somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

সত্ত্বা এবং সত্য নিয়ে নোট

১৪ ই অক্টোবর, ২০১০ রাত ৮:৫১
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

কইলো মাইনষের ভেতরে সত্ত্বা আছে দুইখান। ধইরলাম দুইখানই আছে। তারপর হাটা দিলাম। মাইনষের পিছনেই। হাটতাছি আর নাড়তাছি। নিজেরেওযে শুইয়া রাখছি তা কিন্তুক না। নৈতিকতার প্রশ্নে সামান্য ভারসাম্য আনার জইন্য নিজেরেও নাড়াছাড়া কইরতে হইতাছে। দর্শনের পয়লা পাঠ নাকি "সত্য"। কইছেন আমগো ফরহাদ্দা। এই সনদখান জোগানোর জইন্য একটা জানা কথারে আবার জাননের দরকার পড়ছে। সত্ত্বার কোন বালাই নাই। সত্ত্বা জিনিসটা সতী নয়। এটা কোন জিনিসই নয়। সত্ত্বার দ্বৈততা আর বৈধতা নিয়ে বাণিজ্য বাড়াবার পথে চুপ মাইরা "সত্য" রে টাইনা লয় রেসে। রেসের গতি বাড়ে। বেবাক দার্শনিকরা হুদাই এ দুইখান শব্দরে নাপাক বানাইবার ফন্দি করছেন। মাইনষের ভেতরে সত্ত্বা আছে মাত্র একখান। এই একখানের আগা গোড়া মোড়াইছে সুখ অথবা শান্তি দিয়া। মানুষ মাত্রই সুখী হবার চেষ্টা কইরবো, আরাম পাওনের চেষ্টা কইরবো। এটা ছাড়া আর কোন কেন্দ্র নাই। বাইপাসরে মহাসড়ক ভাবনের মতো ভাবনার দালালীর করলেতো আরো কতকিছু বাহির হইবো। কোন দার্শনিক হালায় যদি মাইনষের ভেতরতুন শ'খানেক সত্ত্বা না ছাই বাহির কইরতে পারেন, তাইলেতো উনি অবলোকনকারীর সনদ পাইতে পারেন।

সত্য'র গায়ে ইচ্ছামতো আস্তর কইরতে কইরতে সত্য'র শরীরটারে ধরন যায় না। সত্য বলে যা আছে তা আসলে নাই। তবে সত্য'র চৌদ্দ গোষ্ঠী উদ্ধার করনের সময় একটা প্রয়োজনীয় শান্তি আছে। কথা কওন লাগে না। কথা কইলে আর সত্য'রে ধরন যায় না। এইটাতে একটা প্রয়োজনীয় সুবিধাও আছে। সত্যরে তড়িগড়ি কইরা স্বীকৃতি দেওনের দরকার পড়ে না। সত্য'র জইন্য অপেক্ষা কইরতে কইরতে অনেক অপ্রয়োজনীয় সত্য প্রয়োজনীয় মিথ্যা হিসাবে চেহারা দেখাইতে পারে। অথচ এটারে কেউ সত্য কয় না। পয়লা পয়লা এরকম দেখলে ভড়ক খাবার জোগাড় হইতো। পরে ভড়ক খাবার সত্যতা নিয়া প্রশ্ন উঠলেই চারপাশ চাওনের পর সোজা হইতাম। আর আরাম পাইতাম। সত্ত্বার গুতানি টের পাইতাম। সত্য অথবা ভুতের দেখা পাইতাম।
সর্বশেষ এডিট : ২৫ শে মে, ২০১২ রাত ১:৫৪
১৭টি মন্তব্য ১৬টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

পণ্ডশ্রম

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ১০ ই জুন, ২০২৬ রাত ১২:৩৪



এই নিয়েছে ঐ নিল যাঃ! কান নিয়েছে চিলে,

চিলের পিছে মরছি ঘুরে আমরা সবাই মিলে।

কানের খোঁজে ছুটছি মাঠে, কাটছি সাঁতার বিলে,

আকাশ থেকে চিলটাকে আজ ফেলব পেড়ে ঢিলে।

দিন-দুপুরে জ্যান্ত আহা, কানটা... ...বাকিটুকু পড়ুন

আপনার ATM কার্ড কি সত্যিই নিরাপদ?

লিখেছেন নাহল তরকারি, ১০ ই জুন, ২০২৬ সকাল ৮:২৮

আপনার ATM কার্ড কি সত্যিই নিরাপদ?

ধরুন, মাসুদ একদিন বাজার করতে বের হয়েছেন। তার মানিব্যাগে একটি Contactless Visa Card ছিল। বাজারের ভিড়ের মধ্যে একজন চোর একটি বিশেষ স্ক্যানিং ডিভাইস নিয়ে ঘুরছিল।... ...বাকিটুকু পড়ুন

১০০০-তম পোস্টঃ কন্যা আপন সাজন সাজে রে

লিখেছেন সত্যপথিক শাইয়্যান, ১০ ই জুন, ২০২৬ সকাল ১০:২৪

আমাকে ও রাহমিনকে এনিমেট করলে কেমন দেখাবে? এই আইডিয়া থেকেই গানটা রিমিক্স করে এনিমেটেড ভিডিও সং বানিয়ে ইউটিউবে ছেড়েছি। ছোটবেলায় মেঝ খালার বিয়েতে এই গানটা শুনেছিলাম। সবাইকে গানটি দেখা ও... ...বাকিটুকু পড়ুন

নাজিয়া সামান্তা, হিজাব এবং আমাদের সমাজের প্রাতিষ্ঠানিক ভণ্ডামি।

লিখেছেন মহিউদ্দিন হায়দার, ১০ ই জুন, ২০২৬ দুপুর ১২:৫১



​একজন তরুণী প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয়ের সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে ড্রাম বাজিয়ে দর্শক মাতাল। নেটিজেনরা বাহবা দিল। কিন্তু সমস্যাটা অন্য জায়গায়—মেয়েটি বোরকা-হিজাব পরা, সে ২০২৫ সালে হজ করেছে, পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ পড়ে এবং নিজের... ...বাকিটুকু পড়ুন

শৃঙ্খল মুক্তি আমার

লিখেছেন স্বপ্নের শঙ্খচিল, ১০ ই জুন, ২০২৬ বিকাল ৪:৪৫

শৃঙ্খল মুক্তি আমার



ভেঙেছি সমাজের যত চেনা দায়,
চিন্তার প্রাচীর আজও ধুলোয় মেশায়।
ঈমানের নোঙর ছিঁড়েছি হেলায়,
ডুবেছি একাকী ; এক অচিন ভেলায়।
ভালোবাসা, মানবিকতার যত শত মায়াজাল,
ছিঁড়ে ফেলেছি আমি সব কটা পাল।
সহমর্মিতার পথ... ...বাকিটুকু পড়ুন

×