধরণের আন্দোলন মোটেও গ্রহনযোগ্য নয়। বরং আই,ই,আর এক শ্রেণীর শিক্ষকগণ টাকার লোভে এবং ভর্তি পরীক্ষা নিজেদের হাতের মুঠোয় (অবৈধ্য উদ্দেশ্যে) রাখতে আলাদা ভর্তি পরীক্ষা চায়।
২৮ শে আগস্ট, ২০১০ রাত ১০:০১

লেখক বলেছেন: কী বলেন ভাই, পার্থক্য তো ব্যাপক। মিল বলতে পারেন বাংলা ও ইংরেজি অংশে। কিন্তু আই.ই.আর-এর ভর্তি পরীক্ষার বাংলা অংশ খ বা ঘ ইউনিটের চেয়ে অনেকটাই আলাদা। আমার কাছে ঘ ইউনিটের চেয়ে কঠিন মনে হয়েছিল। এমনকি আই.ই.আর-এর ভর্তি পরীক্ষাকে কেন্দ্র করে যেন কোচিং বাণিজ্য জমজমাট হয়ে উঠতে না পারে সেজন্য পরীক্ষার প্রশ্নের ধরণ প্রায়ই পরিবর্তন করা হয়। বিশেষ করে বাংলা ও ইংরেজি অংশ কী রকম হবে তা আগে থেকে ধারণা করা যায় না।

৮. ২৮ শে আগস্ট, ২০১০ রাত ৮:৩২
কানা-বাবা বলেছেন: চারুকলার আলাদা পরীক্ষার কারন না হয় বোঝা যায় কিন্তু আপনাদের কেন আলাদা হবে এজটু বুঝিয়ে বলবেন দয়া করে। মানে কি রকম প্রশ্ন হতো এবং খ-ঘ এর সাথে মার্জ করলে কিভাবে খতিগ্র্হ হবে বলে মনে করেন?
২৮ শে আগস্ট, ২০১০ রাত ১০:২১

লেখক বলেছেন: চারুকলার তো আলাদা পরীক্ষা হওয়া আবশ্যক। আর আই.ই.আর-এর ক্ষেত্রে যুক্তি হল যে আই.ই.আর-এ স্নাতক (সম্মান) পর্যায়ে পাঁচটি স্ট্রিম বিদ্যমান। আমি সে ব্যাপারে মূল লেখায় বিস্তারিত বলেছি। উচ্চ মাধ্যমিক পর্যায়ে বিজ্ঞান, মানবিক ও ব্যবসায় শিক্ষা থেকে আসা শিক্ষার্থীদের কিন্তু অভিন্ন প্রশ্নপত্র পরীক্ষা নেয়া হয়। সেই ধরনটাও কিন্তু অন্য সব ভর্তি পরীক্ষা থেকে ভিন্নতর। প্রশ্নের ধরণ সম্পর্কে ধারণা ব্যতীত কোনপ্রকার প্রস্তুতি ছাড়া অনেকেই আই.ই.আর-এ চান্স পায়। এর মূল কারণ হচ্ছে এটি মূলত পরীক্ষার্থীর জীবনভর অর্জিত জ্ঞানকে মূল্যায়ন করে। কারও যদি বেসিক ভালো হয়, ভাষাদক্ষতা উন্নতমানের হয় এবং প্যাটার্ন এনালাইসিস করায় স্বতঃফূর্ত প্রবণতা থাকে তবে সে কোন পড়াশোনা ছাড়াই আই.ই.আর-এ চান্স পায়। আই.ই.আর-এ বিশেষ শিক্ষা বিভাগে পড়ার জন্য মনঃস্তাত্ত্বিক অভীক্ষা বাঞ্ছনীয়। তবে আই.ই.আর-এর ভর্তি পরীক্ষার একটি দুর্বলতা বলতে পারেন যে এটি স্নাতক পর্যায়ের পদার্থবিজ্ঞান, গণিত,রসায়ন, উদ্ভিদবিজ্ঞান, প্রাণীবিজ্ঞান পড়বার প্রবণতা ও সক্ষমতা যাচাই করতে বেশ কিছু ক্ষেত্রে ব্যর্থ হয়। এছাড়া শিক্ষাবিজ্ঞানের মৌলিক বিষয়ে পড়ার ঝোঁক বা সক্ষমতা বা প্রবণতা যাচাইয়ে এই পরীক্ষা অত্যন্ত কার্যকরী। খ বা ঘ ইউনিটের পরীক্ষায় মুখস্ত নির্ভর জ্ঞান যাচাইটাই প্রাধান্য পায়।

