আমার প্রিয় পোস্ট
- আয়না সুন্দর ও নীলছুরি - মুক্তি মণ্ডল
- জলের কাছে - অ রণ্য
- বিখ্যাত কোম্পানীর লোগো পরিবর্তন - তুষারপাত
- হাইব্রীড বীজ নিয়ে আশঙ্কা সত্যি হলো এবার 'সত্যিরা' ভয়াবহ আতঙ্ক ছড়াচ্ছে ! - মনজুরুল হক
- দুইরকম তারুণ্য - সুমন রহমান
- ঈশ্বরের লাশ - অ রণ্য
- ইন্টারনেটের প্রকৃত ইতিহাস - ১ম পর্ব (ব্রাউসার যুদ্ধ) - নাফিস ইফতেখার
- নিজস্ব প্রজাতির ভাষা - নাজনীন খলিল
- সেক্টর কমান্ডারস ফোরাম প্রকাশিত যুদ্ধাপরাধীর তালিকা: যে নামগুলো চিনে রাখা জরুরি - মুনীর উদ্দীন শামীম
- চিংড়িঘের : নোয়াখালীর উপকূলে বিপর্যয়ের আশঙ্কা - মাহমুদুল হক ফয়েজ
- নারী অধিকার লংঘন ও প্রতিকার: যৌনপীড়ন - খোকন জিও
- স্তন ক্যান্সার চিহ্নিত করার উপায়-- স্তন পরীক্ষার সহজ ৫টি ধাপ - মিছে মন্ডল
- স্নানঘর থেকে শুরু... - সোমেশ্বর অলি
- স্তন ক্যান্সার নিয়ে জনসচেতনতা এবং তা নিয়ে আমাদের সবারই জানার আছে অনেক কিছু - জটিল
- আমাদের মাতৃগর্ভগুলি এই নষ্ট দেশে..... - মনজুরুল হক
- কালোঘোড়া - মুক্তি মণ্ডল
- শরৎ - মেঘ দূত
- হাতুড়ে গদ্য-২ (সময়ের কবিতা) - বৃত্তবন্দী
- দেবদূতের মত এসে দাঁড়ালেন অন্নদাতা - মনজুরুল হক
- জীবন খুঁজে ফিরি (কবিতা) - নাজনীন খলিল
- ভালো লাগা প্রিয় কবিতারা-৪৪ ( আপনি বলুন, মার্কস --মল্লিকা সেনগুপ্ত ) - আবদুর রাজ্জাক শিপন
- হারিয়ে যাওয়া দুপুর এবং পড়শীর নাকফুল - সুলতানা শিরীন সাজি
- কম্পিউটারের গতি কমার কারন ও গতি বৃদ্ধির কিছু কৌশল [খন্ড- ২] - মোঃ শরিফুল ইসলাম সবুজ
- শহরীয় নকশি কাঁথা - আমি ও আমরা
- অর্কেষ্ট্রা - প্রণব আচার্য
- ট্রান্সকম (আলো-স্টার) গ্রুপ চলে উলফার টাকায়!! - আওরঙ্গজেব
- পথ ও সুড়ঙ্গ - সোহেল হাসান গালিব
- নষ্টালজিয়া (একটা চিঠি) - আমি ও আমরা
- স্বপ্নবাজ চাতক - আমি ও আমরা
- কাল রাতে শব্দগুলো জ্বলে ঊঠেই নিভে গেল ... - সিহাব চৌধুরী
- মা এভাবে আমার কাছে কিছু চেয়েও না, আমার লজ্জা লাগে! - হমপগ্র
- দ্বীপান্তরে - প্রণব আচার্য
- আনন্দ ভ্রমন - প্রণব আচার্য
- আমাদের নতুন উপহার: যে কোন সাইটে ফোনেটিক কিবোর্ড - নোটিশবোর্ড
- তোমায় নিয়ে কবিতা লিখব বলে - অন্তিম
- আবার যুদ্ধ হলে আমি রাজাকার হব... - মো. তারিক মাহমুদ
- মা তোমায় মনে পড়ে(বন্ধু তোমায় মনে পড়ে) - সুলতানা শিরীন সাজি
- একক স্বপ্নের চৌকাঠ - বৃশ্চিক
- কবিতার খুচরাংশ - আমি ও আমরা
- তোমরা আমাকে আর একবার - নিয়ন আলোয় বাউল
- প্রেমাংশুর প্রত্যাবর্তন - আকাশচুরি
- যদি দালাল হতে পারতাম। - বিহংগ
