আমার প্রিয় পোস্ট

সুমন সওদাগরের ব্লগ

প্রিয় হুমায়ুন আজাদ, প্রবচনগুচ্ছ এবং বিতর্ক

১৬ ই জুলাই, ২০১০ রাত ২:৫২

শেয়ারঃ
0 0 0

১. >> মানুষ সিংহের প্রশংসা করে, কিন্তু আসলে গাধাকেই পছন্দ করে।
২. >> পুঁজিবাদের ঈশ্বরের নাম টাকা; আর মন্দিরের নাম ব্যাংক।
৩. >> সুন্দর মনের থেকে সুন্দর শরীর অনেক আকর্ষনীয়।
৪. >> শামসুর রাহমানকে একটি অভিনেত্রীর সাথে টিভিতে দেখা গেলো। শামসুর রাহমান বোঝেন না কার সংগে পর্দায় যেতে হয়, আর কার সংগে শয্যায় যেতে হয়।
৫.>> আগে কারো সাথে পরিচয় হলে জানতে ইচ্ছে হতো সে কী পাশ? এখন কারো সাথে পরিচয় হলে জানতে ইচ্ছে করে সে কী ফেল?
৬. >> শ্রদ্ধা হচ্ছে শক্তিমান কারো সাহায্যে স্বার্থোদ্ধারের বিনিময়ে পরিশোধিত পারিশ্রমিক।
৭. >> আজকাল আমার সাথে কেউ একমত হলে নিজের সম্বন্ধে গভীর সন্দেহ জাগে। মনে হয় আমি সম্ভবত সত্যভ্রষ্ট হয়েছি, বা নিম্নমাঝারি হয়ে গেছি।
৮. >> আগে কাননবালারা আসতো পতিতালয় থেকে, এখন আসে বিশ্ববিদ্যালয় থেকে।
৯. >> জনপ্রিয়তা হচ্ছে নেমে যাওয়ার সিঁড়ি। অনেকেই আজকাল অনেকেই জনপ্রিয়তার পথে নেমে যাচ্ছে।
১০. >> উন্নতি হচ্ছে ওপরের দিকে পতন। আজকাল অনেকেরই ওপরের দিকে পতন হচ্ছে।
১১. >> আমাদের অঞ্চলে সৌন্দর্য অশ্লীল; অসৌন্দর্য শ্লীল। রূপসীর সামান্য নগ্ন বাহু দেখে ওরা হৈ চৈ করে, কিন্তু পথে পথে ভিখিরিনির উলঙ্গ দেহ দেখে একটুও বিচলিত হয় না।
১২. >> একটি স্থাপত্যকর্ম সম্পর্কে আমার কোন আপত্তি নেই; এবং তার কোন সংস্কারও আমি অনুধাবন করি না। স্থাপত্যকর্মটি হচ্ছে নারীদেহ।
১৩. >> পরমাত্মীয়ের মৃত্যুর শোকের মধ্যেও মানুষ কিছুটা সুখ বোধ করে। কারণ সে নিজে বেঁচে আছে।
১৪. >> প্রতিটি দগ্ধ গ্রন্থ সভ্যতাকে নতুন আলো দেয়।
১৫. >> বাঙলার প্রধান ও গৌণ লেখকদের মধ্যে পার্থক্য এখানে যে, প্রধানেরা পশ্চিম থেকে প্রচুর ঋণ করেন; আর গৌণরা আবর্তিত হন নিজেদের মৌলিক মূর্খতার মধ্যে।
১৬. >> মহামতি সলোমনের নাকি তিনশো পত্নী আর সাত হাজার উপপত্নী ছিলো। আমার মাত্র একটি পত্নী। তবু সলোমনের চরিত্র সম্পর্কে কারো কোনো আপত্তি নেই, কিন্তু আমার চরিত্র নিয়ে সবাই উদ্বিগ্ন।
১৭. >> বাঙালি যখন সত্য কথা বলে তখন বুঝতে হবে পেছনে কোন অসৎ উদ্দেশ্য আছে।
১৮. >> অধিকাংশ রূপসীর হাসির সৌন্দর্য মাংসপেশীর কৃতিত্বমাত্র, তা হৃদয়ের প্রকাশ নয়।
১৯. >> পাকিস্তানীদের আমি অবিশ্বাস করি, এমনকি যখন তারা গোলাপ নিয়ে আসে, তখনও।