৯. ২৮ শে আগস্ট, ২০১০ রাত ১০:১০
রিয়াজুল ইস্‌লাম বলেছেন: ১) আসিফ রেজা রাজের সাথে একমত।

২) আই.এস.আর.টি এর ভর্তি পরীক্ষাও কিন্ত "ক" ইউনিটের মাধ্যমে হয়ে থাকে।

আই.এস.আর.টি ও একটি স্বতন্ত্র ইনস্টিটিউট।
২৮ শে আগস্ট, ২০১০ রাত ১০:৩৪

লেখক বলেছেন: শুধু আই.এস.আর.টি কেন আই.এস.ডব্লিউ.আর, আই.এন.এফ.এস-এগুলোও তো স্বতন্ত্র ইনস্টিটিউট। আই.এস.আর.টি সংখ্যাবিজ্ঞান নির্ভর তেমনি আই.এন.এফ.এস জীববিজ্ঞান নির্ভর। ক ইউনিটের সাথে এদের ভর্তি পরীক্ষা হওয়ার যৌক্তিকতা খানিকটা আছে। আই.এস.ডব্লিউ.আর সমাজবিজ্ঞানের ফলিত রূপ বলতে পারেন যা খ ইউনিটের সাধারণ জ্ঞান দিয়ে অনেকাংশে যাচাই করা যায়। সাধারণ জ্ঞানের প্রশ্নগুলো সমাজবিজ্ঞানের সাব-সেক্টর ইতিহাস, পৌরণীতি, অর্থনীতি থেকেই আসে। তবুও আরও স্পেসিফাইড হলে ভাল হত। কিন্তু আই.ই.আর-এ তো মাল্টি ডিসিপ্লিনারী স্ট্রিম আছে। সেক্ষেত্রে আপনি কীভাবে শুধু খ ও ঘ দিয়ে পরীক্ষার্থী যোগ্যতা যাচাই করবেন??

১০. ২৮ শে আগস্ট, ২০১০ রাত ১০:১৭
আসিফ রেজা রাজ বলেছেন: লেখক বলেছেন: ...........বিশেষ করে বাংলা ও ইংরেজি অংশ কী রকম হবে তা আগে থেকে ধারণা করা যায় না হা হা প গে

আর ক, খ, গ, ঘ ইউনিটের প্রশ্ন কি আগের রাতে পরীক্ষার্থীদের হাতে চলে আসে? নাকি সাজেশন আকারে বাজারে কিনতে পাওয়া যায়? কি এমন বিশেষত আছে যে আই,ই,আর এর ভর্তি পরীক্ষার প্রশ্ন ও খ ইউনিট এর ভর্তি পরীক্ষার প্রশ্ন আলাদা না হলে মহাভারত অশুদ্ধ হয়ে যাবে??

