প্রথমা
তখনো ইরোটিকের ভার বইতে থাকে জড়পদার্থগুলো,
হয়তো নেশার আসর বসে আলো বিরহী দালানের ফাঁকে
চুনকাম চলে মুক্ত জীবনের ফসিলে-
তীক্ষ্ণ হতে শুরু করে খদ্দের দৃষ্টি।
লৌহখন্ডের বাসর প্রস্তুতির আগে পরে
রাতের শুরুটা কিসের যেন জানান দেয়!
লাইন বেঁধে মুখোশ পরে ঈশ্বরের রাতচর।
মধ্যমা
বাতিদন্ডের একাকীত্ব সপ্তমাসী গর্ভের মতো অ্যামবুস।
একই দৃশ্য স্থুল বারান্দায়, ইটগাঁথুনির উদাম বুকে,
স্নানঘরের আধখোলা জানালায়, দূরের রাজপথে জোনাকির চোখে-
এখানে সেখানে, অথবা দেহের কোথাও স্ট্যাচুর মতো সুপুরুষ হয়ে উঠে।
ঈশ্বরের রাতচর হাত বুলায় ক্ষধার্তের প্রেমাঞ্চলে।
মাখনের শরীরে কাম আসে খুনতৃপ্তির পূর্বাভাস।
বিজয়া
স্বাস্থ্যবতী শয্যালয়ে বহুমূখী পতনে গ্রহীতা পূর্ণতা লাভ করে।
একজীবন ক্লান্তি নিয়ে সুখের চলমান স্টোররুমের ধারাবাহিক হেরে যাওয়া
যুতসই হতে শুরু করে ঈশ্বরের বিজয়া সুরশব্দে।
ঈশ্বর নেমে আসে আমাদের উঠোনে...!
উচ্চকিত ধর্মবাণীর সাথে টেকে না নববধুর কামধোয়া জলপতনের শব্দ,
অথচ অবিশ্বাস্যভাবে সুখী হতে থাকে মৃনাল রক্ষীতা মাখনের টুকরোরা।
দূষিত হয় জলশরীর পরাজিত ঈশ্বরের কুলকুচিতে।
০৫.১১.০৮
রাত ১১.৪০মি.
সর্বশেষ এডিট : ২৮ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ ভোর ৪:১১

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


