গত কয়েকদিন ব্লগের তাপমাত্রা বিপদসীমা অতিক্রম করে ফেলেছে। ইতোমধ্যে আমার ঘরে থাকা ২টা ডেস্কটপের মনিটর জ্বলে পুড়ে ছারখার! ঘরে এখনো একটা নেটবুক রয়ে গেছে। এটা মেনে নেয়া যায়না। এ বৈষম্যের উচ্ছেদ করতেই হবে। এবার নেটবুকটাকে ছারখার করার ব্যবস্থা করি। তার আগে বলে রাখি, অনেক বিষয় পোস্টে উল্লেখ করা থেকে বিরত থেকেছি। পোস্টে বিভিন্ন কমেন্টের জবাব দেয়ার সময় ওইসব বিষয় উঠে আসবে।
প্রসঙ্গ : ব্লগের অবাঞ্চিতরা
এ ব্লগ থেকে পাওয়া কিছু বিচিত্র অভিজ্ঞতা আমার অফলাইন জীবনের অভিজ্ঞতাকেও ছাড়িয়ে গেছে। আমি দেখেছি কিছু মানুষকে শুধুমাত্র গালাগালি করার জন্য ব্লগে আসতে। যার মধ্যে অন্যতম ব্লগার “লিচু গাছ”। ভদ্রলোক আমাকে গালাগালি দেয়ার জন্য গালি শেখার বই কিনেছেন এবং গালিবাজ বন্ধু থেকে প্রশিক্ষণও নিয়েছেন। নিজে না বললেও বুঝতে পারি, এর চেয়েও বেশি ব্যয় করেছেন চটি পড়ার পেছনে। গালিতে তার শব্দ প্রয়োগ দেখে এটা বুঝা যায়। এরপরও তিনি যুত করতে পারেন না কেবল গালির ব্যবহার পদ্ধতি না জানার কারণে। উনার দুর্ভাগ্য গালি প্রয়োগের পদ্ধতি নিয়ে কোন বই বা ট্রেনিং সেন্টার নেই।
ব্লগে বিভিন্ন কমেন্টে দেখা যায় “ওই মেসেঞ্জারে আয়” “মেইল চেক কর, টাশকি খাইবি!” “রাইতে জি-টকে আসবি, জরুরী আলাপ আছে” – টাইপের কথাবার্তা। এ কাজগুলো করে থাকে ডিজিটাল দুষ্টু ছেলে (বর্তমানে রঙের ফানুস)। এ ধরনের বেশিরভাগ মন্তব্যই তিনি তার মাল্টি নিককে উদ্দেশ্য করে লিখে থাকেন। ব্লগে এর কার্যক্রম পর্যবেক্ষণ করলে স্রেফ একটা ভিলেজ পলিটিশিয়ান ছাড়া আর কোন কিছু মনে হয় না। এ ধরনের কমেন্ট চালাচালি করে এক ধরনের পরিস্থিতি সৃষ্টি করেন, যে পরিস্থিতি প্রমাণ করে উনি একজন নেতা! ব্লগে লেখালেখি এর প্রধান কম্ম নয়। এর প্রধান কম্ম হচ্ছে ফোন, ফেসবুক, মেইলে এক ব্লগারের নামে অন্য ব্লগারের সমালোচনা করা।