অট: খ ইউনিটের ভালো কোন সাবজেক্ট পেলে আই,ই,আর-এ কেউ পড়ার চিন্তা করে না।
২৮ শে আগস্ট, ২০১০ রাত ১০:৫৩

লেখক বলেছেন: ভাই, আপনি বোধহয় আমার মন্তব্যটা বুঝতে পারেন নি অথবা এর ভুল ব্যাখ্যা করছেন। আমি প্রশ্নের কথা বলি নি বলেছি প্রশ্নের ধরণের কথা। আমরা জানি, ঘ ইউনিটে বাংলা, ইংরেজি, সাধারণ জ্ঞান থাকে। সেখানে নোবেল পুরস্কার কে পেয়েছে কিংবা রাশিয়ার সংসদকে কী বলে এ ধরণের প্রশ্ন থাকে। আই.ই.আর-এর ভর্তি পরীক্ষায় কিন্তু এ ধরণের কোন প্যাটার্ন নেই। বাংলা অংশের প্রশ্ন প্যাসেজ নির্ভর হতে পারে, কাব্য নির্ভর হতে পারে এমনকি বাংলা সাহিত্যের ইতিহাস নির্ভর হতে পারে। অন্য অনেক কিছু হতে পারে যা আমি এখনও জানি না। কিন্তু খ বা ঘ ইউনিটের প্রশ্নের বাংলা অংশে "নীচের কোন কবিতাটি মাত্রাবৃত্ত", কোন বানানটি সঠিক , অমুককে এক কথায় কি বলে আর ইংরেজি অংশে অমুক শব্দের অর্থ কি, কারেক্ট প্রিপজিশন বসাও বা এনালজি থাকে। আই.ই.আর-এর পরীক্ষার ইংরেজি অংশে ইংলিশে কোন শব্দ বা বাক্যের ইন্টাপ্রিটেশন কিংবা সাহিত্যের ওপর রিফ্লেকটিভ ধরণের প্রশ্ন থাকতে পারে। কোন ধরণ নেই। খালি জানা থাকবে যে ইংরেজি অংশ থাকবে এবং সেখানে ২৫ টা প্রশ্ন থাকবে।

মহাভারত অশুদ্ধ হবে না তবে আই.ই.আর তার কাঙ্ক্ষিত প্রবণতা বা সক্ষমতার শিক্ষার্থী পাবে না।

আর আপনার এ কথার সাথে আমি একমত যে খ ইউনিটে ভাল বিষয় পেলে আই.ই.আর-এ কেউ পড়ার চিন্তা করে না। বুয়েটে চান্স পেলে কেউ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের পালিতে পড়তে আসবে না- এ কথা আমরা মোটা দাগে বলতে পারি। সে বিষয়ে পড়ে ভাল বেতনে চাকরি পাওয়া যায় সেই বিষয়ে পড়তেই আমরা আগ্রহী। সুতরাং, ভালো সাবজেক্টের সংজ্ঞা বাজারে চাহিদার ওপর নির্ভরশীল- ভিসি মহোদয় এ কথাই আজ বললেন। আর সত্যি কথা কি জানেন? যাদের শিক্ষা ক্ষেত্রে কাজ করার ইচ্ছা নাই কিংবা ভাল সাবজেক্ট পেলে চলে যাবে, আই.ই.আর-এর কিন্তু তাদেরকে দরকার নাই। এরকম যারা আই.ই.আর-এ পড়ে তারা কিন্তু পরবর্তীতে অন্য ফিল্ডে চলে যায়। শিক্ষায় তারা কিছু করে না। তাদের পছন্দে ক্ষেত্রে তারা সাফল্যের সাথে ঘুরে বেড়ায়।

ধন্যবাদ আপনাকে।

১১. ২৮ শে আগস্ট, ২০১০ রাত ১০:৫৫
বালক বন্ধু বলেছেন: আই,ই,আর, এর শুধু ভর্তি পরীক্ষাই নয়, আই,ই,আর, এর কারিকুলাম, কোর্স, মূল্যায়ন ইত্যাদি সবকিছুই আলাদ। তাই এর স্বতন্ত্রতার পক্ষে আই,ই,আর, সকল শিক্ষকবৃন্দ একমত হয়েছেন। তাই তারা ভিসি স্যার এর সাথে এই ব্যাপারে কথা বলার জন্য একটি প্রস্তুতি নিচ্ছেন। আশা করা যায় তারা ভিসি স্যারকে সার্বিক বিষয়টি বোঝাতে পারবেন।