উপরের প্রবচন গুলোসহ ১৯৮৯ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগের ছাত্রদের দ্বারা প্রকাশিত “অরুণিমা” পত্রিকার প্রথম বর্ষ দ্বিতীয় সংখ্যায় “প্রবচনগুচ্ছ” নামের লেখায় হুমায়ুন আজাদের ২৫টি প্রবচন প্রকাশিত হয়। এগুলো আসলে উনার বিভিন্ন লেখা থেকে উত্তোলিত। এরপর এসব নিয়ে তখনকার মিডিয়া বেশ কয়েকদিন খুব গরম ছিলো। শুরু হয় "দৈনিক সংবাদে" প্রকাশিত কথাশিল্পী সৈয়দ শামসুল হকের বিবৃতি প্রকাশের মধ্য দিয়ে। তিনি বলেন – “ড. আজাদ নারী জাতির প্রতি অসম্মান প্রকাশ করেছেন এবং তিনি স্ব-বিরোধী। কিন্তু এর কিছুদিন পরই "সাপ্তাহিক তারকালোক" এ এর ব্যবচ্ছেদ করা হয়। পত্রিকার স্-নামে প্রকাশিত এক লেখায় সৈয়দ সাহেবের বক্তব্যের সমালোচনা করে বলা হয় – “বিষয়টি বিস্মিত করেছে অনেককে; ‘খেলারাম খেলে যা’ কিংবা ‘বৈশাখে রচিত পঙতিমালা’র লেখক এসব কথা বলেছেন। আর স্ব-বিরোধিতা? –একজন তরুন কবির বরাত দিয়ে লেখা হয় – ‘সৈয়দ শামসুল হক সাম্প্রতিক সরকার বিরোধী আন্দোলনের সারিতে থাকেন, কিন্তু অন্তরালে তিনি এ সরকারের সাথে সংশ্রবও রাখেন। এ সরকারের কয়েকটি প্রচার চিত্রের নির্মাতাও তিনি। পাশাপাশি অপসংস্কৃতির কথাও তার মুখে শোভা পায় না। কারণ অপ-চলচ্চিত্রের সংগেও তিনি জড়িত। কাজেই স্ব-বিরোধিতার অভিযোগ তাঁর মুখে সাজে না।“

কিন্তু মজার বিষয় হচ্ছে, কবি শামসুর রাহমানকে নিয়ে এতো তীর্যক কথা বলার পরও তিনি কিন্তু এ বিষয়ে অপ্রিয় কোন কথা বলেননি। বরং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের তৎকালীন ভাইস চ্যান্সেলরের করা “ড. আজাদকে মানসিক হাসপাতালে ভর্তি করানো উচিত” মন্তব্যের খুব কঠিন সমালোচনা করেন। তিনি বলেন- “এ প্রবচনগুলো নিয়ে হৈ চৈ করার মতো কিছু নেই। ইতিবাচকভাবে দেখলে এক অর্থ মনে হবে, আর নেতিবাচকভাবে দেখলে ভিন্ন অর্থ দাঁড়াবে। প্রবচনগুচ্ছ প্রকাশের কারণে হুমায়ুন আজাদের বিরুদ্ধে যেসব তৎপরতা চালানো হচ্ছে, তা অনভিপ্রেত। এগুলো লেখকের স্বাধীনতায় হস্তক্ষেপ। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাইস চ্যান্সেলর এ বিষয়ে যে মন্তব্য করেছেন, তা আপত্তিকর।“ আবার সৈয়দ শামসুল হকের মন্তব্যের সমালোচনা করে বলেন –“লেখক হিসেবে তার অবস্থানের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ হয়নি।“

