এখানে স্মৃতির উচ্ছিষ্টে পাপের মতো সুখ নেমেছিলো,
মরা ঘাসের উপর লেপ্টে রইলো ফিগার সর্বস্ব পৌরষ।
ঝোপের আড়ালের আন্ধারে মোটেও স্বচ্ছতা ছিলো না-
এখনো যুবকের বুকের চিনচিনে ব্যাথায় যুবতির অস্তিত্ব!
অবিশ্বাস্যভাবে রেস্তরার রঙচটা বেঞ্চিতে সততা ছিলো না,
ছিলো না - লাল ফিতে অথবা সংগীত নির্ভর বহুগামী যন্ত্রগুলোয়-
আমরা মূহর্মূহ করতালিতে স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করি।
সম্বল ছিলো পেলব যৌনাঙ্গের সুড়সুড়িতে, যেখানে
মাঘের মতো আরাম নেমে আসে অদৃশ্য স্পর্শে
মুঠোফোনের বিরক্তি নেমে আসে রাত্রিবিলাসী আত্মার বক্ষে।
এখনো যুবতির সিক্ত হওয়ায় পৌরষের ফসিল!
জৈবজ লালা, রস ইত্যাদিতে উর্বরতা ফিরে পায় ঘাসমূল,
আবারো লুটিয়ে পড়ে পৌরষ... ধারাবাহিক সুখ নামে বহুমূখী পতনে!
২১.১১.০৮
দুপুর ০২.২২ মি.
সর্বশেষ এডিট : ২৮ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ ভোর ৪:১১

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