আই,ই,আর, এর পরিচালক থেকে শুরু করে সব অধ্যাপক ও শিক্ষকগণের চিন্তা যেহেতু একই তাই এর স্বপক্ষে আর কিছু বলার নেই।
২৮ শে আগস্ট, ২০১০ রাত ১১:৩৮

লেখক বলেছেন: আশা করি ফলপ্রসূ একটি আলোচনা হবে এটি।

১২. ২৮ শে আগস্ট, ২০১০ রাত ১১:১৯
আসিফ রেজা রাজ বলেছেন: অর্থনীতি/সমাজ/পাবলিক এ্যাড/আইআর/লাইব্রেরী সায়েন্স বিষয়গুলোর ছেলেমেয়েরা আই,ই,আর পড়ার যোগ্যতা আছে কিনা বলেন দেখি? বা তরা যদি আই,ই,আর-এ পড়তো তাহলে তা সফলভাবে পড়তে পারতো কিনা? যদি উত্তর হ্যা হয় তাহলে আলাদা পরীক্ষার নেওয়ার প্রয়োজন নেই। আর যদই না হয় তাহলে কেন নয়?

আপনার কথা অনুসারে একটি ছেলে/মেয়ে আই,ই,আর-এ ভর্তি হওয়ার আগেই তাকে আই,ই,আর পন্ডিত হতে হবে।


এক ক ইউনিটের পরীক্ষা দিয়ে বিজ্ঞান/জীব- বিজ্ঞান/ইন্জিনিয়ারিং সব বিষয়ে পড়তে যেতে পারছে অথচ আপনার এক আই,ই,আর এর জন্য চায় বিশেষ ব্যবস্থা!! আপনার যুক্তি অনুসারে প্রতিটি বিভাগেই আলাদা পরীক্ষা নেওয়া প্রয়োজন।


দেখুন আপনি যেমন বলছেন আই,ই,আর একটি মাল্টিডিসিপ্লিনারি সাবজেক্ট তাই আলাদা পরীক্ষা নেওয়ার প্রয়োজন। আবার আপনিই বলছেন তবে আই.ই.আর-এর ভর্তি পরীক্ষার একটি দুর্বলতা বলতে পারেন যে এটি স্নাতক পর্যায়ের পদার্থবিজ্ঞান, গণিত,রসায়ন, উদ্ভিদবিজ্ঞান, প্রাণীবিজ্ঞান পড়বার প্রবণতা ও সক্ষমতা যাচাই করতে বেশ কিছু ক্ষেত্রে ব্যর্থ হয়, তার মানে কি দাড়ালো??


এক শ্রেণীর শিক্ষকরা এখান থেকে কিছুটা টাকা পেয়ে ডিম ভাজা খেতে চায়, তাই তারা চায় না ভর্তি পরীক্ষা একসাথে হোক। আবারো বলছি................ভর্তি পরীক্ষা একসাথে হলে যোগ্য ছাত্র পাওয়াতে কোন অসুবিধাই হবে না..............যেমনটি হচ্ছে না বিজ্ঞান/জীব- বিজ্ঞান/ইন্জিনিয়ারিং ফ্যাকাল্টির বিভাগগুলোর ক্ষেত্রে....................
২৯ শে আগস্ট, ২০১০ রাত ১২:০৪

