রাতে খুব যত্ন করে ১৬৮ জন বন্ধুকে ঘুম পাড়িয়ে আমিও ঘুমাতে গেলাম। সকালে ঘুম থেকে উঠে দেখি ১জন নিখোঁজ

। তন্ন তন্ন করে খুঁজেও সনাক্ত করতে পারিনি- কে সেই মহামান্য! ৩দিন পর আরেক বন্ধুর পেজ থেকে একজনের স্টাটাসে মন্তব্য করতে গিয়ে দেখি তিনি আমার বন্ধু নন! আশ্চর্য, ফেসবুক লাইফের শুরুর দিককার ফ্রেন্ড ছিলেন ভদ্রলোক। দারুন দারুন কবিতা লিখেন তিনি। সব কথার সমাপ্তি ঘটতো বিয়ে দিয়ে। ব্লগের একসময় মাঠ কাঁপানো যোদ্ধা ছিলেন। আমার পিঠে উনার অনেক ছাপড় আছে, বাহবা আছে। এখন স্মৃতিকাতর হই বারঙবার।

অসম্ভব বিয়ে পাগল লোকটাকে কেবল রোমান্টিকতার জন্যই শ্রদ্ধা করতাম। কি অসম প্রচেষ্টা তার! পাত্তা না পেয়েও শুধু প্রেমের জন্য তাঁর ছুটোছুটি আমাকে প্রেমিক হতে অনুপ্রাণিত করেছিলো। আমার সে প্রিয় স্বজন তার ফর্দ থেকে আমাকে বাতিল করেছেন। সুইসাইড অত সহজলভ্য নয় বলেই রক্ষে। নইলে আমার কঙ্কাল এতোদিনে গবেষনাগারে বহুত আরামে থাকতো।

ক'দিন পর দেখি আরেকজন উধাও!

আবারও খোঁজাখুঁজির পালা। ব্যর্থ চেষ্টা! তার কোন খোঁজ নেই। একটা ছবিতে ট্যাগ করতে গিয়ে A প্রেস করে তার নাম না দেখে ভাবলাম নামটাকি বাঙলায় রূপান্তর করলো নাকি? না, তেমন কিছুও না। সে নাই! সে নাই !!

সৌভাগ্য বশত: এবারও কবির নির্মমতার স্বীকার।
কারণ অনুসন্ধান করতে থাকি। ব্যক্তিগত বিরোধ কারো সাথেই নেই। ব্লগেই যা একটু আধটু হতো। ইস! যদি জানতাম ব্লগে বিরোধিতার জন্য এতো বড়ো শাস্তি আমাকে ভোগ করতে হবে, তবে কখনোই খুনসুটি খেলতাম না। কখখোনোই না!
এখন দিলে শান্তি নেই। অশান্তি আমাকে কুরে কুরে খাচ্ছে। ফেসবুকের ফ্রেন্ডলিস্ট খুলে রেখে চোখ বুলাই, চোখে পচন লাগে। খালি জল নামে আর জল নামে
(ইহা একটি আবেগঘন পোস্ট)