পরে এ বিষয়ে ড. হুমায়ুন আজাদ সাপ্তাহিক তারকালোকে এক সাক্ষাতকার দেন। সাক্ষাতকারে তিনি সৈয়দ শামসুল হককে “একজন রুগ্ন বুর্জোয়া ও লোলুপ লুম্পেন” হিসেবে আখ্যায়িত করেন। এবং সৈয়দ শামসুল হককে যৌনগ্রাফার উল্লেখ করে বলেন- “ তিনি তার রচনায় আত্মহত্যা করেছেন।“ এর আগেও জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামকে নিয়ে কিছু মন্তব্য করলে নজরুল ভক্তের (এবং কিছু কিছু ক্ষেত্রে নজরুল ব্যবসায়ীদের) গাত্রদাহ শুরু হয়। নজরুলকে নিয়ে মন্তব্যের কারণ সম্পর্কে প্রশ্ন করা হলে উত্তর দেন এভাবে –“আমি কখনোই নজরুলকে প্রতিক্রিয়াশীল বলিনি, এটা রটানো হয়েছে। নজরুলের গুরুত্ব আমি অস্বীকার করি না, কিন্তু আমি চাইনা নজরুলকে নিয়ে ব্যবসা করতে। আমি নজরুলকে ঠিকমতো দেখে নিতে চাই। কিন্তু আমার সমালোচনাকারীরা তা চান না।“ আর লেখকদের স্বাধীনতার প্রশ্নে বললেন –“প্রতি মূহুর্তে যদি রাষ্ট্র, দল, গোত্র, বিশ্বাস ও আরো অনেক কিছুর কথা ভেবে লিখতে হয়, কোনো একটি শব্দ বা বাক্য লিখে রক্ত হিম হয়ে যায়, চোখের সামনে মিছিল, ছুরি, পত্রিকায় অশালীন আক্রমন ভাসতে থাকে, তাহলে লেখকের পক্ষে লেখা কঠিন।“

আসলেই, সে “কঠিন”ই শেষে জাতীয় দুর্যোগ হলো এবং আমরা হুমায়ুন আজাদকে হারালাম।

(টাইপ করার ভয়ে পুরো সাক্ষাতকার দিইনি :( )


তথ্য সূত্র :
সাপ্তাহিক তারকালোক
১-১৪ জুলাই ১৯৮৯ সংখ্যা।

 

লেখাটির বিষয়বস্তু(ট্যাগ/কি-ওয়ার্ড): হুমায়ুন আজাদপ্রবচনসবাক ;
প্রকাশ করা হয়েছে: বখাটে কথন  বিভাগে । বিষয়বস্তুর স্বত্ত্বাধীকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...

 

১৬ ই জুলাই, ২০১০ রাত ২:৫৯

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ স্বদেশ

২. ১৬ ই জুলাই, ২০১০ রাত ২:৫৭
নির্ঝর নৈঃশব্দ্য বলেছেন: তার প্রবচনগুচ্ছ বই আকারে পাওয়া যায়
১৬ ই জুলাই, ২০১০ রাত ২:৫৯

লেখক বলেছেন: ছিলো।

৩. ১৬ ই জুলাই, ২০১০ রাত ২:৫৯
বখাটে পুলা বলেছেন: মহামতি সলোমনের নাকি তিনশো পত্নী আর সাত হাজার উপপত্নী ছিলো। আমার মাত্র একটি পত্নী। তবু সলোমনের চরিত্র সম্পর্কে কারো কোনো আপত্তি নেই, কিন্তু আমার চরিত্র নিয়ে সবাই উদ্বিগ্ন। ;) ;) :( :( :(( :(( :(( :`> :`> :``>> :``>>
১৬ ই জুলাই, ২০১০ রাত ৩:০৮

লেখক বলেছেন:

লজ্জাও পাইলেন, কান্নাকাটিও করলেন :(

১৬ ই জুলাই, ২০১০ রাত ৩:০৭

লেখক বলেছেন:
ধন্যবাদ ইচ্ছা মানুষ

৫. ১৬ ই জুলাই, ২০১০ রাত ৩:০৬
চারুপাঠ বলেছেন: পাক সার জমিন সারবাদ গ্রন্থ পড়ে তার হিনমন্যতার পরিচয় পেয়েছি। অবশ্যি অশ্লীলতায় তাসলিমা কিংবা খেলারাম খেলে যা গ্রন্থের লেখকেও ছাড়িয়ে গেছেন।
১৬ ই জুলাই, ২০১০ রাত ৩:০৮

লেখক বলেছেন:

আমাদের অঞ্চলে সৌন্দর্য অশ্লীল; অসৌন্দর্য শ্লীল। রূপসীর সামান্য নগ্ন বাহু দেখে ওরা হৈ চৈ করে, কিন্তু পথে পথে ভিখিরিনির উলঙ্গ দেহ দেখে একটুও বিচলিত হয় না।

