একবার ভাবুন সেসব অসুস্থ মানুষদের কথা, যারা চলমান লোডশেডিং এর কারণে কতোটা দু:সহ যন্ত্রনা ভোগ করছে! একবার ভাবুন মান্নান ভুঁইয়ার মতো রোগীদের কথা, যারা যানজটে পড়ে জীবন হারাতে বসেন! এই দেশ আমার, এই দেশ আপনার। অথচ দুর্নীতি দিন দিন দেশটাকে কিছু ভুঁড়িওয়ালার বানিয়ে ফেললো। ইভ টিজিং, রাজনৈতিক সন্ত্রাস দিন দিন দেশটাকে কোথায় নিয়ে যাচ্ছে! এর জন্যই কি একাত্তরে আল্লাহর রহমতে আমরা স্বাধীন হয়েছি? ভাবতে ঘেন্না লাগে এ বাকশালী সরকারের কর্মকান্ড নিয়ে। তারা আছে খালি বিচার আর বিচার নিয়ে। একবার বাবার বিচার, আবার যুদ্ধাপরাধের বিচারের নামে দেশটাকে আলেমশূন্য করার ষড়যন্ত্র। অথচ দিন দিন অর্থনীতি ভেংগে পড়ছে, নেতিয়ে যাচ্ছে সামাজিক নিরাপত্তা ব্যবস্থা, অশ্লীলতায় ছেয়ে যাচ্ছে পথঘাট, বিলবোর্ড। সরকারের কোন নজরই নেই সেসব দিকে। ভুখা ভুখা মুখগুলোর দিকে তাকালে আর ভালো লাগে না। ইচ্ছে করে এখনই তাদের অর্থনৈতিক মুক্তির আন্দোলনে ঝাঁপিয়ে পড়ি। গণতান্ত্রিক শাসনব্যবস্থায় আমার সে আন্দোলনের পথে পথে বাধা। দেশের এতো বৃহতত অংশ আওয়ামীলীগকে ভোট দিয়েছে দেশের উন্নতির জন্য। কিন্তু তারা কি করছে এখন! দেশ থেকে ইসলাম উচ্ছেদ, বিরোধীদলকে নিশ্চিহ্ন করা, ভারতের সাথে আঁতাত- এসব দেশবিরোধী এবঙ ইসলামবিরোধী কাজ করতে করতে এসরকার হয়রান হয়ে যাচ্ছে।
রাস্তা দিয়ে চলতে যখন ছেঁড়া জামার মানুষগুলোকে দেখি, তখন থু থু মারতে ইচ্ছে করে সেসব গাড়িওয়ালা মানুষদের, যারা ধর্ম কর্ম কিছু না করে এ সরকারের দালালী করে যাচ্ছে। দেয়ালে দেয়ালে ছেয়ে আছে অশ্লীলতা, বুক ফুলিয়ে বেপর্দ নারী দাড়িয়ে থাকে বিলবোর্ডে। আমাদের চরিত্র আজ হুমকীর মুখে। যুবসমাজ ধ্বংস হয়ে যাচ্ছে নিরবে নিভৃতে। কিন্তু আমাদের সরকার আছে আইন আদালত নিয়ে।
দেশের খনিজ সম্পদ তুলে দিচ্ছে বিদেশীদের হাতে। সীমান্ত দিয়ে দিচ্ছে ভারতীয়দের। আমাদের জন্য কেবল বংগবন্ধু আর আওয়ামীলীগ রেখে যাচ্ছে। দেশের একজন নাগরিক হিসেবে এসব হারাম বস্তু নিতে আমি অস্বীকার করছি।
দেশের মানুষ এখনো চুপ হয়ে আছে। তাদের মুখের ভাত তুলে দেয়ার পরিবর্তে এরকম রাজনৈতিক প্রতিহিংসার জবাব এদেশের ইসলামপ্রিয় মানুষ সময়মতো দিয়ে দিবে।
অবশেষে দেশের তিন শীর্ষ আলেম, সৎ রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব মতিউর রহমান নিজামী, আলী আহসান মুহম্মদ মুজাহিদ এবং আল্লামা দেলোয়ার হোসেন সাঈদীর মুক্তি চেয়ে পোস্ট শেষ করি।
আমিন।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।