লেখক বলেছেন: আচ্ছা ভাই, এক শ্রেণীর শিক্ষক ডিম ভাজা খেতে চায় কিন্তু আমাদের তো ডিম ভাজা খাওয়ার কোন সুযোগ নাই। তাহলে আমরা আন্দোলন করছি কেন?? সেক্ষেত্রে নিশ্চয়ই আমাদের ভ্যলিড কোন যুক্তি আছে। কেউ গোল্ডেন ফাইভ পেলেই তো তাকে বুয়েটে নেয়া হয় না, তাকে ভর্তি পরীক্ষায় মেধা প্রমাণ করেই সেখানে পড়তে হয়। আই.ই.আর-এ পড়ার আগেই সেখানে পণ্ডিত হতে হবে আমি সেরকম কিছু বলি নি। তবে শিক্ষাবিজ্ঞানে পড়ার মত ইচ্ছা ও যোগ্যতা তার আছে কিনা তা যাচাইয়ের জন্য আলাদা পরীক্ষা প্রয়োজন। আপনাকে বুঝতে হবে যে পড়াশোনাই আমাদের পড়াশোনার বিষয়। এখানে ইনোভেশন দরকার অন্য বিষয়ের মতই তবে আরও ব্যাপকভাবে। কেননা একটা দেশের শিক্ষাব্যবস্থা অনেক বড় এবং জটিল একটা ক্ষেত্র। আর আপনি যদি বলেন আই.ই.আর কী এমন হয়ে গেল যে তাতে পড়তে এমন এক যোগ্যতা লাগবে যার জন্য আলাদা ধরণের পরীক্ষা দিতে হবে? সে প্রশ্নের উত্তর হল, আই.ই.আর তার প্রচলিত ভর্তি পরীক্ষার মাধ্যমে যাদেরকে পেয়েছে তাদের অধিকাংশই শিক্ষা ক্ষেত্রে খুব ভাল কাজ করেছে এবং তাদের একটা পৃথক দর্শন আছে। এককভাবে সায়েন্সে যারা আগ্রহী কিংবা মুখস্ত বিদ্যায় যারা সিদ্ধহস্ত তারা আই.ই.আর-কে ভালবাসতে পারে না বরং এর লক্ষ্যকে ব্যাহত করে। খ ও ঘ ইউনিটের মাধ্যমে নিরুপায় সেধরণের কেউ আই.ই.আর-এ এসে শিক্ষা ক্ষেত্রে এর লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য ব্যাহত করুক সেরকম কাউকে আই.ই.আর চায় না।

আর আই.ই.আর-এর আলাদা ভর্তি পরীক্ষা হলে আপনার এত লাগে কেন?? এত দিন আলাদা পরীক্ষা হয়েছে এত দিন
আপনি কোথায় ছিলেন?? আর আই.বি.এ-এর ভর্তি পরীক্ষা আলাদা হওয়ার বিপক্ষে তো কোন যুক্তি দিলেন না?? খালি আই.ই.আর-এর আলাদা পরীক্ষা হলেই আপনার সমস্যা??? আই.ই.আর খুব ফালতু জায়গা, এর আলাদা পরীক্ষা হওয়ার মত অধিকার থাকতে পারে না এরকম কিছু কি মনে করছেন?? আচ্ছা এত ইনস্টিটিউট থাকতে আই.ই.আর এবং আই.বি.এ এর এতদিন আলাদা পরীক্ষা হত কেন?? এক ঢিল দিয়েই যদি সব পাখি মারতে চান তাহলে ক, খ, গ, ঘ সব এক পরীক্ষা দিয়ে নেয়া হোক। বিসিএস, সেনাবাহিনী আর বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক এক পরীক্ষা দিয়ে নেয়া হোক। চমৎকার হবে তাই না?? আই.ই.আর যখন একটা সম্ভাবনার দুয়ার খুলে এগিয়ে যেতে চাইছে তখনই আপনারা তার পা ধরে টেনে ধরছেন।

১৩. ২৯ শে আগস্ট, ২০১০ রাত ১০:৪১
বালক বন্ধু বলেছেন: @ আসিফ রেজা রাজ
আপনার কথায় যুক্তি আছে। তাতে কোন সন্দেহ নেই। কিন্তু সমস্যা হল আপনি সম্পূণ্য বিষয়টি বুঝতে পারছেন না।

আপনি কি পারবেন যারা ডাক্তারী পড়তে চায় আর যারা আই,বি,এ, এতে পড়তে চায় তাদের এক পরীক্ষায় মূল্যায়ন করতে?

