আমাদের উঠোন থেকে দেখা আকাশ।
বাড়ির সামনে বর্ষায় বিধ্বস্ত কাঁচা রাস্তা। এ রাস্তাটিতে ইউনিয়ন পরিষদের মাটি পড়তে দেখেছিলাম একেবারে পিচ্ছি থাকতে। ২ ইউনিয়নের সীমানায় পড়ার কারণে এ বঞ্চনা। প্রতিবছর শীতে এলাকাবাসী নিজেদের অর্থ, মাটি এবং শ্রমে রাস্তাটি মেরামত করে।
বাড়ির সামনে জলাশয়ে আরেকটি গ্রাম।
আমার লাগানো গাছটি এখন অনেক বড়। তার ফাঁকে বিকেলের সূর্য।
বাড়ির পাশের 'বড় খাল' এখন মরে যাচ্ছে।
স্থানীয় ভাষায় এটাকে ব্যাল বলে। বর্ষায় প্রচুর মাছ ধরা পড়ে। খোকইন্যার বাপের এই ব্যাল খোকইন্যায় ধইচ্ছে, অনগা খোকইন্যার হোলায় ধরে।
কিছুক্ষণ পরপরই উপরে তাকাতাম এবং এ ছবিটির মতো করে দেখেছি।
যে যায়গায় দাঁড়িয়ে এ ছবিটি তুলেছি, সেখানে ছিলো 'নেতার দোকান'। নেতা এখন নেই, মরে গেছে। দোকানটিও নেই।
ছবির মতো সুন্দর গ্রাম।
একটি পতিত ডোবা। নিজেকে কী সুন্দর সাজিয়ে রেখেছে! নামবেন? শরীরের যতটুকু ডোবাবেন, ততটুকু নিয়ে আর বাড়ি ফিরতে পারবেন না। পানি খুব বিষাক্ত। কিন্তু দেখুন না, কী সুন্দর!
খুব পরিচিত লাগতেছে না? আমাদের সৈয়দ আবুল হোসেনের পদ্মা সেতু।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।