- অভিশাপ নারে আশীর্বাদ দিমু (উৎসর্গ : প্রিয় ব্লগার সামী মিয়াদাদ কে) রি-পোস্ট - উত্তরাধিকার
- টস্ বৃত্তান্ত !! @ প্রিয় ব্লগার সবাক ! - উত্তরাধিকার
- আগেকার লেখা কিছু কবিতা ৩ - প্রণব আচার্য
- লাবণী পয়েন্ট - চিটি (হামিদা আখতার)
- বাণিজ্যিক পিছুটান। - রাতিফ
- জীবনানন্দ দাশ : 'বনলতা সেন' কাব্যগ্রন্থ - একরামুল হক শামীম
- জীবন মু্দ্রা। - রাতিফ
- একটি হারানো বিজ্ঞপ্তি - মুকুল
- সে এসেছে - আশরাফ মাহমুদ
- ফিরে দেখুন আমাদের ইতিহাস - ৭ - নামহীন মানব
- ফিরে দেখুন আমাদের ইতিহাস - ৬ - নামহীন মানব
- বুদ্ধদেবের কিছু কবিতা... - নীল নিঃসঙ্গতা
- "শত্রু তুমি পালাও!" - রাগ ইমন
- আমি নাস্তিক। - পুতুল
- এলোমেলোতায় - সুলতানা শিরীন সাজি
- সকল জামাত বিরোধী, রাজাকার বিরোধী পোস্টের সংকলন। - হ্যারি সেলডন
- সহীহ মুসলিম মতে গোলাম আজম, নিজামি, মুজাহিদ, সাইদী এবং অন্যান্য জামাতিদের ইমানের স্তর। - হ্যারি সেলডন
- মা, তুমি তৈরী থেকো। - রাতিফ
- আপনি যেভাবে ব্যর্থ হয়েছেন - প্রণব আচার্য
- মুক্তি পেয়েও আরিফের ফেরারী যাপন - অমি রহমান পিয়াল
- নাটক : তুই রাজাকার - সবাক
- সব ব্লগার বন্ধুদের জন্মদিন বিষয়ক একটি জরিপ - মিলটন
- গডফাদার - মানব মানিক
- নবীনদের জন্য - নাদান
- আমার মায়ের সাতটি মিথ্যা কথা - প্রত্যুৎপন্নমতিত্ব
- মা (একটি সত্য ঘটনার আলোকে) - সবাক
- হুমায়ুন আজাদের জন্মদিনে তাঁর ‘ছাপ্পান্নো হাজার বর্গমাইল’ উপন্যাসের কিছু অংশ... - মুকুল
- প্রিয় কবি হুমায়ুন আজাদ - রিয়াজ শাহেদ
- তসলিমার পক্ষে বলছি - সবাক
- অমর একুশে'র ভাষা সৈনিকদের তালিকা - স্বাধীন বাংলা
১৯৭১-এ দৈনিক সংগ্রাম (পর্ব-২)
০৩ রা জুন, ২০০৮ রাত ১১:৫৬
১৯৭১-এ দৈনিক সংগ্রাম (পর্ব-১)
১২এপ্রিল
”করাচি বিমান বন্দরে আটককৃত শেখ মুজিব” ক্যাপশনে চারকলাম সমান জায়গা জুড়ে একটি ছবি এ দিন ছাপা হয়। স্বাধীনতা সংগ্রামের সময় এ দেশের জনগন শেখমুজিবকে মুক্ত অবস্থায় দেখতে চেয়েছিল। এর নিরিখে স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্র তখন স্টপ গ্যাপে সর্বক্ষণ প্রচার করতো, “শেখমুজিব আমাদের মাঝে আছেন এবং থাকবেন।” কিন্তু এইদিনের দৈনিক সংবাদের খবরে দেশের দৃশ্যপট পাল্টে যায়। জনরোষ বেড়ে যায় কয়েকগুন। দৈনিক সংগ্রাম চেয়েছিল পাঁচপোড়ন নিউজ করে বাংলাদেশীদের মনোবল ভাঙতে, কিন্তু মনের বলতো ভাঙ্গেইনি বরং বেড়েছিলো কুন্ডলাগ্নির মতো।