যতই ইউনিফাইড এডমিশন এক্সাম এর কথাই বলা হোক না কেন মেডিকেল, ইজ্ঞিনিয়ারিং, ক, খ, গ ও ঘ ইউটিনের পরীক্ষা, চারুকলা ইত্যাদির জন্য এক প্রশ্নে পরীক্ষা গ্রহণ সম্ভব নয়। কারন সবগুলো বিষয় তাদের স্বতন্ত্র বৈশিষ্ট্যের কারণে একদম আলাদা। আর আমরা যারা শিক্ষা নিয়ে পড়ালেখা করি তারা জানি শিক্ষা বিষয়টা কতটুক আলাদা। এটি নিয়ে কাজ করা কতটা কঠিন। এর সাথে অন্যকোন বিষয়য়ের যেমন মিল নেই আবার অন্যকোন বিষয়ের উপর পরীক্ষা দিয়ে এতে ভর্তি হওয়ার যোগ্যতা অর্জন করা সম্ভব নয়।

"এক ক ইউনিটের পরীক্ষা দিয়ে বিজ্ঞান/জীব- বিজ্ঞান/ইন্জিনিয়ারিং সব বিষয়ে পড়তে যেতে পারছে"
ক ইউনিটের পরীক্ষা দয়ে ইঞ্জিনিয়ারিং পড়া যায়? জানতাম নাতো!

এর বছর থেকে ইঞ্জিনিয়ারিং এর সব সরকারী ও বেসরকারী বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর একই প্রশ্নে একই সাথে পরীক্ষা হওয়া কথা ছিল। কিন্তু বুয়েটের শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের দাবির মুখে বুয়েটকে আলাদা ভাবে রেখে এই একত্রিত পরীক্ষা হচ্ছে। আমরা যখন আমাদের দাবি নিয়ে ভিসি স্যার এর সাথে কথা বলতে যাই তখনও তিনি এই বিষয়টি তুলে ধরেণ। একই ধরণের পড়ালেখা হওয়ার পরও বুয়েট যদি আলাদা থাকতে পারে তবে আমরা কেন ভিন্ন হওয়ার পরও এক করার মত অযৌক্তিক কাজ হবে?
৩০ শে আগস্ট, ২০১০ রাত ২:৫৮

লেখক বলেছেন: ভাই, আমি একটা ব্যাপার বুঝতে পারছি না, কিছু লোক তর্কের খাতিরে তর্ক করছে।

১৪. ৩০ শে আগস্ট, ২০১০ সন্ধ্যা ৭:৪৪
শরীফ উদ্দীন বলেছেন: নীল-দর্পনের কাছে দু:খিত এ জন্য যে কমেন্টটি মুলত আমার। ভুলে ওর আইডি থেকে কমেন্ট করে দিয়েছি, খেয়াল করিনি।

অনেকেই দেখছি তর্কের পিঠে তর্ক করে যাচ্ছেন। কিন্তু আসল ব্যাপারটি বোঝার কোন রকম চেষ্টাই করছেন না। তাদের জন্য একটি কথা..... আচ্ছা আপনারা আমাকে একটা কথার জবান দিন তো..সাইন্সফ্যাকাল্টির ভর্তী পরীক্ষার মধ্যমে ইভালুয়েট করে কি কোন শিক্ষার্থীকে আর্টস বা সোসাল সাইন্স ফ্যাকাল্টির সাবজেক্টে ভর্তী করা সম্ভব? তা তার উল্টোটাই সম্ভব কিনা? কখনই সম্ভব না। তবে আই.ই.আর কে নিয়ে কেন এমন ষড়যন্ত্র? আই.ই.আর তো ট্রাডিশনাল আট-দশটা সাবজেক্টের মত না। এখানে শিক্ষা বিজ্ঞান নামের সম্পুর্ণ আলাদা একটা সাবজেক্ট পড়ানো হয়। তাহলে আপনারাই বলেন... খ বা ঘ ইউনিটের ভর্তী পরীক্ষার মাধ্যমে আই.ই.আর-এর উপযুক্ত শিক্ষার্থী নির্বাচন করা কি ভাবে সম্ভব? তার উপর এখান থেকে পাশ করা শিক্ষার্থীরা দেশে ও বিদেশে শিক্ষার বিভিন্ন শাখার একাডেমিক, এডমিনিস্ট্রেটিভ বিভিন্ন বড় বড় পজিশনে দায়িত্ব গ্রহন করছেন। সে ক্ষেত্রে সামান্যতম ভুলের কারণে বিরাটাকার ক্ষতি নিশ্চিত। আর সে ভুলটা যদি হয় ভর্তীর সময় উপযুক্ত পাত্র নির্বাচন করতে না পারার কারণে হয় তবে.................?
১৫. ০৫ ই সেপ্টেম্বর, ২০১০ রাত ১:৪৬
আসিফ রেজা রাজ বলেছেন: @বালক বন্ধু