উপরে আলোচিত এ দু’ব্যক্তির ব্লগ কার্যক্রম যাচাই করে এদেরকে কোনভাবেই ব্লগার হিসেবে মনে করতে পারছি না। তবে মজার বিষয় হচ্ছে এদের বেশিরভাগ পোস্ট এরাই ডিলেট করে দেয়, বাকি যা থাকে তা কর্তৃপক্ষ ডিলিট করে দেয়। এর মানে হচ্ছে ব্লগের কন্টেন্ট উনাদের জন্য মোটেও গুরুত্বপূর্ণ কিছু না। তাই উনারা অবাঞ্চিত কন্টেন্ট সৃষ্টি করবেন আর মুছে ফেলবেন। কিন্তু অন্য ব্লগারদের প্রচুর কন্টেন্ট উনাদের কাছে স্ক্রীনশট আকারে আছে। এটা হচ্ছে উনাদের অন্যতম প্রধান কাজ। এতোক্ষণ পর্যন্ত উনাদের যা যা কাজকর্মের বয়ান দিলাম, তার কোন একটিও একজন ব্লগারের বৈশিষ্ট্য হতে পারে না। অথচ ব্লগে বেশিরভাগ সময়ই এ দু’জনকে অনলাইনে দেখা যায়। নিবেদিতপ্রাণ ব্লগার বলে কথা! ঠিক এ মুহূর্তে ব্লগের যাবতীয় প্রতিক্রিয়াশীলতার মূল হোতা হচ্ছে এ দুই জন। এরা গাছের পাতার আগা চুলকিয়ে সবচেয়ে লম্বা শিকড়ের ডগা নাচানোর মতো শয়তানির প্রয়োগও এ ব্লগে করে থাকে।
আমার বর্ণমালা নামক একটি ব্লগ সাইট আছে। ওই ব্লগের পেছনে যারা আছে, তারাও সামহোয়ারইন ব্লগকে অস্থিতিশীল করে রাখতে কোমরে দড়ি বেঁধে নেমেছেন। তবে খুব একটা পেরে উঠতে পারছেন না ব্লগার ডিজিটাল দুষ্টু ছেলের দাপটে। ডিজিটাল দুষ্টু ছেলের নাম আবার সম্প্রতি আমার বর্ণমালা ব্লগের বন্ধু তালিকা থেকে কাটা পড়েছে বলে জানি।
এখন চলতে থাকা জুলভার্ন- জিসান শাহ ইকরাম উত্তেজনার পেছনে ডিজিটাল দুষ্টু ছেলে’র সক্রিয়তা শতভাগ। জুলভার্নের পক্ষ নিয়ে কথা বলা বেশিরভাগই আসলে জুলভার্নের পক্ষের নয়, বরং জিশান ইকরামের বিপক্ষের। যাদের কলকাঠি নাড়াচ্ছে এ লোকটি।
প্রশ্ন হচ্ছে ডিজিটাল দুষ্টু ছেলেরা যদি ব্লগে লেখালেখি করতে না আসে, তবে তারা এসেছে কেন? যেসব যায়গায় আমার যাওয়ার প্রয়োজনীয়তা দেখি না, তার মধ্যে মসজিদ অন্যতম। কই আমিতো অহেতুক সেখানে গিয়ে মানুষের নামাজ পড়ায় বিঘ্ন ঘটাচ্ছি না। এদের ব্লগে প্রয়োজন না থাকলে, যেখানে প্রয়োজন আছে সেখানে যাবে। এ সরল অংকটা কেউ বুঝার চেষ্টা করে না। ব্লগে প্রতিক্রিয়াশীল এ দু’ব্লগার তাদের মাল্টি নিক ছাড়াও প্রচুর নিকের সমর্থন পেয়ে থাকে!