একই দিন চতুর্থ পাতায় অস্ত্রসহ দুই যুবকের ছবি ছাপা হয় এবং সংবাদে লিখা হয়, “গত শনিবার যশোহরের বেনাপোল সীমান্তে দুই ভারতীয় সীমান্তরক্ষী গ্রেফতার”। কিন্তু ছবির দুই যুবকের ছবি ছিলো অস্পষ্ট। এরা দুজন যে আটককৃত মুক্তিযোদ্ধা ছিলো তাতে কোন সন্দেহ নেই। যেহেতু তারা এদেশের সন্তান তাই তাদেরকে কেউ চিনে ফেলবে এই ভয়ে ছবি অস্পষ্ট করে ফেলা হয়।
এদিন পত্রিকার এডিটোরিয়ালে গোলাম আযমের একটি বেতার ভাষন খুব গুরুত্ব সহকারে প্রকাশ করা হয়। যার সারমর্ম হচ্ছে “ ভারত পূর্ব পাকিস্তানে অনুট্রবেশ ঘটিয়ে মূলত পাকিস্তানের সামনে চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দিয়েছে। পূর্ব পাকিস্তানের নিরীহ জনগনকে পাকিস্তানের সেনাবাহিনীর সামনে পাঠিয়ে পূর্ব পাকিস্তানকে দাসে পরিণত করতে চায়।
“অর্থনৈতিক পূনর্গঠন” শিরোনামে সম্পাদকীয়তে লেখা হয়, গতমাসের সকল হিংসাত্মক, ধ্বংসাত্মক হানাহানিতে নিরাপত্তাহীণতায় ভুগে যারা শহর ত্যাগ করেছিলো তারা আবার শহরে ফিরে আসতে শুরু করেছে। এমনকি যারা প্রদেশ ছেড়ে চলে গিয়েছিলো তারা আবার প্রদেশে ফিরে আসছে। এতে করে বুঝা যায় পূর্ব পাকিস্তানে পরিপূর্ণ শান্তি বিরাজ করছে এবং পাকিস্তান সেনাবাহিনী নিরস্ত্র জনগনের সাথে শান্তিপূর্ণ সহাবস্থানে রয়েছে। দেশ এখন শান্তি শৃঙ্খলার দিকে উত্তরণ করছে।
“শান্তি কমিটি গঠন একটি শুভ উদ্যোগ” শিরোণামে একটি বিশেষ প্রবন্ধে লেখা হয়, দেশের শান্তি শৃঙ্খলা পুনঃস্থাপন, ভারতীয় অনুপ্রবেশ ঠেকানো ও পঞ্চমবাহিনীর জঙ্গী তৎপরতা বন্ধে শান্তি কমিটি একটি বিরাট ভূমিকা রাখবে। ঢাকা শহরের মতো দেশের প্রতিটি শহরে এরকম কমিটি গঠন করা হলে পাকিস্তানের সার্ভভৌমত্ব অক্ষুন্ন থাকার ব্যাপারে আর কোন ঝুঁকি থাকবে না।
১৩ এপ্রিল
“পাকিস্তানের প্রতি চীনের দৃঢ় সমর্থন” শিরোণামে পুরো ৮ কলাম জুড়ে বড় বড় হরফে প্রথম পাতায় বিশাল নিউজ করা হয়।
শান্তি কমিটি গঠন করার পর প্রথম মিছিলটি ঢাকায় ১২এপ্রিল বের করা হয়। যার নেতৃত্বে ছিলো ইতিহাসের নিকৃষ্ট কীট গোলাম আযম এবং জনধিকৃত রাজাকার নিজামী। মতিউর রহমান নিজামী তখন ইসলামী ছাত্র সংঘের শীর্ষনেতা। এই মিছিলের খবর দৈনিক সংগ্রাম ৫কলাম ব্যাপী ছবি সহকারে খুব ফলাও করে ছাপে। মিছিলের শ্লোগান ছিলো , “পাকিস্তান জিন্দাবাদ, কায়েদে আযম জিন্দাবাদ” “পাকিস্তানের উৎস কি- লাইলাহা ইল্লাল্লাহ” “মিথ্যা প্রচার বন্ধ কর” ব্রাক্ষ্মবাদ নিন্দাবাদ, সাম্রায্যবাদ মূর্দাবাদ”। মিছিলের খবরে বিশেষ ভাবে উল্লেখ করা হয়, জিন্নাহ, লিয়াকত আলী খান ও ইয়াহিয়ার বড় বড় ছবি মিছিলে শোভাপায়। শান্তি কমিটির মিছিল শেষে গোলাম আযম যে মোনাযাত করেন তার কভারেজ দিতে গিয়ে লেখা হয়, “পাকিস্তানের সেনাবাহিনীকে দেশ রক্ষার জন্য আরও বেশি শক্তিদানের জন্য গোলাম আযমের নেতৃত্বে হাজার হাজার ধর্মপ্রাণ পাকিস্তানী আল্লাহর দরবারে দোয়া করেন।”
