মেয়াদোত্তীর্ণ চুল, বেণী বন্ধনীর মোড়াসুতো, দু'একটি কালো টিপ
আমাকে নিশ্চিত জানান দিলো-
আর যাই হোক সেখানে অন্তত রমণীর অস্তিত্ব ছিলো।
স্নানঘরের জলপাত্রের ভগ্নাংশের উপর উঁচু উঁইয়ের ডিবি ভেদ করে আসা
সুগন্ধির ভারে নস্টালজিয়া কি বিরাম নিতে পারে!
সনাতন ভাবনায় হাড্ডি গলা চিরুণির ভাঙা কাঁটায়
পা বিদ্ধ হওয়ার খানিক আগেও কাঁচের টুকরো খুঁজেছি-
আয়নার শরীরে কিশোরীর লেপ্টে থাকা গাল।
মেঘনাচনী ময়ূরীর পরিত্যক্ত পালকে যতোটা শিহরণ ছিলো
ততোটা অবহেলায় কিশোরীর প্রেমপত্রের ভাঁজে ভাঁজে...
শুকনো পাতার ভাঙা আওয়াজে
ভুলে যাওয়া নিক্কনসন্ধ্যার কিছু আগের
নৃত্যের সমস্ত প্রস্তুতি, ব্যস্ততা লেপ্টে ছিলো
বালু খসে পড়া আস্তরের মেদহীন শরীরে।
ততক্ষণে নিজের অস্তিত্বকে প্রত্নতাত্বিক মনে হলো!
খুঁজেছি চুলধোয়া জলের একটুখানি শীতলতা-
আঁধার ছিলো মহাসমারেহে।
ফ্যাকাশে সুতোর মধ্যিখানে উষ্ণতা ছিলো বৈকি,
বুক ছোঁয়া উর্বতায়-
সংকোচ ঢেকে রাখার কষ্টে!
শিকারী চোখে খোঁজা পায়ের চিহ্নে মুক্তির
নোনতা স্বাদে পালানোর চেষ্টা ছিলো।
কার্ণিশের ফাঁক গলে আসা সূর্যের করুণায়
আলোর অস্তিত্বে কার্পণ্যই দেখি।
লোবানের কাঠিগুলো শরাবপাত্রে দাড়িয়ে ছিলো
বাঈজির ফিঙ্গারপ্রিন্টে নেশার ভরাডুবি।
শিমুল তুলার রাজ বালিশের গায়ে
সুগন্ধি ভেজা ঘামের গন্ধ স্যাঁতস্যাঁতে হয়েছে বটে!
কামার্তা দেহের সে ভাঁজগুলো হারিয়ে যেতে পারতো
দেহসর্বস্বীনীর সাথে, যদিও তা বেঁচে থাকে
প্রত্নতত্বের খোঁজে আসা অন্বেষনের ভাবুক দৃষ্টিতে
যখন অসংখ্য প্রেমের অপচয় চোখের সামনে শুয়ে পড়ে
ধর্ষনের আহবানে বেঁচে থাকার প্রত্যয়ে।
সর্বশেষ এডিট : ২৮ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ ভোর ৪:১০

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