সিন্ডিকেট ব্লগিং
সামহোয়ার ইন ব্লগে সর্বপ্রথম সিন্ডিকেট ব্লগিং শুরু করে ‘এ টীম’। তারও আগে অনলাইনে সিন্ডিকেট তৎপরতা শুরু করে জামায়াত শিবির চক্র। এ জামায়াত শিবির চক্রকে রুখবার জন্য ‘এ টীম’ এর জন্ম হয়েছিলো। কিন্তু ওরাও শেষ পর্যন্ত কয়েকজন ব্যক্তির গ্রুপ হয়ে যায়। ব্লগে এসব ব্যক্তিদের ব্যক্তিগত সংকট থেকে উদ্ধার পেতে লাঠিয়াল বাহিনীর ভূমিকায় অবতীর্ণ হয়েছিলো ওরা। ওরা এখন প্রাতিষ্ঠানিক রূপ পেয়েছে ‘আমার ব্লগ’ তথা ‘কলিকাতা ব্লগ’ প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে। যেখানে একেবারে নিচে লেখা আছে আমার ব্লগের অভিভাবক হিসেবে এটীমের নাম।
বর্তমানে এ ধরনের সিন্ডিকেট ব্লগিং মহামারি আকার ধারণ করেছে। এ মূহুর্তে আলোচিত কয়েকটি সিন্ডিকেট এর বিবরণ নিচে দেয়া হলো-
(১) মেসার্স জামায়াত শিবির ইসলামী এন্টারপ্রাইজ
এদের নিয়ে নতুন করে কিছু বলা নিষ্প্রয়োজন।
(২) জুলভার্ন সমর্থক গোষ্ঠী
ব্লগ থেকে যাদের সাথে ব্লগার জুলভার্নের ব্যক্তিগত সম্পর্ক হয়েছে, এ সিন্ডিকেটের সদস্য হচ্ছেন তারা। একটু ভেঙে বলি- এ সমর্থক গোষ্ঠীর সবাই উনার শুভাকাংখী, কিন্তু উনার সব শুভাকাংখী ব্লগারই এ সিন্ডিকেটের সদস্য নয়। এ সিন্ডিকেটের বেশিরভাগই উগ্র প্রতিক্রিয়াশীল এবং চাটুকার। এদের পক্ষ থেকে পরিকল্পিত অপরিকল্পিতভাবে নেয়া বিভিন্ন উদ্যোগ জুলভার্নকে অতিমাত্রায় বিতর্কিত একজন ব্লগারে পরিণত করেছে। পাশাপাশি ব্লগের জামাত শিবির সমর্থনকারী বেশ কয়েকজন ব্লগারের সাথে উনার কৌশলগত সখ্যতার কারণে সত্যিকার অর্থের বেশ কয়েকজন শুভাকাংখী দূরত্ব বজায় রেখে চলে। এখন পর্যন্ত জুলভার্ন সমর্থক গোষ্ঠী’র কোন পোস্ট বা কমেন্ট ব্লগার জুলভার্নের জন্য কোন লাভের কারণ হয়নি। উল্টো একসময় সবার সাথে ভালো সম্পর্কের ওই বাবুয়া এখন একটি সিন্ডিকেটের “জুলভার্ন ভাই” হয়ে গেছেন।
(৩) মামা-ভাগ্নে, নানা-নাতি, আব্বা-আম্মা সমিতি
এর কেন্দ্রে আছেন জিসান শাহ ইকরাম। উনাকে কেন্দ্র করেই এ সিন্ডিকেটের অন্ন গ্রহণ, নিদ্রা যাপন ইত্যাদি ইত্যাদি। কেউ কেউ জিসান শাহ ইকরামের সামাজিকতা চর্চাকে ইতিবাচক যোগ্যতা হিসেবে চিহ্নিত করেন। আমি বলবো এটা হচ্ছে অপ্রয়োজনীয় এবং বিরক্তিকর আপদ। ব্লগে সামাজিকতার চর্চা না করে ব্যক্তিগত জীবনে মামা-ভাগ্নে, নানা-নাতি, আব্বা-আম্মা তথা পরিবার পরিজন, বন্ধুবান্ধবদের সাথে ঘটে যাওয়া চমৎকার ঘটনাগুলো শেয়ার করাই ব্লগিংয়ের সাথে মানানসই। ব্লগিং করতে এসে ব্লগারদের সাথে সম্পর্ক হবেই। কিন্তু ব্লগে এসে সম্পর্ক স্থাপন করাই যদি কারো মূখ্য উদ্দেশ্য হয়ে থাকে এবং যদি তা রীতিমতো উৎপাতের পর্যায়ে যায়, তবে এ ধরনের কাজ যারা করে তাদেরকে আমি ব্লগ কনসেপ্টের শত্রুই বলবো। এ ধরনের সমিতি টাইপ ব্লগিং ব্লগের বিকাশকে বাধাগ্রস্থ করে।