১৪ এপ্রিল
“ফ্যাসিবাদী ভারতের স্বরূপ” শিরোণামে উপসম্পাদকীয়তে লেখা হয়, “জয় বাংলা আন্দোলন বানচাল হয়ে যাওয়ায় দেশে এখন সু’দিন ফিরে এসেছে। এতে করে ফ্যাসিবাদী ভারতের সকল অপপ্রচার নস্যাৎ হয়ে গেছে।”
একই দিন পত্রিকায় জাতিসংঘের ব্যাপক সমালোচনা করা হয়। নিরপরাধ বাংলাদেশীদের জন্য সহমর্মিতা জানাতে গিয়ে জাতিসংঘকে সঙগ্রামের মতো একটি পত্রিকার কট্টুছাগুরাম সম্পাদকের সমালোচনা হজম করতে হয়। ১৯৭১ সালে চীন ছিলো জাতিসংঘ বহির্ভুত একটি কম্যুনিস্ট রাষ্ট্র। দৈনিক সংগ্রাম তীব্র কম্যুনিস্ট বিরোধী হওয়া সত্বেও শুধুমাত্র একাত্তরে পাকিস্তানকে সমর্থন দানের কারণে চীনের শাসন ব্যবস্থার প্রশংসায় গদগদ করেছিলো। “চীনের সমর্থন” শিরোণামে ১৪ এপ্রিল প্রকাশিত সম্পাদকীয়তে পাকিস্তানকে সমর্থন করায় চীনের বাহুল্য প্রশংসা করা হয়। অপরদিকে নিধনযজ্ঞে পাকিস্তানকে সমর্থন না দেওয়ার কারণে জাতিসংঘের ব্যাপক সমালোচনা করা হয়। জাতিসংঘের সমালোচনা করতে গিয়ে লেখা হয়, “ চীন নয় বরং জাতিসংঘেরই উচিত ছিলো পাকিস্তানকে প্রত্যক্ষভাবে সমর্থন করা এবং সামরিকভাবে পাকিস্তানকে সাহায্য করা। জাতিসংঘের এমন দ্বায়িত্বহীন কর্মকান্ডে বিশ্বে এখন অহেতুক বিপ্লবের জন্ম নিবে এবং এত করে ভারতের মতো নব্য সাম্রাজ্যবাদী রাষ্ট্র সমূহ সোৎসাহে বিচ্চিন্নতাবাদীদের সাহায্য করে যাবে।"
১৫ এপ্রিল
দৈনিক সংগ্রাম তার প্রতিটি সংবাদে বোঝাতে চাইতো দেশে পূর্ণঙ্গ শান্তি বিরাজ করছে। এবং দেশের চলমান জঙ্গী তৎপরতা খুবই সীমিত। কিন্তু ১৫ এপ্রিল “ঢাকা থেকে রাজশাহী পর্যন্ত বিশাল এলাকা দুষ্কৃতিকারী মুক্ত” শিরোণামেই থলের বিড়ালটি বেরিয়ে আসে। এতে পতীয়মান হয় দেশে মোটেও শান্তি নেই এবং পাকিস্তান সেনাবাহিনী কথিত অশান্তি রোধে ব্যাপক হত্যাকান্ড চালাচ্ছে। নইলে “দুষ্কৃতিকারী মুক্ত” শব্দের উৎপত্তি হয় কিভাবে? ছাগল হারিয়ে বৌকে মা এবং ছেলেকে বাপ ঢাকার মতো অবস্থায় ছিলো দৈনিক সংগ্রাম। কখনও বলতো দেশে পরিপূর্র্ণ শান্তি বিরাজ করছে আবার কখনও বলতো ভারতের ইন্ধনে দেশে বাংলাদেশীরা বিশৃঙ্খলা করে শান্তি বিনষ্ট করছে।
১৫ এপ্রিলেই প্রথম পাকিস্তানের বিমান হামলার কথা স্বীকার করা হয়। খবরে বলা হয় “ এ পর্যন্ত সংগঠিত সকল বিমান আক্রমনের উদ্দেশ্য ছিলো ভারতীয় অনুপ্রবেশ কারীদের রুখার জন্য এবং জঙ্গী দমনে।”
চলবে....