৬. ১৬ ই জুলাই, ২০১০ রাত ৩:১৪
মুরাদ-ইচছামানুষ বলেছেন: এরকম একটা অরাজনৈতিক ভাল পোস্টেও মাইনাস!!!!!
১৬ ই জুলাই, ২০১০ রাত ৩:১৬

লেখক বলেছেন: হুমায়ুন আজাদ নাস্তিক মানুষ। তাই আমরা আস্তিকরা (কিছু কিছু) তাকে ঘৃনা করি।

৭. ১৬ ই জুলাই, ২০১০ রাত ৩:২৩
হোরাস্‌ বলেছেন: শোকেসে নিলাম। +

লেখক বলেছেন: হুমায়ুন আজাদ নাস্তিক মানুষ। তাই আমরা আস্তিকরা (কিছু কিছু) তাকে ঘৃনা করি।

১৬ ই জুলাই, ২০১০ রাত ৩:২৮

লেখক বলেছেন: মাইনাস দাতারে আর কিই বা বলার আছে, কন? যদিও মাইনাসে কিচ্ছু আসে যায় না, কিন্তু তার মানসিকতাকে করুনা করতেও ইদানিং সময় হয় না।

৮. ১৬ ই জুলাই, ২০১০ রাত ৩:২৪
পঙ্খিরাজ বলেছেন: কতিপয় দুপাতা বাংলা পড়ে শিক্ষিতদের কাছে পাক সার জমিন সার বাদ অশ্লীল মনে হবেই। হুমায়ুন আজাদকে বুঝতে হলে তার লেখাকে অনুধাবন করতে হলে দুপাতা পড়ার জ্ঞান কোন কাজে লাগবে না হে।
তিনি মওদুদীদের অন্তস্থল দেখে ফেলেছিলেন হে আর তাই নিয়ে লিখেছেন। বিশেষ করে মহান আলেম ছাইদী এভাবেই নারীদের ধর্ষন এবং তার এসলাম সম্মত কর্মকান্ড চালিয়েছিলেন ৭১ এ। ভৈরব অঞ্চলে যতটা লিখেছেন তার থেকে হয়তো বেশি নারী এভাবে নির্যাতিত হয়েছে বিগত বিম্পি-মওদুদী জোট সরকারের সময়ে মওদুদীবাদীদের হাতে। (হাতের কাছে এই মূহুর্তে পরিসংখ্যঅন নেই থাকলে দিতাম।) তাই যারা হুমায়ুন স্যারকে হীনমন্য বলে সেসব কাহার জন্ম নির্ণয় ন জানি। এ মাপের ভাষাবিদ আগামী শতবর্ষেও জন্মাবেনা হে পাকিজাত কুলাঙ্গার। তোমাদের মগজহীন ক্ষুদ্র মস্তিস্কে এসব ঢুকবে না। তাই তোমরা বরং গোলাম আজমের জীবনী অথবা আমি বদর বলছি অথবা আমি ডালিম বলছি অথবা জেল থেকে বলছি জাতীয় তোমাদের আলবদর নেতাদের আত্মজীবনী পড়ে আস। অশেষ ছোয়াব তাতে হাসিল হবে। আর এসব আমাদের জন্যে ছেড়ে দাও। আমরা বরং চেষ্টা করে দেখি তিনি কি বলার চেষ্টা করে গেছেন।
১৬ ই জুলাই, ২০১০ রাত ৩:৩৪

লেখক বলেছেন:

হা হা হা ;)