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ইন্জিনিয়ারিং ফ্যাকাল্টি হয়েছে। এটা মনে হয় আপনি জানেন না। এখন-ই দেখে নিন

সত্যি কথা বলতে কি আপনারা যারা এই পোষ্টের পক্ষে কথা বলছেন তাদের-ই তেমন কোন যুক্তি নেই।

১) বর্তমানে আই.ই.আর এর যে ভর্তি পরীক্ষা চালু রয়েছে তাতে কিভাবে পদার্থবিজ্ঞান, গণিত,রসায়ন, উদ্ভিদবিজ্ঞান, প্রাণীবিজ্ঞান পড়ার সক্ষমতা যাচাই করা হয়?? আমাকে জানাবেন দয়া করে।
১৬. ০৫ ই সেপ্টেম্বর, ২০১০ রাত ১১:৪৪
শরীফ উদ্দীন বলেছেন: @আসিফ রেজা রাজ: আসলে এখানে যুক্তি তর্কের কোন বিষয় না। বিষয়টা হল একটা ইনস্টিটিউটকে হত্যার প্রচেষ্টা চলছে সেই মহত কাজের বিদ্রোহ।
আর আই.ই.আর-এ শিক্ষার্থীরা পদার্থবিজ্ঞান, গণিত, রসায়ন, উদ্ভদবিজ্ঞান পড়তে আসে আপনাকে বলল কে? এসব বিষয়ের খোড়া যুক্তি দিচ্ছেন কেন? এখানে মেজর পড়ানো হয় শিক্ষা বিজ্ঞান । সে বিষয়ের যোগ্য শিক্ষার্থীই নির্বাচন করা হয় তাদের নিজস্ব ভর্তী পরীক্ষার মাধ্যমে। হা....পদার্থ, রাসায়ন পড়ানো হয় তা শুধুই শিক্ষা বিজ্ঞান রিলেটেড এবং একজন শিক্ষাবীদ হওয়ার জন্য যতটুকু দরকার ঠিক ততটুকুই। তা রসায়নবীদ বা পদার্থবীদ বানানোর জন্য নয়। পদার্থ বা রসায়নের জন্যতো আলাদা বিভাগই রয়েছে। এখানে পড়ানো হয় শিক্ষাবীদ করে গড়ে তোলার জন্য।

 

মোট সময় লেগেছে ১.১৩৪৮ সেকেন্ড

 

সামহোয়‍্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব‍্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...
© সামহোয়্যার ইন...নেট লিমিটেড | ব্যবহারের শর্তাবলী | গোপনীয়তার নীতি
বলতে চাই অনেক কিছু কিন্তু কেন যেন বলতে পারি না
ব্লগারে আমার ব্লগ http://sleepinclassroom.blogspot.com/
আর এস এস ফিড

পোস্ট আর্কাইভ

আমার লিঙ্কস

আমার বিভাগ

    কোন বিভাগ নেই