লেখাটির বিষয়বস্তু(ট্যাগ/কি-ওয়ার্ড): ১৯৭১ ;
জেনারেল বলেছেন:
স্যালুট বস, কিপ ইট আপ
লেখক বলেছেন: স্যালুট।
আলী আরাফাত শান্ত বলেছেন:
+
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।
আগামী পর্বগুলো পড়ার আমন্ত্রন।
লেখক বলেছেন: ধারাবাহিক লেখায় আপনাদের ধারাবাহিক মন্তব্যাংশগ্রহনে যথার্তই কৃতার্থ হলুম।
ধন্যবাদ।
একরামুল হক শামীম বলেছেন:
দারুন। চারিয়ে যাও।
লেখক বলেছেন: ![]()
![]()
![]()
ফাহমিদুল হক বলেছেন:
ভালো কাজ। আরও লিখুন।
লেখক বলেছেন: উৎসাহদানের জন্য অসংখ্য ধন্যবাদ।
আশাকরি ভবিষ্যতে আরও ভালো লেখা উপহার দিতে পারবো।
লেখক বলেছেন: আবার জিগায়!! ![]()
![]()
মাইনুল বলেছেন:
এইখানে যুদ্ধাপরাধ মুলক কিছুই তো পাইলাম না। ততকালীন সময়ে সংগ্রামের পলিসিই ছিল পাকিস্থান এর ঐক্য টিকিয়ে রাখা তাই তারা এই ধরনের নিউজ করেছিল, এটা খুব ই স্বাভাবিক। চাকমারা যখন শান্তি বাহিনীর নামে তাদের স্বাধীনতার জন্য যুদ্ধ করেছে, তখন কি বাংলাদেশের কোন পেপার তাদের সাপোর্টে লিখেছে ? লিখেছে পার্বত্য চট্টগ্রাম কে চাকমাদের হাতে তুলে দেয়া হোক?
লেখক বলেছেন: কমেন্টের জন্য অনেক ধন্যবাদ।
পন্ডিত, তোমার মাথাভর্তি গোবর। একাত্তরে যদি তোমার নিকটাত্মীয় কোন নারীকে রাজাকাররা পাকিদের হাতে তুলে দিতো এবং সেই নারী ধর্ষিতা হতো, তবে তোমার কেমন লাগতো?
নিশ্চয় সংগ্রাম সেই রাজাকার আর পাকিদের দালালি করেছে। সুতরাং তাতে কি আমার বা তোমার খুশি হওয়ার কোন কারণ আছে? বা তাকে কি "যুদ্ধাপরাধ" ভলাটা যুক্তিযুক্ত নয়? অবশ্য আমিতো কোথাও যুদ্ধাপরাধ কথাটি উল্লেখ করি নাই।
চোরের মনে সবসময় "পুলিশ আর পুলিশ"
ব্যাটা আহম্মক কোনহানকার!!
