কইলো মাইনষের ভেতরে সত্ত্বা আছে দুইখান। ধইরলাম দুইখানই আছে। তারপর হাটা দিলাম। মাইনষের পিছনেই। হাটতাছি আর নাড়তাছি। নিজেরেওযে শুইয়া রাখছি তা কিন্তুক না। নৈতিকতার প্রশ্নে সামান্য ভারসাম্য আনার জইন্য নিজেরেও নাড়াছাড়া কইরতে হইতাছে। দর্শনের পয়লা পাঠ নাকি "সত্য"। কইছেন আমগো ফরহাদ্দা। এই সনদখান জোগানোর জইন্য একটা জানা কথারে আবার জাননের দরকার পড়ছে। সত্ত্বার কোন বালাই নাই। সত্ত্বা জিনিসটা সতী নয়। এটা কোন জিনিসই নয়। সত্ত্বার দ্বৈততা আর বৈধতা নিয়ে বাণিজ্য বাড়াবার পথে চুপ মাইরা "সত্য" রে টাইনা লয় রেসে। রেসের গতি বাড়ে। বেবাক দার্শনিকরা হুদাই এ দুইখান শব্দরে নাপাক বানাইবার ফন্দি করছেন। মাইনষের ভেতরে সত্ত্বা আছে মাত্র একখান। এই একখানের আগা গোড়া মোড়াইছে সুখ অথবা শান্তি দিয়া। মানুষ মাত্রই সুখী হবার চেষ্টা কইরবো, আরাম পাওনের চেষ্টা কইরবো। এটা ছাড়া আর কোন কেন্দ্র নাই। বাইপাসরে মহাসড়ক ভাবনের মতো ভাবনার দালালীর করলেতো আরো কতকিছু বাহির হইবো। কোন দার্শনিক হালায় যদি মাইনষের ভেতরতুন শ'খানেক সত্ত্বা না ছাই বাহির কইরতে পারেন, তাইলেতো উনি অবলোকনকারীর সনদ পাইতে পারেন।
সত্য'র গায়ে ইচ্ছামতো আস্তর কইরতে কইরতে সত্য'র শরীরটারে ধরন যায় না। সত্য বলে যা আছে তা আসলে নাই। তবে সত্য'র চৌদ্দ গোষ্ঠী উদ্ধার করনের সময় একটা প্রয়োজনীয় শান্তি আছে। কথা কওন লাগে না। কথা কইলে আর সত্য'রে ধরন যায় না। এইটাতে একটা প্রয়োজনীয় সুবিধাও আছে। সত্যরে তড়িগড়ি কইরা স্বীকৃতি দেওনের দরকার পড়ে না। সত্য'র জইন্য অপেক্ষা কইরতে কইরতে অনেক অপ্রয়োজনীয় সত্য প্রয়োজনীয় মিথ্যা হিসাবে চেহারা দেখাইতে পারে। অথচ এটারে কেউ সত্য কয় না। পয়লা পয়লা এরকম দেখলে ভড়ক খাবার জোগাড় হইতো। পরে ভড়ক খাবার সত্যতা নিয়া প্রশ্ন উঠলেই চারপাশ চাওনের পর সোজা হইতাম। আর আরাম পাইতাম। সত্ত্বার গুতানি টের পাইতাম। সত্য অথবা ভুতের দেখা পাইতাম।
সর্বশেষ এডিট : ২৫ শে মে, ২০১২ রাত ১:৫৪

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