অত্যন্ত সুন্দর বলেছেন। কিন্তু ওই বেকুব মনে হয় আর আইবো না। :(

১৬ ই জুলাই, ২০১০ রাত ৩:৪৪

লেখক বলেছেন:
ধন্যবাদ, আকাশ দেখি।

১০. ১৬ ই জুলাই, ২০১০ রাত ৩:২৯
রুবাই রেনো বলেছেন: পঙ্খিরাজ বলেছেন: কতিপয় দুপাতা বাংলা পড়ে শিক্ষিতদের কাছে পাক সার জমিন সার বাদ অশ্লীল মনে হবেই। হুমায়ুন আজাদকে বুঝতে হলে তার লেখাকে অনুধাবন করতে হলে দুপাতা পড়ার জ্ঞান কোন কাজে লাগবে না হে।
তিনি মওদুদীদের অন্তস্থল দেখে ফেলেছিলেন হে আর তাই নিয়ে লিখেছেন। বিশেষ করে মহান আলেম ছাইদী এভাবেই নারীদের ধর্ষন এবং তার এসলাম সম্মত কর্মকান্ড চালিয়েছিলেন ৭১ এ। ভৈরব অঞ্চলে যতটা লিখেছেন তার থেকে হয়তো বেশি নারী এভাবে নির্যাতিত হয়েছে বিগত বিম্পি-মওদুদী জোট সরকারের সময়ে মওদুদীবাদীদের হাতে। (হাতের কাছে এই মূহুর্তে পরিসংখ্যঅন নেই থাকলে দিতাম।) তাই যারা হুমায়ুন স্যারকে হীনমন্য বলে সেসব কাহার জন্ম নির্ণয় ন জানি। এ মাপের ভাষাবিদ আগামী শতবর্ষেও জন্মাবেনা হে পাকিজাত কুলাঙ্গার। তোমাদের মগজহীন ক্ষুদ্র মস্তিস্কে এসব ঢুকবে না। তাই তোমরা বরং গোলাম আজমের জীবনী অথবা আমি বদর বলছি অথবা আমি ডালিম বলছি অথবা জেল থেকে বলছি জাতীয় তোমাদের আলবদর নেতাদের আত্মজীবনী পড়ে আস। অশেষ ছোয়াব তাতে হাসিল হবে। আর এসব আমাদের জন্যে ছেড়ে দাও। আমরা বরং চেষ্টা করে দেখি তিনি কি বলার চেষ্টা করে গেছেন।

সহমত
ভালো লাগল.
১৬ ই জুলাই, ২০১০ রাত ৩:৫২

লেখক বলেছেন:
ধন্যবাদ, রুবাই রেনো।

১১. ১৬ ই জুলাই, ২০১০ রাত ৩:৪৭
মাহমুদহাসান বলেছেন: ড. হুমায়ুন আজাদের প্রতি শ্রদ্ধা।

তাঁর একটি প্রবচন আমাকে খুব নাড়া দেয়, প্রতিটি দগ্ধ গ্রন্থ সভ্যতাকে নতুন আলো দেয়। খুব মিস করি বইমেলাগুলোতে তাঁকে, খুব মিস করি তাঁর নতুন বই, খুব মিস করি একজন সত্যিকারের সাহসী এবং সৎ মানুষকে।
১৬ ই জুলাই, ২০১০ রাত ৩:৫৭

লেখক বলেছেন:
আমার পড়া তাঁর প্রথম বই "আমার অবিশ্বাস"। এতো মনোযোগ দিয়ে এর আগে আর কিছু পড়া হয়নি।

১২. ১৬ ই জুলাই, ২০১০ রাত ৩:৫২
মাহমুদহাসান বলেছেন: ড. হুমায়ুন আজাদের সবকিছু ভেঙে পড়ে উপন্যাস পড়ে আমার প্রথমবার মনে হয়েছিল, একটি উপন্যাস মূলত একটি রূপকল্প, যা একই ধরণের কিছু বাক্যে গাঁথা থাকবে, একটি সামান্য অনুভূতিকে অসামান্য করে তুলবে, একটি ছোট্ট বাক্যকে মনের গভীরে আজীবনের জন্য গেঁথে দিবে।

তাঁর আমি বেঁচে ছিলাম অন্যদের সময়ে কবিতাটি একটি অসামান্য প্রতিভার স্ফূরণ, এটি পড়লেই আমার মনে হয়, আমি বুঝতে পারছি কেন তিনি আমাদের চেয়ে অনেক বছর আধুনিক।
১৬ ই জুলাই, ২০১০ ভোর ৪:৪৯

লেখক বলেছেন:

