বড় জ্যোৎস্নাদীঘির ওপারে হলুদ পরীদের নিশ্চিত বসতি।
ঘাসের গায়ে এবার পুরো পালঙ্ক সাজাচ্ছে উচ্চাভিলাসী,
হাঁটুভাঙা মৃত্যুডাক শ্মশাণঘাটে বিশ্রাম নেয় বা নিবে।
আরেকবার পেছন ফিরার আগে একঘাঁড় উঁচুদৃষ্টি সম্মুখে-
আঙ্গুর বাগানটা পেরুলেই শৈশব ফিরে আসে আসে।
যেবার বরফ পড়েছিলো আমার ধর্মঘরে এবং
বিশ্বস্ত থাকতে পারিনি অথবা আমার অবাধ্যতায়
সুখ খুঁজতে গিয়ে আমাকে খুব ভালোবেসে ফেলি-
পরীগুলো নিশীস্নানান্দ, আগুনমুখো শ্বেতশলাকা ও
বিবিধ নিজস্ব সৃষ্টির রূপ ধারণ করলো।
সেদিন সুখে ভোগার দুর্লভ সুযোগের কথা
কেউ স্মরণ করিয়ে দেয়নি,
স্বাভাবিকভাবেই চিরন্তন সুখে ভুগি।
গীতের শেষ সংগীতে দিগন্ত খুঁজি-
আমিও চাই শেষবার দেহটা ধুয়ে দিবে-
এবং শুভ্রতার উর্দ্ধে গিয়ে আবৃতি থেকে মুক্তি দেবে।
১০.০১.০৯
রাত ১১.১৫মি.
সর্বশেষ এডিট : ৩১ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ বিকাল ৪:৪০

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


