বিকালে পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষ চলাকালে রাজধানীর সেগুনবাগিচা এলাকায় একদল পুলিশ সদস্য ওই জামায়াত কর্মীর ওপর ঝাঁপিয়ে পড়ে। তাত্ক্ষণিকভাবে তার নাম জানা যায়নি। বেধড়ক লাঠিচার্জে তিনি সংজ্ঞা হারিয়ে রাস্তার ওপর পড়ে গেলেও তাকে ঘিরে রাখা পুলিশের পিটুনি থামেনি। পরে ঊর্ধ্বতন এক পুলিশ কর্মকর্তা বেপরোয়া পুলিশ সদস্যদের সরিয়ে নেন। তবে তার অবস্থা গুরুতর। নিরাপত্তার কথা বিবেচনা করে জামায়াত নেতারা তার পরিচয় প্রকাশ করতে রাজি হননি।
বিকাল সাড়ে চারটার দিকে বিজয়নগরের পশ্চিম পাশে সেগুনবাগিচার গলিতে জামায়াত কর্মীদের সঙ্গে পুলিশের ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া শুরু হয়। এ সময় পুলিশ জামায়াত কর্মীদের লক্ষ্য করে রাবার বুলেট ও কাঁদানে গ্যাস নিক্ষেপ করলে ইটপাটকেল ছুড়ে এর পাল্টা জবাব দেয় বিক্ষুব্ধ কর্মীরা। এ সময় পুলিশ ধাওয়া করে সেগুনবাগিচা গলিতে কুতুব আলীর মোটর গ্যারেজের সামনের রাস্তায় জামায়াতের ওই কর্মীকে আটক করে বেধড়ক লাঠিপেটা শুরু করে। তিনি রাস্তায় উপুড় হয়ে পড়ে যাওয়ার পরও ৭-৮ জন পুলিশ সদস্য লাঠি দিয়ে তাকে একের পর এক পেটাতে থাকে। একপর্যায়ে তিনি অচেতন হয়ে রাস্তার ওপর পড়ে যান। এ অবস্থায়ও পুলিশ সদস্যরা একযোগে তাকে পেটাতে থাকেন। কয়েকজন পুলিশ সদস্য তার অচেতন দেহের ওপর সজোরে নির্দয়ভাবে আঘাত করে ফেলে রেখে যায়। গতরাত পর্যন্ত তার নাম-ঠিকানা জানা যায়নি।
তবে এ দৃশ্য প্রত্যক্ষ করে সেখানে উপস্থিত কয়েকজন পথচারী মন্তব্য করে বলছিলেন, ২০০৬ সালের ২৮ ডিসেম্বর আওয়ামী লীগের কর্মীরা লগিবৈঠা দিয়ে এক জামায়াত কর্মীকে নির্মমভাবে পিটিয়ে এভাবেই হত্যা করেছিল। সেদিন রাজধানীর বায়তুল মোকাররম এলাকায় জামায়াতের সমাবেশে আওয়ামী লীগের বিক্ষুব্ধ নেতা-কর্মীরা সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। তারা লগিবৈঠা দিয়ে প্রকাশ্য রাজপথে এক জামায়াত কর্মীকে পিটিয়ে হত্যা করে রক্তাক্ত অবস্থায় ফেলে রাখে। এ ঘটনায় জাতীয় এবং আন্তর্জাতিক পর্যায় মানবাধিকর লঙ্ঘনের অভিযোগ ওঠে।View this link
সর্বশেষ এডিট : ২০ শে সেপ্টেম্বর, ২০১১ ভোর ৬:২৭

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।