(৪) জাতীয়তাবাদী অশ্লীলতাবিরোধী আন্দোলন
এটাতো রীতিমতো ক্যান্সার। পত্রপত্রিকা, ইউটিউব ঘেঁটে বিভিন্ন অশ্লীল ছবি ভিডিও ব্লগে দিয়ে সেটার চুলচেরা বিশ্লেষন করে এরা প্রমাণ করতে থাকে এদের দৃষ্টিভঙ্গি কতোটা অশ্লীল। এ ধরনের কার্যক্রম পরিচালনা রীতিমতো আন্ডারওয়ার্ল্ড ক্রাইম কালচারের চেয়েও অধিক সংগঠিত। এরা কোন একটি মেয়ের অশ্লীলতার বর্ণনা করতে গিয়ে তার বগলের কেশ পর্যন্ত দেখে থাকে, এমনকি খুব সম্ভবত মেয়ের বগলের গন্ধও নিয়ে থাকে। কি পরিমাণ সময় ব্যয় করে নিজের চোখ এবং মননের কতটুকু অশ্লীল ব্যবহারের ফলে এ কাজটি করা সম্ভব! এদের অধিকাংশই আবার ভারত বিদ্বেষী। কিন্তু বলিউডের প্রায় সব নায়িকার পারসোনাল প্রোফাইল এদের নখদর্পনে। এমনকি বাংলাদেশী শোবিজের যে কোরো স্ক্যান্ডাল ভিডিও সর্বপ্রথম এরাই ব্লগে শেয়ার করে থাকে। এবার বুঝে নেন, কতটুকু অশ্লীল মনমানসিকতা থেকে এরা অশ্লীলতা অনুসন্ধান করে থাকে। যেদিন দৈনিক পত্রিকাগুলো ঘেঁটে কোন অশ্লীল কন্টেন্ট পাওয়া যায় না, সেদিনকার দুরাবস্থার কথা চিন্তা করে রীতিমতো করুনা করতে ইচ্ছে করে। আহারে!
(৫) নিখিল বঙ্গ নাস্তিক এসোসিয়েশন
নাস্তিকতাও একটা তত্ত্ব বটে এবং এ তত্ত্বের অনুসারীরাও একটা গোষ্ঠী বটে! আবার কোন ঈশ্বর অবিশ্বাসী নাস্তিকতার তাবলীগী কার্যক্রমের সমালোচনা করলে “উনি সত্যিকারের নাস্তিক নন” বিচারিক উক্তিও প্রসব হতে থাকে। আলোচিত এক ব্লগারের ফেসবুক আইডি হচ্ছে “নাস্তিক প্রলাপ”! ওই যে, মুফতি আমিনীর মতো আরকি! নামের আগে মুফতি লাগিয়ে যেমন প্রমাণ করতে হয় আমি মুসলমান, ঠিক তেমনি নামের আগে নাস্তিক লাগিয়ে প্রমান করতে হয় আমি নাস্তিক। ব্লগে নাস্তিকতা টপিকে নিয়মিত লেখালেখি করা বেশিরভাগ ব্লগারের কার্যক্রম দেখলে মনে হয় এরা আসলে ধর্ম বিদ্বেষী। মুক্তমনা শব্দটি হচ্ছে একধরনের সাইনবোর্ড। নিখিল বঙ্গ নাস্তিক এসোসিয়েশনের বেশিরভাগ ব্লগারের রাজনৈতিক জ্ঞান শূন্যের কোঠায়। নিজেদের ভেতরে প্রতিক্রিয়াশীলতার গুদাম বানিয়ে এরা ধর্মীয় প্রতিক্রিয়াশীলতার বিরুদ্ধে লড়তে চায়। অথচ উভয়েই যে একই তরিকার অনুসারী, এটার কোন খবর নাই।
(৬) স্বতন্ত্র চুতিয়া
এটা এক আজব চীজ। ব্লগারদের সাথে ব্যক্তিগত সম্পর্ক করে গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিগত তথ্য সংগ্রহ করে। একসময় ওই ব্যক্তির সাথে সম্পর্ক ছিন্ন করবে এবং ব্যক্তিগত তথ্যগুলো প্রকাশ ও প্রচার করতে থাকবে। হোয়াট অ্যা ফাকিং জব!!