ধন্যবাদ হাসান ভাই।

১৬ ই জুলাই, ২০১০ রাত ৮:২৬

লেখক বলেছেন: আপনাকেও ধন্যবাদ।

১৬ ই জুলাই, ২০১০ রাত ৮:২৬

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।

১৫. ১৬ ই জুলাই, ২০১০ ভোর ৬:৩৭
ম্যাভেরিক বলেছেন: স্পষ্টভাষী, প্রথাবিরোধী মানুষ ছিলেন; লেখার বর্ণনাশৈলী চমৎকার শক্তিশালী ও গতিশীল, বাংলায় খুব কম চোখে পড়ে। তবে প্রতিভার অবিচারই করেছেন বলব; তাঁর উপন্যাসের বিষয়বস্তু আরো ব্যাপ্ত হতে পারত এবং পূর্বসূরীদের প্রতি আরো নমনীয়তা তাঁর গ্রহণযোগ্যতা বিস্তৃত করত।

"১৪. >> প্রতিটি দগ্ধ গ্রন্থ সভ্যতাকে নতুন আলো দেয়।"

বিখ্যাত এ উক্তিটি আসলে রালফ ওয়াল্ডো এমারসন'র।
১৬ ই জুলাই, ২০১০ রাত ৮:২৭

লেখক বলেছেন: আপনাকে দেখে ভালো লাগলো।

১৬ ই জুলাই, ২০১০ রাত ৮:২৭

লেখক বলেছেন: ওয়াও!! বিলাই :)

১৭. ১৬ ই জুলাই, ২০১০ সকাল ৮:৪০
স্টাডি-ইটিই বলেছেন: আমাদের অঞ্চলে সৌন্দর্য অশ্লীল; অসৌন্দর্য শ্লীল। রূপসীর সামান্য নগ্ন বাহু দেখে ওরা হৈ চৈ করে, কিন্তু পথে পথে ভিখিরিনির উলঙ্গ দেহ দেখে একটুও বিচলিত হয় না

এভাবে আমরা কখনো ভাবিনা! লজ্জা লাগে না জেনেই মৌলবাদীদের কথায় তাকে ঘৃণা করতাম।
১৬ ই জুলাই, ২০১০ রাত ৮:২৮

লেখক বলেছেন: আপনি যেন সারা জীবন হুমায়ুন আজাদ স্যারকে ঘৃনা করে যেতে পারেন। আপনার কাছে প্রিয় হবার কোন প্রয়োজন নেই।

১৮. ১৬ ই জুলাই, ২০১০ দুপুর ১:৫৬
পাপতাড়ুয়া বলেছেন: আজাদ স্যার রে গালি দেয়ার যারা দিক।আজাদ স্যার নিজেই এটা মেনে নিয়েছেন।

আমার অবিশ্বাস টা টানে খুব।ঢুকলে বের হয়া যায় না।মূলত সবগুলোই।
১৬ ই জুলাই, ২০১০ রাত ৮:৫৭

লেখক বলেছেন:
আমার অবিশ্বাস পড়ে অনেক প্রশ্নে জবাব পেয়েছিলাম।

১৯. ১৬ ই জুলাই, ২০১০ দুপুর ২:০২
পাপতাড়ুয়া বলেছেন: পাকসারজমিন সাদ বাদ প্রথম বার পড়ে আমার কাছেও অশ্লীল লাগছে।ধুর,কৈয়া ফেলে দিসি।

পরে সিনিয়র এক ভাই বললেন,এইটা আবার পড়।কে লেখছে সেটা বাদ দিয়া কি লিখছে পড়ো।

পড়লাম।আজাদ স্যারের ভিউ টা ধরতে পারলাম মোটামুটি।

উনি যে কুত্তা গুলা রে চিত্রিত করেছেন,এই কুত্তা গুলা ওভাবেই চিন্তা করে।

এই ফিলটা ট্রাই করছি এখানে.. Click This Link
২১ শে জুলাই, ২০১০ সন্ধ্যা ৬:৪৬

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ পাপতাড়ুয়া।

২১ শে জুলাই, ২০১০ সন্ধ্যা ৬:৪৬

লেখক বলেছেন: কমলা রংগের পিলাসের জন্য ধইন্যা

২১. ১৬ ই জুলাই, ২০১০ রাত ৮:৩৪
শিরীষ বলেছেন: সত্য প্রবচন গুচ্ছ!
২১ শে জুলাই, ২০১০ সন্ধ্যা ৬:৪৭