নামহীন মানব বলেছেন:
যথারীতি আবারও প্রিয়তে। জয় বাংলা।
লেখক বলেছেন: জয় সত্য জয়
সত্য প্রকাশে কিসের ভয়।
ধন্যবাদ।
মাইনুল বলেছেন:
বাংলাদেশ আর্মির কিছু সদস্যের বিরুদ্ধে চাকমা নারী ধর্ষনের অভিযোগ আছে। এমন কি চাকমারা তাদের একজন নেত্রীর অন্তর্ধান দিবস ও পালন করে। সেজন্য কি বাংলাদেশের পেপারগুলি বলেছে যে চাকমা দের কে স্বাধীনতা দিয়ে দেয়া হোক।
লেখক বলেছেন: প্রকারান্তে তুমি স্বীকার করে নিলে, একাত্তরে যদি তোমার মা-বোন ধর্ষিতা হতো তবে তুমি খুশিই হতে।
যেকোন স্বাধীনতা বিষয়েই চাকমা প্রসঙ্গ তুলে আনা তোমার একটি রোগ। পাহাড়ে শুধু চাকমা বসবাস করে না। আরও অনেক উপজাতি বসবাস করে, যেমন- মগ, মুরং, হাজং এবং আরও অনেক। বাচ্ছা ছেলের মতো খালি চাকমা চাকমা করো কেন?
তুমি যে "পেইড বাই মগবাজার" তাতো তোমার শিশু সূলভ কথাবার্তায় স্পষ্ট বুঝা যায়। তুমিতো বলনা, কথা বলে তোমার টাকা!!
শুধু চাকমা কেন, যেকোন ধরণের ধর্ষণ-নিপিড়নকেই ঘৃনা করি। কিন্তু শাক দিয়ে মাছ ঢাকার উদ্দেশ্যে কোন ইস্যু নিয়ে কথা বলি না।
সুতরাং সাবধান, এখনও মানুষ হওয়ার সময় আছে। সময়ের সদ্ব্যবহার করো, না হলে হালে পানি পাবে না।
আপসোস করে বলতে হয় "মা'রে এতো নষ্ট ছেলে কেন গর্ভে নিয়েছিলি?"
লেখক বলেছেন: আবার জিগায়!!
রিয়াজ শাহেদ বলেছেন:
মাইনুলের কমেন্টের জবাবে আপনার বক্তব্যকে জাঝা।
লেখক বলেছেন:
মাইনুল শুয়োরটা কমেন্ট করেই পালিয়ে গেল? ভেবেছিলাম ধরবো আজ, কিন্তু...![]()
কেমন আছেন শাহেদ ভাই?
লেখক বলেছেন: দোয়া রাইখ্যেন![]()
রিয়াজ শাহেদ বলেছেন:
আছি ভালোই, সারাবেলা ডুইবা থাকি বিলাসিতা আর ভন্ডামিতে। একটু আগে পোস্ট দিছি, পড়লেই বুঝবেন।
লেখক বলেছেন: লেখাটি রাতেই পড়েছিলাম কিন্তু কমেন্ট করার আগেই কারেন্ট হাওয়া![]()
ভালো থাকবেন...
লেখক বলেছেন: মায়ের নষ্ট ছেলে তোর নিক পাল্টা।
লেখক বলেছেন: মাইনুল কৈ?
ভুলেও মনে হয় এখানে আর আসবেনা।
রিয়াজ শাহেদ বলেছেন:
আমি যদ্দুর জানি মাইনুল বাংলাদেশে থাকে না। পাকিস্তানেও থাকে না অবশ্য!
লেখক বলেছেন: মাইনুল (অ)মঙ্গল গ্রহে থাকে![]()
![]()
িনেকা বলেছেন:
সালাম আপনাকে!........বস.........আপনের পোষ্ট পড়তে পড়তে আপনেকে সামনা সামনি দেখবার ইচ্ছা হচ্ছে। চলুক ..........
লেখক বলেছেন:
ফিরতি সালাম।
বস বললে কেমন একটা ডস খেয়ে যাই।
নোয়াখালীতে আসার আমন্ত্রন এবং নিমন্ত্রন রইলো।
িনেকা বলেছেন:
নোয়াখালিতে থাকেন আপনি? আমি ভাবছিলাম ঢাকায়........সত্যি তো না ফাকি দেবার জন্য বললেন?
লেখক বলেছেন: আমি নোয়াখালীতেই থাকি।
ফাঁকি দেব কেন? আপনাদেরকি ফাঁকি দেয়া যায়?
শেহাব বলেছেন:
যার মাইনাস দেয় তাদের সাইকোলজি জানতে পারলে ভাল হতো। দারুণ পোস্ট।
লেখক বলেছেন:
ধন্যবাদ।


