নিজেকে নিয়ে কিছু কথা
আমার সাথে ব্লগে আলোচনা, তর্ক কিংবা বিতর্ক করতে গিয়ে অনেকেই নানান সময় আমাকে নানান গ্রুপবন্দী করার চেষ্টা করেছেন। কখনো কর্তৃপক্ষের পেইড ব্লগার, কখনো আওয়ামী সমর্থক, নাস্তিক গ্রুপের সদস্য, কখনো বামপন্থী হিসেবে চিহ্নিত করার প্রয়াস চালিয়েছেন। অথচ বাস্তবে আমি একজন সম্পূর্ন স্বাধীন মানুষ। এ ব্লগে আমার চাইতে বেশি কেউ ব্যক্তি আক্রমণের স্বীকার হয়েছে কি না, জানি না। সেই এটীম থেকে শুরু করে উপরে উল্লেখিত প্রায় সবগুলো সিন্ডিকেট থেকে নানান সময় আমার প্রতি আক্রমন করা হয়েছে। আর কর্তৃপক্ষতো কতোবার স্টাটাস নিয়ে টানাটানি করেছে, তার ইয়ত্তা নেই। তবুও সম্মানিত ব্লগারগণের সুতীক্ষ্ণ পর্যবেক্ষণ এবং বিবেচনাবোধ থেকে আমি কখনো আওয়ামী সমর্থক, কখনো ভাদা, কখনো আধা নাস্তিক, কখনো পেইড ব্লগার!!
২০০৮ সালে এক বড়ভাই আমাকে প্রয়োজনীয় ৩টি সাইটের সাথে পরিচিত করিয়ে দেন এভাবে- (১) তুমিতো লেখালেখি করো, সামহোয়ারইনব্লগে রেজি: করে ওখানে লিখতে পারো। তাহলে তোমার লেখাগুলোও নিরাপদে থাকলো এবং অনেকের ভাবনার সম্পর্কেও জানতে পারবে। (২) ফেসবুকে একাউন্ট আছে? না থাকলে ওখানে একটি একাউন্ট খুলতে পারো। প্রয়োজনীয় মানুষদের সাথে খুব সহজে যোগাযোগ করতে পারবে এবং গুরুত্বপূর্ণ ফটোগুলোও এলবাম করে রাখতে পারবে। (৩) ইউটিউবে প্রচুর প্রয়োজনীয় ভিডিও পাবে এবং নিজের নামে একটা একাউন্ট খুলে ভিডিও জমা রাখতে পারবে। পাশাপাশি পছন্দের ভিডিওগুলো সেভ করে রাখতে পারবে। - আজ এ অবস্থায় যখন পরিচিতি পর্বের কথা ভাবি, তখন বুঝতে পারি সেটা অনেক সুন্দর একটি পর্ব ছিলো। বড় ভাইয়ের পরামর্শ ছিলো, “তুমি যদি অনলাইনের সঠিক ব্যবহার করতে পারো, তবে তোমার উন্নতি হতে বেশি সময় লাগবে না। বড় ভাইয়ের কথায় আস্থা রেখেছিলাম এবং বুঝতে পেরেছিলাম ২০০২/৩ সালের দিকে ইন্টারনেটে মোটামুটি বিচরণ করেও সেদিন পর্যন্ত সঠিক ব্যবহার করতে পারিনি। অথচ আজ আমার পুরো ক্যারিয়ার গঠনের অবদান অনলাইনের।
প্রতিক্রিয়াশীলতা এবং অসুস্থ মানসিকতার চর্চা ঝেড়ে ফেলে ব্লগ হোক শেয়ারিং এর অভয়ারণ্য!
(ব্যস্ততার কারণে হয়তো পোস্ট দেয়ার পর অনলাইনে বসতে পারবো না। তাই মন্তব্যের জবাব দিতে দেরী হতে পারে।)
সর্বশেষ এডিট : ১৭ ই সেপ্টেম্বর, ২০১১ সকাল ৯:১৫

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