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ শিরীষ।

শুভকামনা।

২১ শে জুলাই, ২০১০ সন্ধ্যা ৬:৪৯

লেখক বলেছেন: শান্তভাই, ভালো থাকুন।

২৩. ২০ শে জুলাই, ২০১০ দুপুর ২:২৬
তাশমিয়া বলেছেন: জনপ্রিয়তা হচ্ছে নেমে যাওয়ার সিঁড়ি। অনেকেই আজকাল অনেকেই জনপ্রিয়তার পথে নেমে যাচ্ছে।
২৪. ২০ শে জুলাই, ২০১০ দুপুর ২:২৯
তাশমিয়া বলেছেন: প্রিয়তে রাখলাম।

আরেকটি পোস্টে সাক্ষাতকারটি সমাপ্ত করবেন আশা করি।
২১ শে জুলাই, ২০১০ সন্ধ্যা ৬:৫১

লেখক বলেছেন: দেখে দেখে টাইপ করতে খুব ঝামেলা :(

তবে ঝোক উঠলে কোন সময় দিয়ে দিই :)

২৫. ২১ শে জুলাই, ২০১০ সন্ধ্যা ৬:৫৪
সীমাহীন সমুদ্র বলেছেন: ১৭. >> বাঙালি যখন সত্য কথা বলে তখন বুঝতে হবে পেছনে কোন অসৎ উদ্দেশ্য আছে।
২৯ শে সেপ্টেম্বর, ২০১০ রাত ৯:৩৮

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ অভিবাসী

২৭. ০২ রা আগস্ট, ২০১০ ভোর ৬:৩৫
কাকপাখি ২ বলেছেন:
গান্ধা আজাদ বলছিল: আমাদের অঞ্চলে সৌন্দর্য অশ্লীল; অসৌন্দর্য শ্লীল। রূপসীর সামান্য নগ্ন বাহু দেখে ওরা হৈ চৈ করে, কিন্তু পথে পথে ভিখিরিনির উলঙ্গ দেহ দেখে একটুও বিচলিত হয় না।

গান্ধা আজাদের সুক্ষ্ম ভন্ডামির প্রমান হইল এই বানী।

তার কিছু লেখা আমি পড়ছি। তার লেখাগুলিতে রুপসীদের যৌন আবেদনময় শারিরীক বর্ননার হৈচৈ ঠিকই করা হইছে কিন্তু কোথাও পথের ভিখারিনিদের প্রতি সহানুভুতির উল্লেখযোগ্য কোন লেশ চোখে পড়ে নাই।
০৭ ই আগস্ট, ২০১০ সকাল ৯:৫৫

লেখক বলেছেন: বেডরুমে মক্কা মদীনার কোন ফটো নাই? চোখ দিয়ে বরং সেটাই দেখুন। এসব আপনার চোখে পড়ার কোন দরকার নেই। আপনার অ্যান্টেনার কভারেজ এখনো অনেক কম।

২৮. ০৫ ই আগস্ট, ২০১০ রাত ১০:২২
রঙধনু বলেছেন: ৮. >> আগে কাননবালারা আসতো পতিতালয় থেকে, এখন আসে বিশ্ববিদ্যালয় থেকে


আর এই ব্যবস্থা তো হুমায়ুন আজাদ রাই করেছেন।
০৭ ই আগস্ট, ২০১০ সকাল ৯:৫৬

লেখক বলেছেন: এবিষয়ে আপনার আব্বাজানও একমত হবেন।

২৯. ০৭ ই আগস্ট, ২০১০ সকাল ১০:০৭
লড়াকু বলেছেন: পাকিস্তানীদের আমি অবিশ্বাস করি, এমনকি যখন তারা গোলাপ নিয়ে আসে, তখনও।
৩০. ১০ ই আগস্ট, ২০১০ বিকাল ৫:৫৯
শামীম আরা সনি বলেছেন: জীবনে প্রথম প্রেম,দ্বিতীয় প্রেম বলে কিছু নেই সব নতুন প্রেমই প্রথম প্রেম। :)

 

মোট সময় লেগেছে ২.৯০০৮ সেকেন্ড

 

সামহোয়‍্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব‍্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...
© সামহোয়্যার ইন...নেট লিমিটেড | ব্যবহারের শর্তাবলী | গোপনীয়তার নীতি
এখানে জমে আছে পাবলো পিকাসোর জীবনে আসা সর্বশেষ নারীর অপ্রকাশিত হাসি
আর এস এস ফিড

পোস্ট আর্কাইভ

আমার লিঙ্কস

আমার বিভাগ